আমার প্রিয় পোস্ট

ভস্ম হই। মৃত্যুর চুমু আমার কপোল ছুঁয়ে যায়। বেঁচে উঠি আবার। নতুন দিনের আশায়। বেঁচে উঠি বারবার।

সমবয়সীদের মাঝে বিয়ে - কিছু কথা

২৮ শে জুন, ২০০৬ রাত ৯:৪৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

একটা সময় ছিল যখন বিয়ে শাদীর জন্য 5-10 বছরের ছোট মেয়ে ছাড়া চলত না। বয়স্ক লোকেরা কচি কচি বউ নিয়ে বড়াই করে ঘুরে বেড়াত। যে যত অল্প বয়স্ক বউ নিয়ে ঘুরতে পারবে তার ক্রেডিট তত বেশী।

ব্যাপারটা বোধকরি পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা থেকে এসেছে। পুরুষরা তাদের ক্ষমতা ফলাতে ভালোবাসে। অল্প বয়সী মেয়েদের শাসন করতে সুবিধা। মেয়েদের চিন্তা ভাবনাকে mold করে তাদের সাথে যাতে তাল মেলায় সেটা নিশ্চিত করা যায়। মহানবী (সাঃ) তার চেয়ে বেশী বয়সী কাউকে বিয়ে করেছিলেন এই তথ্যটাকে তার ব্যবসায়ী বুদ্ধির চেয়ে বেশী কিছু নয় দাবী করে পুরো ব্যাপারটাকেই অগ্রাহ্য করেন পুুরুষতান্ত্রিক সমাজের লোকেরা। তাই কিশোরী মেয়েদের বিয়ে করতে একদমই বাঁধে না মাঝবয়সী কারো।

যদিও তুলনামূলক অল্প বয়সে বিয়ে করার ফলে সেসমস্ত নারীরা নিজস্ব বুদ্ধিবিহীন, সংসার সামলানোয় ব্যাস্ত, সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র বই আর বেশী কিছু হতে পারেন না। তারপরও সঙ্গত কারনেই সেমস্ত পরিবার টিকে থাকার সম্ভাবনা বেশী থাকে। আর তাই এই অল্প বয়সী বিয়ে করার প্রথা চলে আসতে থাকে। আমি তো এযুগেই এই ধরনের লোক দেখেছি যারা অনেক শিক্ষিত হয়েও অত্যন্ত অল্প বয়সী না হলে বিয়ে করবেন না এরকম গোঁ ধরে থাকেন।

ধীরে ধীরে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে কম ব্যবধানে বিয়ে করার প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেননা বিয়ের নতুন মানে সবার কাছে ধরা দিচ্ছে - বিয়ে মানে শুধু একজন প্রজননক্ষম সজ্জাসঙ্গী নয়। এর মানে আরো অনেক ব্যাপক। স্ত্রী একজন জীবন সঙ্গিনী। সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতা সবকিছুতে তার রয়েছে সমান ভাগীদার হবার অধিকার। আর তাই পশ্চিমে মনের মিল থাকাটাই সবচে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয় আর কিছু নয়।

সমবয়সীদের মাঝে বিয়ে ব্যাপারটা ইদানীং খুব ঘটছে। একই সাথে পড়াশুনা, চাকরী বাকরী করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা এভাবে হয়ে আসছে ব্যাপারগুলো। অনেক অভিভাবক আবার মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। তখন ঘটে সমর্্পক বিচ্ছেদের মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা।

আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, সমবয়সী স্ত্রীর কাছ থেকে সবকিছুতে যে রকম সাপোর্ট পাওয়া যায় সেরকমটা একটা অল্প বয়সী মেয়ের কাছ থেকে আশা করা মুশকিল। সবকিছুতে যে বন্ধুর মত শেয়ার করা, নিজের ভাললাগার বিষয়গুলোর সাথে একই এজগ্রুপের স্ত্রী সাথে মিল খুঁজে পাওয়া এগুলো আসলেই সম্ভব হয়না স্ত্রীর এজ গ্রুপ ভিন্ন হলে।

