আমার প্রিয় পোস্ট

যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে, ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

শেয়ারঃ
0 1 0

এক.
১৯৭৫ এর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহটায় এদেশের ইতিহাস একটা "অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়" পার করেছে -- সেটা নতুন করে বলার দরকার নেই। অগ্রজদের যতবার জিজ্ঞেস করেছি ততবারই একই কথা শুনেছি, "ঐ সময়টা সম্পর্কে আসলে আমরা কিছু জানিনা"। যা কিছু লিখিতভাবে এসেছে, পড়ে দেখেছি, খুবই একপেশে বর্ণনা --- হয় জিয়ার প্রসংশায় পঞ্চমুখ বর্ণনা, নাইলে জিয়ার নিন্দায় পঞ্চমুখ বর্ণনা।

যাই হোক, সেই ইতিহাস আসলে কি ছিলো সেটা পুরোপুরি না জানলেও তার আগের আর পরের ইতিহাসের প্রেক্ষিতে কতগুলো প্রশ্ন মাথায় জাগে। সেগুলোই তুলে ধরব। যে যা জানেন বা বোঝেন তার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করলে বাধিত হবো।

যে সাধারণ বিষয়টায় সবাই একমত হবেন সেটা হলো, জেনারেল জিয়া কর্ণেল তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। সম্ভবতঃ এটা স্বীকৃত যে ৭ ই নভেম্বর সিপাহীদের একাংশের সহায়তায় কর্ণেল তাহের জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করেন। জিয়া বন্দী হয়েছিলেন ৩রা নভেম্বর, খালেদ-জামিল-হায়দার ক্যু'র ফলশ্রুতিতে। পরবর্তীতে জিয়া কর্ণেল তাহেরকে ঠকিয়েছেন, শুধু তাইনা, পথের কাঁটা দূর করার জন্য কর্ণেল তাহেরকে মেরেই ফেলেছেন। সাথে আরো অনেক অনেক সেনাসদস্যদেরকেও।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জিয়াকে ভিলেন মানতেই হবে, কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, এই ব্যাপারটা তাহেরকে মহিমান্বিত করছে কোন হিসেবে?

আমার কাছে তো এটা দুই ক্ষমতালোভীর ভাগাভাগির হিসাবের গন্ডগোলের জের -- এরচেয়ে বেশী কিছু মনে হয়না!

কারণ হিসেবে আমি যে প্রশ্ন গুলো উত্থাপন করতে চাই সেগুলো হলো:
১. ৭ই নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব কি মহান কিছু, না কয়েকদল সেনার মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই?
২. ৭ই নভেম্বরে ১৯৭৫ এর সেই পয়েন্টে জিয়া যদি বদমাইশ হয় (যেটা আমি মনে করি ঠিক), তাহলে তাহের কেন না?
৩. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি ৭ই নভেম্বরের তাহের-জিয়ার কীর্তিকলাপ গুলো "মহান" হয়ে যেত?
৪. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাহেরকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি তাহেরের হাতে আপনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে থাকতে দেখতেননা? বাস্তবে, তাহেরের হাতে কি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে নেই একটুও?

প্রাসঙ্গিকভাবে যে প্রশ্নটা চলে আসে:
১. ৭ই নভেম্বরে তাহের যে জিয়াকে মুক্ত করলেন, সেটা দুজনের মধ্যে কোন কোন আন্ডার্স্ট্যান্ডিংয়ের ভিত্তিতে? তাদের মধ্যে কি কি চুক্তি হয়েছিলো (ঘটনার আগে)?
২. তাহেরের কেন জিয়াকে মুক্ত করার দরকার পড়লো?


দুই.
আমার মতে পাপটা তো শুরু হয়েছিলো সেই ৭৫ এর অগাস্টের ১৫ তারিখ থেকে, যেদিন একটা মানুষকে বিনা কারণে, বিনা দোষে সপরিবারে (আট বছর বয়সের একটি বাচ্চা ছেলেসহ) মেরে ফেলা হলো।

তারপরই শুরু ক্ষমতা দখলের হোলি উৎসব! যে যেভাবে পারলো ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টায় নেমে পড়ল। এই যে দখলের প্রতিযোগিতায় নামা "মহামানবেরা", যারা কেউ ওরকম বীভৎস হত্যাকান্ডের ব্যাপারে টূঁ শব্দও করলেননা, বরং সেই হত্যার যে রসালো ফল, সেটা খাবার জন্য হামলে পড়লেন, তাদের কারো হাতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে নেই -- আপনি বলতে পারবেন?

আমি অবাক হয়েছিলাম ১৫ ই অগাস্টের ঘটনার মেজর(সম্ভবতঃ) হামিদের বর্ণনা পড়ে যেখানে জানলাম যে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যখন ক্যু সম্পন্ন হলো, তখন যে সেনারা উল্লাস করছিলেন তাদের মধ্যে খালেদ মোশাররফও ছিলেন!! আর বাকী রইলো কি?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
পথিক তুমি বলেছেন: জিয়া তাহেররে মারে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য৷ তাহেরের লক্ষ্য ছিল সমাজতন্ত্র৷ তাই জিয়া যখন তারে ক্ষমতা ভাগাভাগি করার প্রস্তাব দেয় তাহের সেটা ফিরাইয়া দেয়৷ তাহেরের সামরিক বাহিনীতে যেই বিপুল জনপ্রিয়তা ছিল জিয়ার পক্ষে তারে না মাইরা উপায় ছিল না৷ আমিও পুরা ঘটনা জানি না৷ আপনার এই পোস্ট খুব ভাল লাগছে৷

"৪. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাহেরকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি তাহেরের হাতে আপনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে থাকতে দেখতেননা? বাস্তবে, তাহেরের হাতে কি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে নেই একটুও?"
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... আমি আসলেই কর্ণেল তাহেররে নিয়া এত লাফালাফির অর্থ বুঝিনা ... আমার কাছে তো সবাইকে একই গোয়ালের মনে হয় ...

২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ইতিহাস নিয়ে সে সময়কার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে খুঁটিনাটি জানতে চাওয়া , ছোটবেলা থেকেই অভ্যাসটা লালন করে চলেছি । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালের কথা বলেছেন আমার দাদা , ৭১ এর কথা শুনেছি বড় চাচা , বাবার কাছে ।

৭৫ এর এই সময়টায় আমার বাবা ঢাকা মেডিকেল স্টুডেন্ট , চাচা বাংলাদেশ ব্যাংকে , আমার মার চাচা ঢাকার একটা নামকরা সরকারী কলেজের টিচার । তাদের কাছে আলাদাভাবে ব্যাপারগুলো জানতে চেয়েছিলাম । সম্ভবত অনেক কিছু জেনেছি (অন্তত সে সময়কার পাবলিক সেন্টিমেন্ট , পাবলিক ঠিক কি ভুল ছিল সেটা জাজ না করেই শুনে গেছি) ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: সম্ভব হলে শেয়ার করেন ...

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫
পথিক তুমি বলেছেন: কোন এক কর্নেল (এখন বিদেশে পালাইয়া বেরাইতেছে) নাকি বলেছিলেন যে তাহের নাকি জানত যে বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলা হবে৷ তাহের জানবে না এটা কি করে সম্ভব?
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: এটা তো নতুন তথ্য দিলেন!!
তবে মেজর হামিদের লেখা পড়ে যেটা বুঝলাম, আর্মির বড়-ছোট অনেকেই মনে হয় জানত যে বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলা হবে ... সবাই হিসাব কষতেছিলো কোন এ্যাঙ্গেলে গেলে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে ... সেখানেই শিয়াল-চতুর জিয়া খেল দেখাইছে

৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫
মাহবুব সুমন বলেছেন:
প্রিয় চাচ্চুর সাথে পুরোপুরি একমত।

যে প্রশ্নগুলো করেছেন সেটা অনেকের মনেই জাগে তবে প্রশ্ন করার সাহস হয় না ;)

খালেদ মোশাররফকে মহিমান্বিত করার একটা কারন তার আওয়ামী ঘেঁষা অবস্থান। এর বিপরীতে ছিলো জিয়া- তাহের অবস্থান। এজন্য একেকদলের কাছে একেকজন মহান।

সবই ক্ষমতার লীলাখেলা।

সত্য ইতিহাস লিখতে হলে সব কিছুই আসতে হবে। তবে তিক্ত ও বাস্তব সত্য হলো, সত্য ইতিহাসকে চাপা রাখা যায় না, কোনো না কোনদিন সেটা বের হয়ে আসবেই আসবে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: হুমমম,
"সবই ক্ষমতার লীলাখেলা",
সবাই খারাপ, খালি আমিই ভালা -- এই হইলো কথা।

৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩
সমকালের গান বলেছেন: আমিও জানি না। প্রশ্নগুলো আমারও...
৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: যে প্রশ্নগুলো করেছেন সেটা অনেকের মনেই জাগে তবে প্রশ্ন করার সাহস হয় না । এইটার প্রতিক্রিয়া কি হয় দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
ফারহান দাউদ বলেছেন: হুম,কৃষ্ঞ করলে লীলাখেলা আমি করলে পাপ,কিসু কইলে হাজী সাবের মুখটা খারাপ।
৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান, সমকালের গান ...

আমার একটা সামান্য সন্দেহ ছিলো এব্যাপারে যে এসব প্রশ্ন কি শুধু আমার মনেই? আমি কি কিছু তথ্য জানিনা?
(দেশে থাকতে আসলেই দেশের ইতিহাস নিয়ে পড়া হয়নাই ... আখের গোছানোতে ব্যস্ত ছিলাম, স্বীকার করি)

আরো অনেকেই একই ভাবে ভাবেন দেখে কিছুটা আস্বস্ত হলাম
১০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: এই বিষয়ে আজকে রাঙামিয়ার পোস্টে করা একটি মন্তব্য রেখে গেলাম। (প্লিজ কেউ একই মন্ত্যব বার বার দেবার জন্য গালি দিয়েন না। কারন বিষয় এক এবং আমার মন্তব্যও এক)

==============================

দুঃখের বিষয় আমরা বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম উত্তরাধীকার সূত্রে একটি চরম প্রশ্নবিদ্ধ ও অমিমাংসিত ইতিহাস পেয়েছি। ১৯৭১ এর মার্চ থেকে আমাদের আমাদের ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার সাথে একটা করে প্রশ্ন ঝুলে আছে। হয়ত কোনটা একজনের কাছে প্রশ্ন না তো অন্য জনের কাছে প্রশ, তাই না? একমাত্র জামাতিরা ছাড়া আর কারো প্রশ্নই আমরা ফেলে দিতে পারি না। কারন, জামাতিদের প্রশ্নের উত্তর দেবার চাইতে ওদের প্রাপ্য শাস্তি দেওয়াটা আমাদের লক্ষ্য। এই প্রশ্নগুলোর সমাধান জরুরি, কারন আমাদের বুঝতে হবে আমাদের ইতিহাস। হয়ত আগামী ৫০ বছরেও আমরা সেই সব প্রশ্নের উত্তর পাব না।


