আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন প্রতিবাদী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট এবং ব্লগারদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করি, অত:পর নিশ্চিন্তায় গাঁজা টানি! - আল-আমিন কবির
- ব্লগার সাবধান! - ব্রাত্য রাইসু
- মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং - কৌশিক
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
সামহয়ারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে যে, ব্লগার্স মিটের আয়োজন করা হয়েছিল তাতে আমরা কেক কেটেছিলাম এবং সামহয়ার কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। দুই বছরে সামহয়ারের সাফল্য ঈর্ষাজনক। বাংলাদেশে ও বাংলাদেশের বাইরে বিপুল সংখ্যক বাংলা ভাষাভাষী ইন্টারনেট ইউজারের মনোযোগ পেয়েছে এ সাইটটি। অনেকের মাথায় হয়তো সামহয়ারের কাছাকাছি আইডিয়া ছিল, কিন্তু ব্লগ সম্পর্কে অনভিজ্ঞতার কারণে তারা সামহয়ারের মতো সাফল্য পায়নি। ফলে, নানা ফোরাম, গ্রুপ, টকসভার চেয়ে এগিয়ে থেকেছে সামহয়ার। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এই ব্লগ সাইটটি আরও আন্ডা-বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। এখান থেকে বেরিয়ে গিয়ে, এখানকার প্রচারণা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একাধিক ব্লগ সাইটের জন্ম হয়েছে। এক্ষেত্রে কখনো মতাদর্শের ধূয়া কখনো স্বকীয়তার ধূয়া কাজ করেছে। কিন্তু আদতে কেউই সামহয়ারের মতো সাফল্য পায়নি। ফলে, ভেতরে বাইরে সমহয়ারের শত্রু আছে। না থাকাটাই অস্বাভাবিক। এমন শত্রুও থাকা সম্ভব যারা চায় এই সাইটটির মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগকে স্তব্ধ করে দিতে। কারণ, বাংলাদেশের মতো দেশে নাগরিকদের জন্য এরকম স্বাধীন প্লাটফর্ম থাকাটাই বিস্ময়কর। পরাধীন মতপ্রকাশের পয়গম্বররা এখানে তাই ভীষণ রকমের তৎপর থাকবেন এটাই স্বাভাবিক। আমার মতে, ব্লগারদের গণতান্ত্রিক মানসিকতাই এ সাইটটির বিরুদ্ধে সবরকমের অপতৎপরতার মুখে চুন মেখে দিতে পারে।
এ কথা সত্য, সামহয়ারের মাদার অর্গানাইজেশনটি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেটি কোনো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান নয়। কিন্তু গত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় আমি এ ব্লগ সাইটটি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি খেয়াল করিনি। অথচ অনায়াসেই সেটি করা যেত। করলে তাকে গর্হিত কোনো অপরাধ বলা কোনো মুর্খের পক্ষেই সম্ভব হতো না। কিন্তু, সাইটটি কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই রান করেছে। প্রচুর ইউজার ও ভিজিটর পেয়েছে। বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দেশে চলমান বিতর্ক, সুস্থতা, অসুস্থতার আয়না হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সামহয়ার আজ ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশের একটি প্রতিবিম্ব। আমি মনে করি, সমাজকে তার নিজের চেহারায় উপস্থাপন করতে পারাটাও এক ধরনের সফলতা।
এই সাফল্যের জন্য সামহয়ার ও এর কর্তাব্যক্তিদের আবারও অভিন্দন।
কিন্তু এত কিছুর পরও কিছু অসাফল্য রয়ে গেছে।
১. প্রথমত এই সাইটটিতে নারীদের অংশগ্রহণ ও তাদের নিজস্বর মত প্রকাশের পরিস্থিতি আমরা সৃষ্টি করতে পারিনি। ভার্চুয়াল বখাটেদের উৎপাত এখানে নারীদের স্বাধীন মত ও অভিব্যক্তি প্রকাশে বাধা হয়েছে।
২. ভার্চুয়াল বখাটেদের পাশাপাশি কোনো দল, মতাদর্শ ও গ্রুপের ভার্চুয়াল গুণ্ডারা এখানে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নানারকম গুণ্ডামী করে যাচ্ছেন। ফ্লাডিং, টপ রেটিং, মাল্টিপল নিক ইউজ করার মধ্য দিয়ে এরা সক্রিয় থেকেছেন। ব্লগের বাইরের ফোরাম থেকে তারা সমমনাদের সংগঠিত করে সামহয়ারের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছেন। এখানকার পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন। বিভিন্ন মতের ব্লগারদের ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। পাবলিক ফোরামে তাদের নাজেহাল করার চেষ্টা করেছেন।
এই গুণ্ডাদের সংখ্যা কত? পাড়ার গুণ্ডাদের মতোই এদের সংখ্যা নগন্য। আমি দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ থেকে অনুমান করি এদের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচের বেশি নয়। কিন্তু এদের উদ্যম, সময় ও মনোযোগ প্রায় প্রবাদের পর্যায়ে পৌঁছেছে। নানা নামে নানা চেহারায় তাদের আবির্ভাব। কিন্তু এদের কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ মিল।
১. প্রথম একটা বা দুইটা পোস্টে অতি সুবোধ আলোচনা।
২. অনুমতি পাওয়ার পর নিজেকে ব্লগের অমুক বলে ঘোষণা দিয়ে পূর্ণ উদ্যমে ব্লগারদের উত্যক্ত করতে থাকা।
৩. নিজের চিন্তা-ভাবনা পোস্ট করার বদলে সারাদিন কারো না কারো পেছনে লেগে থাকা।
৪. অযাচিতভাবে যে কাউকে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে কোনো তকমা এঁটে দেয়া। অথবা অমুক ব্লগার অমুক নিকে ব্লগাচ্ছেন, অমুক হলেন অমুক বলে একটা বিশৃংখলা তৈরি করা।
৫. কোনো মতে বিরোধিতা বা প্রচারণার চাইতে কোনো ব্যক্তির অবস্থানকে ক্ষুণ্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করার দিকেই এদের বিশেষ মনোযোগ।
এরকম কাজ যারা করছেন তাদের শুরুতেই সনাক্ত করা খুব কঠিন কাজ বলে মনে হয় না। একটু মনোযোগ দিলেই সম্ভব। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো :
১. এরা পাবলিক ফোরামের জন্য ইরিটেটিং ভূমিকা পালন করছেন।
২.অন্যের প্রাইভেসিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।
৩. নিজেদের মত প্রকাশের চাইতে অপরকে বিরক্ত করার দিকেই ঝোক।
৪. কোনো কোনো সময় এদের গুণ্ডামি সহ-ব্লগারদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে।
আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। এক বা একাধিক ব্লগারের বিরুদ্ধে যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে যে কোনো ইনটেনশন থেকে প্রচার বা অপপ্রচার চালান তাদের অতিসত্ত্বর ব্যান করা উচিত। কারণ, সামহয়ারের অবস্থান যাই হোক না কেন, সেটি যাদের দ্বারাই পরিচালিত হোক না কেন। এবং সেটি যারাই ব্যবহার করুক না কেন মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি প্রশ্নে আপোষ করার কোনো জায়গা নেই। কোনো বিশেষ ব্লগারকে শায়েস্তা করার মধ্য দিয়ে এটি আসবে না। সাধারণ নীতি হিসেবে একে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
ভার্চুয়াল বখাটেদের হাত থেকে মুক্তি চাই।
মদন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: সহমত। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ওইরকম করে পারি না ভাই।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
cheshta korbo aro shocheton hobar.But bhy jamat shibir sotti khub baje lage.
ekkebare shojjo korar moto na.
লেখক বলেছেন: এইটা জামাত শিবির ইস্যু না।
১. প্রথম একটা বা দুইটা পোস্টে অতি সুবোধ আলোচনা।
২. অনুমতি পাওয়ার পর নিজেকে ব্লগের অমুক বলে ঘোষণা দিয়ে পূর্ণ উদ্যমে ব্লগারদের উত্যক্ত করতে থাকা।
৩. নিজের চিন্তা-ভাবনা পোস্ট করার বদলে সারাদিন কারো না কারো পেছনে লেগে থাকা।
৪. অযাচিতভাবে যে কাউকে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে কোনো তকমা এঁটে দেয়া। অথবা অমুক ব্লগার অমুক নিকে ব্লগাচ্ছেন, অমুক হলেন অমুক বলে একটা বিশৃংখলা তৈরি করা।
৫. কোনো মতে বিরোধিতা বা প্রচারণার চাইতে কোনো ব্যক্তির অবস্থানকে ক্ষুণ্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করার দিকেই এদের বিশেষ মনোযোগ।
একদম খাঁটি কথা!!!!
লেখক বলেছেন: সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ সারয়ার ভাই।
বিজ্ঞ ব্লগারদের একটা বিষয়ে চিন্তা করার অনুরুধ করি, ব্লগিংটা কি এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ নিয়েই চলতে থাকবে? সৃষ্টিশীল বিনোদন, প্রজ্ঞার চর্চা, সুচিন্তিত মতামতের চারণ ক্ষেত্র হতে পারবে কি ব্লগ? দেখা যাচ্ছে জামাতের মতাদর্শের কিছু ব্লগার তাদের অপরিপক্ক অন্তঃসারশুণ্য কথাবার্তা সম্বালিত পোস্ট কমেন্ট দেয়া এবং অপরদিকে মুক্তিযু্দ্ধের চেতনার পক্ষাবলম্বনকারী কিছু ব্লগারের নাস্তিকতা প্রসূত, ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে নিবেদিত এবং নীতি নৈতিকতাহীন অবাধ মানবিকতা(?)সম্বলিত কিছু পোস্ট কমেন্ট, এই দুই পক্ষই ব্লগের পরিবেশ অশান্ত করে তুলছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফুর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুয়েল।
ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন:
সম্পুর্ন সহমত। পাড়া মহল্লার বখাটেদের মত এখানেও কিছু ছিঁচকে মাস্তান, বখাটের উপদ্রব আছে, যাদের কাজেই হলো স্রেফ অশ্লিল অস্রাব্য খিস্তি খেউড় করা, ব্যক্তি আক্রমন করা, যুক্তির বালাই না মানা ........ ইত্যাদি।
ব্লগকে এদের থেকে মুক্ত রাখা উচিত ।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
সাইফুর বলেছেন:
ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। এক বা একাধিক ব্লগারের বিরুদ্ধে যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে যে কোনো ইনটেনশন থেকে প্রচার বা অপপ্রচার চালান তাদের অতিসত্ত্বর ব্যান করা উচিত।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
সাইফুর বলেছেন:
ভাই তো দারুন লিখছেন...........
