আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন প্রতিবাদী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট এবং ব্লগারদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করি, অত:পর নিশ্চিন্তায় গাঁজা টানি! - আল-আমিন কবির
- ব্লগার সাবধান! - ব্রাত্য রাইসু
- মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং - কৌশিক
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০
পড়ুয়া একটা পোস্ট দিয়েছেন ফেসবুকের সূত্রে। পোস্টটা পড়ে খুব আনন্দ হয়েছে। কনটেন্টের কারণে আনন্দিত হই নাই। আনন্দিত হয়েছি পড়ুয়ার অ্যাপ্রোচের কারণে। খুব টেকনিকালি, খুব স্পোর্টলি তিনি প্রসঙ্গটা টেনেছেন। যা বলার বলেছেন, আর যা বোঝার পাঠক বুঝে নিয়েছেন। ফলে তার পোস্ট ভীষণ সাফল্য লাভ করেছে। ব্যাপারটা আমার ভাল লেগেছে। আরও ভাল লেগেছে যে উনি আইটি বিশেষজ্ঞ, বনেদী ব্লগার ও ভাল কবির সঙ্গে আমার নামটাও নিয়েছেন। রাজাকারের ছেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করায় এই ফল মিলিলো। রাজাকারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করিলে না জানি কি মিলিত? আর নিজে যদি একাত্তরে রাজাকার হইতে পারিতাম তবে তো সমকাল পরকাল সবই ঠিক থাকিত। নিদেন পক্ষে মন্ত্রী হইতে পারিতাম। রাজাকারদের অনেক কিছু আছে এই দেশে, ব্যাংক, বীমা, বিশ্ববিদ্যালয়, পত্রিকা, টিভি, চাটুকার, টাকা, ভিসি,ক্ষমতা, প্রতিপত্তি, রাজনীতি, ষড়যন্ত্র, অস্ত্র, জঙ্গী কতকিছু। আর মুক্তিযোদ্ধাদের আছে শুধু সার্টিফিকেট আর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের আছে সেই সার্টিফিকেট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সত্যিই খুব গরীব।
মুক্তিযোদ্ধারা খারাপ থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিন্তু খারাপ নাই। তাদেরও মন্ত্রী, ব্যাংক, বীমা, মাস্তান, অস্ত্র, ক্ষমতা সব কিছু আছে। তারাও রাজাকারদের মতো ক্ষমতায় যায়। কখনো বিরোধী দলে থেকে রাজাকারদের সঙ্গে মৈত্রী করে। কখনো সরকার গঠন করে রাজাকারদের দোয়া নিয়ে। যখন রাজাকারের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকে তখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি তাদের বিচার করে, বিচার দাবি করে। আবার যখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যখন ক্ষমতায় থাকে তখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ভুলে যায় রাজাকারদের বিচার করা দরকার। তারও তখন রাজাকারদের মতো লুটপাটে অংশ নিয়ে জগত মাতাতে থাকে।
ফলে রাজাকারদের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিদেরও আমি বিশেষ সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখি। আবারও বলছি, মুক্তিযোদ্ধাদের নয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আমি সন্দেহ করি। এরা মুক্তিযুদ্ধের নামে রাজনীতি করে, সমাজসেবা করে করে। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে, কাজের সময় এদের ছিটেফোটাও পাওয়া যায় না। লুটপাটে এরা রাজাকারদের সঙ্গেই তুলনীয়। এই ক্ষমতার রাজনীতির বাইরে রাজাকারও নাই, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিও নাই।
ইদানিং দেখছি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি রাজাকারদের মতো ব্লগিংও করে। তড়পায়। যাকে ইচ্ছা রাজাকার বলে, যাকে ইচ্ছা মুক্তিযোদ্ধা। রাজাকাররাও ধর্ম রক্ষার জন্য রীতিমতো জেহাদ করে। তবে রাজাকাররা ভাল। ওনারা এখনও আমার বিরুদ্ধে লাগেন নাই। লাগার যথেষ্ট কারণ ফেসবুকেই ছিল। যে ফেসবুকের দোহাই দিয়ে পড়ুয়া তার টেকনিকাল পোস্ট দিয়েছেন। রাজাকাররা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিদের মতো বালকসুলভভাবে তড়পায় না। এইটা এদের ভাল গুন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেভাবে তড়পায়, যেভাবে মানুষকে গালি দেয় তাতে তাদের নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ করার অবকাশ আছে। তারা সত্যিই মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কি না। কারণ, আমার ছোট জ্ঞানে যতটুকু বুঝি তাতে মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটা যুদ্ধ না। এটা একটা চিন্তা পদ্ধতি ও চৈতন্য। ব্লগে যারা মুক্তিযুদ্ধের নামে তড়পায় তাদের মধ্যে এই ধরনের কোনো চৈতন্য আছে বলে আমার মনে হয় নাই।
এই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ভণ্ড বইলাই কি আমি রাজাকারের সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবো? এটাই কি আমার যুক্তি? না। এইটা আমার যুক্তি না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যদি তাদের কাজ ও কথার এই ধারা বজায় রাখে তাহলে রাজাকারদের সন্তানদের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব করার কোনো উপায় আমার থাকে না। কেমন?
