পন্ডিত মশাই, কুকুরের ঠ্যাং এবং অন্যান্য

২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

শেয়ারঃ
0 88 0

১.
গল্পের সেই পন্ডিতমশায়ের কথা মনে আছে। আকালে টোল হারিয়ে তার আশ্রয় হয় স্কুলে। বৃদ্ধা মা, স্ত্রী, পিসি মিলিয়ে নয় সদস্যের পরিবারের ভরনপোষনে তার সম্বল মাসে পচিশ টাকা। আর সাহেবের তিন ঠ্যাঙা কুকুর, তার পেছনে মাসে খরচ হয় পচাত্তর টাকা। তাই, পন্ডিতমশাই উত্তর খোজেন, তার নয়জনের পরিবার কুকুরের কয় ঠ্যাঙের সমান। অঙ্কের সহজ সমাধান জানা ছাত্রের মুখেও ভাষা ফোটে না। বোবা ঘৃণায় বাতাস ভারি হয়ে ওঠে।

২.
এরপর নদীর জল অনেক গড়িয়েছে। এখন আর সেই ভিনদেশী সাহেব নেই। কিন্তু কুকুরের ঠ্যাং হয়ে বেচে থাকা মানুষ কি কমেছে আমাদের সমাজে। কর্পোরেট সংস্কৃতিতে আমরা নতুন নতুন সাহেব গড়ে তুলি, শুধু চামড়ার রঙেই যা পরিবর্তন।

৩.
আজকের পন্ডিতমশাইদের কথা বলি। যারা জাতে বামুন, সেই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কথাই বলি। একজন প্রফেসর কায়কোবাদ মাসে বেতন পান বিশ থেকে পচিশ হাজার টাকা। বিদেশের কনফারেন্সে গবেষনাপত্র প্রকাশে যাওয়ার সুযোগ পান তিন বছরে একবার, তাও সর্বোচ্চ ১৫০০ ডলার দেবে সরকার।

৪.
আমাদের বেশ কিছু ক্রিকেটার আই সি এলে চলে গেছেন টাকার জন্য। এতে আমাদের ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে। ক্রিকেটার ধরে রাখতে তাদের বেতন ভাতা বাড়ছে ত্রিশ শতাংশ। একজন 'এ প্লাস' গ্রেডের ক্রিকেটার মাসে বেতন পাবেন এক লক্ষ সাত হাজার টাকা। প্রতি টেস্টে ম্যাচ ফি পাবেন এক লক্ষ টাকা, আর যদি খেলা পন্চমদিনের লান্চ অবদি গড়ায় তাহলে পন্চাশ হাজার টাকা বোনাস। একদিনের খেলার ম্যাচ ফি ষাট হাজার টাকা।

এবার কিছু সহজ অঙ্ক করি। আশরাফুলের গত বারো মাসের যা পারফর্মেন্স, তাই যদি আগামি বারো মাসেও একই থাকে, তাহলে এই সময়ে আশরাফুল ৮৬৭ রানের বিপরীতে কেবল বেতন আর ম্যাচ ফিই পাবেন পয়ত্রিশ লক্ষ টাকার বেশি। রান পিছু আয় চার হাজার টাকার ওপরে।

৫.
আই সি এলে ক্রিকেটার চলে যাওয়াতে আমাদের ক্রিকেটের ক্ষতি খুব সহজেই বুঝতে পারি। হেরে যাওয়া ম্যাচ দেখে আমরা ভাবি, ইশ কাপালি বা আফতাব থাকলে রেজাল্টটা হয়তো বদলে যেতো। কিন্তু আমাদের দেশের যেসব মেধাবী ছাত্ররা বিদেশে থেকে যাচ্ছে, তারা ফিরে না আসায় দেশের কতটা ক্ষতি হচ্ছে, তা আমাদের ভাবায় না। তাদের ফিরিয়ে আনার ভার আমরা দেশপ্রেম আর পারিবারিক বন্ধনের ওপর ছেড়ে দিয়েই নির্লিপ্ত থাকি।

৬.
একজন প্রফেসর কায়কোবাদ আশরাফুলের কয় রানের সমান? দেশের জন্য তার অবদান কি আশরাফুলের একটা দৃষ্টিনন্দন স্ট্রোকের চেয়েও কম?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
তনুজা বলেছেন: সাংঘাতিক!


(অট: পড়াশোনা কেমন হচ্ছে , লেখাপড়ায় সময় দেওয়া ভাল, ব্লগটাকেও পুরোপুরি ছাড়া যাবে না )
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

অট: ভালোই আছি। আপনিও ভালো আছেন নিশ্চয়ই।

২. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
নেক্সাস বলেছেন: অসাধারন।

যোক্তিক ভাবনা.....
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। যৌক্তিক ভাবনা ভাবাক সবাইকে...

২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০১
শুভ৭৭ বলেছেন: একজন প্রফেসর কায়কোবাদ আশরাফুলের কয় রানের সমান ? - কী বলব আর !

