সর্বোচ্চ ব্লগারদের লিস্টটায় মোট ব্লগার ত্রিশজন। সবার ওপরে ঢালী। ঢালীর পোস্ট সংখ্যা ৮১৬। ব্রাত্য রাইসু ও অপবাকের পোস্ট সংখ্যা ২৬০। ওনারা দুইজন যৌথভাবে নিচের দিকের অবস্থান শেয়ার করতেছেন। নুতন ব্লগারদের লিস্টে আছে বিশ জনের নাম। ৩০+২০=৫০ জন ফ্রন্টপেজের সুবিধা পাচ্ছেন। ফ্রন্টপেজে দশটা পোস্ট হিসেবে ধরে আরও দশজনকে এই লিস্টে যোগ করলে মোট সুবিধাভোগী ৬০ জন। অনলাইনে থাকেন যারা তাদেরকেও ফ্রন্টপেজে সহজে পাওয়া সম্ভব। কিন্তু পোস্ট, নতুন ব্লগার, অনলাইন এ তিনটি অপশনই টেমপোরারি। ফলে ফ্রন্ট পেজের স্থায়ী সুবিধা সর্বোচ্চ ব্লগার ত্রিশজনের ভাগ্যেই জুটছে। ভাবতে গেলে একটু অবাক লাগে যে, ফ্রন্টপেজের সুবিধা দেয়ার জন্য সংখ্যাগত ক্যাটাগরি ছাড়া কর্তৃপক্ষ আর কোনো ব্যবস্থা করতে পারে নাই। লেখার মান, বিষয়, জনপ্রিয়তা কোনো কিছু নয়। স্রেফ সংখ্যা। আর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কী এক অসম্ভব অস্থির প্রতিযোগিতা!
তারপরও সবার অত দম নেই। বাজে পোস্ট করে সর্বোচ্চ ব্লগার লিস্টে ওঠার জন্যও ধৈর্য্য লাগে। অনেকে শুরু করেও শেষ পর্যন্ত বাজে পোস্টও চালিয়ে যেতে পারেন না। ফলে, ভবিষ্যতে কিছু নাছোড়বান্দা আর কিছু পুরাতন ও নিয়মিত ব্লগার ছাড়া সর্বোচ্চ ব্লগার লিস্টে আর কাউকে দেখা যাবে বলে মনে হয় না। ব্যাপারটা মেনে নিতে কষ্ট হয়।
অন্যদিকে নতুন ব্লগারদের মধ্যে অনেকেই ভাল লেখেন। নিয়মিত ব্লগে আসেন। তাদের দেখা মেলে ততোক্ষণই যতক্ষণ তারা অনলাইনে বা যতোক্ষণ তাদের পোস্ট ফ্রন্টপেজে থাকে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্লগার আছেন যাদের সামনে আনা দরকার।
না। ভাল বেছে নেয়ার প্রহসন দরকার নাই। ভালদের সাম্রাজ্য তৈরি করে পাতানো খেলার দরকার নাই। টপ ব্লগারের ভোটাভুটি করে হরিদাস পাল টইপ ব্লগারদের নির্বাচন করারও ব্যাপার না। কিন্তু নতুনদের জায়গা দিতে হবে।
উপায় কী?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

