নাস্তিকতার ইতিকথা
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৮
ব্লগার নাস্তিকের ধর্মকথার এই পোস্টের ধারাবাহিকতায় ব্লগের নাস্তিকরা তাদের নাস্তিক হবার পেছনের কথা লিখে বেশ কিছু পোস্ট দিয়েছেন। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে এগুলো পড়েছি, কারন নাস্তিকদের যুক্তিমনষ্কতার যে মিথ রয়েছে, তার বাস্তবতায় নাস্তিক হয়ে ওঠার পথটাকে আমি দেখতে চাইছিলাম। সত্যি কথা বলতে গেলে আমার ইচ্ছে পূরন হয়নি। সেই অপূর্ণতার কথা জানাতেই এই পোস্ট।
একজন মানুষ হঠাৎ করেই নাস্তিক হয়ে ওঠেন না। এটা বেশ দীর্ঘ একটা প্রক্রিয়া। অনেকে অবশ্য এই দীর্ঘ পথে না হেটে শর্টকাটে বেহেশত পাবার আস্তিকিয় পথের মতো জাতে ওঠার সরল পথ হিসেবে নাস্তিকতার বেশ ধরেন। তাদের কথা ভিন্ন এবং তারা আমার আগ্রহের বিষয়ও নন। আমি যতটা বুঝেছি, নাস্তিক হয়ে ওঠার ধাপ মূলত দুটো।
প্রথম ধাপ, ধর্মের অসারতার ধারনা। অনেক নাস্তিকই প্রাথমিক জীবনে বেশ ধার্মিক আবহে বেড়ে উঠেছেন। নামাজ-রোজা বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে একনিষ্ঠ ছিলেন অনেকেই। কিন্তু তারা যখন ধর্ম সম্পর্কে জানতে শুরু করলেন ধর্মে অনেক অসঙ্গতি তাদের চোখে ধরা পড়লো। এই অসঙ্গতিগুলো স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রশ্নের জন্ম দিলো। এই প্রশ্নের উত্তর খোজার অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি। হয় তারা প্রশ্নগুলোর উত্তর খুজে পাননি অথবা আস্তিকেরা তাদের এই উত্তর খোজার প্রক্রিয়াটাকেই বারবার থামিয়ে দিতে চেয়েছে। ফলাফল যা হয়েছে তা হলো ধর্মের অসারতার ধারনা এবং ধর্ম বিদ্বেষ।
দ্বিতীয় ধাপ, স্রস্টার অস্তিত্বে সংশয়। এটা নাস্তিকতার খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং একই সাথে কনফিউজিং একটা ধাপ। ব্লগের নাস্তিকেরা একটা কথায় বেশ জোর দিয়েছেন যে বিশ্বাসের প্রয়োজন কেবল আস্তিকের নাস্তিকের নয়। কিন্তু একজন নাস্তিকেরও একটা মুলনীতিত আস্হা থাকে। তা হলো যৌক্তিক প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুকেই গ্রহন না করার ধারনা। এই মুলনীতির উপর দাড়িয়েই স্রস্টার অস্তিত্ব সম্পর্কে সংশয়ের শুরু। স্রস্টার অস্তিত্ব যেহেতু প্রমানিত নয় এটাকে স্বাভাবিকভাবেই একজন নাস্তিক মেনে নেন না। এরপর নিজেকে করা কিছুর প্রশ্নের মাধ্যমে তার এই সংশয়ের ভিত আরো দৃঢ় হয়। স্রষ্টা যদি থেকেই থাকে তাহলে পৃথিবীতে এত অসমতা কি থাকতে পারতো? স্রষ্টা যদি থাকবেনই আর তার সৃষ্টিকে ভালোবাসবেনই, তাহলে মানুষের এতো কষ্ট কেন? নিজেকে স্রষ্টার জায়গায় বসিয়ে একজন নাস্তিক এইসব প্রশ্নের একটাই যৌক্তিক উত্তর খুজে পান - তা হলো না।
এ পর্যন্ত পথটা বেশ মসৃন। একজন নাস্তিক যদি এখানে এসে থেমে যান তাহলে তিনি কোন সঙ্কটে পড়েন না। কিন্তু তিনি যদি আরো একটু এগুতে চান তাহলে কিছু মৌলিক প্রশ্নের উত্তর তাকে খুজতে হয়। যেমন - মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব। এ পর্যায়ে যৌক্তিক উত্তর খুজতে তাকে বিজ্ঞানের শরনাপন্ন হতে হয়। কিন্তু একেবারে গোড়ায় গেলে বিজ্ঞান কেবল কিভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দেয়, কেন তার উত্তর দেয়না। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের বিকাশ নিয়ে বিজ্ঞানের বেশ কিছু থিওরী আছে। কিন্তু এই সব উত্তরই কতগুলো অপ্রমানিত ধারনার উপর দাড়ানো। প্রশ্ন উঠতে পারে বিজ্ঞানের ভিত্তিই যেখানে যুক্তি-প্রমাণ সেখানে বিজ্ঞান কি করে এইসব অপ্রমানিত ধারনার আশ্রয় নেয়? উত্তরটা খুবই সহজ, এইসব ধারনাগুলো মেনে নিলে সমাধানগুলোর একটা যৌক্তিক ব্যাক্ষা দাড় করানো যায়। এবং ব্যাক্ষা দেয়ার এই পদ্ধতি মোটেও অবৈজ্ঞানিক নয়।
এখন একজন নাস্তিকের দুটো পথ খোলা থাকে। এক, এইসব অপ্রমানিত ধারনা নির্ভর বৈজ্ঞানিক উত্তরকে অস্বীকার করা। সেক্ষেত্রে প্রশ্নগুলোর কোন সঠিক উত্তর তার জানা থাকে না এবং তিনি একজন আস্তিককে ভুল বা বিভ্রান্ত বলার অধিকার হারান। কারন ভুল একজনকে তখনি বলা যায় যখন সঠিক উত্তরটা জানা থাকে অথবা অন্যের উত্তরটা যে ভুল তার কোন প্রমান হাতে থাকে।
নাস্তিকের দ্বিতীয় পথটা হলো, এইসব বৈজ্ঞানিক উত্তরকে গ্রহন করে নেয়া। সেক্ষেত্রে একজন নাস্তিক তার মুলনীতি - প্রমান ছাড়া কোন কিছু গ্রহন না করা, তারই বিরোধিতা করেন। কনট্রাডিকশনের মধ্যে আর যাই হোক সত্য থাকতে পারে না।
পাদটিকা: আমার এই লেখায় অবশ্যই ভুল থাকতে পারে। এ ব্যাপারে ব্লগের নাস্তিকদের মন্তব্য আশা করছি আমি। আসলে তাদের মতামত জানার জন্যই এই লেখা।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আতিকুল হক বলেছেন:
আমি দু:খিত যে আমাকে এখন ক্লাসে যেতে হচ্ছে। লেখাটা শেষ করতে একটু বেশি সময় লেগে যাওয়াতেই এই বিপত্তি। আপনাদের মন্তব্যের জবাব দেয়ার জন্য আমি বাংলাদেশ সময় সকাল ৮ টার পর থেকে থাকবো। ধন্যবাদ।
অফটপিক
বুয়েটে তাবলীগ-শিবির বেশি এটা কি সত্য?
লেখক বলেছেন: এই পোষ্টের একটা প্রাক কথন আছে। আমি ব্লগে যারা নাস্তিক হওয়ার পেছনের কথা লিখছেন তাদের দুটো প্রশ্ন করেছিলাম।
১। স্রষ্টার অস্তিত্বহীনতার ধারনায় আপনি কিভাবে পৌছলেন?
২। মহাবিশ্বের সৃষ্টি, প্রাণের অস্তিত্ব এ ব্যাপারে প্রশ্নের উত্তর আপনি কোথায় খোজেন? এবং এর যে উত্তর পান তাতে আপনি সন্তুষ্ট কিনা?
