দৈনিক যায় যায় দিন সূত্রেঃ
ঢাকার পঞ্চায়তে ব্যবস্থার সুনাম ছিল একসময়। বিভিন্ন মহল্লার সমাজ জীবন নয়িন্ত্রণ করতো পঞ্চায়তে। ব্যবস্থাটি পুরনো হলেও, আহসান মঞ্জলিরে নবাবদরে সময়ে বিশেষ করে বিশ শতকের গোড়ায় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়। নওয়াব বাড়ি থেকে ওই সময় পঞ্চায়তের তত্ত্বাবধায়ক পদ সৃষ্টি করে পরিবারের সদস্য খাজা আজমকে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা হয়। ঢাকার হিন্দু, মুসলমান বিশেষ করে মুসলমানরা নবাবকে মনে করতেন তাদের প্রতিনিধি তারা এ ব্যবস্থা মেনে নিয়েছিলেন।
খাজা আজম ছিলেন ঢাকার সমস্ত পঞ্চায়তেরে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক। এর আগে ঢাকার মুসলমানদরে দু’ধরনরে পঞ্চায়তে- ‘বারা’ ও ‘বাইশ’ এর ছলিনে দু’জন আলাদা সুপরনিটনেডন্টে। ১৯০৭ সালে ওই দুটি পদ উঠিয়ে করা হয়ছেলি তত্ত্বাবধায়করে একটি পদ এবং খাজা আজম নিযুক্ত হয়ছেলিনে সে পদে।
এখন দেখা যাক, ঢাকায় পঞ্চায়তে ব্যবস্থার উদ্ভব হয়ছেলি কি ভাবে? প্রথমে পর্যালোচনা করা যাক, ডা. ওয়াইজরে মতামতÑ
প্রতিটি মুসলমান ‘কওম’ বা শ্রেণীতে আছে পঞ্চায়েত। ব্যবসা বাণজ্যি এবং অন্য ব্যাপারে পঞ্চায়তেরে অলখিতি আইনরে কাউকে বিরোধিতা করলে তার বিরুদ্ধে নেয়া হয় কঠোর ব্যবস্থা।
প্রতিটি মুসলমান গ্রাম বা শহররে মহল্লায় আরকে ধরনরে র্কাযক্রম বিচারালয় আছে যা হিন্দু বর্ণের দল বা পঞ্চায়তে থেকে উদার। সাধারণ মানুষরে মঙ্গলই পঞ্চায়তেরে কাম্য। এ আদালত সেক্যুলার এবং রিপাবলিক’ যখোনে প্রতিটি সদস্যের ভোটদানরে ক্ষমতা সমান যদিও পঞ্চায়তেরে সভাপতির মতামতই প্রতফিলতি হয় প্রায় ক্ষেত্রে।
খাজা আজম ওয়াইজরে ব্যাখ্যা নাকচ করে দয়িছেনে। লখিছেনে তনি,ি পঞ্চায়তে ব্যবস্থা নশ্চিতিভাবে চালু করছেলিনে র্পূববঙ্গরে মুষ্টমিয়ে আদি র্ধমান্তরতি ও বহরিাগত মুসলমানরা। তাদরে প্রতবিশেী হন্দিুরা সবসময় তাদরে ‘ম্লছে’ বলে তুচ্ছ-তাচ্ছল্যি করতনে। সুতরাং সামাজকিভাবে নজিদেরে রক্ষার জন্য এ ধরনরে সংগঠনরে তাদরে দরকার ছলি। এছাড়া র্পূববঙ্গরে মুসলমাদরে ওপর ফকরিদরে (র্অথাৎ সাধু) প্রভাব ছলি বশে। তারাও পঞ্চায়তে গঠনে প্রভাবতি করছেলিনে। এর প্রভাব বোঝা যায় পঞ্চায়তেে ব্যবহৃত বশে কছিু শব্দে যমেন, ‘চান্দা’ যা ফকরিরাই ব্যবহার করতনে। যমেন কোনো কছিু ভাগ হলে পঞ্চায়তেরে র্সদার দু’ভাগ পান, ফকরিদরে ক্ষত্রেওে তাই হয়। সজেন্য ডা. ওয়াইজ যে বলছনে, এটি হন্দিুদরে থকেে ধার করা তা ঠকি নয়।