পড়ুয়া একজন ব্লগার। কিন্তু পড়ুয়াটা কে? তার নাম কী? পরিচয় কী? তার সঙ্গে আমার দেখা করার বন্ধুত্ব করার বা কথা বলার কোনো উপায় আছে? না। কারণ তার মানুষ হিসেবে পরিচয়টাই আমি জানি না। সে রাজাকার না মুক্তিযোদ্ধা সে যাচাই তো অনেক দূরের কথা। কারণ তিনি আছেন ছদ্মনামের আড়ালে। এই ছদ্মনামের আড়ালে থেকে যারা বড় বড় কথা বলেন। বড় বড় আওয়াজ তোলেন তাদের কথার দাম আমার কাছে এক সিকিরও কম। আমি যদি বলি পড়ুয়া রাজাকার। তাহলে কী হবে? রজাকার হিসেবে দল ভারী করার জন্য সে আমাকে সহ অন্য কয়েকজনের বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে আমাদেরকে পাবলিক ফোরামে নাজেহাল করছে। যাতে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবড়ানি খেয়ে আমরা মোটামোটি রাজাকারদের পক্ষভুক্ত হয়ে যাই। রাজাকারদের প্রতিনিধি হিসেবে পড়ুয়া আমাদেরকে রাজাকারির দিকে টানতেছে? পড়ুয়ার বাবা রাজাকার না মুক্তিযোদ্ধা সেইটা কি কোনোদিন জানা সম্ভব? তার মানে কী দাঁড়ায়?
জানা শত্রুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে আমার অসুবিধা নাই। কিন্তু না জানা গোপন লোক বন্ধু না আততায়ী এইটা না জেনে আমি তার সঙ্গে কোনো সম্পর্কে যেতে রাজী না। এই কথা অন্য ছদ্মনামধারী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির প্রতিও।
পড়ুয়ার পরিচয় অনুসন্ধানের চেষ্টা করি। তিনি ফেসবুকে যখন ঢুকেছেন তখন সেখানে তনি রেজিস্টার করেছেন। হয়তো তার আসল নামেই তা করেছেন। এবং তিনি আমাদের বন্ধুদের বন্ধু অথবা বন্ধুদের বন্ধুদের বন্ধুদের বন্ধু। তাছাড়া আমাদের প্রোফাইলের খোঁজ পাওয়ার কথা না। তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের জানাতেন পারতেন বা জেনে নিতে পারতেন যে আমরা আসলে কী মনে করে রাজাকারের সন্তানের বন্ধুত্ব মেনে নিয়েছি? কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি ও তার সমর্থকরা এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছেন এবং এমন পদ্ধতিতে করেছেন যে, এই বন্ধুত্বকে অস্বীকার করার বা রিভিউ করার আর কোনো উপায় তিনি/তারা রাখেন নাই। ফলে পড়ুয়াকে নিয়ে সঙ্গতভাবেই আমার সন্দেহ হচ্ছে।
যারা রাজাকার প্রসঙ্গ নিয়ে ভীষণ উত্তেজিত বোধ করেন। নদী না দেখতেই কাপড় খুলে ফেলেন তাদের উদ্দেশে বলি, মতিউর রহমান নিজামী যখন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তখন যদি আপনাদের কোনো ছিটেফোটাও রাস্তায় দেখা যেত তাহলে কতটাই গর্বের বিষয় হতো ব্যাপারটা। ভবিষ্যতে আবারও যদি ওনারা ক্ষমতায় আসেন আবার তখন আপনাদের টিকিটিও পাওয়া যাবে না। আপনাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি রাতারাতি রাজাকারের পক্ষের শক্তি হয়ে যাবে। এমনিতেই এখন বেনামে মুক্তিযুদ্ধ করতেছেন তখন অদৃশ্য হয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতে থাকবেন।
কিন্তু আমি জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে রাস্তার আন্দোলনের একজন কর্মী। আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের পক্ষ থেকে সেটা করি নাই। তাদের দখল তুলে দিয়ে নিজেরা দখল লুটপাটের আখড়া খুলি নাই। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা শেষ দিন পর্যন্ত শিবিরকে ঠেকিয়েছি। মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন আমাদের প্রতিরোধের মুখেই। নিজামীর গাড়ি বহরের সামনে মাত্র ২৫/৩০ জন সেদিন যেভাবে শুয়ে পড়েছিলাম সেটা ভাবলে এখন হাসি পাচ্ছে। কারণ মুখোশধারী মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত পক্ষের শক্তির ফাঁকা আওয়াজ।
(ধারাবাহিক)
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ মানে চিন্তার পরিবর্তনও, বিষয়টা ভাল বলেছেন। আজকে আওয়ামী সংগঠনের জন্য এই উৎসাহী মুক্তিযুদ্ধবিদরা বড় অন্তরায়। এদেরকে ছেটে ফেলতে হবে।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
কৌশিক ভাই,ছেঁটে ফেলা, নির্মূল করা এইসব আমার পছন্দ না।
এইগুলাকে স্রেফ আওয়াজ মনে হয়।
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
ছেটে ফেলা মানে নির্মূল নয়, এটা হচ্ছে একান্ত দলের অভ্যন্তরের বিষয়। সেখানে তাদের নিজেদের ছেটেছুটে চলা উচিত। নইলে দলের যে চরিত্র আমু হয়ে গেল!