দারুন লিখেছেন ভাই। একটা মৌলিক লেখা দিয়েছেন। আপনি লেখালেখি বেশি করে করেন।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: প্রশ্নের জানা উত্তরটা খুব নিষ্ঠুর আর কঠিন। বলার ভাষা নেই আমাদের কারোরই।

৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৪
সাদা কাগজ বলেছেন: ++++++++++++
++++++++++++++
+++++++++++
++++++++++
++++++++++++++++++
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: :)

৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৪
সাদা কাগজ বলেছেন: Australia 209
South Africa 351/3 (89.0 ov)
South Africa lead by 142 runs with 7 wickets remaining in the 1st innings

Day 2 - Session 3 South Africa RR 3.94
Last 10 ovs 40/1 RR 4.00

Min overs remaining 15.0
Full scorecard



Hours of play: 10.30am start, Lunch 12.30-13.10, Tea 15.10-15.30, Close 17.30
Current time: 17:03 local, 15:03 GMT



Refresh scorecard
Test career
Batsmen Runs B 4s 6s SR This bowler Last 10 ovs Mat Runs Ave
*AB de Villiers (rhb) 8 21 1 0 38.09 2 (7b) 8 (21b) 52 3403 42.53
JH Kallis (rhb) 86 118 12 2 72.88 20 (24b) 23 (31b) 131 10261 54.87

Bowlers O M R W Econ Current spell Mat Wkts Ave
*BW Hilfenhaus (rfm) 21.0 4 75 1 3.57 (3nb, 2w) 2-1-15-0 3 6 51.33
MG Johnson (lfm) 20.0 4 84 1 4.20 (3nb, 1w) 1-0-5-0 21 91 28.23




Recent overs . . . . . . | . 1 . 3 . 1 | 2nb . 2 4 1nb 1 1 4




Current partnership 29 runs, 5.5 overs, RR: 4.97 (Kallis 18, de Villiers 8)


Last bat AG Prince c Haddin b Hilfenhaus 150 (358m 249b 19x4 2x6) SR: 60.24
Fow: 322/3 (83.1 ov); Partnership: 160 runs, 38.1 overs, RR: 4.19 (Kallis 68, Prince 72)


End of over 89 (15 runs) - South Africa 351/3
JH Kallis 86* (118b 12x4 2x6) BW Hilfenhaus 21-4-75-1
AB de Villiers 8* (21b 1x4) MG Johnson 20-4-84-1


88.6 Hilfenhaus to Kallis, FOUR, top-edged over the jumping keeper. It was the bouncer, Kallis shapes to pull before trying to withdraw from the shot but it gets flies off the shoulder of the bat and over the keeper
88.5 Hilfenhaus to de Villiers, 1 run, again on the pads, turned to Mitch at long leg for another single
88.4 Hilfenhaus to Kallis, 1 run, slides down leg, flicked away to long-leg for a single
88.4 Hilfenhaus to Kallis, 1 no ball, leans forward to push a length delivery to the off side. Harsh call for no-ball
88.3 Hilfenhaus to Kallis, FOUR, absolutely gorgeous extra-cover drive. He leaned into the shot to perfection and caressed it through the gap. The left elbow was high and it was really easy on the eye.
88.2 Hilfenhaus to Kallis, 2 runs, Thwack. Short in length and Kallis pulls it to deep midwicket region and Katich gets across from deep square leg to make a fine sliding stop near the ropes
88.1 Hilfenhaus to Kallis, no run, straightens after landing on a length around the middle stump, Kallis adjusts to push it away to the on side
88.1 Hilfenhaus to de Villiers, (no ball) 1 run
End of over 88 (5 runs) - South Africa 336/3
AB de Villiers 6* (19b 1x4) MG Johnson 20-4-84-1
JH Kallis 75* (112b 10x4 2x6) BW Hilfenhaus 20-4-60-1


87.6 Johnson to de Villiers, 1 run, thats a nice shot for one, Johnson strays onto leg stump and AB whips it down to the fielder on duty at fine leg
87.5 Johnson to de Villiers, no run, this one's full but AB loses a hand off the bat as he kneels down to square-drive it the ball away, and he's not too impressed with himself after he chops it to cover
87.4 Johnson to Kallis, 3 runs, onto the front foot, pushing the new ball into the slight window in the covers, runs hard and AB is as you all know an utter hare between the wickets so Kallis gets three
87.3 Johnson to Kallis, no run, pitched up wide of the stumps and no shot offered
A man goes back for the pull shot, right on the ropes.
87.2 Johnson to de Villiers, 1 run, a tad fuller, middle and off, and he gets behind it to turn it away
87.1 Johnson to de Villiers, no run, back of a length, AB gets the back leg across and defends
Johnson gets a change of ends. South Africa lead by 122.
End of over 87 (maiden) - South Africa 331/3
JH Kallis 72* (110b 10x4 2x6) BW Hilfenhaus 20-4-60-1
AB de Villiers 4* (15b 1x4) PM Siddle 19-11-23-1


86.6 Hilfenhaus to Kallis, no run, pitches on middle and leg, straightens, Kallis on-drives to the fielder
86.5 Hilfenhaus to Kallis, no run, full and wide about two feet outside off and Kallis watches it go
86.4 Hilfenhaus to Kallis, no run, back of a length, pushes at it off the back foot, chopping it down
86.3 Hilfenhaus to Kallis, no run, pitched up well outside off stump, swings away, Kallis leaves
86.2 Hilfenhaus to Kallis, no run, this one is on off stump and there's a lovely sound of 'thwack' as the bat meets the hard ball, Kallis on-driving straight to midwicket
86.1 Hilfenhaus to Kallis, no run, starts off with some gentle shape away from Kallis, who shoulders arms to the fullish ball as it deviates off the pitch to Haddin