আমি মনে করি দুটো প্রশ্নই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রশ্ন দুটোর উত্তর তাদের লেখায় আমি পাচ্ছিলাম না। সেজন্যই এ দুটোর নাস্তিক ভার্সন এবং তার পেছনের যুক্তি খোজার চেষ্টায় এই পোষ্ট। আমার জানায় যদি ভুল থাকে আমি নাস্তিকদের স্বাগত জানাচ্ছি, তাদের শুদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য।
অফটপিক - জামাত-শিবির বা তাবলীগ সম্পর্কে আমার ধারনা বেশ স্পষ্ট। আমি জামাত-শিবিরকে ঘৃণাই করি। তবে বুয়েটে জামাত-শিবিরের চেয়ে ছাত্র ফ্রন্ট বা ইউনিয়নের প্রভাবই বেশি। সম্ভবত সেকারনেই বাম-রাজনীতি এবং নাস্তিকতা সম্পর্কে আমার ভালোই ধারনা হয়েছে।
কিউরিয়াস বলেছেন:
"একজন নাস্তিকেরও ...মুলনীতি... যৌক্তিক প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুকেই গ্রহন না করার বিশ্বাস"এটা মনে হয় এরকম হবেঃ"একজন নাস্তিকেরও ...মুলনীতি... যৌক্তিক প্রমাণ ও ব্যাখ্যা ছাড়া কোন কিছুকেই গ্রহন না করার বিশ্বাস"।
সো আপনার উল্লিখিত দুটি পথের মধ্যে দ্বিতীয়টাই নাস্তিকেরা বেছে নেন, এবং ব্যাপারটা কন্ট্রাডিকশন-ও না।
একটা জিনিস ঠিক বলেছেন, "উত্তরটা খুবই সহজ, এইসব ধারনাগুলো মেনে নিলে সমাধানগুলোর একটা যৌক্তিক ব্যাক্ষা দাড় করানো যায়।" ঠিক একিভাবে, এই মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আপনি যদি ইসলাম ধর্মের আল্লাহ, খ্রীস্ট ধর্মের গড/হলি ট্রিনিটি, বা হিন্দু ধর্মের ভগবান, বা একজন সৃষ্টিকর্তা--এই ধারণা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে যান, আপনার হিসাব কোনোভাবেই মিলবেনা।
ঠিক একিভাবে, ইসলাম ধর্মের আল্লাহ, খ্রীস্ট ধর্মের গড/হলি ট্রিনিটি, বা হিন্দু ধর্মের ভগবান--এই ধারণা-গুলো খুব সুন্দর করে ব্যাখ্যা করা যায়, যদি আপনি ধর্মকে একটি সামাজিক শক্তি হিসাবে দেখেন, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আদর্শ সমাজ গঠনের মাধ্যমে মানবজাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু আস্তিকতাকে ডিফেন্ড করিনি। পুরো লেখায় আস্তিকদের সম্পর্কে একটা কথাই আছে, তা হলো - আস্তিকরা নাস্তিকদের প্রশ্নগুলোর উত্তর খোজাকে থামিয়ে দিতে চেয়েছেন। এটা মোটেও আস্তিকতার প্রশংসা নয়।
এই পোষ্টের একমাত্র কনসার্ণ নাস্তিকতা কতটা যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আস্তিকতায় আদৌ যুক্তি আছে কিনা সেটা অন্য আলোচনার বিষয়। আপনি যদি সেদিকেই ফোকাস করেন তাহলে ভালো হয়। দ্বিতীয় পথ বেছে নেয়াটা কেন কনট্রাডিকশন নয়, ব্যাক্ষা চাইছি আপনার কাছে।
কলুর বলদ বলেছেন:
@লাবণ্য প্রভা : শিবির বুয়েট এ নাই বল্লেই চলে(তারপরও হলে তলে তলে একটু একটু যে নাই তা না)...তবে তাবলীগের একটা ভাল প্রভাব বুয়েট এ আছে...এইসুত্রে অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই অবস্থা....
লেখক বলেছেন: পোষ্ট সংক্রান্ত মতামত আশা করছি ![]()
দিগন্ত বলেছেন:
এখন একজন নাস্তিকের দুটো পথ খোলা থাকে। এক, এইসব অপ্রমানিত ধারনা নির্ভর বৈজ্ঞানিক উত্তরকে অস্বীকার করা। সেক্ষেত্রে প্রশ্নগুলোর কোন সঠিক উত্তর তার জানা থাকে না এবং তিনি একজন আস্তিককে ভুল বা বিভ্রান্ত বলার অধিকার হারান। কারন ভুল একজনকে তখনি বলা যায় যখন সঠিক উত্তরটা জানা থাকে অথবা অন্যের উত্তরটা যে ভুল তার কোন প্রমান হাতে থাকেএই বক্তব্যের সাথে একমত নই। আপনি নিশ্চয় জানেন মানব সভ্যতার ইতিহাসে একসময় ঝড়-বৃষ্টিকে দেবতার/ঈশ্বরের ক্রিয়া বলে মনে করা হত। এখন তা মনে করা হয় না। তবে এখনও মানুষ ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারে না যে কখন ঠিক ঝড়টা আসবে বা কখন বৃষ্টি নামবে। এখন যদি কোনো আস্তিক দাবী জানায় যে এই বৃষ্টি নামা বা ঝড় আসাটা ঈশ্বরের হাত পরোক্ষে আছে তাহলেও আপনার মতে বিজ্ঞানবাদীদের বলার খুব কিছু নেই। কারণ ঝড়/বৃষ্টির কারণ প্রমাণিত হলেও এখনও সবটা জানা সম্ভব হয় নি।
আসলে বিজ্ঞানে কোনোকিছুই ১০০% গ্যারান্টি দেওয়া সম্ভব নয় - না স্রষ্টার অস্তিত্ব না অনুপস্থিতি। যেহেতু বিজ্ঞান প্রমাণনির্ভর, তাই নতুন প্রমাণ এনে আগের প্রতিষ্ঠিত সূত্র অনেক সময়েই ভুল প্রমাণ হয়ে যায় - নিউটনের বলবিদ্যার সূত্র বা রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল - কোনোটাই কালের ফেরে সম্পূর্ণ সঠিক বলা যায় না। আজকের তত্ত্বও কালকে ভুল বলে প্রমাণিত হতেই পারে।
এবার স্রষ্টার কথায় আসা যাক। আগেই বলেছি বিজ্ঞান দিয়ে কোনো কিছুই ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে প্রমাণ করা যায় না। যেমন, স্রষ্টার অস্তিত্ব, তেমন পরী, রাক্ষস, ভূত - এগুলোর বিরুদ্ধে প্রমাণ আনা সম্ভব নয়। এখন স্রষ্টায় বিশ্বাস আর অবিশ্বাস সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে ব্যক্তির বিশ্বাসের স্বাধীনতার ওপর।
আমি ব্যক্তিগতভাবে স্রষ্টর অনুপস্থিতিতে বিশ্বাস করি কারণ আমি স্রষ্টার কোনো প্রভাব এখনও দেখতে পাই নি। অন্যভাবে, আরও যা যার স্বপক্ষে প্রমাণ কম, তা তা আমি বিশ্বাস করি না - পরী, ভূত বা রাক্ষসও একই দলে পড়ে।
তবে এর সাথে বিগ ব্যাং বা বিবর্তনের সত্যতা গুলিয়ে ফেলা উচিত হবে না। এদের উভয়ের পক্ষেই অসংখ্য প্রমাণ আছে। তবে এগুলো সত্য হলেও স্রষ্টা থাকতেই পারেন। তাই - উপস্থিতি আর অনুপস্থতির ধারণা কেবলই ব্যক্তিগত দর্শন মাত্র।
লেখক বলেছেন: বৃষ্টি নামা এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টি দুটো এক মাপের সমস্যা নয় সেটা নিশ্চয়ই আপনি বোঝেন।
বিগ ব্যাং বা স্ট্রিং থিওরী যদি আপনি মনে করেন ধারনা নয়, পূর্ণ প্রমানিত সত্যের উপর দাড়ানো তাহলে আমি বলবো আপনি আরো জানুন। রাদারফোর্ডের মডেলের উদাহরন দিয়ে বললেন বিজ্ঞানের তত্ব বদলায়। বিজ্ঞানের তত্ব বদলায় কারন এই তত্ব গুলো আসলে ধারনা যার মূল ভিত্তিই হলো - ধারনাগুলো আমাদের অবজারভেশন কে ব্যাক্ষা করে।
বিজ্ঞান এবং আস্তিকতা সেটা নিয়ে অন্য পোষ্টে আলোচনা করব। কারন এই পোষ্টের কনসার্ণ আস্তিকতা নয়, নাস্তিকতার উৎস খোজা। আমি প্রশ্নগুলো খুব সুস্পষ্ট, সে ব্যাপারে নাস্তিকতার আলোকে ব্যাক্ষা না দিয়ে আস্তিকতার দোষের আড়ালে লুকাতে চাইছেন কেন? আস্তিকতা আদৌ যৌক্তিক কিনা সেটা নিয়ে অন্যসময় আলোচনা করব। এখন দেখি নাস্তিকতা আসলে কতটা যৌক্তিক।
জলপাই দেশি বলেছেন:
আমি যা দেখিনা তা বিশ্বাস করিনা এটা কোন যুক্তিসঙ্গত কথা নয়, বৈজ্ঞানিক কথাও নয়। এখন অনেক রাত। পরে এ ব্যাপারে কথা হবে। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।
বোঝাই যাচ্ছে এই ব্যাপারে প্রচুর চিন্তা করেছেন
ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কারো কাছেই কোন প্রমানিত সত্য নাই - তাই মধ্যপন্থাই উত্তম
আশা করি নাস্তিক আস্তিক সবাই এই লাইন গুলির জবাব খুজবেন ~
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এক, এইসব অপ্রমানিত ধারনা নির্ভর বৈজ্ঞানিক উত্তরকে অস্বীকার করা। সেক্ষেত্রে প্রশ্নগুলোর কোন সঠিক উত্তর তার জানা থাকে না এবং তিনি একজন আস্তিককে ভুল বা বিভ্রান্ত বলার অধিকার হারান। কারন ভুল একজনকে তখনি বলা যায় যখন সঠিক উত্তরটা জানা থাকে অথবা অন্যের উত্তরটা যে ভুল তার কোন প্রমান হাতে থাকে।
নাস্তিকের দ্বিতীয় পথটা হলো, এইসব বৈজ্ঞানিক উত্তরকে গ্রহন করে নেয়া। সেক্ষেত্রে একজন নাস্তিক তার মুলনীতি - প্রমান ছাড়া কোন কিছু গ্রহন না করা, তারই বিরোধিতা করেন। কনট্রাডিকশনের মধ্যে আর যাই হোক সত্য থাকতে পারে না
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি সবার মধ্যেই চিন্তাগুলো দিতে চাইছি।
দিগন্ত বলেছেন:
আমি যা দেখিনা তা বিশ্বাস করিনা এটা কোন যুক্তিসঙ্গত কথা নয়, বৈজ্ঞানিক কথাও নয়।- এর উল্টোটা হল যা যা দেখিনা তার সবকিছুকেই সমান ভাবে বিশ্বাস করা, সেটাও তো আমি যুক্তির কিছু দেখি না।
লেখক বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন। আমি সম্পূর্ণ একমত আপনার সাথে। সবকিছুর পেছনেই যুক্তি থাকা উচিত। তবে আস্তিকতার পেছনের যুক্তি নয়, নাস্তিকতার যুক্তি খোজাই এই পোষ্টের লক্ষ্য। এ ব্যাপারেই ব্লগ নাস্তিকদের মতামত আশা করছি।
মিঠাই বলেছেন:
Ami bollam Allah tin jon. Apni proman koren dekhi amar kotha mittha? Jodi proman na korte paren, taile apne amar kotha mitthya ba bhul bolar odhikar rakhen na.