কন্তিু খাজা আজমরে এ যুক্তি মনেে নয়োও কষ্টসাধ্য। আদি মুসলমানরা যদি এ ব্যবস্থার উদ্ভাবক হয়ে থাকনে, তাহলওে আশপোশরে কোনো ব্যবস্থা নশ্চিয় তাদরে প্রভাবতি করছেলি। কথাটা এভাবে বলা যতেে পার,ে হন্দিুদরে বভিন্নি র্বণ বা গ্রুপরে নজিস্ব পঞ্চায়তে ছলি যা প্রধানত রক্ষা করতো ব্যবসা-বাণজ্যি বা পশোগত র্স্বাথ। অনকেটা গল্ডিরে মতো। এ প্রথা পরে হয়তো পরব্যিাপ্ত হয়ছেলি হন্দিুদরে সামাজকি জীবনওে। র্ধমান্তরতি মুসলমানরা হয়তো অসচতেনভাবে তা গ্রহণ করছেলিনে (যদি প্রাচীনকালে এ ব্যবস্থা মুসলমানদরে মধ্যে থকেে থাক)ে। খাজা আজম নজিওে লখিছেনে মুসলমান শাসক মুঘলরা এ ব্যবস্থা চালু করনে।ি সুতরাং এ ব্যবস্থা প্রাচীন। তাহল,ে সে পরপ্রিক্ষেতিে আমাদরে যুক্তটিাই যুক্তযিুক্ত মনে হয়।
শুধু ঢাকায় নয়, ভারতর্বষরে বভিন্নি জায়গায় চালু ছলি পঞ্চায়তে। সদ্দিকি খান লখিছেনে, বাংলা, পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চমি প্রদশে বোম্বাই ও দক্ষণি ভারতে প্রাচীন আমল থকেইে পঞ্চায়তে ব্যবস্থা ছলি।
এখানে আরকেটি বষিয় উল্লখ্যে। ওয়াইজ উল্লখে করছেলিনে, ঢাকায় পঞ্চায়তেে পাঁচ থকেে পনরেো জন সদস্য থাকনে এবং প্রায়ই উদার ও শ্রদ্ধয়ে হন্দিু ভদ্রলোকরা এর সদস্য নর্বিাচতি হন। এ তথ্যরে আলোকওে খাজা আজমরে যুক্তি টকেে না।
সুতরাং বলা যতেে পার,ে প্রাচীন পঞ্চায়তে ব্যবস্থা বা হন্দিুদরে ‘দল’ প্রভাব ফলেছেলি ঢাকাবাসীর ওপর। বভিন্নি মহল্লায় প্রধানত নজিদেরে বরিোধ মটোবার জন্য তারা সৃষ্টি করছেলিনে পঞ্চায়তেরে, ক্রমে তা পরব্যিাপ্ত করে নয়িছেলি মহল্লাবাসীর জীবন। তবে পঞ্চায়তে মুসলমানদরে হলওে তা র্ধমীয় কোনো সংগঠন ছলি না, বশিষে করে বচিার-আচাররে জন্য প্রয়োজন ছলি বচিক্ষণ উপদশে। তাই হয়তো মহল্লার শ্রদ্ধয়ে ব্যক্ত,ি হন্দিু বা মুসলমান সদস্য হতনে পঞ্চায়তেরে। হন্দিুদরে ‘দল’ বা পঞ্চায়তে থকেে ছলি এটি আলাদা। কারণ, হন্দিুদরেটরি ভত্তিি ছলি র্বণ এবং খুব সম্ভব তা তাদরে পশোগত ব্যাপারইে মনোযোগ দতি বশে।ি
তবে জানয়িছেলিনে খাজা আজম, মুসলমানদরে মধ্যওে পশোগত কছিু পঞ্চায়তে ছলি। যমেন ভস্তিদিরে। ঢাকা শহররে বভিন্নি মহল্লায় বসবাসকারী ভস্তিদিরে নয়িে ছলি এ পঞ্চায়তে। মুহররমরে সময় তাদরে পঞ্চায়তে প্রধানকে বলা হতো নওয়াব ভস্তি,ি কারণ মুহররম মছিলিে ভস্তিদিরে ছলি বশিষে ভূমকিা এবং এ পদ ছলি বংশানুক্রমকি। কন্তিু এ ছলি পশোগত ব্যাপার। মহল্লায় থাকলে তাকে মানতে হতো নজি মহল্লার পঞ্চায়তেরে নর্দিশে। এদকি থকেওে ঢাকার পঞ্চায়তে ছলি অন্য সব পঞ্চায়তে থকেে আলাদা।
১৯০৫ সালরে বঙ্গভঙ্গরে পর নবাব যখন ‘ইসলামীকরণরে’ মাধ্যমে ঢাকার মুসলমানদরে ঐক্যবদ্ধ করতে চাইলনে তখন গুণগত পরর্বিতন হয়ছেলি পঞ্চায়তে। মুসলমানত্বি বৃদ্ধি পয়েছেলি পঞ্চায়তে সদস্য তথা পঞ্চায়তেরে এবং নবাব পরবিার তাঁদরে আধপিত্য বস্তিাররে মাধ্যম হসিবেে ব্যবহার করছেলিনে পঞ্চায়তেক।ে