৮. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৮
পারভেজ বলেছেন: প্রসঙ্গটা ভালো। কিন্তু যে দেশে মানুষের মাথাপিছু আয় অনেক অনেক নীচে; সেখানে কয়েকজন আশরাফুল কিংবা একজন শ্রদ্ধেয় কায়কোবাদ স্যারের প্রসঙ্গ কিছুটা হয়তো ইউটোপিয়। বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে চাকরী করছে একজন এমবিএ; (রেজাল্ট খারাপ ছিল) এখনো বেতন পায় অনিয়মিত ভাবে মাসে ২০০০ টাকা করে। সরকারী অনুদান হলে সেটা হয়তো ৫০০০/৬০০০ পর্যন্ত যাবে। এমন লক্ষ শিক্ষক আছেন; তাদের সংসার কিভাবে চলে সরকার কি জানেন? আমরা বিখ্যাত মানুষদের দিকে তাকাই, কিন্তু খাঁটি মানুষরা কি সবসময় বিখ্যাত হতে পারে? শুভকামনা।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত। কয়েকজন আশরাফুল এবং একজন শ্রদ্ধেয় কায়কোবাদ স্যারের সাথে তুলনাটা অনেকটাই প্রতীকি। এবং দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সাথে তুলনা করলে কায়কোবাদ স্যারও একজন সুবিধাভোগির পর্যায়েই পড়বেন, সুবিধাবন্চিত নন।

আমার কথার মুল সুরটা ছিল এই যে, পুজিবাদ বা কর্পোরেট সংস্কৃতি প্রভাবিত আমাদের বর্তমান ব্যবস্হায় একজন মানুষের শ্রমের মূল্য অন্য সব পন্যের মত নিছক সাপ্লাই-ডিমান্ড নির্ভর। আমি মনে করি, এর বাইরে সমাজ বা দেশের প্রতি কন্ট্রিবিউশনও একটা ফ্যাক্টর হিসেবে আসা দরকার।

৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: চিন্তার কথাবার্তা। তবে পারভেজ ভাইয়ের কথা প্রসংগে বলি, সরকারকে ঠিক করতে হবে যে কোন খাতে কি পরিমাণ খরচ করবে। মেধাবী ছাত্রদের দেশে ধরে রাখার ব্যবস্থা করবে নাকি দেশে ক্রিকেটের প্রসারে তার চাইতে বেশি অর্থ ব্যবহার করবে।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: কর্পোরেট কালচার হলো, যার ভুমিকা যতটা অর্থকরী তার শ্রমের তত বেশি মূল্য দেয়া। তাই, বানিজ্যিক ক্রিকেট বা ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানে আলাদা স্কেল, বাড়তি সুবিধা এসবের প্রস্তাবনা। একটা কথা তো সত্যি, অবৈতনিক শিক্ষা কিংবা চিকিৎসা কখনোই অর্থকরী হবে না। কিন্তু দেশের প্রতি তাদের কন্ট্রিবিউশনটা বানিজ্যিক খাতের চেয়ে অনেক বেশী। তাই, অর্থকরী নয় বলেই শ্রমের মূল্য কম হবে এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারনার পরিবর্তন দরকার, এইসব খাতের অবদান বিবেচনায় আসা উচিত।

১০. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন: বিদেশে গিয়ে ক্রমাগত হেরে আসার জন্য ওদের বেতন কমিয়ে অর্ধেক করা উচিত।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: এটা আবেগের কথা। তবে মহামন্দার এই সময়ে বেতন বাড়ানো যৌক্তিক হয়নি অবশ্যই।

১১. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুম........তবে আফরাফুল হলো সেলিব্রেটি।তার সংগে তুলনা দিয়ে লাভ নাই।কনজ্যুমারিষ্ট সমাজে সেলিব্রেটিদের সাথে কারো তুলনা চলেনা।

তারপরেও বলা যায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক , কিংবা মাধ্যমিক এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের বেতন প্রয়োজনের তুলনায় যৎসামান্য।

বাই দ্যা ওয়ে, মেধাবিদের দেশে ধরে রাখতে সরকার কি ধরনের উদ্যেগ নিতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আশরাফুল বা কায়কোবাদ স্যার কেবলই উদাহরন। আমি শ্রমের মূল্য নির্ধারন প্রক্রিয়ারই পরিবর্তন চাইছি, যেন অবৈতনিক সেবাখাতে নিয়োজিতদের শ্রমের যথার্থ মূল্যায়ন হয়।

আমি মনে করিনা, বিদেশ ফেরতদের সরকার এমনি এমনি টাকা দেবে। যোগ্যদের এমনি টাকার দরকারও নাই। সরকার তাদের কাজের সুযোগ করে দিতে পারে। ধরুন, বাংলাদেশে কিন্তু সমস্যার কমতি নাই। যেমন- জ্বালানি নিরাপত্তা সমস্যা। জ্বালানি নিরাপত্তা সমস্যা নিয়ে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রচুর কাজ হতে পারে। এই গবেষনার ফলে যা সাশ্রয় অথবা উপার্জন হবে তাই দিয়ে কিন্তু গবেষনায় নিয়োজিতদের সরকার টাকা দিতে পারে। এই ধরনের গবেষনা একটা খুব ভালো খাত হতে পারে মেধাবিদের ধরে রাখার।