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
এখানে জামাত শিবির ইস্যুও মুখ্য না। দেখা গেছে, অহেতুক ত্যাড়ামী করে মন্তব্য করে যে কোন পোস্টে ভার্চৃয়াল বখাটেরা!!!!!
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
ক্যাচাল বলেছেন:
আপনি কি সচলায়তনের মুরসেদ ?@লেখক।
লেখক বলেছেন: না।
লেখক বলেছেন: হ।
ক্যাচাল বলেছেন:
কনফিউজ্ড ছিলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
সুমন বলেছেন:
সামোয়্যার ইন বাংলা ব্লগিং এ বিপ্লব এনেছে। তাদের অবশ্য ধন্যবাদ প্রাপ্য। কতৃপক্ষ চাইলে সব বির্তক এড়াতে পারতেন যদি সমস্যা শুরুর দিকে প্রতিকারের চেষ্টা করতেন। ফ্রী একটা প্লাটফরম দিলাম এইটা অনেক , আমার দায়িত্ব শেষ এমন মনে করা সব সমস্যার সৃষ্টি করেছে। দেওয়া প্লাটফরম কি কাজে ব্যবহার হবে, হচ্ছে এইসব খেয়াল রাখা কতৃপক্ষের দায়িত্ব। এবং আমার মনে হয় এইকাজে তারা ব্যর্থ।ভাল থাকুক এই ব্লগ। ভাল থাকুক সবাই।
অফ টপিকঃ বাংলাদেশের সুশীলরা কেমন যেন তৈল মর্দন এ ব্যস্ত থাকে সবসময়।
লেখক বলেছেন: সুশীল ও তৈলমর্দনের বিষয়টি কি আরেকটু ব্যাখ্যা করবেন?
কেএসআমীন বলেছেন:
ভার্চুয়াল গুন্ডা। বেশ ভাল বলেছেন। সত্যের প্রায় কাছাকাছি... ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমীন ভাই,
ধন্যবাদ।
সত্যের কাছাকাছি ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না।
সুমনভাই, 'বাংলাদেশের সুশীলরা' বলে ঢালাও অভিযোগ করা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না।
তেল মর্দনের সাথে সত্যিকার সুশীলরা জড়িত নয়।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।সম্পূর্ন একমত।তবে একটা প্রশ্ন ব্লগে বখাটে কারা?পরিস্কার করে যদি বলতেন।
লেখক বলেছেন: কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে আমি রাজি নই। কিন্তু কারো আক্রমণ মেনে নিতেও রাজি নই। আমি মনে করি, কার্যকর কোনো নীতি নেয়া হলে কারো নাম করার দরকার পড়বে না। কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ইরিটেটিং ব্লগার খুঁজে বরে করে তাদের শাস্তি দিতে পারবেন।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
মদন বলেছেন:
বিতর্কের উদ্ধে যাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয় যদি সেখানে একাধিক মত থাকে। আর যদি হয় তারা বাঙগালী তাইলে এক কথায় "অসম্ভব"। আমরা বিতর্কই ভালবাসি।প্রিয় সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ,
আপনারা যদি বিতর্কের উদ্ধে যেতে চান তাহলে সবচেয়ে ভাল বুদ্ধি আমি দিতে পারি। আর তা হলো সাইট বন্ধ করে দেয়া। এছাড়া আর কোন প্রকার উপায় আছে বলে জানা নেই।
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা।
কিন্তু ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
তীর্যক বলেছেন:
সম্পুর্ন একমত। ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।আচ্ছা, ছিঁচকে মাস্তান, বখাটে, ভার্চুয়াল গুন্ডা - এদের একটা লিষ্ট করা যায়না ?
লেখক বলেছেন: লিস্ট করার দরকার নাই। আগে আইন হোক।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
মদন মিয়া, বিতর্ক কেউ করতে মানা করছে না। বিতর্ক দরকার। কিন্তু সেটা অহেতুক ত্যাড়ামী হলেই আর বিতর্ক থাকে না।
আপনার এই কথার সাথে একমত বাঙালি ঝগড়াটে। এইজন্য বাংলাদেশকে কোন এক বিদেশী নাকি বলেছিল' ঝগড়াপুর'। তাই আমাদের মানসিক উন্নতি দরকার।
লেখক বলেছেন: বিতর্ক ঝগড়া আর কারও মতপ্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ন করা, কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা। কারো প্রাইভেসিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা ভিন্ন প্রসঙ্গ।
কোলাহল বলেছেন:
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।যেসব বিষয় বিবেচনা করা দরকার
১. নাম বিকৃতি
২. গালি গালাজ
৩. মেয়ে ব্লগারদের উত্তক্ত করা
৪. ব্যান হওয়া নিক নতুন নামে এসে সদম্ভে ঘোষনা দেয়া
৫. হত্যার হুমকি
৬. ফ্লাডিং
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: কোলাহল,
অনেক ধন্যবাদ।
সহমত।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
নতুন যারা এই ব্লগে আসে তাদের সাথে পুরানোদের একটু মতপার্থক্য হলেই পুরানুদের একটি গ্রুপ নতুন কে একযোগে অপদস্ত করেন। এটা নতুন ইউজার কে হতাশ করে।এখানে অনেক উচ্চশিক্ষিত ব্লগার আছেন যারা অনেকে "বড় বড় অনেক লেখকের ভাল ভাল লেখা" নিয়মিত পড়েন, সেটা আমি স্বীকার করি কিন্তু সামহোয়ারের ব্লগারদের লেখার সাথে ঐসব বড় বড় লেখকদের লেখা তুলনা করে "লেখা ভাল হয়নি" এই সার্টিফিকেট দেওয়া কি ঠিক?
আমি দেখেছি যারা এইসব সার্টিফিকেট দেন তাদের নিজেদেরই কোন ভাল লেখা নাই। এটা অবশ্য স্বাভাবিক-- কারন বড় বড় লেখকদের লেখা পড়তে পারার জন্য অক্ষরজ্ঞান থাকলেই হয় কিন্তু নিজে ভাল লেখা লিখতে পারা অতো সহজ কাজ নয়।
রাজাকার জামাত শিবিরদের বিরুদ্ধে গুন্ডামী করাটা আমি সমর্থন করি। করে যাবো চিরদিন।
তবে সাধারন ইউজারের বিরুদ্ধে কোন গুন্ডামী সমর্থন করিনা
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: আপনার তাতে কোনো সমস্যা হয়েছে? আপনি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন?
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
লেখক কে বলছি, যেসব পুরুষ মহিলা নিক নিয়ে লেখালেখি করে তাদের কে আপনি কিভাবে দেখেন?
লেখক বলেছেন: এইটা খোঁজার দায়িত্ব আপনাকে কে দিল?
ব্লগার হিসেবে এই কাজটা আপনি নিতে চাচ্ছেন কেন?
লেখক বলেছেন: তারা যদি নিজের নারী পরিচয় ব্যবহার করে অনৈতিক কিছু করেন নারীদের জন্য ক্ষতিকর কোনো ভূমিকা পালন করেন। তাহলে তারা প্রতারণার কাজ করছেন বা করবেন।
সুমন বলেছেন:
সুশীল ও তৈলমর্দনের বিষয়টি কি আরেকটু ব্যাখ্যা করবেনবাংলাদেশের সুশীল সমাজ ব্যানারে যাদের চিনতাম। তাদের অনেককে রুপ বদলাতে দেখেছি সময়ের সাথে। স্বার্থে খাতিরে চুপ থাকতে দেখেছি। স্বার্থের খাতিরে তোষামোদী করতে দেখেছি। তাই এক জায়গায় সুশীল শুনে তৈলবিদের মনে পড়ছে তাই বললাম।
লেখক বলেছেন: এর সাথে আমার পোস্টের সম্পর্ক একটু ব্যাখ্যা করেন।
হাসিব বলেছেন:
ঐটাই কথা সুমন । প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা আর সময় বুঝে চুপ থাকা । 2_b or not_2b ।
লেখক বলেছেন: হাসিব,
আপনি বুঝতে পারেন নাই।
এইটা সাধারণ ও জরুরি একটা নীতি বা আইনের প্রস্তাব। যেটা একান্ত বর্বর না হলে সবারই মেনে চলা উচিত।
এখন আমার ইমেইল অ্যাড্রেসটাকে ব্যবহার করলেন অস্ত্র হিসেবে?
বাহ!
প্রচেত্য বলেছেন:
কিছু চরিত্র আছে বির্তকিত হয়ে পপুলারিটি পেতে চায়, কিন্তু তাদের চিন্তা এক কর্ম আর এক যা তাদের এই ভার্চূয়াল জগতে গুন্ডা হিসেবেই বেশী মানায়।এরকম একটু সুস্পষ্ট নীতিমালার প্রস্তাবের অপেক্ষায় ছিলাম।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
সামিহা এষা বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার পোস্টটির জন্য। প্রতিটি পোয়েন্ট আমরা দেখব।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সামিহা এষা।
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এইটা খোঁজার দায়িত্ব আপনাকে কে দিল?ব্লগার হিসেবে এই কাজটা আপনি নিতে চাচ্ছেন কেন?
আমি নিতে যাবো কোন দু:খে । কেউ যদি নিজের বেখেয়েলীপনায় ধরা খেয়ে যায়, তাহলে পাবলিক খি তাকে ছেড়ে দিবে মনে করেন?
যেমন: জামাল খান ওরফে চতুরভুগ, শান্তা২৯, শতরুপা।
লেখক বলেছেন: কারো নাম নিয়ে এ ধরনের কমেন্ট করবেন না, যা সেই ব্যক্তিদের হেয় করে।
লেখক বলেছেন: এরা প্রতারণামূলক কিচু করলে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন।
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কারো নাম নিয়ে এ ধরনের কমেন্ট করবেন না, যা সেই ব্যক্তিদের হেয় করে।বুঝলাম না, সামওয়ারের এমন কেউ কি আছে যারা 'জামাল' খান ও শান্টা২৯ এর হিজরামী এর কথা জানে না?
আপনি কি উদাহরন দিতে মানা করছেন আমাকে?