অবশ্য যুক্তি বুদ্ধি গড়ে ওঠা একটা মেয়ের নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান করবেন এমন পুরুষ পাওয়াও সমস্যা। মেয়েরা করবে ঘরের কাজ আর পুরুষ শাসন করবে সংসার - এই ধারনা আমাদের দেশ তো বটেই এমনকি ইন্ডিয়া, চীন এসব দেশেও প্রচলিত। অনেক পুরুষ হয়ত সমবয়সী বিয়েকে খারাপ হিসেবে দেখে না। কিন্তু সেই ব্যাক্তিই যখন সমবয়সীকে বিয়ে করে তখন সব কিছুতে স্ত্রীর খবর দারী পছন্দ করে না।

অবশ্য এই সমস্ত ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা খুব বেশী থাকে। পুরুষের তুলনায় মেয়ে বেশী বুঝলে বা খবরদারী করতে চাইলে সেটা পুরুষশাশিত সমাজে বেড়ে ওঠা স্বামীর পচ্ছন্দ হয়না। এ ধরনের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনাও খুব বিরল নয়।


কারন যাই হোক: আপনি এই সমবয়সী বা নারীর বয়স পুরুষের চেয়ে বেশী এই ধরনের বিয়ের ব্যাপারটাকে কিভাবে দেখেন?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০০৬ রাত ১১:৩৬

 

  • ২৭ টি মন্তব্য
  • ৯৭৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে জুন, ২০০৬ রাত ৩:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আরও কিছু লিখার ছিল মনে হয়। পরে এডিট করে নিয়।

আমার কথা হল, এজ যাই হোক, বোঝা পড়া টা হল বড় বিষয়।

তবে 1-2 বছরের জুনিয়র দের সাথে তো আমাদের অনেক তফাৎ চিন্তা ভাবনায়। আর 5-7 বছর। নো ওয়ে।

২. ২৯ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৪:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: মাহবুব ভাইয়া, আপনার লিখাটা আমার খুবই ভালো লেগেছে এবং এটা একটা সময়োপযোগী লিখা। লিখায় কিছুবিষয় আসতে পারতো। বাংলাদেশে সম বয়সী বিয়ের ব্যাপারে অভিভাবকদের পুরোনো চিন্তা-ভাবনা , মেয়ে দেখানোর নামে মেয়েদের পুতুল বানানো এইসব আর কি! আমি ব্যক্তিগতভাবেও এই সমস্যার শিকার, তাই আশা করছি ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে আপনার কাছ থেকে আরো জোরালো মন্তব্য পাবো। ধন্যবাদ।
৩. ২৯ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: স্বরহীন, অবশ্যই মনের মিল বড় কথা। কিন্তু বয়স পার্থক্যের কারনে সেটার হবার সম্ভবনা কম। আপনি যা বললেন, ঠিকই বলেছেন।
৪. ২৯ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
comment by: হযবরল বলেছেন: লিখাটা আরো গুছিয়ে ফেলো। খুব ভাল লিখা । এই বিষয় এখন সময়ের দাবীতে আমাদের ডাইনিং ডিসকের্াসের অংশ হওয়া উচিত।
৫. ২৯ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ইফতেখার আপনি তো আরও বড় আকারের ছবির কথা বলছেন। সব সমস্যা তো আর একসাথে তুলে ধরা সম্ভব নয়। আমি বিরুদ্ধ মত টা জানতে চাচ্ছিলাম এখানে। অন্যান্য বিষয় নিয়ে হয়ত ভবিষ্যতে লেখব।
৬. ২৯ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা পয়েন্ট বোধহয় লেখা হয়নি। অতীতকালে 7/10 বছর ডিফারেনস মেইনটেইন করার ব্যাপারে একটা যুক্তি দেখানো হতো যে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের একটিভ সেক্স লাইফ 10 বছর আগেই শেষ হয়ে যায়।
৭. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাল ভাল খুব ভাল
৮. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: দোস্ত মুর্শেদ। আমি পয়সার দুইপিঠ দেখতে ভালোবাসি। তাই আমি তোর লেখার সাথে একমত হলেও বিপরীত যুক্তি নিয়ে তর্ক করতে রাজি আছি।

আমি একমত না, বয়সের পার্থক্যের কারনে মনের মিল হওয়ার সম্ভাবনা কম। কেন সেই যুক্তিতে পরে আসি। তুই অনলাইনে আসলে আওয়াজ দিস। আমি আপাতত ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছি।

