১.
হাতের তালুতে তুলে নিয়েছি বৃন্দাবন
নিধুবন বসিয়েছি হৃদয়-রেখায়
তালাশের চিরুনিতে ক’টা মাত্র ছেঁড়া চুল
বিন্দে দূতীর ঠোঁটে রা নেই
অবোধ বাঁশরী পড়ে আছে মূর্ছিত--
যমুনার জল ছেনে কুমকুমের
ঈষৎ আভাস আর চন্দনের ইঙ্গিত
ছাড়া যখন কিছুই পেলাম না,
তখন কাগজে আমারই নামে
রাধার নিখোঁজ বিজ্ঞাপন দেখে
মতিভ্রমের জোগাড়।
হায় আমি কি তবে মাঠে মাঠে
এতদিন বৃথাই ধেনু চরালুম!
২.
কে তুমি খুঁজিছো শ্রীকৃষ্ণে সখি
আঁধিরায় মশাল জ্বেলে?
পূর্ণিমা রাতে চাদিনী জাগিয়া
তাহারে লইয়া খেলে।
আজি এ লগনে বহিছে পবন
দখিন সাগর হতে,
এসো এসো সখি বুলাও পরশ
আহত হিয়ার ক্ষতে।
৩.
আমি আবার ডাকিলাম রাধা...
আবার তুলিলাম সুর...
সেই চিরায়ত ভঙ্গিতে নিকুঞ্জ-মালঞ্চে শুয়ে;
জাগরক্লান্ত আঁখিপল্লব নির্মিলিতপ্রায়,
দুধে-আলতা পেলব উষ্ণতার মোহন আচ্ছাদন,
এলো চুলের মহুয়া সুবাসে উবে যাক বেয়াড়া তন্দ্রা--
রাধিকা লো কৃষ্ণ-নৃত্যের অচিন মুদ্রা
আজ তোর রক্ত রেণু; শিরায় শিরায়
ডেকে আনবে ভরা বর্ষার কূলপ্লাবী সর্বনাশা বান...
রাধা তুই ভেসে যাবি মোহনার ওপার
উড়ে যাবি রাই শিমুলের তুলা...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