রাজনীতি আপনার আমার ফিলিংসের উপর চলে না। এটা খুব কঠিন এবং নিরস বিষয়। কর্ণেল তাহেরের জিয়াকে মুক্ত করা আর জিয়া তাকেই ফাসিতে ঝুলানো যদিও পরস্পর বিপরীতমুখি ব্যাপার, তবুও আমরা জিয়াকে কোন ক্রমেই বিশ্বাসঘাতক বলতে পারি না। কারন ইতিহাসের পেছনের কথা আমরা কেউ জানি না। যেমন বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তাজউদ্দীন আহমেদ সম্পূর্ণ মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করলেন, অথচ সেই বঙ্গবন্ধুর শাসনামলেই আমরা তাজউদ্দীন আহমেদকে নিগৃহিত হতে দেখি। এর জন্য কি আমরা বঙ্গবন্ধুকে মীরজাফর বলব, নিশ্চয়ই না? জিয়ার আমলে যেমন আমরা বিদ্রোহী মুক্তিযুদ্ধা অফিসারদের ফাসিতে ঝুলতে দেখি, তেমনি বঙ্গবন্ধুর আমলে আমরা সিরাজ শিকদারের মত মুক্তিযোদ্ধাকে মরতে দেখি, তাই না? আবার বঙ্গবন্ধুর হত্যাও করলেন খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা। স্বয়ং বঙ্গবন্ধুর হাতেই প্রতিষ্টিত হলেন খন্দকার মুশতাক, অথচ মুক্তিযুদ্ধকালীন সে যে আপোষ করবার চেষ্টা করেছিল তা কারো অজানা ছিল না। আজকে অনেকেই সাদেক হোসেন খোকাকে দূর্নিতিবাজ বলে, মোফাজ্জল হোসেন মায়াকে সন্ত্রাসীর পৃষ্টপোষক বলেন অথচ তারা উভয়েই অত্যন্ত ত্যাগী মুক্তিযোদ্ধা।

বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন আহমেদ, জিয়াউর রহমান, কর্ণেল তাহের, সিরাজ শিকদার, সাদেক হোসেন খোকা, মোফাজ্জল হোসেন মায়া এদের প্রত্যেকেরই এই দেশের জন্য অবদান আছে। রাজনীতির মারপ্যাচে তারা কি করেছেন তা ইতিহাসের সাপেক্ষে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। কিন্তু তাদের সম্পর্কে এমন কোন উক্তি করা যায় না, যা তাদের কৃত অবদানকে খাট করে। সবসময়, সবদেশেই এমন নজির পাওয়া যায়।


আশা করি যা বলতে চাইলাম, বুঝিয়ে বলতে পারলাম। ধন্যবাদ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: এখানে কার কি অবদান সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছেনা ... আলোচনাটা একটা ঘটনার প্রতি খুব ফোকাসড ... সেই ঘটনার বিচারে কাকে কাকে আমরা কিভাবে বিচার করবো সেটা নির্ণয় করতে চাচ্ছি ...

জিয়ার ইনডেমনিটি আইন চালু করাই কি এটা বলার জন্য যথেষ্ট না যে জিয়ার হাত মুজিবের রক্তে রাঙানো? জিয়ার ক্ষমতায় আসাকে আপনি কিভাবে জাস্টিফাই করেন?

১১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
পথিক তুমি বলেছেন: কোন এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে ঐ কর্নেল (বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মধ্যে যারা যারা এখন বিদেশে পালিয়ে আছে) বলেছিলেন সেটা৷ ঐটা ছিল প্রথম পর্ব (আরো চার পর্ব নাকি ছিল)৷ কিন্তু ঐটা দেখাবার পরে ঐ চ্যানেল আর অন্য পর্বগুলি দেখাবার সাহস পায় নাই৷ সেখানে তাহের জিয়াকে মুক্ত করার সময় লুঙ্গি পরিহিত জিয়ার কাপার কথাও ছিল৷ আর তাহের নাকি কাকে বলেছিলেন যে মুজিবকে মেরে ফেলা হবে৷
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? ... কোন চ্যানেলে? ... ইউটিউবে ভিডিওটা পাওয়া গেলে ভালো হইত

ধন্যবাদ আপনাকে, শেয়ার করার জন্য

১২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
বিপুল চিন্তার ক্ষেত্র তৈরী করার মতো সবগুলো পয়ন্ট ।
প্রশ্নগুলো উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ, জিবাদা !

কর্ণেল তাহেরকে মহিমান্বিত করার প্রচেষ্টাটা রাজনৈতিক ।
আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি সুক্ষ্ম ভাবে লক্ষ্য করলে সেটা পরিস্কার হবে ।

জিয়া কর্ণেল তাহেরের হত্যকারী তাই কর্ণেল তাহেরকে যতো মহান হিসাবে উপস্থাপন করা যায়, ততো জিয়া বিরোধী শিবির লাভের ফসল ঘরে তোলে, এই আর কি !
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার পয়েন্টটা গুরুত্বপূর্ণ ... আওয়ামী লীগ বেকুবজাতীয় / সুবিধাবাদী নেতায় পরিপূর্ণ একটা দল ... আমি জানিনা কোনদিন ক্ষমতায় যাওয়ার স্বার্থে এরা বঙ্গবন্ধুরই বিরোধিতা শুরু করে!

১৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
পথিক তুমি বলেছেন: জানি না, তবে তার পরদিন প্রথম আলুতে নাকি ওই অনুষ্ঠানের পুরা সাক্ষাত্কার ছাপা হইছিল৷ পরে বিভিন্ন সংগঠন সেটার প্রতিবাদ করে৷
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: তারিখটা মনে আছে?

১৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: অবদানের কথাই তো আসবে। কারন ঘটনার বিচার করবার জন্য যথেষ্ট তথ্য প্রমান আপনার আমার কারো হাতেই নেই। এই ইতিহাসের প্রতিটি পয়েন্টই প্রশ্নবিদ্ধ্। অনেকেরই অতীত কর্মকান্ড এবং তার পরবর্তী কর্মকান্ডকে মেলানো যায় না। বিধায় আপনি ব্লগে যতই প্রশ্ন, তার উত্তরে প্রমান উত্থাপন করেন না কেন, ঘটনার বিচারে কাকে কাকে আমরা কিভাবে বিচার করবো সেটা নির্ণয় করতে পারছেন না।


এখন ইতিহাসের চিন্তা ফেলেও আমরা থাকতে পারি না। বিধায় যখনই এই নেতাদের কথা উঠবে তখন তাদের অবদানের কথাগুলোও মাথায় আনতে হবে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: এটা আপনি কি বললেন?
আপনার অন্যান্য ইতিহাস-বিষয়ক কিছু লেখা/মন্তব্য আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছিলো, কিন্তু এবার হতাশা প্রকাশ না করে পারছিনা ...

ইনডেমনিটি নিয়ে আমরা আলোচনা করবনা বলতে চান? আপনি ইনডেমনিটিকে কিভাবে দেখেন?

১৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
রুবেল শাহ বলেছেন: সব কিছুই মূলেই ছিল মীরজাফর জিয়ার হাত, এগুলো আজ দিবালোকের মত স্পষ্ট। তার প্রমান মেলে জিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ, রাজাকারদের পূর্নবাসন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্টদূত বানোর মাধ্যমে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: সেই প্রশ্নটাই তো করলাম?

আপনাকে আরো প্রিসাইজ একটা প্রশ্ন করি:
ইতিহাসের ঠিক কোনতারিখ থেকে জিয়া মীরজাফরি শুরু করেছে বলে আপনি মনে করেন?

১৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
রুবেল শাহ বলেছেন: যারা বিশ্বাস ঘাতক তারা আগে থেকে কখনোই জানান দেন যে আমি বিশ্বাস ঘাতক .......... সেই হিসেবে জিয়া ছিল একটা মুখোশধারি মীরজাফ। ১৫ই আগষ্ট পর ওর আসল চেহারা ফুটে উঠে.......
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: সেই কথাটাই বলতেছি ... ১৫ ইআ গস্টের পর আসল চেহারা ফুটে ওঠা জিয়ার সাথে হাত মিলিয়ে যখন তাহের ক্ষমতা দখল করালো, ক্ষমতার ভাগ চাইলো তখন কি তার পাপ হইলোনা?

১৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
রুবেল শাহ বলেছেন: সেই প্রক্ষাপটে তখনই বিচার করা সম্ভব হতো যদি তাহের কে আত্ম পক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিত..............

আমরা ববারই আরেক মীরজাফর এরশাদ কথা ভুলে যাই।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: কিসের বিচার?

১৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩
পথিক তুমি বলেছেন: তাহের মনে হয় ক্ষমতার ভাগ চায় নাই তবে জিয়া তাহেরকে দিতে চেয়েছিল৷ তাহের তার সমাজ্তন্ত্রের আদর্শ বাস্তবায়ন চেয়েছিল আর জিয়া চেয়েছিল ক্ষমতায় আরোহন৷ তাই তাহেরের একরকম মোহমুক্তি ঘটে যার জন্য জীবন দিতে হয় পরে৷
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: তাহের কি জিয়ার মাধ্যমে সমাজতন্ত্রের আদর্শের বাস্তবায়ন চেয়েছিলেন?

১৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আপনি আমার ১৪ নম্বর মন্তব্য আবারো পড়ুন। আমি বলছি,

এখন ইতিহাসের চিন্তা ফেলেও আমরা থাকতে পারি না। বিধায় যখনই এই নেতাদের কথা উঠবে তখন তাদের অবদানের কথাগুলোও মাথায় আনতে হবে

আপনি কোথায় পেলেন আমি বলছি, যে আমরা ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করব না, বা ইনডেমিনিটি আইন নিয়ে আলোচনা করব না?

মুজিব হত্যার সাথে কোন কোন শক্তি জড়িত তাও আমরা স্পেসিফিকালি জানি না। তবে এতটুকু বোঝা যায়, দেশী বিদেশী শক্তিশালী কিছু গ্রুপ জড়িত ছিল। যাদের ব্যক্তি, সামষ্টিক বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ জড়িত ছিল। বিধায় ইনডেমিনিটি নিয়ে আলোচনায় আপনি জিয়াকে ব্যক্তিগত ভাবে দোষ দিতে পারেন না। ব্যাপারটার রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি জড়িত। শুধু জিয়া কেন, তাহের বা খালেদ মোশাররফও যদি ক্ষমতায় টিকে যেত তারা যে ইনডেমিনিটি আইন করত না বা জামাতকে বৈধতা দিত না, তার কি কোন নিশ্চয়তা আছে? সবার লক্ষই ছিল ক্ষমতা, জিয়া ফাইনাল উইনার।


এদের কাউকেই ফেলে দেওয়া যায় না। ইতিহাস নিয়ে বিশ্লেষন করা যায়, আলোচনা করা যায়, শিক্ষা নেওয়া যায়। আমি বলতে চাচ্ছি, আমরা এদের কাউকেই হেয় করতে পারি না। এখন আপনি বলবেন, আপনি তো কাউকে হেয় করছেন না। আমার প্রথম কমেন্টে আমি বলেছি এটা রাঙামিয়ার পোস্টে করা কমেন্ট। আমি বঙ্গবন্ধু, জিয়া,তাহের কাউকে হেয় করতে আগ্রহী নই। ঐ পোস্টে রাঙামিয়া জিয়াকে হেয় করে একতরফা লিখেছিলেন। আমি মুক্তিযুদ্ধের তিন সেক্টর কমান্ডারের একজনকে মীরজাফর আখ্যা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের এক তৃতীয়াংশকে ছোট করতে চাই না। সেই জন্যই আমার ঐ মন্তব্য ছিল। নিশ্চিত ভাবেই আপনার এই পোস্টেও অনেকেই তেমনটিই করবে এবং করছে, তাই ঐ মন্তব্যটি রেখে ছিলাম।


আপনি চাইলে মুছে দিতে পারেন, আমার সব মন্তব্য। ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: "আপনি কোথায় পেলেন আমি বলছি, যে আমরা ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করব না, বা ইনডেমিনিটি আইন নিয়ে আলোচনা করব না?"
অবশ্যই আপনি বলেননি ... আমি ডিরাইভ করেছি এই অর্থে যে আপনার কমেন্টে আমার মনে হয়েছিলো যে সেই পুরোনো নেতাদের বেলা শুধু অবদানগুলো দেখতে হবে ... এখন বুঝলাম সেটা রাঙামিয়ার পোস্টের একতরফা নির্দেশনার জবাবে বলেছেন

হ্যাঁ, তাহের, খালেদ মোশাররফরা আসলে ইনডেমনিটি করতেন কি করতেননা সেটা আলোচনার বিষয় ... তবে যেহেতু আসেননি, এবং ফাইনাল উইনার জিয়াই এসেছেন, কাজেই আমরা তার কার্যকলাপই বিচার করবো ...

