আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
সামহয়ারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে যে, ব্লগার্স মিটের আয়োজন করা হয়েছিল তাতে আমরা কেক কেটেছিলাম এবং সামহয়ার কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। দুই বছরে সামহয়ারের সাফল্য ঈর্ষাজনক। বাংলাদেশে ও বাংলাদেশের বাইরে বিপুল সংখ্যক বাংলা ভাষাভাষী ইন্টারনেট ইউজারের মনোযোগ পেয়েছে এ সাইটটি। অনেকের মাথায় হয়তো সামহয়ারের কাছাকাছি আইডিয়া ছিল, কিন্তু ব্লগ সম্পর্কে অনভিজ্ঞতার কারণে তারা সামহয়ারের মতো সাফল্য পায়নি। ফলে, নানা ফোরাম, গ্রুপ, টকসভার চেয়ে এগিয়ে থেকেছে সামহয়ার। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এই ব্লগ সাইটটি আরও আন্ডা-বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। এখান থেকে বেরিয়ে গিয়ে, এখানকার প্রচারণা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একাধিক ব্লগ সাইটের জন্ম হয়েছে। এক্ষেত্রে কখনো মতাদর্শের ধূয়া কখনো স্বকীয়তার ধূয়া কাজ করেছে। কিন্তু আদতে কেউই সামহয়ারের মতো সাফল্য পায়নি। ফলে, ভেতরে বাইরে সমহয়ারের শত্রু আছে। না থাকাটাই অস্বাভাবিক। এমন শত্রুও থাকা সম্ভব যারা চায় এই সাইটটির মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগকে স্তব্ধ করে দিতে। কারণ, বাংলাদেশের মতো দেশে নাগরিকদের জন্য এরকম স্বাধীন প্লাটফর্ম থাকাটাই বিস্ময়কর। পরাধীন মতপ্রকাশের পয়গম্বররা এখানে তাই ভীষণ রকমের তৎপর থাকবেন এটাই স্বাভাবিক। আমার মতে, ব্লগারদের গণতান্ত্রিক মানসিকতাই এ সাইটটির বিরুদ্ধে সবরকমের অপতৎপরতার মুখে চুন মেখে দিতে পারে।
এ কথা সত্য, সামহয়ারের মাদার অর্গানাইজেশনটি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেটি কোনো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান নয়। কিন্তু গত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় আমি এ ব্লগ সাইটটি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি খেয়াল করিনি। অথচ অনায়াসেই সেটি করা যেত। করলে তাকে গর্হিত কোনো অপরাধ বলা কোনো মুর্খের পক্ষেই সম্ভব হতো না। কিন্তু, সাইটটি কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই রান করেছে। প্রচুর ইউজার ও ভিজিটর পেয়েছে। বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দেশে চলমান বিতর্ক, সুস্থতা, অসুস্থতার আয়না হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সামহয়ার আজ ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশের একটি প্রতিবিম্ব। আমি মনে করি, সমাজকে তার নিজের চেহারায় উপস্থাপন করতে পারাটাও এক ধরনের সফলতা।
এই সাফল্যের জন্য সামহয়ার ও এর কর্তাব্যক্তিদের আবারও অভিন্দন।
কিন্তু এত কিছুর পরও কিছু অসাফল্য রয়ে গেছে।
১. প্রথমত এই সাইটটিতে নারীদের অংশগ্রহণ ও তাদের নিজস্বর মত প্রকাশের পরিস্থিতি আমরা সৃষ্টি করতে পারিনি। ভার্চুয়াল বখাটেদের উৎপাত এখানে নারীদের স্বাধীন মত ও অভিব্যক্তি প্রকাশে বাধা হয়েছে।
২. ভার্চুয়াল বখাটেদের পাশাপাশি কোনো দল, মতাদর্শ ও গ্রুপের ভার্চুয়াল গুণ্ডারা এখানে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নানারকম গুণ্ডামী করে যাচ্ছেন। ফ্লাডিং, টপ রেটিং, মাল্টিপল নিক ইউজ করার মধ্য দিয়ে এরা সক্রিয় থেকেছেন। ব্লগের বাইরের ফোরাম থেকে তারা সমমনাদের সংগঠিত করে সামহয়ারের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছেন। এখানকার পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন। বিভিন্ন মতের ব্লগারদের ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। পাবলিক ফোরামে তাদের নাজেহাল করার চেষ্টা করেছেন।
