আমার প্রিয় পোস্ট
- গত ৫ বছরে চালের দাম দ্বিগুণ - মারদাঙ্গা
- প্রখ্যাত ব্লগার দিনমজুর ও সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট ফিরোজ গ্রেফতার! সোশ্যাল মিডিয়া মুভমেন্ট আপরাইজিং! - কৌশিক
- ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো (কপি-পেস্ট পোস্ট) - বল্টু মিয়া
- জয় হোক বাংলা ভাষার, জয় হোক বাংলা ব্লগের: আলী মাহমেদ - নোটিশবোর্ড
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (শেষ পর্ব) - ম্যাভেরিক
- লগোদের বির্বতনবাদ - জেরী
- বাপেক্স/পেট্রোবাংলাকে নিয়ে যতসব মিথ ও তার জবাবে .... - দিনমজুর
- গ্যাস উৎপাদন কে করবে? - দিনমজুর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- হিরোশিমা দিবস ঃ আধুনিক সভ্যতার এক কলংকজনক অধ্যায়। - ভিন্ন চিন্তা
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- বাজেটে পিপিপি :পাবলিক-মানি টু প্রাইভেট পকেট?- ১ম কিস্তি - দিনমজুর
- ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ডিএমসির ছাত্রী নাহিদা মৃত্যুর প্রহর গুনছে - অণৃণ্য
- পুরান আর রূপকথা নিয়ে আরও কিছু কথা... - খারেজি
- বাংলাদেশের মানুষের মন - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সচলায়তন ব্লগের কয়েকটি ইবুকের সরাসরি ডাউনলোড লিংক - সাদাচোখ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ৮০০তম পোষ্টঃ কিছু আবোল-তাবোল কথা - এস্কিমো
- ব্লগ এবং পত্রিকায় পাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনাগুলোর সঙ্কলন - আতিকুল হক
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- আর কত মেরে থামবে শিকার, গণচিঠি দিন দেশে দেশে (আপডেটেড) - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- চাইনিজ ভেজিটেবল কিভাবে রান্না করবেন। - জরিণা
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- অভিশপ্ত এই খুনীদেরও চিনতে হবে ঘৃণাভরে... - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একটি সত্যিকার [অ]রম্য গল্প: নাটকের বিবর্তন , প্যাকেজ বিপ্লব , এবং একজন বিপ্লব-প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি - মেহরাব শাহরিয়ার
- ফিলিস্তিন সংকটের কারন - এ মাস্ট ওয়াচ ভিডিও - আবূসামীহা
- এক রাত্রির গল্প - রক্তিম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ৎৎ হবে না কেনো, হবে ... - হাসান মোরশেদ
ধাঁধা ১৩: 'দ্য পাইরেটস অভ আন্দামান'
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৪
[গতকাল ভিডিওতে পাইরেটস অভ ক্যারিবিয়ানের ২য় পর্ব দেখছিলাম ... গাঁঝাখুরী গল্পে ঘুম চলে আসছিল ... মনে হলো পাইরেটসদের নিয়ে এর চেয়ে মজার কিছু করা যায় ]
*********************************************
হায়দার যখন তার সাম্পানের নৌকা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দিয়েছিল সে সময়ের কথা; এরকম ভ্রমনে সাধারনত সবাই ভয়াবহ ঝড়ে পড়ে, হায়দারই বা বাদ যাবে কেন? ঝড়ের কবলে পড়ে ভাসতে ভাসতে কেউ যদি কোন জনমানবহীন দ্বীপে এসে ল্যান্ড করে তখনই কেবল সে গল্পের নায়ক হয়, হায়দারও তাই। সেজন্যই সামহোয়ারের পেইজে তার কথা।