১২. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৩
সাহোশি৬ বলেছেন: @লেখক: আপনাকে কুর্নিশ। আপনার এই লেখাটা পোস্টার আকারে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দেয়া উচিৎ। দেশবাসী জানুক আমাদের দেশটা আজ কোন পথে চলছে।

আপনার লেখার সাথে আরো যোগ করতে চাইছি:

ওয়াসার একজন ট্রাক ড্রাইভারের মাসিক আয় এক লক্ষ টাকার উপরে (আয়ের উৎস কি জানানোর প্রয়োজন আছে?)। ডেসার একজন কেরানীর আয়ও মাসে লক্ষ টাকার কম না। টিএন্ডটির কথা বাদই দিলাম। PWD, Roads & Highways এসবের ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়োরদের মাসিক আয় কত?

ওয়াসার একজন ট্রাক ড্রাইভার কয়জন কায়কোবাদের সমান?

২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: দূর্নীতি এক জিনিষ আর প্রাতিষ্ঠানিক ভুল নীতি আরেক জিনিষ। দুটোই ভুল। কিন্তু দূর্নীতির ভুলটা যেমন চোখে পড়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভুলটা ততটা না।

১৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৫
সাহোশি৬ বলেছেন: @আহসান হাবিব শিমুল: কায়কোবাদ স্যারও কিন্তু আমাদের অনেকের কাছেই সেলিব্রেটি। খেলোয়ার কিংবা মিডিয়ার লোকেরাই যে সব সময় সেলিব্রেটি হবে এমন কোন বাধা ধরা নিয়ম নেই। আইন্সটাইন তার সময়কার শ্রেষ্ঠ সেলিব্রেটিদের একজন।
১৪. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৭
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: কায়কোবাদ স্যারকে কি সেলিব্রেটি বলা যায়? সেলিব্রেটিদের সাথে একধরণের বাণিজ্যিক সংযুক্ততা থাকে।

কায়কোবাদ স্যার একজন নামকরা শিক্ষাবিদ, কিংবা শিক্ষা উন্নয়ন ব্যাক্তিত্ব হতে পারেন;কারো কারো কাছে আদর্শ ব্যাক্তিত্বও হতে পারেন।কিন্তু সেলিব্রেটি বলতে তিনি যা বোঝেন তিনি ঠিক তা নন।

সেলিব্রেটি ব্যাপারটা যতটা মেধার কিংবা যোগ্যতার নয়, তার চেয়ে বেশি বিজ্ঞাপনের,বিপননের।

একই কথা আইনস্টাইনের ক্ষেত্রে।তিনি অনেক বড় বিজ্ঞানী, অনেক বড়মাপের মানুষ কিন্তু সেলেব্রেটি বোধহয় নন।

"খেলোয়ার কিংবা মিডিয়ার লোকেরাই যে সব সময় সেলিব্রেটি হবে এমন কোন বাধা ধরা নিয়ম নেই"।

ঠিক; তবে সেলিব্রেটির সাথে বাণিজ্যের সংযোগ থাকতে হবে।আমার এমনটায় মনে হয়।
১৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৮
কিশোরবালক বলেছেন: পোস্টের সাথে সহমত।

প্লাস, প্রিয়তে থাকবে।

মেধাবীরা বাংলাদেশে থাকবে কি জন্য? আমি বুয়েটে CSE তে পড়ি। আমাদের যেভাবে পড়ানো হয়, যে বিষয়গুলো পড়ানো হয়, বাংলাদেশে তার প্রয়োগ মনে হয় ২০% এর মত হবে। আমাদের দেশে একজন সিএসই গ্রাজুয়েটের চাকরির জন্য দরকার হয় শুধু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের জ্ঞান, আর কোন কিছুই আমরা আমাদের চাকরীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করি না। আমাদের বাকি ৮০% বিষয়গুলোর কোন প্রায়োগিক ক্ষেত্র আমাদের দেশ এখনো তৈরি করতে পারেনি। এতে আমাদের মধ্যে কাজ করে একধরনের হতাশা, যা কেবলমাত্র আরেকজন বুয়েটিয়ান ই বুঝতে পারবে।

আজ থেকে চার বছর আগে আমাদের বুয়েট সিএসইর যে ব্যাচ পাশ করে গেল, তাতে গ্রাজুয়েট ছিলেন ১২০ জন। আজ তাদের মধ্যে থেকে কেবল ১৫ জন এর মত বাংলাদেশে আছেন। এর আগের যে ব্যাচগুলো ছিল, তাদের কাউকে তো দেখাই যায় না।

আমাদের ডিপার্টমেন্টে প্রতি বছর পাশ করে যাওয়া ব্যাচ হতে অন্ততঃ ৬ জন গ্রাজুয়েটকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করছে, কিন্তু তারপরও আমাদের শিক্ষক স্বল্পতা থেকেই যায়।কারণ, নিয়োগ পাওয়ার ২ বছরের মধ্যে তারা বাইরে চলে যান।

