কারমাইকেল কলেজের কিছু কাছে কলোম্বো ক্যামিক্যাল কোম্পানীতে কাজ করিত কেশরীকান্ত। কেশরীকান্তের কনিষ্ঠা কন্যা কমলাকান্ত। কমলাকান্ত কেশে ক্লীপ, কন্ঠে কুন্ঠলীর কারণে কেবলই ক্রন্দন করিত। কেশরীকান্ত কহিত: “কমলা ক্রন্দন করিওনা। কড়িতে কুলায় না। কায়-ক্লেশে কোন ক্রমে কালাতিপাত করিতেছি।” কোন কারণে কথাটি কর্মচারীদের কর্নগোচর করিল। কেন কর্মচারীদের কর্ণগোচর করিল কহিয়া কর্মচারী-কর্মচারীরা কিলাকিলী করিল। কারনে কথাটি ক্রমে কর্তার কর্ণগোচর করিল। কর্তা কেশরীকান্তের কিছু কড়ি কাড়াইল। কারণটি কেশরীকান্তের কড়ি কাড়াইবার কারণ করিল।
গল্পটি আমি আমার খুব প্রিয় সারের মুখ থেকে শুনেছিলাম অনেকদিন আগে। স্যারকে আমি সবসময় মিস করি। স্যার আপনি যেখানে থাকেন ভাল থাকেন, অনেক ভাল।
দুই.
কেশরীকান্তের কনিষ্ঠা কন্যা কমলা কহিল: “কাকা কাক কেন কাঁ কাঁ করে?” কাকা কহিলেনঃ “কাকের কাজে কাক কাঁ কাঁ করে। কাজেই কাক কাঁ কাঁ করে।”
এটি যখন শুনেছিলাম তখন আমি ক্লাস ফোর-এ পড়ি। দূর সম্পর্কের আমার এক ফুফাতো ভাই-এর কাছ থেকে শুনেছিলাম। আজ অনেক দিন তাকে দেখিনি। ছোট বেলার সেই চাঁদের আলোতে বসে গল্প শোনার মুহুর্তগুলো কখনই ভূলতে পারব না। আহসান ভাই, ছোট মামা, আপা, নাজমা খালামনি, ছোট খালামনি (রেহেনা) আমরা ক'ভাই সবাই মিলে কত যে আনন্দ করেছি। আজ সবাই নিজের কাছে ব্যাস্ত। অনেকের সাথে বেশ ক'বছর দেখা হয়না। জীবনে হয়ত সবাই আর কখনও একসাথে হতেও পারব না।...
সেসব দিনগুলো কত আনন্দের ছিল! আহ! আবার যদি ফিরে যেতে পারতাম সেই দিনগুলোতে!….
ভাল থেকো সবাই, যে যেখানে থাকো অনেক ভাল থেকো। অনেক...
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