তো আন্দামানের যে ছোট্ট জনমাবহীন দ্বীপে এসে হায়দার পড়েছিল, সেখানে কোন নারকেল গাছবা অন্যকোন গাছ ছিলনা, ছিল শুধু রহস্যময় ছোট ছোট মাথার খুলি। হায়দার খুব সাহস করে একটি খুলির কাছে গেল, ভালমতো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতেই তার চোখে পড়ল খুলির ভেতরের চকচকে একটা জিনিস। হ্যাঁ, যা ভেবেছেন তাই! স্বর্ণমুদ্রা।
পুরো খুলি ভালমতো হাতড়ে বিছড়েও সে এই একটার বেশী মুদ্রা পেলনা। হঠাৎ তার মাথায় খেয়াল চাপল, আরে, তাইতো!!
ভালমতো গুনে দেখল পুরো দ্বীপে মোট চল্লিশটি খুলি আর বুঝতেই পারছেন, প্রত্যেক খুলির ভেতরে লুকোনো একটি করে স্বর্ণমুদ্রা। হায়দার মনের আনন্দে সবগুলো মুদ্রা একটা ব্যাগে ঢুকিয়ে, ব্যাগটাকে জড়িয়ে ধরে নাক ডাকিয়ে দিল এক ঘুম। এই জনশূন্য বৃক্ষশূন্য দ্বীপ থেকে শহরে না ফিরতে পারলে যে এই মুদ্রার কোন দাম নেই, সবেমাত্র গুপ্তধন খুঁজে পাওয়া হায়দারের মাথায় সেই চিন্তাটাও আসলনা।
বিকেলে যখন তার ঘুম ভাঙে তখন সে দেখে তার সামনে বিকট দর্শন তিন লোক, হ্যাঁ, এরাই 'দ্য পাইরেটস অভ আন্দামান।' তিন পাইরেটসের নাম যথাক্রমে বুডু, মুডু (মডুরাম নহে) আর ছুডু, এবং বুডু সবচেয়ে বড়, মুডু মেঝ, ছুডু সবচেয়ে ছোট। স্বর্ণমুদ্রা দেখে জলদস্যু তিনজন হায়দারকে তাদের 'বস্' মানল।
সেখানে ঠিক হলো, তিন পাইরেটস মিলে বস্ হায়দারকে শহরে পৌঁছে দেবে যদি হায়দার মুদ্রাগুলো চারজনের (হায়দার আর তিন জলদস্যু) মাঝে ঠিকভাবে ভাগ করে দিতে পারে।
যে শর্তগুলো দেয়া হলো, তা হলো,
১. বস্ ভাগ করে দেবে মুদ্রা।
২. ভাগবন্টন দেখে সবাই ভোট দেবে এরপক্ষে (হ্যাঁ) বা বিপক্ষে (না)
৩. হ্যাঁ জিতলে ঝামেলা শেষ, সবাই সুখী; কিন্তু না জিতলে
বস্-কে ফাঁসী দেয়া হবে, এবং এরপর বয়সের ক্রমে সবচেয়ে বড়জন বস্ হবে। মানে হায়দারের ফাঁসী হলে বস্ হবে বুডু।
যখন মোট সদস্যসংখ্যা জোড়, তখন হ্যাঁ ভোটকে জিততে হলে অর্ধেকের চেয়ে অন্তত ১ টি ভোট বেশী পেতে হবে। সমান-সমান হলে 'না' ভোট জিতবে।
যে ব্যাপারগুলো হায়দার জানে,
১. জলদস্যু এবং সে নিজে, তাদের সবার মাথায়ই নিজের সবচেয়ে ভালটা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধি আছে।
২. চারজনের সবার কাছেই সবচেয়ে মূল্যবান হলো 'নিজের জীবন', এরপর 'স্বর্ণমুদ্রা'।
৩. জলদস্যুরা সবাই কাউকে ফাঁসী দেয়া খুব পছন্দ করে, কাজেই কোন জলদস্যু যদি বুঝতে পারে যে এখনকার বস্-কে
ফাঁসী দিলেও পরের বস্ তাকে সমানসংখ্যক মুদ্রাই দেবে তাহলে সে এখনকার বসের বিপক্ষে হাত তুলবে, মানে 'না' ভোট দেবে।
৪. বুডু, মুডু, ছুডু এদের সবার সাথে সবার সম্পর্ক খারাপ। কেউ পরস্পর কোন চুক্তিতে আসবেনা, কারণ সে জানে যে যেকোন মুহূর্তে আরেকজন চুক্তি ভাঙতে পারে। সবাই নিজের সর্বোচ্চ স্বার্থ দেখবে।
এখন বলুনতো দেখি, হায়দার নিজে কয়টা স্বর্ণমুদ্রা নিয়ে বাড়ী ফিরেছিল?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নতুন বলেছেন:
৫ টি
ত্রিভুজ বলেছেন:
হায়দার সবচেয়ে বড় জলদস্যুকে দিলো ১৫ টি মুদ্রা।বড় জলদস্যু ভাবলো এই বসকে মেরে ফেললে যদি তাকে ভাগ করতে হয়, তাহলে সমান ভাগ করা যাবে না। আবার নিজেও ১৫টি মুদ্রা নিতে পারবে না। সুতরাং "হ্যা" বলে দেই।

