আমার প্রিয় পোস্ট
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- দূর্বোধ্য - মাহবুবুল আলম লীংকন
- ব্লগারদের নিজ নিজ জেলা (সর্বশেষ আপডেট) - পুরাতন
- শুভ জন্মদিন : মাহবুবুল আলম লীংকন - কিংশুক০০৭
- মেডিটেশন এবং আমার কথা - মাহবুবুল আলম লীংকন
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ছোটবেলার গান - অপ্সরা
- নীরবতা - কালপুরুষ
- উকুন বাছা দিন। ০১। ফসিল - মাহবুব লীলেন
- অন্তিম এক স্নানের আশায় সারা জীবন নোংরা হলাম - অশোক দেব
- কলেজের দিনগুলো - নুশেরা
"...কোন মানুষকেই তার কাজের জন্য বেশি প্রশংসা বা বেশি নিন্দা করা উচিত নয়। কারণ আমরা সকলেই অবস্থা, পরিবেশ, শিক্ষা, অভ্যাস, বংশগত ধারা ইত্যাদির উপর নির্ভরশীল..." -Lincoln

মেডিটেশন এবং আমার কথা
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
মেডিটেশন নিয়ে আমার আগ্রহ বরাবরের। ক্লাস নাইন -এ পড়ার সময় বিদ্যুৎ মিত্রের “আত্মসম্মোহন” বইটি হাতে পাই, মনে হল আলাদিনের চেরাগ পেয়েছি। ধীরে ধীরে বুঝতে পারি দিল্লী বহুদূর। নিরলস চর্চা আর সীমাহীন ধৈয্যের বিকল্প নেই। তারপরও বইটি যথেষ্ট কার্যকরি। এটা নিশ্চিত। “সিলভা মেথড”-এর বই-পুস্তক পড়ে মনে হল সামান্য হেরফের ছাড়া এটাও প্রায় একই জিনিস। “আত্মসম্মোহন” বইটি অনেকটাই সিলভা মেথডের অনুকরনেই লেখা। ইন্ডিয়ান একটা বই দেখলাম। মূলসুর আসলে একই। “নিজের সাথে নিজের কথা বলা।” মহাজাতকের “কোয়ান্টাম মেথড” (প্রায় একই জিনিস) বইটি হাতে পেয়ে আরো আহলাদিত হলাম। আগ্রহের অতিশয্যে কোর্সও করে ফেললাম। আমি কিন্তু উপকার পেয়েছি। পাশাপাশি ইতিবাচক-নেতিবাচক মতামতও পেয়েছি। যারা কোর্সটি করেছেন, শেষ পর্যায়ের ‘মাইন্ড গেম’ নামের মেডিটেশনটি তাদের সবাইকে হতভম্ব করে দিয়েছে। আরো একটা বিষয়, একটা মেডিটেশন আছে যেখানে শিক্ষার্থীদের মেডিটেটেড লেভেলে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০ বছর.. ১০.. বছর.. ৫ বছর... এমনি করে শিশু বানিয়ে মায়ের কোলে চলে যেতে বলা হয়। ..এখানেও মজার ঘটনা ঘটে। হল ভর্তি শিক্ষনার্থীরা ডুকরে কেঁদে ওঠেন। বড়ই আজব। সেই কান্না তারা সচেতন অবস্থায় ফিরে এসেও থামাতে পারে না। বড়ই হৃদয় বিদারক। মেয়েদের হেঁচকি সামলে উঠতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। হলের পরিবেশ থমথম করতে থাকে।
আমরা মেডিটেশন সম্পর্কে অনেকেই জানি। অনেকে আছেন খুবই ভাল জানেন। তাদের কাছে লেখাটাকে আজাইরা প্যাঁচাল বা জাবর কাটাকাটি ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না।
যারা মূলত বিগিনার এবং মেডিটেশন বিশেষতঃ শিথিলায়ন নিয়মিত চর্চা করতে চান বেসিক্যালি তাদের জন্য আমার এই নিবেদন। তাত্ত্বিক দিক নিয়ে বেশি আলোচনা না করাই ভাল। এতে পারফর্মেন্স কনসাশনেস চলে আসে। 'হল কী হল না। পারলাম কী পারলাম না', এসব। মনের মধ্যে একটা খুঁতখুতানি রয়েই যায়। তারচেয়ে সরাসরি চর্চায় চলে যাওয়াই ভাল মনে হয়েছে আমার কাছে।
মূল লেখাটি ইংরেজিতে যাবে। আমার মনে হয়েছে ইংরেজিতেই লেখাটির অনুধাবন অনেক সহজ হবে। আমার ধারনা ভুলও হতে পারে।