লেখক বলেছেন: এদের দ্বারা প্রতারিত হলে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন।
সুমন বলেছেন:
অফ টপিকঃ বাংলাদেশের সুশীলরা কেমন যেন তৈল মর্দন এ ব্যস্ত থাকে সবসময়।আপনার পোষ্ট রিলেটড হলে আমি অফ টপিক লিখতাম না। কিন্তু মন্তব্যের ঘরে সুশীল শব্দ দেখে সুশীলদের কথা মনে পড়ল।
এনি ওয়ে, স্বাধীনতার বিপক্ষে পোষ্ট, মতামত প্রদানকারীদের ব্যাপারে সামোয়্যার ইনের কোন একশন না নেওয়ার ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই।
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কেউ অবস্থান নিলে সামহয়ার কেন এই রাষ্ট্রেই তো তার থাকার অধিকার নাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়াও তো যায়। সামহয়ার আগ বাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়াইছে বইলা তো আমার জানা নাই।
হাসিব বলেছেন:
আমি আসলেই কিছু ক্ষেত্রে কম বুঝি মনে হয় । জামাতি প্রপাগান্ডা এইখানে ভালোভাবেই বহালতবিয়তে বিরাজ করে সেই শুরু থিকাই । আমার ঐটারেই বেশী বর্বর মনে হয় সবসময় । মডুরাম/মডুসীতারা তাগো নীতিমালার ঘেরাটোপে ঐ বর্বরদের রক্ষা করেন বৈলাই তাগোরেই আমি বর্বর রাজ্যের প্রবর্তক বলি । আপনে আপনার এই পোস্টে এই জামাতি প্রপাগান্ডা ও মডুরাম/মডুসীতাদের সেইটারে প্রচ্ছন্ন সমর্থনের বিষয়টা এড়ায় গেছেন । এই কারনে আমি ঐ টুবি অর নট টুবির কথাটা পাড়লাম ।
আর আপনে যেইটারে বর্বর বলেন সেই ডেফিনিশন আমি ভিন্ন চোখে দেখি । সেইখানেই পার্থক্যটা তৈরী হয় ।
জাবির ছাত্র হিসাবে আপনে জানেন যে গলায় প্লাকার্ড ঝুলায়, স্মারকলিপি দিয়া, মৌন মিছিল কৈরা ঐখানে শিবির ক্ষ্যাদানো যায় নাই বা কোন দাবিও আদায় করা যায় নাই । যেমন কুকুর তেমন মুগুর হৈতে হয় সবজায়গায় - এই কথাটা আমি ঢাবির ছাত্র হৈয়া জাবির পুলাপানদেরই কাছ থিকা শিখছি ।
অনলাইনে যুদ্ধের একটা নিয়ম দাড়াইছে এই সামহয়ারকে কেন্দ্র কৈরা । ঐ নিয়মটারে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তভাবে বাড়তে দেন । এইটা এইভাবে করো, ঐটা ঐভাবে করা উচিত ছিলো টাইপ পয়গম্বরি কথাবার্তা বৈলা লাভ নাই ।
লেখক বলেছেন: আপনার লগে তো কথা বইলা তাইলে লাভ নাই। আমি আগেই বলছি এই বিষয়ে সাধারণ একটা নীতি আমরা চাই। তার সঙ্গে আপনার বিপ্লবের যোগাযোগ নাই। আপনে নিজে থেকে যোগাযোগ বানাইতে পারেন। কিন্তু আমরা ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
তীরন্দাজ বলেছেন:
হাসিবের সাথে সহমত!
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
উদ্ধৃতি
"আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়।"
এই কথায় আমি আপনার সাথে একেবারেই একমত নই।
আপনি কোন মতাদর্শের বিরুদ্ধে নন? এই দেশের স্বাধীনতা নিয়ে যে সকল শুয়োরের বাচ্চা কটাক্ষ করবে, প্রকাশ্যে নিজেকে রাজাকারপুত্র ঘোষণা দিয়ে পোস্ট দিবে, পিতার অপরাধ অস্বীকার করে ইতিহাস বিকৃতি করবে - তাদের আদর্শের বিপক্ষে আপনি নন?
এটা লজ্জাজনক। আপনার এই মন্তব্য এই ব্লগের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে প্রশ্রয় দিলো। আমি দূঃখিত মাহবুব মোর্শেদ ভাই। আমি খুবই দূঃখিত!
আপনার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য আশা করি নাই।
লেখক বলেছেন: মুকুল,
আপনার দ্বিমতকে আমি শ্রদ্ধা করি।
মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়া ফাইট করতে হয়। এইটাই যুদ্ধের নিয়ম। বখাটেপনা আর গুণ্ডামী সেই মতাদর্শকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে যার পক্ষে আপনি দাঁড়িয়েছেন। আমি মনে করি না আমার বক্তব্য স্বাধীনতা বিরোধীদের শক্তি যোগাইছে।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
তীরন্দাজ বলেছেন:
সহমত মুকুল!
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
সুমন বলেছেন:
হাসিব বলেছেনঃ '' ......... অনলাইনে যুদ্ধের একটা নিয়ম দাড়াইছে এই সামহয়ারকে কেন্দ্র কৈরা । ঐ নিয়মটারে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তভাবে বাড়তে দেন । এইটা এইভাবে করো, ঐটা ঐভাবে করা উচিত ছিলো টাইপ পয়গম্বরি কথাবার্তা বৈলা লাভ নাই ।অনলাইনে যুদ্ধের একটা নিয়ম দাড়াইছে এই সামহয়ারকে কেন্দ্র কৈরা । ঐ নিয়মটারে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তভাবে বাড়তে দেন । এইটা এইভাবে করো, ঐটা ঐভাবে করা উচিত ছিলো টাইপ পয়গম্বরি কথাবার্তা বৈলা লাভ নাই ।''সহমত।
লেখক বলেছেন: মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়া ফাইট করতে হয়। এইটাই যুদ্ধের নিয়ম। বখাটেপনা আর গুণ্ডামী সেই মতাদর্শকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে যার পক্ষে আপনি দাঁড়িয়েছেন।
কোলাহল বলেছেন:
@ হাসিবজাহাঙ্গীর নগরে আপনাদের নীতিটাই কি রাজশাহী , চট্রগ্রামে আপনাদের প্রতিপক্ষ ব্যবহার করে ?
লেখক বলেছেন: হাসিব জাবিতে ছিলেন না। উনি গল্প শুনছেন। মাঠের লড়াইয়ে আমিও আছি। ছিলাম জাবিতে।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
বিগব্যাং বলেছেন:
হাসিব বলেছেন: জাবির ছাত্র হিসাবে আপনে জানেন যে গলায় প্লাকার্ড ঝুলায়, স্মারকলিপি দিয়া, মৌন মিছিল কৈরা ঐখানে শিবির ক্ষ্যাদানো যায় নাই বা কোন দাবিও আদায় করা যায় নাই । যেমন কুকুর তেমন মুগুর হৈতে হয় সবজায়গা।
হক কথা।
লেখক বলেছেন: হাসিব জাবিতে ছিলেন না। উনি গল্প শুনছেন। মাঠের লড়াইয়ে আমিও আছি। ছিলাম জাবিতে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলতে যা ইচ্ছে তা বলা যাবে এটা বোঝায় না, সেটা স্বেচ্ছাচারে রুপ নেয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলতে যদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলার স্বাধীনতার কথা বলে হয় তবে সে স্বাধীনতা আমি দিতে চাই না।
মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলতে যদি মানবতার বিরুদ্ধে কথা বলার, ধর্মীয় উগ্রতার কথা বলা হয় তবে তবে সে স্বাধীনতা আমি দিতে চাই না।
এখানে সবাই সবাই মত নিসংকোচে প্রকাশ করবে, আরেকজনের দ্বায়িত্ব সে স্বাধীনতা রক্ষা করা। তবে ব্লগে মত প্রকাশের নামে যা হচ্ছে তা অনেকটুকুই স্বেচ্ছাচার অথবা স্বাধীনতার অপব্যবহার।
জামাতীরা ধর্মের মুখোশ পড়ে তাদের পাপের কথা দম্ভভরে প্রচার করছে আর এর জন্য ব্যবহার করছে এই ব্লগকে। এই স্বাধীনতার মানে কি ?? পিতার খুনিকে , বোনের ধর্ষবকারীর সাথে সহবাসের স্বাধীনতা?
লেখক বলেছেন: তাদের স্বেচ্ছাচারের কোনো জবাব দেয়া যাবে না বা সেই দাবি আমরা করবো না সেটা তো আমার বক্তব্য না। একটা সাধারণ আইন হিসেবে আমরা চাই, ভার্চুযাল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন হোক। আপনি এইটার সঙ্গে ওইটাকে যুক্ত করছেন কেন?
@ সামিহা এষা
কিছু নিকের পোস্ট ও মন্তব্য ফলো করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন, কারা ভার্চুয়াল বখাটে।
বখাটেপনার দায়ে একটা নিককে ব্যান করার পর, আবার যদি দেখা যায় নতুন নিক নিয়ে এসেছে, তারও কিছু মন্তব্য ফলো করে এ্যাকশন নিতে পারেন।
ষড়ভূজ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট।মাহবুব মু্র্শেদ ভাই, দেখলেনতো ভার্চুয়াল গুন্ডামী কিন্তু অলরেডি শুরু হইয়া গেছে.... খুব খিয়াল কইরা।
আমরা সবাই একতাবদ্ব হলে কিন্তু এই গুন্ডাগুলুকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
লেখক বলেছেন: এরা তো এখনও গালি দেয়নি। আমার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও টানাটানি করেনি। বিতর্কই তো চলছে। সেই বিতর্কের ভিত্তিতে কিভাবে এদের গুণ্ডা বলবেন? বিরোধিতা করলেই সেটা গুণ্ডামি এইটা আমি মনে করি না।
সুমন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কেউ অবস্থান নিলে সামহয়ার কেন এই রাষ্ট্রেই তো তার থাকার অধিকার নাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়াও তো যায়। সামহয়ার আগ বাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়াইছে বইলা তো আমার জানা নাই...... হাইকোর্ট দেখালেন। সামহয়ার পোষ্ট মনিটর করলে খুশি হতাম। আর এই ভার্চুয়াল জগত ভার্চুয়াল আইডেন্টিটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মত ক্ষমতা সামহয়ারের কি আছে? হুইসেল বাজাতে বলায় কামান দাগানো হয়ে গেল না?
লেখক বলেছেন: হাইকোর্টের ওপরেও আপনের কোর্ট নাকি?
