আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার আগে পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গিতে 'পশ্চাৎপদ' দেশে প্রগতিশীল আর্মির ধারণাটা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়তো আলজেরিয়ায়। এককালে ফ্রান্সের উপনিবেশ থাকা এই দেশটিতে কলোনিয়াল শাসকরা নিজেদের ভাবধারার একটি শ্রেণী গড়ে তুলতে পেরেছিল। ইউরোপমুখী বুদ্ধিজীবীদের বাইরে কলোনিয়াল শাসকদের সবচেয়ে কাছের মিত্র ছিল সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর অফিসাররা ইউরোপীয় লাইফ-স্টাইল ও সুযোগ-সুবিধায় অভ্যস্ত ছিল। তারা শুধু ইউরোপের স্বার্থই দেখতো না, বরং তারা ছিল প্রগতিশীলতার সবচেয়ে স্বার্থক ঝাণ্ডাধারী। বিভিন্ন সময়ে তারা অস্ত্রের মুখে প্রগতিশীলতাকে টিকিয়ে রেখেছে। শেষ পর্যন্ত ১৯৯১ সালে ইসলামিক সালভেশন ফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করলেও সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপে তারা ক্ষমতায় আসতে পারেনি। বরং ইসলামিস্টদের জয়লাভের মাশুল হিসেবে জনগণ গণতন্ত্রের বদলে গৃহযুদ্ধর মুখোমুখি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত জনসমর্থণে কাজ হয়নি। বর্তমানে সেখানে পাশ্চাত্য শক্তি সমর্থিত মিলিটারি শাসন অব্যাহত আছে।
আলজেরিয়ার পাশাপাশি এ ধরনের প্রগতিশীল মিলিটারির সন্ধান পাওয়া গেছে তুরস্কে। সেখানেও ইউরোপ ইস্যু। ইউরোপের সঙ্গে একাট্টা থাকার জন্য তুরস্কের যতটুকু প্রগতিশীল থাকা দরকার তা সেনাবাহিনীই নিশ্চিত করে। নির্বাচনে কট্টর ইসলামিস্ট কি মডারেট ইসলামিস্ট যেই জিতুক না কেন সেনাবাহিনী প্রগতিশীলতার রাস্তা থেকে তাদের বিচ্যুতি ঠেকায়।
ইউরোপীয় চাঁইদের কাছে প্রগতিশীল আর্মির সাহায্যে আধিপত্য বিস্তারের আইডিয়া নতুন কিছু না হলেও আমেরিকার কাছে সম্ভবত তা নতুন ছিল। কোল্ড ওয়ারের সময় এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায় তাদের সমাজতান্ত্রিক বহু আন্দোলন সংগ্রাম এমনকি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার হুমকি মোকাবিলা করতে হয়েছে। ফলে, তারা অপ্রগতিশীলতা, ধর্মভিত্তিক জঙ্গিবাদকেই নিজেদের রক্ষাকবচ বলে ভেবে এসেছে। এর ফল হিসেবে, ভারতীয় উপমহাদেশসহ বিভিন্ন দেশে সশস্ত্র ইসলামী জঙ্গিগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। এবং প্রি ও পোস্ট নাইন ইলেভেনে পরিস্থিতিতে তারা বুঝতে পেরেছে নিজেদের বানানো দানব এবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ফলে, নতুন এই যুদ্ধে তারা ইউরোপীয় মডেল অনুসরণ করতে শুরু করে পাকিস্তান ও পারভেজ মোশাররফকে দিয়ে। পারভেজ মোশাররফ পাকিস্তানের মতো সামন্ততান্ত্রিক, বহুধাবিভক্ত সমাজের সেনাবাহিনীতে অন্যতম প্রগতিশীল। উনি ক্ষমতায় না থেকে যেকোনো গণতান্ত্রিক শক্তি যদি পাকিস্তানের ক্ষমতায় থাকতো তবে আফগানিস্তান দখল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও কঠিন হতো।
যাই হোক, কেউ কেউ বলতে শুরু করেছেন যে মোশাররফের প্রয়োজন ফুরিয়ে এসেছে। পাকিস্তানে এখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সময়। কিন্তু মোশাররফ এবং আর্মি কেন সেটা হতে দেবে। তারা তৎক্ষণাৎ প্রমাণ করে দিল পাকিস্তান ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জঙ্গিবাদ এখনও বিরাট সমস্যা। অতএব আমাকেই রাখুন। হয়তো এ কথাও সত্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে মোশাররফের উত্তরসুরি কোনো প্রগতিশীল জেনারেল খুঁজে পাওয়া ভার। তাকে আবার আমেরিকার প্রতি একনিষ্ঠ থাকতে হবে। আর পুরো পাকিস্তানে ধর্মের বাইরে রাজনীতি পরিচালনা করতে পারে এমন কোনো রাজনৈতিক দল পাওয়া তো অনেক দূরের কথা।