লেখক বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য আপনার অন্য নিকে করলেই মানাতো।
যাই হোক আপনার অবগতির জন্য বলি - একজন, তিনজন না তেত্রিশ কোটি কোনটার ব্যাপারেই কিন্তু বলিনি আমি। আস্তিকতাই সঠিক পুরো পোষ্টের কোথাও তা নেই।
পোষ্টে নাস্তিকতাকে যুক্তির ভিত নিয়ে বলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত থাকলে সেটাই বলুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিডি আইডল বলেছেন:
নাস্তিকদের বাল-খিল্য পোষ্ট গুলো দেখে মর্মাহত হয়েছে...আশা করি এখানে কিছু যুক্তিবাদী কমেন্টস দেখবো
লেখক বলেছেন: আমিও তাই আশা করছি।
দিগন্ত বলেছেন:
১। স্রষ্টার অস্তিত্বহীনতার ধারনায় আপনি কিভাবে পৌছলেন?২। মহাবিশ্বের সৃষ্টি, প্রাণের অস্তিত্ব এ ব্যাপারে প্রশ্নের উত্তর আপনি কোথায় খোজেন? এবং এর যে উত্তর পান তাতে আপনি সন্তুষ্ট কিনা
বাঃ, সুন্দর প্রশ্ন, পড়েই উত্তর দিতে ইচ্ছা করছে।
১) প্রথমত, স্রষ্টার অস্তিত্ত্ব কল্পনা না করলেও সারা জীবন সুস্থভাবে কাটানো সম্ভব। দ্বিতীয়ত, স্রষ্টার অস্তিত্ত্বর স্বপক্ষেও কোনো প্রমাণ নেই। তৃতীয়ত, স্রষ্টার অস্তিত্ত্ব কল্পনা করে নিলে অনুসন্ধিৎসা কমে যায়। তবে এসবই আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের পর্যায়ে।
২) উত্তর এখনও অবধি প্রাপ্ত প্রমাণের মাধ্যমেই খুঁজি। প্রমাণগুলো সীমিত হলেও বেশ কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব এদের এক সুতোয় গেঁথে। ঐতিহাসিকভাবে, এই পদ্ধতিগুলো আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবসভ্যতা গত দুশো বছরে যা এগিয়েছে, তার আগের কয়েক হাজার বছরেও ততটা এগোয়নি।
লেখক বলেছেন: প্রশ্ন গুলো সুন্দর এবং মৌলিক। কিন্তু এর উত্তর তেমন কেউ দিচ্ছিলেন না।
আপনার উত্তরের প্রেক্ষিতে বলি স্রষ্টার অস্তিত্ব ধরে নিলে অনুসন্ধিৎসা কমে যাবে এটা খুব ভুল ধারনা। আস্তিকতার সাথে বিজ্ঞানচর্চার সম্পর্ক বা সঙ্ঘাত নিয়ে অন্য পোষ্টে অবশ্যই আলোচনা করব।
আমার পোষ্ট থেকে যে কনক্লুশান টানতে চাই তা হলো নাস্তিকতা নিখাদ যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত এই দাবি ঠিক নয়। নাস্তিকতা অনেকটা অস্পষ্টতা বা স্ববিরোধিতায় পূর্ণ।
দিগন্ত বলেছেন:
বিগ ব্যাং বা স্ট্রিং থিওরী যদি আপনি মনে করেন ধারনা নয়, পূর্ণ প্রমানিত সত্যের উপর দাড়ানো তাহলে আমি বলবো আপনি আরো জানুন।- বিজ্ঞানে কোনো তত্ত্ব যদি আপনি মনে করেন পূর্ণ প্রমাণিত সত্যের ওপর দাঁড়ানো, তাহলে আপনি বিজ্ঞান সম্পর্কে আরো জানুন। তবে স্ট্রিং থিয়োরী আর বিগ ব্যাং একই নয় - বিগ ব্যাং এর প্রমাণ আছে, তার জন্য আবিষ্কারকেরা নোবেলও পেয়েছেন। স্ট্রিং থিয়োরী সে জায়গায় নেই। আবারো বলি, বিগ ব্যাং বা স্ট্রিং থিওরী দুইই সত্য হলেও আপনি স্রষ্টা নেই এরকম কোনো প্রমাণ আনতে পারবেন না। বিগ ব্যাং এর আগে কি ছিল আর স্ট্রিং এর চেয়েও ছোট কিছু হতেই পারে - এ প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাবে।
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞানের অনেক থিওরীই পূর্ণ প্রমানিত সত্যের উপর নয়, বিশেষত মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব সংক্রান্ত তত্বগুলো। আমার পয়েন্ট এটাই। নাস্তিকতা নিখাদ যুক্তিভিত্তিক অবস্হান নয়, এটাই বলতে চাইছি।
দিগন্ত বলেছেন:
নাস্তিকতার যুক্তি খোজাই এই পোষ্টের লক্ষ্য।নাস্তিকতা আর আস্তিকতা ঠিক যুক্তির প্রশ্নে আলাদা নয়। এগুলো একেক রকমের জীবন-দর্শন বলা চলে। যে কেউ নিজের নিজের জীবন-দর্শনকে অন্যের চেয়ে ভাল বলে দাবী জানাতেই পারে। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি চলতে পারে। সমাধান সম্ভব নয়।
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু এখানে সমাধান খুজিনি। আস্তিকতাকে সঠিক বলে দাবিও করিনি পোষ্টের কোথাও। নাস্তিকতাকে ব্লগের নাস্তিকরা যুক্তিভিত্তিক অবস্হান প্রমান করুন তাই চাইছি।
দিগন্ত বলেছেন:
বৃষ্টি নামা এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টি দুটো এক মাপের সমস্যা নয় সেটা নিশ্চয়ই আপনি বোঝেন।- কিন্তু সমস্যার সমাধানের মূলে দর্শনটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি যদি ভেবে নিই বৃষ্টি নামে ঈশ্বরের কৃপায়, তাহলে আমি কোনোদিনই বৃষ্টিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব না। একই ভাবে, মানুষ যদি ভাবে মহাবিশ্ব ঈশ্বরের সৃষ্টি, তাহলে কোনোদিনই মানুষ মহাবিশ্বের ক্ষমতায় আসতে পারবে না, প্রকৃতির হাতের পুতুল হয়েই থাকবে। আজ থেকে হাজার বছর আগে পৃথিবীর হাতেই আমরা পুতুল ছিলাম, এখন আর ততটা নেই। একদিন যদি সারা মহাবিশ্বে রাজত্ব করতে চাই, তাহলে সব-কিছুকে প্রশ্ন করে জানতে হবে, কল্পনা করে নিলে পিছিয়ে যাব।
লেখক বলেছেন: আপনি মুল ব্যাপারটাই এড়িয়ে যাচ্ছেন। আপনি বার বার আস্তিকতার দোষের আড়ালে নাস্তিকতাকে বাচাতে চাইছেন। আস্তিকতা ভুল না সঠিক সেটা নিয়ে অন্য পোষ্টে আলোচনা করব। আপাতত নাস্তিকতা নিয়েই হোক।
মিঠাই বলেছেন:
তিনি একজন আস্তিককে ভুল বা বিভ্রান্ত বলার অধিকার হারান। কারন ভুল একজনকে তখনি বলা যায় যখন সঠিক উত্তরটা জানা থাকে অথবা অন্যের উত্তরটা যে ভুল তার কোন প্রমান হাতে থাকে।-----------------------------------------------------------------------------
বালখিল্য সাহেব, কেউ যখন কোন হাইপোথেসিস উত্থাপন করে, তখন সেইটা প্রমান করার দায়িত্ব কি তার নিজের না পাবলিকের? আমি যদি বলি আল্লাহ তিনজন সেইটা প্রমান করার দায়িত্ব কি আমার না আপনের?
