দ্য ভিঞ্চি কোড (ড্যান ব্রাউন)ঃ জগতখ্যাত এই বইটির বিক্রি হয়েছে কোটি কোটি কপি, কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে হলিউড ব্লকবাস্টার। কাহিনী গড়ে উঠেছে হাভার্ডের এক অধ্যাপককে ঘিরে যিনি ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েছেন এক হত্যা মামলায় যে হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে এক সত্যকে ধামাচাপা দেবার জন্য যা প্রকাশিত হয়ে গেলে কেপে উঠবে খ্রিষ্ট ধর্মের ভিত্তি। লিখতে হবে নতুন করে ইতিহাস। এ সত্যকে ধামাচাপা দেবার জন্য মরিয়া ওপাস দাই নামে এক উগ্র ক্যাথলিক সংগঠন।
গডফাদার(মারিও পুজো)ঃ মার্লোন ব্রান্ডো ও আল পাচিনোর কল্যানে এ নভেল পেয়েছে অমরত্ব। হলিউডের দুনিয়া কাপানো এ সিনেমা তৈরি হয়েছে এ উপন্যাসের ছায়া অবলম্বনে। মাফিয়ার অন্ধকার জগতকে অবিশ্বাস্য কুশলতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন এ লেখক।
দ্য ডে অব দ্য জ্যাকেল (ফ্রেড্রিক ফরসাইথ)ঃ এক ক্ষমতালোভি সন্ত্রাসী সংগঠন ভাড়া করল এক পেশাদার খুনিকে। টার্গেট ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। ঘটনাচক্রে ফাস হয়ে গেল সে পরিকল্পনা। মরিয়া হয়ে উঠল সিক্রেট সার্ভিস খুনীর খোজে। কিন্তু সমস্যা একটাই, খুনীকে দেখেনি কেউ। শুধু একটাই পরিচয় তার ছদ্বনাম-দ্য জ্যাকেল। এ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে ১৯৭৩ সালে একবার বৃটেনে http://www.imdb.com/title/tt0069947/ ও ১৯৯৭ সালে হলিউডে http://www.imdb.com/title/tt0119395/ নির্মিত হয়েছে দু’টি মুভি।
সাইলেন্স অব দ্য ল্যাম্ব (থমাস হ্যারিস)ঃ এক সিরিয়াল কিলার টার্গেট করছে তরুনীদের, একের পর এক বিভৎস হত্যা। তাকে ধরার জন্য এফবিআই তাদের এক এজেন্টকে পাঠাল আরেক খুনী যে কিনা নিজেই নরমাংস ভোজনের দায়ে দন্ডিত, ড. হ্যানিবল লেক্টার। অসাধারারন প্রতিভাধর এ ড. লেক্টার জেলে বসেই সাহায্য করে গেলেন এজেন্ট স্টার্লিংকে। এ অবিশ্বাস্য কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে হলিউডে নির্মিত হয়েছে সিনেমা যা জিতেছে একধিক অস্কার ।
বর্ন আইডেন্টিটি (রবার্ট লুডলাম) ঃ একজন লোক যে হারিয়েছে তার স্মৃতিশক্তি। শুধু জানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জেলেরা তাকে সাগর থেকে উদ্ধার করেছে। নিজের পরিচয় জানার জন্য সে হয়ে ওঠে মরিয়া। নিজ পরিচয় জানতে গিয়ে সে মুখোমখি হয় এক কুখ্যাত খুনী কার্লোস দ্য জ্যাকেল ও তার দলের। জানতে পারে নিজের নাম জেসন বর্ন। ধীরে ধীরে জানতে পারে সে নিজ অতীত আর মুখোমুখি হয় লোমহর্ষক সব ঘটনার।
বর্ন সুপ্রেমেসি(রবার্ট লুডলাম)ঃ বর্ন আইডেন্টিটির সিক্যুয়েল এটি। জেসন বর্নর নাম ব্যবহার করে চীনের ভাইস প্রিমিয়ারকে হত্যা করল। তার নাম ব্যবহার করে সে খুনী চালিয়ে যাচ্ছে এক গভীর ষড়যন্ত্র যা সফল হলে চরম মূল্য দিতে হবে সারা পৃথিবীকে। তাকে থামাতে এগিয়ে আসল জেসন বর্ন।
বর্ন আল্টিমেটাম (রবার্ট লুডলাম)ঃ বর্ন ট্রিলজির শেষ পার্ট। এতে ফিরে আসে পুরোনো শত্রু কার্লোস। মুখোমুখি হয় জেসন বর্নের। শুরু হয় এক ভয়াবহ যুদ্ধের।
