আমার প্রিয় পোস্ট

ভস্ম হই। মৃত্যুর চুমু আমার কপোল ছুঁয়ে যায়। বেঁচে উঠি আবার। নতুন দিনের আশায়। বেঁচে উঠি বারবার।

গায়ে হলুদের ছড়া

২৩ শে জুন, ২০০৬ রাত ১:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার স্ত্রীর এক বোনের বিয়ে। অনুরোধে ঢেঁিক গিলে একটা ছড়া লিখে দিতে হলো। ধরে নেই তার নাম মিশা। মিশা এখানে মাস্টর্াস করছে। বিয়ের জন্য দেশে যাচ্ছে।

মিশার গায়ে হলুদ
=============
মিশা মোদের আসবে হেথায়
সাত সমুদ্র ঘুরে,
এমন মজা কোরব, তোমার
প্রানটি যাবে ভরে।

নাচব মোরা গাইব মোরা
নতুন চেনা সুরে,
মিশা মোদের পরবে নতুন
হলুদ শাড়ি ডুরে।

তোমরা যত বন্ধু আছো
খুব কাছে ও দুরে,
রইলো দাওয়াত চলে এসো
এই আমাদের ভিড়ে।
=============

বলুন তো ব্লগার ভাইয়েরা কেমন হোল? কারো কোন সদুপদেশ থাকলে তাও দিতে পারেন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

 

১. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
সাদিক বলেছেন: মাশীদ কই। ও থাকলে তোর 12 লাইন টেনে 52 লাইন করে দিতো।

যাই হোক দারুন হইছে।

প্রথম দিকে একটা সাজেশন:
"মোদের মিশা, আসবে হেথা"

--- এরকম হলে কেমন হয়?
২. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: মিশার জন্য শুভকামনা চাইছি।
৩. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
সাদিক বলেছেন: মিশার জন্য শুভ কামনা চাইতে হবে কেন? প্রাণ ভরা শুভ কামনা। মিস করছি এবং করবো তোদের।

আর ওই বান্দর দুটোকেও স্পেশাল ভাবে। কতদিন দোস, তুই, আমি, ছাগলা, সুবিইর্যা সবাই একসাথ হইনা, চিন্তা করছিস। গশ!

চল আউলার 318তে। সুবিইর্যার রুমে।
৪. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: ঠিকই বলছিস, মাশীদের কবিতা চুংইগামের মতো লম্বা হয়ে যায়। (খাইছে)

তোর সাজেশন বেটার লাগতেছে। থ্যাঙ্কস।
৫. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: সুবির বান্দরের ফোন নাম্বারটা ইমেইলে পাস করে দিস তো। ফোন করে গালি দিতে হবে।

দোস এই মিস করার মধ্যে একটা মজা আছে, বলতো মজাটা কি?
৬. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: সুবিরের কাছ থেকে ফোন নাম্বার নিলাম, ফোনই করা হয়না। আসলেই খুব মিস করি তোদের।
৭. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: মজাটা হইল মিস করতেছি বলে লোকটার ইমর্্পটেনস বুঝতেছি। নাকি অন্য কিছু?
৮. ২৩ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
অতিথি বলেছেন: ঘটনা ওইরকমই। যেমন বিদেশে আইসা আসলে বুঝলাস বাপ মা কতটা আপন। সবসময় ছায়ার মতো আশে পাশে থাকে বইলা বোঝা যায় না। এখন মিস করি আর তাদের আরো বেশি করে বুঝি।

বন্ধুদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। দেখবি যারা দেশে আছে তারা খুব ব্যস্ত। দেখা হয়, হয় না। ব্যাপারনা।

আমরা যারা বিদেশে, বুকটা আকু পাকু করে সুবিইর্যারে দেইখা ওর পিঠে কিল মারতে। আবার বুয়েটের ক্যান্টিনে সিংগারা খাইতে। মিস করার মজাটা ওইটা। গভীরভাবে ফিরে আসে সব কিছু।
১০. ২৪ শে জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
অতিথি বলেছেন: ত্রিশা আর ধুসা বসাইতে তো আমার আপত্তি নাই। কিন্তু আপনার ঘরের লোক রাজি তো?
Comon man এত 'লইজ্জা' থাকবে চলব? কে এই ত্রিশা যার জন্য ধুসা ভাই ঘুসা খাইসা বইসা আছে?

১১. ২৪ শে জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
অতিথি বলেছেন: মিশার জাগায় ত্রিশা আর অই ব্যাটার জাগায় ধুসর গোধূলি বসানো যায় না?

এখন নিশ্চই প্রশ্ন করবেন, কে এই ত্রিশা....
উত্তর হলো : কইতে পারম না! স্বরহীন দিদিরে জিগান। আমার লইজ্জা লাগে

 

মোট সময় লেগেছে ০.১৩০৮ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আমার কোন লেখা কোথাও পুন: প্রকাশ করার আগে দয়াকরে যোগাযোগ করবেন। (মুর্শেদ@জিমেইল)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