হায়দার মেঝো জলদস্যুকে দিলো ১টি মুদ্রা।
সুতরাং সে "না" ভোট দিলো। ;-)
হায়দার সবচেয়ে ছোট জলদস্যুকে দিলো ১৫টি মুদ্রা। সেও বড় জলদস্যুর মত ভাবলো এর বেশী পাওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং সে "হ্যা" ভোট দিলো।
হায়দার নিজে রাখলো ৯টি মুদ্রা। এবং গনতান্ত্রিক সিষ্টেমে "হ্যা" ভোটে জয় লাভ করে বাড়ি ফিলো..
১৫+১+১৫+৯ = ৪০
(দুই মিনিট ভেবে এরচেয়ে ভার কোন সমাধান পেলাম না। একটু বাইরে যাচ্ছি.. ফিরে এসে আবার নতুন ভাবে চিন্তা করবো
)।জ্বিনের বাদশা কে ৫টি দিলাম.. মুদ্রা নয়.. রেটিং
নতুন বলেছেন:
u r right trivuz... ;(
আপনাকে আরো ক্রুয়েল হতে হবে

২য় জনের ভোট যদি কেয়ারই না করেন, তাহলে তাকে ১টা মুদ্রা দিবই বা কেন

আপনার পদ্ধতিতে হায়দার বাড়ী ফিরতে পারবে সন্দেহ নেই, তবে তার সর্বোচ্চ স্বার্থ রক্ষা হবেনা।
নতুন, আপনাকে আরো অনেক বেশী স্বার্থপর হতে হবে

[[ যখন মোট সদস্যসংখ্যা জোড়, তখন হ্যাঁ ভোটকে জিততে হলে অর্ধেকের চেয়ে অন্তত ১ টি ভোট বেশী পেতে হবে। সমান-সমান হলে 'না' ভোট জিতবে।
]]
মানবী বলেছেন:
সবাই ১০টি করে পাবে, হায়দার ১০টি নিয়েই ফিরবে, শুধু শুধু ঝামেলা করবে কেন! সমান ভাগ হলে মারামারির প্রশ্ন আসবে কিভাবে বুঝতে পারছিনা!!!!
ত্রিভুজ বলেছেন:
আচ্ছা লগ আউট করার সাথে সাথে আমার মাথায় আরো ভাল একটা আইডিয়্যা এসেছে। হায়দারকে আরো বেশী মুদ্রা ধরিয়ে দেয়া যায়্।নতুন আইডিয়্যা হলো-
বড় জলদস্যুকে ১ টি মুদ্রা দেয়া হলো। এবং ছোট দুইজনকে বোঝানো হলো যদি তোমরা আমাকে মেরে ফেলে আবার বড় জলদস্যুকেও মেরে ফেল তাহলে দুইজন ২০ ২০ করে পাবে। বড় জলদস্যু দেখলো হায়দারকে মেরে ফেললে ছোট দুইটাকে খুশি করতে হলে ২০ ২০ করে দিলে নিজেরে পকেটে কিছু থাকে না। আবার ২০ এর কম দিলে ওরা "না" ভোট দিয়ে তাকে মেরে ফেলতে পারে। সুতরাং ১ এই খুশি থাকি.. সুতরাং "হ্যা" ভোট দিয়ে দিলো।

মেঝো জলদস্যুকে কোন মুদ্রাই দেয়া হলো না। সে রাগে ক্ষোভে "না" ভোট দিলো। ;-)
ছো জলদস্যুকে ২১ মুদ্রা দেয়া হলো। সে চিন্তা করে দেখলো এরে চেয়ে বেশী পাওয়ার তো আর কোন ওয়ে নাই। সুতরাং "হ্যা" ভোট দিলো।
হায়দারের হাতে তখন ১৮ মুদ্রা... সেটা নিয়ে সে নাচতে নাচতে বাড়ি চলে গেল..