পরে জমজমাট চায়ের কাপে ঝড় তোলা যাবে। মৌটুসীকে (মুর্শেদের বৌ, আমার ক্লাসমেট ও বন্ধু) শুভেচ্ছা জানাইস।
৯. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
comment by: মদন বলেছেন: আমিও সামান্য দ্্বিমত পোষন করছি
আমার মনে হয় বই 4-5 বছরের ছোট হলেই বেশি ভাল। ভাল সংসার ভাগ্যের ব্যপার, তারপরেও নিজেদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর জন্য মনে হয় এটা প্রয়োজন।
তবে...
যে ভাগ্যের খেলা বড়ই অদ্ভুত। যেকোন ভাবেই সুখ অথবা দুঃখ আসতে পারে।
কাজেই...
বিয়ে করলেই হলো, বাকিটা কপালের ব্যপার।
১০. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আসলে দুজনের Understanding টাই তো মেইন ব্যাপার;
কাজেই বয়সটা খুব বড় কোন ফ্যাক্টর না সবসময়।
বরং পার্সোনালিটি, ব্যাকগ্রাউন্ড - এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

এটা শুধুমাত্র জীবনসঙ্গী না, বন্ধুদের বেলায়ও সত্য।
আমার খুব ভাল একবন্ধু আমার পাঁচ বছরের ছোট, আবার আরেকজন আমার চেয়ে পঁচিশ বছরের বড়।
এদের দুজনের সাথেই ওয়েভলেংথ (পিয়াল ভাইর ইন্টারভিউ থেকে এই শব্দটা ধার করলাম) ম্যাচ করে; হেভী জমে আড্ডা, ঘন্টার পর ঘন্টা।
এই ওয়েভলেংথ ম্যাচ করাটাই জরুরী।

তবে মুর্শেদ, সংসার সামলানোয় ব্যাস্ত মেয়েদের (অর্থ্যাৎ গৃহিনীদের) কে আমরা মনে হয় মাঝেমাঝে একটু বেশীই ছোট চোখে দেখে ফেলি;
তাদেরকে ভালভাবে না জেনেই জেনেরালাইজড মন্তব্য করি যে তারা নিজস্ব বুদ্ধিতে স্বয়ংসম্পুর্ণ না, অথবা তারা 'সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র'। এই শব্দগুলো চটকদার মানি, কিন্তু আমাদের জনগোষ্ঠীর একটা বিশাল অংশের জন্য খুবই অপমানজনক।

এখন পৃথিবীজুড়েই ঘরের কাজের মর্যাদা দেয়ার একটা আন্দোলন চলছে।
উন্নতদেশগুলোতে যেখানে সাধারণ জীবনযাপনের জন্যই প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়, সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যার আয় কম সে ঘরের দেখাশোনার দ্্বায়িত্ব নিচ্ছে (যখন একজনকে ঘরের দ্্বায়িত নেবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়);

কর্পোরাইজড সোসাইটির ইভোল্যুশনের সাথে সাথে একসময় হয়ত ঘরের কাজ করা মানুষের সংখ্যা খুব কমে যেতে পারে।
তখন সরকারগুলো হয়ত 'ঘরের-কাজ ভাতা' টাইপের স্কিম চালু করবে (এটা আমার একটা 'ওয়াইলড গেস')।
প্রসঙ্গত, জাপানে সাধারণত জুন আর ডিসেম্বরে কোম্পানীগুলো কর্মচারীদেরকে বেশ মোটা অংকের বোনাস দেয়; তখন সবার মাঝে উৎসব উৎসব ভাব থাকে।
ইদানিং জাপানী গৃহিনী মহিলারা দাবী তুলেছে যে স্বামীদেরকে বোনাসের একটা অংশ ঘরের কাজের বোনাস হিসেবে টাদের হাতে তুলে দিটে হবে। ব্যাপারটা ামার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে।
১১. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: বয়সটা কি আসলেই কোন ব্যপার? চিন্তা চেতনার মিল হল আসল ব্যপার। সত্যি বলতে কি 19 বছর বয়সী ছেলেদের আমি গাড়ি, ফুটবল না হয় ব্যান্ড ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে উৎসাহী হতে দেখি নি।
১২. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আমিও কিন্তু বার বার বলছি মনের মিলটাই হল বড় কথা। বয়সের পার্থক্য থাকলে মনের মিল ঘটতে স্বাভাবিক ভাবেই সমস্যা হবে। আমি যে ধরনের কালচারাল এন্ড সোস্যাল এনভায়রনমেন্টে বড় হয়েছি আমার পার্টনার সেই গ্রুপের হলে আমি সাচ্ছন্দ্য বোধ করব। এটাই স্বাভাবিক।