আমি আওয়ামী লীগ করাতো দূরের কথা জীবনে আওয়ামী লীগকে ভোটই দেই নাই।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
অচেনা বাঙালি,আপনার পরিচয় দেন তাইলে। সাহসী লোকদেরই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দাঁড়ানো দরকার।
ত্রিভুজ বলেছেন:
এইসব ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের পুরো বিষয়টাই আমার কাছে ভন্ডামী মনে হয়। ভেবেছিলাম এই ইস্যুতে একটা পোষ্ট দেব। কিন্তু যারা কনটেক্সট না দেখে পড়বে তারা ভুল বুঝতে পারে তাই দিচ্ছি না। তবে খুব ভাল করে খেয়াল করলে যেকেউই এদের ভন্ডামী ধরতে পারবে। সত্যিকথা বলতে কি এরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াভয় অবমাননা করে যাচ্ছে। এই ব্লগে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী ব্লগার বলতে বুঝায় গালিবাজ, চ'রেইটেড, অসুস্থ আলোচনায় উৎসাহী ও অসুস্থ কাজকর্ম করা একদল লোককে। এর আগেও রাইসু দা'র ব্লগে একটা মন্তব্য করেছিলাম, আবার করি। এদেরকে যদি নতুন প্রযন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক মনে করে তাহলে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সবার মনে ভয়াভয় ভুল ধারনার জন্ম হবে। আর এদের এহেন কাজকর্মের একটু সমালোচনা করলেই এরা গণহারে 'রাজাকার' ঘোষনা দিয়ে দেয়। আমার বাবা ও দুই মামা মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার পরেও আমাকে গণহারে রাজাকার বলেছে এইসব ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা নামের কুলাঙ্গারগুলো। এখন শুরু করেছে আপনাদের বলা। শুভ ভাইকেও রাজাকার বলেছে শুনলাম সাদিক ভাইয়ের কাছে। রেজওয়ান ভাইও বাদ যায়নি। এদেরকে ধরে আচ্ছা মত ধোলাই দেয়া দরকার। সব জায়গায় ভদ্রতার দরকার নাই।এনিওয়ে... সুন্দর আলোচনার জন্য ৫
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাহবুব সুমন,এই কথাটা ভুল। মুক্তিযুদ্ধ ঐতিহাসিক ব্যাপার। সেই যুদ্ধে যারা রাজাকার তারা রাজাকার। যারা মুক্তিযোদ্ধা তারা মুক্তিযোদ্ধা।
ধন্যবাদ।
কৌশিক ভাই,
ও আচ্ছা।
বায়েজীদ বলেছেন:
একটু অপ্রাসঙ্গিক একটা মন্তব্য করি, আপনি প্রতিবাদ করলেন বলে ভাল লাগল। সবাই প্রতিবাদ করে না, আমার এক ব্লগার বন্ধু নিয়মিত লিখতে লিখতে হঠাৎ একদিন রাজাকার গালি শুনে লেখাই ছেড়ে দিল। আমি জানি তিনি আর কখনোই লিখবেন না এখানে, তারপরও আপনার লেখাটা আমি তাকে পাঠাচ্ছি, কেউ কেউ এখনও প্রতিবাদ করতে জানে, এটা জানানোর জন্য।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ত্রিভুজ,আপনার লেখা পড়লে নতুন কেউ সহজেই বিভ্রান্ত হবে। ভাববে যে মুক্তিযুদ্ধ ও চেতনার জন্য আপনার প্রান উতসর্গ করেছেন। আপনার পিতা বা মামার রেফারেন্স না এনে আপনি কি সেটা সেটাই বিচার্য বিষয়। আপনার লেখা পড়ে বিভ্রান্ত ছাড়া আর কিছু বলে মনে হয় নি। ইসলামের কথা বলতে গিয়ে আপনি মুক্তিযুদ্ধ ও এর চেতনাকে প্রতিনিয়ত অপমান করেন। এসব ভালো কথা আপনার মুখে মানায় না। এনিওয়ে, চানপুরের চানমিয়া প্রজেক্টের কি খবর অথবা আপনার প্রজেক্ট ৭১ !! স্টান্টবাজি !!??
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ত্রিভুজ,ধোলাই শব্দটার সঙ্গে আমার দ্বিমত আছে। যুক্তি থাকলে ধোলাইয়ের দরকার নাই। গালাগালি, দলাদলিরও দরকার নাই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
অন্যরকম,
ধন্যবাদ।
বায়েজীদ,
অনেক ধন্যবাদ।
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
এসব মুক্তিযুদ্ধচর্চাকারীদের কর্মকান্ডের সমালোচনকারীরা বেশিরভাগই জামাতপুস্ট, এবং সুযোগ পেলে একচোট গালাগালি করে নেয়। এবং তারা সবসময় করবে। তবে দলের অভ্যন্তরে চর্চা হওয়া দরকার প্রসারিত সরনীর। জামাতপুষ্টরা এখানে স্রেফ এসমস্ত তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধচর্চাকারীদের দূর্বলতা খুঁজে নিয়ে সাধারণ মানুষের ধর্মভীরুতাকে কাজে লাগায়। সেজন্য আগে দরকার, ইসলামি শাসন অন্বেষনকারীদের রাজনৈতিক চর্চার অধিকার থেকেই বঞ্চিত করা। স্বাধীণতা মানে তো কথাই আছে যা অন্যের মতকে আহত করবে না, ধর্মীয় শাষনবাদীরা তো স্পষ্টতই বিরুদ্ধমতকে কুলাংগার বলতে পারছে, ক্ষমতায় গেলে স্রেফ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবে।
দেশপ্রেমিক বলেছেন:
বাপের ব্যাটা! ৫!