আমি রিলাক্সেশন বা শিথিলায়নটাই এখানে আলাপ করলাম। আমার মজার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলছি। আমার বস ইঞ্জিনিয়ার মি. রহমান একদিন বললেন আপনার মেডিটেশন ব্যাপারটা কী বলেনতো। আমি তেমন কিছু বলতে পারলাম না। তিনি বললেন আচ্ছা একদিন বাসায় আসেন। গেলাম। তিনি বললেন, এখন বলুন। আমি বললাম, স্যার আপনি সময় করে একদিন একটা সেশন দিয়ে দেখেন। বুঝিয়ে তেমন কিছু বলতে পারবো না। তিনি বললেন এখনই করি। বলেন কী করতে হবে।
তিনি আমার কথায় টানটান হয়ে শুয়ে পরলেন। মিনিট পাঁচেক পরে আমি বললাম, স্যার আমাকে শুনতে পাচ্ছেন। কোন সাড়াশব্দ নেই। স্যার আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন? কোন সাড়াশব্দ নেই। ইতোমধ্যে ভাবী, তার দু'মেয়ে হাজির। আমাদের ফিসফিসানিতে স্যার নড়েচড়ে উঠলেন। ঘোর লাগা চোখে চারদিক তাকালেন। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বিরক্তি নিয়ে বললেন, আপনি বড় বেশি বকবক করেন।
ভাবী চা দিতে দিতে বললেন, লিংকন, আপনি জাদু-ফাদু জানেন নাকি। এই কঠিন চিজ আপনার এক কথায় একেবারে চিৎপটাং! আমার রাশভারী বস হো হো করে হেসে দিলেন।
মূল বিষয়টা দম গণনা। শুয়ে পরুন। বসেও করতে পারেন। তবে সটান শুয়ে পরলে ভাল হবে। চোখ বন্ধ করুন। দম গণনা করুন। আর কিছুই না। সত্যি! আপনাকে আর কিছুই করতে হবে না। তারাহুরা করবেন না, অস্থির হবেন না। স্নায়ু আপনি শান্ত হয়ে আসবে। মনের বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলি এমনি বশে আসবে। বাড়তি কিছু করতে হবে না।
আমার প্রথম সেশনে আমি আটচল্লিশ বার দম গণনা করতে পেরেছিলাম। আমি অন্যদের কাউকে কাউকে করিয়েছি। তাদের মধ্যে কেউই অষ্টাশিবারের বেশি গুনতে পারেননি। আমি তাদের জিজ্ঞেস করেছি আর কেন দম গণনা করেননি। তাদের জবাব মোটামুটি একই। "আর গুনতে ইচ্ছে করে না"। "আর কিছুই করতে ভাল্লাগে না"। "ঐ অবস্থায় থাকতেই ভালো লাগে।" কেউ কেউ দিব্বি আরামে নাম ডেকে ঘুমিয়েছেন।
প্যাঁচাল অনেক হয়েছে। এবার শুরু করি। বলে রাখি এটা কিন্ত কোয়ান্টাম মেথড, সিলভা মেথড বা আত্মসম্মোহন বই থেকে নেয়া নয়। তবে ঐ যে বললাম, মূলসুর কিন্তু একই।
আপনি বিশ্বাস করুন চাই নাই করুন; এখনই একবার পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
“If it is just to reduce stress and help with hypertension and not for self realization, nirvana, or other spiritual quest, all that you need is to sit quietly in any comfortable posture, close the eyes and just be aware of your breath going in and out. Do not attempt to control it, hold it in or any such practice. Just be aware. Curiously, after a few days the breathing becomes longer, and gentler. Do not attempt to control your thoughts either. They will themselves slow down. Five minutes at a sitting twice a day is ample. If you feel extravagant raise to eight minutes. Do not feel guilty missing a few sessions if it happens so.”
