
রাজনীতিবিদদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে এই ইফতারে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা যোগ দেন। জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমও ইফতারে যোগ দেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ পাঁচ নেতার মুক্তির কামনায় দোয়া করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ। এর আগে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এ সময় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল তাঁদের দলের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদকে দেখিয়ে বলেন, ‘ম্যাডাম আপনার এলাকার লোক আমাদের আমির।’ খালেদা জিয়া তখন হেসে বলেন, ‘নোয়াখালীকে আর বাদ দেওয়া গেল না।’ পরে জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের সঙ্গে কুশল-বিনিময় করেন খালেদা জিয়া।
সামনের সারিতে সবার মধ্যমণি হিসেবে বসেছিলেন খালেদা জিয়া। তাঁর দুই পাশে বসেছিলেন অন্য নেতারা। খালেদা জিয়ার বাঁ পাশে বসেছিলেন বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ডান পাশে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ। মকবুল আহমাদের ডান পাশে ছিলেন জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযম।
মঞ্চে অন্যদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য আবদুস সুবহান, নাজির আহমেদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান সাংসদ আন্দালিব রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর নির্বাহী সভাপতি মাওলানা মুহিউদ্দিন খান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল মবিন, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে জামায়াতের দুই সাংসদ হামিদুর রহমান আযাদ, আ ন ম শামসুল ইসলাম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের দুই সদস্য মীর কাসেম আলী, আবদুর রাজ্জাক, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুজিবুর রহমান, শফিকুর রহমান, প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি তাসনিম আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