দ্য আফগান(ফ্রেডরিক ফরসাইথ) ঃ পাকিস্তানে এক আল-কায়েদা সদস্যের ল্যাপটপ থেকে পাওয়া যায় একটা বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার ছক কিন্তু এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা নেই কারো। তাই করা হয় এক অদ্ভুত পরিকল্পনা। এক সাবেক তালেবান যোদ্ধার পরিচয়ে পাঠানো হয় এক বৃটিশ সেনাকে। লক্ষ্য সে পরিকল্পনা নস্যাত করা।
শ্যাডো ওভার ব্যাবিলন (ডেভিড ম্যাসন)ঃ একদল সাবেক সৈন্যকে ভাড়া করে এক বৃটিশ ধনকুবের। লক্ষ্য ইরাকি নেতা সাদ্দাম হুসেনকে হত্যা। ঘটনাচক্রে ব্যাপারটা জেনে যায় আমেরিকান ও বৃটিশ গোয়েন্দা সংস্থা। তারা এ ভাড়াটে সৈন্যদের থামাতে হয়ে ওঠে তৎপর।
ফার্স্ট ব্লাড(ডেভিড মোরেল) ঃ বিশ্বকাপানো জন রাম্বো চরিত্রের জনক এ উপন্যাস যা আজও দাগ কাটে মানুষের মনে।
টানটান উত্তেজনা ও শিহরনে ভরা এ উপন্যাসটির কাহিনী গড়ে উঠেছে এক ভিয়েতনাম ফেরত মার্কিন যোদ্ধাকে ঘিরে। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এ যোদ্ধাকে যখন বিনা অপরাধে পুলিশ আটক করল তখন সে হয়ে ওঠল বিদ্রোহী, ঘটিয়ে দিল ভয়াবহ ধংসযজ্ঞ।
পয়েণ্ট অব ইমপ্যাক্ট(স্টিফেন হান্টার)ঃ ভিয়েতনাম যুদ্ধের বীর যোদ্ধা বব লী সোয়েগার। যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য পেয়েছে নানা খেতাব। ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়ল এক ষড়যন্ত্রে। তার বিরুদ্ধে আসল আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে হত্যাপ্রচেষ্টার গুরুতর অভিযোগ। আড়ালে থেকে সে শুরু করল অনুসন্দান। সাথে সঙ্গি হল এফবিআই এজেন্ট নিক মেমফিস। বের হতে লাগল অবিশ্বাস্য সব ঘটনা। মার্ক ওয়ালবার্গ অভিনিত ২০০৭ সালের হলিউড মুভি শ্যুটার এ উপন্যাসের ছায়া অবলম্বনে তৈরি। http://www.imdb.com/title/tt0822854/
সিক্স স্যাকরেড স্টোন (ম্যাথু রায়েলি)ঃ ছয়টা পবিত্র পাথর যা হাজার হাজার বছর ধরে লুকিয়ে আছে পৃথিবীর নানা স্থানে। এ পাথরগুলোই পারবে আসন্ন মহাপ্রলয়ের হাত থেকে পৃথিবীকে বাচাতে। সে পাথর খুজতে একজোট হয়েছে জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র ও তার বহুজাতিক দল। সে পাথর খুজতে মরিয়া এক মার্কিনী গুপ্ত সংঘ, চীনা সরকার এবং বৃটিশ রাজপরিবার কেননা এ পাথরগুলো অজানা জ্ঞানের আধার।
ফাইভ গ্রেটেস্ট ওয়ারিয়র(ম্যাথু রায়েলি)ঃ সিক্স স্যাকরেড স্টোনের সিক্যুয়েল এটি। সৌরজগতের এক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথিবীতে ঘটতে যাচ্ছে মহাপ্রলয় যা থেকে বাচতে ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে যাওয়া ছয়টা পবিত্র পাথরকে বসাতে হবে ছয়টি স্থানে। পাথরগুলোর অবস্থান জানতে জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র ও তার বহুজাতিক দলকে সরনাপন্ন হয়ে হয় ইতিহাসের পাচ সেরা যোদ্ধার।
