আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
প্রথম আলো
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩
১.
নিজের ধর্মানুভূতির ওপর আস্থা নাই বিধায় কার্টুন-কৌতুক বিষয়ে এক আলেমের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। প্রথমে শিওর হয়ে নিলাম উনি কার্টুনটা দেখেছেন এবং কৌতুকটাও পড়েছেন কি না। উনি বললেন দেখেছেন ও পড়েছেন। বললাম, তাহলে বলেন। তিনি বললেন, সমস্যা কিছু নাই। সঙ্গে একটা ইতিহাস থেকে একটা ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করলেন। আমাদের মহানবী তার প্রিয় এক সাহাবাকে আবু হোরায়াররা বলে সম্বোধন করতেন। আরবি ভাষায় আবু মানে পিতা আর হোরায়রা মানে বিড়াল। কথিত আছে, হয়রত আবু হোরায়রা (রা.) বিড়াল ভীষণ পছন্দ করতেন। এজন্য মহানবী তাকে এই নাম দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে ওই সাহাবী আবু হোরায়রা নামেই মুসলিম সমাজে পরিচিত হয়েছিলেন।
তার মন্তব্য শুনে একটু থমকে গেলাম। যেখানে বিড়ালের আগে মোহাম্মাদ বসানোর কারণে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বলে খবর আসছে সেখানে একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এরকম সহনশীল উদাহরণ কীভাবে দিলেন?
আমার জ্ঞানে যতটা কুলায় তাতে হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর নামের প্রসঙ্গ আসে এমন স্থানে কটুক্তি করা অনুচিত। ব্যাড টেস্টের পরিচায়ক। কিন্তু মুসলমানদের অনেকেই নিজের নামে মুহম্মদ শব্দটি ব্যবহার করেন। এই শব্দের অর্থ প্রশংসিত। নিজের নামে মুহম্মদ শব্দ ব্যবহার করে মুসলমানরা গর্বিত হন। নামে এই শব্দ ব্যবহারে উপমহাদেশের মুসলমানরা একটু এগিয়ে। আরব, তুরস্ক, ইরাক, ইরানে নামের আগে বাধ্যতামূলকভাবে মুহম্মদ ব্যবহারের প্রচলন নেই। সেখানকার পরিচিত নামগুলো খেয়াল করলেই বিষয়টি সহজেই বোঝা যাবে। কিন্তু বাংলাদেশে এমন মুসলিম খুঁজে পাওয়া ভার, যার নামে আগে বাবা-মা মুহম্মদ শব্দটি যুক্ত করেননি। অথচ এটি কোনো নিয়ম বা অনুশাসন অনুসারে করা হয় না। এটি কেন এদেশে এভাবে চালু হলো তা পেছনে একটি ঘটনার কথা আমি জানি। কিন্তু এই মুহূর্তে রেফারেন্স নেই বলে উল্লেখ করতে পারছি না। শুধু এইটুকু বলাই যথেষ্ট যে, নামের আগে মুহম্মদ বা মুছাম্মত ব্যবহার করা কোনো ইসলামী বিধান নয়। কিন্তু অনেককেই বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখি। সৌদি আরবের নামের উদাহরণ দিলেও তারা থামতে চান না।
বিষয়টি নিয়ে লোকমুখে কিছু কৌতুক প্রচলিত আছে। শিবিরের পত্রিকায় এই ধরনের কৌতুক লোকমুখে প্রচলিত কৌতুক থেকেই এসেছে। আলপিনেও এসেছে সেখান থেকেই। লোকমুখে অনেক কথাই প্রচলিত। কখনো সেটার মধ্যে বর্ণবাদ, কখনো ধর্মবিদ্বেষ, কখনো প্রতিবাদ থাকে। সেটা লোকমুখে যতটা মানায় মেইনস্ট্রিম মিডিয়াতে প্রকাশ করলে ততোটাই অরুচিকর মনে হয়। আলপিনের ক্ষেত্রে সেই ব্যাড টেস্টের প্রকাশ ঘটেছে। এর বেশি কিছু হয়েছে বলে মনে হয়নি।
কিন্তু প্রসঙ্গটার তাতক্ষণিক ব্যাখ্যা কর একে যেভাবে ডেনমার্কের কার্টুনের মতো সিরিয়াস ব্যাপারে পরিণত করা হয়েছে তাতে ভীষণ বিস্মিত হয়েছি।
হুজুরদের ধর্মানুভূতির প্রকাশ এইভাবেও তাহলে ঘটতে পারে?
