আমার প্রিয় পোস্ট
- এডওয়ার্ড সাঈদ এবং উত্তর উপনিবেশ বিরোধী লড়াই - জামীর রাসেল
- ::জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০১১ ও ফটো এ্যালবাম:: - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- ভারতীয় রাডারের ব্যার্থতাঃ পুরুলিয়ায় অস্ত্র নিক্ষেপ, একদিন প্রমাণিত হবে ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলাও সাজানো নাটক! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ১ - আশরাফ মাহমুদ
- ‘জীবন্ত কিংবদন্তী’ জননেতা জ্যোতি বসুর জীবনাবসান - অজয় দাশগুপ্ত
- কিংবদন্তি বিপ্লবী জ্যোতি বসুঃ সর্বভারতীয় রাজনীতিতে অনুকরণীয়, অনুস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব_শেখ রফিক - শেখ রফিক
- এদের চিনে রাখুন,একদিন এরাই আপনাদের ছিড়ে-খুঁড়ে খেয়েছিল (প্রথম পর্ব) - শয়তান হন্তারক
- Muhammad: Legacy of a Prophet - নাফাজি
- বাংলা কাব্য সাহিত্যের পথিকৃৎ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- বিশ্ব মিডিয়াতে বঙ্গবন্ধু - মোঃ আসাদুল ইসলাম
- বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক - কলমীকণ্ঠ
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকার ভূমিকা - কলমীকণ্ঠ
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান। - চিন্তিত দার্শনিক
- মণিপুরী মুসলিম আদিবাসীদের ঈদ উদযাপন এবং জীবনযাত্রা নিয়ে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- বীর প্রতীক এক আদিবাসী বাঙ্গালি বীরাঙ্গনা কাকন বিবির যুদ্ধ জয়ের গল্প - শামস শামীম
- শেষ পর্ব: ৭ম কিস্তি: অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং: (ইংরেজিতে লিখে পরিশ্রমী উপার্জনের পথ দেখানোর প্রচেষ্টা) - হাসিনুল ইসলাম
- ১৯ বছর পর সবচেয়ে বড়ো চাঁদ দেখা যাবে ১৯ মার্চ - আসিফ আহমেদ মামুন
- অমর একুশে:: এক রক্তাক্ত স্মৃতির ইতিহাস:: - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- শতবার্ষিক শ্রদ্ধাঞ্জলি ।। আ.ন.ম. বজলুর রশীদ : রবীন্দ্রানুসারী কবির রবীন্দ্রবিবেচনা - তপন বাগচী
- আহমেদুর রহমান আজমীঃ যিনি মাদ্রাসার ছাত্র হয়ে উর্দুকে অবজ্ঞা করে মায়ের ভাষার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিলো। - ইউনুস খান
- পৃথিবী জুড়ে বাংলা ভাষা - রোকসানা লেইস
- যাঁরা এ পর্যন্ত স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- ভাষাসৈনিক মমতাজ বেগমঃ আজীবন বিপ্লবী এক নারীর ভুলে যাওয়া অধ্যায়। - আসিফ মহিউদ্দীন
- বি ডি আর হত্যাকান্ডের সেই গোপনীয় অধ্যায়গুলো-৩য় খন্ড - স্বাধীনতার_অপেক্ষায়
- বাংলা ভাষায় ইসলামিক রিসোর্স তালিকা তৈরিতে সাহায্য করুন... - ত্রিভুজ
- শেখ মুজিবুর রহমান : বন্দি থেকে বাদশা / টাইম সাময়িকী ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ - াহো
- সিকিম সিন্ড্রোম: একটি মহামারির পূর্ব সংকেত! - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- বাংলাভাষা কি সংস্কৃতের দুহিতা? - নতুনদেশ
- আমাদের কথাসাহিত্য আঞ্চলিক ভাষা - আকাশভরাতারা
- গণহত্যা-অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস (প্রাককথন-৩ ‘দি সানডে টাইমস এর বক্তব্য’) - বাউল!