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদ,একজন মানুষ যখন তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয় তখন তাকে আর সেই আদর্শে সৈনিক বা বাহক বলা যায় না। ৭১ এ একজন মুক্তিযুদ্ধে যে চেতনা ধারন করে যুদ্ধ করেছিলেন সেই চেতনা যদি ২০০৭ এ ধারন না করেন বা চেতনা বিরোধী আচরন ও কর্মকান্ড করেন সে ক্ষেত্রে তার পরিচয় মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে তবে সে ক্ষেত্রে তাঁকে কি বলা যায় ?
বংগবীর কাদের সিদ্দিকীর কথাই বলে, ৭১ এর বাঘা কাদের ও ২০০৭ এর কাদের সিদ্দীকীর কি অমিল। ৭১ এ যাকে হত্যা করতে বাঁধতো না সেই তিনিই জামাতের সাথে ঐক্যেক কথা বলেন !!
মেজর জিয়ার কথাও বলা যায়, উনার কর্মকান্ড ও ইতিহাস কি বলে।
তবে রাজাকার সব সময়ই রাজাকার। অতীত -বর্তমান সব সময়ই এক তাদের জন্য।
কথাটি এ জন্যই বল.
ত্রিভুজ বলেছেন:
@মাহবুব সুমন আপনার কি মনে হইছে তাতে আমার কিছু আসে যায় না। নাকি আপনি ISO 9001 টাইপ কোন কিছু যে আমার ষ্ট্যান্ডার্ড নির্ধারন করে সার্টিফিকেদ প্রদান করবে?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাহবুব সুমন,তার মানে কী? আপনার যুক্তি থেকে এটা কি বলা যায় যে, কাদের সিদ্দিকী ও জিয়া মুক্তিযোদ্ধা নন?
ইতিহাসকে আদর্শ দিয়ে বিচার করলে তো হবে না।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@মোর্শেদ ভাই'ধোলাই' শব্দটার সঙ্গে আমার নিজেরও দ্বিমত রয়েছে। গত দুই বছরের ব্লগিংয়ে কোনদিন এই ধরনের কোন শব্দ ব্যবহার করিনি। কিন্তু ভাই সহ্যের একটা সীমা থাকে। একদল ভন্ড নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের ইজারাদার ঘোষনা করবে এবং তাদের যেকোন কথার বিরোধীতা করলেই 'রাজাকার' ঘোষনা করবে... এগুলো কি? গত দেড় বছর ধরেই দেখছি এসব। কত আর সহ্য করা যায়।
যাই হোক... ভন্ডরা থাকুক তাদের মত। যেকোন বিষয়েই চরমপন্থা আমার অপছন্দ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
কৌশিক ভাই,আমার এই পোস্টটা ধারাবাহিক। আপনার কথাটা পয়েন্ট আকারে মনে রাখলাম।
দেশপ্রেমিক,
ধন্যবাদ।
ওয়ামি বলেছেন:
"জানা শত্রুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে আমার অসুবিধা নাই। কিন্তু না জানা গোপন লোক বন্ধু না আততায়ী এইটা না জেনে আমি তার সঙ্গে কোনো সম্পর্কে যেতে রাজী না।"যাদের কমন সেন্স বলতে কিছু আছে, তাদের জন্য মাহবুব মোর্শেদের উপরের কথাটাই যথেষ্ট। "রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা সজ্ঞা নির্ধারণ কমিটি"র হর্তা-কর্তারা বিবেক-বুদ্ধি কোথায় বন্ধক রাখছেন আল্লা-মালুম।
হুদাই বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ যে চেতনাকে সমুন্নত রাখতে সংঘটিত হয়েছিল তার বিরোধি অবস্থান যে আজো লালন করে তাকে রাজাকার বলা যায়। ত্রিভুজ সে অর্থে রাজাকারের চেতনা ধারন করেন সেটা তার বিভিন্ন ব্লগেই প্রমাণ হয়েছে।একজন রাজাকার তার চেতনা পাল্টে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করতে পারেন, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না। মুক্তিযোদ্ধার ব্যাপারেও ঠিক উল্টোটা ঘটে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আদর্শ , চেতনা , চেতনা ধারন ও তার পরিচর্যা ,ইতিহাস সবগুলোই একে অন্যের সাথে সম্পর্কযুক্ত। পরিচয়ে একজন অনেক কিছুই হতে পারেন তবে তার কর্মকান্ড তার ইতিহাসে সাথে না মিল্লে তাকে কি বলা যাবে ?
