আগে এই ধারনা ছিল যে পৃথিবী স্থির এবং centre of the universe আর সূর্য ও চন্দ্র একে কেন্দ্র করে ঘুরতো।In 1512, কোপার্নিকাস বলেন সূর্য স্থির এবং সৌ্রজগতের কেন্দ্র আর গ্রহ গুলো একে কেন্দ্র করে ঘুরে।১৬০৯ খ্রি এ কেপলার আবিস্কার করেন
not only do the planets move in
elliptical orbits around the sun, they also rotate
upon their axes at irregular speeds.
সূর্যকে তখনো স্থির ভাবা হত।
“It is He Who created
the Night and the Day,
and the sun and the moon:
All (the celestial bodies)
swim along, each in its
rounded course.”
Al-Qur’an 21:33
এখানে যে আরবি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে সেটা হচ্ছে yasbahoon যেটা এসেছে আরবি sabaha
থেকে (নেট এ Arabic dictionary থেকে এর meanings দেখে নিতে পারেন)। এটা দ্বারা বুঝায়
motion that
comes from any moving body.
if you use the word yasbah for a celestial body such as the sun, it would not only mean that it is flying through space but would also mean that it is rotating as it goes through space
তার মানে সূর্য তার অক্ষে ঘুরার সাথে সাথে নিজের অক্ষেও ঘুরে যা আমরা বিজ্ঞানের মাধ্যমে ১০০ বছর আগে জানতে পারলাম।কিন্ত কোরআন তা বলেছে ১৪০০ বছর আগে।কোরআন originally আরবিতে লেখা।তাই এর বাংলা অর্থ দেখেই ভুল ধরা টা ঠিক না। আগে জানতে হবে আরবি তে যে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে তার অর্থ গুলো কি then dicision নেয়া উচিত।কারন কোন কোন আরবি শব্দ এর কয়েকটা অর্থ আছে এবং বিভিন্ন অনুবাদক তা থেকে যেকোনো একটা ওয়ার্ড নিয়েছেন। হয়তো প্রশ্ন করবেন কেন। কারন টা হচ্ছে কিছু কিছু অনুবাদক কোনটা উপযুক্ত অনুবাদ তা না ভেবেই অনুবাদ করেছে এসব ক্ষেত্রে। তাই এসব confusion সৃষ্টি হয়েছিল।
এখন কোরআনের একটি আয়াতের আনুবাদ দেখে যদি ভুল প্রমানিত হয় তখন এর ২ টি কারন থাকতে পারে।
১)আনুবাদক উপযুক্ত ভাবে এর আনুবাদ করতে পারেন নি অথবা ভুল অনুবাদ করেছেন।
২)প্রকৃ্তপক্ষে এটা কোরআনে ভুল লেখা আছে, মানে কোরআন ভুল এক্ষেত্রে।
তাই প্রথমে যে শব্দগুলো আয়াত টিতে ব্যবহার করা হয়েছে আরবি ডিকশেনারি থেকে তার অর্থগুলো দেখে নিয়ে বুঝতে হবে।যদি আয়াতটিতে ব্যবহারিত শব্দগুলোর কয়েকটি আনুবাদ থাকে তখন ঐ শব্দার্থগুলো বসিয়ে দেখতে হবে তখন আয়াতটির অর্থ ভুল মনে হয় কিনা।যদি নাহয় তখন বুঝতে হবে এটাই আয়াতটির উপযুক্ত অনুবাদ।অর্থাৎ অনুবাদক উপযুক্ত অনুবাদ করতে ব্যার্থ হয়ছিলেন।
যদি অনুবাদক সঠিক প্রমানিত হন অর্থাৎ অনুবাদ আগের মতই থাকে তখন বুঝতে হবে কোরআন ভুল।
তাই কোরআনের আয়াতের ব্যাখা করা এবং কোরআনের সমালচোনা করতে হলে কোরআনের যে ভাষায় লেখা অর্থাৎ আরবি ভাষা সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকা উচিত। এটা ছারা কোরআনের ভুল ধরতে যাওয়া বোকামি এবং ভন্ডামি ছারা র কিছু নয়।
অনেকে হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন কোরআনকে বলা হয় সার্বজনিন জীবনবিধান।তাহলে এই জীবনবিধান মেনে চলার জন্য আরবি ভাষায় দখল থাকতে হবে অথবা আরবি ভষা শিখতে হবে কিনা।তাহলে এটা সার্বজনিন হয় কিভাবে? উত্তর হচ্ছে, না, জীবনবিধান হিসেবে কোরাআনকে অনুসরন করতে আরবি শিখতে হবে না।একজন মানুষের জীবন যাপনের জন্য যা কোরআনে লেখা আছে, নির্দেশিত আছে তা খুব সরল এবং সোজা ভাবেই লেখা আছে। সেসব বুঝতে কোনো কষ্ট হয়না। কোরআনের কিছু আয়াত আছে যেসব সাংকেতিক অর্থ বহন করে। এসব আয়াত কোরআনের মাহাত্ম প্রকাশ করে এবং এসবের অর্থ আল্লাহ ই সবচেয়ে ভাল জানেন।এসব আয়াত কোরআনের বিশ্বাসীদের জীবন যাপনের জন্য কোনো প্রয়োজন নেই।এসব আয়াত দ্বারা তারা কোরআনের মাহাত্ম বুঝতে পারবে। অবিশ্বাসী্রাই এসব আয়াত নিয়ে মেতে থাকবে এবং ভুল বের করার চেষ্টা করবে।কিন্তু তারা সফল হবে না।সফল হতে না পেরে তারা এর প্রতি আক্রশ এবং বিদ্রুপ করবে অযথা। কিন্তু এরা নিজের অজান্তেই ইসলাম এবং কোরআনের উপকার করবে। কারন তারা যত এসব নিয়ে লাফালাফি করবে ততো কোরআন নিয়ে গবেষনা হবে।ততো এর মাহাত্ম প্রকাশ পাবে।আমুসলিমরা কোরআন সম্পরকে আগ্রহি হবে,জানতে চাইবে ইসলাম সম্পরকে। ঠিক এই কারনেই পশ্চিমা বিশ্বে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করছে আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ। ইসলামের শত্রুরা যত বেশি ইসলামের ক্ষতি করতে চাইবে,যতই একে ধ্বংস করতে পরিকল্পনা করবে ততোই এর লাভ হবে। কারন, আল্লাহ ই ইসলাম এবং কোরআনের রক্ষক এবং তিনি উত্তম পরিকল্পনাকারি। এ সম্পর্কে কোরআনে বলা আছে
He it is Who has sent down to thee the Book: In it are verses basic or fundamental (of established meaning); they are the foundation of the Book: others are allegorical. But those in whose hearts is perversity follow the part thereof that is allegorical, seeking discord, and searching for its hidden meanings, but no one knows its hidden meanings except Allah. And those who are firmly grounded in knowledge say: "We believe in the Book; the whole of it is from our Lord:" and none will grasp the Message except men of understanding. [আলে ইমরান (৬-৭)]
তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