লেখক বলেছেন: আপনি যদি বলেন আল্লাহ তিনজন আর আমি যদি বলি একজন অথবা একজনও নাই - সেক্ষেত্রে আমি যদি বলতে যাই আপনারটা ভুল তাহলে অবশ্যই আমার দুটোর একটা থাকতে হবে। এক, আল্লাহ তিনজন এটা ভুল তার প্রমাণ। দুই, আল্লাহ একজন বা আল্লাহ নাই সেটা সঠিক তার প্রমাণ।
দিগন্ত বলেছেন:
আমার পোষ্ট থেকে যে কনক্লুশান টানতে চাই তা হলো নাস্তিকতা নিখাদ যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত এই দাবি ঠিক নয়। নাস্তিকতা অনেকটা অস্পষ্টতা বা স্ববিরোধিতায় পূর্ণ।- অস্পষ্টতা তো আছে বটেই ... স্ববিরোধিতাটা যাদের কাছে যেমন। যারা প্রমাণের কথা বলে নাস্তিক হন, তারা স্ববিরোধী। যারা প্রচলিত ধর্মগুলো পছন্দ না করে নাস্তিক হন, তারা নন।
লেখক বলেছেন: প্রচলিত ধর্ম পছন্দ না করে নাস্তিক মানে নাস্তিকতার প্রথম ধাপে রয়ে যাওয়া। সত্যটাকে নাই খোজা। ধর্ম-বিদ্বেষ আর নাস্তিকতা এক নয়। ধর্ম-বিদ্বেষ যৌক্তিক হতে পারে কিন্তু নাস্তিকতার ভিতের উপর দাড়িয়ে অন্য কাউকে অযৌক্তিক বলা যায় না।
দিগন্ত বলেছেন:
আস্তিকতার সাথে বিজ্ঞানচর্চার সম্পর্ক বা সঙ্ঘাত নিয়ে অন্য পোষ্টে অবশ্যই আলোচনা করব।- এটাই আমি জানতে চাই, কারণ আমার নাস্তিকতার মূলে এটাই আছে। আমি আপনার পোস্ট নজরে রাখব, লেখা পড়ে ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই আলোচনা করব। কারন বিভ্রান্তির অবকাশ থাকা উচিত নয়।
মিঠাই বলেছেন:
দিগন্ত, ইনারে ক্ষ্যামা দিন। ইনাকে চরে খেতে দিন।
লেখক বলেছেন: যুক্তি খুজে না পেলে ট্যাগিং এ একমাত্র অযৌক্তিক পন্হা।
দিগন্ত বলেছেন:
বিজ্ঞানের অনেক থিওরীই পূর্ণ প্রমানিত সত্যের উপর নয়, বিশেষত মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব সংক্রান্ত তত্বগুলো।- আমি আপনার ভুল আবার ধরিয়ে দিচ্ছি। বিজ্ঞানের কোনো থিয়োরিই পূর্ণ প্রমানিত সত্যের উপর নয় আর হতেও পারে না। এভাবেই বিজ্ঞানকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। নিউটনের আমলে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র প্রমাণের জন্য অসংখ্য প্রমাণ ছিল, আইন্সটাইনের আমলে এসে তার মধ্যেও অনেক ভুল বেরোলো। ভুল বেরোবেই, নতুন তত্ত্ব আসবেই। তার মাঝেই ল্যাবে নতুন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া তৈরী হবে। তাদের বিবর্তনের পরীক্ষাও হবে।
লেখক বলেছেন: আপনার আমার খুব একটা পার্থক্য আমি দেখছি না। আমি যেটা বলতে চাচ্ছি তা হলো, বিজ্ঞানের উপর ভর দিয়ে নাস্তিকতাকে যৌক্তিক বা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত বলা যায় না। কারন বিজ্ঞানই ধারনা নির্ভর।
দিগন্ত বলেছেন:
আপনি বার বার আস্তিকতার দোষের আড়ালে নাস্তিকতাকে বাচাতে চাইছেন।- মোটেও না। আমি বলেছি আমার কাছে নাস্তিকতা একটা দর্শন যার মানে আপনি সবকিুতেই প্রশ্ন করবেন আর প্রমাণের ওপর নির্ভর করবেন। সবকিছুর প্রমাণ পাবেন না। যা পাবেন না, তার জন্য খোঁজাখুঁজি করবেন। কিন্তু না পাবার আগে কল্পনা করে খোঁজ বন্ধ করবেন না।
কাজ করি ভাই, পরে আবার কথা হবে।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয়েছে, আমার আগের জবাবটি সংশোধন করা উচিত। আমি মনে করি সবকিছুতেই প্রশ্ন করা এটা একটা প্রক্রিয়া। এবং সবারই তা করা উচিত। নাস্তিকতা হচ্ছে এই পথ ধরে এমন অবস্হানে পৌছানো যেখানে আপনি স্রষ্টার অস্তিত্বে সংশয় প্রকাশ করবেন।
একজন আস্তিক সবকিছুতে প্রশ্ন করতে পারেন কিনা সেটা অন্য পোষ্টে আলোচনা করব।
মিঠাই বলেছেন:
এতো বিশাল যুক্তিবাদি দেখাযাচ্চে? মারাত্মক যুক্তিবাদি।
মিঠাই বলেছেন:
ইস আমি যুক্তি খুজে পাচ্চি না, কি যে বলি।
লেখক বলেছেন: যখন খুজে পাবেন এসে বলে যাবেন।
মিঠাই বলেছেন:
মারাষতক, মারাষতক। দেকি খুজে পেতে দেকি যুক্তিগুলোন যে কোতায় মুক লুকোলো।
দিগন্ত বলেছেন:
আমি যেটা বলতে চাচ্ছি তা হলো, বিজ্ঞানের উপর ভর দিয়ে নাস্তিকতাকে যৌক্তিক বা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত বলা যায় না। কারন বিজ্ঞানই ধারনা নির্ভর- একমত। আগেই বলেছি নাস্তিক-আস্তিক দর্শনমাত্র।
লেখক বলেছেন: আমি আপনার আগের মন্তব্যের জবাবটা পরিবর্তন করেছি। কারন আমার মনে হয়েছে, এখনকার জবাবটাই আমার সত্যিকার ভাবনাকে প্রকাশ করে।
তবে আপনার ধারনাকে আমি অ্যাপ্রিশিয়েট করছি। সবকিছুতে প্রশ্ন করতে থাকুন।
মানুষ এখন প্রকৃতির হাতের পুতুল নাই -- এই কথাটা নিজেকেই প্রশ্ন করুন -- কোথাও দেখি না মানুষ প্রকৃতি কন্ট্রোল করে ফেলেছে ----
ভবিষৎতে পারবে বলেও মনে হয় না -- মহাবিশ্বের তুলনায় আমরা এতই ছোট একটা ধুমকেতু ছুটে আসলে ওটাকে ঠেকাতে মানুষের কি লাগবে এটা চিন্তা করেন ..
বিজ্ঞান বিশ্বাস করেই বলছি --- ধর্ম পৃথিবীর জন্য যা করেছে --
বিজ্ঞানও তা করেছে -- আপনি কিভাবে নিবেন তা আপনার ওপরে -- বিজ্ঞানের ক্ষতিকর দিক গুলি কিন্তু কম না ---
অন্ধ না হলে আশাকরি এইগুলি ইতিমধ্যে চোখে পড়ছে --
শত শত বিজ্ঞানী আছেন ধর্মে বিশ্বাস করেন -- তাতে কিছু প্রমান হয় না
এখন একজন ধার্মিক ব্যক্তি যদি আমার কাছে যানতে চান -- কিভাবে মানুষ সৃষ্টি হলো আমি বলব বিবর্তন থেকে ---
কেউ যদি আমাকে বলে কিভাবে সুখে থাকবো -- আমি বলব ধর্ম পালন করেন
এই পোষ্টের মুলসুর হচ্ছে নাস্তিকের আত্নপরিচয় ---
আমি ভাগ্যবান আমি নাস্তিক হইনি এখন বুঝতে পারছি ..
আস্তিক হওয়াও সম্ভব না কারন অনেক প্রশ্নের উত্তর নেই;মনের মধ্যে সন্দেহ
তবে আমি আস্তিকদের ঈর্ষা করি (মোল্লা না ! যাদের মাথায় বুদ্ধি আছে , পরমত সহনশীল) কারন তারা বিশ্বাস করে সুখে আছে
কথায় কাজে মিল আছে এমন নাস্তিকও শ্রদ্ধার পাত্র।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে হয়তো আমার পুরো ধারনা মিলবে না। কিন্তু পোষ্টের উদ্দেশ্য সবাই সবার ভাবনাগুলো ভাবুক। ধন্যবাদ।
যদিও মাত্র ৯:১০ বাজে)
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। আলোচনার জন্যই তো এই পোষ্ট দেয়া।
আপনার পোষ্ট আমার ভাল লেগেছে তাই প্রশ্ন করছি কোথায় কোথায় মতের অমিল --
??