কাদের সিদ্দিকীর পরিবর্তনের চাইতে জেনারেল জিয়ার পরিবর্তনটা বেশী লক্ষনীয়।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাহবুব সুমন,ইতিহাস বলে কাদের সিদ্দিকী ও মেজর জিয়া মুক্তিযোদ্ধা। বীর। আদর্শ যদি ইতিহাস লিখতে চায় তাহলে ইতিহাসের আর কাজ নাই। ইতিহাসের তথ্যেও কাজ নেই। আদর্শের মাণদণ্ড দিয়ে আমরা প্রতিমুহূর্তে এক ব্যক্তিকেই মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজাকার বলে যেতে পারবো।
আবার মানুষ কোনো ঐতিহাসিক ও স্টাটিক অবস্থানে থাকতে পারে না। সে পরিবার্তিত হবেই। ফলে, ইতিহাসকে ইতিহাস হিসেবে। আদর্শকে আদর্শ হিসেবে আর মানুষকে একটা পরিবর্তনশীল এনটিটি হিসেবে বিচার করাকেই আমি অধিকতর যৌক্তিক মনে করি।
আদর্শ দিয়ে ইতিহাস লিখলে সেটা আদর্শ হয় না এমনকি ইতিহাসও হয় না। আমাদের এখানে হিন্দুরা হিন্দুদের আদর্শ অনুসারে মুসলমানরা মুসলমানের আদর্শ অনুসারে ইতিহাস লিখেছে সেগুলা পরে গার্বেজ হিসেবে গণ্য হয়েছে। আদর্শ এমনিতেই শক্তিশালী ব্যাপার তাকে রক্ষা করার জন্য টাইম মেশিনে করে ইতিহাসে গিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে হয় না।
এস্কিমো বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধাদের আছে শুধু সার্টিফিকেট আর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের আছে সেই সার্টিফিকেট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সত্যিই খুব গরীব।- এই বিষয়ে আপনার কাছে কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে কি?
বুঝা গেল মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি খুবই সমস্যাগ্রস্থ। আপনি কি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের না বিপক্ষের শক্তি?
অচেনা বাঙালি,
আপনার পরিচয় দেন তাইলে। সাহসী লোকদেরই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দাঁড়ানো দরকার
**/
বুঝতে পারলাম না।
ব্লগ লেখার সাথে সাহসের কি সম্পর্ক?
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
দেশগত আচার, ভূ-পট পরির্তন সাধনে, বিষম ভক্ষণে অপরিচিত হয়ে উঠেছে পুজনীয়।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এস্কিমো ভ্রাতা, "মুক্তিযোদ্ধাদের আছে শুধু সার্টিফিকেট আর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের আছে সেই সার্টিফিকেট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সত্যিই খুব গরীব।"
এ কথাটি আমাদের শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। চোখ-কান-বিবেক-মনন খোলা রাখলে টের পাওয়া যায়। আর তথ্য , সংবাদ পত্র পড়েন না !! কতো খবর না বের হচ্ছে।
--
মোর্শেদ, আপনার উত্তর পরে দিচ্ছি।
এস্কিমো বলেছেন:
কারন মুক্তিযুদ্ধাদের সেইভাবেই উপস্থাপিত করা হয়েছে। দ্রুত রাজাকার পূর্নবাসন কর্মসূচীর মাধ্যমে ১৯৭৫ সাল থেকে রাজাকারদের অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধাদের একটা অংশকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটা টিভির নাটকের নিয়মিত দৃশ্যে পরিনত করে জনমনে একটা বিশ্বাস তৈরী করা হয়েছে যে - মুক্তিযুদ্ধা আর পুঙ্গুত্ব সমার্থক। যাতে একটা নতুন প্রজন্ম বিশ্বাস করে - মুক্তিযুদ্ধটা ছিল একটা ভুল। আমিতো দেখি মুক্তিযুদ্ধারা অর্ধনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ আর রাজাকারতন্ত্রের সামগ্রিক অথনৈতিক ব্যবস্থা দৃঢ়। সেটা করা হয়েছে কিছু মানুষের মাথা কিনে নেওয়া জন্যে এবং এরা কিছু সাফল্য যে পেয়েছে - সন্দেহ নেই।
প্রকৃত প্রশ্নটা ছিল - মাহবুব মোর্শেদের জন্য। আশা করি উনি উত্তর দেবেন। কারন অবস্থান পরিস্কার না করে ঢিল ছোড়াছুড়ি ঠিক না। প্রশ্নটা হলো - আপনি কোন দলে?
মিরাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহবুব মোর্শেদ আপনার সাহসী উচ্চারনের জন্য।ব্লগে রাজাকার বিরোধী আন্দোলনের নামে চরিত্র হননের যে অসুস্থ প্রতিযোগীতা চলছে তা প্রকারান্তরে রাজাকারদেরই শক্তিশালী করছে।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনীতি না করে আর মুক্তিযুদ্ধকে ক্ষমতায় যাবার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার না করে, মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনাকে ধারন করলে এতদিনে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অবশ্যই সম্ভব হতো।
ঢালাও গালাগালি ও রাজাকার সার্টিফিকেট প্রদানের ভার্চুয়াল মচ্ছব বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াপনার লক্ষণ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
অচেনা বাঙালি,নিজের নামে ব্লগ লিখতে সাহস লাগে।
খুব খিয়াল কইরা ভাইটু। আপনার নাম-পরিচয় জানা থাকলে বোঝা যাইতো আপনি অতীতে কী করছেন। আর ভবিষ্যতে কী করবেন তাও খিয়াল রাখা যাইতো। আপনে মুক্তিযোদ্ধার বেশে রাজাকার কি না সেইটাও বোঝা যাইতো।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
এস্কিমো,মাহবুব সুমন আপনার প্রশ্নের উত্তর দিছেন। তারপর বলি, আপনেরে আরও বুদ্ধিমান মনে করছিলাম। বোঝা যাইতেছে আপনি মুক্তিযোদ্ধাদের খবর রাখেন না। চ্যানেল আইতে প্রতিদিন জাতির শ্রেষ্ট সন্তান নামে একটা অনুষ্ঠান হয়। সময় করে দেইখেন।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ মানে যদি একটা অগ্রসর চিন্তা হয় তাইলে আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। আর যদি তা আওয়ামী রাজনীতির অংশ হয় তাইলে আমি তার বিপক্ষে। আর যদি ব্লগে এলিগেশন ও ব্লেমগেমের নাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্যাপার হয় তাইলে সেইটার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমার অসুবিধা নাই।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাহবুব সুমন,এইটা বিস্তারিত করে আলোচনা করা যায়। আপনি আলাদা করে একটা পোস্ট দেন। ওইখানে বিতর্ক হউক।
আমি যদি নিক নিতাম আকাশ হাসান তাইলেই সাহসী হইয়া যাইতাম!
