জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে,
সে জাতির নাম ব্লগার জাতি।
এ এক আজব জায়গা। কত জনা, কত কথা। এই কথা, সেই কথা । আমার কথা, আপনের কথা। পাড়ার কথা, বেপাড়ার কথা। এপথ, সেপথ, ঘুরপথ, নাইপথ, সবপথের কথা। আস্তিক, নাস্তিক, ব্যাস্টিক, সামস্টিক, অটিস্টিক, আর্টিস্টিক কথা। গালাগালি, ফালাফালি, ঝোলাঝুলি, কোলাকুলির কথা। গাদাগাদি কথা, জেদাজেদি কথা। আকথা, কুকথা, নাইকথা, ভালকথা, অন্যকথা। ভালবাসার কথা, ভাল না বাসার কথা। জানা কথা, অজানা কথা..................কি নাই এখানে!
আর কত নাম। খোদার দুনিয়ার হেন কোন মখলুকাত নাই যে এখানে আসে নাই। ভূচর, খেচর, জলচর, উভচর কি নাই। কবির ভাষায় 'এখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা ব্যবধান'।
হেন সমস্যা নাই যা এখানে আলোচনা হয়না। রাস্ট্র ব্যবস্থাপনা থেকে পরিবার পরিকল্পনা এমন কোন সমস্যা নেই যা এখানে সমাধান হয়না।
দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তাগিদ দিয়ে কদিন ধরে এক সাংবাদিক বন্ধু অর্থমন্ত্রীকে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের 'ঠ্যাকা' না নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আমাদের অর্থমন্ত্রী কি জানেননা, অদুর অতীতে কী ঘটেছিল? একজন টাকা না নেয়ায় বোমার আঘাতে শহীদ। আর অন্যজন টাকা নেয়ায় তা থেকে তার সোনার পাথরবাটিরা ২৩ বা ২৪ হাজার কোটি টাকা নিজেদের কাছে রাখতে পেরেছিল জাতীয় (!) উন্নয়নের জন্য (একটাও আমার কথা না সাংবাদিক ভাইদের বিভিন্ন তথ্যের বিশ্লেষণ মাত্র)। কিন্তুক হেতেনে মরুক বাঁচুক আঙ্গো কিয়া? নিজের নাই ঠিক, অন্যেরে মারে কিক। দিলতো ঝুলাইয়া (স্টিকি) এবার।
গতকাল দেখলাম এক ভাই যাবতীয় সমস্যা থেকে দুরে থাকার পথও আবিস্কার করেছেন। নেসেসিটি ইজ দা মাদার/ফাদার অব ইনভেনশন। সমাধানটা হলো, যা কিছু নেগেটিভ সবকিছুকে পজিটিভ হিসেবে দেখতে হবে। এভাইয়ের রক্তের গ্রুপ সম্ভবত বি-পজেটিভ।
যদিও অনেকে অনেকভাবে বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করেছেন। আমার কাছে পজেটিভ বিষয়টি এসেছে অনেকটা নিম্নরূপ:
নেগেটিভ: পানি নাই তাই ভাত নাই।
পজেটিভ: পানি নাইতো কি হইছে, নিজের শরীর থেকে পানি নিঃসরণ করে চিড়া ভিজাইয়া খামু।
নেগেটিভ: রাজাকার আমার বাপেরে মারছে ১৯৭১ এ
পজেটিভ: মুক্তিযোদ্ধার পেছনে রাজাকারের লাথি ২০০৮ এ
(দুইটা নেগেটিভ মানে একটা পজেটিভ। কোনটা আপনারা ঠিক করেন, আমার কোন ঠেকা নাই বুঝানোর।) ভাই ভুল হইলে মাফ কইরা দিবেন। ক্ষমা পুরুষত্বের (মহত্বের) লক্ষণ।
ব্লগে আবার কারো কারো বিজনেস প্ল্যান দেখলাম। কারো সর্বনাশ কারো পৌষমাস। রোম যখন পুড়ছিল নীরো তখন নাকি বাঁশি বাজাচ্ছিল। দেশের সব মানুষের চান্দি যখন গরমে অস্থির তখন ইনি মধুর সুরে অগ্নিবীনা (মোমের সুতা) বাজানোর প্রস্তাব করছেন। আবার আমারে ডাকে সেই ডাকাতিয়া বাঁশিতে। মুই না শুনুম না শুনুম...।
না আর লেখা মনে হয় ঠিক হচ্ছেনা। কাছে পাইলে দোস্তরা খাতির যত্ন কেমন করবেন বুজতাছি না.....নাঃ.....নাহ....... । সাবধান, আর আগায়েননা, আমি কিন্তু কইলাম.................. (কেমুন ডরটা দিলাম হেঃ হেঃ হেঃ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



