পরকীয়ার ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত হওয়া কোন মতেই সম্ভব হচ্ছে না। দেশ এক কঠিন সময়ের মধে দিয়ে পার হচ্ছে। বিশ্বাস বলে যে একটা ব্যপার আছে তা এখন সবাই ভুলতে বসেছে। কোথাও শান্তি নাই এখন। না ঘরে না বাহিরে। স্বামী আর স্ত্রী এর মধ্যে যে পবিত্র বন্ধন সেখানেও এখন অবিশ্বাস এর এক করুণ চাহনি দেখা যাচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে হয়ত অদূরও ভবিষ্যতে আরো খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারি আমরা।
তাই সময় থাকতেই সাবধান হতে হবে। আর আগে থেকেই যদি ধারনা থাকে যে তার স্বামী অথবা স্ত্রী পরিকীয়া তে লিপ্ত তাহলে হয়তো প্রতিকার পাওয়ার সম্ভবনা থাকতে পারে। দেরি হয়ে গেলে সেখান থেকে ফিরে আসার কোন গতি নাই ।
তাহলে জেনে নিন কি করে বুজবেন সেটা -
•সংসার এর প্রতি উদাসীন
এ ক্ষেত্রে উদাসীন বেশি দেখা যায় স্বামীকেই। স্ত্রী এর কোন কথা আমলে না নেয়া, সংসার এর দ্বায়িত্ব পালন না করা।
•মেজাজ খিটখিটে থাকা বাসায় আসলেই
অফিস করে বাসায় আসার পরই এই ঘটনা ঘটে। কোন কথা বলতে গেলেই ঝগড়া হওয়াটা এখানে কমন। জিনিসপত্র ভাংচুর করাটাও এখানে হয়।
•দেরিতে ফেরা অফিস থেকে
অনেক রাত করে যদি ফেরে অফিস থেকে তাহল ও এটা হতে পারে। সাধারণত রাত ১২ টার পর বাসায় আসলে সন্দেহ ঘনীভুত হয়।
•স্বামীকে দেখতে না পারা
এ ক্ষেত্রে দেখা যায় সারাদিন ভাল ভাবে থাকেলও স্বামী যখনই আসে বাসায় তখন স্ত্রী তার কাছ থেকে দূরে থাকে।
•মোবাইল বন্ধ রাখা
স্বামী অথবা স্ত্রীর মোবাইল বন্ধ রাখা মানেই হল তার আলাদা কোন সিম আছে। সেইটা দিয়ে সে মোবাইল এ কথা বলে।
•অনেক রাতে স্বামী অথবা স্ত্রী কে বিছানায় না পাওয়া
এমন যদি হয় যে স্বামী হঠাৎ করে ঘুম থেকে উঠে দেখল পাশে তার স্ত্রী নেই। আশেপাশে কোথাও যখন দেখতে পাওয়া যায় না।
•রাতে পাশ থেকে ফিসফাঁস আওয়ায শোনা গেলে
মোবাইল এ রাত যদি স্বামী অথবা স্তী যে কেউ ঘুমিয়ে যায় আর সে ফিসফাঁস করে মোবাইল এ কথা বলে সে ক্ষেত্রে বুঝে নেয়া যায়।
•ব্যাস্থতার অজুহাত দেখালে
স্বামী কাজের অজুহাত দেখিয়ে যদি স্ত্রীকে সময় না দেয় তাহলেও বুঝা যায়।
•স্বামী অফিস এর কাজ এ গেলে যদি স্ত্রী খুশি হয়
এটা বুঝতে হলে স্বামীকে অবশ্যই আগে থেকে স্ত্রী এর মন বুঝতে হবে। সে কি চায় না চায় সব কিছু। আর এসব বুঝতে পারলেই স্ত্রী এর মন এ কি আছে তা সহজে বুঝা সম্ভব হবে। অফিস এর কাজে স্বামী বাহিরে যাওয়ার কথা বললে যদি স্ত্রী খুশি হয় আর তার জন্য বিভিন্ন উপহার আনার কথা বলে দেয় তাহলে ধরে নেয়াই যায় কি হচ্ছে।
•অফিস এর একজন কলিগ কে নিয়ে বেশি বেশি কথা বলা
স্বামী বা স্ত্রী ২ জন এর ক্ষেত্রেই এটা হতে পারে। অফিস এর কলিগ কে নিয়ে সারাদিন কি হয়েছে কি মজা হয়েছে কি কাজ করেছে এসব যদি বেশি বলা হয় তাহলে।
•অফিস থেকে ঘুড়তে গেলে সাথে না নেয়া
যদি এমন হয় যে অফিস থেকে ধাক এর বাহিরে যাওয়ার প্লান হয়েছে । কিন্তু স্বামী তার স্ত্রী কে নিচ্ছে না সেই সময়।
•বেশি মিথ্যা কথা বলার প্রবণতা
স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ এটা করতে পারে। স্বামী মিথ্যা বলছে কিন্তু স্ত্রী অনেক্সময় সেটা বুঝতে পারে না। তবে মেয়েদের ৬ষ্ঠ ইন্দ্রীয় বেশ প্রবল বলে তারা এটা বুঝে যেতে পারে যে স্বামী মিথ্যা কথা বলছে।
বিঃদ্রঃ এই লেখা কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতাল মাত্র

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