এই গুণ্ডাদের সংখ্যা কত? পাড়ার গুণ্ডাদের মতোই এদের সংখ্যা নগন্য। আমি দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ থেকে অনুমান করি এদের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচের বেশি নয়। কিন্তু এদের উদ্যম, সময় ও মনোযোগ প্রায় প্রবাদের পর্যায়ে পৌঁছেছে। নানা নামে নানা চেহারায় তাদের আবির্ভাব। কিন্তু এদের কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ মিল।
১. প্রথম একটা বা দুইটা পোস্টে অতি সুবোধ আলোচনা।
২. অনুমতি পাওয়ার পর নিজেকে ব্লগের অমুক বলে ঘোষণা দিয়ে পূর্ণ উদ্যমে ব্লগারদের উত্যক্ত করতে থাকা।
৩. নিজের চিন্তা-ভাবনা পোস্ট করার বদলে সারাদিন কারো না কারো পেছনে লেগে থাকা।
৪. অযাচিতভাবে যে কাউকে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে কোনো তকমা এঁটে দেয়া। অথবা অমুক ব্লগার অমুক নিকে ব্লগাচ্ছেন, অমুক হলেন অমুক বলে একটা বিশৃংখলা তৈরি করা।
৫. কোনো মতে বিরোধিতা বা প্রচারণার চাইতে কোনো ব্যক্তির অবস্থানকে ক্ষুণ্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করার দিকেই এদের বিশেষ মনোযোগ।
এরকম কাজ যারা করছেন তাদের শুরুতেই সনাক্ত করা খুব কঠিন কাজ বলে মনে হয় না। একটু মনোযোগ দিলেই সম্ভব। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো :
১. এরা পাবলিক ফোরামের জন্য ইরিটেটিং ভূমিকা পালন করছেন।
২.অন্যের প্রাইভেসিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।
৩. নিজেদের মত প্রকাশের চাইতে অপরকে বিরক্ত করার দিকেই ঝোক।
৪. কোনো কোনো সময় এদের গুণ্ডামি সহ-ব্লগারদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে।
আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। এক বা একাধিক ব্লগারের বিরুদ্ধে যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে যে কোনো ইনটেনশন থেকে প্রচার বা অপপ্রচার চালান তাদের অতিসত্ত্বর ব্যান করা উচিত। কারণ, সামহয়ারের অবস্থান যাই হোক না কেন, সেটি যাদের দ্বারাই পরিচালিত হোক না কেন। এবং সেটি যারাই ব্যবহার করুক না কেন মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি প্রশ্নে আপোষ করার কোনো জায়গা নেই। কোনো বিশেষ ব্লগারকে শায়েস্তা করার মধ্য দিয়ে এটি আসবে না। সাধারণ নীতি হিসেবে একে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
ভার্চুয়াল বখাটেদের হাত থেকে মুক্তি চাই।
মদন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: সহমত। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ওইরকম করে পারি না ভাই।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
cheshta korbo aro shocheton hobar.But bhy jamat shibir sotti khub baje lage.
ekkebare shojjo korar moto na.
লেখক বলেছেন: এইটা জামাত শিবির ইস্যু না।
১. প্রথম একটা বা দুইটা পোস্টে অতি সুবোধ আলোচনা।
২. অনুমতি পাওয়ার পর নিজেকে ব্লগের অমুক বলে ঘোষণা দিয়ে পূর্ণ উদ্যমে ব্লগারদের উত্যক্ত করতে থাকা।
৩. নিজের চিন্তা-ভাবনা পোস্ট করার বদলে সারাদিন কারো না কারো পেছনে লেগে থাকা।
৪. অযাচিতভাবে যে কাউকে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে কোনো তকমা এঁটে দেয়া। অথবা অমুক ব্লগার অমুক নিকে ব্লগাচ্ছেন, অমুক হলেন অমুক বলে একটা বিশৃংখলা তৈরি করা।
৫. কোনো মতে বিরোধিতা বা প্রচারণার চাইতে কোনো ব্যক্তির অবস্থানকে ক্ষুণ্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করার দিকেই এদের বিশেষ মনোযোগ।
একদম খাঁটি কথা!!!!
