এই ভাবেই এরা হরতালের মতো একটা গণতান্ত্রিক হাতিয়াররে পরিণত করছে গোষ্ঠীতান্ত্রিক/ব্যাক্তিতান্ত্রিক হাতিয়ারে। অন্যসব হাতিয়ারের মতই গণতান্ত্রিক হাতিয়ার হরতাল ব্যাবহারেরও লাইসেন্স লাগে---- না, এই লাইসেন্স রাষ্ট্র দেয় না, এই লাইসেন্স লইতে হয় জনগণের কাছ থেইকা, জনগণের প্রয়োজনে আন্দোলন সংগ্রাম করার মধ্যে দিয়া। কোন বিশেষ জরুরী ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণত আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়, জনগণের পক্ষে কোন দাবী আদায়ের জন্য মিটিং, মিছিল, সভা-সেমিনার, ঘেরাও ইত্যাদি সমস্ত প্রকৃয়ার মধ্যে দিয়া যাওয়ার পরও যখন দেখা যায় শাসক দল দাবী দাওয়া মানতেছে না, তখন লাইসেন্স পাওয়া যায় হরতাল ব্যাবহারের। সেই হরতাল স্বতস্ফুর্ত ভাবে মাইনা চলে তখন জনগন। বাসে-ট্রাকে পেট্রল বোমা মাইরা, আগুন জ্বালায় ত্রাস সৃষ্টি কইরা তখন আর হরতাল পালন করানো দরকার পরে না।
কিন্তু আমাগো দেশের শাসক শ্রেণীর দলগুলা(আওয়ামি লিগ, বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টি) হরতালের মতো দুর্দান্ত একটা হাতিয়াররে আন্দোলনের ধারাবাহিকতার বাইরে হুট হাট ব্যাক্তি/গোষ্ঠীর স্বার্থে, স্রেফ ক্ষমতায় যাওয়ার স্বার্থে আজাইরা ব্যাবহার কইরা একবারে ভোতা কইরা ফালাইছে। এমন একটা পরিস্থিতি তৈরী করছে এরা যে এখন জনগণের সত্যিকারের দাবী-দাওয়া নিয়া হরতাল ডাকলেও সেইটা অজনপ্রিয় হওয়ার ঝুকিতে পইড়া যায়।
আমরা এই আজাইরা, অগণতান্ত্রিক বালের হরতাল বাতিল চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