সাদিক আরেকটা ব্যাপার হল এজগ্রুপ। 1/2 বছরের পার্থক্য থাকলেও একই এজগ্রুপের হওয়া সম্ভব। জিনের বাদশা ওয়েভলেন্থের কথাটা অবশ্য ভাল বলেছেন।
১৩. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: কৌশিকের পয়েন্টার বিপক্ষে আমার কোন সায়েন্টিফিক প্রমান নেই। এই যুক্তিটাকে সম-বয়সী-বিয়ে-বিরোধী পক্ষ খুব কাজে লাগায়।

এর বিপক্ষে আমি যেটা বলি সেটা হল, প্রথমত মেয়েদের সেক্সের ব্যাপারটা আসে মূলত ভালোবাসা থেকে - মনের ভালোলাগাটা সেক্ষেত্রে একটা বড় ব্যাপার। ছেলেদেরে সেক্স মূলত শারীরিক ব্যাপার - ক্ষুধা পাবার মত শরীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া। যেহেতু যুগ যুগ ধরে ভিন্ন বয়সের সেটল ম্যারেজের যে প্রক্রিয়া চলে আসছে সেখানে প্রেম কতটুকু ছিল সেটা সন্দেহজনক, সেহেতু মেয়েদের সেক্স কমার ব্যাপারটা কতটুকু গ্রহনযোগ্য সেটাও একটা প্রশ্নের সম্মূখীন হয়। আর কে না জানে সেক্স লাইফ এক্সটেন্ড করাটা এখন আর অসম্ভব কোন ব্যাপার না।

১৪. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: অপ বাকের বিশ্লেষন ভাল লাগল। হয়ত সামাজিক হিসাবে আপনার থিওরী কাজে লাগতে পারে। কিন্তু ধরুন সমস্ত হিসাবের বাইরে একটা ছেলে আর একটা মেয়ে পরস্পরকে পছন্দ করল আর মেয়েটার পরিবার "শুধুমাত্র" ছেলেটা সমবয়সী বলে বেঁকে বসল। এইক্ষেত্রে কি বলবেন?
১৫. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: শুধুমাত্র এই সামাজিক ট্যাবুর কারনে আমার একজোড়া বন্ধুর তাদের পরিবারকে রাজী করাতে 4 বছর লেগে গেল। বিয়ে সময়ও মেয়ের মা বাবা উষ্মা প্রকাশ করতে ছাড়েনি।