আমার মনে হয়না কোনভাবেই ইনডেমনিটি করা হয়েছিলো বিদেশীদের ভয়ে ... পুরোটাই একটা চুক্তি ছিলো বলেই আমি মনে করি ... না হলে, হাসিনার সরকার ৯৬ তে এসেই ইনডেমনিটি উঠিয়ে দেয় কিভাবে? ... আর, ইনডেমনিটি না করলে যে মুজিব হত্যার বিচারে সিআইএ/আইএসআই'র ও বিচার করতে হতো তা তো না! আমাদের হাত অত লম্বা না, আমরা জানি ... কিন্তু দেশের ভেতরেরগুলোকে কেন বিচার করা হলোনা ... কেন উল্টো ওদেরকে পূনর্বাসন করা হলো? ... প্রশ্ন জাগেনা?

২০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
পথিক তুমি বলেছেন: ঠিক ওরকম হয়ত নয় তবে জিয়ার সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগিতে তার আগ্রহ ছিল না এইরকম শুনেচি৷ এছারা জিয়াকে মুক্ত করার বিনিময়ে সে কিছু চায় নাই কিন্তু জিয়া তার কৃতগ্গতা স্বরুপ কিছু করতে চেয়েছিল৷ তাহের সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয় কিন্তু তার মনে সমাজ্তন্ত্রের আদর্শ রয়ে যায় তাই জিয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয় ৷ আমার ভুলও হতে পারে৷
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার তথ্যগুলো ইন্টারেস্টিং ... ধন্যবাদ
প্রসঙ্গতঃ, আমি এখনও বুঝিনা ৭ই নভেম্বরের সেই পয়েন্টে তাহের-জিয়ার ইউনিয়ন টা কিভাবে হলো ... তাহের কি চেয়েছিলেন যে অন্তঃত আওয়ামীপন্থী রাশেদ মোশাররফের চেয়ে সেনাপ্রধান জিয়া সমাজতন্ত্র বাস্তবায়নে বেটর চয়েস? ... এটা একটা রহস্য

২১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
মাহবুব সুমন বলেছেন:
কর্নেল তাহেরের ব্যপার যখন আসলো , তখন "জাসদের" প্রসংগটাও এসে যায় কথা প্রসংগে।

* ৭২ পরবর্তী সময়ে জাসদ গঠন, এর প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লিগ পরবর্তিতে বাকশালের কার্যক্রম।
* জাসদ গনবাহিনীর বিরুদ্ধে রক্ষিবাহিনীর কর্মকান্ড
* কর্নেল তাহের নেতৃত্ব বিপ্লবি সৈনিক সংস্থা ( নামটা কি সঠিক বল্লাম ?) ও সেনাবাহিনীতে তাদের কর্মকান্ড
* ৭ই নভেম্বরে সিপাহী -জনতা ভাই ভাই, সুবেদারের উপর অফিসার নাই বলে অফিসার নিধন
* পাল্টা পাল্টি অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার লড়াই।
ইত্যাদি ব্যপার চলে আসে।
এখানে যে দাবার চাল ভালো চেলেছে সেই জিতেছে।

১৫ অগাস্ট পূর্ব এবং পরবর্তি সময়ে কর্নেল তাহেরের ভুমিকা কি ছিলো সেটাই ধর্তব্যে আনতে হয় যুক্তি খাতিরে।
সে সময় সেনাবাহীনিতে কর্মরত অনেকের ভুমিকাই কিন্তু ধোঁয়াশে।

কর্নেল তাহেরের জায়গায় জিয়া এবং জিয়ার জায়গায় তাহের হলেও ঘটনার উনিশ বিশ ঘটতো না। "এক ঘরমে দো পীর" চলে না।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আমার রিডিংও বেশ কাছাকাছি ... রক্ষীবাহিনী যে আওয়ামী-লীগ/বাকশালকে সেনাবাহিনীতে অপ্রিয় করে তুলেছিল এটা সম্ভবতঃ বঙ্গবন্ধুও জানতেন ... কিন্তু উনি হয়ত যাদের বিশ্বাস করেছিলেন তারা বিশ্বাস রাখেনি

২২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
নুশেরা বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট। ছাড়া-ছাড়া ভাবে এই প্রশ্নগুলো কখনো-সখনো মনে এসেছে; সেগুলোর এই দুর্দান্ত গ্রন্থনা দেখে খুব ভাল লাগছে। আরও ভাল লাগত যদি এই পোস্টেই উত্তরগুলো মিলত।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: এই উত্তরগুলো আসলেই মিলছেনা ... :(

২৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনার প্রশ্নে আমার সম্ভাব্য উত্তর.........

১. ৭ই নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব কি মহান কিছু, না কয়েকদল সেনার মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই?

> ক্ষমতার লড়াই।
সমাজতন্ত্রের আদর্শিক ব্যপার কথায় থাকলেও সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের কোনো কিছু খুঁজে পাই না। লড়াইয়ে খালেদ মোশাররফ বিজয়ী হলে অবশ্য রাজনীতির ধারা কিছুটা বদলাতো। ডান থেকে মধ্য বামে।

২. ৭ই নভেম্বরে ১৯৭৫ এর সেই পয়েন্টে জিয়া যদি বদমাইশ হয় (যেটা আমি মনে করি ঠিক), তাহলে তাহের কেন না?

> উনিশ বিশ।

৩. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি ৭ই নভেম্বরের তাহের-জিয়ার কীর্তিকলাপ গুলো "মহান" হয়ে যেত?

> না

৪. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাহেরকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি তাহেরের হাতে আপনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে থাকতে দেখতেননা? বাস্তবে, তাহেরের হাতে কি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে নেই একটুও?

> :) এখানেও রাজনীতি। সবাই সুযোগ নিতে চেস্টা করছে।

প্রাসঙ্গিকভাবে যে প্রশ্নটা চলে আসে:
১. ৭ই নভেম্বরে তাহের যে জিয়াকে মুক্ত করলেন, সেটা দুজনের মধ্যে কোন কোন আন্ডার্স্ট্যান্ডিংয়ের ভিত্তিতে? তাদের মধ্যে কি কি চুক্তি হয়েছিলো (ঘটনার আগে)?
> কিছু একটাতো ছিলোই, না হলে কি !!

২. তাহেরের কেন জিয়াকে মুক্ত করার দরকার পড়লো?
> স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার, আদর্শিক নয়।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: আমার নিজের ভাবনাগুলাও এরকম ... তার পরিপ্রেক্ষিতে একই সাথে জিয়া-তাহেরকে নিন্দা করতে হবে, অথবা প্রসংশা ... কিন্তু সবসময় এই মুদ্রার দুইপিঠকে নিন্ডা-প্রশংসার দুইপাশে দেখতে পাই

২৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
বিবর্তনবাদী বলেছেন: মনে হওয়া না হওয়াটা ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনি হয়ত মনে করবেন একটা, আমি করব আরেকটা। উভয়েইর হাতেই যেহেতু প্রমান নেই, বিধায় কেউ কাউকে নাকচ বা গ্রহণ করাও সম্ভব নয়।

ইনডেমিনিটি উঠানোর পেছনে হাসিনার আন্তরিকতা নাকি রাজনীতি কাজ করেছে তাও প্রশ্ন সাপেক্ষ। ইনডেমিনিটি উঠাবার সুফল তারা পাঁচ বছরে তো ঘরে উঠাতে পারল না, ভবিষ্যতে কি হয় দেখার বিষয়। ...............................সিআইএ/আইএসআই তো নিজেদের বিচারের পরোয়া করে না। তারা পোরোয়া করে তাদের দোসরদের বিচারের, দোসরদের রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে দালাল মেলা কঠিন হবে। .............................. প্রশ্ন প্রশ্ন প্রশ্ন!! এই প্রশ্নতেই তো আমরা জর্জরিত। উত্তর খুঁজে বিভ্রান্ত। তবে উত্তর পাবার আগ পর্যন্ত সীদ্ধান্ত যেন না জানিয়ে দেই, সেটাই অনুরোধ।


উত্তরগুলো আসলেই মিলছে না। তবে উত্তর খুঁজে যাওয়া চালু রাখতে হবে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: আসলে আপনার আগের কমেন্টে জিয়া সম্পর্কে নিজের মতামত তুলে ধরতে গিয়ে আমি পোস্টের জিয়া-ভার্সাস-তাহের টপিক থেকে দূরে চলে গিয়েছিলাম ... আপনি সম্ভবতঃ দুজনের কাউকেই নিশ্চিতভাবে নিন্দা করতে রাজী না ... তাহলে ডিসক্রিপেন্সী নেই
আমি ধরে নিয়েছি যে সেই সময়ের জিয়ার ভূমিকা নিন্দনীয় ... সেটার সাপেক্ষে প্রশ্নগুলো এসেছে... ইন ফ্যাক্ট এসে যায়

ধন্যবাদ

২৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: প্রশ্ন গুলি যৌক্তিক।আমি কাল যে লেখা তাহেরকে নিয়ে করেছি।তাতে আমি মনে হয় তাহের বন্দনা করি নি।আমি যে বিষয় টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি,
আজ নীজামির বিচার চাই আমরা,কিন্তু যারা স্বাধিন করল দেশ তারা ব্যাক্তি /দলীয় স্বার্থে নিজেরা বিভক্ত হয়ে গেল।একে অন্য কে হত্যা করল।কোন হত্যাই শুভ কোন ফল আনতে পারেনা।

আপনার লেখার সাথে একমত।
১৫ অগাস্ট সকল পাপের সুচনা।আর তার পর পরস্পরের প্রতি সন্দেহ আর অবিশ্বাসের ফসল এই ৭ নভেম্বর।


+
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: "কিন্তু যারা স্বাধিন করল দেশ তারা ব্যাক্তি /দলীয় স্বার্থে নিজেরা বিভক্ত হয়ে গেল"

এটাই হতাশার ... আবার মজার ব্যাপার হলো সব ইতিহাসেই এটাই হয়ে থাকে

২৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: যুক্তিতর্কে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত রেফ. আমার কাছে নাই।কর্ণেল তাহেরকে নিয়ে লেখা বইপত্তর কাছে নাই।আর যতটুকু পড়াশোনা, তাও বেশ আগের, অনেককিছুই উদ্ধৃতি করার মত মনে নেই।

তবে তাহের বড়জোড় রোমান্টিক কিছুটা ফুলিশ রোমান্টিক মনে হতে পারে(অনেকের কাছে) কিন্তু বাটপার কিংবা পরাজিত বাটপার বলাটা একেবারেরই ঠিক মনে হলোনা।

শেখ মুজিবেরও অনেক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিলো।এক পর্যায়ে ক্ষমতাকেন্দ্রিক দ্বন্দে তিনি তাজউদ্দিনের মতো কাছের মানুষকে অবিশ্বাস করেছেন।ট্রেডিশনাল আর্মিকে উনি ভয় পেতেন (সেইটার পিছনে তৎকালীন বিশ্বরাজনীতির প্রভাব ছিলো;যেমন সালভেদর আয়েন্দের সামরিক বাহিনীর হাতে নৃশংস মৃত্যবরন)।উনি রক্ষীবাহিনীকে সেনাবাহিনী বিকল্প বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।সেই রক্ষীবাহিনীর অত্যচারের কাহিনী সব নির্মমতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলো।বংগবন্ধুর নিহত হবার পরে "জালিমের পতন হয়েছে" এমন শ্লোগান কিংবা মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে" এমন সংবাদে
আমি কিংবা আমরা যতই বিপর্যস্ত হইনা কেন,আসলে তার সত্যতা আছে।তাই বলে কি, তাঁর সুবিশাল ব্যাক্তিত্ব কিংবা অবদানকে আমরা
অস্বীকার করতে পারবো?