ব্যাপারটাকে মুসলমানদের স্বাভাবিক ধর্মানুভূতির প্রতিক্রিয়া হিসাবে বিচার করার উপায় নাই। ব্যক্তিগতভাবে আমি যে মুসলমানদের সঙ্গে আলাপ করেছি, তাদের কারো ধর্মীয় অনুভূতি আহত হয়েছে বলে মনে হয়নি। এমনকি কাউকে ক্ষুব্ধও দেখিনি।
তারমানে এ ঘটনার পেছনে একটা রাজনীতি আছে। সেটা ধর্মীয় ব্যাপার হলেও রাজনীতি বটে। এর সঙ্গে মিছিল মিটিং, প্রচারণা ও প্রতিবাদের সম্পর্ক আছে।
২.
ওয়ান ইলেভেনের পর প্রথম আলো পত্রিকাটি পড়লে মনে হয়েছে বারবার, যে ফুকোওমা যে ইতিহাসের অবসানের কথা বলেছিলেন তা বাংলাদেশে ঘটে গেছে। এইদেশের নতুন ইতিহাসের সূচনা ঘটেছে। বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামাত, কমিউনিস্ট পার্টি, আমলা, ব্যবসায়ী সবার দিন শেষ। এবার এসেছে নতুন দিন। একটি পত্রিকা, যা কিনা এই সমাজের বাইরের কোনো বিষয় নয়। যা এই সমাজের অংশ হিসেবে নিজেকে গণমাধ্যম দাবি করে টিকে আছে, বহুল প্রচার পেয়েছে। বিদ্যমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এইখানকার একটি শিল্পপতি ব্যবসায়ী গ্রুপের ইনভেস্টমেন্টের ভিত্তিতে এটির প্রকাশনা চলে। এই বাজারে বিক্রি হয়ে যে মুনাফা করে তার পক্ষে এ সমাজে কাউকে কেয়ার না করে চলা কিভাবে সম্ভব?
আসলে কি প্রথম আলো কাউকে কেয়ার করে না? কাকে কেয়ার করে? কার কথা শোনে? কার স্বার্থ দেখাশোনা করে?
একদিকে বিশাল পাঠকগোষ্ঠী, ব্যাপক জনপ্রিয়তা অন্যদিকে আনপ্রেডিক্টেবল স্বার্থ। প্রথম আলোর অবস্থান কোথায়?
লোকমুখে একটা কথা আছে, ধরাকে সরা জ্ঞান করা। ধরা মানে পৃথিবী আর সরা মানে মাটির পাত্র। পৃথিবীকে মাটির পাত্র জ্ঞান করা ঠিক না। আর দেশটাকে, এর রাজনীতিকে, এর সমাজ অর্থনীতিকে কয়েকটা গোলটেবিল বৈঠক মনে করা ঠিক না।
আমি মন থেকে চেয়েছি, এইবার অন্তত প্রথম আলো হুজুরদের রাজনীতি থেকে রক্ষা পাক। আরও একটা মিডিয়া হাউস বন্ধ না হোক। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও মনে হয়েছে, প্রবল পরাক্রমশালী প্রথম আলোও কত অসহায়। এই বিশাল প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও কত ক্ষমা প্রার্থনার অবসর। কত ভয়, কত আর্তনাদ।
হুজুররা খারাপ রাজনীতি করেছে। কিন্তু প্রথম আলো এর চেয়ে বেশি খারাপ রাজনীতি করেছে ও করবে। বায়তুল মোকাররমের খতিব যখন প্রথম আলোকে মাফ করে দিলেন তখন মনে হলো বাংলাদেশ ইতিহাসের অবসানের কাল থেকে ফিরতে শুরু করেছে।
কিন্তু এত ভয় কেন তাদের মনে?