- তাঁদের জন্য ভালোবাসা - কাঊসার রুশো
- আসুন শিখে নেই হরেক রকম জুতার ফিতার বাধন - কুঁড়ের বাদশা
- অপারেশন জ্যাকপট - কাঙাল মামা
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের জন্য আত্মহত্যা'মাওলানা আবুল কালাম আজাদ - শাহানূর
- অনুবাদকদের জন্যে -হাসান ইকবাল - হাসান ইকবাল
- মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুদের তিনটি অজানা গল্প শুনুন - কাঊসার রুশো
- সেদিন সার্কিট হাউসে যা ঘটেছিল - লিঙ্কন
- বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি - লিঙ্কন
- বিদেশি পত্রিকায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ - লিঙ্কন
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম ছিল: 'ওই মহামানব আসে, দিকে দিকে রোমাঞ্চ জাগে। - াহো
- র' থেকে এফবিআই : বাংলাদেশের ভেতরে সংঘবদ্ধ রাষ্ট্রীয় গুণ্ডামির ধারাবিবরণী - ফিউশন ফাইভ
- নয় পাকিস্তানি সাংবাদিকের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধ এদেশীয় দালাল+হেইট+ডুসপিক+রাও ফরমান আলীদের কিলিং মিশন - রিমন মাহফুজ
- বুদ্ধিজীবি হত্যা, রাও ফরমান আলী ও রাজাকারদের উৎসর্গ করা নিয়াজির লেখা বই - শওকত হোসেন মাসুম
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - নামহীন মানব
- মুক্তিযুদ্ধের দলিল খোয়া গেছে ভারতে - মাহবুব মোর্শেদ
- দ্য আদার কনসার্ট ফর বাংলাদেশ : যেটার কথা কেউ বলে না! - অমি রহমান পিয়াল
- মুক্তিযুদ্ধের নায়ক জেনারেল জ্যাকব এর সাথে এক সন্ধ্যা - ব কলম
- যেকোন pdf ফাইলকে word এ কনভার্ট করুন খুব সহজেই। (লিংক আপডেটেড) - নিঃসঙ্গ পথিক..
- কর্নেল জাফর ইমামের স্মৃতিতে ৩ নভেম্বর - নিষ্কর্মা
- একটি কবিতা (ইংরেজি অনুবাদসহ) - ডলুপূত্র
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- পূর্ব-পাকিস্তানের অপরাধীদের ও ধ্বংসযজ্ঞের ওপর গোপন ক্যাটালগ: বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ২৪ - ফাহমিদুল হক
- ইয়াহিয়া খানের বিরুদ্ধে রচিত 'প্লট': বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৪৮ - ফাহমিদুল হক
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”...রিপোষ্ট-- - মুনশিয়ানা
- দুই কোরিয়ার বিভাজনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস - ইমন জুবায়ের
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিদেশে প্রকাশিত প্রথম রিপোর্ট: সাইমন ড্রিং-এর প্রতিবেদন - আ-আল মামুন
- ফেল্লাচি বলেছিলো শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী - স্পাইডার
- শেখ মুজিব ----- আহমেদ শরীফের ডায়েরী থেকে - রাসেল ( ........)
- বাংলাদেশের আকাশ : কবিতায় শেখ মুজিব - ফকির ইলিয়াস
- বিদেশি লেখকদের মূল্যায়নে শেখ মুজিব - দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
- বিদেশি বীর প্রতীক মুক্তিযোদ্ধার কথা আমরা হয়তো অনেকেই জানিনা। - কোবরা
- "মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পাচ্ছেন ২৬ বিদেশি" - তোিহদ
- বিলম্বে হলেও ২৬ বিদেশি নাগরিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখা “Concert For Bangladesh” ডিভিডি ডাউনলোড করুন এবং সাথে জানুন আরো কিছু তথ্য… - না বি ল
- দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ : কিছু অজানা অধ্যায় ১ - অমি রহমান পিয়াল
- প্রথম আলোর মুক্তিযুদ্ধ এর ইতিহাস অনুসন্ধান - নেটবুক
- বাংলাদেশের ভিনদেশী বন্ধু - সন্দীপন বসু মুন্না
- একাত্তরের বিদেশি বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবে বাংলাদেশ:আসুল সরকারকে স্বাধুবাদ জানাই এই মহত উদ্দ্যোগের জন্য - ওরাকল
- "একাত্তরের সেই বিদেশি বন্ধুদের জন্য এবার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব।" চমৎকার সংবাদ দিয়ে দিনের সূচনা।
- ১৯৭১
- শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আক্রোশে বাংলাদেশে ফিরে এসেছে ঘৃণার রাজনীতি :ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন - যুক্তিবাদী একজন
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠঃ হামিদুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি... - ভাস্কর চৌধুরী