(মূল বিষয়টা দম গণনা। নিরিবিলি একটা পরিবেশ বেছে নিন। শুয়ে পরুন। বসেও করতে পারেন। তবে সটান শুয়ে করলে ভাল হবে। চোখ বন্ধ করুন। দম গণনা করুন। আর কিছুই না। সত্যি! আপনাকে আর কিছুই করতে হবে না। তারাহুরা করবেন না, অস্থির হবেন না। স্নায়ু নিজে নিজেই শান্ত হয়ে আসবে। মনের বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলি এমনি এমনি দূর হয়ে যাবে। মনে প্রশান্তিভাব আসবে। বাড়তি কিছু করতে হবে না। কোন কিছুই নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করবেন না। না দম, না চিন্তা। শুধু দমের আসা যাওয়া খেয়াল করুন বা অনুভব করুন। মনের চোখটা নাকের ডগায় রাখুন। দম স্বাভাবিক আসা-যাওয়া করবে। যদি আপনার শ্বাস-প্রঃশ্বাস দ্রুত হয় হোক। যদি ধীর হয় হোক। কোন ক্ষতি নেই। এ নিয়ে চিন্তিত হবেন না। আপনি চোখ বুজে দম গণনা করতে থাকুন। আর একটা কথা -হবে কি হবে না, পারবো কি পারবো না বা হচ্ছে কি হচ্ছে না, পারলাম কি পারলাম না -এসব চিন্তা একদম করবেন না। পাঁচ মিনিটের সেশন, প্রতিদিন দু'বার করবেন। বেশিও করতে পারেন। পড়া মাত্রই একবার পরীক্ষা করে দেখুন)।
এবার শুয়ে পড়ুন। সটান ![]()
(ঘুমিয়ে পড়লে আমাকে দোষারোপ করবেন না)
হেপি মেডিটেশন।
(ইংরেজিতে লেখাটুকু ইউনুস খানের একটা পোস্টে মন্তব্য আকারে দিয়েছিলাম)।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নুশেরা বলেছেন:
বাহ্, চমৎকার গোছানো একটা লেখা মেডিটেশনের ওপর। থিয়োরির চেয়ে প্র্যাকটিসে আস্থাটা ভাল লাগল। দেখব তো একটা চেষ্টা দিয়ে।
লেখক বলেছেন:
দেখুন। সত্যি, কার্যকর মনে হয়েছে আমার কাছে। পোস্ট কিন্তু দিলাম একটা। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাকসুদ। ফলাফল জানাবেন কিন্তু।
লেখক বলেছেন: হা হা কিংশুক০০৭। পোস্টাইলামতো। মারেন ট্যারাই। ফলাফল জানাইয়েন।
লেখক বলেছেন: পড়লাম। যুক্তির ইটগুলি চমৎকার গেঁথেছেন। খুবই ভাল লেগেছে।
মেডিটিশন খুব scientific। সবার ই মেডিটিশন করা উচিত।
FOR KNOWING THYSELF.
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন। আলসেমী লাগে। 'লীংকন মেথড'
পরীক্ষা করে দেখেন। ফি লাগবে না। ![]()
নুশেরা বলেছেন:
মেডিটেশন বাদ দিয়া ব্লগে ঘুরতেছেন, ঘটনা কী?