কীসের ভয়?
কেন ভয়? হঠাত কেন এত ভয় হয়?
৩.
যারা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তারা অবশ্যই ধন্যবাদ পাবেন। কারণ তারা ধর্মীয় রাজনীতির বিপদজনক দিকটির বিরদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু তারা নিশ্চয়ই প্রথম আলোর স্ট্যাটেজি-ট্যাকটিকসসহ মোল্লাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান নাই। প্রথম আলোর বিপদজনক প্রচারণা কৌশলের পক্ষে দাঁড়ান নাই। যারা এ দফা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তাদের ব্যাপারটা ভাবতে হবে। বুঝতে হবে, সিভিল বিপ্লবের মুখপত্রটি দেশের মতামতের কী উন্নয়ন ঘটিয়েছে? তাদের অবদান কী?
আজকে দেখলাম, সিপিবি আর বাসদ মোল্লাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এই কাজে তারা রিস্ক নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু প্রথম আলোর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো কথা ইতিপূর্বে বলেন নাই কেন?
আমাদের সম্পাদকরা সহমর্মিতার সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন। মাঠে নমে প্রথম আলোকে বাঁচানোর জন্য ভূমিকা রেখেছেন। এখন প্রশ্ন, কোন পত্রিকার বা টিভি চ্যানেলের কোন বিপদের সময় প্রথম আলো বা তার সম্পাদক অন্য কারো পাশে এসে দাঁড়িয়েছে? ভবিষ্যতে এরকম কোনো সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাই বা কতটুকু?
৪.
প্রথম আলো ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কী বাঁচালো তাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না।
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে ।
মুকুল বলেছেন:
*****
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
?
গিয়াস আহমেদ বলেছেন:
অসাধারণ মাহবুব। বিশুদ্ধ বয়ানের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ভাবনা ও প্রকাশের সবটুকুর সাথে পুরো একমত- জানবেন।
আপনার পোস্টে প্রথমবারের মত নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে যা শুনতে চাইছিলাম , তার প্রতিধ্বনি শুনছি ।
ধন্যবাদ ...........৫
চতুরভূজ বলেছেন:
৫চমত্কার! একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষন। ব্যাপারটা আসলেই ভাবতে হবে যে এতে সুবিধা আর প্রচারণা কাদের হয়েছে সবচেয়ে বেশি? ঘটনার গভীরে গিয়ে এসবের বিশ্লেষন জরুরী। আমরা কেবল চোখে যা দেখি তা নিয়েই লাফাতে থাকি কিন্তু এর সাথে কি পরিমান জটিলতা বা করও কুটিল বুদ্ধি জড়িত সেটা ভাবতে চাইনা, ফলস্বরুপ অস্থিশীল পরিস্থিতি আর একপক্ষের অভাবনীয় সাফল্য। সেলুকাস!
গিয়াস আহমেদ বলেছেন:
মাহবুব, ভালো আছি। আপনি? ভালো আছেন আশা করি। আপনার লেখাটা পড়ে বড় ভালো লাগল। লিখব...