লেখক বলেছেন: মত পার্থক্য তো থাকবেই। আমার এ বিষয় নিয়ে বেশ কিছু পোষ্ট লেখার ইচ্ছে আছে। সেখানেই মিল-অমিল নিয়ে আলোচনা করব ![]()
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আপনি বলেনআপনার মতে এই পৃথিবীর কোন আস্তিক রা সঠিক পথে আছে?সোজাসোজি বললে আপনার মতে কোন ধর্ম সত্য? ইসলাম, হিন্দু ,ইহুদি না অন্য কিছু
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু কোন ধর্ম বা আস্তিকতাকে ডিফেন্ড করছি না। এই পোষ্টের বক্তব্য একটাই - তা হলো নাস্তিকতা কতটা যৌক্তিক ভিতের উপর দাড়ানো সেটা খুজে দেখা।
আস্তিকরা অন্ধ, যুক্তি মানে না - এইসব কথা তো অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত, এটা নিয়ে বিতর্ক অন্য পোষ্টেও করা যাবে। কিন্তু যে প্রচলিত ধারনা নাস্তিকতা নিখাদ যুক্তিনির্ভর সেই ধারনাকে নিয়েই এই পোষ্ট। তাই পোষ্ট সংক্রান্ত মতামত আশা করছি।
দিগন্ত বলেছেন:
মানুষ এখন প্রকৃতির হাতের পুতুল নাই -- এই কথাটা নিজেকেই প্রশ্ন করুন -- কোথাও দেখি না মানুষ প্রকৃতি কন্ট্রোল করে ফেলেছে- মানুষ এখনও প্রকৃতির হাতের পুতুল, তবে ঝড়-বৃষ্টির হাতে পুতুল নয়। একটা সময় ছিল যখন মানুষ ঝড়-বৃষ্টির হাতে পুতুল ছিল। তখন আমরা ঝড়-বৃষ্টির পেছনে শক্তিমান ঈশ্বর কল্পনা করতাম। এখন আরো বড় প্রাকৃতক শক্ত্ইর কাছে আমরা পুতুল... তাই তার পেছনে ঈশ্বর কল্পনা করি। আমার কাছে ঈশ্বরচিন্তা বলতে এটাই ধারণা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। স্পষ্টভাবে আপনার ধারনা বলার জন্য। আপনার এ বিষয়টা নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে।
এখন পর্যন্ত কেউ আপনার প্রশ্নের যুক্তি সংগত উত্তর দেয় নাই ....
কে কি বলে এটাও দেখার অপেক্ষায় থাকলাম ।
লেখক বলেছেন: আমিও অপেক্ষায় আছি।
ঘনাদা বলেছেন:
শুন্য আরন্যক, শেষ কবে চোখের ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন ?
লেখক বলেছেন: উনি হয়তো দেখেননি, আপনিই আরেকবার বলে দিননা।
হাল্ক বলেছেন:
পড়লাম। আমার মনে হল আপনার আরো কিছু বলার ছিল। পুরোটা বলতে পারেন নি কোন কারনে।যাই হোক, আপনার সাথে দ্বিমত পোষনের কারন নাই। আমিও বিশ্বাস করি নাস্তিকতার পথ লম্বা, ধীরে ধীরে একজন সেই পথের শেষে যায়, শুধু একটা ঘটনার কারনেই কেউ নাস্তিক হয় না।
তয়, যারা আস্তিক তাদের সুখ দেখলে আমার হিংসা হয়। বেশি না বুঝার ভিতরও এক ধরনের বুদ্ধিমত্তা আছে।
লেখক বলেছেন: আমার এই পোষ্টের একটা সুনির্দিষ্ট বক্তব্য আছে। সেটা হচ্ছে একজন নাস্তিক যে অবস্হানে দাড়িয়ে একজন আস্তিককে যুক্তিহীনতার দোষে অভিযুক্ত করেন, সেটাই খুব যুক্তি নির্ভর অবস্হান নয়।
নাস্তিকতার পথ দীর্ঘ এটা পোষ্টের মুল সুর নয়। মুল বক্তব্য হলো পথের শেষ হয় সংশয়ে নয়তো স্ববিরোধিতায়।
সত্যি কথাটা শুনতে গেলে নাস্তিক ও তার আস্তিক ভাইয়ের মতো প্রতিক্রিয়াশীল !!
ঘনাদা বলেছেন:
শুন্য, কিভাবে এই ধারনায় উপনীত হলেন?
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
বিজ্ঞানের সব সুত্র যেমন শুরু একটা হাইপোথিসিস দিয়ে।তারপর ট্রায়াল এ্যন্ড এরর পদ্ধতিতে একটা একটা করে অবাঞ্ছিত/অপ্রয়োজনীয়/ভুল ফলাফলগুলি বাদ দিয়ে দিয়ে মূল ফলাফল যেটা তার দিকে অগ্রসর হয়, তেমনি নাস্তিকরা বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে একটা হাইপোথিসিস এ উপনিত হয়েছে সৃষ্টিকর্তা নেই। সেই হাইপোথিসিস প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে ট্রায়াল এ্যন্ড এরর পদ্ধতিতে এগিয়ে চলাই নাস্তিকতা। (আমার দৃষ্টিতে)
লেখক বলেছেন: আমার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
আমার কিছু প্রশ্ন আপনার জন্য। আপনার কথায় আমি যা বুঝছি তা হলো স্রষ্টার অস্তিত্ব নেই এটাও একটা হাইপোথিসিস। আমি যতদূর বুঝি একটা হাইপোথিসিস তখনই গ্রহনযোগ্য হয় যখন তা সব প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের সমাধান/ব্যাক্ষা দিতে পারে। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব স্রষ্টার অস্তিত্বের সাথে খুব প্রাসঙ্গিক একটা সমস্যা। এর সমাধান কিভাবে করেন সেটা জানতে চাইছি।
কিউরিয়াস বলেছেন:
যতটুকু বুঝলাম, আপনি নাস্তিকদের বিরুদ্ধে একটা অতি প্রচলিত বিভ্রান্তিতে ভুগতেসেন। বুঝায় বলি।"যৌক্তিক প্রমাণ" ছাড়া নাস্তিকেরা নড়েননা। কথাটা ঠিক, আবার ঠিকও না। এবং এইখানেই আপনার বিভ্রান্তি। একটু বলেন তো, "যৌক্তিক প্রমাণ" জিনিসটা কি?
একটা অতি জ়ীর্ণ উদাহরণ দেই। 'হাসিনা' এর বাবা যে 'মুজিব', সেটার "যৌক্তিক প্রমাণ" কি? আপনি কি 'হাসিনা' এর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন? আপনি কি সারা জীবন 'হাসিনা' কে চোখে চোখে রেখেছেন, যে কেউ 'হাসিনা' কে বদলিয়ে দেয় নাই? সবগুলির উত্তর হল "না"। কিন্তু তারপর-ও আপনি মোটামুটি শিওর, কিভাবে? কারণ আপনি জানেন, 'হাসিনা' 'মুজিব' কে বাবা ডাকে, 'হাসিনা' ছোটোবেলা থেকেই 'মুজিব' এর বাসায় থাকে, তাদের চেহারাতেও মিল আছে, এবং আরো দশটা মানুষ, যাদের আপনি ভরসা করেন, তারাও এইটা স্বীকার করে, এবং এখন পর্যন্ত এইটা নিয়ে আপনি খুব বেশী দ্বিমত শোনেন নাই।
এই কথাগুলা কিন্তু "যৌক্তিক প্রমাণ" এর ভিতরেই পড়ে। ঠিক এক-ই ভাবে, মহাবিশ্বের বর্তমানের ব্যাখ্যা-ও আপনার ভাষায় যৌক্তিক প্রমাণ।
আপনি "যৌক্তিক প্রমাণ" আর "গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা" এই দুইটাকে বেশী আলাদা ভেবে ফেলসেন।
লেখক বলেছেন: আপনার উদাহরনটা আপনার অবস্হানকে স্পষ্ট করলো না। কারন আপনি যেটা বললেন তার বিপক্ষে কিন্তু কেউ নাই। এবং মুজিব কে হাসিনার বাবা ধরলে কোন কিছু ব্যাক্ষা করতে সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু স্রষ্টা নাই ধরে নিয়ে অনেক ব্যাপারই ব্যাক্ষা করা যাচ্ছে না। এই ব্যাক্ষা হীনতাই নাস্তিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে।
কিউরিয়াস বলেছেন:
আমার উপরের উদাহরণ কে আপনি কি বলবেন? "যৌক্তিক প্রমাণ" আর "গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা" ?
লেখক বলেছেন: আপনার উদাহরনটাকে প্রাসঙ্গিকই মনে হচ্ছে না। কারো বাবার পরিচয় নিয়ে যদি সত্যিই মানুষের মনে সন্দেহ থাকতো তাহলে আপনার উদাহরন কিন্তু যৌক্তিক প্রমান বা গ্রহনযোগ্য ব্যাক্ষা কোনটাই হতো না। কারন বাবার পরিচয় প্রমানের একটা যৌক্তিক উপায় রয়েছে।
যৌক্তিক প্রমান বা গ্রহনযোগ্য ব্যাক্ষা হচ্ছে তাই যা নিখাদ যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
কিউরিয়াস বলেছেন:
সংশোধনী ঃ আমার উপরের উদাহরণ কে আপনি কি বলবেন? "যৌক্তিক প্রমাণ" না "গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা" ?