১+০+২১+১৮ = ৪০

.....
আচ্ছা, আমি যদি বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের মত হইতাম, তাহলে আরেকটা সল্যুয়েশন দিতাম... কি গেস করেন.. আমি আরেকটা কমেন্টে সেইটা লিখতে থাকি।

ত্রিভুজ বলেছেন:
ধুরো.. দ্বিতীয় মন্তব্য লিখতে গিয়ে লেট হয়ে গেল। তবে জ্বিনের বাদশা ওয়েট করেন। আরো দুই নাম্বারী বুদ্ধি আছে। লিখতে একটু সময় লাগছে.... দেখেন কি হয় ;-)
নতুন বলেছেন:
৪০ টাই হয়দারের...

নতুন, রাজনীতিবিদদের মাথায় অত বুদ্ধি নাই ... এটা হলো ব্যবসায়ীদের কারবার
মন ভাল না বলেছেন:
হায়দার ৪০ টা মুদ্রা নিয়া ওদের সবগুলারে মাইরা পকেট থিকা ম্যাপ নিয়া ওদের জাহাজ নিয়া পালায় যাবে...
..হইছে না??
ত্রিভুজ বলেছেন:
আগের মতই সবার সামনে হিসেব করে ছোট দুই জলদস্যুকে বুঝিয়ে দেব যে তোমরা যদি আমাকে মারার পর বড়টাকেও মারতে পারো ("না" ভোট দিয়ে) তাহলে ২০টা করে পাবে। এবার ছোট জলদস্যুকে লক্ষ করে বললো, আমরা দুজন মারা গেলে যদি তুমি মেঝো জলদস্যুকে "না" ভোট দাও, তাহলে ৪০টা একাই পেয়ে যাচ্ছো। ভেবে দেখ.... ছোট জলদস্যু এটা সুনে তো বাংলা সিনামার ভিলেনের মত এক হাসি দিলো.. মুহাহাহাহাহাহ
।এইসব বলে হায়দার বড় জলদস্যুকে কিছুই দিলো না। কিন্তু সে এরভেতরেই ছোট জলদস্যুর হাসি দেখে ভড়কে গিয়েছে। তাই "হ্যা" ভোট দিয়ে দিলো জীবন বাঁচানোর জন্য।

এবার মেঝো জলদস্যুকে হায়দার ১টি মুদ্রা দিলো। একটু আগে হায়দারের দুই নাম্বারী বুদ্ধি শুনে ও ছোটটার হাসি দেখে সে খুব বুঝে গিয়েছে যে তার আর উপায় নেই। ১ ই সই। সেও "হ্যা" ভোট দিয়ে দিলো।
হায়দার এইবার ছোট জলদস্যুর দিকে তাকিয়ে তার মত করেই মুহাহাহাহাহা করে হাসি দিয়ে ৩৯ টা মুদ্রা নিজের পকেটে রেখে দিলো। ছোট জলদস্যু এর পরে কানে ধরে প্রতিজ্ঞা করলো জীবনে আর কোনদিন কোন বাঙালির কথা হাসবো না... নাচবো না....

আওয়ামীলীগ বা বিএনপি'র কে আমারে মনোনয়োন দিবেন লাইনে দাঁড়ান। আমি একটু আইতাছি...
জোনাকি বলেছেন:
হা:হা: আমার কোন মতামত নাই।তবে মজা পাইছি।আপনাকে ৫ দিলাম.........
নতুন বলেছেন:
হায়দার যেহেতু এখন বস..তাই সে বুডু কে মেরে ফেলবে.. অভিযোগ.. সে নিজে সব নিয়ে পালানোর সডজন্ত করছিলো... এবং ছুডু কে বোঝাবে..যে সে কখনোই বস হতে পারবে না...তাই তার সাথে থাকতে...এবং মুডু কে মেরে ফেলতে বলবে...এবং..শেষে.. ছুডুকে বলবে..সে কি চায় মুদ্রা না দ্বিপ হতে শহরে যেতে... সে নিস্চয় শহরে যেতে চাইবে.. তাই ৪০ মুদ্রা হায়দারের ই থাকবে..
নতুন বলেছেন:
মুহাহাহাহাহাহা.......
ঘোড়ার ডিম, রাজনীতিবিদই হইতে পারব মনে হয়

একটা হিন্টস দেই, এই চারজনের একজন বস্ হইলে বিরাট ধরা খাবে, কে সে?
এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য হিন্টস, কাউকে ফাঁসী দিতে পারলে জলদস্যুরা অনেক মজা পায় ...