সেই একইভাবে তাহেরকে আমি কোনদিনই বাটপার ভাবতে পারিনা।

আর জিয়ার হাতে শুধু তাহের না, অসংখ্যা সামরিক কর্মকর্তার রক্তের দাগ লেগে আছে।তাকে আমার স্বৈরশাসক ছাড়া কিছুই মনে হয়না।

লংকায় গেলে সবাই হয় রাবণ কিন্তু যে লংকায় যায়নি, তাকে বোধকরি
রাবণ বলাটা ঠিক না।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: দুঃখিত ... "বাটপার" শব্দটা আমি আসলে রাগের বশেই ব্যবহার করেছি ... টিপিকাল অর্থে না ... বদলে "ক্ষমতালোভী" শব্দটা ব্যবহার করা যায় ...

আমি টাহেরকে শুধুই রোমান্টিক ফুলিশ ভাবতে রাজী না ... কারণ তাহলে ৭ই নভেম্বরের পয়েন্টে জিয়ার অবস্থানও একই হয় ...
সেখান থেকে যে প্রশ্নটা উঠে আসে, টাহলে জিয়ার ক্ষমতায় আরোহন কি অবৈধ না?

আপনাকেই প্রশ্ন করি, জিয়া কি লংকায় গিয়ে রাবণ হয়েছেন, না রাবণ হয়ে লংকা দখল করেছেন?

আর বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে কিছু মানুষ যদি বলে থাকে "জালিমের পতন হয়েছে", সেটা তাদের বলার স্বাধীনতা আছে ... কিন্তু সেটা কোনভাবেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকে জাস্টিফাই করেনা ... বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মসনদ নিয়ে যে কামড়াকামড়ি/ষড়যন্ত্র চলেছে কয়েকমাস সেটাকেও শুদ্ধ করেনা

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: বস্, আপনার মতামতটা বিশেষভাবে জানতে চাই ... আসলেই ক্যামনে কি?
যেমন একটা কথা আসলো, তাহের পরের দিকে ক্ষমতায় আগ্রহী ছিলেননা ... তাহলে জিয়া তাকে মেরে ফেলল কেন?

২৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
রাশেদ বলেছেন: আসলেই কনফিউজড আমি।

তাহের যদি বেচে থাকতেন, তিনিও যে একজন ভিলেন হতেন না, তাই বা বুঝি কিভাবে!

শেখ মুজিবও তো আমাদের নেতা ছিলেন! কিন্তু স্বাধীনতার পরের শেখ মুজিব আগের মুজিবের মাঝে আমার মনে হয় অনেক পার্থক্য।

জান বাজি রেখে যুদ্ধ করে আজ ঘুষ খাচ্ছে, এমন লোকের তো অভাব নাই আমাদের দেশে। সততা দেশপ্রেম সবই কি তাইলে আপেক্ষিক?
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: হুমম, রাশেদ, অনেক কনফিউশন আছে ... তবে বিশেষ করে সেই সময়ে সবার ভূমিকাই খুব কুয়াশাচ্ছন্ন ..

২৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫১
রাশেদ বলেছেন: হু, জিয়া রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পরে তাদেরকে সিড়ি এনে দিলো। হাসিনাও দিলো। বিবেক বলতে কিছু নাই এদের!
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: জিয়া রাজাকারদের রীতিমতো পূনর্বাসন করেছে ...

সাধারণ ভাবে ভাবলে, এটা হবার কথা তার ভুল হিসাব ...

কারণ, এন্টি-আওয়ামী যে জনমত গড়ে উঠেছিলো সেইসময়, যেটার একটা মূল ভিত্তি ছিলো ধার্মিকতা, তাদের সমর্থন জিয়া সংবিধানে বিসমিল্লাহ ঢুকিয়ে আর এন্টিইন্ডিয়া মনোভাব দেখাইয়া এমনেই পাইত ... কাজেই রাজাকারদের আবার রাজনীতিতে আনা মানে তার নিজের সাপোর্টার ব্যাংকের শেয়ার দেয়া ...

তারপরও কেন আনলো? এই প্রশ্নটাও মাথায় ঘুরে :( ...

আমার ধারনা মধ্যপ্রাচ্যের চাপে ... গোলাম আজম সেসময় মধ্যপ্রাচ্যে খুব শক্ত লবি গড়ে তুলছিলো মনে হয়

৩০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৪
রাশেদ বলেছেন: হু, অনেক প্রশ্ন জাগে। ব্লগে বলা যায় না সবকিছু। ফালতু মানুষেরা ফায়দা তুলে দেখে!

বীরশ্রেষ্ঠ শুধু আর্মড ফোর্সেস কেনো পেলো! উত্তর নাই।

মুজিব এতো বুঝে তাও তাজউদ্দীনকে ইগনোর করলো! কেনো?

মুজিব ক্ষমতায় না আসলে সবচেয়ে ভালো হতো। তবে ঐ সময়ে মনে হয় না এসেও পারতো না, তার কথা সবাই শুনতো সেই সময়ে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: আমারও মনে হয় বঙ্গবন্ধু গান্ধীর মতো করলেই পারতেন ...

৩১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৩
রাশেদ বলেছেন: হু, গান্ধী একজনই হয়। :)
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: সেইটাই ... বাংলাদেশ আর ভারতের ডিফারেন্সও মনে হয় সেখানেই ... :(

৩২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: রাশেদ উইদ অল রেসপেক্ট টু ইওর কমেন্ট, আই হ্যাভ টু সে আই হ্যাভ নো রেসপেক্ট ফর গান্ধী।গান্ধীর লিগ্যাসিই বহন করছে আজকের ভারত।ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী সাম্রাজ্যবাদী দর্শনের হাতেখড়ি ভারতীয় কংগ্রেস তথা গান্ধীজির হাত ধরেই।

ভারতে বিভাগের জন্য জিন্নাহকে দ্বায়ী করে সবাই।কিন্তু ইতিহাস একটু ভালোমতো উল্টেপাল্টে দেখলেই ভারত বিভাগে গান্ধীজির অবদানের উদাহরণ ঢের মিলবে।

গান্ধীজির একগুয়ে মনোভাব আর ক্ষমতা নিজস্ব বলয়ে রাখার চেষ্টাই উচ্চাভিলাষি জিন্নাহকে মুসলিমদের জন্য আলাদা স্টেইট এর মতো বিতর্কিত এবং স্টান্টবাজির প্রস্তাব নিতে উদ্ধুদ্ধ করে।

তবে সে বুদ্ধিমান।স্বাধীন ভারতের অফিসিয়াল ক্ষমতা হাতে না নিয়ে জীবনের সবচে
বড় চালটা সে চেলেছে।যা আদতে তাকে অমর করেছে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আমার ধারনা ছিলো ভারতের সাইডে এসবের মূলে ছিল নেহরুর উচ্চাভিলাস ... যাই হোক এবিষয়ে আপনার বিস্তারিত কোন লেখা পেলে খুশী হবো

৩৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫০
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: আমারো মাঝে মাঝে মনে হয় এই বিষয়গুলি ।
আমরা স্কুলে পড়তে তো রাজাকার আর শেখ মুজিবের বিষয়ে বলতে গেলে কিছুই জানতাম না । আর এই ৭ নভেম্বররের ঘটনাতো অনেক দুরের কথা ।
কর্ণেল তাহের যখন জিয়া কে মুক্ত করে তখন সে তাহেরের অনেক প্রস্তবের সাথেই একাত্মতা দেখায় , পরে সকালে সে যখন সামরিক পোষাক পরে বের হয় তখন সবকিছুই ভুলে যায় ..
এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কি জিয়া একাই নিয়েছিলো নাকি তার সাথে আরো কেউ ছিলো ! থাকলে তারা কারা ?
সেদিন ভোরে জিয়াকে তাহের মুক্ত করে সেদিন সকাল সাড়ে আটটায় খন্দকার মোশতাক বেতারে ভাষন দেবার জন্য যায় । তাহের তখন তাকে বের করে দেয় ।
আপাত দৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে সেই মুহূর্তে কর্ণেল তাহের প্রচন্ড ক্ষমতাধর ছিলেন ..
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন: "আমরা স্কুলে পড়তে তো রাজাকার আর শেখ মুজিবের বিষয়ে বলতে গেলে কিছুই জানতাম না । " -- এখন এইটা ভাবি আর অবাক হই!

আমারও ধারনা কর্ণেল তাহেরই মূল ক্ষমতাধর ছিলেন সেইদিন ... সিপাহীদের মুভ করানোর পেছনে মূল শক্তি ...

৩৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: খালেদ, জিয়া, তাহের, আমার কাছে কিন্তু দু'টি পক্ষ নয়, তিনটি পক্ষ মনে হয়। যদিও প্রথমে জিয়া-তাহের এক সাথে ছিল। কিন্তু আদর্শিক অবস্থানটা শেষ দু'জনের এক ছিল না। খালেদ আ'লীগ পক্ষের। ১৫ আগস্ট তাকে যন্ত্রনাদগ্ধ করেছিল (যদিও খালেদ মোশারফের যন্ত্রণা নিয়েও, মানে তিনি আসলে যন্ত্রণা দগ্ধ হয়েছিলেন কিনা সেটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে) । ১৫ আগস্ট নিয়ে যন্ত্রণা তাহেরও ছিল। ভিন্নভাবে। যদিও তিনি বঙ্গবন্ধুর সরকার এর সমর্থক ছিলেন না।
তাহের অন্তত নীতিগতভাবে আমাদের সেনাবাহিনী আনপ্রোডাক্টিব হবে এটি চাননি। কারণ তিনি মনে করতেন, এটি দেশ ও অর্থনীতির জন্য বার্ডেন। মানুষের সাথে সেনাবাহিনীর যে ঐতিহাসিক তফাৎ এটিও তার নীতি বিরুদ্ধ ছিল। কিন্তু চাওয়াগুলো যে জিয়ার ছিল তা আমার কখনও মনে হয়নি। আদর্শিক বিরোধ হয়তো এখানেই। আর এ কারণে পরবর্তীতে জিয়া জাতীয়তাবাদের নামে রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িকতাকেই বেশি অবলম্বন করেছেন। তার কাছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ হয়ে উঠলো প্রধানত ইসলামী জাতীয়তাবাদ। আমার মতে চাওয়ার দিক থেকে কর্ণেল তাহের ছিলেন অনেক বেশি জনমানুষের আকাঙ্খার কাছাকাছি। এটি ঠিক যে, জাসদের কাজ, কর্মসূচি এগুলো নিয়ে প্রচার প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে।
কয়েকদিন আগে এমাজ উদ্দীনের একটি লেখা পড়ছিলাম। তিনি তিনজনকে মহামানব বানালেন। তারপর তিনজনের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিলেন জিয়াকে। তার ভাষায় তাহেরের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাটা মার খেয়েছে নাকি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী চেতনার কাছে। আর এ জাতীয়তাবাদী চেতনা নাকি তৈরি হয়েছে ভারতীয় আধিপত্যবাদ সহ দেশের অভ্যন্তরের নানা উপাদানের কারণে। ভারতের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ছিল, আছে সেটি অস্বীকার করছি না। কিন্তু জিয়ার জাতীয়তাবাদ কীভাবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য নতুন চেতনার তৈরি করলো সেটি স্পষ্ট নয়। কারণ জিয়ার জাতীয়তাবাদ মূলত জাতীয়তাবাদের নামে ইসলামকে ক্যাপিটালাইজ করেছে। সংখ্যালঘুরা (ধর্মীয় এবং জাতিগত) তার জাতীয়তাবাদের মূল চেতনায় কখনও ছিল না। এখনও নেই। নেই বলে চার দলীয় জোট নির্বাচনকে ইসলাম রক্ষার নির্বাচন বলে.........মুর্তি ও পৌত্তিলিকতার বিরুদ্ধের নির্বাচন বলে........।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিশাল মন্তব্যের জন্য

কিন্তু আপনার মন্তব্যটা পোস্টের মূল টপিকের সাপেক্ষে বেশ ডিফোকাসড

এখানে শাসক হিসেবে জিয়া বা তাহের কেমন হতো তা নিয়ে আলোচনা করছিনা, করা হচ্ছে ঠিক তার আগের ফেইজটাতে ... শাসনক্ষমতা হাত করার ফেইজটাতে ... সেই টাইমপয়েন্টে দাঁড়িয়ে জিয়া আর তাহেরের মূল্যায়ণ কিরকম হতে পারে সেটা নিয়ে ভাবতে গিয়েই খানিকটা ভেবেচিন্তে উপরের ছয়টি প্রশ্ন দাঁড় করিয়েছি ...