আপনে তো ভাই হেভি গেনি
ত্রিভুজ বলেছেন:
@হুদাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা আসলে কি? আর আমি কি চেতনা ধারন করি? পুরো বিষয়টা নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলুন। সেখানে শুধু আমি আর আপনি আলোচনা করবো। সেই আলোচনা থেকে যদি প্রমাণ করতে পারেন 'ত্রিভুজ' মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী তাহলে নিজের ব্লগে প্রকাশ্যে ঘোষনা দেব আমি একজন রাজাকার। তারপর আসুন....
(নতুন পোষ্ট দিলে আমার ব্লগে লিংকটা রেখে আসবেন এবং আপনার সেই পোষ্টে আপনি ও আমি ছাড়া অন্য কেহ অংশগ্রহন করলে আমি কন্টিনিউ করবো না। সুতরাং পোষ্টের নিচে নোটিশ লাগিয়ে রাখবেন।)
ত্রিভুজ বলেছেন:
@হুদাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা আসলে কি? আর আমি কি চেতনা ধারন করি? পুরো বিষয়টা নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলুন। সেখানে শুধু আমি আর আপনি আলোচনা করবো। সেই আলোচনা থেকে যদি প্রমাণ করতে পারেন 'ত্রিভুজ' মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী তাহলে নিজের ব্লগে প্রকাশ্যে ঘোষনা দেব আমি একজন রাজাকার। তারপর আসুন....
(নতুন পোষ্ট দিলে আমার ব্লগে লিংকটা রেখে আসবেন এবং আপনার সেই পোষ্টে আপনি ও আমি ছাড়া অন্য কে
বন্ধনহীন বলেছেন:
বুঝা যাচ্ছে, রাজাকার ইস্যুটা স্প্যাগ্যাটি হয়ে যাচ্ছে।"মাহবুব সুমন বলেছেন : ২০০৭-০৯-০৫ ১৫:৩৫:১০
একজন মুক্তিযোদ্ধা সবসময়ই মুক্তিযোদ্ধা নন এবং একজন রাজাকার সব সময়ই রাজাকার।"
মাহবুব সুমন, আপনার সাথে পুরাপুরি একমত না। একজন রাজাকার তার ভুল স্বীকার করে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলে এবং জনগন যে শাস্তি দেয়, তা যদি সে মেনে নেয়, আমি তাকে বরং অনুতপ্ত রাজাকার বলব। মানুষ হিসেবে তাকে আমি সম্মানও করবো। তার অবস্থান অবশ্যই অন্য রাজাকারদের মতো হবে না।
আপনার মতো যদি সবাই "ডিজিটাল বিচারে" বিশ্বাস করে, "শান্তি" জিনিসটা বাংলাদেশ থেকে পালাবে। এই যদি আপনার অবস্থান হয়ে থাকে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আপনাকে ছিটেপোটাও স্পর্শ করতে পারেনি। তার হৃদয়ের বিশালতা আপনাকে শিক্ষা দিতে পারেনি।
এস্কিমো বলেছেন:
মা.মুর্শেদতারপর বলি, আপনেরে আরও বুদ্ধিমান মনে করছিলাম।
- আমিও তাই ভাবতাত!