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আতিকুল হক সাহেব, আমি যদি কংক্রিট ভাবে বলতাম "স্রষ্টা নেই" তাহলে এর স্বপক্ষে প্রমাণ হাতে নিয়েই বলতাম। যেহেতু আমি এখনও হাইপোথিসিস পর্যায়ে আছি সেহেতু আপনাকে স্রষ্টার অনস্তিত্ত এবং তার রিলেটেড যেসকল প্রমাণ আমার হাতে রয়েছে সেগুলো দিচ্ছিনা, কারণ আপনি তাহলে বলবেন এটা যেহেতু প্রমাণিত নয় সেহেতু আমি বিশ্বাস করি না।আপনার জন্য একটা প্রশ্ন- পৃথিবী ছাড়াও অন্য যে গ্রহগুলোয় প্রাণের উদ্ভব হবার জন্য পরিবেশ উপস্থিত বলে দেখা যাচ্ছে সেগুলোতে যদি অল্প কিছু দিনের মধ্যে প্রাণের উদ্ভব হয় (হোক না এক কোষী) তাহলে সে সম্পর্কিত আস্তিক ব্যাখ্যা টা কি হবে?
আর এটাও হতে পারে আপনি কোরানের বিভিন্ন আয়াত বিশ্লেষণ করে আমাকে দেখালেন আর কোন কোন গ্রহে প্রাণের উদ্ভব হবার সম্ভাবনা আছে। কোরান যেহেতু সবচাইতে বিজ্ঞানাশ্রয়ী গ্রন্থ সেহেতু এখানে সব কিছু থাকার কথা নয় কি?
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু আস্তিকতাকে ডিফেন্ড করছি না। আমার বক্তব্য হচ্ছে যা আমি নাস্তিকদের দুটো পথের কথায় বলেছি। যদি আপনি প্রচলিত ব্যাক্ষাই মানেন তাহলে সেটাও অনুমান নির্ভর। যেটা যুক্তি নির্ভর বিশ্বাসের পরিপন্থি। আর যদি প্রচলিত ব্যাক্ষা না মানেন তাহলে আপনার কাছে স্রষ্টাকে অস্বীকার করার মতো জোরালো যুক্তিই থাকে না।
কোরআন নিয়ে কিন্তু আমি কিছুই বলি নি। ইন ফ্যাক্ট আস্তিকতা নিয়েই আমি কিছু বলি নাই।
মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর (অনুমান নির্ভর নয়) যত দিন না পাওয়া যাচ্ছে নাস্তিকতাকে সঠিক অবস্হান বা আস্তিকতাকে ভুল অবস্হান বলার সুযোগ নেই।
কিউরিয়াস বলেছেন:
"কিন্তু স্রষ্টা নাই ধরে নিয়ে অনেক ব্যাপারই ব্যাক্ষা করা যাচ্ছে না" এই কথাটা মনে হয় ভুল। আপনি দাবী করেছেন, আপনি বুয়েটের। আপনাকে বিজ্ঞানমনস্ক মনে করেই বলি, "গড" এর ধারণা যদি বিজ্ঞানে আনতে যান, আপনি ব্যাখ্যার থেকে প্রশ্ন আনবেন অনেক বেশী। গড কি? কিভাবে কাজ করে? তার ব্যাপ্তি কতটুকু? এই পথে বিজ্ঞানী দার্শনিকরা চেষ্টা করেননি, তা কিন্তু না, কিন্তু "গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা" র খোজে তা কাজে আসেনি।আমার মনে হয়, আপনার আমাকে করা প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি।(কেন আপনার দেখানো দ্বিতীয় পথটা কন্ট্রাডিকশন না)।
লেখক বলেছেন: না। কারন আমি মনে করি বিজ্ঞান একটা টুল। বিজ্ঞান আস্তিক নাস্তিক সবারই প্রয়োজন। বিজ্ঞানের সাথে আস্তিকতার সম্পর্ক বা সঙ্ঘাত এটা নিয়ে আলোচনা অবশ্যই করব অন্য পোষ্টে।
কিন্তু যেটা বলতে চাইছি তা হলো বিজ্ঞানের উপর ভর দিয়ে নাস্তিকতাকে সঠিক রায় দিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
কিউরিয়াস বলেছেন:
"কারন বাবার পরিচয় প্রমানের একটা যৌক্তিক উপায় রয়েছে।" একটু ব্লবেন কি, কি সেটা?ডিএনএ টেস্ট? আপনি কেম্ন করে জানেন ডিএনএ টেস্ট সঠিক রেজাল্ট দেয়?
আপনি কেমন করে জানেন , যে ডিএনএ-গুলো 'হাসিনা' আর 'মুজিব' এর?
কিউরিয়াস বলেছেন:
আবারো বলছি, আপনি "যৌক্তিক প্রমাণ" আর "গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা" এই দুইটা আরেকটু ক্লিয়ার করেন।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আমি যেটা বলতে চাইছি সেটা খুব সরল কথা।
বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব সম্পর্কে এমন সমাধান দেয় না যে আপনি স্রষ্টাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিতে পারেন। কারন বিজ্ঞানের দেয়া উত্তরটুকু অনেকখানিই ধারনা নির্ভর। ধারনা নির্ভর কথা নিখাদ যৌক্তিক ব্যাক্ষা হতে পারে না।
এখানেই সমস্যা .. আমার এখন ধরে নিতে সম্যসা নাই যে মহাবিশ্ব এইভাবে সৃষ্টি হয়েছিল ---- কিন্তু নাস্তিকতার ডিলেমা এটা যে
এর পর মনে হয় এটা তো 'অবশ্যই' না --- যদি অন্য কিছু হয়
গ্রহনযোগ্যতার উপর কতোটুকু ভরসা করতে পারে অবিশ্বাসী নাস্তিক ----
একটা গল্প শুনেন নাই -- "কাউকে অবিশ্বাস করতে শিখালে --সে ধীরে ধীরে সবাইকে অবিশ্বাস করা শুরু করে "
এই শুন্যতা পুরন করার অস্ত্র এখোনো নাস্তিকদের হাতে আসেনি ~~~~~~~
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য।
আতিকুল হক বলেছেন:
এখন ঘুমাতে যাবো। কাল আবার আলোচনার আশা রাখি। ধন্যবাদ সবাইকে।
কিউরিয়াস বলেছেন:
@ শূন্য আরণ্যকঃ আমি কিন্তু জনৈক 'হাসিনা' বলছি, 'শেখ হাসিনা' বলি নাই একজন বিজ্ঞানী যখন বলে, "আমি বিগ ব্যাং-এ বিশ্বাস করি", সে কিন্তু এইটা মীন করে না যে সে অন্ধের মত বিশ্বাস করে, বরং সে এটাই মীন করে যে বিস্তর গবেষণার পর বিগ ব্যাং-কেই তার সবচেয়ে 'গ্রহনযোগ্য ব্যাখা' মনে হয়েছে, এবং সেই বিস্তর গবেষণা/পড়াশোনা বাবদে তার মনে বিগ ব্যাং এর পক্ষে একটা শক্তিশালী মত তৈরী হয়েছে।
যখন কোনো বিজ্ঞানমনস্ক নাস্তিক বলে যে, "আমি গড-এ বিশ্বাস করি না", তার কেসটাও একই।
লেখক বলেছেন: কনট্রাডিকশন থেকেই তো কথার শুরু। প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারনাগুলো মেনে নেয়া একজন নাস্তিকের জন্য কেন কনট্রাডিকশন তাই সরাসরি বলি। দুটো কথাকে পাশাপাশি দেখুন।
১। প্রমান ছাড়া কোন কিছু মেনে নেব না।
২। গ্রহনযোগ্য ব্যাক্ষা দিতে যদি প্রমান ছাড়া কিছু ধরে নিতে হয় তাহলে এইসব ধরে নেয়া কথাগুলো মেনে নেব।
কনট্রাডিকটরি লাগছে কি?
আস্তিকতার সাথে প্রচলিত থিওরীগুলো কতটা কনট্রাডিকটরী বা একজন আস্তিকের এটা মেনে নিতে সমস্যা কোথায় বা সমস্যা আছে কিনা সেটা নিয়ে অবশ্যই যখন আস্তিকতার সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করব তখন করব।
ভন্ডপির বলেছেন:
I have not become entirely efficient typing in Bangla. So I hope you would accept my English.Firstly, I would like say something about your knowledge regarding left-leaning politics and atheism. Politics and philosophical world view need not intersect. Left-leaning politics stems from certain economic and social ideologies whereas a person's world view is entirely personal. I believe in freedom of speech and we have seen implementations of leftist ideologies that were completely orthogonal to this value I deeply cherish. An atheist need not align herself with any politics.
Secondly, let us step back a little bit and ask what "logic" is. My definition is that logic is a collection of axioms and a collection of rules of inference to derive conclusions from the axioms. In a sound system of logic the conclusions drawn from the axioms using the rules of inference must not be contradictory. I think humans prefer an incomplete system of logic (certain conclusions can not be proved under the system) rather than unsound systems where some conclusion that has a proof in the system turns out to contradict some axiom.
Let us see an example. The axiom that is at the heart of our debate is "everything has a creator". There are two things we can do with this axiom. We can reject this as a valid axiom and accept the axiom that "there are some things that do not have a creator". This is not as ridiculous as it appears at first sight.