এগুলোর পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আলোচনার জন্য স্বাগতম জানালাম

৩৫. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আপনের প্রশ্নগুলি আসলে আমার কাছে ঠিক প্রশ্ন মনে হইলো না। আপনে ইতিহাসের নিজস্ব পঠনের মধ্য দিয়া কিছু সিদ্ধান্তে পৌছাইছেন, আর তার ধারাবাহিকতায় ধইরা নেয়া বিষয়গুলির সমর্থন অথবা বিরুদ্ধাচারন চাইতেছেন।

কর্নেল তাহেরের অবস্থানরে আপনি রাজনৈতিক বিবেচনাতেই পাঠ করতে চাইতেছেন না বইলা আমার মনে হইলো। একটা সেনা অভ্যূত্থান নাকি মহান কোন কিছু এইরূপ তুলনায় আসলেই শ্লেষের স্বর ছাড়া অন্য কোন কিছু মনে হয় না। আর শুনতে লাগে ইতিহাসে এইরম সাদাকালো বিভাজনই রীতি, হয় সেনা অভ্যূত্থান নয় মহান!

সমস্যাটা প্রথম প্রশ্ন থেইকাই শুরু হয়...কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে যেই সেনা অভ্যূত্থান সংঘটিত হইছিলো সেইখানে যে শ্রেণী সচেতন বিদ্রোহও ছিলো সেইটার বিশ্লেষণ আপনে কেমনে করবেন? সেনাবাহিনী'র শাসন খারাপ, তারা যূগে যূগে কালে কালে লাঠিয়াল শাসন চালু করছে...কিন্তু তার মানে কি এই যে সিপাহীরা অফিসারগো লগে শ্রেণী সংঘর্ষে লিপ্ত হইলে সেইটাও নেতিবাচক কিছু?

এই সময়ে আইসা ইতিহাসের পঠনে সরলীকরণ খুব বিপদজনক অভ্যাস। মূলতঃ ইতিহাসের বিকল্প পঠনেই অধিকাংশ উত্তরাধুনিক চর্চার শুরু।

আপনের প্রশ্ন গুলির মূল নির্যাস হইলো শেখ মুজিব মহান নেতা তার বিরুদ্ধে সংঘটিত আর সংগঠিত সকল বিদ্রোহ নেতিবাচক। এইরম ব্যক্তিগত ভালো লাগা বিশ্বাস লইয়া ইতিহাসের আলোচনা আমার কাছে বিপদজনক লাগে। যেই কারনে তাহের যেই কারনে জিয়ারে মুক্ত করতে যায় সেইটারে আপনের ক্ষমতা নিয়া ভাগাভাগির বিবেচ্য হয়। কর্নেল তাহের ক্ষমতার কামড়াকামড়িতে অংশ নেওনের মানুষ ছিলেন কী না সেইটা একটা প্রশ্ন হইতে পারে...কিন্তু কর্নেল তাহের জিয়ারে ক্ষমতার কামড়াকামড়িতে মুক্ত করছিলেন কী না সেইটা মুক্ত করনের পর তার কৌশল নির্ধারণের মধ্য দিয়াই উপলব্ধ করন যায়।

তয় আমার মনে হইছে আপনের অবস্থান অনেকটাই ধ্রূবক ধইরা নিয়া আগানের পদ্ধতি। এইভাবে আর্টিকেল লিখন যায়, সমর্থন বা বিরোধীতা কুড়ান যায় কিন্তু আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত হয় না।

আজকাল ব্যস্ততায় থাকনে এই পোস্ট চোখ এড়াইয়া গেছিলো...আ.হা. শিমুলের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অনেক পরে মন্তব্য প্রয়াসী হইলাম বইলা দুঃখিত।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনি আপাততঃ আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েই আগাচ্ছেন না কেন?

আপনাকে আরেকটা বাড়তি প্রশ্ন:
১. জিয়ার কি এমন দরকার পড়ল যে কর্ণেল তাহেরকে তার মারতেই হলো?

শেখ মুজিবের প্রতি অন্ধ সমর্থনে আমি ইতিহাস পাঠ করছি না কর্ণেল তাহেরের প্রতি অন্ধ সমর্থনে আপনি এ্যাবস্ট্রাক্টভাবে ভাষায় কিছু কথা বলে উদ্ভুত প্রশ্নগুলোকে এড়িয়ে "আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত হয় না" ঘোষনা দিয়ে দিচ্ছেন -- সেটাও একটা আলোচনার বিষয় হয়ে যায়।

আপাততঃ আপনি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন ... আলোচনা আরো করা যাবে

১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: আপনি যেমন তাহের প্রসঙ্গে "শ্রেণী সচেতন বিদ্রোহ" আনেন, জিয়াও তেমনি "সর্বদলীয় গণতন্ত্র"-এর বটিকাই গিলিয়েছেন ... বাস্তবে আপনি কিভাবে বিচার করবেন বিষয়টাকে ...
একটা অন্যায়ের গায়ে পাড়া দিয়ে "শ্রেনীসচেতনতা"র নামে কি পার পাওয়া যাবে বলে মনে করেন? মনে করলে অবশ্যই যেটা যুক্তির এবং প্রমাণের ভিত্তিতে পরিবেশনযোগ্য।

সেই পরিবেশনটাই সম্মানিত পাঠকদের কাছে আশা করি -- আমার তেমন ভয়াবহ শ্রদ্ধা (প্রসঙ্গ আসলে শেখ মুজিবের সমালোচনাও আমি করি) বা বিবমিষা কোনটাই কারো প্রতি নাই।

৩৬. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
পথিক তুমি বলেছেন: তাহের ঐসময় জিয়ার চাইতে ওনেক বেশি জনপ্রিয় ছিল৷ এক আকাশে দুই সুর্য কিভাবে থাকে? আর ক্ষমতার লোভে মানুষ অনেক কিছুই করতে পারে৷ তাহেরের আর যাই হোক ক্ষমতার লোভ ছিল না৷
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: তারমানে আপনি বলতে চাইছেন তাহেরের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে জিয়া তাকে মেরেছে?
তখন প্রশ্ন আসে, তাহেরের যদি ক্ষমতার প্রতি আকর্ষণ না থাকে তাহলে তার জনপ্রিয়তায় জিয়া ভয় পাবে কেন?

তার আরো আগে যে প্রশ্নটা আসে, তাহের কেন জিয়াকে ক্ষমতায় বসালো? তার উদ্দেশ্য কি ছিল বলে মনে করেন?

৩৭. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১১
জামাল ভাস্কর বলেছেন: ১. ৭ই নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব কি মহান কিছু, না কয়েকদল সেনার মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই

এই পার না হইলে ঐ পার...এইরম প্রশ্ন বিভ্রান্তিকর। ৭ নভেম্বরের ঘটনারে আমি সিপাহী বিপ্লবরে আমি বিপ্লবের হঠকারী চেষ্টা মনে করি। যেই খানে আরেকদল সেনা অফিসারেরা কোন একটা রহস্যজনক অবস্থান নিয়া ছিলো।


২. ৭ই নভেম্বরে ১৯৭৫ এর সেই পয়েন্টে জিয়া যদি বদমাইশ হয় (যেটা আমি মনে করি ঠিক), তাহলে তাহের কেন না?

জিয়ার ভূমিকা আর তাহেরের ভূমিকারে আপনে কোন যৌক্তিক বচনে এক কইরা দেখতে আগ্রহী সেইটা জাননের প্রয়োজন পড়ে এই প্রশ্নের উত্তর করতে হইলে।



৩. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি ৭ই নভেম্বরের তাহের-জিয়ার কীর্তিকলাপ গুলো "মহান" হয়ে যেত?

জিয়া যদি তার বাপের ঔরসে জন্ম না নিতো...শেখ মুজিব যদি ৭০ এর নির্বাচনের পর ক্ষমতা পাইয়া যাইতো এই টাইপ আলোচনা এই ব্লগের অন্য একজন বিখ্যাত(!?) মানুষ করে আপনের কাছ থেইকা আশা করি নাই।


৪. জিয়া যদি তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাহেরকে তার ভাগ দিতো, তাহলে কি তাহেরের হাতে আপনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে থাকতে দেখতেননা? বাস্তবে, তাহেরের হাতে কি বঙ্গবন্ধুর রক্ত লেগে নেই একটুও?

শেখ মুজিবর রহমানের রক্ত কার গায়ে কেমনে লাইগা থাকে বা থাকনের সম্ভাবনা রাখে সেইটা কেমনে বিবেচনা করেন? ভাগাভাগির ব্যাপারে আগের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে আমার মত প্রকাশ করছি।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: আপনি আপনার আগের মন্তব্যে লিখেছেন,
"এইভাবে আর্টিকেল লিখন যায়, সমর্থন বা বিরোধীতা কুড়ান যায় কিন্তু আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত হয় না।"

আর, তারপর আমার প্রশ্নগুলোর যে উত্তর দিলেন তাতে কি এইটা পরিস্কার হইয়া যায়না যে আলোচনা না আগানোর জন্য আমার প্রশ্ন বেশী দায়ী না আপনার উত্তর।

বুঝতেছি যথার্থ উত্তর আপনার কাছে নাই কারণ তাতে আপনার নিজস্ব অন্ধসমর্থনের বিরুদ্ধে আপনাকে যাইতে হয়, তবে সেজন্য এত রেগে গেলে আলোচনা করবেন কিভাবে?

তিন নম্বর প্রশ্নটা খুবই যৌক্তিক একটা প্রশ্ন। এটা নিয়া গুগলী খেইলা প্রশ্নটারে বা প্রশ্নকর্তা আমারে যেই আইডেন্টিটিতে রাঙাইতে গেলেন -- সেই আইডেন্টিটিতে কি নিজেই লাজরাঙা হয়ে গেলেননা? :)

ঐ আইডেনটিটিওয়ালারেও যখন প্রশ্ন করি সেও এইভাবে ঘুরাইয়া প্যাচাইয়া কথা কয় --- খিয়াল কইরা।

১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: তিন নম্বর প্রশ্নটাতে "ভাগ দেয়া নেয়া" ফ্রেইজিং নিয়ে যদি আপনার আপত্তি থাকে তাহলে আরো ন্যারো ডাউন করি ...

জিয়া যদি তাহেরকে না মারতো, তাহলে কি ৭ই নভেম্বরের মাধ্যমে জিয়ার ক্ষমতায় আরোহন হালাল হইয়া যায়?

২ নম্বর প্রশ্নটাকেও একটু মডিফাই করি, ৭ই নভেম্বরে তো তাহেরই জিয়ারে ক্ষমতায় বসাইছে, তাইনা? তো সেইদিনের সেই মুহূর্তে কি ক্ষমতায় আরোহনের জন্য জিয়া দায়ীনা, বা, জিয়ারে ক্ষমতায় আরোহন করানোর তাহেরের কোন দায় নাই?

উপরেও আহসান হাবীব শিমুলকে প্রশ্নটা করছি, আপনাকেও করি, আপনার মতে ইতিহাসের ঠিক কোন পয়েন্টটা থেকে জিয়া ভিলেইন হিসেবে কাজ শুরু করছে?