সামহোয়ারের লেখার ভিত্তিতে মামলা করেন আপনে। সামহয়ার না পরলে আপনের উকিলে পারবে।
@মুকুল
মুক্তিযুদ্ধকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করবে তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতেই হবে। কিন্তু এখানে লেখক সেই সব লোককেই 'ইরিটেটিং গুন্ডা' বলেছেন বলে মনে হয়, যারা অজস্র অহেতুক ত্যাড়ামী মন্তব্য করেন। পারসনাল আক্রমণ করেন। যে মন্তব্যগুলোর সাথে মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্টতা নেই।
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
মাহবুব সুমন@ সব বিতর্কই কিন্তু এখানে হচ্ছে মত প্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে। নাস্তিকরা মুক্তচিন্তার দোহাই দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছে তাই বলছে আর জামাতিরা লোক দেখানো ইসলাম রক্ষার জন্য ইসলাম নিয়ে একের পর এক পুষ্ট দিচ্ছে। বাংলাদেশে যারা মুসলিম তার কয়জন জামাতশিবির করে আপনিই বলেন। কিন্তু এই ব্লগে ইসলাম পালন আর ইসলাম রক্ষা সবকিছুর দায়িত্ব যেন রাজাকার জামাতিদের উপর। নাস্তিকদের পুষ্টে গিয়ে সাধারন ব্লগারের কিছু বলার উপায় নেই, সাথে সাথে রাজাকার সার্টিফিকেট জুটে যাবে।
মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানেই যা ইচ্ছে তা বলার স্বাধীনতা না,
এটা এখানে সবার মেনে চলা দরকার
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
উদ্ধৃতি
"লেখক বলেছেন: মুকুল, আপনার দ্বিমতকে আমি শ্রদ্ধা করি। মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়া ফাইট করতে হয়। এইটাই যুদ্ধের নিয়ম। বখাটেপনা আর গুণ্ডামী সেই মতাদর্শকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে যার পক্ষে আপনি দাঁড়িয়েছেন।"
এবার আমি পুরোপুরিই হতাশ হলাম। আপনি আমার কমেন্ট ভালো করে পড়েছেন? আমার কোন কথায় আপনার মনে হল, বখাটেপনা আর গুন্ডামীর পক্ষে দাঁড়িয়েছি? আমি আপনার সুনির্দিষ্ট কথা কোট করে প্রশ্ন করেছিলাম। তার মানে এটা নয় যে, আমি গুন্ডামীর পক্ষে।
আপনার উক্তি আমার জন্য অপমানকর।
যাই হোক, আপনার দিকটা আপনি পরিস্কার করেছেন। সেই জন্য আপনি ধন্যবাদ প্রাপ্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অপমান করে থাকলে আমি সরি।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
আসেন আবার শুরু থিকা শুরু করি।মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি? কারা পায়? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আলোচনা হোক।
একজন রাজাকারের মত প্রকাশের স্বাধীনতায় আমরা কি করতে পারি। বা একজন রাজাকার যিনি মুক্তিযুদ্ধকে এখনো প্রশ্নবিদ্ধ করে তার মত প্রকাশের স্বাধীনতার স্বরূপ কি?
লেখক বলেছেন: আপনে শুরু থিকা বুঝে বুঝে আসতে থাকেন। এই পর্যন্ত আসলে আওয়াজ দিয়েন।
লেখক বলেছেন: নিজামী তাড়ানোর দিনে আপনি আছিলেন নিকি?
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
নাস্তিকরা মুক্তচিন্তার দোহাই দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছে তাই বলছে আর জামাতিরা লোক দেখানো ইসলাম রক্ষার জন্য ইসলাম নিয়ে একের পর এক পুষ্ট দিচ্ছে। বাংলাদেশে যারা মুসলিম তার কয়জন জামাতশিবির করে আপনিই বলেন। কিন্তু এই ব্লগে ইসলাম পালন আর ইসলাম রক্ষা সবকিছুর দায়িত্ব যেন রাজাকার জামাতিদের উপর। নাস্তিকদের পুষ্টে গিয়ে সাধারন ব্লগারের কিছু বলার উপায় নেই, সাথে সাথে রাজাকার সার্টিফিকেট জুটে যাবে।
মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানেই যা ইচ্ছে তা বলার স্বাধীনতা না,
এটা এখানে সবার মেনে চলা দরকার .। বলেছেন বিকেলবেলার সপ্ন ।
খুব সুন্দর লিখেছেন।
ধর্মভিত্তিক পোস্ট নিষিদ্ধ হলেই সব ঝামেলা শেষ।
লেখক বলেছেন: হেভি সমাধান। সোভিয়েত ইউনিয়নও পারেনি যেইটা এইবার সেইটা সামহয়ারে কায়েম হবে!
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
@মুকুল মুক্তিযুদ্ধকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করবে তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতেই হবে। কিন্তু এখানে লেখক সেই সব লোককেই 'ইরিটেটিং গুন্ডা' বলেছেন বলে মনে হয়, যারা অজস্র অহেতুক ত্যাড়ামী মন্তব্য করেন। পারসনাল আক্রমণ করেন। যে মন্তব্যগুলোর সাথে মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্টতা নেই।
@ সারোয়ার চৌধুরী,
লেখক 'ইরিটেটিং গুন্ডা' বলে কি বুঝাইতে চাইছেন, কি চান নাই, তা লেখকই ভালো বলতে পারবেন। কথা হচ্ছে আমার আমার মাহবুব মোর্শেদ ভাইয়ের সাথে। আপনার কাছে ব্যাখ্যা চাই নাই। দূঃখিত।
পাগলা ঘাতক বলেছেন:
আমি মনে করি সামওয়ার একটা ৭১। সো আমরা যারা দেশকে ভালোবাসি তারা রাজাকারদের লেখা পোস্ট কোন সময়ই স্বাগত জানাব না। এরা তো আক্রমনের শিকার হবেই। এতে আমাকে ব্যান করলে আমি খুশিই হবো।
gonder বলেছেন:
অত কিচু বুজিনা জামাত শিবিরের শুওর গুলাকে দেকা মাত্র গদাম লাথি।
কুনো রাজাকারের বাচ্চাকে এই বলগে মাইনা নেয়া হবেনা
লেখক বলেছেন: স্বাধীন মত প্রকাশের সঙ্গে রাজাকার বিরোধিতার কোনো বিরোধিতা আছে বলে আমি মনে করি না।
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
আমি বাস্তবতায় বিশ্বাস করি। সামহোয়ারে ধর্ম/অধর্ম সবরকম পুষ্ট নিষিদ্ধ না হলে আর রাজাকার মওদুদীবাদ দর্শন প্রচার নিষিদ্ধ না হলে এইধরনের শান্তি আলোচনা করে কোন লাভ নেই। সারা ২০০৮ বছর ধরেই এই আলোচনা করা যাবে কিন্তু কোন ফলাফল আমি আশা করিনা, অবস্থা এখন যা আছে সেরকমই থাকবে
লেখক বলেছেন: নীতিটা এমন হওয়া উচিত যাতে আপত্তিকর এই বিষয়গুলাকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। সহজেই কারণ নির্দেশ করা যায় কেন এইগুলা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি গুণ্ডামী প্রতিরোধেও পরিষ্কার নীতি থাকতে হবে।
সুমন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়া ফাইট করতে হয়। এইটাই যুদ্ধের নিয়ম। বখাটেপনা আর গুণ্ডামী সেই মতাদর্শকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে যার পক্ষে আপনি দাঁড়িয়েছেন।
সাধারণ সহব্লগারদের হেনস্ত করতে কখনো উৎসাহ দিয়েছি এমন তো মনে পড়ে না। এমনকি পোষ্টগুলো পড়েছি এমনটি ও না।
দুঃখিত! পিতার হত্যাকারীদের, বোনের ধর্ষনকারীদের মতার্দশকে যদি প্রমোট করা হয়। তাদের হটাতে সেখানে আমি আমার মতার্দশ ভুলে থাকতে রাজি।
লেখক বলেছেন: এইখান থেকে হটাইতে পারলে কি পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে দেশ থেকেও এদের হঠাতে পারবেন আপনি, এই পদ্ধতিতে?
লেখক বলেছেন: কী বলবেন বলেন।
হাসিব বলেছেন:
আপনে নিজামীর গাড়ির সামনে কিকর্ছিলেন সেইটা বিষয়ে ওয়াকিবহাল । ভাগ্য ভালো ব্লগের মাহবুব মোর্শেদ ঐ মাহবুব মোর্শেদ না । তাইলে হয়তো নিজামির গাড়ি গলায় প্লাকার্ড ঝুলাইয়া মানববন্ধন করতে থাকা মাহবুব মোর্শেদের সামনে দিয়াই ডুগডুগি বাজাইতে বাজাইতে যাইতো ।
লেখক বলেছেন: তার মানে তো এই না যে, এখন আপনে আমারে গুণ্ডামী মাইনা চুপ করে থাকতে বলবেন।
ব্লগের তরুণ তুর্কীরা সেদিন কই আছিল, যেইদিন স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়াইয়া নিজামী বাংলাদেশ দাপিয়ে বেড়িয়েছে।
মদনবাবু বলেছেন:
বাহ্ বাহ্ । তথাকথিত সুশীলরা দেখি নতুন তত্ব এক দিনেই নাযেল করে আবার সেই দিনেই সেটারে আইন বানায়া ফেলতে চায় ।লেখক বলেছেন: ভাই এইটা নতুন তত্ত্ব না। এইটা মোটামুটিভাবে গৃহীত ও মান্য একটি প্রস্তাব। প্রাইভেসি, মত প্রকাশ ও সিকিউরিটি না থাকলে একটা ব্লগ সাইটের অনেক কিছু অপূর্ণ থাকে। আইন বানানোর প্রস্তাবই তো শুধু দিলাম। আইন হয়ে গেছে এই দাবি তো করি নাই।
সুশীল কারে বলেন?
মুকুলভাই
আপনার খারাপ লাগলো কেন? এটা অপেন ফোরাম বলেইতো একজনের কথার প্রেক্ষিতে অনেকজন অংশ নিতে পারেন। আমার কোন কথার বিপরীতেও আপনি আপনার কথা বলতে পারেন।
লাল মিয়া বলেছেন:
আমি একটা জিনিস বুঝলাম না। কেউ কেউ কোন অবস্থাতেই ক্যান দালালী না কইরা পারে না।
লেখক বলেছেন: সামহয়ারকে তার ক্রেডিট দেয়াটা দালালী নাকি? সত্য কথা বলে ফেলতে হয় ভাইডু। কিন্তু আমি অবাক হইতেছি, সামহয়ারের প্রশংসা করলে আপনার লাগে কেন এত?