আর কায়কোবাদ স্যার আমাদের থার্ড ইয়ারে কনক্রিট ম্যাথ নিতেন। তো স্যারের ভাষাতেই বলি, "আমাদের দেশের মানুষজন এসিএম ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রামিং কম্পিটিশনের ফাইনালিস্ট একটি ছেলের থেকে আশরাফুল, আফতাবদের বেশি দাম দেয়।"

তাহলে যে দেশের মানুষ এসব মেধাবীদের কোন মূল্যায়ন করছে না, তারা সে দেশে থাকবে কেন???????
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: এখন পর্যন্ত থাকার পক্ষে কারন দুটো।

এক, দেশপ্রেম। যদিও এটা বিতর্কের বিষয় যে আসলে দেশে থেকে না বিদেশে থেকে দেশের জন্য বেশি উপকারি হওয়া যায়। সে বিতর্ক আপাতত এড়িয়ে যেতে চাই। কায়কোবাদ স্যারের মতে দেশে থাকা উচিত না, অবশ্যই বিদেশে চলে যাওয়া উচিত।

দ্বিতীয়, পারিবারিক বন্ধন।

১৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩০
আট আনা বলেছেন: ক্রিকেট তো একটা ব্যবসা। সেই ব্যবসা ধরে রাখার জন্য কিংবা লাভ বাড়ানোর জন্যই ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের আজকের দুরাবস্থার জন্য অনেকেই দায়ী করেন তরুনদের বাস্কেটবল আর ফুটবল খেলার দিকে ঝুকে পড়াকে। আজকে যদি বাংলাদেশের অন্যান্য পেশাজীবিদের আয়ের দিকে তাকিয়ে ক্রিকেটারদের বেতন না বাড়ানো হয়, তখন তাদেরও আইসিএলে চলে না যাওয়ার জন্য দেশপ্রেমএর দোহাই দিয়েই নির্লিপ্ত থাকতে হবে আমাদের।

বাংলাদেশে সব পেশাজীবি মানুসষেরই বেতন বাড়ানো প্রয়োজন। এখন গরিব দেশের সরকারের সামর্থ কতটুকু সেটাও ভাবতে হবে।

মেধাবি ছাত্রদের বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে দেশের প্রফেসরদের/অন্যান্য পেশাজীবির বেতন কত বাড়াবেন ? আমেরিকার মানুষের বছরে গড় আয় ৩০ হাজার ডলারের (প্রি ট্যাক্স) মত। ওই দেশের জীবনযাত্রার মান অনুজায়ি এটা মোটামুট বলা যায়। টেকি, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন আরো অনেক বেশি। এত কিছু বলার কারন হলো, এখন বাংলাদেশ সরকার তো আমেরিকার সাথে পাল্লা দিয়ে বেতন দিতে পারবেনা। আমরা যদি বাংলাদেশে থেকে আমেরিকার মান অনুযায়ী বেতন চাই আর তা নে পেয়ে বিদেশে ভাগি, তাহলে দোষ কার ?

ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: আমেরিকান স্কেলে বেতন কিন্তু চাইছি না। আমেরিকাতেও একজন প্রফেসরের বেতন তার সদ্য পি এইচ ডি শেষ করা ছাত্রের চেয়েও অনেক কম, ভালো কোম্পানিতে ঢুকলে প্রফেসরের দ্বিগুনেরও বেশি বেতন পাওয়াও অবাক করা কিছু নয়। একজন প্রফেসর কখনো একজন ক্রিকেটারের সমান আয় করবেন সেটা আশাও করি না।

আমি শ্রমের মূল্যের বানিজ্যিক ধারনার বিরোধী। ক্রিকেট একটা বানিজ্য, অনেক আয় হয়। তাই ক্রিকেটারদের বেশি টাকা দিতে হবে। এখন ভাবুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় কেন কম? কারন, দেশের জনসাধারন যেন শিক্ষার সুযোগ পায়, তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফ্রি পড়ানো হয়। তাই, আয় কম, এই অজুহাতে শ্রমের অবমূল্যায়নের কোন সুযোগ নেই। শুধু আয় নয়, দেশ বা সমাজের জন্য অবদান অবশ্যই মূল্যায়িত হওয়া উচিত।

১৭. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
আট আনা বলেছেন: আর একটা পেশাজীবির সাথে আরেক পেশাজীবির মেরিট নিয়ে তুলনা করাটা শুধু হাস্যকরই না ছেলেমানুষীও বটে।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: মেরিট নিয়ে কিন্তু তুলনা হয়নি।

একটা ব্যপার কি খেয়াল করেছেন, পন্ডিতমশাই ছাত্রদের প্রশ্ন করতে পেরেছিলেন, তার পরিবার কুকুরের কয় ঠ্যাঙের সমান। এখন আমরা এতটাই কর্পোরেট কালচারে ধোয়া হয়েছি, যে প্রশ্নটাই কারো কাছে হাস্যকর লাগছে। কুকুর আর মানুষে তুলনা হয় না এটা ঠিক, কিন্তু প্রশ্নের মেসেজ কি এটাই, নাকি অন্য কিছু।

১৮. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
গৌতম রায় বলেছেন: ...এখানে বোধহয় মেরিট নিয়ে কথা হচ্ছে না। সাহেবের কুকুরের একটি ঠ্যাং যে পণ্ডিত মশায়ের পুরো পরিবারের চেয়েও বেশি আয়ের সুযোগ পান, সেটিই তুলে ধরা হয়েছে।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত।

১৯. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: চিন্তার ব্যপার :

তবে সমাধান নিশ্চয়ই আছে

কায়কোবাদ স্যারকে শ্রদ্ধা করি ..