- নিউইয়র্ক থেকে US-BD Technology Summit লাইভ ওয়েবকাস্ট - কমপিউটার জগৎ
- য়োসা সাহিত্য না রাজনীতির কারণে নোবেল পেলেন। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- রাতের আকাশ ও তারা পরিচিতি - পগলা জগাই
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- বাবরি মসজিদ-রামজন্মভূমি বিতর্ক - অল্পদর্শী
- রোশেনারা : মুক্তিযুদ্ধের এক মিথ - অমি রহমান পিয়াল
- ‘অপারেশন বিগ বার্ড’- যেভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুকে - অমি রহমান পিয়াল
- মিশেল ফুকোর বাতি জ্বালানি - সলিমুল্লাহ খান ( দ্বিতীয় পর্ব) - ইকারুসের ডানা
- প্রসংগ- Asian Highway - শয়তানেরচাবুক
- দালাল আইন, যা পরে বাতিল হয়েছিল - অমি রহমান পিয়াল
- বিচার সম্ভব, চাই সরকারের সদিচ্ছা - অমি রহমান পিয়াল
- Google Transliteration: বাংলা লেখার সহজতম উপায় - চল বদলাই
- শঙ্খ ঘোষের ২৭টি কবিতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- বাংলাদেশের নদ-নদী: কে কোথায় বহমান....৩ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- facebook এর security check থেকে নিয়ে নিন চিরদিনের জন্য মুক্তি - টেকি মামুন
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- কারা ছিল ঠগী? - ইমন জুবায়ের
- কারা ছিল বর্গী? - ইমন জুবায়ের
- ফিলিস্তিনি কবি মাহমুদ দারবিশ : একজন ‘আসাফির বিলা আজনিহা’ বা ডানাশূন্য চড়ুই ... - ইমন জুবায়ের
- জীবনানন্দের ‘যেইসব শেয়ালেরা’ কবিতাটির ইংরেজি অনুবাদ - ইমন জুবায়ের
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- ঢাকা শহর ও বাংলাদেশের কিছু পুরাতন ছবি - রিয়াজুল ইস্লাম
- Online - এ বাংলা বই - মশিউর রহমান মেহেদী
- জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতা - প্রেতাত্মার বিলাপ
- সফদার ডাক্তার : একটা অতি প্রিয় ছড়া; পড়ুন আর স্মৃতির সাথে মিলিয়ে নিন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রকাশ হলো ব্লগারদের নির্বাচিত কবিতার ই-বুক : ১'ব্যাগ কবিতা (নতুন ডাউনলোড লিংক সহ) - সবাক
- বিনীত কথা : ১০ । কবিতার ছন্দ প্রসঙ্গে - অনুপম হাসান
- বিদেশী ভাষায় রবীন্দ্রসংগীত (শেষ পর্ব) - সুফিয়ান ডট কম
- ফ্রীতে নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরি করুন !!

- ইসানুর
- আপনি কি বাংলাদেশের সবগুলা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জানেন...?? বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা ওয়েবসাইট লিংক ও ক্যাম্পাসের ছবি সহ..। - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে কতটা জরুরী? - নুভান
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- বাংলাদেশী ওয়েব এড্রেস (অনলাইনে প্রতিদিন) - সিটিজি৪বিডি
- বাংলায় ফ্রি (পি.ডি.এফ) নির্ভরযোগ্য ইসলামী বইপত্র - সািদক
- খনা ও খনার বচন...... - মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- নীলিমা ইব্রাহিমঃ শিক্ষকতা ও সাহিত্য চর্চার এক অনন্য নাম - শেখ রফিক
- আর্টস (http://arts.bdnews24.com) -এর দু বছর । কিছু বাছাই লেখা - ব্রাত্য রাইসু
- জীবনে যা পড়েছি-৬ (শীর্ষেন্দুর দূরবীন) - তায়েফ আহমাদ
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের সূচনা, বিব্রত ম্যাক্স প্লাঙ্ক (এবং কোয়ান্টামকে বোঝার চেষ্টা) - শুভ রহমান
- গিরিশচন্দ্র সেনঃ পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন- এর প্রথম বাংলা অনুবাদক - শেখ রফিক
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন:: ফিরে দেখা ৭১ - ফিরে দেখা ১৯৭১
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- স্কেচ শেখার কিছু বই - সাদাচোখ
- সমান্তরাল - বর্ণ অনুচ্ছেদ
- প্রকাশিত হল ই-সংকলন 'ব্লগারদের প্রিয় কবিতা' - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীবনানন্দের একটি কবিতার ইংরেজি অনুবাদ - ইমন জুবায়ের
- 45 টি মাথা খারাপ করা ওয়ালপেপার না পড়লে কিন্তু পস্তাইবেন - টেকি মামুন
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- জলিল মিয়া সংক্রান্ত উপকথাসমূহ - দুরের পাখি