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মামো, বখাটে বলেন আর গুন্ডা বলেন ভার্চুয়াল আর রিয়েল লাইফ, দু জায়গাতেই একই রকম আচরন। এর পক্ষে আমি নাই।
কিন্তু এটাতো জানেন, ব্রিটিশরা স্বদেশীদের কি বলতো ? বলতো ডাকাত,
পাকিস রা কি বলতো মুক্তিযোদ্ধাদের ? বলতো দুস্কৃতিকারী ।
এরশাদের সময় গনতন্ত্রের যোদ্ধাদের কি বলতো ? বলতো বিশৃংখলকারী।
ব্লগের যা হয় তাদের আপনি গুন্ডা বলতে পারেন, বলতে পারেন বখাটে এবং সেটা বলার স্বাধীনতা আছে । তবে কোন প্রেক্ষিতে এরা এটা করছে সেটা বোঝার ক্ষমতা আশা করি আপনার আছে। এবং কারা এদের গুন্ডামীর শিকার আশা করি সেটাও আপনি জানেন।
আমি জামাতি বা কোনো ইসলাম ব্যবসায়ী গ্রুপের সাথে নাই, তেমনি নাই তথাকথিত মুক্তমনাদের সাথেও। এদের বিরুদ্ধে যারা থাকবে তাদের পক্ষে আছি।
স্যরি বন্ধু, আমি আপনার সাথে থাকতে চাইলেও পারছি না। আপনি যাদের গুন্ডা বলছেন তাদের সাথে আমার মতের মিল অনেক সময় না হলেও বা তাদের অনেক কর্মকান্ডকে ভালো না লাগলেও এদের আদর্শের সাথে আমার আদর্শের মিল থাকাতে আমি এদের পক্ষেই আছি। তবে ভবিষ্যতে এরা যদি এমন কিছু করে যা নৈতিকতা বিবর্জিত তবে সেটার প্রতিবাদ করতেও ভুলবো না।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টে বা মন্তব্যে আমি তো একবারের জন্যও বলি নাই। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ নিয়া কেউ গুণ্ডামী করতেছে। আমি বলছি গুণ্ডার সংখ্যা তিন থেকে পাঁচজন। সেইটারে আপনারা বাড়াইতেছেন কেন?
ব্রিটিশ, পাকি, এরশাদ বলার পর সবাই মাইনা নিলো?
শুনেন আমি ক্ষমতার জায়গা থেকে কোনো তকমা কাউরে দিতেছি না। চোখ বন্ধ করে থাকলে তো জানতেও পারবেন না, আমি কোন গুণ্ডামীর কথা বলছি। আর কোন গুণ্ডামীর বিরোধিতা আপনি করতে চাচ্ছেন না। স্যরি বন্ধু, আমিও আপনের সঙ্গে থাকতে পারতেছি না।
গুণ্ডামীর বিরুদ্ধে আমি সব সময় আছি। সে ছাত্রলীগ, ছাত্রদলের গুণ্ডা হোক কি শিবিরের গুণ্ডা হোক। কি ভার্চুয়াল গুণ্ডা হোক।
মাহিরাহি বলেছেন:
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।একমাত্র আইনই পারবে এদেরকে রুখতে।
ভাল কথা কখনো কোনো গুন্ডা শুনেছে বলে মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: সেই জন্যই তো আইনের প্রস্তাব।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
মাহিরাহি @ এরকম আইন ফলানোর কথা অনেকই দেশে দেশে, জনপদে বলে গেছেন। তারপরও পৃথিবীতে অনেক দেশের স্বাধীনতা হয়। অনেক দুষ্কৃতকারী জননেতা হয়।বলা হোক, ব্লগে কারা কারা কাদের কাদের উপর ভার্চুয়ালী গুন্ডামি করেছে। আরো তথ্য উপাত্ত হাজির করা হোক।
লেখক বলেছেন: কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো নীতির প্রস্তাব এখানে করা হয়নি জনাব। আপনার আরও সদয় মনোযোগ প্রার্থনা করছি।
বিগব্যাং বলেছেন:
হাসিব বলেছেন: আপনে নিজামীর গাড়ির সামনে কিকর্ছিলেন সেইটা বিষয়ে ওয়াকিবহাল । ভাগ্য ভালো ব্লগের মাহবুব মোর্শেদ ঐ মাহবুব মোর্শেদ না । তাইলে হয়তো নিজামির গাড়ি গলায় প্লাকার্ড ঝুলাইয়া মানববন্ধন করতে থাকা মাহবুব মোর্শেদের সামনে দিয়াই ডুগডুগি বাজাইতে বাজাইতে যাইতো ।
ভাগ্য ভালো ব্লগের মাহবুব মোর্শেদ ঐ মাহবুব মোর্শেদ না ।
ভাগ্য ভালো ব্লগের মাহবুব মোর্শেদ ঐ মাহবুব মোর্শেদ না ।
ভাগ্য ভালো ব্লগের মাহবুব মোর্শেদ ঐ মাহবুব মোর্শেদ না ।
লেখক বলেছেন: একটু খিয়াল কইরেন। যাচাই কইরেন, পোস্ট পইড়া।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মামো, একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন ?
কারা গুন্ডাদের ( আপনার ভাষায় ) বিপক্ষে কথা বলছে আর আপনার পিঠ চাপরাচ্ছে ?
এদের পোস্ট পড়ে দেখেন ও এদের মতাদর্শ লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়ই।
যুগে যুগে এরাই কিন্তু বিপ্লবকে খেয়ে ফেলে।
ছোট্ট একটা উদাহরন, শহীদ মুনির চৌধুরি। বামপন্থি, ৭১ এ নিশ্চুপ, পাকিসদের কর্মকান্ডকে দুই কুকুরের যুদ্ধ বলা, শেষ মেশ আল বদরের হাতে শহীদ। বুঝতে পারছেন ?
লেখক বলেছেন: ভাই, আপনি আমার শুভানুধ্যায়ী বুঝতেছি। গত কাইল বা পরশু এই শুভানুধ্যায়ীতা জাগে নাই নিকি একটুও?
মদনবাবু বলেছেন:
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ব্রিটিশরা স্বদেশীদের কি বলতো ? বলতো ডাকাত,
পাকিস রা কি বলতো মুক্তিযোদ্ধাদের ? বলতো দুস্কৃতিকারী ।
এরশাদের সময় গনতন্ত্রের যোদ্ধাদের কি বলতো ? বলতো বিশৃংখলকারী।
ব্লগের যা হয় তাদের আপনি গুন্ডা বলতে পারেন, বলতে পারেন বখাটে এবং সেটা বলার স্বাধীনতা আছে । তবে কোন প্রেক্ষিতে এরা এটা করছে সেটা বোঝার ক্ষমতা আশা করি আপনার আছে। এবং কারা এদের গুন্ডামীর শিকার আশা করি সেটাও আপনি জানেন।
মাহবুব সুমন কে অনেক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: গুণ্ডা কিন্তু তিন থেকে পাঁচজন। এইটা ছিল আমার মত। কিন্তু অনেকেই দেখতেছি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যারা দাঁড়ায় সবাইকে গুণ্ডা বলে তাদের বিরুদ্ধে আমি কথা বলছি এইটা সাব্যস্ত করতে চাইতেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যারা কথা বলছে তাদের সবাই গুণ্ডা না। তাদের অধিকাংশ্ও না। এইটা এদের কে বোঝাবে? গুটিকয় চোরকে বাঁচাতে গিয়ে এরা পুরো জাতিকেই দেখি অভিযুক্ত করছেন।
লেখক বলেছেন: তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন চাই। এবং ব্লগে সেটার প্রয়োগ দেখতে চাই। আপনার কাছে তো সব ফকফকা। আমারে আর জিগান কেন?
হলদে ডানা বলেছেন:
'মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়া ফাইট করতে হয়। এইটাই যুদ্ধের নিয়ম।'হ্যা, ভার্চুয়াল গুণ্ডামির বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: হ।
হাসিব বলেছেন:
ব্লগের তরুণ তুর্কীরা সেদিন কই আছিল, যেইদিন স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়াইয়া নিজামী বাংলাদেশ দাপিয়ে বেড়িয়েছে।
আপ্নের কথায় এইরকম এক্টা গন্ধ পাইতেছি যে আপনে ছাড়া জামাত-শিবির তাড়াইতে আর কেউ কিছু করে নাই । ব্লগের তরুন তুর্কি সবগুলারে কি আপনে চিনেন ? তারা কি কর্ছে না কর্ছে সেইটা আপনি কিভাবে জানেন ? আর এই তরুন তুর্কিগো যারা সেইসময় সুযোগ পায় নাই কিছু করার তারা এখন এক্টা সুযোগ পাইলে সেইটার ব্যবহার তারা করতে পারবে না এই দিব্যি কে দিলো ?
লেখক বলেছেন: বলেন তাইলে কে কী করছে। জামাত ক্ষমতায় থাকার সময় কোন কোন জায়গায় প্রতিবাদ হইছে? ব্লগের কারা কারা সেইখানে ছিল। গল্প হিসেবেই বলেন শুনি। রীতিমতো শিহরণ জাগতেছে হাসিব। বলেন, শুনি।
মেন্টাল বলেছেন:
পোস্টটা মেটামরফোসিসের দুর্দান্ত উদাহরণ হইতে পারে।
লেখক বলেছেন: আমি কইলাম গুণ্ডা আছে তিন থেকে পাঁচ জনা। তাদের মতাদর্শ কী সেইটাও আমার আলোচ্য ছিল না। কিন্তু ওনারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যারা লেখে সবাইরে গুণ্ডা সাব্যস্ত কইরা এই অবস্থা দাঁড় করাইলেন।
ধন্যবাদ পর্যবেক্ষণটার জন্য। আমিও অবাক হইছি। যে কথা কইলামই না সেই কথা নিয়া তর্ক হইতেছে।
মাঠশালা বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শিবিরে দাঁড় করালে কার লাভ?
লেখক বলেছেন: সেটা একটা প্রশ্ন বটে।
মাহিরাহি বলেছেন:
স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী পোষ্ট শুধু ডিলিট নয়, পোষ্ট দানকারী নিকটিও সাময়িকভাবে বাতিল করা যেতে পারে। আর কোনটি স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী পোষ্ট তার একটি নীতিমালা সাইন কর্তৃপক্ষ তৈরি করতে পারে সর্বসম্মতিক্রমে।
তারপরও আমরা ভার্চুয়াল গুণ্ডামির অবসান চাই। কেননা ভার্চুয়াল গুণ্ডামিতে ব্যক্তি আক্রমনের ঘটনা ঘটছে অহরহ। মুক্ত এবং সৃষ্টিশীল আলোচনার প্লাটফর্মটি অর্থহীন সংঘাতে রক্তাক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত সাহিত্যের চর্চায় আর গবেষনাধর্মী লেখায় সমৃদ্ধ হোক সাইনে, গলাবাজি আর গালাগালির অবসান ঘটুক।
লেখক বলেছেন: হ।
লাল মিয়া বলেছেন:
সামহোয়ার কতৃপক্ষ খোলাখুলি বলছে তারা রাজাকারদের সাথে সহাবস্খানের পক্ষে। খোলা রাস্তায় সহাবস্থানবিরোধীর যদি নিয়ত ঠিক থাকে তাইলে ভার্চুয়াল জায়গাতেও সে কোন ছাড় দেয় না। জামাতের কর্মী বা সমর্থক এইখানে আছে। যেহেতু আছে সেহেতু তাদের পোন্দানো হবে। লেখামাত্র পোন্দানো হবে। এই পোন্দানি গুন্ডামি না। গুন্ডামী হইলো ওয়ালীর বেইসবল ব্যাট দিয়া মুক্তমনাদের পিটাইতে চাওয়া,মাসুদা ভাট্টি, যুঞ্চিক্ত,চোর,স্বরহীন,সাধক শঙ্কু,আলভীর লেখা মুইছা দেওয়া। এটিমের জন্ম ক্যান হইছে তুমি খুব ভালো কইরা জানো। তুমি চাকরি করো। রুটি রুজি করতে আমরা সবাই নানারকম কম্প্রোমাইজ করি ঠিক আছে। কিন্তু তোমার তৈল মর্দনটা দেখা যায়। সেই তেল মারতে গিয়া তুমি এমন কতগুলি বিষয়ে মধ্যপন্থী হইবার চেষ্টা করো যাতে তুমি নিজেও পোন্দানী খাও। একশবার পোন্দানি খাইয়াও হুশ না হইলে ধইরা নিতে হয় যে প্যাসিভ অবস্থানে তুমি আরাম পাও।ভালো থাকো। তোমার জব ক্যারিয়ার, টিফিন ক্যারিয়ার সবকিছুর উন্নতি হোক।
লেখক বলেছেন: কি চমৎকার আপনার ভাষা! আহ কি সুন্দর যুক্তি! এই দিয়া আপনি আমারে বুঝাইবেন? নাকি দেশবাসীরে জাগাইবেন!