৩৮. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আমার উত্তর নিয়া আপনি যেই গুগলি খেলনের চেষ্টা করতেছেন সেইটা বুঝতে পারলাম আপনের গুগলী খেলনের উপমা শুইনা।

আমি আপনের প্রশ্নের উত্তর করনের একটা চেষ্টা চালাইছি কিন্তু সেইসব যে উত্তর হইয়া উঠনের প্রত্যাশাও রাখে নাই সেইটা নিশ্চিত বুঝতে পারছেন। কারনটা কিছুই না...আপনের প্রশ্নগুলির ভিতর যেই সাদাকালো-এইপার ঐপার প্রবনতা আছে সেইটা দিয়া অনেক টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতার স্ক্রিপ্ট করন যায়, আলোচনা হয় না। আর সেইটাই আমার উত্তর প্রক্রিয়াতে আমি কইছি। আশা করি সেইটা আপনেও বুঝতে পারছেন।

জিয়া কি করলে তাহের কি করতো সেইরম বিশ্লেষণরে যদি আপনি যৌক্তিকতায় দেখেন তাইলে আমার স্বল্প জ্ঞানে আপনেরে বুঝাইতে অপারগ হই। চান মিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কী অবস্থা হইতো সেইটা আমার স্বল্প বুদ্ধিতে কখনো ধরা দ্যায় না।

আমার উত্তরে কোন ঘুরানি প‌্যাচানি নাই আলোচনার আগ্রহ আছে বরং। আপনের প্রশ্নগুলিরে আমার স্রেফ সিদ্ধান্তমূলক মনে হইছে, আর অকপটেই তা কইছি। কারন ইতিহাসের কোন ঘটনারেই আমি আপনের উত্থাপিত প্রশ্নের অবয়বে দেখতে পারি না, এইটা যদি আমার ব্যর্থতা হয় তাইলে তাই।

সিপাহীগো বিদ্রোহরে আমি সঠিক মনে করি, কিন্তু তার সময়োপযোগিতা, তার ধরণ নিয়া আমার প্রশ্ন থাকতে পারে। এখন তারে আমি ক্ষমতার কামড়াকামড়ি কিম্বা মহান কোনটাই ভাবতে পারি না। তাইলে আপনের প্রশ্নের উত্তরে আমি প্রশ্নের সীমাবদ্ধতা আর প্রবণতা নিয়া কথা কইতেই পারি। এইটারে আপনে যখন গুগলি খেলা ক'ন তখন আইকনিক ব্যক্তির চেহারা আবারো আমার মানসপটে ভাসে।

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: আমি আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তররে গুগলী বলিনাই ... একদম স্পেসিফিকভাবেই তৃতীয় প্রশ্নের নাম নিয়ে গুগলীর প্রসঙ্গ আনছি ... একটা প্রশ্নের উত্তর না দিয়া সেইটারে কোন এক আইকনের সাথে মিল দেখানোর চেষ্টাটা গুগলী মতোই ঠেকে আমার কাছে

যে কোন প্রসঙ্গেই তুলনামূলক বিচার যখন করতে যাবো, তখন "ইফ-দেন"ওয়ালা প্রশ্নগুলা আসবেই ... ঐ আইকনিক ব্যক্তির প্রশ্ন নিয়া বিরক্তির চেয়ে বিরক্তিটা ছিল তার এ্যাটিচিউডে ... তারে অনেকবারই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হইছে কিন্তু সে বারবারই এক প্রশ্ন নিয়া আসে ... যেটা প্যাঁচ লাগানোর মতোই ... সেইখান থেকাই আইকনের ব্যাপারটা আসছে ... তার সেই একই প্রশ্ন অন্যন্য ফোরামগুলাতেও আলোচনা হয়, মানুষ অংশ নেয় ... কারণ প্রশ্ন করা হইতেছে কি উদ্দেশ্যে সেইটা ঠিকই বোঝা যায়

আমার প্রশ্নগুলার উদ্দেশ্য লেখার শুরুতেই বলছি ... আবারও বলি,

কর্ণেল তাহের এত স্পেশাল কেন -- এটার তুলনামূলক বিচারই উদ্দেশ্য। আমার কাছে তারে এখনও স্পেশাল মনে হয়না। কারণও বলছি, তথ্যের স্বল্পতা। তারপর, যেসব তথ্য আমি জানি সেসবের ভিত্তিতে কেন তারে মহান কেউ মনে হয়না সেটার পক্ষে নিজের মাথায় থাকা প্রশ্নগুলা তুলে ধরছি

আপনাকে তো সবসময়ে দেখি "প্রশ্ন করা" নিয়ে খুব এনথুসিয়াস্টিক ... এখন প্রশ্ন দেখে বিরক্ত হচ্ছেন কেন? ... একজন নাস্তিক যখন ধর্মকে নিয়ে প্রশ্ন করে তখনও তার প্রশ্নগুলা সিদ্ধান্তমূলকই থাকে -- ইন ফ্যাক্ট যখনই কোন কিছুর যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন হবে, তখন সেখানে সিদ্ধান্তমূলকতাটা থাকবেই! তাইলে কি আপনি নাস্তিকদের প্রশ্ন করার অধিকার দিতে রাজী না?

নাকি হুজুরদের মতোই প্রশ্ন মনের মতো হইতে হবে?

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: লেবু বেশী কচলাইতেছি মনে হইলে দুঃখিত, কিন্তু আর একটা কথার জবাব না দিয়া পারতেছিনা :)

আপনি যে চানমিয়ার কথা পাড়লেন -- আমি খানিকটা হতাশ হইছি!!

"জিয়া ভার্সাস তাহের আলোচনা"র সাপেক্ষে " জিয়ার তাহের হত্যা" যে গুরুত্ব বহন করে,
"মুক্তিযুদ্ধের আলোচনা"র সাপেক্ষে তথাকথিত "চানমিয়ার স্বাধীনতা ঘোষনা" কি একই বা ইভেন কাছাকাছি কোন গুরুত্ব বহন করে?

আপনে ক্যামনে পারলেন এরম একটা এ্যানলজি টানতে সেইটাই ভাবতেছি!!!!

৩৯. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০০
জামাল ভাস্কর বলেছেন: জিয়ার ক্ষমতা প্রাপ্তি তাহের সাহেবের হঠকারীতা হইতেই পারে...সেই কারনে সে ইতিহাসে আল্টিমেট ভিলেইন হইয়া যায় না। জিয়ার ক্ষমতা ম্যানিপুলেশনের দায়ও তাহেরের উপর বর্তায় না। আর তাই এই প্রশ্নটারে আমার এখন আইকনিক ব্যক্তির আচরন থেইকা ভিন্ন মনে হইলেও খুব যৌক্তি প্রশ্ন ঠেকে না। এই প্রশ্নের উদ্দেশ্যটা বরং বেশি বেশি মাথায় আসে।

২ নম্বর প্রশ্নের নতুন ভার্শনের উল্লেখে কই ইতিহাসে এমনে পাঠ করতে থাকলে কোন জায়গায় পৌছানের সম্ভাবনা দাঁড়ায় বুঝতে পারেন? জিয়ারে সেনাবাহিনীর প্রধান করনের মাধ্যমে আসলে শেখ মুজিব নিজেই তার নিজের হত্যার দায় নিতে বাধ্য হইতে পারেন আপনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী...
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: তাহেরকে আমি আলটিমেইট ভিলেইন বলতেছিনা ... ইনফ্যাক্ট আমার প্রশ্নগুলার স্কোপের ভেতরেই গ্রে এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় ... আমি যদিও "মহান কিছু" বা "ক্ষমতা দখলের লড়াই" ফ্রেইজগুলা ব্যবহার করছি তারমানে এইনা যে আপনার এই দুইটার একটাই বাছতে হইবো, এবং সেইটা আপনার বোঝার কথা ... উপরে মাহবুব সুমনের দেওয়া উত্তরগুলা দেখতে পারেন ...

কথা হইলো তাহের কোনদিকে ইনক্লাইন করে ... ভিলেইনদের দিকে না হিরোদের দিকে ... যেখানে ১৫ আগস্ট থেকে ৭ই নভেম্বরের ইতইহাসের সাথে জড়িত সবাই (ফারুক, রশিদ, মুশতাক, খালেদ, জিয়া, এমনকি ওসমানীও) ভিলেইন কোন না কোন মাত্রায়, সেখানে তাহের একা কিভাবে পার পেয়ে যায় -- সেইটাই আমার প্রশ্ন।

জিয়ার পরবর্তীকালে ক্ষমতা ম্যানিপুলেশনের জন্য আমি কোথাও তাহেরকে দায়ী করছিনা, সেটার প্রশ্নও আসেনা। প্রশ্নটা আরো আগের পয়েন্টে ... বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট কয়েকবছর আগে জিয়ার সামরিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকে সংবিধানবিরোধী ঘোষনা করেছে ... সংবিধান লঙ্ঘনের দায় কি জনাব তাহেরের ঘাড়েও চাপেনা?

জিয়ারে সেনাবাহিনীর প্রধান মুজিব করেনাই, মুশতাক করছে ... সেই জিয়ারেই আবার বাঁচাইছেন তাহের ... দুয়ে দুয়ে চার যোগ করাই যায়, তাও বাড়তি কোন তথ্য আসে কিনা সেইজন্যই প্রশ্নের অবতারণা


আপনার উত্তরের সাপেক্ষেই বলি, সিপাহী দিয়া ক্যু করাইলে শুধুই হঠকারীতা, আর অফিসাররা ক্যু করলে পাপ -- এইটা কি সরলীকরণ না?

৪০. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
ত্রিভুজ বলেছেন: অনেক কথা চলে এসেছে এক পোস্ট এবং মন্তব্যের সুযোগে... (সবগুলো মন্তব্য এখনো পড়া হয়নি..)

আপাতত প্রিয় পোস্টে যুক্ত করে রাখছি.. সময় নিয়ে পুরোটা পড়তে হবে... এনিওয়ে থ্যাংকস জি.বা ।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ওকে

৪১. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৭
আতিকুল হক বলেছেন: এই পোস্টটা আগে খেয়াল করিনি। প্রথমেই স্বীকার করে নেই আমার কাছে রেফারেন্স দেয়ার মত তেমন কিছু নাই। শুধু শোনা এবং কিছু পড়া ঘটনাগুলোর যৌক্তিক যোগসূত্র দাঁড় করাবার চেষ্টা করেছি।

বঙ্গবন্ধুর সরকার অনেক আভ্যন্তরীন এবং আন্তর্জাতিক কারনে খুব দ্রুতই অজনপ্রিয় হয়ে উঠে। তখন জাসদ ছিল একমাত্র বিরোধি দল। বিপ্লবে বিশ্বাসি জাসদকে বঙ্গবন্ধু কঠোর ভাবে দমন করেন। কর্ণেল তাহের সামরিক বাহিনীতে অসন্তোষ কাজে লাগিয়ে গনবাহিনী গঠনের কাজ চালাতে থাকেন। এরই মধ্যে ঘটে যায় ১৫ই আগস্টের ঘটনা। আমার বিশ্বাস যদি ১৫ই আগস্টের ঘটনা না ঘটত, অন্য কোন রাতে একই ঘটনার নায়ক হিসেবে আমরা কর্ণেল তাহেরকে দেখতে পেতাম। কারন সশস্ত্র বিপ্লবে ক্ষমতার হস্তান্তর রক্তপাত ছাড়া হয়না। আর বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার অবশ্যই আইনত অবৈধ সরকার হত। আসলে ১৫ই আগস্টের পর দেশে কোন বৈধ সরকার আসার সুযোগই ছিল না।