হমপগ্র বলেছেন:
দারুন লেগেছে।
অন্যরকম বলেছেন:
"প্রথম আলো ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কী বাঁচালো তাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না। "আসল কথাটা বলে ফেলছেন।
সুন্দর সমর বলেছেন:
ভাল হয়েছে।
মিরাজ বলেছেন:
সত্য উচ্চারনের জন্য - ৫।আমার মতে কার্টুনটি আমাদের সমাজের জন্য যতটা না ক্ষতিকর ছিল, প্রথম আলোর মেরুদন্ডহীন আচরণ তার চেয়েও বেশী ক্ষতিকর।
ব্যাক্তি নিরপেক্ষ না-হতে পারেন কিন্তু সুবোধসম্পন্ন ব্যাক্তি নিরপেক্ষ সুবিচার করতে পারেন।
ধন্যবাদ এবং ৫
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
লেখার ১ ও ২ আমরা সবাই বুঝি।খালি বোঝেনা জননাঙ্গে বুদ্ধি রেখে চলা, কতিপয় সুবিধাবাদী টুপি আর দাড়ির মুখোশ পরা শয়তান। (আমি টুপি ও দাড়ি কে গালি দিচ্ছি না, দিজ আর বিইং ইউটিলাইজড, য়্যু অল নো দ্যাট ওয়েল)
৩ ও ৪ অংশ পড়ে মনে হয়েছে, ব্যক্তি ও ব্লগার মাহবুব মোর্শেদের থেকে কোন একটি দৈনিকে কর্মরত মাহবুব মোর্শেদ বড় হয়ে উঠেছেন।
সে যাকগে, গুড পয়েন্ট অব ভিউ।
রিজভী বলেছেন:
৫ দিলাম।
রকি ভাই বলেছেন:
একমত, কার্টুন রাজনীতির পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে অনেক লেখার মধ্যে আমার মতে এটাই সেরা, প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম, ৫
শ্রীমতি বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সঙ্গীত বদলাতে হবে... কি বলেন মুমিন ভাইয়েরা! আওয়াজ দিয়েন... এর পর তোমাদেরও আলখেল্লা পরিতে হইবে, নারীদের বোরখাপরা এবং...........
আহমেদুর রশীদ বলেছেন:
ধন্যবাদ।চমতকার বিশ্লেসন।তবে প্রথম অালোর সার্ভিসটা শেষ পর্যন্ত কাদের অনুকুলে যায় কিংবা যাচ্ছে সেটাই দেখার ব্যাপার।
কারন বিবেক তখন অসহায় বোধ করে।
রাগ ইমন বলেছেন:
ভেইয়া ! সবসে বড়া রুপাইয়া !
রকি ভাই বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবর@ব্যক্তি ও ব্লগার মাহবুব মোর্শেদের থেকে কোন একটি দৈনিকে কর্মরত মাহবুব মোর্শেদ বড় হয়ে উঠেছেন- কথাটি সমর্থনযোগ্য নয়, ৩ এবং ৪ নং পয়েন্টও যুক্তিযুক্ত
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
...'তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না।'...সহমত। এতে মৌলবাদী গোষ্ঠি নতুন করে আস্কারা পাবে, সন্দেহ নেই।
অন্যদিকে প্রথম আলোর মতো মিডিয়া মহিরুহ যখন পদলেহন করে, তখন পুরো মিডিয়া জগতেরই ভিত নড়ে যায়।...
সরকার আবারো পুরো জাতির সামনে নগ্নভাবে প্রকাশ করলো, তারা আর যা-ই হোক, কোনোভাবেই মিডিয়াবান্ধব নয়।
তো সিএসবি নিউজ, আজকের কাগজ, প্রথম আলো, সাপ্তাহিক ২০০০...নেকস্ট?
মুক্তাদীর আহমদ বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহবুব,লেখায় যুক্তি আছে । ভালো লাগলো । সময়োপযোগী লেখা।ইফতারের সময় হয়ে আসছে,তাই এ পর্যন্তই। ভাই , ভালো থাইকেন পারলে নামের আগে মুহাম্মদ শুরু কইরা দেন আর মতি ভাইরেও লাগাইতে কন।
সুইফট বলেছেন:
চমতকার লেখেছেন। ধন্যবাদ। একই মত নিয়ে নিজস্ব পরিমণ্ডলে অনেক ওয়াজ করেছি। আপনি ব্লগে প্রকাশ করেছেন। খুবই ভালো লাগলো। আজকে পত্রিকার সার্কুলেশন বা সম্পুর্ণ ইনভেস্টমেন্ট বিপাকে না পড়লে মতিউর রহমান সাহেব অন্তত খতিবের কাছে যেতেন না। আপনি ঠিকই বলেছেন। ৫
এহহামিদা বলেছেন:
টেবলয়েড পত্রিকা চলে বেশী কারন সত্য-মিথ্যা মিশ্রিত খবরের ছড়াছড়ি থাকে বেশী!! মানুষ চিরাচরিতভাবে গুজব পছন্দ করে এবং খবরে ক্লাইমেক্স থাকা চাই!!প্রথম আলোকে তেমনই একটি পত্রিকা মনে হয়েছে সবচেয়ে বেশী!!