লেখক বলেছেন: সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ সারয়ার ভাই।
বিজ্ঞ ব্লগারদের একটা বিষয়ে চিন্তা করার অনুরুধ করি, ব্লগিংটা কি এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ নিয়েই চলতে থাকবে? সৃষ্টিশীল বিনোদন, প্রজ্ঞার চর্চা, সুচিন্তিত মতামতের চারণ ক্ষেত্র হতে পারবে কি ব্লগ? দেখা যাচ্ছে জামাতের মতাদর্শের কিছু ব্লগার তাদের অপরিপক্ক অন্তঃসারশুণ্য কথাবার্তা সম্বালিত পোস্ট কমেন্ট দেয়া এবং অপরদিকে মুক্তিযু্দ্ধের চেতনার পক্ষাবলম্বনকারী কিছু ব্লগারের নাস্তিকতা প্রসূত, ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে নিবেদিত এবং নীতি নৈতিকতাহীন অবাধ মানবিকতা(?)সম্বলিত কিছু পোস্ট কমেন্ট, এই দুই পক্ষই ব্লগের পরিবেশ অশান্ত করে তুলছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফুর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুয়েল।
ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন:
সম্পুর্ন সহমত। পাড়া মহল্লার বখাটেদের মত এখানেও কিছু ছিঁচকে মাস্তান, বখাটের উপদ্রব আছে, যাদের কাজেই হলো স্রেফ অশ্লিল অস্রাব্য খিস্তি খেউড় করা, ব্যক্তি আক্রমন করা, যুক্তির বালাই না মানা ........ ইত্যাদি।
ব্লগকে এদের থেকে মুক্ত রাখা উচিত ।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
সাইফুর বলেছেন:
ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। এক বা একাধিক ব্লগারের বিরুদ্ধে যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে যে কোনো ইনটেনশন থেকে প্রচার বা অপপ্রচার চালান তাদের অতিসত্ত্বর ব্যান করা উচিত।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
সাইফুর বলেছেন:
ভাই তো দারুন লিখছেন...........
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
মাহবুব ভাই, বসি লেখা হইছে....প্লাসাইলাম
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
এখানে জামাত শিবির ইস্যুও মুখ্য না। দেখা গেছে, অহেতুক ত্যাড়ামী করে মন্তব্য করে যে কোন পোস্টে ভার্চৃয়াল বখাটেরা!!!!!
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
ক্যাচাল বলেছেন:
আপনি কি সচলায়তনের মুরসেদ ?@লেখক।
লেখক বলেছেন: না।
লেখক বলেছেন: হ।
ক্যাচাল বলেছেন:
কনফিউজ্ড ছিলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
সুমন বলেছেন:
সামোয়্যার ইন বাংলা ব্লগিং এ বিপ্লব এনেছে। তাদের অবশ্য ধন্যবাদ প্রাপ্য। কতৃপক্ষ চাইলে সব বির্তক এড়াতে পারতেন যদি সমস্যা শুরুর দিকে প্রতিকারের চেষ্টা করতেন। ফ্রী একটা প্লাটফরম দিলাম এইটা অনেক , আমার দায়িত্ব শেষ এমন মনে করা সব সমস্যার সৃষ্টি করেছে। দেওয়া প্লাটফরম কি কাজে ব্যবহার হবে, হচ্ছে এইসব খেয়াল রাখা কতৃপক্ষের দায়িত্ব। এবং আমার মনে হয় এইকাজে তারা ব্যর্থ।ভাল থাকুক এই ব্লগ। ভাল থাকুক সবাই।
অফ টপিকঃ বাংলাদেশের সুশীলরা কেমন যেন তৈল মর্দন এ ব্যস্ত থাকে সবসময়।
লেখক বলেছেন: সুশীল ও তৈলমর্দনের বিষয়টি কি আরেকটু ব্যাখ্যা করবেন?