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- রুবিকস কিউব (পর্ব ৪) : রুবিকস কিউবের সমাধান: লেয়ার বাই লেয়ার - গণিত পাগল
- দক্ষিন তালপট্টি :বাংলাদেশের দাবী ও আন্তর্জাতিক আইন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- প্রকৃতির খেলা ১ - অপরিচিত_আবির
- সূর্যগ্রহণ পূরাণ-নিম্নবর্গের প্রতিবাদ আর লড়াইয়ের ইতিহাস। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- রবীন্দ্রবিরোধীদের ভাত নাই অথবা ফররুখ আহমদের 'কাঁচড়াপাড়ায় রাত্রি' - ব্রাত্য রাইসু
- বাংলার ভূত-পেত্নী - ম্যাভেরিক
- লেবাননের বিখ্যাত গায়িকা ফাইরুজের একটি গান ! - আনোয়ারুল আলম
- ঢাকা......... দ্য সিটি আই লিভ ইন............... - তানহা তাবাসসুম
- জন স্টোনহাউজ : মুক্তিযুদ্ধের এক প্রতারক বন্ধু - অমি রহমান পিয়াল
- শেষ শীতের জার্নাল। - ইমন জুবায়ের
- সলিমুল্লাহ খানের ইলিয়াস চিন্তা: ভুল ভাংলে তাকে পাওয়া যায় - ফারুক ওয়াসিফ
- আমি তুমি সে: অজ্ঞান অনুসন্ধান - বিধান রিবেরু*
- আদমবোমা (সলিমুল্লাহ খান) প্রকাশিত - এ.কে.এম. আতিকুজ্জামান
- বহুব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় কিছু শব্দের শুদ্ধ বানান - জোবাইর
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- ইংরেজ কবি বায়রন: প্রেমিক ও বিপ্লবী - ইমন জুবায়ের
- জাক দারিদা - গেওর্গে আব্বাস
- কবিতার প্রাথমিক ছন্দ - শেখ জলিল
- ‘আমরা কথা বলি না, ভাষা আমাদের ভিতর দিয়ে কথা বলে।’ - ইমন জুবায়ের
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫১ ( আপন মানুষদের কাছে ফিরে যাবো-মহাদেব সাহা ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২৫ ( আসমানী প্রেম--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ঘাটের ভাষা! - শেরজা তপন
- শক্তি চট্টোপাধ্যায় __ মনে মনে বহুদূর চলে গেছি - সবুজ পোকা
- নিঃসঙ্গতা
আবুল হাসান - সবুজ পোকা
- জীবনানন্দ দাশ _ কুড়ি বছর পরে - সবুজ পোকা
- "কেউ কথা রাখেনি"___সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় - সবুজ পোকা
- হুলিয়া____নির্মলেন্দু গুণ - সবুজ পোকা
- উলঙ্গ রাজা ______ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী - সবুজ পোকা
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কেন্দ্র বনাম প্রান্ত - মাসকাওয়াথ আহসান
- আরও একুশটি হাইকু ... - ইমন জুবায়ের
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- ১০০০০০ ই-বইয়ের ভুবনে স্বাগতম
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের তালিকা - ফারহান দাউদ
- অনুসরন করুন আপনার পছন্দের ব্লগারদের - আছহাবুল ইয়ামিন
- সকল ব্লগারের ব্লগের লিংক (বিষয় :ইন্টারনেটে আয় ) - নিলআকাশেরদুঃখ
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ১ (পুর্ণেন্দু পত্রীর কবিতা) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- চাটগাঁইয়া বুলি - আরেকটি স্বতন্ত্র ভাষা - আকাশ অম্বর
- উৎপল কুমার বসুর কবিতা ও আমার আলোচনা - লুনা রুশদী
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- কবিতার ভাষামিথ / হামিদ রায়হান - ফকির ইলিয়াস
- গাঙ-শুশুকের সমুদ্রযাত্রা: Gangetic Dolphin Goes to the Ocean - হারুন আল নাসিফ
- জলমঙ্গল - হারুন আল নাসিফ
- এই অবেলায় তোমায় ভেবে - হারুন আল নাসিফ
বৃক্ষজন্মের স্মৃতি কিংবা অচরের চরৈবেতি বিড়ম্বনা(দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তিসহ)
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
আমার বন্ধুবান্ধব সহকর্মী মোটামুটি সবাই জানে
দাঁড়াতেই বেশি পছন্দ আমার;
তবে কেনো আমি নানা ছুঁতোয় দাঁড়িয়ে যাই
সেটা তাদের জানার কথা নয়-
অবশ্য দুয়েক জনকে কখনো-কখনো
বলতে নিয়েছি...
এর পেছনে...
এর পেছনে আছে একটা দুর্বিষহ স্মৃতি
দুঃস্বপ্নের মতো সেই স্মৃতিটা মনে পড়তেই
শিউরে উঠি আমি। দগ্ধ হতে থাকি অনুতাপে।
আসলে আমি ছিলাম শালবন বৌদ্ধবিহারের
পাশে একটা দীর্ঘকায় শালগাছ,
ঋজু, সটান! বেশ বয়েস হয়ে গিয়েছিলো।
দীর্ঘদিন ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে
খিল ধরে গিয়েছিলো পায়ে।
তা, একদিন ভাবলাম আর কতো এভাবে
দাঁড়িয়ে থাকবো?