ঢাকা শহররে আদবিাসীদরে ‘কুট্ট’ি বলা হতো। ভদ্রলোকরা কুট্টদিরে থকেে নজিদেরে আলাদা করে দখেতনে। কারণ, কুট্টদিরে অধকিাংশ ছলিনে অশক্ষিতি ও দরদ্রি। কন্তিু ঢাকায় তারাই সংখ্যাগরষ্ঠি। মহল্লায় মহল্লায় তাদরে নয়িন্ত্রণ করতে পারে পঞ্চায়তে। এবং পঞ্চায়তে নয়িন্ত্রণ করলে তারাও নয়িন্ত্রতি থাকবনে। কামরুদ্দীন আহমদেও তাঁর আত্মজীবনীতে একথা লখিছেনে অন্যভাব।ে লখিছেনে তনি,ি ‘খাজা সাহবেরাই ঢাকার মুসলমানদরে নতেৃত্ব করতনে। বুদ্ধি বা বদ্যিার জন্য নয়Ñ ব্রটিশিরাজ তাদরে সুনজরে দখেতনে বল।ে ১৯২১ সালে আবুল হুসনে এম এ এল এল নওয়াব এস্টটেরে কাগজপত্র পরীক্ষা করে একটি চঠিি ফাঁস করে দয়িছেলিনে যার ফলে খাজা পরবিার তাঁকে বপিদে ফলোর চষ্টো করছেলি। চঠিটিি লখিছেলিনে নবাব আবদুল গনি তাঁর ছলেে আহসানউল্লাহকে গত শতকরে শষে দশক।ে ছলেকেে তনিি লখিছেলিনে য,ে ‘তনিি যনেো মনে রাখনে যে ঢাকার কুট্টরিা তাদরে প্রজা নয়Ñ অথচ তাদরে প্রজার মতো ব্যবহার করতে হবÑে খানদানরে নতেৃত্বে প্রতষ্ঠিা করার জন্য এ সব লোক যদি লখোপড়া শখিে বাস্তব অবস্থা জানতে পারে তবে খানদানরে নতেৃত্বে পরকিল্পনা ছাড়তে হব।ে তাদরে অন্যভাবে টাকা পয়সা দয়িে সময় সময় সাহায্য করবে কন্তিু স্কুলরে ব্যবস্থা না করত।ে
খাজা পরবিাররে র্কতারা তাই করছেলিনে। কুট্টি তথা পঞ্চায়তেকে তারা র্অথ সাহায্য করতনে। নবাব পরবিাররে প্রধান বভিন্নি মহল্লার পঞ্চায়তে র্সদারকে পরাতনে পাগড়,ি পড়াতনে মলিাদ এবং এ কারণইে সব পঞ্চায়তেকে একত্র করে সৃষ্টি করা হয়ছেলি তত্ত্বাবধানরে পদ আর সে পদে নযিুক্তি পয়েছেলিনে খাজা আজম। পঞ্চায়তেরে র্সদাররাও পরর্বিততি পরস্থিতিতিে নবাবকে দখেতনে মুসলমানদরে নতো ও তাদরে ত্রাণর্কতা হসিবে,ে তবে সলমিুল্লাহর মৃত্যুর পর পরর্বিতন এসছেলি সে ব্যবস্থায়। পরে তা আলোচনা করবো।
ঢাকা শহররে প্রতটিি মহল্লায় ছলি একটি করে পঞ্চায়তে। এর সদস্য ছলিনে মহল্লার সমস্ত মুসলমান। মহল্লার প্রতটিি সামাজকি অনুষ্ঠান, অন্যান্য র্কাযাবলী, এক কথায়, মহল্লার মুসলমানদরে জীবন নয়িন্ত্রণ করতো এ পঞ্চায়তে। মহল্লার ববিাদ বসিম্বাদ সবকছিুর মীমাংসা হতো এই পঞ্চায়তেরে মাধ্যম।ে
১৯০৭ সালরে দকি,ে খাজা আজমরে তথ্য অনুযায়ী ঢাকার পঞ্চায়তেরে সংখ্যা ছলি একশো তত্রেশিটি (অবশ্য, খাজা আজমরে বইয়রে পরশিষ্টিে একশো বয়িাল্লশিটি মহল্লার উল্লখে আছ)ে। এই একশো তত্রেশিটি পঞ্চায়তে বভিক্ত ছলি দু’ভাগÑে ‘বারা’ (বারো) এবং ‘বাইস’ (বাইস)। ‘বারা’ এবং ‘বাইস’ নাম দুটরি উদ্ভবরে কারণ অবশ্য খাজা আজম জানানন।ি তার তথ্য অনুযায়ী ভাষার ভত্তিতিে বভিক্ত করা হয়ছেলি পঞ্চায়তেগুলোক।ে যসেব মহল্লার অধবিাসীরা ‘মুসলমানী বাংলা’ বলতনে তারা ছলিনে ‘বারা’ পঞ্চায়তেরে অধীন,ে যারা বলতনে র্উদু তারা ছলিনে ‘বাইস’ পঞ্চায়তেরে অধীন।