কেএসআমীন বলেছেন:
ভার্চুয়াল গুন্ডা। বেশ ভাল বলেছেন। সত্যের প্রায় কাছাকাছি... ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমীন ভাই,
ধন্যবাদ।
সত্যের কাছাকাছি ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না।
সুমনভাই, 'বাংলাদেশের সুশীলরা' বলে ঢালাও অভিযোগ করা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না।
তেল মর্দনের সাথে সত্যিকার সুশীলরা জড়িত নয়।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।সম্পূর্ন একমত।তবে একটা প্রশ্ন ব্লগে বখাটে কারা?পরিস্কার করে যদি বলতেন।
লেখক বলেছেন: কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে আমি রাজি নই। কিন্তু কারো আক্রমণ মেনে নিতেও রাজি নই। আমি মনে করি, কার্যকর কোনো নীতি নেয়া হলে কারো নাম করার দরকার পড়বে না। কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ইরিটেটিং ব্লগার খুঁজে বরে করে তাদের শাস্তি দিতে পারবেন।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
মদন বলেছেন:
বিতর্কের উদ্ধে যাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয় যদি সেখানে একাধিক মত থাকে। আর যদি হয় তারা বাঙগালী তাইলে এক কথায় "অসম্ভব"। আমরা বিতর্কই ভালবাসি।প্রিয় সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ,
আপনারা যদি বিতর্কের উদ্ধে যেতে চান তাহলে সবচেয়ে ভাল বুদ্ধি আমি দিতে পারি। আর তা হলো সাইট বন্ধ করে দেয়া। এছাড়া আর কোন প্রকার উপায় আছে বলে জানা নেই।
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা।
কিন্তু ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
তীর্যক বলেছেন:
সম্পুর্ন একমত। ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।আচ্ছা, ছিঁচকে মাস্তান, বখাটে, ভার্চুয়াল গুন্ডা - এদের একটা লিষ্ট করা যায়না ?
লেখক বলেছেন: লিস্ট করার দরকার নাই। আগে আইন হোক।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
মদন মিয়া, বিতর্ক কেউ করতে মানা করছে না। বিতর্ক দরকার। কিন্তু সেটা অহেতুক ত্যাড়ামী হলেই আর বিতর্ক থাকে না।
আপনার এই কথার সাথে একমত বাঙালি ঝগড়াটে। এইজন্য বাংলাদেশকে কোন এক বিদেশী নাকি বলেছিল' ঝগড়াপুর'। তাই আমাদের মানসিক উন্নতি দরকার।
লেখক বলেছেন: বিতর্ক ঝগড়া আর কারও মতপ্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ন করা, কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা। কারো প্রাইভেসিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা ভিন্ন প্রসঙ্গ।
কোলাহল বলেছেন:
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।যেসব বিষয় বিবেচনা করা দরকার
১. নাম বিকৃতি
২. গালি গালাজ
৩. মেয়ে ব্লগারদের উত্তক্ত করা
৪. ব্যান হওয়া নিক নতুন নামে এসে সদম্ভে ঘোষনা দেয়া
৫. হত্যার হুমকি
৬. ফ্লাডিং
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: কোলাহল,
অনেক ধন্যবাদ।
সহমত।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
নতুন যারা এই ব্লগে আসে তাদের সাথে পুরানোদের একটু মতপার্থক্য হলেই পুরানুদের একটি গ্রুপ নতুন কে একযোগে অপদস্ত করেন। এটা নতুন ইউজার কে হতাশ করে।এখানে অনেক উচ্চশিক্ষিত ব্লগার আছেন যারা অনেকে "বড় বড় অনেক লেখকের ভাল ভাল লেখা" নিয়মিত পড়েন, সেটা আমি স্বীকার করি কিন্তু সামহোয়ারের ব্লগারদের লেখার সাথে ঐসব বড় বড় লেখকদের লেখা তুলনা করে "লেখা ভাল হয়নি" এই সার্টিফিকেট দেওয়া কি ঠিক?
আমি দেখেছি যারা এইসব সার্টিফিকেট দেন তাদের নিজেদেরই কোন ভাল লেখা নাই। এটা অবশ্য স্বাভাবিক-- কারন বড় বড় লেখকদের লেখা পড়তে পারার জন্য অক্ষরজ্ঞান থাকলেই হয় কিন্তু নিজে ভাল লেখা লিখতে পারা অতো সহজ কাজ নয়।
রাজাকার জামাত শিবিরদের বিরুদ্ধে গুন্ডামী করাটা আমি সমর্থন করি। করে যাবো চিরদিন।
তবে সাধারন ইউজারের বিরুদ্ধে কোন গুন্ডামী সমর্থন করিনা
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: আপনার তাতে কোনো সমস্যা হয়েছে? আপনি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন?
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
লেখক কে বলছি, যেসব পুরুষ মহিলা নিক নিয়ে লেখালেখি করে তাদের কে আপনি কিভাবে দেখেন?