একটু এদিক-সেদিক ঘুরে আসলেই তো পারি।
বাচ্চাদের ছোটাছুটি দেখতে কী যে ভালো লাগে!
গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি সব বাচ্চার
মানুষের বাচ্চা হলে তো কথাই নেই!
নিজের জন্ম-ভাগ্যের ওপর বিরক্ত হলাম
মনে মনে একচোট গালও দিয়ে নিলাম।
নাহ্, আমাকে হাঁটতে হবে, ছুটতে হবে
ঘুরে বেড়াতে হবে চরাচরে
বিপুলা ধরনীর বিচিত্র রূপ-রস-গন্ধের
অমোঘ হাতছানি আমাকে উদ্গ্রীব করে তুললো
মনে সংকল্প দানা বাঁধলো--
ভাবলাম মানুষের বাচ্চা হলে বেশ হবে
শুধু এক পায়ের জায়গায় দু'পা
উড়তে বা সাঁতার কাটতে তো পারবো না
চারপেয়ে পশু হতে গেলেও বিপদ,
আমার আবার ঝুঁকে পড়ার অভ্যেস নেই।
একদিন ঠিক ঠিক আমার গাছশরীর থেকে
চুপি চুপি বেরিয়ে পড়লাম
আর আস্তে করে ঢুকে পড়লাম
বিহারে বেড়াতে আসা এক দর্শনার্থীর পেটে।
বলতে কী? মেয়েটাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছিলো--
শ্যামলা। কিন্তু স্নিগ্ধ ও মায়াবী চেহারা।
একহারা গড়ন। শালগাছের সাথে বেশ মিল।
এক যুবক আড়ালে শালপ্রাংশু বনে
মন্তব্যও করেছিলো মনে হয়, হবেও বা!
সেই বৃক্ষ-জন্মের স্মৃতি তো!
ঠিক মনে করতে পারছি না। আবছা।
হ্যাঁ, যা বলছিলাম, মেয়েটার সাথে শুধু
চারটা ছোট-বড় মেয়ে-সন্তান দেখে
আমি বুঝতে পারলাম তার কোনো ছেলে নেই।
বিহারে পুত্র-সন্তান কামনায়
কোনো মানস নিয়ে এসেছিলো কিনা কে জানে!
ইশ্, মেয়ে মেয়ে করছি কেনো?
ও তো আমার মা। হ্যাঁ, মাই তো!
আমি তার জরায়ুতে ভ্রুণ হয়ে গোলাম--
প্রথমে পরাগ-রেণু, এরপর গোলাপ ফুল হয়ে
একসময় গাছের চারার মতো
মানব-শিশু হয়ে বেড়ে উঠলাম আমি।
একটু কষ্ট তো লেগেছিলোই--
বদ্ধ কুঠুরীতে দশমাস দশদিন
সারাক্ষণ গুঁটিসুঁটি মেরে থাকা!
এরপর ভূমিষ্ঠ হলাম...
আহ্ পুত্র-সন্তান পেয়ে আমার মায়ের
সে কী আনন্দ!
বাবা থাকতেন শহরে
তার কাছে খবর পৌঁছুলো
খুশিতে ডগমগ আর হন্তদন্ত হয়ে তিনি ছুটে এলেন,
পাড়া-পড়শীরাতো আছেই!
চারদিকে মিষ্টি উড়তে লাগলো বেলুনের মতো
শত্রু-মিত্র কেউই বাদ পড়লো না।
পুত্র-সন্তানের জন্যে মানুষের
এতো আকুতি এতো আনন্দ
আমার কাছে একটু বাড়াবাড়ি বলেই মনে হলো।
হয়তো আমি গাছ বলে;
গাছের রাজ্যে আবার মেয়েদেরই কদর
ফলবতী আর পুষ্পিতা তো হয় মেয়ে গাছেরাই।
হ্যাঁ, বলেছি না? আমি চার চারটি বোন পেয়েছি?
একটা ভাই পেয়ে ওরাও মহাখুশি!
আনন্দে লাফাতে শুরু করলো ওরা
পাখির মতো কিচির-মিচির, ঠোকরা-ঠুকরি।
মায়ের কোল থেকে কেড়ে নেয়ার জন্য
টানাটানি শুরু করে দিতো
কার আগে কে নেবে তা নিয়ে কাড়াকাড়ি।
মা, না পারতে ওদের কারো কাছে আমাকে দিয়ে
শংকিত হয়ে থাকতেন-
এ্যাই! ব্যাথা পাবে! পড়ে যাবে দেখিস!