অট: আপনি আজকাল ব্লগে থাকেন না কেন ?
খুব ব্যস্ত ?

২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: সমাধান হোক এটাই আশা করি।

অট: হুমম।

২০. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হমম মানে ????

আপনার লেখা দেখলেই পড়তে আসি ..

আমার ব্লগে পারা দিয়েন সময় পাইলে ..

খুব ব্যস্ত থাকলে ভিন্ন কথা
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: বেশ ভালোই খোচা দেয়া হচ্ছে তাই না।

আপনার ব্লগবাড়ি ঘুরে এসেছি কিন্তু :)

২১. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩১
নুশেরা বলেছেন: কঠিন বাস্তবতা চাবুকের ডগায় তুলে এনেছ ভাই।

দেশে আমরা দুজনের রোজগারেও সংসার চালাতে হিমশিম খেতাম (পাবলিক সার্ভেন্ট আর পাবলিক ইউনির শিক্ষক)। তখন সাইফুর রহমান অর্থমন্ত্রী; পেস্কেলের কথা শুনলে ক্ষেপে যেতেন; মানুষকে বিদেশী ফল বাদ দিয়ে কাঁঠাল, বেগুনী বাদে ইফতার-- এমন সব টন্টিং পরামর্শ দিতেন। এতবার রাষ্ট্রীয় বাজেট তৈরির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই লোকটি সরকারী বেতন-স্কেলের কন্সট্রেইন্টে একটা পরিবারের বাজেট করতে পারতেন কিনা আমি সন্দিহান। এখন তো অবস্থা আরও করুণ।

অ.ট. তোমার পোস্টগুলো কোথায়, কেন ড্রাফট করলে! আচ্ছা, কারণ বলতে হবেনা, শুধু ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করে গেলাম।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

বাবা সরকারি চাকরি করতেন, ভাইয়া এখন করে। সরকারি চাকরির অপটিমাইজেশন প্রবলেম ভালো ভাবেই টের পেয়েছি। মজার ব্যপার হলো, বাবার এল পি আর শেষ হওয়ার ঠিক এক বছর পর আমি ফুল টাইম জব শুরু করি প্রাইভেট সেক্টরে। বাবার এতো বছর চাকরির পরে সর্বশেষ বেতনও আমার স্টার্টিং স্যালারির চেয়ে অনেক কম ছিল। সরকারি চাকরি আকর্ষনীয় থাকবে কি করে। এখন তো আমি ভেবে পাইনা, সরকারি চাকরিজীবি একজনের আয়ে সংসার কি করে চলতে পারে।

২২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২
তনুজা বলেছেন: এই যে ছেলেটা আমি কিন্তু একটু হলেও সিনিয়র

পোস্ট কই সব
ফিরিয়ে না আনলে সোজা উত্তম মধ্যম
কোন অজুহাত শুনতে চাই না
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: সেরেছে।

ভয়েই আধমরা [বেহুশের ইমো] :)

২৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৭
বিডি আইডল বলেছেন: হে হে হে...উতি উত্তম...

বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী করে যারা সৎ থাকার ব্রত নেন...মোহ কাটতে বেশী দিন লাগে না...

১৫০০$ তো শুধু বুয়েটে...অন্য গুলার অবস্হা আরো খারাপ...

বেতন-ভাতার কথা নাইবা বললাম
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন: মোটিভেশন খুজতে হয় অন্য কোথাও...

২৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সবই নগদ ব্যবসা!! ... আশরাফুল একরান নিলেই টিভি ভইরা দর্শক দেখে হাততালি দেয়, মাঠে দর্শক উপচাইয়া পড়ে --- নগদ নগদ পয়সা আসে
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ঠিক। সবই ব্যবসা। এটাই তো ভাবনার বিষয়।

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৯
নীরজন বলেছেন: অসাধারন পোস্ট................ভাবনায় ফালাইয়া দিলেন............
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাবুন।

৩১ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: :(

২৮. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১০
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: পড়লাম... কমেন্ট করা যাচ্ছেনা.... অনেক চিন্তার ফ্যাক্টর পাওয়া যাচ্ছে.... তবে আপনাকে একটা সাজেশান দিতে পারি পোস্টের ব্যাপারে... আপনার পোস্টের ফোকাস টা আশরাফুল ভার্সাস কায়কোবাদ হয় যাচ্ছে.... আপনার মূল বক্ত্যব্য টা ক্লিয়ার করার জন্য ১১ নং কমেন্টের যে রিপ্লাই টা দিছেন সেইটা মূল পোস্টের সাথের এক্সটেনশান হিসেবে জুড়ে দেন!!! তাইলে পাবলিকে মূল কথা টা বুঝতে পারব..।
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য।
কিন্তু পোস্টটাকে এমনি রাখতে চাই। মূল কথাটা যে যার মত করেই বুঝে নিক।

