somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভাষা বিষয়ক কৌতুহল

২৫ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোটবেলায় আমরা ফাইজলামি করার সময় সাধু ভাষায় লিখতাম। একবার আমার এক বান্ধবীর জন্য অপমানপত্র লিখছিলাম সাধুভাষায়, মনে আছে। আমার আম্মা খুব বঙ্কিম চন্দ্র পড়তো আর মাঝে মাঝে তাড়াহুড়ায় কথা বলার সময় সাধুভাষা বলে, এখনো।

যেমন একবার আব্বা দোকানের পার্কিং থেকে গাড়ি বের করছিল, পিছনে একটা খাম্বা মতন ছিল, ওইটা আব্বা দেখেনাই। আম্মা মহা তাড়াহুড়ায় বললো যে - তোমার গাড়ী ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে! এইরকম আরো আছে - আম্মা ব্যাথা পাওয়ার বদলে 'আঘাত' পায়, কোন কিছু ছুড়ে ফেলার বদলে 'নিক্ষেপ' করে ইত্যাদি। এইগুলি নিয়া আমাদের সাথে সাথে আম্মাও হাসে।

তো এইসব ইতিহাসের কারণে, নতুন কিছু লেখা সাধুভাষায় দেখলে প্রথমে বুঝতে পারি না সিরিয়াসলি নিব নাকি রম্য রচনা হিসাবে নিবো। কিন্তু ইদানিং বাংলা পত্রিকার সাহিত্য পাতায় দেখি অনেকে সাধু ভাষায় লিখেন। সিরিয়াস লেখাই।

এই জিনিষ হঠাত শুরু হইছে কিনা জানিনা। আমার নজরে পড়লো হঠাতই। এর কারন অনুমান করতে পারেন কেউ? আমার কৌতুহল হচ্ছে এই বিষয়ে।

আমার মনে হয় সম্ভাব্য দুইটা কারণ আছে।

সাধুভাষা সম্পর্কে প্রিকন্ডিশানড মনোভাব দুর করা। এই যেমন আমার হাসি আসে এই ভাষায় নতুন লেখা দেখলে (পুরানো গুলাতে হাসি আসে না, হাসির না হইলে)।

আরেকটা কারণ হতে পারে, বাংলা ভাষা আস্তে আস্তে বদল হইতে হইতে অনেক হইছে, এখন অনেক লেখকরা আবার সাধু থেকে শুরু করতে চাইছেন। বৃতত সম্পুণ করার উদ্দেশ্যে।

আপনাদের কি ধারণা ?
১২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×