উৎকণ্ঠা আর ওদের সতর্ক করতে করতে
মায়ের গলার পানি শুকিয়ে যেতো,
শেষের নিজের কোলে নিয়ে তবেই শান্তি।
চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে তুলতেন আমার তুলতুলে মুখ
আমার বেশ লাগতো
মানবজনম সার্থক ভাবতাম।
আর একটা কথা।
বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম।
গরুবাছুরদের মায়ের ওলান থেকে
আয়েশ করে দুধ খেতে দেখে
আমার ভারি লোভ হতো
মনে মনে কতোবার বাছুর হতে চেয়েছি!
মানব-শিশু দুধ খায় কিনা
আমার তখন জানা ছিলো না।
পরে মানুষ-জন্মের পর যখন আমি
ওঁয়া ওঁয়া করে কাঁদতে শুরু করি
আমাকে কোলে নিয়ে মা তার ডান স্তনের বোঁটাটি
আলতো করে আমার মুখে পুরে দিলেন।
আমি অভূতপূর্ব আস্বাদনের আনন্দে
বিস্মিত ও শিহরিত হলাম।
মাতৃস্তন এতো কোমল আর উষ্ণ! দুধও!
ওটাকে তো শালদুধ বলে, তাই না?
কী শালগাছের কথা মনে পড়ছে?
আমিও বেশ মজাই পেয়েছিলাম।
গাছেদের তো আবার দুধ খাওয়ার
ব্যাপার-স্যাপার নেই। সেকারণেও।
পরে জেনেছি শালদুধ খুবই পুষ্টিকর।
আমি, কী বলবো? পুরোটাই খেয়েছিলাম।
মা দুষ্টুমি করে বললেন, ওমা!
এ যে দেখি রাক্ষুসে হবে মা!
সাথে সাথে আমার নানী মুখে তর্জনী তুলে
বললেন, ছি! হতচ্ছাড়ি!
কী যা-তা বকছিস?
এমন অলক্ষুণে কথা মুখে আনে কেউ?
মা লজ্জায় চুপ হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে
আমাকে আদর করতে লাগলেন।
আমার খুব হাসি পেয়েছিল
কিন্তু, আমি তো তখনো হাসতেই শিখিনি!
তো, আমাকে দুধ ছাড়াতে মাকে
বেশ বেগ পেতে হয়েছিলো।
বোধ হয় পুরো আড়াই বছরই খেয়েছি।
আমার জিহ্বায় মায়ের দুধের সেই নোনা স্বাদ
লেগে আছে এখনো। মাংসল গন্ধটাও।
কিন্তু, আমার বারবার মনে পড়ে যায়
আমি তো আসলে শালগাছ। মানুষ নই।
কাউকে বলাও মুশকিল।
হায়! আমার মা যদি জেনে ফেলে?
আহারে বেচারি! আমাকে যা আদর করে!
আমাকে স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হলো।
একদিন দেখলাম পড়া না পারলে শিক্ষক
ছেলেমেয়েদের কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন;
আমারো ওভাবে দাঁড়িয়ে থাকার লোভ হলো
ওই যে! পুরানো অভ্যেস!
সুযোগে মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে,
বাড়ি ফিরে পেট ব্যথার নাম করে
পড়া না শিখেই ঘুমিয়ে পড়লাম।
পরদিন খুশি মনে স্কুলে গেলাম।
কিন্তু, আমার উৎফুল্ল চেহারা দেখে স্যার
আর পড়াই জিজ্ঞেস করলেন না।
ধেত্তেরি! ভাগ্যটাই মন্দ!
বের করলাম নতুন বুদ্ধি।
স্যার নাম ডাকলেন
আমি শুনেও না শোনার ভান করে
একটা উদাসীন ভাব নিয়ে বসে থাকলাম।
আর যায় কোথায়?
আকবর মাস্টার আমাকে ডেকে নিয়ে
টেবিলের ওপাশ থেকে কান ধরে টান দিতেই
আমার পা মাটি থেকে আলগা হয়ে গেলো
পট পট করে ওঠল কানের গোড়া!
ভাগ্যিস পা! শিকড় হলে কানটাই ছিঁড়ে যেতো।
রক্ত! নখ বসে গেলো কানে। আমার ছুটি...
সে বছর ছাত্র পেটানোর কারণে কোথায় জানি
বাপ-ভাই মিলে একটা মাস্টারকে
পিটিয়ে মেরে ফেলেছিলো--
শিক্ষকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকলেন
তিন মাস স্কুলে তালা...