ত্রিভুজ বলেছেন:
আমি মহা দৌড়ের উপর আছি.. কিন্তু ৪০ টা মুদ্রা নিজের পকেটে না নিয়া ফিরতেও ইচ্ছা করতেসে না। জ্বিনের বাদশা, হায়দারের নামটা পাল্টায়া "ত্রিভুজ" করে দেন তো। 
আচ্ছা, ৪০ টা মুদ্রা বড় ডাকাত সমান ভাবে ভাগ করতে পারবে না। সুতরাং তার মৃত্যু অবধারিত। তার "হ্যা" ভোট এটা দিয়েই কনফার্ম হয়ে গেল।
মেঝো ডাকাতেরও ভয় আছে। কারন ছোটজন ৪০ টা একা পাওয়ার জন্য হলেও "না" ভোট দিয়ে তাকে মেরে ফেলতে পারে। সেও জীবন বাঁচানোর জন "হ্যা" ভোট দিবে।
দুইজন হ্যা দিয়ে ফেললে ছোট ডাকাতের ভোটের কোন মূল্য নাই তাকে মূদ্রা না দেয়াই ভাল..

৪০ কি এখন আমার পকেটে না?

ছিনতাই কারী ধরার আগেই ব্যাংকে যাই গা... ;-)
টাডাাাাাাা.া.....
মনের কথা বলেছেন:
প্রশ্নঃ১. হায়দার কেই কি প্রথমে ভাগাভাগি টা করতে হবে? (যেহেতু তাকে বস মানা হয়েছে)
২. জলদস্যু দের সাথে গোপন ষরযন্ত্র করার সুযোগ আছে?
অন্যরকম বলেছেন:
আমি আসার আগেই তিরু (ত্রিভূজ) মিয়া সব মাইরা দিল!!!ঠিক আছে... তিরু... পিস্তল নিয়া আস, সামনা সামনি... ফেইস টু ফেইস, যে আগে যারে.... করতে পারে..!
এরপর দেখা যাবে কত গুল্লিতে কত সোনা (স্বর্ণ) ;-)

চল্লিশটা নিয়া ভাগতে চাইলে আপনাকে ফাঁসী না দিয়া ওরা ফাঁসি দেওয়ার আনন্দটা মিস করবেনা

তবে আপনার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত ... খুব কাছাকাছি আসছেন ... আবার ভাবেন, বস্ হইলেই মারা পড়বে কে?
১. হ্যাঁ, হায়দারকেই করতে হবে
২. না, সুযোগ নেই ... সবাই ভীষন স্বার্থপর ... কেউ কাউকে বিশ্বাস করেনা
ত্রিভুজ বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা,আপনি বলতে চান একজন একজন করে দস্যুকে লিডার বানিয়ে মেরে ফেলতে? কি দরকার? আমার গোল হইলো ৪০ টা মুদ্রা নিয়া বাড়ি ফেরা... খামখা খুন খারাবি কইরা কি লাভ? দেশে এমনিতেই জরুরী আইন চলে..

যাই হোক, আপনি যে পথ বলছেন, ঐটা আমিও ভেবেছিলাম একবার। কিন্তু দুইটা সমস্যা-
১) শর্তে বলা আছে ১. বস্ ভাগ করে দেবে মুদ্রা। এবং বস বানানো হয়েছে হায়দারকে। আর হায়দার মারলেই শুধু অন্যজন বস হতে পারবে। সেরকমই তো লিখছেন-
"বস্-কে ফাঁসী দেয়া হবে, এবং এরপর বয়সের ক্রমে সবচেয়ে বড়জন বস্ হবে। "
২) দস্যুদের বস বানানোটা কিছুটা রিস্ক হয়ে যায়। তারচেয়ে চামে মুদ্রা নিয়ে ভাগাই ভাল না? একদম রিস্ক ফ্রি...