হাসিব বলেছেন:
হাম হ্যান করেঙ্গা, ত্যান করেঙ্গা টাইপ গপ্পো তো আপনেই মারতে শুরু করলেন প্রথমে । আপনার মতো সবাই ডঙ্কাবাদক সেইটা ভাবা ঠিক না।
লেখক বলেছেন: একটা উদাহরণ দেন না। আপনি তো অনেক খবর রাখেন। কত উদাহরণ আপনার মাথায় একটা দেন না রে ভাই।
লেখক বলেছেন: মাঠশালা,
আপনের বড়শিতে একটা মাছ ঠোক্কর দিছে, জোরে টান দেন। মাছের কাছে পুকুর ঘোলা বটে!
অভিযাত্রী বলেছেন:
সমর্থন করলাম।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
মিরাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহবুব মোর্শেদ আপনার পোষ্টের জন্য । একটা ব্যাপার আমার মনে হয়েছে ইচ্ছাকৃত/অনিচ্ছাকৃতভাবে আপনার এই পোষ্টটার উদ্দেশ্যকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করা, যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের বিরোধিতা করা, ধর্ম ব্যবসার বিরুদ্ধাচারণ এবং সর্বোপরি প্রগতিশীল চিন্তার সাথে আপনার পোষ্টের মুল উদ্দেশ্যের কোন বিরোধ আছে বলে আমি মনে করিনা ।
আমাদের সমাজে এখনো বিরুদ্ধ মতের প্রতি সহনশীলতা, মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শ দিয়ে তর্ক, ব্যক্তি স্বাধীনতা বা প্রাইভেসির ধারণা সংগঠিত নয়। তাই যুক্তির চেয়ে গালি অনেক ভালো দরে বিকোয়। তাই আপনার পোষ্টটির পরিণতি শেষ পর্যন্ত অরণ্যে রোদন হবার সম্ভাবনা বেশী।
ব্লগের জামাত শিবির মানসিকতার কিছু ব্লগার মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে দলীয় প্রচার পুস্তিকা থেকে কপি পেষ্ট করে যাচ্ছে । এই ক্ষেত্রে ব্লগ কর্তৃপক্ষের কোন সুনির্দিষ্ট পলিসি থাকাটা প্রয়োজন। এই ব্লগাররা ব্লগের অস্থিতিশীলতার জন্য অনেক বেশী দায়ী । ব্লগ কর্তুপক্ষও অধিকাংশ ক্ষেত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনাকে আঘাত করার মধ্যবর্তী সীমারেখাকে বুঝতে অক্ষম, সম্প্রতি "আমি রাজাকার" কেন্দ্রিক ঘটনাটি এর একটি উদাহরণ ।
তবে সবকিছুকে মুক্তিযুদ্ধের আড়ালে নিয়ে যাওয়া ঠিক নয় । এখানে অনেক কিছু ঘটছে যার সাথে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে কোন সংঘর্ষ নেই কিন্তু আপনার ভাষায় ভার্চুয়াল গুন্ডামির সময় মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করা হচ্ছে । ব্লগ লেখাটা লেখকের স্বাধীনতা, এক একটি লেখাতে একেক রকম দৃষ্টিভঙ্গী উঠে আসবে, কিছু আমরা মানতে পারবো, কিছু পারবোনা। কিন্তু মতের অমিল হলে গালাগালির তুবড়ি ছোটাতে হবে, ব্যক্তি আক্রমণ করতে হবে বা ক্ষেত্র বিশেষে "রাজাকার" তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করতে হবে এমনটা আমি মনে করিনা এবং এটি একটি ব্লগ সাইটের সুষ্ঠু বিকাশের ক্ষেত্রে একটা বড় অন্তরায়।
ব্লগ কর্তৃপক্ষের একটি বড় দুর্বলতা তাদের মডারেশনের ক্ষেত্রে সু-নির্দিষ্ট পলিসির অভাব এবং সেই সাথে মডারেটরের অ-প্রতুলতা । নীতিমালা করাটা সহজ কিন্তু তার যথাযথ বাস্তবায়ন করা অনেক কঠিন ।
দু:খিত মন্তব্যটি বড় হয়ে গেল ।
লেখক বলেছেন: মিরাজ ভাই,
আপনার বড় ও দরকারি মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সত্যি বলতে কি, কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তবে আমি মনে করি না, এটা অরণ্যে রোদনে পরিণত হবে। কারণ বোঝার মতো লোক অনেকেই আছেন। গুণ্ডার সংখ্যা আসলেই তিন থেকে পাঁচজন। এদের প্রতিরোধ করা খুব কঠিন কিছু নয়। সাধারণ কিছু নীতি গ্রহণ করলেই তা সম্ভব। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসির মতো প্রাথমিক কিছু শর্ত সামহয়ার অবশ্যই পূরণ করতে পারবে। আমি আশাবাদী।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
পোষ্টের সাথে কোন মতেই একমত নই।
আপনার পয়েন্টগুলো বিস্তারিত লিংক দিয়ে বলুন।
বখাটে বলতে কাদের বুঝিয়েছেন নাম সহ উল্লেখ করুন।
কারা অকারন গালা গালি করে তাদের নাম দিন। বাজারে কথা ছাড়ার সময় প্রমান সহ ছাড়ুন।
রাজাকারের পশ্চাদপদেশ বাচানোর জন্য লোহার আন্ডারওয়্যার বানানোর দ্বায়িত্ব না নেয়াই উচিত ছিল।
লেখক বলেছেন: আমি কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করিনি। ফলে লিঙ্ক দেয়ার দায়িত্ব আমার নয়। এইটা বাজার না। ব্লগ। রাজাকার বিরোধিতার সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নাই। আবার পড়েন।
লেখক বলেছেন: আমি দুর্বল বলেই আইন বা নীতির রক্ষাকবচ চাই। আপনি সবল হউন।
----------
" কোনো দল" - বলতে আপনি কি "এটিম" নাকি জামাত কে বোঝাচ্ছেন?
(দল তো দুটোই আছে)
লেখক বলেছেন: এটিম নামে তো কোনো দলের কথা আমি জানি না। এইটা কি আওয়ামী টীম?
রিজভী বলেছেন:
প্রথমেই অনেক অনেক ধন্যবাদ মাহবুব ভাইকে, এরকম একটি সুন্দর ও গঠনমূলক পোস্ট দেবার জন্য......যর্থাথই বলেছেন আপনি, ভার্চুয়াল বখাটে!এই বখাটেদের ভীড়ে বিশেষ কারোর নাম উল্লেখ না করলেও নিয়মিত যারা ব্লগিং করেন তারা সকলেই জানেন কারা কারা এই তালিকায় আসবে। বছরের প্রায় সময়ই এই গ্রুপটা সক্রিয় থাকে কার পিছে লাগা যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকায়। অথচ এদের দাপটের কাছে কর্তৃপক্ষের ভূমিকাকেও অসহায় হতে দেখলে খুব কষ্ট হয়.......কারণ এরা যেই ব্লগিং এ মন্তব্য করছে, সেই সামহোয়ারইন কর্তৃপক্ষও এদের গালাগালি থেকে রক্ষা পায় না।
মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার ইস্যু অনেকের ফ্লাডিং এর প্রিয় একটা চ্যাপ্টার। কেউ হয়তো ইসলাম বা শিবিরের পক্ষে বলছেন তো অপরজন তাকে গালাগালি করে ব্লগের পরিবেশকে করছেন দূষিত। আবার সেই শিবির গোত্রীয় অন্যরাও চুপ করে চেয়ে থাকে না। ..... ফলাফলে ব্লগের বিশূংখল অবস্থার হরেক দশা।
ব্লগ কর্তৃপক্ষ যদি এসব স্পর্শ কাতর ইস্যু ভিত্তিক নিষিদ্ধ করেন তবে ব্লগের পরিবেশ বেশ স্থিতিশীল হবে বলে আশা করতে পারি।
লেখক বলেছেন: রিজভী,
আপনাকে ধন্যবাদ।
জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ যদি অব্যাহত না রাখা যায়, যদি পরাণে জোর না থাকে তাহলে গুণ্ডা নির্ভরতা কমবে না। ফলে,
যুক্তি সহকারে জামাত-শিবির, রাজাকার বিরোধিতা অব্যাহত রাখতে হবে।
---------
কেয় তাদের গালি দিব না? বাহ তাইলে এইটা চাইতাছ তুমরা?
সবাই আইসা এই পোষ্ট রে টপরেট কইরা রাজাকারের জন্য লোহার আন্ডারওয়্যার বানানোর ব্যবস্থা করেন।
রিজভী বলেছেন:
ইসলাম কেন, যে কোন ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলা কি ধরণের ভদ্রতা?নাস্তিকরাও তো অন্য ধর্মের মানুষদের সম্মান করে। তাহলে রাজাকার বা শিবির নামধারীদের জন্য সকল ইসলামপন্থীদের অপমান করাটা কি ঠিক?
@ মাথামোটা।
আবদুল্লাহ-আল-মারুফ বলেছেন:
thanks for ur encourageable articlei m waiting such type of this writing
we have to reject this type of mean-minded person who r always trying to slander others
the administrator of this blog should take a bold step for this type of slanderer
we r grateful to mahbub morshed
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
কেউ হয়তো ইসলাম বা শিবিরের পক্ষে বলছেন তো অপরজন তাকে গালাগালি করে ব্লগের পরিবেশকে করছেন দূষিত। ----- হাদিসে 'রিজভী'
-----------------------------
ইসলাম নিয়া লেইখা কেও গালি খাইছে তো মনে পড়ে না। পারলে কে কে করছে জানাইয়া দেন।
আর শিবিরের পক্ষে কোনো লেখায় গালাগালি করলে ব্লগ দূষিত হয়?