লাগাতার বন্ধে বন-বাদাড়ে ঘুরলাম প্রচুর
কিন্তু, মনটা খারাপ হয়ে গেলো
বৃক্ষের ওপর মানুষের অবিচার দেখে।
আমার এতো বৃক্ষকাতরতা কেনো?
রবি ঠাকুরের গল্পের বলাইয়ের কথা মনে পড়ছে
আমার ভাবতে ইচ্ছে করে
আমি ও বলাই সহোদর একই বৃক্ষমাতার
বীজাণু থেকে অঙ্কুরিত হয়েছি।
আমার মাও অবশ্য খুব গাছ ভালোবাসতেন
গাছ পেটে ধরেছিলেন বলেই কিনা জানি না
তবে গাছের প্রতি ছিলো তার মমতা
জগদীশ বসু না পড়েই জানতেন
গাছেরও প্রাণ আছে, ওরাও ঘুমায়
রাতে গাছের কাছে বিনীত অনুমতি
প্রার্থনা ছাড়া একটি পাতাও ছিঁড়তে দিতেন না।
চারদিকে অকারণ বৃক্ষ হত্যা
আমাকে ব্যথিত করতো।
মায়ের আদর, বোনদের সাথে সারাদিন
খিটিমিটি হাতাহাতি আমাকে
আবার গাছজীবনের কথা ভুলিয়ে রাখলো
একদিন শুনি কি, গ্রামের বুড়ো বটগাছটি
কারা যেনো কেটে ফেলেছে
বারাউলিয়ার দরগার পাশের তেঁতুল গাছটি আর নেই
তুলাতুইল্লা মোরার বিশাল গর্জন গাছটি
বন বিভাগের লোকজনের সাথে
যোগসাজশ করেই...
আমার চোখে জল এসে যায়
কিন্তু, আমার বৃক্ষ জন্মের কথা ফাঁস
হয়ে যাওয়ায় ভয়ে প্রতিবাদ করি না।
আমি আবার গাছ হয়ে যেতে চাই
শালবনে ফেলে আসা আমার শরীর;
সেই শালগাছটার জন্য মনে বেদনা উথলে ওঠে
কিন্তু, মায়ের আদর-স্নেহ
আমাকে আবার সবকিছু ভুলিয়ে দেয়
আমি স্কুল পেরিয়ে কলেজ, ভার্সিটি...
মায়ের খুব অসুখ হলো ঘুণপোকা
তার বাকলটা ছাড়া পুরোটাই খেয়ে ফেলেছিল।
আমি শহরে। ১৭ এপ্রিল ১৯৯১।
খবর পেয়ে ছুটে পৌঁছার আগেই
দারোগা মসজিদের কবরস্থানে দাফন শেষ।
কাঁদলাম জবাই করা পশুর মতো
গর গর আওয়াজ করে। নিষ্ফল।
ক’দিন পর এলো সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিল।
লাখ লাখ মানুষের সাথে অসংখ্য
বৃক্ষের মৃত্যু আমাকে আবার অনিবার্যভাবে
বৃক্ষ-জন্মের, জীবনের কথা মনে করিয়ে দিলো
কাউকে না জানিয়ে চলে গেলাম শালবনে
দেখি কী! আমার শরীর, সেই শাল--যার মধ্য থেকে
আমি বেরিয়ে এসেছিলাম--মর্মান্তিকভাবে
শিকড়-চাকড়সুদ্ধ উপড়ে পড়ে আছে।
আর করাত, কুঠার নিয়ে কিছু মানুষ...
নাহ্, আর বলতে পারছি না।
হায়! শ্যামাঙ্গী জননী আমার!
আজ তুই ও নেই আমারও আর
বৃক্ষ জীবনে ফিরে যাবার উপায় রইল না...
অগত্যা, ফিরে আসতে হয়, অবশ্য
আমার ও বৃক্ষজীবনের কথা কেউ জানে না।
এমনকি আমার বাবা, বোনেরাও না।
আচ্ছা, বাবা যদি জানেন?
তিনি মাঝে মধ্যে আমাকে গাছ-বাঁশের
পয়দায়েস বলে গালি দিতেন।
তিনি কি খুশি হয়ে উঠবেন
তার কথা সত্য হলো বলে?
আমরা বোনেরা? ওরা যদি জানে
তাদের আদরের ছোট ভাইটা
আসলে একটা শালগাছ, তাহলে?
তারা কি আমাকে কেটে তক্তা বানাতে চাইবে?
নাকি আমার শরীর থেকে কলম
বানিয়ে কোথাও পুঁতে দিয়ে পরীক্ষা করে
দেখতে চাইবে এরকম আরো গাছমানুষ
জন্মানো যায় কিনা?
আমার ভাগ্নে-ভাগ্নিরা?
