somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দোঁহা শতক

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.
চল সখি নিধুবনে আজ পূর্ণিমা--
জোছনার ননী মেখে রাঙাই তনিমা।
২.
কোষের কণিকাজুড়ে প্রণয়ের চাষ
বিরহ কুসুম ফোটে অনুবারোমাস।
৩.
বনে বনে ঘুরি ফিরি মনেতে বিষাদ
হরিণী হারিয়ে কাঁদি বিফল নিষাদ।
৪.
বানিয়ার বেশ ধরে আনাড়ি কানাই
সারাদিন রাধিকার প্রতিমা বানাই।
৫.
অগোচরে ঘরে আসে উতলা ফাগুন
তলে তলে জ্বেলে যায় তরল আগুন।
৬.
গোধূলি নেমেছে পাটে ধূপছায়া জাগে
আকাশ মেতেছে আজ কার অনুরাগে?
৭.
উতরোল কান্নার বোবা কলরোল
গিলে খায় কিশলয় কিন্নর বোল।
৮.
ডুবে যায় পূর্ণিমা ভেসে ওঠে ছায়া
গায়ে তার লেগে আছে জোছনার মায়া।
৯.
নীরবে সরব হলো কাল নিরবতা
বিরহের কাছে প্রেম যাচে অমরতা।
১০.
অবিনাশী বাসনার মিছে অভিলাষ
বিরহে বিনাশ হয়ে হবে ইতিহাস।
১১.
তুমি যে গিয়েছো ভুলে ভুলে যাই ভুলে
আনমনে বিলি কাটি আমাজন চুলে।
১২.
মাতাল মহুয়া বনে পরাগ মিথুন
বুনেছে হৃদয় মাঠে বিষাদ প্রসূন।
১৩.
বিরান মাঠের বুকে রুয়ে যাই আশা
চারা মেলে ডাল-পালা ফোটে ভালবাসা।
১৪.
কালের করাল কোলে কালঘুমে রাই
ভাঙা বাঁশি ফুঁকে চলে অবোধ কানাই।
১৫.
জলে জলে জ্বলে জ্বলে তরণী ভাসাই
ছেঁড়া পাল ভাঙা হাল পথ জানা নাই।
১৬.
অভাগা কুমোর আমি দুই হাতে কাদা
চাকায় যাহাই গড়ি হয়ে যায় রাধা।
১৭.
আঙুলে ঘুরাই যতো তসবিরর দানা
জবান শিরির নামে হতে চায় ফানা।
১৮.
আকাশে জমেছে মেঘ নামবে বাদল
জলরং ক্যানভাসে কার সে আদল?
১৯.
ফুলেল বোধের ঘোরে সেজেছি সবিতা
অকালবোধন সে কি ভাবো পুষ্পিতা?
২০.
বিরহের বারোমাসী শাখাময় গাছে
পাতার সুবজ ঘিরে বাসনারা নাচে।
২১.
জড়িয়ে নিয়েছি গায়ে বিরহ চাদর
শীতের শরণ যাচে শাওন-ভাদর।
২২.
গেরুয়া বসন গায়ে মুখে হরি হরি
একতারা কেঁদে চলে ভেলুয়াসুন্দরী।
২৩.
আকাশে দিয়েছি একে বেদনার নীল
আমার বেদনা ভারে ব্যথিত নিখিল।
২৪.
পলে পলে ফাঁদ পাতে প্রণয়ের জাল
কাঙাল বাসনা কাঁদে ভুলে কালাকাল।
২৫.
তর্জনী তুলে খাড়া কালের খড়গ
সুখের সড়কজুড়ে স্মৃতির মড়ক।
২৬.
বিরহ জ্বেলেছি বুকে আহুতি হৃদয়
অপবাদ দেয় লোকে কালিয়া নিদয়।
২৭.
কুড়াই প্রহরব্যেপে স্মৃতিলগ্ন ধূলি
সাজাই পূজার ঝাঁপি করোটির খুলি।
২৮.
মনে ও মননে আছো আছো নিউরনে
মাংসে-মজ্জায় আছো আছো হরমোনে।
২৯.
অপেক্ষা- সাম্পান, উপেক্ষা- ঢেউ
কাপ্তান ভাবে আহা এলো বুঝি কেউ।
৩০.
জিনোমের মানচিত্রে যার নাম লেখা
ঘুমাও প্রহর গুণে, হে কাজলরেখা।
৩১.
সৃজনের তোড়ে ভাসে প্রেম-রতি-কাম
সৃজনে জড়িয়ে থাকে সেই রাধা নাম।
৩২.
ঠিকানা বিরানা হলো বিজয় বিলয়
বিরহের হাত ধরে হাসে বরাভয়।
৩৩.
মথুরা মথিত করে ছুটি বৃন্দাবন
প্রদীপের আশে বৃথা যমুনা মন্থন।
৩৪.