২৯. ০৯ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
উজায়ের বলেছেন: পোস্টের সাথে সহমত। প্লাস, প্রিয়তে থাকলো :)

:) :)
০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৩০. ০৯ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: দারন লিখছেন। আর কিছু বলার নাই।



বেহুশের ইমো খুঁজে পেলে জানাইয়েন।
০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

বেহুশের ইমোটা আসলেই খুব দরকার। সামুর খুব হট ইমো হবে ওটা।

৩১. ০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
সোজা কথা বলেছেন: আতিক ভাই। সময় হলে এটা দেখবেন : Click This Link
০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ভাই। দেখবো অবশ্যই। :)

৩২. ২২ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: সবকিছুর পরেও মোনাস ইউনিভার্সিটিতে আমার রুমের জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখতে দেখতে বুয়েটে আমার রুমের জানালার কথাই যেন মনে পরে। বিখ্যাত মানুষ হবার চাইতে ভাল মানুষ- হবার ইচ্ছাটাই বেশী থাকে। তাই দেশে ফিরে আসব।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন না, কাছের মানুষগুলোর জন্যই ফিরে আসার কথা ভাবি। স্বপ্ন দেখলেই ভাঙ্গার ভয়।

৩৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
তরু বলেছেন: ভালো পোস্ট।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
শ্যোন বলেছেন:
স্যারটা ভালা...প্রায়ই ইএমই বিল্ডিঙ্গের বিভিষীকাময় লিফটে দেখা হয়। দুঃখের হাসি দেন একটা।

বোকা মানিষ নিপাত যাক।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: বোকা মানুষেই বরং ভরে উঠুক দেশ।

৩৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
অন্যরকম বলেছেন: এইলেখাটা আগে পড়িনি। এবারপড়ার পর বুঝলাম, না পড়লে কি হারাতাম! +
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: বুঝিনা এমন পোষ্টে কি মন্তব্য করা উচিত। শুধু এটুকু বুঝি যে বুয়েটের ঐ লাল ইটের বিল্ডিংটা এখনও খুব নষ্টালজিক করে।

কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে ভোগের কালচার কিছুটা দেখেছি, এখন মেধাপাচারের কালচার কিছুটা দেখছি।

নিজেই মাঝে মাঝে মোটিভেশনের অভাবে ভুগি ।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: মোটিভিশনের জায়গাটা খুজে বের করাই সবচেয়ে কঠিন। আমাদের প্রচলিত সমাজ কাঠামো এটাকে আরো বেশি কঠিন করে দিচ্ছে। নিজের প্রিয় মানুষগুলোর মধ্যেই মোটিভেশন খুজুন। তাতে অন্তত হারাবার ভয় নেই।

৩৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
যীশূ বলেছেন: আজকের পন্ডিতমশাইদের কথা বলি। যারা জাতে বামুন, সেই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কথাই বলি। একজন প্রফেসর কায়কোবাদ মাসে বেতন পান বিশ থেকে পচিশ হাজার টাকা। বিদেশের কনফারেন্সে গবেষনাপত্র প্রকাশে যাওয়ার সুযোগ পান তিন বছরে একবার, তাও সর্বোচ্চ ১৫০০ ডলার দেবে সরকার।
----------------------------------------------------------------------------------

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিন্তু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিয়ে লাখ লাখ টাকা কামাচ্ছেন। আমার মনেহয় নজর দিলে আগে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের দিকে আগে নজর দেয়া উচিত।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে দ্বিমত করছি না। কিন্তু এ ব্যপারে দুটো কথা বলার আছে।

১। আমি কিন্তু বলেছি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতে বামুন। সেই ভাবে ধরতে গেলে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা নম শূদ্রের কাছাকাছি কিছু হবেন। তাই তাদের অবস্হাতো আরো খারাপ হবেই। তবে যারা পারছেন পুষিয়ে নিচ্ছেন টিউশনি পড়িয়ে।

২। শিক্ষার ব্যপারে আসলে দৃষ্টিভঙ্গিরই পরিবর্তন দরকার। আমি মনে করি একজন ছাত্রের গড়ে ওঠা নিচ থেকে ওপরে হলেও শিক্ষা ব্যবস্হা গড়ে ওঠা উচিত উল্টো দিক থেকে। মানে শুরুটা হবে আমাদের কেমন জনশক্তি দরকার, তারপর সে অনুসারে ডিজাইন হবে শিক্ষার সর্বোচ্চ ধাপগুলো। এরপর এর সাথে তাল মিলানোর মত করেই নিচের ধাপগুলো গড়ে তুলতে হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গির জন্যই আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিয়ে ভাবনাটা বেশি জরুরী মনে করি।

৩৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:১৯
খালেদ সময় বলেছেন: সুন্দর ভাবনা। শুরুটাও অসাধারন
৩৯. ১৮ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩২
মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না বলেছেন: কি কমেন্ট করবো বুঝতে পারছি না...........কেন যেন একটু লজ্জা লজ্জা লাগছে..........অাশ্চর্য ব্যাপার, অামাদের মতো নির্লজ্জ্বদেরও লজ্জ্বা হয়!!!
৪০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪১
মুভি পাগল বলেছেন:
একজন মানুষ ধনী নয় এটার তুলনায় যদি ক্রিকেটার চলে আসে তবে স্ট্রেইটলি বলব অনেক সমস্যা আছে এই তুলনাতেই।

সালমান এফ রহমান, নুরুল ইসলাম বাবুল এরা বিডির কয়টা টিচার বা বিখ্যাত লোকদের সমান? এদের ব্যক্তিগত জীবনের অর্জন দিয়ে কি এদের অবদানের তুলনা করা যাবে?