যাই হোক, সল্যুশনটা দিয়ে রাতে দিয়েন। হাতের কাজ শেষ করে দেখি আরো কোন ওয়ে আছে কিনা।
মনের কথা বলেছেন:
একটা কেমন গোলমাল লেগে যাচ্ছে। দেখুন হায়দার যদি ঠিকঠাক ভাগ করতে পারে তাহলে গল্পই শেষ। তাহলে ফাঁসীর কোন চান্স থাকেনা। তাকে শহরে পৌছে দেওয়া হবে।আবার জলদস্যুরা যদি ফাঁসী চায় তবে না বাচক ভোট দিয়ে তা করতে পারে। সেক্ষেত্রেও গল্প শেষ কেন না হায়দার মারা গেলে জলদস্যুদের কি হল সেটা নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা নেই ।
গল্পের প্রশ্ন হল হায়দার কটা স্বর্ণমূদ্রা নিয়ে ফিরেছিল। সুতরাং সে মারা যায়নি। তাহলে মারা না যেতে হলে তাকে সমান ভাগ করতে হবে। এক্ষেত্রে বুড, মুডু যদি বয়সের কারনে সমান ভাগে রাজী না হয় তাহলে না বাচক ভোট দিতে পারে। সেক্ষেত্রেও গল্প শেষ।
(যদি বলেন "বস" পদ থেকে রিজাইন দেওয়ার ক্ষমতা আছে তাহলে আরও চিন্তা করা যেতে পারে)

হিন্টসটা হলো, বস্ হইলে কোন জলদস্যুটা রামধরা খাবে? মানে বস্ হওয়া মাত্রই কোনটার মৃত্যু অনিবার্য?
আবার শর্তগুলো পড়লে ধরতে পারবেন হয়ত

মনের কথা বলেছেন:
রামধরা তো প্রথমটাই খাবে মানে বুডু (যদি বস হওয়ার আগেই গল্প শেষ না হয়)।
মনের কথা বলেছেন:
আরে ক্লিয়ার করেন ঘটনাটা। এগোতে পারছিনা না করলে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@জ্বি. বাদশা ঠিকাসে

@মনের কথা
একটা শর্ত হলো জলদস্যুরা সবচেয়ে বেশী ভয় পায় মৃত্যুকে। আবার লজিক্যালি হায়দার প্রমাণ করে দিয়েছে সে মারা পড়া মানে বড় ও মেঝোজন মারা পড়া। সুতরাং ঐ দুইজন "না" ভোট দেয়াটা লজিক্যালি "ফলস" রিটার্ন করে।
এখানে অনেকগুলো লজিক আছে। জ্বিনের বাদশা যেভাবে সলভ করতে যায়, তাতে লজিকে প্যাঁচ লেগে যাচ্ছে। দেখি প্যাঁচ না লাগিয়ে সলভ করা যায় কিনা.. আবার বিকালে ট্রাই মারুম।
@অন্যরকম
আমিতো মূদ্রা নিয়া সোজা বঙ্গোপ সাগর হয়ে চট্রগ্রামে ল্যান্ড করুম.. ওয়েষ্ট্রানে না। আর দেশে বন্দুক লইয়া ঘুড়লে কিন্তু যৌথ বাহিনী ধরবো
।
মুডু, মানে দ্বিতীয়জন বস্ হলে কি হবে? ছুডু অবশ্যই না ভোট দেবে ... ফলে হ্যাঁ ১, না ১ ... ওকে মুডু হারল ভোটে... মানে ছুডু ৪০ টা মুদ্রা আর মুডুর ফাঁসী ... মানে মুডু বস্ হলেই ধরা খাবে ... কারন ছুডুকে যদি সে ৪০টামুদ্রার সব দিয়েও দেয় তাতেও মুডু বাঁচবেনা ... কারন উপরি পাওনা মুডুর ফাঁসী ছুডু মিস করবেনা
ভয়াবহ রকমের ক্রুয়েল ... দ্য পাইরেটস অভ আন্দামান!!!
অন্যরকম বলেছেন:
আঁই ত বদ্দা চিটাইঙ্গা ফোয়া। চট্টগ্রমে ল্যান্ড করলে আমি রাউজান আর ফটিকছড়ি বাহিনিকে খবর দিয়া আপনাকে সাদরে আমন্ত্রন করুম।...@ তিরু মিয়া।
কণা বলেছেন:
হায়দার মারা গেলে মেঝ জন ধরা খাবে । কারণ হায়দার মারা গেলে বড় জনের সব কথাতেই মেঝ জনকে হ্যাঁ বলতে হবে । বড় জন মারা গেলে মেঝ জন ছোট কে ৪০ টি মুদ্রা দিয়েও জীবন বাঁচাতে পারবে না । এ কারণে হায়দার মেঝ জনকে ১ টি মুদ্রা দিলেই সে হ্যাঁ বলবে । এরপর ছোট জনকে হায়দার ১টা দিবে । কারণ জীবন বাঁচানোর জন্য মেঝ জন হ্যাঁ বললে ছোট জন কিছুই পাবে না । সুতরাং সে ১ টা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে ।
দুটো হাঁ ভোট হয়ে গেল..... হাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হাঁ জয়যুক্ত হয়েছে ।
তাহলে শেষপর্যন্ত হায়দার ৩৮ টা মুদ্রা নিয়ে বাড়ি ফিরবে ।
কণা, কনগ্র্যাটস!!
এটা ধাঁধা সিরিজের সবচেয়ে কঠিন ধাঁধা ছিল, পুরা এ্যানালাইটিক।
একটু ব্যাখ্যা করি ...
বুডু জানে যে মুডু কখনই বস্ হইতে চাইবেনা ... কারণ বস্ হইলেই মুডু মারা যাবে ...
কাজেই বুডু যখন বস্ হবে তখন মুডুকে কিছু না দিলেও মুডু বুডুর বিরুদ্ধে যাবেনা ... সুতরাং, বুডুর ২টা ভোট (নিজের আর মুডুর) জোগাড় হয়ে যাওয়ায় ছুডুকে কিছু দেবার প্রশ্নই আসবেনা ...
কিন্তু এই লজিকটা ছুডু আর মুডুও বোঝে ...
ছুডু মুডু জানে যে বুডু বস্ হলে ছুডু আর মুডু, দুইজনের কেউই কিছু পাবেনা, বুডু ৪০টা মুদ্রা নিয়ে আরামে জাহাজে ফিরবে।
কাজেই, ছুডু মুডু হায়দারের থেকে একটা করে মুদ্রা পেলেও তাদের লাভ ...দুজনকে মিনিমাম একটা করে দিলেই হায়দারকেই ভোট দেবে
হায়দার ৩৮ টা মুদ্রা নিয়ে চাঁটগা বন্দরে নামবে ... সেখানে আবির্ভুত হবে 'অন্যরকম'!!!!!
অন্যরকম বলেছেন:
আমি কোন ধাঁধাঁ জিগামু না! শুধু ২টা অপশন দিমু: ১. ৩৮ টা স্বর্ণমুদ্রা আমারে দিবা আর পিছনে না তাকাইয়া ঢাকায় হাঁটা মারবা (ট্রেন/বাসে গেলে ক্ষতি নাই!)।
২. তুমার কপাল ফুটা করমু আর স্বর্ণমুদ্রা নিয়া চইলা যামু।
এখন যেটা খুশি বাইছা লও!!!