কই যে যাই। নতুন কইরা মনে হয় সব শিখতে হইব।
মদনবাবু বলেছেন:
কেউ হয়তো ইসলাম বা শিবিরের পক্ষে বলছেন তো অপরজন তাকে গালাগালি করে ব্লগের পরিবেশকে করছেন দূষিত। আবার সেই শিবির গোত্রীয় অন্যরাও চুপ করে চেয়ে থাকে না।
বাহ্ বাহ্ কি সুন্দর করে আপনি ইসলাম আর শিবির কে এক করে ফেল্লেন । বাহ্ বাহ্ ।
মদনবাবু বলেছেন:
একটা পরামর্শ দেই । যাগো ভার্চুয়াল গুতাগুতি পসন্দ না তারা যেন সামহোয়ারের স্পেশাল দুইবর্মের অন্তর্বাস সবসময় পরে থাকেন ।ব্যস সব শেষ ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে একটা পরামর্শ দেই যুক্তি না থাকলে চুপ থাকেন।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
লাল মিয়া, হাসিব, মাহবুব সুমন যা বলছে , তার পরে আর কিছু বলার নাই।
সুবিধাবাদী চরিত্র পৃথিবীর সব ইতিহাসেই ছিলো। এখনো আছে। মাহবুব মোর্শেদ সেটা এভাবে প্রকাশ করে দিয়ে আমাদের জন্যে সুবিধাই করে দিলেন।
আমরা দেখলাম, এইসব বলার পর কোন শেয়াল শকুনেরা মাহবুব মোর্শেদ এর পিঠ চাপড়াচ্ছে।
এরপর মাহবুব মোর্শেদ রাতের অন্ধকারে এইসব শেয়ালশকুনের সাথে একপাত্রে পানাহার করবেন, তার প্রাপ্য গ্রহণ করবেন - এইটুকু কি আর বলে দিতে হবে?
লেখক বলেছেন: কে শেয়ালের পাতে খায় আর কে গুণ্ডার শেয়ার খায়!
মত প্রকাশের স্বাধীনতা প্রাইভেসি আর সিকিউরিটির কথাই আমি বলছি। বলছি তিন থেকে পাঁচজন গুণ্ডার কথা। কিন্তু আপনারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সবাইরে দেখি গুণ্ডার দলের বানায়া দিলেন।
কী চমৎকার! কী ইতিহাস!
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন:
দারুণ লিখেছেন মাহবুব ভাই! এক্কেবারে হক কথা!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
ভার্চুয়াল বখাটেদের হাত থেকে মুক্তি চাই।
আমি চতুরভূজের ব্যাপারে মডারেটরদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। কিন্তু এই ব্লগে আরো অনেকেই এরকম নোংরামির শিকার। তাদের ব্যাপারে এরকম ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
শাক্যমূণি বলেছেন:
ভালা পুস্ট দোস্ত
সুন্দর চিন্তা করসেন
অরা আসল কতাডারে চাপা দেওনের লাইগা হাবিজাবি কইতাসে!!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
ভার্চুয়াল বখাটেদের হাত থেকে মুক্তি চাই।
লেখক বলেছেন: ভাবলাম। এই পোস্টের বেনিফিশিয়ারি হবে তারাই যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে চান। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চান। যারা সত্যিকার অর্থে ক্রিয়েটিভ চিন্তা করে নিজেদের সৃষ্টিশীল কাজকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যাদের যথেষ্ট যুক্তি আছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বর্বরতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যারা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে। নাগরিক কর্মকাণ্ডের অধিকার থাকবে। নাগরিকদের মত প্রকাশের নিরাপত্তা থাকবে। জঙ্গিবাদ আর হত্য, খুন ধর্ষণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যারা সত্যিকার প্রতিবাদ করতে চান। সর্বোপরি, সহ-ব্লগার ও সাধারণ মানুষকে যারা বোঝাতে চান, মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিই মুক্তির পথ।
জলসাধক বলেছেন:
একটা কথা খুব স্পষ্ট কইরা কইবার চাই । পাকি - রাজাকার রাওমুক্তিযোদ্ধা গো ''গুন্ডা '' কইতো। মাহবুব মোর্শেদ , যা কইছেন তা
সেই পাকি গো র ' ই প্রতিধ্বনি হুনতাছি।
এখানে যদি সেই ''গুন্ডা'' - ই কন , তবে এর সংখ্যা তিন/ পাচ না।
পাচ হাজার ও হইবার পারে।
কারণ এরা হকলেই লাল-সবুজ পতাকারে সম্মান করে।
চান- তারা মার্কারে নয়।
এই বলগে যখন কবীর চৌধুরী , জাফর ইকবাল, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,
ড. আনিসুজ্জামান স হ আরো অনেকরেই রাজাকার পুতেরা অসম্মান করে
তখন মা . মো কই থাকেন ?
কেন তারে সোচ্চার হইতে দেহি না?
সুশীল'' বলতে কিছু , খাইট্যা খাওয়া মানুষেরা জানেন না।
যে সুশীল , সুবিধাবাদী - তারাই বুর্জোয়া। এটা ই সাফ কথা।
মা মো আইনের কথা কইতাছেন । আইনটা করবে কেডা ?
পয়লা আইন হইতে হইবো এই গুলান...।
১। মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।
২। শালীন ভাবে দ্বিমত পোষন করতে হবে ।
৩। রাজনীতির মতভিন্নতা থাকবে। তবে তা হতে হবে সৃজনশীল, সাধারণ
মানুষের পক্ষে, বিশ্বমানবাতার পক্ষে।
৪।গায়ে পড়ে কারো চরিত্রহনন করা যাবে না। মনে রাখতে হবে
সব মানুষেরই ব্যক্তিগত জীবন আছে।
৫। অন্যকে অযথা আক্রমনের চেয়ে নিজে কিছু লেখা, কিছু ভাবার- দেবার
চিন্তা নিয়ে এগুতে হবে।
মা মো তার মত জানাইবেন আশাকরি
লেখক বলেছেন: আপনেও তো দেখি একই রাস্তায় চললেন। আমি কইলাম পাড়ায় তিন থেকে পাঁচটা গুণ্ডা আছে। আপনি বললেন, দেশের সবাইরে আমি গুণ্ডা বলছি। এইটা কেন মনে হইল আপনের?
আপনার বক্তব্যের দ্বিতীয় অংশের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত প্রকাশ করছি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল গুণ্ডামীর বিরুদ্ধে দফা দেন এখন।
মদনবাবু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমি দুর্বল বলেই আইন বা নীতির রক্ষাকবচ চাই। মদনবাবু বলেছেন: একটা পরামর্শ দেই । যাগো ভার্চুয়াল গুতাগুতি পসন্দ না তারা যেন সামহোয়ারের স্পেশাল দুইবর্মের অন্তর্বাস সবসময় পরে থাকেন ।
আপনার জন্যই তো লিখলাম রে ভাই । যেটা সামহোয়ার অলরেডি প্রস্তুত করে রেখেছে দুর্বলদের জন্য ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে একটা পরামর্শ দেই যুক্তি না থাকলে চুপ থাকেন।
কি ব্যাপার থ্রেট দিচ্ছেন নাকি । এমনিতেই তো গুন্ডা বখাটে বদমাশ প্রভৃতি বিশেষন দিয়ে ফেলেছেন । বাকি ছিলো অপেন থ্রেট এর । তাও সম্পুর্ন করলেন । বাহ্ চমৎকার তো ।
লেখক বলেছেন: ব্লগের নিয়ম অনুসারে আমি আপনার মন্তব্য মুছতে পারি, আপনাকে ব্লক করতে পারি। আমি পরামর্শ দিছি। সেইটাই আপনার কাছে থ্রেট মনে হইলো। আর গুন্ডামী কী জিনিষ আপনে বুঝতেছেন না?
১। মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।
২। শালীন ভাবে দ্বিমত পোষন করতে হবে ।
৩। রাজনীতির মতভিন্নতা থাকবে। তবে তা হতে হবে সৃজনশীল, সাধারণ মানুষের পক্ষে, বিশ্বমানবাতার পক্ষে।
৪।গায়ে পড়ে কারো চরিত্রহনন করা যাবে না। মনে রাখতে হবে
সব মানুষেরই ব্যক্তিগত জীবন আছে।
৫। অন্যকে অযথা আক্রমনের চেয়ে নিজে কিছু লেখা, কিছু ভাবার- দেবার চিন্তা নিয়ে এগুতে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
"কুদরত আলী" বলেছেন:
তামাক আর ফিল্টার :-মাহবুব মোরশেদ আর রাজাকার নিজামী- দুজনে দুজনার
লেখক বলেছেন: আপনার আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করি। আপনি আসেন এখন।
মিরাজ বলেছেন:
আমার মতে জলসাধক এবং মাহবুব মোর্শেদের প্রস্তাবের মধ্যে অবস্থানগত কোন পার্থক্য নেই। আমিও জলসাধকের মতামতকে সুদৃঢ় ভাবে সমর্থন করছি ।
লেখক বলেছেন: ইয়েস।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। যেমন কারো বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয়া। কাউকে ধর্মের অবমাননাকারী বলে হুজুক তোলা। কাউকে মুরতাদ ঘোষণা এইসবের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। আবার কেউ অযথা ধর্মে বিশ্বাসীদের শান্তি নষ্ট করবেন সেটাও হতে পারবে না।
মিরাজ বলেছেন:
* মতামত = প্রস্তাব
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল গুণ্ডামীর বিরুদ্ধে দফা দেন এখন।
আমি ''ভার্চুয়াল গুণ্ডামী'' এর ব্যাপারটা আমার কাছে এখনো স্পষ্ট নয়। মনে করেন আপনার দেওয়া সব নীতিমালা কার্যকর হলো, তারপর ও রাজাকার পুত্র ওয়ামী তার বাবারে ডিফেন্স করে কোন পোস্ট দিল তখন কি আমি মুখে আংগুল দিয়ে বসে থাকবো? @ লেখক।
লেখক বলেছেন: এখনও পরিষ্কার হয়নি? উপরে নিচে তাকান। বুঝতে পরবেন।
"কুদরত আলী" বলেছেন:
একজন গ্রুপ মডারেটর রাজাকার তোষনাকরি এবং রাজাকার পুর্নবাসনের সাথে জড়িত বলে বাজারে শোনা যায়।
লেখক বলেছেন: আপনে আসেন এখন।
জলসাধকের ৫টি প্রস্তাবই মুলত মাহবুব মোর্শেদের এই পোস্টের সারমর্ম।
অথচ দুঃখজনকভাবে তিলকে তাল করা হচ্ছে!!!