আমি খুশী যে আমাকে এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়নি।
১৬. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অপ বাক বলেছেন: কিছুই না আমি হইলে সোজা কোর্টে বিয়া করতাম
১৭. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সমবয়সী বা বয়সে ছোট ছেলেদের বিয়ের ব্যপারটা যে সামাজিক ট্যাবু, ওটা কাটাতে হবে!
১৮. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অপ বাক বলেছেন: অন্য একটা বিষয় পড়লাম যা পড়ে একটু আশ্চর্য হয়েছি বলা যায়, পুরুষের যৌনচাহিদা এবং যৌন ক্ষমতার সর্বোচ্চ সময় সীমা হচ্ছে 22 থেকে 28 বছরের ভেতবে, অন্য দিকে মেয়েদের যৌন ক্ষমতা ও চাহিদা শীর্ষে পৌছায় 35 বছরের দিকে, সুতরাং যদি আদর্শ কম্বিনেশন হতে হয় তাহলে তা হবে ছেলে ছোটো মেয়ে তার 10-12 বছরের বড়-
কিন্তু মানসিকতার মিল বলে যে বিষয়টা আসছে তার চেয়ে বড় কোনো বিষয় নেই। মেয়েরা সামাজিক ভাবে পরিপককতা পায় অল্প বয়েসে, কিন্তু সেই পরিপককতা একটা সময় এসে সমান হয়ে ােয়, একজন 19বছরের মেয়ের সাথে 19 বছরে ছেলের তুলনা করলে সেটা ভুল হবে, এখন যদি 26 বছরের মেয়ের সাথে 26 বছরের ছেলের তুলনা করা হয় তাহলে তাদের মানসিক পরিপককতার সীমা কাছাকাছি- এবং 30এ এসে বোধ হয় এই সীমাটাতে ছেলেরা এগিয়ে যায়।
তাই যারা 30 এর পর বিয়ে করছে তাদের জন্য 4 -5 বছরের বয়সের পার্থক্য কম না কিন্তু যারা 23-24 এ বিয়ে করছে তাদের জন্য মেয়ে দরকার 18 -19এর, আবার যারা 26-27এ বিয়ে করছে তাদের জন্য সমবয়সী মেয়ে হলে মানসিকতার মিল হয় ভালো। আর উর্ধ 35এ গিয়ে কেউ যদি 22 বছরের মেয়ে বিয়ে করে তাহলে সেটা রীতিমতো শিশুনির্যাতন হয়ে যায়। তবে উর্ধ 30 এ 5=7 বছরের ব্যাবধান ভালো।
১৯. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: জীনের বাদশা, কপের্ারেট সোসাইটির এভুলিউশন নিয়ে যেটা বললেন সেটা অনেক আগেই ঘটে গেছে আমেরিকাতে। ঘরের কাজের মানুষ যে কমে গেছে সেখানে এটা এখন এভিডেন্ট।
২০. ২৯ শে জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: মাশীদ বলেছেন: আমারো কিছুটা হলেও এই ট্যাবু সহ্য করতে হয়েছে তবে অনেকের থেকে অনেক কম। আমিও মনে করি মনের মিলই বড় - সে বয়স যা-ই হোক। তবে ব্যক্তিগতভাবে প্রেমে পড়ে বিয়ে করেছি ক্লাসমেটকে আর সবসময়ই দেখেছি যে একই বয়সের হওয়ায় we faced similar situations আর তাই সাপোর্ট করাটা অনেক স্বতস্ফুর্ত হয়। কোন অসমবয়সীর সাথে ব্যক্তিগতভাবে প্রেমের সম্পর্ক না থাকায় ঠিক তুলনা করতে পারছি না। কিন্তু আমার নিজস্ব ধারণা হচ্ছে, any relationship is unique আর সেটা যেকোন বেসিসেই হতে পারে। বয়সটা খুব বিশাল ফ্যাক্টার নাও হতে পারে।
২১. ২৯ শে জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
comment by: সাইফ ভুইয়া বলেছেন: অপ বাক এর তথ্য প্রমান কিন্তু খুবই ভাল হয়েছে। যা আমার কাছে যুক্তিগ্রাহ্য মনে হয়েছে। ধন্যবাদ অপ বাক
২২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ২:০৭
comment by: বাংলার CUPID বলেছেন: এক বড় আপুরে খুব পসন্দ হইছিল আমার। আগে জানলে তে হিহিহিহি
২৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ২:০৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: হুম, মহা ঝামেলা দেখি!
ভাইসকল, সবাই আমার লাইগা মিলাদ পড়েন। :-(
২৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ সকাল ১১:০৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: পড়ছেন সবাই?
২৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১২:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ধর তক্তা, মার পেরেক। বাকীটা আল্লাহর হাতে। বয়স টয়স কোন ফ্যাক্টর না
২৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১২:০৭
comment by: খুশবু বলেছেন: সমবয়সী দুজন ক্লাসমেট বিয়ে করে একজন আরেকজনকে তুই তোকারি করছে ।শুনতে ভাল লাগেনা । সমবয়সী রা একেঅপরের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলে না।
২৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৬ দুপুর ২:০৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: খুশবু,
তুই - খুব মিষ্টি আর আপন একটা শব্দ। দেখতে হবে আপনি কোথায় এর প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন।
আর, সম্মানটা মনের মধ্যে থাকে, সম্বোধনে না।

 

 


আমার কোন লেখা কোথাও পুন: প্রকাশ করার আগে দয়াকরে যোগাযোগ করবেন। (মুর্শেদ@জিমেইল)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