আজকের যুগান্তরে একটা স্টোরি পড়লাম। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য ড. মুনীর উদ্দিন আহমদ লিখেছেন। তার শিরোনামঃ সোয়াইন ফ্লুঃ ভয়ের কিছু নেই
আমি তার শিরোনামের শেষে একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) দিয়ে আমার লেখার শিরোনাম করেছি।
মেক্সিকোতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার পর লোকজন মারা যেতে শুরু করল। সংখ্যাটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস মানবঘাতী। বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে নিতে ভুল করেনি আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, ইটালী আর জার্মানীর মতো দেশগুলো। তাতে কি ফল হলো? ঐ সব দেশে ভাইরাস টি ছড়ানো ঠেকানো গেল না শেষ পর্যন্ত। মানুষের মৃত্যুও ঠেকানো যায় নি।
সর্বশেষ খবর হলো, এশিয়াতেও ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। চীন, জাপান এমনকি প্রতিবেশী ভারতেও এই ভাইরাস সনাক্ত করা হয়েছে। যেহেতু এই ভাইরাসের আক্রমনে মানুষ মারা যায়, ভাইরাসটি যদি বাংলাদেশে ছড়ায় তাহলে আমাদের কি ভয় পাবার কোনো কারণ নেই?
হংকংয়ে বার্ড ফ্লু সনাক্তের পর সারা বিশ্বে রেড এলার্ট জারী করা হয়। স্থল বন্দর, নৌ বন্দর, বিমান বন্দরে সতর্কতা জারী করা হয়। সতর্কতা জারী করা হয় বাংলাদেশেও। বাংলাদেশ সরকার তখন মিডিয়াতে প্রচার করে, এই রোগ প্রতিরোধের যাবতীয় ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করেছে। ভয়ের কিছু নেই।
আসলে সচেতন মানুষরা জানত, এসব ভাইরাস ছড়ানো ঠেকানোর কোন প্রযুক্তি বা ক্ষমতাই বাংলাদেশের নেই !
এখনও দেশের বিভিন্ন ট্রানজিট পয়েন্টে ডাক্তার বসিয়ে রাখা হয়েছে বলে আমরা খবরে দেখেছি। তারা সোয়াইন ফ্লু সনাক্ত করবে। যদিও আমরা জানি, সোয়াইন ফ্লু সনাক্তের কোন প্রযুক্তি বা ক্ষমতাই আমাদের নেই। তবুও মিডিয়াতে বার বার কিছু লোক বলাবলি করছে- ভয়ের কিছু নেই। আমাদেরকে নির্বোধ ভেবেই কি তারা আমাদের প্রবোধ দিচ্ছে?
বিশ্বের তাবৎ উন্নত দেশ সোয়াইন ফ্লু ছড়ানো এবং মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে পারে নি। বাংলাদেশের কয়েকজন ডাক্তার এয়ারপোর্টে বসে সোয়াইন ফ্লু আটকে দেবে। ঠেকিয়ে দেবে মানুষের মৃত্যু। এ ধরণের প্রবোধ শুধুমাত্র নির্বোধকেই অন্য নির্বোধ দিতে পারে, তাই নয় কি?
[email protected]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