মুহাহাহাহা......

নাটবল্টু, যাক আমাকে বাঁচালেন ...

অন্যরকম, জ্বিন পাঠব চট্টগ্রাম বন্দরে
মনের কথা বলেছেন:
এত তাড়াতাড়ি কইলেন ক্যান (:-
ত্রিভুজ বলেছেন:
হয় নাই! মানি ন! খেলুম না!!! 
জ্বিনের বাদশা, আপনের গোল ছিল হায়দারের পাওয়া মুদ্রা নিয়া ঠিক ঠাক মত বাড়ি ফিরা। যদি বলতেন হায়দারেরও জলদস্যু হওয়ার যোগ্যতা দেখাইতে হইবো, তাইলে অন্য হিসাব। আমি ৪০ মুদ্রা মিলায়া দিলাম ভাল্লাগলো না.. শেষ পর্যন্ত ৩৮ মুদ্রা... আপনার সূর্তে বলা হয়েছে মারামারি থেকে মূদ্রার দাম বেশী। তাহলে লজিক উলটা হয়ে গেল না?
যাউকগা... এই মূহুর্ত্বে মাথায় অনেক কিছু লোড হয়ে আছে। সন্ধ্যায় আইস্যা আপনারে সাইজ করুম.. (মুহাহাহাহাহাহ)

কণা,, অভিনন্দন....!
@অন্যরকম
ডর পাইসি... আমি চিটাগাং ল্যান্ড করুম না ঠিক করসি... সুন্দরবন ল্যান্ড করুম

জ্বিনের বাদশা দুই নাম্বারী করসে। সন্ধ্যায় এইটা নিয়া গোল মাল হইবো কয়া গেলাম... আইতাসি... (মুহাহাহাহাহ)
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
মিস করলাম.... চমৎকার এক ধাঁধাঁ...... ভাই আপনি কই পান এরকম!@ জ্বিনের বাদশাকনগ্র্যাটস কণা আপু।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