ওডেসা ফাইল (ফ্রেডরিক ফরসাইথ)ঃ তরুন জার্মান সাংবাদিক মিলারের হাতে পড়ে এক হতভাগ্য ইহুদির ডায়েরি যাতে সে তার কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার দিয়েছে। ডায়েরিতে বর্নিত ক্যাম্প কমান্ডার রশম্যানের ওপর জন্মে যায় তার তীব্র ঘৃনা। সে সিদ্ধান্ত নেয় তাকে খুজে বের করার। তাকে খুজতে গিয়ে সে জড়িয়ে পড়ে পলাতক নাৎসীদের সংগঠন ওডেসার সাথে ও জানতে পারে এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের কথা। এ নভেলের ছায়া অবলম্বনে ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছে একটি চলচ্চিত্র।http://www.imdb.com/title/tt0071935/
ডগস অব ওয়ার(ফ্রেডরিক ফরসাইথ)ঃ এক কাল্পনিক আফ্রিকান দেশে আবিষ্কৃত হয় অঢেল প্রাকৃতিক সম্পদের ভাণ্ডার। সেটা আত্নসাত করতে এক বৃটিশ কোম্পানি একদল ভাড়াটে যোদ্ধাকে কাজ দেয় সে দেশের স্বৈরশাসকে হত্যা করবার। শুরু হয় এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্র। এ কাহিনীর ছায়া অবলম্বনে ১৯৮১ সালে একটা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। http://www.imdb.com/title/tt0080641/
ম্যাক্সিমাম রাইড(জেমস প্যাটারসন)ঃ অদ্ভুত কিছু চরিত্র, ৯৮ শতাংশ মানুষ হলেও ২ শতাংশ পাখি। নিজেদের বাবা-মা, জন্মপরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানে না। ওড়ার জন্য পাখির মতো ডানা আছে তাদের। এটা অনেকের কাছে স্বপ্নের মতো একটি ব্যাপার হলেও তাদের জন্য বিভীষিকাময়। সেই বিভীষিকার চুড়ান্ত পর্যায় শুরু হয় দলের সবচেয়ে ক্ষুদে সদস্য অ্যাঞ্জেলকে অপহরণ করার মধ্য দিয়ে। ‘স্কুল’ নামক ভয়ঙ্কর জেলখানায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় আবারো। তাদের ওপর শুরু হয় একদল অমানবিক বৈজ্ঞানিকের এক্সপেরিমেন্ট...
ডার্কলি ড্রিমিং ডেক্সটার(জেফ লিন্ডসে)ঃ নম্রভদ্র ডেক্সটার মরগ্যান, কাজ করে মায়ামির পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ব্লাড-টেকনিশিয়ান হিসেবে। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও কেউ জানে না সে একজন সিরিয়াল কিলার। তার খুন করার ধরণ আর উদ্দেশ্য একেবারেই অভিনব। সুদূর অতীতে এক লোমহর্ষক ঘটনা তার মানবমনে সৃষ্টি করেছে দানবীয় এক শক্তির। সেই শক্তি জেগে ওঠে, খুন করে এমন সব মানুষকে যারা বেঁচে থাকলে অসংখ্য নিরীহ জীবন বিপদাপন্ন হয়ে উঠবে। বিখ্যাত টেলিভিশন সিরিজ ডেক্সটার এ চরিত্রের ওপরই গড়ে উঠেছে।
bবাকি বইগুলো সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এ লিংকে।https://docs.google.com/viewer?a=v&pid=explorer&chrome=true&srcid=0BynewLUa3ujvOTU0M2NjZWMtNDliZC00ZWY1LTgwZjktZTBkOGI4YzkzY2Y5&hl=en_US
এই সব বিশ্বখ্যাত থ্রিলার গল্পের অনুবাদ পড়তে চান? চলে আসুন একুশে বইমেলার বাতিঘরের স্টলে যেখানে পাবেন বিখ্যাত সব থ্রিলার বইয়ের বাংলা অনুবাদ যা আপনার অবসরকে ভরিয়ে তুলবে রোমাঞ্চ ও আনন্দে। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে এরই মধ্যে বের হয়েছে পৃথিবী কাপানো সব থ্রিলার যার নাম অনেকেরই জানা এবং যার কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে হয়ে উঠেছে বিখ্যাত সব মুভি।
আরো বইয়ের বিবরন থাকছে পরের পোস্টে... সাথেই থাকুন...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