To see this let us accept the axiom "everything has a creator". So this universe has a creator. But the creator must have a creator too. And that creator must have another creator and so on. The system of logic provides no proof that this chain ever terminates. Thus we arrive at an unsound system of logic.
So a quick fix to this logical contradiction is to put in an axiom like this "there are two sets of things in the universe -- the created ones and the god. God has created all the created things". This sounds not only circular but also clumsy in the sense that this axiom is of no use in the system of logic. Observe that the axiom includes all the conclusions it can derive and is totally separate from the rest of the axioms that form the concise basis of our rationality. Not only that, we can use this axiom to formulate baffling statements like "can god create a stone so heavy that even he himself can not lift it?", known as omnipotence paradoxes.
My view on the matter is that "the universe exists" is a very powerful axiom -- we perceive the universe with our senses and clearly we can not go beyond our perceptions. If one can accept "a metaphysical creator exists" surely the universe can exist on its own too. I would advise you to take a deeper look at logic, the very basis of your arguments here and the very basis of all our scientific endeavors.
Lastly, if you are really keen on knowing more about this watch videos by Dawkins or Sam Harris or others. Watch the debates between theists and atheists, if you would like. I do not seriously hope you would change your world view. But I felt you deserved a structured reply on your questions.
লেখক বলেছেন: আস্তিকতা সঠিক কিনা সেটা প্রমান করা এই পোষ্টের বিষয় নয়। এখানে এটা নিয়ে কোন আলোচনাই করা হয়নি। আস্তিকতায় অনেক অযৌক্তিক ব্যাপার থাকতেই পারে। এখানে নাস্তিকতা কতটা সঠিক তাই বলা হচ্ছে্।
একজন নাস্তিকের কাছেও সবগুলো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে না, যে তিনি নিজেকে সঠিক আর অন্যদের ভুল বলে দাবি করবেন। আর একজন নাস্তিক যদি মনে করেন তার কাছে প্রশ্ন গুলোর উত্তর আছে তাহলে সে উত্তর গুলো এমন নয় যে তার উত্তরটা প্রমানিত সত্যের উপর দাড়ানো। তার উত্তর গুলোও প্রমান নয়, ধারনা নির্ভর।
"শেখ হাসিনার" বাবা "জনৈক মুজিব" এবার বুঝতে পেরেছেন ?
একই কথার চর্বিত চর্বন করলেন আপনি ~
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
"বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা প্রাণের উদ্ভব সম্পর্কে এমন সমাধান দেয় না যে আপনি স্রষ্টাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিতে পারেন। কারন বিজ্ঞানের দেয়া উত্তরটুকু অনেকখানিই ধারনা নির্ভর। ধারনা নির্ভর কথা নিখাদ যৌক্তিক ব্যাক্ষা হতে পারে না।"একই কারনে স্রষ্টাকে প্রতিষ্টিতও করা যায় না। বিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ মানুষের জীবনকে যত সহজ আর স্বাবলম্বী করেছে তত তাই স্রষ্টাকে ক্ষয়ুষ্ঞু করে তুলেছে।
Click This Link
এইটা পইড়া দেখতে পারেন
Click This Link
এগুলার পর নিজের কাছে সৎ আর মতলববাজী না করার নিমিত্ত কিছু মানুষ নাস্তিকে রূপান্তর হইতেও পারে।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় স্রষ্টার বিশ্বাসের সাথে প্রচলিত বিজ্ঞানের থিওরী গুলো কতটা কনট্রাডিক্ট করে বা আদৌ করে কিনা সেটা অন্য আলোচনার বিষয়।
একজন নাস্তিকের কাছেও সবগুলো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে না, যে তিনি নিজেকে সঠিক আর অন্যদের ভুল বলে দাবি করবেন। আর একজন নাস্তিক যদি মনে করেন তার কাছে প্রশ্ন গুলোর উত্তর আছে তাহলে সে উত্তর গুলো এমন নয় যে তার উত্তরটা প্রমানিত সত্যের উপর দাড়ানো। তার উত্তর গুলোও প্রমান নয়, ধারনা নির্ভর।
আন্দালিব পান্থ বলেছেন:
আসলে হলো নাস্তিকতা এবং আস্তিকতা হলো জগত ব্যাখ্যার দুটি প্রকল্প। এখন পযন্ত যার কোন গ্রহণযোগ্য প্রমাণ কারো পক্ষে নেই। এটা সর্ম্পূণই দর্শনগত ব্যাপার। বিজ্ঞান গত নয়। লেখক বলেছেন: আস্তিকতার পক্ষে প্রমান আছে কিনা সেটা এই পোষ্টের আলোচনার বিষয় নয়। কিন্তু নাস্তিকতার পক্ষেও কোন সুনিশ্চিত কোন প্রমান নেই।
দুরের পাখি বলেছেন:
এখন একজন নাস্তিকের দুটো পথ খোলা থাকে। এক, এইসব অপ্রমানিত ধারনা নির্ভর বৈজ্ঞানিক উত্তরকে অস্বীকার করা। সেক্ষেত্রে প্রশ্নগুলোর কোন সঠিক উত্তর তার জানা থাকে না এবং তিনি একজন আস্তিককে ভুল বা বিভ্রান্ত বলার অধিকার হারান। কারন ভুল একজনকে তখনি বলা যায় যখন সঠিক উত্তরটা জানা থাকে অথবা অন্যের উত্তরটা যে ভুল তার কোন প্রমান হাতে থাকে। আম্রিকার রাজধানী কোথায় সেইটা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা না থাকলেও , ঢাকা বা চিটাগাং যে হৈব না সেইটা কিন্তু বৈলা দেয়া যায় ।
লেখক বলেছেন: আস্তিকতার পক্ষে প্রমান আছে কিনা সেটা এই পোষ্টের আলোচনার বিষয় নয়। কিন্তু নাস্তিকতার পক্ষেও কোন সুনিশ্চিত কোন প্রমান নেই।
ঋণাত্নক প্রমাণতো সম্ভব না । সম্ভব না আর নাই তো এক জিনিস হৈল না ।
লেখক বলেছেন: ঢাকা, চট্টগ্রাম যে হবে না সেইটা বলা যায় কারন ঢাকা, চট্টগ্রাম যে আমেরিকায় না সেইটা আমরা জানি। কিন্তু স্রষ্টার ব্যাপারে সেই জানাটা আমাদের নাই।
আচ্ছা, একটু বদলে দিলাম। নাস্তিকতার পক্ষে সুনিশ্চিত প্রমান সম্ভব না।
আপানার কথাগুলি যুক্তি সংগত এবং মন দিয়ে পড়লাম --
সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই এই ব্যাপারে তর্ক চলতে পারে --
কিন্তু আমরা কোথা থেকে এসেছি ? কোথায় যাব ? আত্না আছে কি নাই ? আবেগের উৎস গুলি কি ?
আমরা এত চিন্তাশীল, যুক্তিপুর্ন প্রানী হয়ে হাজার ধরনের অযৌক্তিক কাজ কেন করি ?
অনিশ্চয়তার উৎস কি ?
এই সব প্রশ্ন গুলি যুক্তি দিয়ে কি উত্তর করা যায় ?
জীবন কিভাবে সৃষ্টি হলো ? মহাবিশ্বের সীমা কতটুকু ?
আমার কাছেও "মহাবিশ্ব আছে" এই axiom গ্রহন যোগ্য ..
এর সাথে অন্য কিছুও আছে যেটা সবকিছু কে কানেক্টক করে ..
এটা শুধু ফিল করাতে পারি ........
যুক্তি তর্কের ব্যাপারে আরো পড়াশুনা করবো ~
আপনি এই ব্যাপারে আরেক পোষ্ট দেন
কিছু ইন্টারেষ্টিং জিনিষ পেলাম Discrete Math ঘাটতে গিয়ে
----------------
Curry's paradox:
Claims of the form "if A, then B" are called conditional claims. It is not necessary to believe the conclusion (B) to accept the conditional claim (if A, then B) as true. For instance, consider the following sentence:
If a man with flying reindeer has delivered presents to all the good children in the world in one night, then Santa Claus exists.
Imagine that a man with flying reindeer has, in fact, done this. Does Santa Claus exist, in that case? It would seem so. Therefore, without believing that Santa Claus exists, or that this scenario is even possible, it seems that we should agree that if a man with flying reindeer has delivered presents to all the good children in the world in one night, then Santa Claus exists, and so the above sentence is true.
Now consider this other sentence:
If this sentence is true, then Santa Claus exists.
As before, imagine that the antecedent is true - in this case, "this sentence is true". Does Santa Claus exist, in that case? Well, if the sentence is true, then what it says is true: namely that if the sentence is true, then Santa Claus exists. Therefore, without necessarily believing that Santa Claus exists, or that the sentence is true, it seems we should agree that if the sentence is true, then Santa Claus exists.
But then this means the sentence is true. So Santa Claus does exist. Furthermore we could substitute any claim at all for "Santa Claus exists". This is Curry's paradox.
---------------------
In traditional logic, an axiom or postulate is a proposition that is not proved or demonstrated but considered to be either self-evident, or subject to necessary decision. Therefore, its truth is taken for granted, and serves as a starting point for deducing and inferring other (theory dependent) truths.