ে এ পরপ্রিক্ষেতিে খাজা আজম সদ্ধিান্তে পৗেঁছছেনে য,ে ‘বারা’র সদস্যরা র্ধমান্তরতি মুসলমানদরে উত্তর পুরুষ এবং ‘বাইস’ এর সদস্যরা বহরিাগত মুসলমানদরে। মনে হয় ‘বারা’র মুসলমানরা ছলিনে ঢাকা শহররে বাইরে থকেে যারা এসে বসতি বঁেধছেলিনে ঢাকায় তারা। ভাষা ছলি তাদরে বাংলা। ‘বাইসরে’ সদ্যরা ছলিনে মুঘল ও বহরিাগত মুসলমান, যারা এখানে বয়িে করছেলিনে বা যাদরে ঔরসজাত উত্তরাধকিারী ছলিনে বা যারা ঢাকা এসে ফরিে যানন,ি তাদরে উত্তর পুরুষরা। তারা র্উদু অথবা বাংলা-র্উদু মশিলে ‘ঢাকাইয়া’ কথা বলতনে। তব,ে ‘বারার’ মুসলমানরা যে ঢাকাইয়া ভাষায় কথা বলতনে না এমন নয়। ঢাকা শহরে ‘বারা’ পঞ্চায়তেরে সংখ্যা ছলি বাহাত্তরটি আর ‘বাইস’ পঞ্চায়তেরে সংখ্যা ছলি একষট্টটি।ি সমস্ত পঞ্চায়তে আবার পরচিতি ছলি ‘দায়রা-ই-মুতফিুল-ই-ইসলাম’ নাম।ে
পঞ্চায়তেরে গঠন, আয়রে উৎস বা র্কাযাবলী সর্ম্পকে যে সব তথ্য পাওয়া
গছেে তাতে তমেন হরেফরে নইে। এক্ষত্রেে খাজা আজমরে গ্রন্থ নর্ভিরযোগ্য সুতরাং এখানে পঞ্চায়তেরে গঠন, আয়রে উৎস ইত্যাদি সর্ম্পকে যে তথ্য দচ্ছিি তার ভত্তিি খাজা আজমরে গ্রন্থ। কছিু নতুন তথ্য দয়িছেলিনে নাছরি আহমদ, লায়ন সনিমোর মালকি বখ্যিাত কাদরে সরদাররে ভাইপো। এ বষিয়ে ১৯৮৭ সালে রোজার সময় তাঁর সাক্ষাৎকার নচ্ছিলিাম। দ্বতিীয় সাক্ষাৎকার নয়োর নর্দিষ্টি দনিরে একদনি আগে তনিি পরলোকগমন করনে। নাহলে হয়তো নতুন আরো অনকে তথ্য পাওয়া যতেো এ সর্ম্পক।ে নাছরি যে সব তথ্য দয়িছেনে সগেুলো এ শতকরে দ্বতিীয় ও তৃতীয় দশকরে।
পঞ্চায়তে গঠতি হতো মহল্লার পাঁচজন প্রতনিধিি সমন্বয়।ে সম্মলিতিভাবে তারা পরচিতি ছলিনে, ‘পঞ্চলায়কে বরিাদার’ নাম।ে এদরে মধ্যে একজন ছলিনে র্সদার বা ‘মরি-ই-মহল্লা’ যার নতেৃত্বে পরচিালতি হতো পঞ্চায়তে। খাজা আজম লখিছেনে, আগে পঞ্চায়তেরে র্সদার গদি পতেনে বংশানুক্রম,ে কন্তিু গত বশি বছর ধরে (র্অথাৎ ১৯০৭ এর আগ)ে র্সদার নর্বিাচতি হচ্ছনে। তবে দখো গছে,ে র্সদাররে মৃত্যুর পর তার ঘনষ্ঠি কউে বা পরবিাররে প্রভাবশালী কোনো সদস্যই নর্বিাচতি হচ্ছনে র্সদার। পঞ্চায়তেসমূহরে তত্ত্বাবধায়ক অবশ্য ইচ্ছে করলে নর্বিাচন বাতলি ঘোষণা করতে পারতনে। নবাব পরবিাররে নয়িন্ত্রণে রাখার জন্যই বোধহয় করা হয়ছেলি এ নয়িম।
র্সদার নর্বিাচনরে পর অন্যান্য পঞ্চায়তেরে র্সদাররা মলিে ঠকি করতনে নতুন র্সদার পঞ্চায়তেরে ফান্ডে কতো টাকা চাঁদা দবেনে।
র্সদারী গ্রহণ করার দনি মহল্লার সবাই মলিে র্সদারকে উপহার দতিনে একটি পাগড়।ি এই পাগড়ি পরচিতি ছলি র্সদারী পাগড়ি নাম।ে মহল্লার সবাই চাঁদা দয়িে তরৈি করে দতিনে এ পাগড়।ি নাছরি আহমদে জানয়িছেনে, নবাব সলমিুল্লাহ বভিন্নি মহল্লায় গয়িে র্সদারদরে পাগড়ি পরয়িে দতিনে। র্সদারী গ্রহণ করার পর র্সদার মহল্লার সবাইকে নমিন্ত্রণ করে খাওয়াতনে। র্সদার কাজে গাফলিতি দখোলে বা পঞ্চায়তেরে কাজ পরচিালনায় অক্ষম হল,ে পঞ্চায়তেরে সদস্যরা তাকে সরয়িে দয়োর ক্ষমতা রাখতনে।