আক্ষেপে বিক্ষেপে সংক্ষেপ হয়ে
প্রমত্তা তৃষ্ণার স্বেদ ফেলি ক্ষয়ে।
৩৫.
যে নামে এখনো ফোটে কদমের ফুল
কালিন্দীর ধারা হয়ে বহে তার চুল।
৩৬.
বিলোল বিহার মাগে বিরহী আঙুল
নাবিকের চোখে জাগে ভুল মাস্তুল।
৩৭.
ভুলেছে যে নামসুধা ভুলে গেছে সুর
সে না চেনে মথুরা না হস্তিনাপুর।
৩৮.
বিন্দে দূতি গয়া গেছে বিশাখাও নাই
কোথা তার দেখা পাই কাহারে শুধাই?
৩৯.
হতভাগী বেহুলার অপয়া লখাই
নিয়তি ছোবল হানে যেখানেই যাই।
৪০.
প্রণয় বিহনে নই বেদনা বিধূর
পরশ বুলায় প্রাণে বিরহ বিদুর।
৪১.
বেশ আছি হাসি-খুশি খাই নাচি গাই
পাড়ার লোকেতে তবু ডাকে যে দুখাই।
৪২.
উদাসী বাতাসে বাজে লাউবৎ বুক
দুপুরের ঘুঘু আমি নিশিতে ডাহুক।
৪৩.
আসঙ্গ-আশ্লেষে আহ্লাদ ঢেলে
অনঙ্গ-বহ্নির শিখা গেলে জ্বেলে।
৪৪.
মাছের কান্না ভবে বোঝে না তো কেউ
বোঝে শুধু জল আর অবিচল ঢেউ।
৪৫.
কামরূপকামাখ্যা গিয়ে আনি জাদুটোনা
মাদুলি-কবজে দেখি বাড়ে জ্বালা দোনা।
৪৬.
কোকিলের কুহুতান দোয়েলের শিস
বল বানু কানে কেন হানে হেন বিষ?
৪৭.
বাতাসে দিয়েছি ফুঁকে বিরহ আমার
তাই তার বুকে বাজে এতো হাহাকার।
৪৮.
যে আগুন পোড়ে শুধু করে নাকো ছাই
কী মূলে ডরাই তারে যতো পুড়ে যাই?
৪৯.
ভারায় হৃদয় তুলে কষেছি করাত
লোহিত সাগর হলো বেরং ফোরাত।
৫০.
বৈদ্যের চরণে ঢালি নৈবেদ্য ডালি-
ওঁয়ার পরাণে দাও হামারি কৈছালি।
৫১.
রক্তকণিকা মাঝে বিরাজে লোহিত
পাতায় হরিৎ হাসে-প্রাণ-সংগীত।
৫২.
ধরেছি কোষের খোপে কৃষ্ণের ভ্রুণ
ত্রিকাল দর্শন যাচে ক্লোন-অর্জুন।
৫৩.
কৈবল্য প্রার্থী নই নই তাতে খুন
আশেকের আর্তি শুধু মাশুকে মিথুন।
৫৪.
তরঙ্গ বিভঙ্গে ভাসে বেহুলা বাসর
জমে উঠে জম্পেস জুয়ার আসর।
৫৫.
আছি-নেই দু'জনেই দু'জনার ঠাঁই
একছাড়া অপররে নাম-ধাম নাই।
৫৬.
সহায় সীমতি বলে সূচতি অভাব
সুরাহাও দূরে নয়-সুমতি স্বভাব।
৫৮.
যেতে যেতে ডেকে বলে অচলা সময়
হায়াতের দায় সাধু এড়াবার নয়।
৫৯.
পড়ে আছি কালাপানি জানি না সাঁতার
এ তো নয় দামোদর- অথৈ পাথার।
৬০.
দিকভ্রান্ত জাহাজের মাস্তুলে বসে
বাতিঘর খুঁজে মরি আদিগন্ত চষে।
৬১.
হতে পেরে পতি নর ভাবে সেই সেরা
নারী বলে চোখ তোর জনমের টেরা।
৬২.
জীবন ঘোষণা করে বজ্র নির্ঘোষে
দুস্তর ব্যবধান সুখ ও সন্তোষে।
৬৩.
লালসা ও বিলাসের যুগল প্রতিমা
চেটে খায় আমাদের বিবেক প্রতিভা।
৬৪.
পদ্মার নাম সে তো জেনেছি কপিলা
যে গঙে ফোটায় প্রাণে কুবেরর লীলা।
৬৫.
সন্ন্যাসে যাই নাই সংসার লাগি
সংসারী হই নাই নই বৈরাগী।
৬৬.
বৈরী কস্তুরী পেটে যে হরিণী ধরে
ঠাঁই হয় আশু তার কিরাতের ঘরে।
৬৭.
পাখিরা মুক্ত বটে নয় তো উড়াল
সীমানা রচনা করে অমোঘ দেয়াল।
৬৮.