লেখক বলেছেন: এইটা খোঁজার দায়িত্ব আপনাকে কে দিল?
ব্লগার হিসেবে এই কাজটা আপনি নিতে চাচ্ছেন কেন?
লেখক বলেছেন: তারা যদি নিজের নারী পরিচয় ব্যবহার করে অনৈতিক কিছু করেন নারীদের জন্য ক্ষতিকর কোনো ভূমিকা পালন করেন। তাহলে তারা প্রতারণার কাজ করছেন বা করবেন।
সুমন বলেছেন:
সুশীল ও তৈলমর্দনের বিষয়টি কি আরেকটু ব্যাখ্যা করবেনবাংলাদেশের সুশীল সমাজ ব্যানারে যাদের চিনতাম। তাদের অনেককে রুপ বদলাতে দেখেছি সময়ের সাথে। স্বার্থে খাতিরে চুপ থাকতে দেখেছি। স্বার্থের খাতিরে তোষামোদী করতে দেখেছি। তাই এক জায়গায় সুশীল শুনে তৈলবিদের মনে পড়ছে তাই বললাম।
লেখক বলেছেন: এর সাথে আমার পোস্টের সম্পর্ক একটু ব্যাখ্যা করেন।
হাসিব বলেছেন:
ঐটাই কথা সুমন । প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা আর সময় বুঝে চুপ থাকা । 2_b or not_2b ।
লেখক বলেছেন: হাসিব,
আপনি বুঝতে পারেন নাই।
এইটা সাধারণ ও জরুরি একটা নীতি বা আইনের প্রস্তাব। যেটা একান্ত বর্বর না হলে সবারই মেনে চলা উচিত।
এখন আমার ইমেইল অ্যাড্রেসটাকে ব্যবহার করলেন অস্ত্র হিসেবে?
বাহ!
প্রচেত্য বলেছেন:
কিছু চরিত্র আছে বির্তকিত হয়ে পপুলারিটি পেতে চায়, কিন্তু তাদের চিন্তা এক কর্ম আর এক যা তাদের এই ভার্চূয়াল জগতে গুন্ডা হিসেবেই বেশী মানায়।এরকম একটু সুস্পষ্ট নীতিমালার প্রস্তাবের অপেক্ষায় ছিলাম।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
সামিহা এষা বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার পোস্টটির জন্য। প্রতিটি পোয়েন্ট আমরা দেখব।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সামিহা এষা।
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এইটা খোঁজার দায়িত্ব আপনাকে কে দিল?ব্লগার হিসেবে এই কাজটা আপনি নিতে চাচ্ছেন কেন?
আমি নিতে যাবো কোন দু:খে । কেউ যদি নিজের বেখেয়েলীপনায় ধরা খেয়ে যায়, তাহলে পাবলিক খি তাকে ছেড়ে দিবে মনে করেন?
যেমন: জামাল খান ওরফে চতুরভুগ, শান্তা২৯, শতরুপা।
লেখক বলেছেন: কারো নাম নিয়ে এ ধরনের কমেন্ট করবেন না, যা সেই ব্যক্তিদের হেয় করে।
লেখক বলেছেন: এরা প্রতারণামূলক কিচু করলে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন।
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কারো নাম নিয়ে এ ধরনের কমেন্ট করবেন না, যা সেই ব্যক্তিদের হেয় করে।বুঝলাম না, সামওয়ারের এমন কেউ কি আছে যারা 'জামাল' খান ও শান্টা২৯ এর হিজরামী এর কথা জানে না?
আপনি কি উদাহরন দিতে মানা করছেন আমাকে?
