১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্থানকে সমর্থন করে। কিন্তু সাবেক প্রেসিডেন্ট এফ কেনেডির ছোট ভাই এডওয়ার্ড কেনেডি সিনেটর হিসেবে সরকারের মতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমর্থন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের নয়মাসে তিনি বাংলাদেশের পক্ষে (যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধেও বলা যায়) সাহসী মনোভাব নিয়ে ১২টি কড়া বিবৃতিও প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, পূর্ববঙ্গে সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে। পাকিস্থানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দুষ্কর্মে সহযোগিতার চেয়ে কম নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
যুদ্ধ শুরু হবার পর আগষ্ট মাসে তিনি পশ্চিম বাংলায় এসে বাংলাদেশি উদ্ধাস্তুদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। সেসময় তিনি বাংলাদেশেও আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অনুমতি পাননি। বাংলাদেশের মানুষের জন্য মানবিক সাহায্য করতে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে নানা তৎপরতায় অংশ নিয়েছেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরপরই তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন।
গত মঙ্গলবার রাতে তিনি তার নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি ৭ বছর ধরে ব্রেন ক্যান্সারে ভুগছিলেন।
১৯৬২ সাল থেকে তিনি পরপর ৭ বার সিনেটর নির্বাচিত হন, মার্কিন ইতিহাসে যা নজিরবিহীন। গত ১২ আগষ্ট তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক 'দি প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম' এ ভূষিত করা হয়।
তার মৃত্যুতে অন্যান্য বিশ্বনেতৃবৃন্দের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শোকবার্তা প্রকাশ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে তার সমর্থন ও জনমত গঠনে ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি তার শোকবার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ তার অবদান চিরদিন স্মরণ রাখবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