সো, মোশাররফের গদি টলোমলো হলেও, পাকিস্তানে তার জনসমর্থন শূন্যের কোঠায় নেমে এলেও। সুপ্রিম কোর্ট তাকে অবৈধ ঘোষণা করলেও, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশসহ বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা তৈরি হলেও, গণতন্ত্রের পথ সুদূরপরাহত হলেও ক্ষমতায় পারভেজ মোশাররফই থাকছেন। তার পশ্চিমা মিত্ররা উদ্বেগ প্রকাশ ছাড়া আপাতত আর কিছু করবেন বলে মনে হয় না।
পারভেজের সঙ্গে পাকিস্তান না থাকলেও আছে বুশ প্রশাসন, সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ, প্রগতিশীলতার ঝাণ্ডা আর সে দেশের সুবিধাভোগী সিভিল সোসাইটি যাদের প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ।
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে ।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
পাকিস্তান নিয়ে খুবই হতাশ। ওদের জন্যে দুঃখ হয়।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ওদের দুঃখ ওরাই ডেকে আনছে।
মোশাররফের পতন কেবল হতে পারে যখন মার্কিনীরা মনে করবে , মোশাররফের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেছে । আমার কাছে একটা ধারণা সত্যি মনে হয় .......আধুনিক বিশ্বে মোটামুটি পরিচিতি আছে এমন যে কোন দেশেই গণআন্দোলন তখনই সফল হয় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "গেলে যাক, থাকলে থাক" ভুমিকা নিয়ে চুপ করে থাকে
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
এখনও পাকিস্তানকে গণতন্ত্রের উদ্দেশে ছেড়ে দেয়ার সময় আসে নাই।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মোশাররফের শুভানুধ্যায়ীরা কি রেটিং কমায়?
ঘোর বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
থ্যাংকস ঘোর। খবর কী?
মাঠশালা বলেছেন:
৫
মাঠশালা বলেছেন:
লেফট রাইট লেফট রাইট লেফট রাইট
ফারহান দাউদ বলেছেন:
"আধুনিক বিশ্বে মোটামুটি পরিচিতি আছে এমন যে কোন দেশেই গণআন্দোলন তখনই সফল হয় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "গেলে যাক, থাকলে থাক" ভুমিকা নিয়ে চুপ করে থাক"যেকোন সরকার বদলের বেলাতেও এইটা সত্যি।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মাঠশালা,লেফট রাইট লেফট...
ছবিটা সুন্দর হইছে।
ফারহান দাউদ,
সব পক্ষ যখন তাদের পক্ষে তখনই এরকম হয়। কিন্তু বিরোধীপক্ষ জয়লাভ করতে শুরু করলে ওদের মাথা খারাপ হয়ে যায়।
সেনাবাহিনী কোন শ্রেনীর স্বার্থ রক্ষা করচ্ছে সেটাই মূখ্য বিবেচনার ব্যাপার ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ, সাতিয়া মুনতাহা নিশা।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
পোস্টে বিরাট একটা ভুল ছিল। কারো চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা না। কিন্তু কেউই দেখি আমাকে অ্যালার্ট করলেন না! এখন ঠিক করে দিয়েছি।
নিজেরআয়না বলেছেন:
পাকিস্তান আর গণতন্ত্র- দিল্লীকা লাড্ডু। সেনাবাহিনী আর প্রগতিশীলতা তাহলে পারভেজ বুশাররফ!!
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
থ্যাংকস। ওরকম কিছু হওয়ারই কথা। থ্যাংকস, নিজেরআয়না।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
৫
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
থ্যাংকস।


