এখন দেখছি ভুল। আমি এমন একজন মানুষের ব্লগে কমেন্ট করলাম যার পিঠ চাপড়াচ্ছে চিহ্নিত রাজাকার কামরুজ্জামানের ছেলে। আর যিনি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সাথে একটা রাজনৈতিক দলের পরিচয় মিলিয়ে ফেলেন। আপনি যেটা করলেন - আমার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়ে - তাকে ইংরেজীতে বলে "স্লোরিং" (বাংলা প্রতিশব্দটা জানি না)। এটা একটা টেকনিক - যা দিয়ে বিপক্ষদের মরালিটি ভেঙে দেওয়া যায়।
যাই হোক...ধন্যবাদ আপনার আমার সম্পর্কে মূল্যায়নের জন্যে...কমনসেন্স নিয়ে যেখানে প্রশ্ন উঠায় রাজাকারের ছেলে রাজাকার ..সেই পোস্টে মন্তব্য করে আর বোকামী করবো না।
বন্ধনহীন বলেছেন:
আমার সবচেয়ে খারাপ লাগে, যখন দেখি জামাত-শিবির-রাজাকার বিরোধী ব্লগাররা নিজেদের মধ্যে কাদাছোড়াছুড়ি ব্যস্ত হয়। কারো সাথে একমত হতে না পারলে, তার আইকিউ মাপা কি খুব বেশী প্রয়োজনীয়?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
এস্কিমো,আপনি দেখি মাইন্ড খাইছেন। আপনারে আলাদা কইরা বুদ্ধিমান না বলার কী আছে? আপনের প্রশ্নটারে বোকা কইছি। আপনার বুদ্ধি তাতে কমে নাই।
রাজাকারের ছেলে আমারে প্রশংসা করছে এইটা যদি আপনার পছন্দ না হয় তাইলে আপনি প্রশংসা করেন। প্রশংসা শুনতে তো ভালই লাগে। রাজাকাররা তো প্রশংসা করার গুণ দিয়াই আমার বন্ধু হয়ে উঠতেছে দেখি।
নতুন একটা ইংরেজি শব্দ শিখা হলো। বাংলাটা জানলে বইলেন কিন্তু।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
বন্ধনহীন,মাহবুব সুমনের আলোচনাটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাপারটা নিয়ে অনেক কথা বলতে আগ্রহী আমি। আপনার মতটাও গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু কি বলেছেন:
ছাগল লাদে আর ওয়ামী নামক বরাহ নন্দনটা সে পুরিষে খেলা করে
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
প্প্বনপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম প্প্বঙ্....!
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদ ভাই > আগের কমেন্টের ফন্ট ফেটে গেল কেন বুঝতে পারছিনা ।গঠনমূলক এই বিতর্কটা চলতে পারে । চলুক...।
কোন কোন কাপুরুষ বরাহ নন্দন ঘোষণা না দিয়া (নিজেকে গোপন রেখে) এই পোষ্টটির রেটিং কমিয়েছে ,সে তালিকাটি কি দিতে পারেন ?সাম্প্রতিক ব্লগ দেখেছেন লিষ্টের নামগুলো তুলে দেন। কারা রেটিং কমাতে পারে বলে আপনার ধারণা উল্লেখ করুন প্লীজ,জানার কৌতুহল !
শয়তান ভাল চেহারা না ধরলে ধোকা দিবে কিভাবে?
আরেকটা জিনিস, বন্ধু দিয়েই মানুষের পরিচয়। আমার মনে হয় বিতর্কের শুরুটা সেখানে। আপনি বলতে পারেন ফেসবুকে নাম থাকতে পারে কিন্তু সে বা তারা আমার বন্ধু না। ফেসবুকে অনেকভাবে নাম থাকতে পারে।
দেখেন কারা আপনাকে সমানে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। বন্ধু আপনার ভূল ধরিয়ে দিবে, আর শত্রু সবসময় বাহবা দিবে।
বোঝা গেলো মুর্শেদ ভাই বড়ো সাহসী মানুষ । সাহস কইরা স্পষ্ট কথা কন না কেন ভাই? রাজাকার কামারুজ্জামানের পোলা যদি তার বাপের পাপরে পাপ মনে না করে,তাইলে হের লগে বন্ধুত্ব করা ঠিকাছে কিনা?
আপনে যদি মনে করেন ঠিকাছে,তাইলে ঠিকাছে- এই সামান্য বিষয় নিয়া এতো আঁতলামী করার কি আছে,ভাইজান?
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
এরা কোন মুক্তিযোদ্ধা না , এরা সব পেপার টাইগার
কফি খেতে খেতে পেপার পড়ে নিজামীকে গালাগাল করা, আর রাস্তায় শুয়ে পড়ে নিজামীর গাড়ির পথ আটকানো -- এই দুইয়ে বিরাট ফারাক।
এবং আমি মনে করি আপনি এই ফারাকটা বোঝেন।
কাজেই আপনাকে কে রাজাকার বলল এই ভেবে হতাশ হবার কিছু নেই,
আপনাদের সেই সাহসী প্রতিরোধের স্মৃতি মনে করে হাসি অনুভব করবেননা প্লিজ।
কারণ, সেরকম প্রতিরোধগুলাই টিকে থাকবে, মুখোশধারীরা না।
অহংকার বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদকে সশ্রদ্ধ সালাম।রাজাকার পুত্রের সাথে বন্ধুত্বে কি এমন আসবে যাবে তা বোঝতে পারছি না আমি! অমি রাহমান পিয়াল যাযাদিতে চাকুরি নিয়েছিলেন টাকার জন্য তকণ কি তিনি শফিক রাহমানকে চিনতেন না? কিন্তু শফিক রাহমানতো খারপ লোক। অমি রাহমান পিয়ালতো খারাপ লোকের সাথে চাকরী করেছিলেন যে কীনা নিজের স্বাথে রাজাকারদের বন্ধু হতে পারে, তাহলে রাজাকারের ছেলের সাথে বন্ধুত্ব হতে সমস্যা কুথায়?