ঈশানে জমেছে মেঘ হাঁকিছে বিষাণ
হাল-পাল ছেড়ে কাঁদে নাবিক কিষাণ।
৬৯.
চাররঙা বিজ্ঞাপন ছাপাবো কাগজে
মিডিয়া মন্দিরে সতী কোন রাম ভজে?
৭০.
বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী বাণিজ্যতে প্রেম
প্রেম-কাম নির্বিশেষে নিকষিত হেম।
৭১.
আরতির বেদী পরে দেবীর যে দেহ
তাতে প্রেম করে বাস সেই তার গেহ।
৭২.
রূপের অনলে পুড়ে জুলেখা অঙ্গার
ইসুফের বুকে চাপে অরূপের ভার।
৭৩.
কী বলিতে কীযে বলি হুঁশ নেই তাতে
রসনার রাস নেই সহিসের হাতে।
৭৪.
নির্দোষ কাঁঠালের নির্বোধ কাঁটা
দাড়ি-গোঁফে মেখে দেয় ধর্মের আঠা।
৭৫.
ধর্মের শালিধানে আকালের চিটা
নিরন্ন নবান্নে ডালপুরী পিঠা।
৭৬.
সৃজনের তোড়ে ভাসে প্রেম-রতি-কাম
সৃজনে জড়িয়ে থাকে সেই রাধা নাম।
৭৭.
সকলের মাঝে সাঁই হতে চাই লীন
যুক্তির যোগে মানি মুক্তির চিন।
৭৮.
কালের মিনারে হাঁকে নকিব বেলাল
কাতারে সাঁতার কাটে নামাজি বেহাল।
৭৯.
কলির সন্ধ্যা শেষে নামে নিশি ঘোর
সামিল তাহাজ্জুদে খোদাভীরু চোর!
৮০.
চোখ বড়ো বেঈমান মুনাফেক পাঁজি
যেই ডাকে হের লগে যেতে হয় রাজি।
৮১.
বুজুর্গ খেলাপীর কামেল ভাতিজা
হালখাতা ভরে তুলি মরহুম ইজা।
৮২.
পুণ্যের ভারে ন্যুব্জ কানা দরবেশ
সায়াহ্নে দেখে পাপ পুণ্য বিশেষ।
৮৩.
ভাষার ফাঁপরে পড়ে অসহায় বাণী
তীরের তালাশে খায় নাকানিচুবানি।
৮৪.
কালির হরফে লিখি সাকার বচন
আকারে প্রকার হয় নিরাকারজন।
৮৫.
আকারে দিয়েছো একি আজব বিকার
মাটির পুতুল যাচে নূরের দিদার!
৮৬.
নয়নে দিয়েছো গেঁথে গীতার রেটিনা
অরূপ রতন খুঁজি ভেদ যে জানি না।
৮৭.
অবলা পশুর কাছে শিখি এইবার
ভাষার যাতনা ভাঙে হৃদয়ের পাড়।
৮৮.
নির্জ্ঞান নির্বাণে জাগে নির্বেদ
আকালের ঋষি রচে নয়া ঋগ্বেদ।
৮৯.
দৃষ্টির ঘেরাটোপে খাই ঘুরপাক
অলোকের সন্ধানে নয়া চার্বাক।
৯০.
বোধের অতীত হলে লৌকিক বোধি
অস্বীকারে প্রাপ্তির ঋণদায় শোধি।
৯১.
বোধের রাখাল আমি বাসনা চরাই
শ্বাপদ-সর্প নয় নিজেরে ডরাই।
৯২.
জ্ঞানের গরিমা সে তো ক্ষমতার ছল
খুয়াই ফুকোর হাতে লোটা-কম্বল।
৯৩.
জ্ঞানের কাণ্ড আছে ডাল-পালা নাই
সে কাণ্ডে পীড়নের মুগুর বানাই।
৯৪.
ফ্রয়েড বাখানে সহি খাবের তাবির
মগন গগনে ভাসে জ্ঞানের আবীর।
৯৫.
ফরাসী সে সন্ন্যাসী ফ্রয়েডের চেলা
আরশি অটুট রাখে ভাঙে তার খেলা।
৯৬.
মুসার মুরিদ জানে গূঢ় সত্যসার
কামের জারণ বিনা জীবন বেকার।
৯৭.
অস্ট্রীয় বুড়ো ভাম মুখে চাপদাড়ি
খুলে ফেলে কাম নাম দ্রৌপদীর শাড়ি।
৯৮.
নিজেকে কতল করে নিজে বেঁচে থাকি
আনন্দ-সমাধি পরে ফলকের ফাঁকি।
৯৯.
একচোখা দানবের পশ্চিমা চোখ
ড্রাকুলার জাতভাই মহান অশোক।
১০০.
শিরোপরি মহাত্মা দেরিদার দোয়া
বোধের সৌধে ভাঙি বয়ানের খোয়া।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
২৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×