মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, হ্যান করেঙ্গা-ত্যান করেঙ্গা কতকিছুইতো করেন- এখন কি কইবেন???
আইন আদৌ কি নিরপেক্ষ!!!!!
ঝাটা মারি এই আইন ও বিচারক ও মন্ত্রী-এম্পিগো মুখে
নিউজটা পরেনঃ
২০০১ সালে মালিবাগে চার খুনের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা এইচবিএম ইকবাল ও নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনসহ ১৪ আসামি বৃহস্পতিবার খালাস পেয়েছেন।
মামলাটিকে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক বিবেচনায় তা প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার সুপারিশের পরিপ্রক্ষিতে ১ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক শামসুন নাহার বেগম এ রায় দেন।
আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ ইকবাল ও ভোলা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ শাওনসহ এই ১৪ জন এ মামলায় জামিনে ছিলেন।
খালাসপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- শওকত হোসেন নান্নু, কবীর উদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সালাম, মুন্সী কামরুজ্জামান কাজল, মো. মনিরুজ্জামান লিটন, এমদাদুল হক বাচ্চু, আব্দুল হালিম, আবুল বাশার, মো. জসিমউদ্দিন, লন্ড্রী দুলাল, তারেক শামসুল খান মোমেন ও মো. কামরুল মোরশেদ খোকা।
মামলার অপর দুই আসামি জিএম জিয়াউল হক শামীম এবং কালা বাবুলও জামিনে ছিলেন। তারা আদালতে নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাদের খালাস দেওয়া হয়নি।
এ মামলায় ছোট হান্নান ওরফে পিচ্চি হান্নান (ক্রসফায়ারে নিহত), কিরণ, খোরশেদ আলম ওরফে আশরাফুজ্জামান ওরফে মিঠু, লিয়াকত হোসেন লিয়াকত, মনির হোসেন মনির, গোলাম মোস্তফা পাপ্পু ও কামরুল হাসান হান্নানকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার মামলাটি প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ আবেদনটির ওপরে শুনানি গ্রহণ করেন বিচারক। এরপর বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়।
মামলাটির বিচার হাইকোর্টে দীর্ঘ দিন স্থগিত ছিলো বলে জানিয়েছেন এ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া।
২০০৯ সালের ১৭ অগাস্ট এ মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করে সুপারিশ করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মাদ আবু সাঈদ।
সুপারিশ অনুযায়ী গত বছরের ২২ অক্টোবর বর্তমান আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন।
এ মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী এসএম আরমানও আসামি। তবে তার নাম প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করা হয়নি।
আদেশ দেওয়ার সময় সাবেক সাংসদ ইকবাল ও বর্তমান সাংসদ শাওন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আরমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
২০০১ সালের ১৩ ফেব্র"য়ারি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ডা. ইকবালের নেতৃত্বে হরতালবিরোধী একটি মিছিল এবং হরতালের পক্ষে বিএনপির একটি মিছিল মালিবাগ মোড়ে মুখোমুখি হয়। এ সময় ইকবালের মিছিলের মধ্য থেকে গুলি চালালে বিএনপির চার কর্মী নিহত হয়।
নিহতরা হলেন- জসিম উদ্দিন, খোকন, আব্দুর রশিদ মোল্লা এবং নাজমা আক্তার। এ ঘটনায় একই দিনে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন থানার সহকারী পরিদর্শক ইসহাক মল্লিক।
ঘটনার পরদিন বিভিন্ন দৈনিকে সন্ত্রাসী লন্ড্রী দুলাল এবং খোরশেদ আলম মিছিলের মধ্যে থেকে পিস্তল দিয়ে গুলি করছে এমন ছবি ছাপা হয়।
২০০২ সালের ২৯ ডিসেম্বর ডা. ইকবালসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মূল নিউজ পাবেন এখানে
--------------
আদালত অবমাননা কিংবা আপ্নাগো নামে কূৎসা (!!) রটানোর জন্য আমার বিচার করতেই পারেন। আপ্নাগোইতো ক্ষেমতা। যা খুশী তাই করবার পারেন। আমরা ম্যাঙ্গো পিপলতো মফিজ। আমাগো কিছুই করবার ক্ষ্যমতা নাই।।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