@হুদাই, ছাগুরে জানার জন্য এইখান থেকে ঘুরে আসেন: Click This Link
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
আবদুর রাজ্জাক শিপন,ধন্যবাদ। কিছু পোস্টের জনপ্রিয় না হওয়াই ভাল।
আর যারা কষ্ট করে রেটিং কমাচ্ছেন তাদেরও তো কষ্টের একটা মূল্য আছে।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
অবকাশ,ধন্যবাদ।
নাজিম উদদীন,
বন্ধুরা ভুল ধরিয়ে দেবে। রাজাকার বলে গালি দেবে। নিজের নাম-পরিচয় লুকিয়ে যা তা বলবে। ফ্যাসিস্টদের মতো আচরণ করবে। কিন্তু তার সবকথা আমাকে মেনে নিতে হবে কারণ সে বলছে যে সে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক। এই বলাটাই তার যোগ্যতা? সে আমার বন্ধু হয়ে গেল?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ক্ষ্যাপা,আঁতলামি তো আপনি করতেছেন দেখি।
হয় জর্জ বুশের দল নয়তো লাদেনের দলে, তাই তো?
আপনাদের দলে যাওয়ার কোনো শখ নাই আমার। লাদেনের দলেও না।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ভালো পোস্ট। ৫
শিরোনামহীন বলেছেন:
carry on
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ঘরোয়া রাজনীতি পুরোটা চালু হউক। ক্রমে।
অন্য কেউ ইচ্ছা করলেও এসব নিয়ে কথা বলতে পারে না , আপনার বদলে অন্য কেউ এমন লিখলে শূলে চড়ানো হত , রাজাকার লেবেলটা এটে দেয়া হত , অথচ আপনার লেখাটা ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোশ যেমন করে খুলে দিচ্ছে , রাজাকারদের আত্মতৃপ্তির কোন সুযোগও সৃষ্টি করছেনা।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। মেহরাব শাহরিয়ার।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
কোলাহল,কমেন্ট করেন। লাভ আছে। ঠাণ্ডা বাতাস আসলে শীতের কারণে। পরিস্থিতি এখনও উষ্ণ।
রোকন বলেছেন:
পুরান পোষ্ট ঠেলাঠেলি একটি রোগ।
মাহিন্দ্র রায় বলেছেন:
মানসিক বৈকল্যের চাইতে এইরোগ কোটিগুণ ভালো
রাতুল" বলেছেন:
চটিলেখক মনিটর, মগবাজার থেইক্কা অরডার কি বন্ধ হইয়া গেচে ? নাকি এইবার নতুন পার্টির কাচে গুয়ামারা খাও ?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
রোকন,নিজের চরকায় তেল দেন।
মাহিন্দ্র রায়,
এটাকে ঠিক মানসকি বৈকল্য বলে মনে হচ্ছে না আমার কাছে।
মনিটর,
এইসব অন্য জায়গায় গিয়ে করেন।
রাতুল,
প্লিজ আমার ব্লগে কাউকে গালাগালি করবেন না।
মাহিন্দ্র রায় বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদ , রোকনের গালিগুলো নিয়ে পোস্ট দিসিলাম , দেখসিলেন ? ঐটার দিকে ইংগিত করলাম , রোকনরে মানসিক বিকারগ্রস্থ ছাড়া কিসু বলা কঠিন । যদিও আপনার ব্লগে এসব বলা ঠিক হইতেসে না , কিন্তু এই নিক টার ব্যাপারে এটা বলা সবারই উচিত
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাহিন্দ্র রায়,আপনার পোস্ট আগেই পড়ছি। এই ব্লগারের কাজকারবার নিয়ে আমি সচেতন আছি। কিন্তু আমি অবাক হয়েছি, এই ধরনের ব্লগার আমার ব্লগে এসেছেন এবং ফালতু কথা বলেছেন বলে। এই ধরনের ব্লগার ও তাদের পূর্বসুরীদের সঙ্গে আমার আগেই আলাপ হয়ে আছে। পাগল, মানসিক বিকারগ্রস্ত ব্যক্তিদেরও নিশ্চয় ব্লগিং করার অধিকার আছে। আমি পারতপক্ষে তাদের এই অভিধা দিয়ে ঘৃণা করতে রাজি না। কর্তৃপক্ষ যদি পাগল ও মানসিক বিকারগ্রস্তদের ব্লগে উৎসাহিত করেন তবে আমার আর কিছু বলার থাকে না। আমি কাউকে ব্লকও করতে চাই না। কিন্তু এই লোকগুলো আমার ব্লগে স্বেচ্ছায় না আসুক এইটা আমি চাই।
রোকন বলেছেন:
ড়ষড়
মদন বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট।ইরাক-আমেরিকা যুদ্ধে বুশ ঘোষনা দিয়েছিলেন যে "যারা আমেরিকার বিপক্ষে তারা সন্ত্রাসের পক্ষে"
এখানেও কাওকে কাওকে এমন আচরন করতে দেখা যায়। তার মতের সাথে না মিললে আপনার খবর আছে। ইহকাল পরকাল এক কইরা দিবো।
পোষ্টের জন্য আবারো ধন্যবাদ @ মাহবুব মোর্শেদ
নরাধম বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। আপনাকেও রাজাকারের মধ্যে ফেলে দিলে কোন বেজন্মা আবার।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মদন,থ্যাংকস এ লট।
নরাধম,
ধন্যবাদ। বেজন্ম কিন্তু খুব খারাপ একটা গালি। গালি না দেয়াই ভাল।
ত্রিভুজ বলেছেন:
অনেকদিন পর পোস্টটা আবার পড়লাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