এরশাদ পতনের পর রাস্তায় ১ টাকা-২ টাকা দামের চার পাতার কিছু পত্রিকা পাওয়া যেত যেখানে এরশাদ ও তার রমনীকুলের বহু অজানা কাহিনী ছাপা হত!! এবং সেই কাগজগুলা ছিল বাংলাদেশের সেই সময়ের সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় পত্রিকা (যদি সার্কুলেশন হিসাব করা হত)!!
প্রথম আলো একই ধরনের কনসেপ্ট নিয়ে চলছে আজ!! যেহেতু, খবরের সত্যতা প্রমান প্রথম আলোর দ্বায়িত্বে পড়ে না, কিন্তু কিছু যদি মিলেও যায় তা প্রথম আলোদের সুনাম হিসেবেই কাজ করে!!
কমোরেডদের সহায়তায় কমোরেডদের এগিয়ে আসা নতুন কিছু না!! যেমনটা মান্নানের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে প্রথম আলো!!
মজার ব্যাপার হল প্রথম আলো গ্রুপের বিরুদ্ধে যেই মানহানীর মামলাগুলো হয়, বেশীর ভাগ সময়ই দেখা যায় হয় এরা জামিন নেয়ার ব্যাপারে সদা ব্যতিব্যস্ত থাকে নতুবা তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা বা তাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে ধুয়া তুলতে ব্যস্ত দেখা যায়!!
তারা যে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেনি এইটা প্রমান করার জন্য তাদের মধ্যে কখনোই নির্ভিক ভাবে সেই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাওয়ার প্রত্যয় দেখা যায় নাই!!
এহহামিদা বলেছেন:
আচ্ছা আলপিনের পর পরই একই মিডিয়া গ্রুপের সাপ্তাহিক ২০০০ এর ব্যপারটা কিভাবে বিশ্লেষন করবেন!!মতির হঠাত করে সেনাপ্রীতিও রহস্য জনক যেই মতি কিনা বাংলাদেশে সেনাবাহিনী প্রয়োজন নেই ভাব ধারায় বিশ্বাসী ছিলেন এই কিছুদিন আগেও!! অবরোধ দমনে সেনা ব্যবহারেরও ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি!!!
তুষার ০০৭ বলেছেন:
গুছানো পোস্ট, ভাল লাগল। ভূতের পা'র মত দেশটা বিশ বছর পিছিয়ে গেল। @মাহবুব মোর্শেদ
তুষার ০০৭ বলেছেন:
দুঃখিত। হবে মাহবুব মোর্শেদ
রূশো বলেছেন:
৫
১ দিছি
মাঠশালা বলেছেন:
মাহবুব ভাই ধন্যবাদ, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার সবচাইতে কনসাস বিশ্লেষন।৫
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
ফারহান দাউদ, কী বলছে, বুঝি নাই।ইদানিং মস্তিষ্কের নিউরন কিছু মরে যাচ্ছে।
তাই বোধহয়।
মোল্লাদের বিরোধিতা করি না। কিন্তু মোল্লারা আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাইতে চাইলে তো ছাড় দেবোনা।
হায়, প্রথম আলো ।
সিংহ বিড়ালে পরিণত হলে, সবাই বিড়ালের পশ্চাতদেশে লাথি মারতে থাকে।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মিরাজ,একমত।
সারওয়ারচৌধুরী,
ধন্যবাদ।
আরণ্যক যাযাবর,
ধন্যবাদ।
রকি,
এইটাই সেরা?
রিজভী,
ধন্যবাদ।
বিপ্লব ভাই,
চলিবে মনে হয়।
মুক্তা,
নামের আগে মুহম্মদ না লাগাইলে কী করবেন?
