মা, বাবা ,আমি ও আমার দশ বছরের পিচ্চি বোন। ব্যাস এই কয়জন নিয়ে আমাদের পরিবার। সবার দোয়াতে আমর সবাই ভালো আছি। তবে, মেঘে মেঘে যেমন বেলা হয়; আমারও ঠিক সেই অবস্থা। বিয়ে করার উপযুক্ত সময় আমার হিসেবে শেষ করে এসেছি অনেক আগেই।
বাংলাদেশের সার্বিক সামাজিক পরিস্থিতি এই ধরণের যে, সংসারে আগে মেয়েদের বিয়ে না হলে সাধারণত ছেলেদের বিয়ে দেওয়া হয়না। এদিকে আমার যৌবনের সূর্যাস্ত যখন অতি নিকটে তখনও ঘরের মুরুব্বীদের বোধ উদয় হয়না। কথা একটা। "আরে ছেলেদের দেরীতে হলেও সমস্যা নাই"। ভাবখানা এই যে, ছেলেদের কোন চাহিদা নাই। কিছু কিছু মুরুব্বীরা আবার এই কাঠি উপরে। "মিয়া, বিয়া কইর্যা কি করবা। যন্ত্রণার কোন শেষ নাই। যত দেরীতে পারো, তত লেটে করো মিয়া!"।
প্রেমিকা থাকলে কথা ছিলো। এমন কাউকেই কোন সময়ই পটাতে পারিনি। তাই, সেই আশায় গুড়ে বালি। বেশিরভাগ ছেলেদের ভালোবাসা যেহেতু শরীর ভিত্তিক, সেহেতু সমস্যা আরো বেশি। আবার, আমি একজন রোজগেরে সক্ষম ব্যাক্তি। মানে, নৈতিকতার পা পিছলে পড়লে সামাল দেওয়াটা মুস্কিলই হবে।
একবার ভেবেছি লজ্জার মাথা খেয়ে মুরুব্বী লেবেলের কাউকে জানান দিয়ে দিবো। কিন্তু, তাতে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা থাকায় আইডিয়াটি উড়িয়ে দিলাম। পরে, ছোট বোনকে জলদি বিয়ে দেবার জন্য চাপাচাপি করতেই, মুরুব্বীরা "ছোটলোক" বলে গালাগালি শুরু করে দিলো। "মেয়ে আগে বড়ো হোক, তারপর ভাবা যাবে"।
এক বন্ধুর এক আইডিয়াটা অবশ্য পরে ব্যবহার করবো বলে ভেবেছিলাম। বেশ ইন্টারেস্টিং। "দুঃখু, টয়লেটে না গিয়ে আজকাল বিছানার আশে পাশে দাগ রেখে দে। মুরুব্বীরা এসব চেক-টেক বেশি করে। তুই হয়ত জানিসনা, তোর অবর্তমানে তোর ড্রয়ার চেক করা হয়। শুধু কি ড্রয়ার, সিডি কেস, বালিশ, বিছানার নিচে কোন জায়গায় নয়। কারণ, এই বয়সী ছেলেদের মুরুব্বীরা নজরে রাখতে পছন্দ করে। এটা তাদের কাছে সামাজ স্বীকৃত ও এনজয়েবল টাইমপাস।" হুম!! শুনেই ঘাবড়ে গেলাম। আমার নিজেরও ঠিক একই মনে হয়েছে কোন এক সময়। এতদিন আসলে জাস্ট পাত্তা দেইনি।
এই বয়সে এখনও ভয়কে পুরোপুরি জিতে উঠতে পারিনি। নতুবা, আমার বয়সী ওয়েস্টার্ণের ছেলেরা সেন্চুরী নিয়ে পদ্য লেখে। এখানে, নীতি আসলেই পদ্ম পাতার জলের মতো। এই আছে, এই নেই। যাক, আজও নীতি নিয়ে সামু দেখে বাসায় গেলাম।
আশা করছি, ভয়কে খুব জলদি জিতে নেবো।
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?
কর্মসংস্থান? না।
বিনিয়োগ? না।
ডলার সংকট? না।
গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।
ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।