লেখক বলেছেন: এদের দ্বারা প্রতারিত হলে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন।
সুমন বলেছেন:
অফ টপিকঃ বাংলাদেশের সুশীলরা কেমন যেন তৈল মর্দন এ ব্যস্ত থাকে সবসময়।আপনার পোষ্ট রিলেটড হলে আমি অফ টপিক লিখতাম না। কিন্তু মন্তব্যের ঘরে সুশীল শব্দ দেখে সুশীলদের কথা মনে পড়ল।
এনি ওয়ে, স্বাধীনতার বিপক্ষে পোষ্ট, মতামত প্রদানকারীদের ব্যাপারে সামোয়্যার ইনের কোন একশন না নেওয়ার ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই।
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কেউ অবস্থান নিলে সামহয়ার কেন এই রাষ্ট্রেই তো তার থাকার অধিকার নাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়াও তো যায়। সামহয়ার আগ বাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়াইছে বইলা তো আমার জানা নাই।
হাসিব বলেছেন:
আমি আসলেই কিছু ক্ষেত্রে কম বুঝি মনে হয় । জামাতি প্রপাগান্ডা এইখানে ভালোভাবেই বহালতবিয়তে বিরাজ করে সেই শুরু থিকাই । আমার ঐটারেই বেশী বর্বর মনে হয় সবসময় । মডুরাম/মডুসীতারা তাগো নীতিমালার ঘেরাটোপে ঐ বর্বরদের রক্ষা করেন বৈলাই তাগোরেই আমি বর্বর রাজ্যের প্রবর্তক বলি । আপনে আপনার এই পোস্টে এই জামাতি প্রপাগান্ডা ও মডুরাম/মডুসীতাদের সেইটারে প্রচ্ছন্ন সমর্থনের বিষয়টা এড়ায় গেছেন । এই কারনে আমি ঐ টুবি অর নট টুবির কথাটা পাড়লাম ।
আর আপনে যেইটারে বর্বর বলেন সেই ডেফিনিশন আমি ভিন্ন চোখে দেখি । সেইখানেই পার্থক্যটা তৈরী হয় ।
জাবির ছাত্র হিসাবে আপনে জানেন যে গলায় প্লাকার্ড ঝুলায়, স্মারকলিপি দিয়া, মৌন মিছিল কৈরা ঐখানে শিবির ক্ষ্যাদানো যায় নাই বা কোন দাবিও আদায় করা যায় নাই । যেমন কুকুর তেমন মুগুর হৈতে হয় সবজায়গায় - এই কথাটা আমি ঢাবির ছাত্র হৈয়া জাবির পুলাপানদেরই কাছ থিকা শিখছি ।
অনলাইনে যুদ্ধের একটা নিয়ম দাড়াইছে এই সামহয়ারকে কেন্দ্র কৈরা । ঐ নিয়মটারে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তভাবে বাড়তে দেন । এইটা এইভাবে করো, ঐটা ঐভাবে করা উচিত ছিলো টাইপ পয়গম্বরি কথাবার্তা বৈলা লাভ নাই ।
লেখক বলেছেন: আপনার লগে তো কথা বইলা তাইলে লাভ নাই। আমি আগেই বলছি এই বিষয়ে সাধারণ একটা নীতি আমরা চাই। তার সঙ্গে আপনার বিপ্লবের যোগাযোগ নাই। আপনে নিজে থেকে যোগাযোগ বানাইতে পারেন। কিন্তু আমরা ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
তীরন্দাজ বলেছেন:
হাসিবের সাথে সহমত!
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
মুকুল বলেছেন:
উদ্ধৃতি
"আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়।"
এই কথায় আমি আপনার সাথে একেবারেই একমত নই।
আপনি কোন মতাদর্শের বিরুদ্ধে নন? এই দেশের স্বাধীনতা নিয়ে যে সকল শুয়োরের বাচ্চা কটাক্ষ করবে, প্রকাশ্যে নিজেকে রাজাকারপুত্র ঘোষণা দিয়ে পোস্ট দিবে, পিতার অপরাধ অস্বীকার করে ইতিহাস বিকৃতি করবে - তাদের আদর্শের বিপক্ষে আপনি নন?
এটা লজ্জাজনক। আপনার এই মন্তব্য এই ব্লগের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে প্রশ্রয় দিলো। আমি দূঃখিত মাহবুব মোর্শেদ ভাই। আমি খুবই দূঃখিত!
আপনার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য আশা করি নাই।
লেখক বলেছেন: মুকুল,
আপনার দ্বিমতকে আমি শ্রদ্ধা করি।
মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়া ফাইট করতে হয়। এইটাই যুদ্ধের নিয়ম। বখাটেপনা আর গুণ্ডামী সেই মতাদর্শকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে যার পক্ষে আপনি দাঁড়িয়েছেন। আমি মনে করি না আমার বক্তব্য স্বাধীনতা বিরোধীদের শক্তি যোগাইছে।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
তীরন্দাজ বলেছেন:
সহমত মুকুল!
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
সুমন বলেছেন:
হাসিব বলেছেনঃ '' ......... অনলাইন

















+
'আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। '
একমত