বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর আর একটি সিরিজ আসন্ন বাংলাদেশের। অস্ট্রেলিয়ার সাথে ঘরের মাঠেই তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলবে তারা। মূলত এই সিরিজই হবে কোচ জেমি সিডন্স এর শেষ কোচিং। তার চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানো হলে চলে যেতে হবে তাকে। এদিকে দেশবাসীর জন্য আর একটা দুঃসংবাদ হল আসন্ন এই সিরিজে দলে পাওয়া যাচ্ছে না মাশরাফিকে। তিনি যে আনফিট সেটা ইতিমধ্যেই বলে দিয়েছেন।
বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং এর দৈন দশা কবে দূর হবে সেটা কেউ বলতে পারেন না। ২/৩ জন ব্যাটসম্যান ছাড়া মূলত দলে আর কেউ সেরকম কোন বড় ইনিংস খেলতে পারছেন না। এতে সমস্যা রয়েই গিয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এখন আমুল পরিবর্তন জরুরি। এর মধ্যে কিছু কিছু বিষয়কে গুরুত্ব এর সাথে নেয়া হলে ভবিষ্যতে সেটা বেশ কাজে দেবে বলেই আমার বিশ্বাস।
•বিদেশী কোচ যদি রাখা হয় তাহলে তার সাথে যেন একজন অনুবাদক ও নিয়োগ দেয়া হয়। সাধারণত বিদেশী কোচ দলে রাখা হলে তারা কখনই বাংলা শিখে এই দেশে আসবেন না। তারা তাদের মাতৃভাষাতেই কথা বলবেন, কিংবা বলছেন। কোচদের কথা অনেক খেলোয়াড়রাই হয়ত বুঝতে পারেন না। ফলে অনেকে ভুল করেন।
•ইংরেজী শিক্ষার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা করা। কারণ অনেক খেলোয়াড় আছেন যাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খুব বেশি নয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তারা ইংরেজি বলতে পারেন না তেমন। নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন তাদের হতে হয়। এতে তাদের কিংবা দেশবাসীর সম্মান হানি হয়।
•নিদিষ্ট কোন খেলোয়াড় প্রীতি মনভাগ পরিহার করতে হবে।
•ক্রিকেট দলের উপর থেকে রাজনৈতিক চাপ সরিয়ে রাখতে হবে।
•ব্যাটিং এর উপর আলাদে ভাবে জোর দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ঘরোয়া কোন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে একেবারে রুট লেভেল থেকেই।
•বিভাগীয় পর্যায় যে লীগ খেলা গুলো হয় তা আরো ঢেলে সাজাতে হবে। সেখান থেকে ভাল ভাল খেলোয়াড়কে জাতীয় দলে খেলার সুযোগ করে দিতে হবে।
•প্রতিটা খেলোয়াড়কে মানসিক ভাবে দৃঢ় করে তুলতে হবে। যাতে তারা অল্পতেই হুড়মুড় করে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে না আসে।
•মিডিয়ার মাতামাতি বেড়ে যাওয়াকে কমাতে হবে। অতিরিক্ত আবেগ সব সময় যে ভাল না এটা তাদেরকে বুঝতে হবে।
•দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের সুযোগ দিতে হবে বেশি বেশি খেলার। ধারাবাহিকতা না রাখতে পারলে তাদের সরিয়ে নেয়া হবে এমন মনোভাব তৈরি করা জরুরি।
আপাতত এগুলোই করা দরকার বলে আমি মনে করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