In mathematics, the term axiom is used in two related but distinguishable senses: "logical axioms" and "non-logical axioms". In both senses, an axiom is any mathematical statement that serves as a starting point from which other statements are logically derived. Unlike theorems, axioms (unless redundant) cannot be derived by principles of deduction, nor are they demonstrable by mathematical proofs, simply because they are starting points; there is nothing else from which they logically follow (otherwise they would be classified as theorems).
--------------------
"God is preserved in the universe" এই Axiom এর ব্যাপারে আপনার মতামত কি ?
-------------------------------
হর্স প্যারাডক্স:
The flawed argument claims to be based on mathematical induction, and proceeds as follows:
Suppose that we have a set of five horses. We wish to prove that they are all the same colour. Suppose that we had a proof that all sets of four horses were the same colour. If that were true, we could prove that all five horses are the same colour by removing a horse to leave a group of four horses. Do this in two ways, and we have two different groups of four horses. By our supposed existing proof, since these are groups of four, all horses in them must be the same color. For example, the first, second, third and fourth horses constitute a group of four, and thus must all be the same colour; and the second, third, fourth and fifth horses also constitute a group of four and thus must also all be the same colour. For this to occur, all five horses in the group of five must be the same colour.
But how are we to get a proof that all sets of four horses are the same colour? We apply the same logic again. By the same process, a group of four horses could be broken down into groups of three, and then a group of three horses could be broken down into groups of two, and so on. Eventually we will reach a group size of one, and it is obvious that all horses in a group of one horse must be the same colour.
By the same logic we can also increase the group size. A group of five horses can be increased to a group of six, and so on upwards, so that all finite sized groups of horses must be the same colour.
ভন্ডপির বলেছেন:
@Writer : I was replying to your last comment that if we do not have a proof based answer to our origin then we are either in denial or contradicting ourselves. I was just trying to show you otherwise.@Writer : How are you certain that there is an answer to the question you pose i.e. "how was the universe created"? You hold logic with high esteem just as well as me. Please enlighten us by showing that your certainty that an answer exists is not contradictory with respect to our system of logic. In any case, you should discuss these questions with physicists and philosophers. "Can cancer be cured miraculously?" is not a question you can ask to doctor.
@Shunno_Aranyak : You questions are really deep indeed. My answer would probably not be your answer. It is best to seek out yourself. "God is preserved in the universe" leads to problems as well. If god is thought of as a separate entity there would be paradoxes like the omnipotence paradoxes (obtained via diagonalization, if you are interested). If god is not thought of as a separate entity then we actually do not know what is god, or everything is god. In the latter case you are a god, as am I.
আতিকুল হক বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ। চমৎকার আলোচনায় অংশগ্রহনের জন্য। এখন দুটো কনক্লুশন টেনে আমি আলোচনার পরের ধাপে যেতে চাই, তা হলো আস্তিকতার ভিত্তি এবং বিজ্ঞান। সেটা নিয়ে নতুন একটা পোষ্ট দিয়ে আলোচনা করব।এই পোষ্ট থেকে আমি যে দুটো কথা বলতে চাই তা হলো -
১। প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুই মেনে নেব না, এই নীতি নিয়ে অনেক সমস্যারই কোন সমাধান থাকে না।
২। প্রমাণ ছাড়া কিছু ধরে নিয়ে, তা দিয়ে যদি অবজার্ভেবল সব বিষয়কে ব্যাক্ষা করা যায়, তাহলে কেবল প্রমাণ ছাড়া কিছু ধরে নেয়া হয়েছিল, তাতেই পুরো প্রক্রিয়াটিকে বাতিল করে দেয়া যায় না। অবশ্যই যদি এমন অবজার্ভেশন দেখা যায় যা ধরে নেয়া বিষয়টার সাথে কনট্রাডিক্ট করে তাহলে ধরে নেয়াটাতে ভুল ছিল।
এ বিষয়ে যদি আমরা একমত হই আমি পরবর্তী আলোচনায় যেতে পারি।
আতিকুল হক বলেছেন:
বলতে পারেন আমার এই দুটো কনক্লুশন বেশ সরল, এর জন্য এতো বিতর্কের দরকার ছিল না। মহাবিশ্বের সৃষ্টির বৈজ্ঞানিক তত্ব নিয়ে আলোচনার কারন ছিল একটাই। নাস্তিকদের একটা খুব সাধারন অভিযোগ আস্তিকদের ব্যাপারে যে তারা একটা কিছু ধরে নিয়ে তারপর এর পক্ষে যুক্তি খোজেন। এই পোষ্টের আলোচনায় এটা স্পষ্ট হয়েছে কিছু একটা ধরে নিয়ে এগুনোই অযৌক্তিক বা অবৈজ্ঞানিক পথ নয়। ধরে নেয়ার পর কিভাবে এগুবো সেটাই ব্যাপার। নাস্তিকদেরও সমস্যার সমাধান খুজতে একই পথ ধরতে হয়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমার সিরিজটি শেষ করে আপনার সাথে কিছু কথা বলবো.....
তবে আপনার পোস্ট পড়ে আরেকটি পোস্ট লেখার গরজ বোধ করছি। কি কি কারণে মনে করি- ঈশ্বর অস্তিত্ব নেই.....
বিজ্ঞান সংক্রান্ত পোস্টের আলোচনাটুকুর সাথে একমত নই- তাছাড়া ওভারঅল পোস্ট তেমন খারাপ লাগে নি...... প্লাস....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বিজ্ঞান সম্পর্কে আমিও মনে করি আলোচনাটা যথাযথ হয়নি। সেটা অনেকটাই স্বেচ্ছাপ্রনোদিত। পরবর্তি পোষ্টে এ ব্যাপারে আরো স্পষ্টভাবে বলার আশা রাখি।
আপনার পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম।
ভাবারূ বলেছেন:
আস্তিকঃ (মানুষ কেন যে নাস্তিক হয়.. ! চোখের সামনে এত বড় বড় প্রমাণ দেখেও..! বিশ্বগতের সবকিছুই তো আল্লাহ/ভগবান/ঈশ্বরের সৃষ্টি)নাস্তিকঃ (হায় আস্তিক.. এখনো অপ্রিয় সত্য মনে হচ্ছে? লজিকে তো আমিই ঠিক। ভয় পেয় না, আমি তোমার চেয়ে অনেক বেশি মঙ্গলময় .. মানবজাতির জন্য।)
এ পোস্টে কথা এসেছে নাস্তিকরা তাদের পক্ষে বিজ্ঞানকে সাপোর্ট হিসেবে ব্যবহার করার চেস্টা করে যা সঠিক নয়।
আমার মতে, বিজ্ঞানের সাথে একত্ববাদী ধর্মের বরং বেশী মিল আছে যতটা না আছে নাস্তিকতার সাথে। কারণ, একত্ববাদী ধর্ম মতে সকল কার্যেরই একটা কারণ থাকে, আর সকল কারণের যদি একটা মূল উৎস না থাকে তাহলে বিজ্ঞান একটি ডিসকোর্স বা সমন্বিত পাঠ হয়ে উঠতে পারে না। এখানেই একত্ববাদের সাথে বিজ্ঞান মিলে যায়। আল্লাহ তিনিই যিনি যিনি সকল কার্যকারণকে একসূত্রে ধারণ করেন। কুল হু আল্লাহ আহাদ ... আল্লাহু সামাদ।
বলুন তিনিই আল্লাহ যিনি একক। তিনিই সকল কিছুর কারণবিহীন কারণ।
বিজ্ঞানের বিগ ব্যাং বলুন আর শক্তির নিত্যতা সূত্রই বলুন এবং বিজ্ঞানের এ যাবত আবিস্কৃত সকল সূত্রের মাঝে যদি ঐক্য না থাকে তবে বিজ্ঞান একটি ডিসকোস হিসেবে তার যোগ্যতা হারায়।
ভবিষ্যত্ওে বিজ্ঞানের যত নতুন তত্ব ও তথ্য আবিস্কৃত হবে সে নতুন তত্ব ও তথ্য কে অতীতের সমস্ত সূত্র ও তত্বের সাথে সাযুজ্য বা ঐক্য রক্ষা করেই চলতে হবে। নতুন যে তত্বটি অতীতে আবিস্কৃত বা ধারণা কৃত তত্বের সাথে মিলবে না সে নতুন ত্বত প্রতিষ্টা পাবে না। এটাই বিজ্ঞানের নীতি। বিজ্ঞানের যে কোনো নতুন তত্বকে এই পরীক্ষা পাশ করে আসতে হয়।
এ-ই যখন ব্যাপার। তার মানে হলো, যখন কেউ বিজ্ঞানের নতুন তত্ব আবিস্কার করতে চায় শুরুতেই সে ধরে নেয় যে, মহাবিশ্বের ঘটনাবলীর মধ্যে এমন এক শক্তি বা সূত্র আছে যার দ্বারা প্রস্তাবিত নতুন ত্বতটি অতীতের বৈজ্ঞানিক তত্বগুলির সাথে ঐক্য লাভ করবে।
অতএব, বিজ্ঞানের মূলনীতির মধ্যেই এক স্রষ্টার স্বীকৃতি প্রচ্ছন্ন আছে।
ধন্যবাদ।
অঞ্জন সানি বলেছেন:
বিলিফ ইন গড...মেক মাই মাইন্ড মোর calm.....................।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