সুইফট,
ধন্যবাদ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
এহহামিদা,আপনার সঙ্গে একমত হতে পারছি না।
মানবজমিন তো ঘোষণা দিয়েই ট্যাবলয়েড পত্রিকা। কিন্তু তাতে তো আপত্তি করার মতো কিছু দেখি না। আপনি এরশাদ আমলের বা তার পরের যে পত্রিকাগুলোর কথা বলছেন সেগুলো ছিল তথাকথিত ভদ্র লোকদের ভাষায় রুচিহীন পত্রিকা। প্রথম আলো তো দেখছি আগাগোড়া তথাকথিত সিভিলতা, রুচিশীলতা আর সুস্থতাই বিক্রি করে আসছে। সেটা আমরা সবাই কিনছিও। ফলে রুচিহীনতা ও প্রথম আলোকে একসঙ্গে মেশানো ঠিক হবে বলে মনে হয় না। প্রথম আলোর সিভিলতা ও রুচিশীলতাকে ক্ষোভ আর অক্ষম আবেগ দিয়া বোঝা যাবে না। আড়াইলাখ শিক্ষিত মানুষ যখন কেনে তখন রুচিশীলতা বেশ বড় পণ্য। বুঝতে ইবে।
২০০০-এর ঘটনা ধারাবাহিকতা।
কিন্তু প্রথম আলোর কার্টুনকে যদি ব্যাড টেস্ট বলি তবে ২০০০এর ব্যাপারটাকে সুপার ব্যাড টেস্ট বলতে হয়।
সাধারণভাবে বিদেশী পত্রিকাগুলোতে দেখি লর্ডসকে ক্রিকেটের মক্কা বলে। এইটা নিয়া মুসলমানরা রাগ করে না। কিন্তু বেশ্যালয়ের পাশে মক্কার উদাহরণ? দাউদ হায়দার ভয়াবহ ব্যাড টেস্টের পরিচয় দিয়েছেন।
তবে, আমার মতে, ২০০০ ঈদ সংখ্যাটির পুরোটা বাজেয়াপ্ত না করে এই লেখাটা বাদ দিয়ে বাজারজাত করার অনুমতি দেয়া উচিত ছিল। কারণ এত বড় আয়োজন, সারা বছরের প্রস্তুতি, অনেক বিজ্ঞাপন মিলিয়ে ঈদ সংখ্যা এইভাবে বাজার থেকে উঠিয়ে নিতে হলে সেটা একটা পত্রিকার জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরন্তু আরও যে লেখকরা ওইখানে লিখছেন তারা তো কোনো দোষ করেননি। পাঠকের কাছে যেতে তাদের বাধা দেয়া হবে কেন?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ক্ষ্যাপা,আপনার কথা শুনে মনে হইতেছে আপনে শিল্প-সাহিত্যের শালা-দুলাভাই কেউ। আমার কিছু হইলো না দেখে আপনার দুঃখ দেখে কষ্ট লাগতেছে।
প্রতিভা আপনে কাজে লাগান। আপনার অনেক কিছু হবে। প্রথম আলোতে আপনে যোগাযোগ শুরু করেন।
মাঠশালা বলেছেন:
মাহবুব ভাই,ভিন্ন প্রসঙ্গে আপনার তৎকালীন অবস্থান জানেত চাই।
সালমান রুশদির বিরুদ্ধে(খিয়াল কইরা কিন্তু, লেখার বিষয় বা বক্তব্য নিয়া এদেশে এখনো কথা হয় না)যখন আন্দোলন চলছিল তখন আপনার অবস্থান বা মতামত কি ছিল। রুশদি কি তখন পড়া ছিল নাকি পরে পড়ছেন? ত্তসময়ে যদি না পইড়াও থাকেন তারপরও একটা অবস্থান ছিল মনে হয় যেহেতু একটা ঘটনা।আর তখন এত কনসাসলি বিষয়টা নিয়া ডিল করারও কথা না। এই আনকনসাস টাইমটারও মূল্য আছে মনে হয় কারন, এখানে হয়তো মৌলবাদের একটা প্রাইমারি নমুনা নিহিত হয়া গেছে সেই সময়। পড়ে কেউ বাইরইতে পারছে কেউ পারে নাই।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাঠশালা,তখন আমি এক্সট্রিম প্রগতিশীলতা দ্বারা আক্রান্ত ছিলাম। পরে বুঝতে পারছি, এই বিচ্ছিন্ন প্রগতিশীলতা জিনিশটা কাজের কিছু না। এলিয়েনেশন খুব দ্রুত তৈরি করে। আর কিছু তৈরি করে না। স্পষ্ট মনে আছে, তখন না পইড়া, না বুইঝা সালমান রুশদীকে সাপোর্ট দিছিলাম। এখন মনে করি সেটা সঠিক অবস্থান আছিল না। মোল্লারাও না পইড়া না বুইজা হের কল্লা চাইছিল।
ইসলাম এই ধরনের হুজুগকে সমর্থন করে না। কোনো ধর্ম বা মতাদর্শই তা করে না। ফলে এক্সট্রিম সবকিছুই সন্দেহজনক মনে হয় এখন।