১৫ই আগস্টের ঘটনায় পুরো সামরিক বাহিনী সম্পৃক্ত ছিল না। ১৫ই আগস্ট বিরোধি একটি অংশ ৩রা নভেম্বর ক্ষমতায় আসে। সেই সময় জিয়া গৃহবন্দী হন। সম্ভবত জিয়া ১৫ই আগস্টের হত্যাকারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। এবং একটা অপ্রিয় সত্য হচ্ছে বাংলাদেশে সেই সময় ১৫ই আগস্টের খুনীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মানুষ কম ছিল না। একের পর এক ক্যু, সামরিক বাহিনীতে অস্হিরতা চলছিল। জাসদ চায়নি আবার ১৫ই আগস্ট পূর্ববর্তী একটা সরকার আসুক। অবশ্য ৩রা নভেম্বর না ঘটলেও জাসদ তার বিপ্লবি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেত। ৭ই নভেম্বর আসলেই ছিল জাসদের বিপ্লবের দিন, একটা সফল অভ্যূথানে খালেদ মোশাররফ সরকারের পতন হয়। জিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল একটি অংশ তাকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে আনে। জিয়াকে মুক্ত করা বা তাকে ক্ষমতায় বসানো কর্ণেল তাহেরের পরিকল্পনায় ছিল বলে মনে হয়না। এখানেই বিপ্লবের নিয়ন্ত্রণ কর্ণেল তাহেরের হাত থেকে ফসকে যায়। তবে জিয়া তার কথামতো চলবে বলে কর্ণেল তাহের আশা করেছিলেন। নয়তো জিয়াকে সরিয়ে দেয়াও সে রাতে তাহেরের জন্য অসম্ভব ছিল না।

জিয়া ক্ষমতায় বসলেন। কর্ণেল তাহের বিপ্লব করেছিলেন সমাজতন্ত্রের জন্য। জিয়া তাহেরের হাতের পুতুল হয়ে থাকতে চাননি। তাই সমাজতন্ত্রের বদলি তিনি আমদানি করলেন বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদ, একটু ইসলামি মসলা দেয়া। ৭৫ পূর্ববর্তী সরকার আর তাহের বিরোধী সবাইকে তিনি কাছে টানলেন। বঙ্গবন্ধুর যেমন সেনাবাহিনী ভীতি ছিল, জিয়ারও তাই ছিল। তাই ক্ষমতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তাহের আর যত হত্যাকান্ড। ভিলেইনের কথা যদি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভিলেইনের শাসনই চলছে, স্ক্রিপ্টে এখনো কোন হিরোর দেখা পাওয়া যায়নি। মনে হয় সিনেমাটা ট্র্যাজেডিই হবে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: আমার একটা প্রশ্ন:
খালেদ মোশাররফ, শাফায়াত জামিল আর হায়দার -- এদেরকে যে মারা হলো, সেটা ঠিক কোন সময়? আমি যতটুকু জানি ৭ই নভেম্বর সকালেই (শাফায়াত জামিল মনে হয় আরো কিছু পরে) ... এই হত্যার নির্দেশ কে দেয়?
আরো প্রিসাইজলি, জিয়া কখন এবং কিভাবে তাহেরের থেকে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ছিনতাই করে?


"একটা অপ্রিয় সত্য হচ্ছে বাংলাদেশে সেই সময় ১৫ই আগস্টের খুনীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মানুষ কম ছিল না"

এটা কি ১৫ই আগস্টের সেই সময়েই হয়েছে? আমার মনে হয় না! এটা হয়েছে পরবর্তীতে সামরিক সরকারের কন্টিনিউয়াস প্রচারণার ফলে ... আমার মনে আছে আমরা ছোটবেলায় শুনতাম "মুজিবকে মারতে আর চব্বিশ ঘন্টা দেরী করলেই বাংলাদেশকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হইত!" -- এসব কথা

৪২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
রাগিব বলেছেন: @জ্বিনের বাদশা,
৪১ নং কমেন্টের জবাবে যা লিখেছেন, এতে একটু ভুল আছে, শাফায়েত জামিল মারা যাননি। ৭ই নভেম্বর তাহের বিপ্লবের সময়ে পালাতে গিয়ে তার পা ভেঙে যায়। সম্ভবত জেল খেটেছেন, কিন্তু মারা যাননি।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: দুঃখিত ... তালগোল পাকিয়ে ফেলছি :( ... কুমিল্লার দিকে পালাতে গিয়ে একজন মারা গেছিলো বলে মনে ছিলো ... সেটা পা ভাঙা হবে, রাইট?

অনেক ধন্যবাদ ...

৪৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
মাহবুব সুমন বলেছেন:
শাফায়েত জামিল এখনো জীবিত, উনার কাছ হতে অনেক কিছুই জানা যায় ( যদি উনি বলেন ;) ) । ঢাকার একমাত্র সতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড সি.ও হিসেবে ১৫ অগাস্ট থেকে ৭ ই নভেম্বর এ সময়টায় উনার অনেক ভুমিকাই ছিলো বা করার ছিলো। যদিও ৭ই নভেম্বরে উনার পক্ষ ছিলো খালেদ মোশাররফের দিকে।
ও সময় ফিল্ড ইন্টিলিজেন্স ও ডিজিএফআই এর ভুমিকা কি ছিলো সেটাও মাথায় আনতে হয়।
সে সময়কার রক্ষিবাহিনীর কথা ভুল্লে চলে ? এত বড় সংগঠিত এক বাহিনী !
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: বস্, সেদইন তাহলে কি খালেদ মোশাররফের সাথে মেজর হায়দারকেই মারা হইছিলো? ... মনে হচ্ছে তিনজন মেজর পারসোনালিটিকে মারা হইছিলো!

"ও সময় ফিল্ড ইন্টিলিজেন্স ও ডিজিএফআই এর ভুমিকা কি ছিলো সেটাও মাথায় আনতে হয়। সে সময়কার রক্ষিবাহিনীর কথা ভুল্লে চলে ? এত বড় সংগঠিত এক বাহিনী !"

আমি ভাবছিলাম এই আলোচনায় এই ব্যাপারগুলাও উঠে আসবে ... কিছুইতো জানিনা !! ... আপনি শেয়ার করেন

৪৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আতিকুল হক এর ফ্যাক্ট বিশ্লেষন যথার্থ হইছে। এর উপর বিবিধ ফ্লেভারের মার্জারিন লাগাইয়া গত ৩২ বছরে যাবতীয় থিসিস-এন্টিথিসিসের উৎপত্তি হইছে স্বার্থানুসারে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: যে যখন সুযোগ পাইছে মার্জারিন লাগাইছে --- আমারও সেইটাই মনে হইছে

কিন্তু ৭৫ এর দিকে মুজিবের জনপ্রিয়তা কমে গেলেও, ১৫ই অগাস্ট হত্যাকারীদের প্রতি সহানুভূতি তৈরীর করার পেছনে পরবর্তী সময়ের প্রচারণা (ঐ মার্জারিন লাগানো ;)) দায়ী বলে মনে করি ...

আপনার মত কি?

৪৫. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: শাফায়াত জামিলের নাম আসনের পর পোস্টের মর্তবাটা একটু অন্যরম হইয়া গেলো মনে হয়। জ্বীনের বাদশা যেহেতু তার প্রশ্নের সাদা-কালো ভাব সরাইয়া খানিকটা বিস্তৃতি ভূমি দিছেন আলোচনা করনের তাই আগ্রহটাও ফিরা পাইলাম।

কর্নেল তাহের আমার সমস্য ব্যক্তি কোন কালেই ছিলেন না, আমি এমন এক রাজনীতির মধ্য দিয়া মনন তৈরীর সংগ্রামে ছিলাম যেইটা বরং অনেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধাচারণ'ই করে। কিন্তু একটা বিষয়রে সবসময়েই ঠিক মনে হয়, সেইটা হইলো তাহেরের সিপাহী বিপ্লব সংগঠনের প্রচেষ্টারে আমার কখনোই দেশের সামগ্রীক রাজনীতির বাইরের কিছু মনে হয় না...

তাহেরের উদ্দেশ্য টের পাইতে হইলে কেবল খালেদ মোশাররফ-শাফায়াত জামিলগো বিদ্রোহ দিয়া বুঝন যাইবো না। তাহেরের রাজনীতির শেকড় আছে আওয়ামি রাজনীতি বিষবাষ্পের ভেতরে লুক্কায়িত...স্বাধীনতাত্তোর ক্ষমতাসীন রাজনীতির নোংরামীর অন্তরালে।

সামরিক বাহিনী'র ভেতরেও ক্ষমতার যেই মেমোরান্ডাম চলতেছিলো তাহের তার বাইরে গিয়াই সামরিক সিপাহীগো বিদ্রোহে অনুপ্রাণিত করতেছিলেন।

শাফায়াত জামিলের ইতিহাসটা একটু ভালোমতোন জানি কারন তার পোলার লগে এক কলেজে এক ক্লাসে পড়নের সুযোগ হওনে, তার কিছু বাড়তি ইতিহাস জানি। তিনি জিয়ার হাত থেইকাই মুক্তি পাইছিলেন...মুক্তি পাওনের পর উনার মূল ব্যবসা দাঁড়াইলো আন্তর্জাতিক লবি মেইনটেন করা। তিনি তথ্য বিক্রী করতে বইলাও জানা যায়। এর মধ্য দিয়া অনেকে ধারণা করে তার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ছিলো কোন না কোন ভাবে।

তাহেরের সিপাহী বিপ্লব আর শাফায়াত সাহেবগো বিদ্রোহ দুইটা যে ক্ষমতার কামড়াকামড়ি ছিলো না, এইটা কি বুঝতে খুব কষ্ট হয় তাইলে?
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: " আলোচনা করনের তাই আগ্রহটাও ফিরা পাইলাম। "

- ধন্যবাদ

"কিন্তু একটা বিষয়রে সবসময়েই ঠিক মনে হয়, সেইটা হইলো তাহেরের সিপাহী বিপ্লব সংগঠনের প্রচেষ্টারে আমার কখনোই দেশের সামগ্রীক রাজনীতির বাইরের কিছু মনে হয় না..."

এই জায়গায় একটা ঐক্যমতে আসা গেলো ... তবে কি ধইরা নিব যে তাহেরের পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে এরকম বিপ্লব সংঘটনরে আপনি সময়ের প্রয়োজনের একটা ইভেন্ট হিসাবে ধরতেছেন?


"তাহেরের সিপাহী বিপ্লব আর শাফায়াত সাহেবগো বিদ্রোহ দুইটা যে ক্ষমতার কামড়াকামড়ি ছিলো না, এইটা কি বুঝতে খুব কষ্ট হয় তাইলে?"

এই জায়গাটা ক্লিয়ার হইলনা ... আরেকটু তথ্য দিয়া ক্লিয়ার করলে উপকৃত হই


আর ভাস্করদা,

পোস্টের প্রথম চারটা প্রশ্ন সিদ্ধান্তমূলক হইলেই, পরের যে প্রাসঙ্গিক দুইটা প্রশ্ন সেখানে আমি তথ্য জানতে চাইছি ... আপনার জানা তথ্য শেয়ার করুন ... প্রশণদুইটা আবার এখানে দিলাম

১. ৭ই নভেম্বরে তাহের যে জিয়াকে মুক্ত করলেন, সেটা দুজনের মধ্যে কোন কোন আন্ডার্স্ট্যান্ডিংয়ের ভিত্তিতে? (এই প্রশ্নের পরের অংশটা বাদ দিলাম, কিছুটা সিদ্ধান্তমূলকতার কারণে)

২. তাহেরের কেন জিয়াকে মুক্ত করার দরকার পড়লো?

৪৬. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
কেমিকেল আলী বলেছেন: অনেক কিছু জেনে চলেছি এই পোষ্ট থেকে.......
৪৭. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: তাহের-জিয়া-মোশাররফ সবাই কিন্ত নি:স্বার্থ মুক্তিযোদ্বা ছিলেন।

>>তাহেরের কেন জিয়াকে মুক্ত করার দরকার পড়লো?
সম্ভবত:তাহের চেয়েছিলেন জিয়ার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে বলশেভিক বিপ্লব-টাইপ কিছু করা।
_______________________________________

জিয়ার পক্ষে যারা ছিলেন তারা কিন্ত ইন্দো-রুশ বলয়ের বাইরে যেতে চেয়াছিল...একারনেই খালেদ মোশাররফের ক্যু জনপ্রিয় হতে পারেনি।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: জিয়া কি আসলেই অত জনপ্রিয় ছিলো? এটা আপনি বলেন কিসের ভিত্তিতে?