লেখক বলেছেন: বস একটা! নিচে তাকান না।
ফলাফল: কয়বার কাউন্ট করতে পারছিলাম ঠিক মনে নাই । সম্ভবত ১৮ থেকে ২০ বার হতে পারে ।
নুতন কিছু আছে ।
লেখক বলেছেন: আছে। নুতন অনেক কিছুই আছে।
অপ্সরা বলেছেন:
আমি মেডিটেশনে বিশ্বাসী। শান্তিনগরের কোয়ান্টাম মেথড সেন্টারে মেডিটেশনের অভিগ্গতা আছে।
লেখক বলেছেন: সতীর্থ পেলাম একজন।
লেখক বলেছেন: আরিফুর রহমার আপনাকে ধন্যবাদ। মেডিটেশন আমাকেও অনেক সাহায্য করে।
অিনেকত বলেছেন:
প্রাকটিস করতে এতো আলসেমী লাগে, আর সময় বের করাটাও একটা সমস্যা ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সত্যি বলেছেন। আলসেমী লাগে। আমি বসে চর্চা করি। ঘুমাতে যাওয়ার আগে আর ঘুম থেকে জেগে। ১৫ মি কেটে যায়।
ধূমকেতু বলেছেন:
মাঝে মধ্যে ভালই লাগে।
লেখক বলেছেন: সব সময় ভাল লাগলে দারুন হত; তাই না? ধন্যবাদ ধূমকেতু।
লেখক বলেছেন: আপনিতো লাপাত্তা। ইন্টারেস্টিং জিনিসতো ইন্টারেস্টিং লাগবেই। :-) দেখুন চেষ্টা করে।
আমি ভাল আছি।
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
আমার জন্য বেশি প্রযোজ্য, একেবারে বটিকা ইন্ডিকা !!
লেখক বলেছেন: দু'একটা সেশন দিয়ে দেখতে পারেন। শিথিলায়নের আনন্দ কিছুটা হলেও পাওয়ার কথা। ![]()
ত্রিভুজ বলেছেন:
কোর্স করার আগে আমি প্রায় পাঁচ বছর প্রাকটিস করেছিলাম... কোর্স করে বুঝতে পারলাম এই জিনিষ কোর্স ছাড়া এমনি এমনি পুরেপুরি বুঝা কঠিন...ভাল লেখা...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমিও তাই মনে করি। বিদ্যেটা গুরুমুখি। স্পষ্ট ধারনা ছাড়া সফল হওয়া কঠিন। তাই কোর্স করার বিকল্প সত্যি নেই।
অপ্সরা বলেছেন:
তোমার খবর আছে লীংকন।লিংক দাও অন্যকে অথচ নিজে দেখোনা কেমন হয়েছে আমার কাজ টা না, তাইনা? অবশ্য আজকে নিশ্চিত হলাম লীংকন নামের রহস্য কি।
লেখক বলেছেন: হাহাহ, লিংক ফেরী করি তাই লীংকন। দেখো না, ঘুরে এসেছিতো, গিয়ে ছিলাম তোমার ব্লগে।
পাপী বলেছেন:
দম গণনা করমু ক্যাম্নে? ডিটেইলস কইলে বালা হয়। ব্রিদিং কন্ট্রোল নামে একটা টেকনিক শুনছিলাম। এইটাই কি সেইটা?
লেখক বলেছেন: কোন কন্ট্রোল-ফন্ট্রোল নেই। শুধুই দম গননা (কুম্ভক-রেচক টাইপ কিছু না)। চোখ থাকবে বন্ধ। বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করছি।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারক। ![]()
লেট, না?
লেখক বলেছেন: ভাবছিলাম সুস্থ হয়ে আপনার জবাবটা লিখব। মনে হচ্ছে ২/৩ লাগবে। গ্রামে সচারচর যাওয়া হয় না। হ্যাঁ, ওরা সবাই ভাল আছে। আজকের বিশেষ খবর হল মেয়ে আমার জাম্বুরা খাইছে ১৮ কোষ।![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন:
ভুল-ত্রুটি থাকলে বলেন। এডিট করে দিই।
শাওন বলেছেন:
আমার ছোট মামা নিয়মিত সকালে দেখি মেডিটেশন করেন আর আমাদের মানে ভাগ্নে ভাগ্নি যে কয়টা আছে সব কয়টাকে উৎসাহ দেন । আর আমার ছোট মামার প্ড়ি বাড়ীর এমন কেও নেই যে বিরক্ত । আপনার লেখাটা বেশ গোছানো । ভালো লাগল ।
লেখক বলেছেন: ![]()
বেশি চিপরাইলে তিতা লাগবেই।
আমাকেও পরিচিত পরিবেশ থেকে উল্টা-পাল্টা মন্তব্য শুনতে হয়েছে। কেউ ভাল লাগার কথা বললে আমারও খুব ভাল লাগে।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। আমি ও আমার পরিবারের সদস্য "কোয়ান্টাম মেথড" কোর্স করেছি। ১৬৫তম ব্যাচ। উপকার অবশ্যই পেয়েছি। বিশ্বাস করে যারা একবার এই কোর্স করবে তারাই বুঝতে পারবে এতে উপকার কতটা। যুক্তি/তর্ক দিয়ে মেডিটেশন কী সেটা সহজে বোঝানো যাবেনা।
লেখক বলেছেন: আমিও "কোয়ান্টাম মেথড" কোর্সই করেছি। ব্যাচ বোধহয় ১২৫। সেলের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারি না। আমার স্ত্রী কোর্স করেনি। তবে সে শিখে নিয়েছে। বাকিটা সহমত।
ধন্যবাদ কালপুরুষ।
প্রচেত্য বলেছেন:
ভাই বিদপে পড়িনাই তো !