দূরন্ত বলেছেন:
৫ দিলাম
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ভাল করছেন।
আনন্দময় বলেছেন:
আমি কিন্তু আপনার এই রকম একটা লেখা আশা করছিলাম,সেরা পোষ্ট।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
ব্যালান্সিং কমেন্ট। ভালো লাগলো।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
প্রথম আলো ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কী বাঁচালো তাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না। *************************
অকুন্ঠ ৫
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
আপনার শেষ প
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ মদন।
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন:
বিশ্লেষনধর্মী পোষ্ট ।৮০% একমত ।
ক্ষমতা পেলে সবাই ধরাকে সরা জ্ঞান করে ।
চরিত্রে কালিমা লেপনের ক্ষেত্রে প্রথম আলোর জুড়ি নাই ।
লতিফুরের মত ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের সময়ে কোলে নেয়, আবার অসময়ে আস্তকুড়ে নিক্ষেপ করতে দেরি করে না । আমার ধারনা কাজি সাহেদও তাই ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মো: খায়রুল বাসার,২০% দ্বিমত নিয়ে আগ্রহ পাচ্ছি। বলবেন?
জুবেরী,
ব্যাপার না। ধন্যবাদ।
মুক্তকথা বলেছেন:
ওর নাম আরিফ।(হয়তো মোহাম্মদ আরিফ)
বয়স ২০ এর কম।
ওর লেখা আর কোনোদিন কোথাও ছাপা হবে না।
যাতে না হয়, তার জন্য আমরা হুজুরদের কাছে খত দিয়েছি।
আমরা হয়তো ভালো থাকব। সঙ্গে আলোও থাকবে।
তারিফএজাজ বলেছেন:
প্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্ভ্র প্প্বমপ্প্ম্ক, *****
লাল দরজা বলেছেন:
অনেক দিন পর এ লেখাটা নজরে পড়ল, পড়লাম ভালো লিখছিলেন। দায়িত্বপূর্ণ দরকারি রচনা, ধন্যবাদ।
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
ইসলাম বিষয়ক বিশ্লষণটা ঠিক ছিলো। প্রথম আলোর চাটুকারিতা করাটা উচিত হয়নি।বিশেষত
'যারা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তারা অবশ্যই ধন্যবাদ পাবেন। কারণ তারা ধর্মীয় রাজনীতির বিপদজনক দিকটির বিরদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু তারা নিশ্চয়ই প্রথম আলোর স্ট্যাটেজি-ট্যাকটিকসসহ মোল্লাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান নাই। প্রথম আলোর বিপদজনক প্রচারণা কৌশলের পক্ষে দাঁড়ান নাই। যারা এ দফা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তাদের ব্যাপারটা ভাবতে হবে। বুঝতে হবে, সিভিল বিপ্লবের মুখপত্রটি দেশের মতামতের কী উন্নয়ন ঘটিয়েছে? তাদের অবদান কী?'
এসব কথা বলে কোনো লাভ নাই। ওই জায়গাটার ভেতরে গিয়ে দেখুন, সংকীর্ণতা কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি?
ধন্যবাদ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
সর্বদাবেলায়েত,চাটুকারিতা শব্দটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছি। এ রকম শব্দ শোনার মতো ধৈর্য হারিয়ে ফেলছি।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
