মহল্লার সমস্ত সামাজকি অনুষ্ঠানে বশিষে করে বয়িরে অনুষ্ঠানে র্সদারকে অবশ্যই উপস্থতি থাকতে হতো। মহল্লার কারো মৃত্যু হল,ে মহল্লাবাসীদরে খবর দয়ো, কবর দয়োর ব্যবস্থা করা এসব দায়ত্বিও ছলি র্সদাররে। এক কথায় মহল্লার সবকছিু নর্ভির করতো র্সদাররে ওপর।
কন্তিু র্সদার কারা হতনে? খাজা আজম উল্লখে করছেনে, সাধারণত মহল্লার প্রভাবশালী (বা র্অথশালী) ব্যক্তইি র্সদার হতনে। কন্তিু তনিি কি পরমিাণ র্অথরে মালকি ছলিনে? খাজা আজমরে বইয়রে পরশিষ্টিে মহল্লার র্সদারদরে যে তালকিা পাওয়া গছেে সখোনে র্সদারদরে পশোর উল্লখে নইে। কন্তিু নামগুলো পড়লে দখো যায়, বশে কছিু র্সদার হয়ছেনে যারা ছলিনে বপোরী ও খলফিা। বারা পঞ্চায়তেরে র্সদারদরে মধ্যে বপোরী ছলিনে কয়কেজন, আর বাইস এ খলফিা। দুইজন ডাক্তাররে নামও পাওয়া গছে।ে অনকেরে নাম দখেে ধরে নয়ো যায় তারা তমেন বত্তিবান ছলিনে না। যমেন বাদল র্সদার, হাইদু র্সদার, আছাদ সোনালাল, খাতরি, হাসনু, রমজান, বুদলু রজব, দোসদী, জুম্মন প্রভৃত।ি নাছরি আহমদে ছলিনে লায়ন সনিমোর গলরি বাসন্দিা। স্মৃতচিারণ করে তনিি বলছেলিনে, র্সদারদরে অনকে,ে যমেন মঙ্গু খলফিা, মতি খলফিা ছলিনে র্দজি বা খলফিা। অনকেরে ছলি আবার কাটা কাপড় ও পানবড়িরি দোকান। মহল্লায় যার একটি পাকা বাড়ি ও একটি দোকান ছলি তাকইে বড়লোক বলা হতো। কামরুদ্দনি আহমদ পঞ্চাশ ষাট বছর আগরে ঢাকার স্মৃতচিারণ করে লখিছেনে, ‘কুট্টরিা ওস্তাগারী, গাড়ি চালানো (ঘোড়ার), মাংস প্রভৃতি বক্রিি করতো। পরর্বতীকালে তারা চা বা সরবতরে দোকান ছড়েে কাপড়, জামা, জুতার দোকান খুলতে লাগলো। এদরে মধ্যে র্সবপ্রথম নাম করা যায় র্মীজা আবদুল কাদরে র্সদাররে। ছোটবলোয় খাজা ইসমাইল সাহবেরে কাজ করতো। কোকনেখোর খাজা সাহবেদরে কাছ থকেে সে বশে টাকা পয়সা গুছয়িে নয়িছেলি। তার প্রতাপ ছলি খুব। কাদরে সরদার পরে ঢাকার পশোদারী থয়িটোর ডায়মন্ড থয়িটোর কনিছেলিনে এবং পরে তা পরণিত করছেলিনে লায়ন সনিমোয়। এ যদি হয় বশি ত্রশি দশকরে কথা তা হলে এর আগরে অবস্থা সহজইে অনুময়ে। তবে মনে হয় মহল্লায় বত্তিবান হওয়াই র্সদার নর্বিাচতি হওয়ার একমাত্র যোগ্যতা ছলি না। খানদান বা পশেি ক্ষমতাও ছলি খুব সম্ভব যোগ্যতার মাপকাঠ।ি
পঞ্চায়তে র্সদাররে পর স্থান ছলি নায়বে র্সদার-এর। র্সদাররে অনুপস্থতিতিে নায়বে র্সদারকে পালন করতে হতো র্সদাররে দায়ত্বিসমূহ।
মহল্লার দুজন বয়োজ্যষ্ঠেও পঞ্চায়তেরে সদস্য নর্বিাচতি হতনে। তারা পরচিতি ছলিনে ‘লায়কে বরিাদার’ নাম।ে পঞ্চায়তেরে পঞ্চম সদস্য পরচিতি ছলিনে ‘গুরদি’ নাম।ে তনিি ছলিনে র্বাতাবহ। কোনো অনুষ্ঠানরে আয়োজন করা হলে বা কারো মৃত্যু হলে র্সদার গুরদিরে মারফত খবর পাঠাতনে মহল্লার সবাইক।ে