লেখক বলেছেন: ![]()
না, না। বিদপে পড়েন নাই। ![]()
লেখক বলেছেন: বলেন কবে চান।
লেখক বলেছেন: আজ না। পড়তেই ভাল লাগে। টাইপ করতে ইচ্ছা করে না। আর আমার দৌড়, বোঝেনইতো। চাইলেই পোস্টাইতে পারি না।
নুশেরা বলেছেন:
ঠিক কোন্ সময়টায় থাকতে পারব নিশ্চিত না, তবে সময় সময় থাকব, এটা শিওর!!! (তার উপর যে খবর দিলেন... এত বিরাট সম্মান, ভাবাই যায়না)
লেখক বলেছেন: আমিতো এভাবেই ভেবে আসছি।
বিএসটি ০৪ পিএম?
নুশেরা বলেছেন:
আপনার বিকেল চারটা মানে আমার রাত ন'টা। ওক্কে বস!
লেখক বলেছেন: পাক্কা; ম্যাম!!
লেখক বলেছেন: লেট। বড়ই স্লো টাইপিং।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আপনার লেখাটা আগেই পড়েছি, কমেন্ট করতে গেলেই দেখি লগ ইন নাই, তাই আর করা হয় না। আমিও কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করেছি, ২৪২ ব্যাচ। প্রতিমাসের প্রথম বুধবার প্রজ্ঞার মেডিটেশন হয় সেটাতে এবং আলোকায়নে যাবার চেষ্টা করি।
লেখক বলেছেন: সেলের সাথে আমি যোগাযোগ রাখতে পারছি না। নিয়মিত চিঠিপত্র, ফোন পাই। যেতে পারি না। ভাল লাগছে, আমাদের অনেকেরই মেডিটেশন সম্পর্কে খুবই ইতিবাচক মনোভাব। অনেকে চর্চাও করেন নিয়োমিত।
ভাল থাকবেন।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
নিয়মিত চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নিয়মিত তিনবেলা খাদ্য গ্রহণ যেমন দেহকে সুস্থ রাখে, তেমনি নিয়মিত দুবেলা মেডিটেশন মনকে প্রশান্ত এবং সুস্থ রাখে। আপনিও ভাল থাকবেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রাবনসন্ধ্যা। আপনি যথার্থ বলেছেন। সহমত।
পারভীন রহমান বলেছেন:
একটা মেডিটেশন আছে যেখানে শিক্ষার্থীদের মেডিটেটেড লেভেলে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০ বছর.. ১০.. বছর.. ৫ বছর... এমনি করে শিশু বানিয়ে মায়ের কোলে চলে যেতে বলা হয়। ..এখানেও মজার ঘটনা ঘটে। হল ভর্তি শিক্ষনার্থীরা ডুকরে কেঁদে ওঠেন। বড়ই আজব। সেই কান্না তারা সচেতন অবস্থায় ফিরে এসেও থামাতে পারে না। বড়ই হৃদয় বিদারক। মেয়েদের হেঁচকি সামলে উঠতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। হলের পরিবেশ থমথম করতে থাকে।কি এমন করানো হয় যে কান্না করে সবাই?
ভয় লাগছেতো শুনে কারণ আমিও মেডিটেশ ন করার প্লান করেছি।
আপনার সাথে কথা বলতে চাইছি, সম্ভব?