ওরা কি আমাকে আর মামা ডাকবে না?
বন্ধুরা কি এমন বিরল ঘটনায় খুশি হবে?
নাকি কৌতুক বোধ করবে?
একটা চমৎকার ঠাট্টার বিষয় পাওয়া গেলো বলে
ইউরেকা! ইউরেকা!! বলে
সোল্লাসে চীৎকার করে উঠবে?
আচ্ছা আমি এসব ভাবছি কেনো?
আমিতো গাছ। শালগাছ। কী জানি
এতোদিন মানুষের সাথে থাকতে থাকতে
হয়তো আমি মানুষই হয়ে গেছি।
আমি কি গাছমানুষ না মানুষগাছ?
নরকল্পতরু বা তরুকল্পনর?
হয়তো বা দুটোই। নাকি কোনোটাই না!?
মাঝে মাঝে ভাবি আগে আমার শরীরে
ছিলো ক্লোরোফিন সেটা এখন
হিমোগ্লোবিন হয়ে গেছে। তেমন তফাত কী?
আবার ভাবি মিছেমিছি মানুষ
হতে চেয়েছিলাম কেনো?
আমার বৃক্ষশরীরে তবে কি
একটা মানুষ্যমন ছিলো?
যাক, বলছিলাম কী, শুলে বা বসলে
আমার ফেলে আসা শরীরটার কথা
মনে পড়ে। বুকটা চিনচিন করে ওঠে
আমি দাঁড়িয়ে যাই
সটান ঋজুতায় ফোটাতে চাই বৃক্ষজন্মের স্মৃতি।
অনুশোচনা হয় আমি একটা সপ্রাণ
জীবন ছেড়ে এসেছি বলে। আমার ডালে-ডালে
ছিলো পাখ-পাখালির কলরব, কোলাহল।
কতো কীট-পতঙ্গ। কাঠ বিড়ালীর চাঞ্চল্য।
পাখির বাসা। সাপের নিঃশব্দ চলা।
সব ছেড়ে শুধু চরাচরে চরে বেড়ানোর
লোভে আমি মানুষ হয়ে গেলাম।
আবার ভাবি, মানুষের শরীরেও তো আছে
অসংখ্য জীবাণুর আশ্রয়!
আসলে জীবন মানে তো বিচিত্র প্রাণের বর্ণিল উৎসব
ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় প্রাণে প্রাণে বাঁধা
অদৃশ্য সেতু--পারাপারের পার্বণ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
প্রাণে বিচিত্র দোলা লাগল।।
মহাত্না আহমদ ছফা'র সে প্রবীণ বটবৃক্ষকে মনে করিয়ে দিলেন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহসান জামান বলেছেন:
আসলে জীবন মানে তো বিচিত্র প্রাণের বর্ণিল উৎসবইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় প্রাণে প্রাণে বাঁধা
অদৃশ্য সেতু--পারাপারের পার্বণ।
--------------------------------------------------------------------------
চমৎকার।
হারুন আল নাসিফ বলেছেন:
ধন্যবাদ।
১৯৯১'র ২৯ এপ্রিল অনেকের জীবনে অনেক ক্ষত রেখে গেছে, আপনার গল্পের নায়কেরতো ১৭, ২৯ লাগাতার।
হারুন আল নাসিফ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: মানবজন্ম সার্থকতার গাছপাথর যে একেকজনের কাছে একেকরকম!প্রীত আপনার সনদে। ধন্যবাদ টু দ্য পাওয়ার এন।
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
এক চরম উত্তেজনায় চরিত্র খনন হতে হতে কবিতার কথা ভুলে যাই। এভাবে কবিও মাঝেমধ্যে কবিতার পথ ধরে মূল কাঠামোটাকেই ভুলিয়ে দেন।
মঙ্গলার্থে ...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















জীবন ছেড়ে এসেছি বলে। আমার ডালে-ডালে
ছিলো পাখ-পাখালির কলরব, কোলাহল।
কতো কীট-পতঙ্গ। কাঠ বিড়ালীর চাঞ্চল্য।
পাখির বাসা। সাপের নিঃশব্দ চলা।
সব ছেড়ে শুধু চরাচরে চরে বেড়ানোর
লোভে আমি মানুষ হয়ে গেলাম।
আবার ভাবি, মানুষের শরীরেও তো আছে
অসংখ্য জীবাণুর আশ্রয়--
আসলে জীবন মানে তো বিচিত্র প্রাণের বর্ণিল উৎসব।
ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় প্রাণে প্রাণে বাঁধা
অদৃশ্য সেতু--পারাপারের পার্বণ।
+++++++++++ অসম্ভব ভাল লাগলো কবি।
Click This Link