সামাজকি অনুষ্ঠানে তদারকি ছাড়াও পঞ্চায়তেরে একটি প্রধান কাজ ছলি মহল্লার সব ধরনরে ববিাদ-বসিম্বাদরে মীমাংসা করা। মহল্লায় ববিাদ বসিম্বাদ দখো দলিে সালশিীর জন্য যে কোনো পক্ষ পঞ্চায়তেরে বঠৈকরে জন্য অনুরোধ জানাতে পারতো, তবে এর খরচ আহ্বানকারী পক্ষকে বহন করতে হতো। খরচ ছলি পান তামাকরে, অন্য কছিুর নয়। সাধারণত এ ধরনরে বঠৈক ডাকা হতো বৃস্পতবিার রাত।ে বাদী-ববিাদী ছাড়াও মহল্লার যে কউে যোগ দতিে পারতনে মজলসি বা বঠৈক।ে লায়কে বরিাদার এবং র্সদার প্রশ্ন করতনে বাদী-ববিাদীক।ে তারপর দয়ো হতো রায়। দু’পক্ষকইে মনেে নতিে হতো পঞ্চায়তেরে রায় এবং এই রায়রে প্রতি কোনো রকম অশ্রদ্ধা প্রকাশ করা যতেো না। তব,ে ইচ্ছে করলে অন্যান্য পঞ্চায়তেরে র্সদারদরে নয়িে গঠতি ট্রাইবুনালে ওই রায়রে বরিুদ্ধে আপলি করা যতেো। নাছরি আহমদে জানয়িছেনে, বশি ত্রশি-এর দশক,ে র্সদাররা কোনো ববিাদ মটোতে না পারলে যতেনে কাজী জহুরুল হক, কাজী আলাউদ্দনি, হাকমি হাববিুর রহমান, সয়ৈদ মোহাম্মদ তফৈুর এবং কাজী ইসমাইলরে কাছ।ে এরা ছলিনে ঢাকার সে আমলরে প্রধান প্রধান ব্যক্তত্বি। মনে হয়, নবাব সলমিুল্লাহর পর পঞ্চায়তেরে ওপর নবাব পরবিাররে আধপিত্য হ্রাস পাচ্ছলি এবং ত্রশি দশকে সে প্রভাব বোধহয় আর তমেন ছলি না। থাকলে র্সদাররা উপরোক্ত ব্যক্তদিরে কাছে যতেনে না। অথবা নবাব পরবিাররে বকিল্প হসিবেে এরা প্রতষ্ঠিতি হয়ছেলিনে। এরা জমদিার ছলিনে না বট,ে কন্তিু ছলিনে খানদানী বংশরে সচ্ছল এবং শক্ষিতি। এক কথায় আহসান মঞ্জলিরে বপিরীতে নতুন যুগরে। সমাজে এদরে আধপিত্যই তখন বৃদ্ধি পাচ্ছলি।
তবে মহল্লার পঞ্চায়তেরে রায়রে বরিুদ্ধে সাধারণত কউে আপীল করতে যতেনে না। মহল্লার পঞ্চায়তেকে সহজে কউে ঘাটাতে চাইতনে না। মহল্লার পঞ্চায়তেরে রায় যদি কউে না মানার সাহস দখোতনে তবে তাকে একঘরে করা হতো। সামাজকিভাবে এই র্বজন পরচিতি ছলি ‘বুন্দ’ নাম।ে যে ব্যক্তরি ওপর এই বুন্দ জারি করা হতো তার র্সবনাশ হয়ে যতেো। ওই ব্যক্তি যদি নজিরে মহল্লা ছড়েে অন্য মহল্লায়ও যতেো তাহলওে সইে বুন্দ জারি থাকতো। ঢাকা শহরে তার পক্ষে তখন বসবাস করা হয়ে উঠতো অসম্ভব।
আইন ভঙ্গকারীদরে বরিুদ্ধে আরকে ধরনরে শাস্তি ছলি। একথা উল্লখে করছেনে জনাব নাছরি। অপরাধীর পটেে কাঁঠাল বঁেধে বতে মারা হতো এবং তারপর বলা হতো দৌড়াত।ে এরপর র্সদার সন্তুষ্ট হলে অপরাধী মুক্তি পতেো।
শহররে সমস্ত র্সদাররে একটি কাউন্সলি ছলি, এ তথ্য উল্লখে করা হয়ছেে ১৯০১ সালরে আদমশুমারতি।ে কোনো র্সদার কোনো কারণে অভযিুক্ত হলে এই কাউন্সলিে তার বচিার হতো। এবং কাউন্সলিরে রায় তাকে মনেে নতিে হতো। অবশ্য কাউন্সলিরে রায়ে অসন্তুষ্ট হল,ে র্সদাররে অধকিার ছলি পঞ্চায়তেরে তত্ত্বাবধায়করে কাছে আপীল করার। এবং এক্ষত্রেে তত্ত্বাবধায়করে রায়ই ছলি চূড়ান্ত।
পঞ্চায়তেরে আরকেটি কাজ ছলি মুসলমানদরে র্ধমীয় উৎসবে সাহায্য-সহযোগতিা করা। নবাব সলমিুল্লাহর পঞ্চায়তেকে ইসলামীকরণরে সঙ্গে ছলি এটি যুক্ত। যে দুটি র্ধমীয় উৎসব পালনে পঞ্চায়তেকে বশিষেভাবে সহায়তা করতে হতো তা হলো মুহররম ও ফাতহো ইয়াজদম।