লেখক বলেছেন:
নির্ভয়ে কোর্স করে ফেলুন। কান্নাকে ভয়ের কিছু নেই। ওটা প্রশান্তিময় একটা অভিজ্ঞতা। আপাতত ডাক্তারের পরামর্শে কথা বন্ধ রাখতে হয়েছে। Click This Link । পরে দেখা যাক।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
চমৎকার লিংকন।এ ধরনের একটি পোষ্টের অপেক্ষায় ছিলাম।
ব্লগে বেশ কদিন মেডিটেশন নিয়ে নানা বিভ্রান্তি দেখেছি।
৭/৮ বছর ধরে জেনেছি মেডিটেশনের উপকার অনেক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রন্টি চৌধুরী। মেডিটেশন নিয়ে বিভ্রান্তির কিছু নেই। আপনার সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন:
সাধারণত বিগিনারদের বেলায় যে সমস্যাটা লক্ষ্য করেছি তা হল, মেডিটেশনের শুরুতে তাদের মধ্যে একটা অস্থিরতা কাজ করে। কখন কী ঘটে কিভাবে ঘটে সেই দিকে নজরটা বেশি থাকে। মাথায় বিচিত্র চিন্তা আসে বা আসবে। তাতে কোন ক্ষতি নেই। ধৈর্য না হারিয়ে দম গুনে গেলেই এক লেভেল থেকে আর এক লেভেলে যাওয়ার ব্যাপারটা বুঝা যাবে।
প্রাথমিক অস্থিরতা কাটিয়ে মেডিটেশনের মূল আনন্দ পেতে কয়েকটা সেশন নিতে হতে পারে।
মাইন্ড গেমের ব্যাপারটা সত্য। অজানা অচেনা লোক সম্পর্কে বলা যায়। রোগ নিরাময়ও সম্ভব। এবং স্বাভাবিক। এটা নির্ভর করবে সাধনার উপর। কে কতটা গভীরে যেতে পারলো তার উপর। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
পাপী বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: আপনার ফেসবুকের সেরা ট্রিক কাজ দিয়েছে খুব। ![]()
মোঃ ইউসুফ তালুকদার বলেছেন:
++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, পড়ার জন্য। অনেকদিন ব্লগে ডুকি না।
কাজী তানভীর আহমেদ বলেছেন:
মহাজাতকের কোয়ান্টাম মেথড বই পড়ে এবং সিডি শুনে আমি ১৯৯৩ সালে প্রথম আগ্রহী হয়ে উঠি মেডিটেশন সম্বন্ধে, আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি এই মেডিটেশন প্রতিটি মানুষের জন্য একটি জরুরী বিষয়।
লেখক বলেছেন: সম্ভব হলে একটা কোর্স করুন। ধন্যবাদ।
শাহ্ ফখরুল ইসলাম আলোক বলেছেন:
খুব সুন্দর করে এবং গুছিয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন গ্রহণ করুন।
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ইমরান ভাই বলেছেন:
আমার কাছে খুব ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
শেষ বিকালে বলেছেন:
৫০ পর্যন্ত গননার পর কখন ১ এ এসেছিলাম জানিনা। আবার ৫১ থেকে শুরু করি। পরবর্তী ১০ পর্যন্ত গননার পর আবার ভুল হয়। আবারও শুরু করি। আবারও ভুল হয়। পরে উঠে ব্লগে বাকিটুকু পড়ি। অনেক ভাল লাগলো। আরো কিছু পোষ্ট দিলে ভাল লাগবে।
লেখক বলেছেন: হাহাহা। শুয়ে করলে অনেক সময় ঘুম চলে আসে। বসে করতে পারেন। এখানে শুধু রিলাক্সেশনটা নিয়ে লিখেছিলাম। পরবর্তী ধাপগুলি নিয়ে আরো কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল। বিভিন্ন কারণে হয়ে ওঠেনি। লিখবো আশাকরি। ধন্যবাদ আপনাকে।
মোঃ ইউসুফ তালুকদার বলেছেন:
আমি ৩৩৬ ব্যাচে কোর্স করেছি। শেকর আলহামদুলিল্লাহ
বিভ্রান্ত নাবিক বলেছেন:
ভাই কোথায় গেলে এই কোর্স করতে পারবো ? চারিদিকে ভুয়া আর ভেজাল । আসল ঠিকানাটা দিবেন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