বা এরা যা করছে এবং যা করতে যাচ্ছে সেটা নিয়ে যদি মাথা ঘামাই তবে কায়কোবাদ কেন, অনেককেই তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

অ্যাপলের মালিক স্টিভ জবস রিড কলেজ থেকেই ড্রপআউট। অথচ তার আইফোন, আইপ্যাড, আইপড এর অনেক মেকানিজম আমাকে ভার্সিটিতে কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর সুবাদে গলাধ:করণ করতে হচ্ছে।

তবে কি আমার উচিত স্টিভ জবসকে গালি দেয়া? আমার কি উচিৎ সবাইকে এটা বোঝানোর চেষ্টা করা যে এই লোকটা কেবল পণ্য বেচে পয়সা আয় করা ছাড়া জাতিকে আর কিছুই দিতে পারছেনা। সুতরাং এই লোক, বিল গেটস প্রভৃতি লোককে টিচারদের কাছে মাথা নত করতে হবে এবং টিচারদের আর্থিক মূল্যায়ন এদের চেয়ে বেশি হতে হবে?










সেলুকাস

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: আপনি আমার পোস্টের বিষয়বস্তু কিছুই ধরতে পারেন নাই। সেইজন্য কমপ্লিটলি অপ্রাসঙ্গিক কিছু কথা বলছেন। আর স্টিভ জবস, বিল গেটসের ছবি দেওয়ারও কোন দরকার ছিল না। নাম বললেই তাদের চিনতাম।

আমার এই পোস্টটার উদ্দেশ্য একজন ক্রিকেটার এবং একজন প্রফেসরের আর্নিং কম্পেয়ার করা না। এইটা একটা স্পেসিফিক ইনসিডেন্ট দিয়ে মোটিভেটেড যা হচ্ছে আইসিএলে যাওয়া নিরুৎসাহিত করতে ক্রিকেটারদের বেতন ভাতা ৩০% এর বেশি বাড়ানো।

আশরাফুল এনডোর্সমেন্ট থেকে, নাটক করে, মডেলিং করে কত টাকা পাক, সেইটা নিয়া আমার কোন মাথাব্যথা নাই। আমার মাথাব্যথা সরকারের প্রায়োরিটিতে। আজকে আমার দেশের ক্রিকেটাররা একটু বেশি পয়সা পাওয়ার জন্য বিদেশে চলে যাবে, এইটা ঠেকাতে সরকার ফিল করে যে তাদের বেতন-ভাতা বাড়ানো দরকার। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রিকেটাররা যা পায় তার সাথে কম্পেয়ারেবল হওয়া দরকার। আমার দেশের মেধাবি ছাত্ররা বিদেশে রয়ে যায়, তাদের সার্ভিস দেশ পায়না, এইটা নিয়া সরকার কিছুই ফিল করে না। এইটাতে আমার প্রবল আপত্তি আছে। আমি চাই সরকার এই লোকগুলারেও দেশের সম্পদ মনে করুক, এই লোকগুলারে আশরাফুলের কয়টা রানের চেয়ে বেশি ইম্পোর্টেন্ট ভাবুক আমি এইটা চাই।

৪১. ২৯ শে জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:১৮
জীবনকেসি বলেছেন: ------ নিজে একজন বিবিএ এমবিএ করা সরকারি কলেজ শিক্ষক। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘর ভাড়া করে থাকার সামর্থ নেই। মাস শেষ হওয়ার আগেই বেতন শেষ । অথচ একজন এসএসসি ফেল জেলা পরিষদের পিয়ন এর জেলা সদরে চারটি অট্টালিকা । প্রতিটি ফ্লাট ভাড়া ১৪০০০ টাকা। আমার বেতন স্কেল এর চাইতে ২০০০ বেশী। শুধু পিয়নের চাকুরির ইনকাম দিয়েই এই অবস্থা।
প্রাইভেট টিউশনির কথা আসলে তা শুধুমাত্র ইংরেজী হিসাববিজ্ঞান ও বিজ্ঞান বিভাগের কিছু বিষয়ের জন্য। অন্যরা কি টিউশনি করবেন!
যেখানে একজন শিক্ষককে প্রতিনিয়ত সংসার চিন্তায় ডুবে থাকতে হচ্ছে সেখানে তার কাছ থেকে সর্বদা ভাল কিছু আশা করা কি যৌক্তিক হবে?


লেখকের লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে নিয়ে বলার খুব বেশি কিছু নাই। বুয়েট থেকে পাস করে আমেরিকা পড়তে আসে অনেকেই। আমি তাদেরই একজন। বাকিটা পাঠক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