মুহররমরে এক থকেে নয় তারখি র্পযন্ত হোসনেী দালান,ে শহররে বভিন্নি পঞ্চায়তে রাতে মাতমরে আয়োজন করতো। এ মাতম পরচিতি ভাটয়িালী র্মাসয়িা নাম।ে
গত দশকরে শষে দশকে নবাব সলমিুল্লাহ মুসলমানদরে প্রধান আরকেটি উৎসব হসিবেে ফাতহো ইয়াজদমকে তুলে ধরনে। এ উপলক্ষে ঢাকা শহররে প্রতটিি পঞ্চায়তেকে তনিি টাকা দতিনে। এই টাকা ব্যয় করা হতো দুটি খাত।ে প্রথম মহল্লা সাজানো, দ্বতিীয় মলিাদ পড়ানো। এ মলিাদরেও বশিষে বশৈষ্ট্যি ছলি, এটি পরচিতি ছলি ‘ভাটয়িালী মৌলুদ’ নাম।ে হয়তো ভাটয়িালী সুরে পড়ানো হতো বলইে এই নাম। নাছরি আহমদে, সলমিুল্লাহর সময়ে এক স্পশোল মলিাদরে কথা উল্লখে করছেনে। মনে হয় এই স্পশোল মলিাদই ছলি ভাটয়িালী মৌলুদ বা মলিাদ। তনিি জানয়িছেনে, সলমিুল্লাহ নজিে বভিন্নি মহল্লায় এই মলিাদ পড়াতনে। মলিাদ পড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তনিি মহল্লায় মুসলমানদরে সংগঠতি করতনে, অনুসারীদরে সংখ্যা বৃদ্ধি করতনে। এছাড়াও ফাতহো ইয়াজদমরে সময়, পঞ্চায়তেসমূহ চকরে মসজদি সুন্দরভাবে সাজয়িে উচ্চস্বরে সখোনে মলিাদ পড়াবার বন্দোবস্ত করতো।
মহল্লার প্রতটিি নতুন অধবিাসীকে পঞ্চায়তেরে সদস্য হওয়ার জন্য চাঁদা দতিে হতো।
মহল্লার যে কোনো বয়িতে,ে কনরে মহল্লার পঞ্চায়তে নজিস্ব রটে ছলি। এই নজরানার নাম ছলি, ‘পঞ্চায়তে-ই-রাকাম’। যদি কনরে পতিা মহল্লার অন্য কারো জমতিে বা বাড়তিে বাস করতনে তাহলে বরকে ওই নর্দিষ্টি পরমিাণ টাকা ছাড়াও দতিে হতো আরো কছিু র্অথ। এর নাম ছলি ‘হাক্ক-িই-জমনিদার’ যার পরমিাণ সাধারণত এক টাকার বশেি হতো না। পঞ্চায়তে ওই টাকা দয়িে দতি কনরে পতিার বাড়অিলাক।ে কনরে মহল্লার মসজদিে রক্ষণাবক্ষেণরে জন্যও বরকে কছিু টাকা দতিে হতো যা পরচিতি ছলি ‘হাক-আল্লাহ’ নাম।ে
পঞ্চায়তেরে স্থাবর সম্পত্তি ছলি পঞ্চায়তেরে ঘর যা পরচিতি হতো ‘বাংলা’ নাম।ে এ ‘বাংলা’য় দনিে মক্তব বসতো মহল্লার ছলেমেয়েদেরে জন্য আর রাতরে বলো তা পরণিত হতো মহল্লার ক্লাব।ে ‘বাংলা’য় ব্যবহৃত এবং রক্ষতি জনিসিপত্র যমেন, সতরঞ্জ,ি বাতি হুঁকো, গোলাপ পাশ, সাময়িানা ইত্যাদি ছলি পঞ্চায়তেরে স্থাবর সম্পত্তরি অর্ন্তগত। পঞ্চায়তে ফান্ডরে কোষাধ্যক্ষ ছলিনে র্সদার।
নাছরি উদ্দনি আহমদ তাঁর সাক্ষাৎকারে আমাকে আরো কছিু তথ্য জানয়িে ছলিনে যা ঢাকার সমাজ জীবনরে জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তনিি আরো কছিুদনি বঁেচে থাকলে হয়তো এ বষিয়ে আরো কছিু জানা যতেো। কারণ, ঢাকায় যারা পঞ্চায়তে সর্ম্পকে বলতে পারতনে তাঁদরে সংখ্যা ক্রমইে হ্রাস পাচ্ছ।ে
তনিি বলছেলিনে, পঞ্চায়তেরে একটি ‘তোলা ব্যবস্থা’ ছলি। সটো কি রকম? মহল্লার প্রতটিি বাসায় একটি করে ঘট থাকতো। প্রতদিনি সকালে এক মুঠি চাল বা চারটি পয়সা সখোনে রাখা হতো। পঞ্চায়তে এ ‘তোলা’ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতো। এ তোলা দয়িে মসজদি-মক্তবকে সাহায্য করা হতো ও রায়টরে খরচ চলতো।