৪৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪১
বিডি আইডল বলেছেন: জিয়া যদি জনপ্রিয় না হতো তাহের এবং বামদের জিয়াকে মুক্ত করার কোন দরকার পড়তো না..তারা মোটামুটি নিশ্চিত ছিল জিয়া সেনাবাহিনীকে লিড দিয়ে তাদের বিপ্লবে সহায়তা করবে
৪৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪২
বেয়াকুফ বলেছেন: ও তাই? @ছাগাইডল।
৫০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫
বিডি আইডল বলেছেন: আমি ইতিহাস যতটুকু জানি তাই বলে..আপনি অন্য কিছু জানলে শেয়ার করতে পারেন..আমার জানা ভূলও থাকতে পারেন...

(ব্লগে গালাগালি করি না...করবোও না ভাবছি ভবিৎষতে)
৫১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৫
ম্যাকলাভিং বলেছেন: বিচির বাল আসো কালকার আলুচনা শেষ করি নাকি আগে জিয়া বিষয়ুক আলুচনা আগে করবা। আচ্ছা জিয়া তাহেররে যে কারনে ফাসী দিসে সে একই কারনে ফারুক রশীদের ফাসী হয় নাকি?
৫২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬
মুকুট বলেছেন: ভাবনায় পড়ে গেলাম লেখাটা পড়ে! আসলে আমাদের দেশের ইতিহাস নিয়ে সবাই একটা এ্যাঙ্গেল থেকে লেখে বা বলে, ফলে আসল বা সম্পূর্ণ ঘটনা আড়ালে থেকে যায়! দেখা যাবে আগে যা ঘটেছে তার কিছু না কিছু কারন আছে যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তী ঘটনা ঘটেছে! সবই খোলাসা হওয়া দরকার! পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সরাসরি প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করে দেয়া উচিত!
৫৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩
বিডি আইডল বলেছেন: জিয়া তাহেরকে কেন ফাসি দিয়েছিল তার উত্তর তো খুবই সহজ...কিন্তু বেয়াকুফ মনে হয় অন্য কোন ইতিহাস জানে জিয়াকে বন্দী দশা থেকে সেটা জানতে চাইতেছিলাম
৫৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৫
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন: জিয়া তাহেররে মারছে কারন, তাহের মাথা গরম লোক ছিল। এবং তার সেনাপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিল। এবং এটা খুবই স্বাভাবিক ছিল তাহের কয়দিন পরে পছন্দ না হইলে জিয়াকে মেরে ফেলবে। সো জিয়া নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত আর নিজেকে সেইফ রাখতে তাহেররে মারছে।

তাহের সাহসী লোক। তবে তাহের বেচে থাকলে দেশে এস্কট্রিম কিছু একটা হইত বলেই মনে হয়। তবে যাই হোক জিয়ার এই কাজটা ঘৃন্য অবশ্যই।
৫৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৬
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন: আরেকটা কথা।
খালেদ মোশারফকে কোন হিসেবে ভাল বলা হয় বুঝি না।
সেনাতে সবকটা কুকীর্তিতে এই ব্যাটার হাত ছিল।
৫৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন: আতিকুল হকের বিশ্লেশনই যথার্থ। এটাই শেষ কথা।
আপনার প্রশ্নের সব উত্তরও ওই মন্তব্যে।
৫৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ৭ তারিখে বিনা বিচারে খালেদ-হায়দার আর হুদাকে হত্যা করা হয়

Click This Link
৫৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২
ভাইটামিন বদি বলেছেন: আলোচনাটা ভাল লাগছে....জানা যাচ্ছে অনেক কিছুই....

আসলেই ওই সময়টা নিয়ে সব সময়ই কেমন যেন একটা ধোয়াটে ব্যাপার করে রাখা হয়েছে......

সে সময়ের ঘটনার সাথে যারা জড়িত বা যারা কাছাকাছি ছিলেন তাদের অনেকেই এখনো বেঁচে আছেন...আমার তো মনে হয় তাদের দায় আছে নতুন প্রজন্মের কাছে সত্যি জানানোর....

তবে আলোচনাটা চলুক.....আশাকরছি এর মাধ্যমে অন্তত উঠে আসবে বিভিন্ন জনের পয়েন্ট অব ভিউ...

ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে এধরনের একটি প্রসংগ তুলে আনার জন্য।।।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: "আমার তো মনে হয় তাদের দায় আছে নতুন প্রজন্মের কাছে সত্যি জানানোর"

তাঁরা যারা মুখ খুলছেন, একেকজন একেকভাবে বলছেন, একেক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করছেন

৫৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

আপনার পোস্টটা প্রিয়তে রাখলাম।পরে পড়ে মন্তব্য করা যাবে(বিশেষ প্রয়োজন হলে)। পোস্টের তেমন কোন সমালোচনা এখন করছিনা। শুধু এই খটকাটা জানিয়ে রাখছি...বড্ড সরলিকরণ হয়ে গেছে। ওই ইতিহাসের অনেকগুলো ঘাত আছে কোন একটি দিয়ে বিচার অন্যায্য হবে।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই,

সত্যিই, সরলীকরণের কথা অস্বীকার করার উপায় নেই ... এবং সরলীকরণটা হয়ে যাচ্ছেই কিছু কী-ইনফরমেশনের অভাবে ... আর, সেই তথ্যগুলো দিয়ে গ্যাপ পূরণের জন্য আসলে প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছি

আশা করি আপনার কাছ থেকে ভালো একটা আলোচনা পাবো

৬০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
রোবোট বলেছেন: ৩য় জন হলেন মেজর হুদা (খালেদ-হায়দার ছাড়া)

৩র নভেম্বরের ক্যুর আরেক হোতা মেজর ইকবাল ও কর্নেল জাফর ইমাম জিয়ার মন্ত্রী ছিলেন।

৩র নভেম্বরের ক্যুর ২নং নেতা শাফায়েতের কিছু হয়নি জিয়ার আমলে।

৩র নভেম্বরের ক্যু কি একটা ফাঁদ ছিলো?

কর্নেল জাফর ইমাম - কর্নেল মালেক - কর্নেল গাফফার এরশাদের মন্ত্রী ছিলেন।

খালেদ আওয়ামী সমর্থক এমন কোন প্রমাণ নেই। ৭১এ খালেদের সেক্টর ২ ছিলো আওয়ামী বিরোধী বামদের অভ্য়অরণ্য (পজিটিভ অর্থে বলছি)। কেন এবং কারা তাকে আওয়ামী বানালো?

রক্ষীবাহিনী যে একটা ফালতু বাহিনী ছিলো সেটা প্রমাণিত।


৬১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৭
স্স্পরসের বাহিরে বলেছেন: vai ai bisoy nie best akta boi porsilam. Boita Rani hamid ar husband, kaysar himd ar baba leksilen. Tini ai boite senabahinir oneeeeeeeeeeeeeeek ojana kahini likhe gesen. nam money porse na..but sashruddhokor boi.Spy thriller keo har manay
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: বইটার নাম "তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও না বলা কিছু কথা", লেঃ কর্ণেল এম. এ. হামিদের লেখা ... কিন্তু তাঁর নাম থেকেই যে দুই বিখ্যাত নাম রাণী হামিদ আর কায়সার হামিদের উৎপত্তি তা তো জানতামনা!!

৬২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩০
স্স্পরসের বাহিরে বলেছেন: oi boi pore ami aro jansi jara amader muktijuddher Moyan nayok silen tara 71 ar por khomotar jonno pagol hoye jan. Jia, taher, khalid, safiullah ara sobai ak akjon Mohan muktijoddha silen. Apnara muktijuddher boi porle ader birotter ashol kahini jante parben. But 71 ar por sobai khomotar jonno pagol hoye jan..vaira upore je boita bollam tar nam jante parle sobaike janabo...osadharon
৬৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০৭
মিছে মন্ডল বলেছেন: জিয়া একজন বিশ্বাসঘাতক ও কুলাঙ্গার। এর কারণের আজ দেশে রাজাকার জামাত-শিবিরের প্রত্যাবর্তন হইছে। তাহের তো মইরা মহান হইছে। নাহইলে এইটাও তার পূর্ণ কুলাঙ্গারী রূপ দেখাইতো। পারে নায় বইলা বাঁইচা গেছে।
৬৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৪
স্স্পরসের বাহিরে বলেছেন: বইটার নাম "তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও না বলা কিছু কথা", লেঃ কর্ণেল এম. এ. হামিদের লেখা

সবাই পড়ে দেখেন....
৬৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০২
লীনা দিলরূবা বলেছেন: এই লেখাটা অনেকদিন পরে চোখে পড়লো। ভাল সাবজেক্ট।

মূল আলোচনা অনেকদূর এগিয়েছে। মূলত এটা এত সরলীকৃত আলোচনা নয়, এককথায় কে নায়ক কে খলনায়ক এইটা মনে হয় বলা যাবেনা। তবে আমি জামাল ভাস্কর আর মনজুরুল হকের কথার সাথে একমত পোষণ করি।

শাহাদুজ্জামানের ক্রাচের কর্নেল বইটা পড়ার অনুরোধ করি, সেটা পড়লে আমার মনেহয় অনেকে অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
৬৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১১
অন্ধকার বলেছেন: অনেক সময় নিয়ে অনেকটা পড়লাম...
আমার নিজেরো প্রশ্ন ছিল অনেক, আলোচনাটা ভালো লাগল...
৬৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯
আমি স্যাম বলেছেন: আসলে এ পোস্টে কাজের চেয়ে অকাজের আলাপ হয়েছে বেশি। আমার অনুরোধ কারো কোনো তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে জানা না থাকলে প্লিজ লেখার প্রয়োজন নেই। লেখকের মত আমিও আসল ইতিহাস জানতে আগ্রহী। আশা করি সঠিক ইতিহাস জানার এ প্রচেষ্টায় সবার সহযোগীতা পাব।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা ঠিক ... অনেক কিছু উঠে আসতে পারতো ... কিন্তু ব্যক্তিপুজা আমাদের অন্ধ করে রাখে

৭০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮
ওরাকল বলেছেন: thanks for this post. I have read it once but not understand properly. Need to go through again .
৭১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৪
অ্যানালগ বলেছেন: আমি অবাক হয়েছিলাম ১৫ ই অগাস্টের ঘটনার মেজর(সম্ভবতঃ) হামিদের বর্ণনা পড়ে যেখানে জানলাম যে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যখন ক্যু সম্পন্ন হলো, তখন যে সেনারা উল্লাস করছিলেন তাদের মধ্যে খালেদ মোশাররফও ছিলেন!! [/si

মেজর নয়, কর্নেল হামিদ। তৎকালীন ঢাকা সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার।

ফুটবলার কায়সার হামিদের পিতা।
৭২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
অ্যানালগ বলেছেন: কর্নেল তাহের মারা যাওয়ায় মহিমান্বিত হয়েছেন, বেচে থাকলে তিনিও ভিলেন হতে পারতেন। জিয়া তখন মারা গেলে তিনিও মহিমান্বিত হতেন।


বর্তমানের হালচাল দেখে তাই মনে হয়।
৭৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
রাগ ইমন বলেছেন: খুবই জরুরী প্রশ্ন তুলেছেন। আমার মনেও এই সব ঘুরে। পুরোটা পড়ে শেষ করতে পারিনি। পড়ে চলেছি।

আলোচনা চলুক।
৭৫. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল পোষ্ট। আগে চোখে পড়ে নি কেন ভাবছি।
৭৭. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৮
নষ্ট ছেলে বলেছেন: অসাধারণ লিখিছেন++++++
অনেক মন্তব্য সময় করে পড়ব প্রিয়তে রাখলাম।

সুশীল সমাজ কর্ণেল তাহেরের ব্যাপারে নমনীয় ভাব দেখান।
অনেক দিন আগে প্রথম আলোর সম্পাদ্কীয়তে কর্ণেল তাহেরকে নিয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম (সম্ভবত আনিসুল হকের) সেখানে লেখক কর্ণেল তাহেরকে মহামানব হিসাবে উপস্থাপন করেছিলেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮১৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কি করার কথা কি করছি,
কি লেখার কথা কি লিখছি!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