এখন এ রায়ট ও রায়টরে খরচ সর্ম্পকে কছিু বলা যতেে পার।ে ১৯২৯ সাল থকেে ঢাকায় দাঙ্গার প্রকোপ শুরু হয়ছেলি। রায়ট শুরু হল,ে পঞ্চায়তেরে র্সদার তাঁর মহল্লার সব হন্দিুকে বলতনে বাড়ি থকেে না বরেুত।ে র্সদার মহল্লা রক্ষা ও মুসলমানদরে র্শৌয প্রকাশরে জন্য লোক রাখতনে। ধরা যাক ‘ক’ মহল্লার দু’জন মারা গছেনে। তখন ‘ক’ মহল্লার র্সদাররে দায়ত্বি ছলি অন্য এলাকার দু’জন কময়িে দয়ো। মহল্লার কউে নহিত হলে তার সমস্ত দায়দায়ত্বি নতিনে র্সদার। দাঙ্গা যে করব,ে র্সদাররে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উৎসাহে সে বরেয়িে পড়তো সাইকলে নয়িে এবং ফরিে এসে বলতো ‘পুরা হো গয়িা’। র্অথাৎ সংখ্যা সাম্য ফরিয়িে আনা গছে।ে তবে এ দাঙ্গার সময়, কউে কারো বাড়রি ভতের ঢুকতো না, সম্পত্তি দখল করতো না। রাস্তায় পলেে শুধু বধ করা হতো। তবে নাছরি আহমদরে মত,ে এসব দাঙ্গার প্রায় ক্ষত্রেে নহিত হতো ফরেঅিলারা। ঢাকায় তখন ফরেঅিলার র্স্বণযুগ। তারা বভিন্নি মহল্লায় নয়িমতি ফরেি করতো। দাঙ্গার সময় না জনেে শুনে অনকেে বভিন্নি মহল্লায় পা দয়িে ফৌত হয়ে যতেো। তাঁর মত,ে ‘দাঙ্গার সময় এ ধরনরে র্কাযকলাপ ছলি মুসলমানদরে আধপিত্য বস্তিাররে মনস্তত্ত্বÑ যে তোমার (হন্দিু) দাপট আমি মানি না। দাপট আমারও আছ।ে’
এ রায়টে নহিত ও ধৃত ব্যক্তদিরে মামলা মোকদ্দমার খরচ চালাতো পঞ্চায়তে এ তোলা ব্যবস্থার মাধ্যম।ে এ সময় মুসলমানদরে হয়ে মামলায় লড়তনে প্রধানত তনিজনÑ এ কে ফজলুল হক, আবু হোসনে সরকার এবং রজোই করমি। তাঁদরে বভিন্নি রকমরে ফসি ছলি। যমেন রজোই করমিরে দুশো টাকা। কন্তিু এ ধরনরে মামলায় তনিজনরে ফসি ছলি বাঁধাÑ বশি টাকা। এর বশেি না। এবং তারাও সানন্দে বশি টাকা নয়িে মামলা চালাতনে।
ঢাকা শহররে পঞ্চায়তে নয়িন্ত্রতি বভিন্নি মহল্লার আরকেটি অবদান আছে যা আমরা ভুলে গছে,ি তা হলো শহরে নতুন শক্ষিতি মধ্যবত্তিরে প্রতষ্ঠিায় সহায়তা করা। যে ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি সম্ভব হয়ছেলি তা হলো জায়গীর প্রথা। এটি আলাদা প্রসঙ্গ, তাই এখানে আর তা আলোচনা করা গলেো না। শুধু বলা যায়, প্রথম থকেে দরদ্রি মুসলমানরা পড়াশোনা করতে এসে কোথাও জায়গা না পয়েে বভিন্নি মহল্লায় আশ্রয় নতিনে। মহল্লার দরদ্রি অধবিাসীরাই এদরে হাত বাড়য়িে টনেে নয়িছেলিনে। জায়গীরে থকেে পড়াশোনা করে এরা ঢাকার মধ্যবত্তি পশোজীবী সমাজরে পত্তন করছেলিনে।
স্বাভাবকিভাবইে পঞ্চায়তে প্রথা লুপ্ত হয়ে গছে।ে তব,ে গত শতকরে শষেরে দকিে কছিু মহল্লায় আবার তা প্রচলনরে উদ্যোগ নয়ো হয়ছেলি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