লেখক বলেছেন: ইয়েস।
"কুদরত আলী" বলেছেন:
সালোয়ার রাজাকারের বাচ্চা চুপ মার। খাড়া চোদন দিমু
লেখক বলেছেন: ইট শুড বি নোটেড। অনেকের জন্য আপনার এই কমেন্টের উদাহরণটা রাখা দরকার। থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: গালি দিলেন কেন? গালির অবসানের জন্যই এত কিছু।
আবাবিল বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট, যা বলতে চেয়েছিলাম তা সবই বলে দিয়েছেন। ব্লগে ঢোকার পর থেকে এই গুন্ডামি আমায় সবেচেয়ে কষ্ট দিয়েছে। যুক্তিনির্ভর বিরোধিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হোক।
লেখক বলেছেন: হ। ধন্যবাদ।
মাহবুব ভাই, আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই? এই আমেরিকাতে এত বছর আছি এখানে সবসময় মুক্ততাকে প্রাধান্য দেয়া হ্য়। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও একপক্ষের প্রচারনাকে লাইম লাইটে আনা হ্য়।
রাজাকার পুত্রের মত প্রকাশের অধিকার আছে যতক্ষন সে ব্লগ নীতিমালা মেনে চলবে। বিশেষত এটি যদি ডিফেন্ডিং টাইপের হ্য়।
লেখক বলেছেন: কিন্তু তিনি তো পাবলিকলি তার বাবার কৃতকর্মকে সমর্থন করতে পারেন না।
কয়েকটি ভালো প্রস্তাব এসেছে , এগুলোকে একসাথে করে একটা পোস্ট দিন , আরও নীতিমালা প্রস্তাব করা হোক , সেগুলো নিয়েও আলোচনা হবে ।
লেখক বলেছেন: অন্য দিকে নেয়ার চেষ্টা সফল হবে না।
ভার্চুয়াল গুণ্ডামী প্রতিহত হবেই।
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধিতা কি কোনো যুক্তি দিয়ে সমর্থন করা যায় নাকি?
কানা বাবা বলেছেন:
জনাব মাহবুব মোর্শেদ,
আপ্নে দেকি আমাগোর শিক্ষনপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ কর্বার পাঁয়তারা কর্তাচেন!
ব্লগে ঘুরিয়া ঘুরিয়া কিচু মামদোবাজি শিকিতেচিলাম; শুনিতেচিলাম কিচু জঘন্য লুকের বিকৃত-বয়ানসমৃদ্ধ আস্ফালন; পাইতেচিলাম সুশীল ব্লগার নামক কিচু নন-ভার্টিব্রেট জানোয়ারের নতজানু নীতির দ্যাখা; দেকিতেচিলাম ব্লগের জামাতিগুলানের ভার্চুয়াল পিটানী খায়া লৌড়ানির মহাকাব্যিক দৃশ্য... ... আরো কত্তো কী!
আপ্নের এই পেরেস্তাব পাশ হৈলে তো সকলই সমাপ্ত হৈবেক!!!

তারচে' আপ্নে বরং ইসব পেরেস্তাব-ফেরেস্তাব বাদ দিয়া প্যানপ্যানাইন্যা পিরীতিমঞ্জুষা ল্যাখা চালায়া যান; আম্রা পর্মু আর পিলাসের পর পিলাস দিয়া ঐটারে মহাকাব্যিক স্তরে লয়া যামু...(ক্লোজআপহাসি)
অধমের এই বিবিধ শিক্ষার সুযুগটারে টুটাফাটা কইর্যেন না...
সুযোগ চাই; মানুষ হবো!
লেখক বলেছেন: জামাত বিরোধিতার সঙ্গে আমার প্রস্তাবের সংঘর্ষ নাই। আমি শুধু মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির কথা বলছি।
আবার 'হলদে ডানা ' ঘোষনা দিল আমি 'শিবির কর্মী''। আপনার এরকম কোন নিকের কথা জানেন কি সে এরকম ঘোষনা দিয়েছে যে , আমি বিনপি /আওয়ামি অথবা জাতীয় পার্টি?
আপনি কি মনে করেন এরকম ঘোষনাধারী নিকের লেখালেখি ঠিক আছে?@লেখক।
লেখক বলেছেন: আমি রাজাকারের বিরুদ্ধে আমার মত আছে। সে আমার ব্লগে এসেছিল। সম্ভবত দুইটা পোস্ট আগে। সেখানে আছে।
এটীম কী? আওয়ামী টীমের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়?
জলসাধক বলেছেন:
ছি ! কুদরত আলী !!---- এইটাই হইলো বখাটেপনা
=========================================
১। মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।
---- এই দাবীটা আমি আপনার মুখ থেকে শুনতে চাই মা মো
===========================================
মা মো , আপনি ব্লগে রহস্যজনক ভুমিকা নিয়েছেন অদূর অতীতে।
আপনি '' ব্যক্তিগত বসন্তদিন'' এর নান্দনিক গল্পকার। সৃজনশীল কবি।
তা আমরা সবই জানি।
কিন্তু মাটির প্রতি একটা জরুরী দায়িত্ব থেকে যায়।
রাহমান ভাই বলতেন, আমি মাটির টানেই কবিতার টেবিল ছেড়ে
গণমিছিলে চলে আসি।এই ছিলেন আমাদের রাহমান ভাই !
আমি মনে করি , শেখ হাসিনা / খালেদারা যা পারেন নি , এই প্রজন্ম
একদিন তা পারবে। পারতেই হবে।
এর কোনো বিকল্প নাই।
আপনি নিজামীর গাড়ী আটকে দিতে চেয়েছিলেন । আমরা তা ও জানি।
এখনো সেই চেতনার স্ফূরণ আমরা দেখতে চাই।
লেখক বলেছেন: আপনি আমার মুখ থেকে যা শুনতে চান তা আমি বহুবার বলছি। আপনি শুনেন নাই বা পড়েন নাই দেখে অবাক হচ্ছি। গুণ্ডাদের মতো না বললে শোনা যায় না? আপনার প্রস্তাবকে সমর্থন দিলাম কেমতে?
কিন্তু ভাই গুণ্ডাদের হাত থেকে রেহাই চাই।
সরি মাহবুব মোর্শেদ! এই লোক বাপ তুলে গালি দেয়াতে ধৈর্য হারালাম!! সে প্রতিদিন ব্লগে এসেই কারো না পিছে লাগে এবং ইতর ভাষা ব্যবহার করে।
লেখক বলেছেন: গালি দিয়ে গালি প্রতিরোধ করলে শুধু গালিই বাড়তে থাকে।
ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
জলসাধক বলেছেন:
এখানে কুদরত আলীরা যেমন আছে , '' আমি রাজাকার'' , ''পান্জেরী''''উম্মু আবদুল্লাহ'' রাও তেমনি আছে।
বয়কট দুপক্ষকেই করতে হবে।
মা মো , আপনি এবার দেখলেন তো ''উম্মু'' কি নগ্ন ভাবে ওয়ামীকে সমর্থন দিচ্ছেন । অথচ উম্মুর ব্লগ ঘুরে দেখুন , অন্তসারশুন্য। একপেশে।
আর সেভাবেই আপনার কথিত ''গুন্ডারা'' সুযোগ নেয়।
লেখক বলেছেন: ঠিক কইছেন।
জামাত বিরোধিতার সঙ্গে আমার প্রস্তাবের সংঘর্ষ নাই। আমি শুধু মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির কথা বলছি।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
এটীম কী? আওয়ামী টীমের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়? ###
আমার এটিম নিয়ে কোন ধারনা নেই, আমি যদি মনে করেন এ-টিম মানেই আওয়ামীলিগ তাহলে তো কিন্তু এটা নিয়ে আলাদা বিতর্ক করার দরকার আছে। আমি অবশ্যই এরকম এটিম কে '' আওয়ামিটিম'' হিসেবে চাইবো না।
কিন্তু এরা যদি রাজাকার ( যেমন: ওয়ামি) পুত্রদের গালাগালি করে আর আপনি ধরে নেন শুধুমাত্র আওয়ামিরাই এরকম করে তবে ভুল করবেন।
অ-আওয়ামি অনেকেই কিন্তু রাজাকারদের পছন্দ করে না। তাদেরকে ও কি আপনি একই পাল্লায় বিবেচনা করবেন?
রাজাকার বিরুধীতা মানেই কি ''আওয়ামিলিগ''?
আমি এবার একটু হতাশ ই হলাম আপনার মন্তব্যে।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আমি হতাশ হই নাই। আমি রাজাকারদের বিরুদ্ধে কিন্তু আওয়ামী লীগ না। এ টীম মানে আসলে কী? এটা নাকি রাজনৈতিক দল? এটা কি আওয়ামী লীগের আদ্যক্ষর নিয়ে গঠিত কোনো গোষ্ঠী?
রাজাকার বিরোধিতাকারীরা সবাই আওয়ামী লীগ এই চিন্তা যেন স্বপ্নেও আমাকে করতে না হয়।
এস্কিমো বলেছেন:
সুশীল পোস্ট। স্নান করিব কিন্তু বেনী ভেজাবো না। বলছেন অনেক কথা - কিন্তু স্পেসিফিক কোন কথা বুঝা গেল না। তাই সারওয়ার চৌধুরী মহাশয় কমেন্টের পর কমেন্ট করেও সঠিক দিক নির্দেশনা পাইনি। "কিন্তু আদতে কেউই সামহয়ারের মতো সাফল্য পায়নি। ফলে, ভেতরে বাইরে সমহয়ারের শত্রু আছে। না থাকাটাই অস্বাভাবিক। এমন শত্রুও থাকা সম্ভব যারা চায় এই সাইটটির মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগকে স্তব্ধ করে দিতে।"
এইটা কি বললেন? সামহোয়ারের শত্রুর কথা বলে সামোহারকে ভয় দেখালেন - নাকি কর্তৃপক্ষের দৃস্টি আকর্ষন করলেন। মনে হলো আপনার দরদ সামহোয়ারের কর্তৃপক্ষের চেয়েও বেশী। একটা কনস্পিরেসী থিয়োরী তৈরী করলেন না তো।
"ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।"
যতটুকু জানি সামহোয়ার একটা নীতিমালা তৈরী করেছে। (আইন?)। সেই নীতিমালার কারনে অনেক নিক ব্যান হয়েছে। আপনি কি সেই নীতিমালার আলোকে "কোন সমস্যা" বাটনে টিপি দিয়ে অভিযোগ করতে পারতেন না? আপনিই মনে হয় একটা বায়বীয় পোস্ট দিয়ে অদৃশ্য শত্রুর ভয় দেখিয়ে সামহোয়ারে ভাবমূর্তি নস্ট করছেন।
তবে বিষয়টা কি ভাই। যতক্ষন "স্বাধীনতার শত্রুরা" মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট দেবে - ততদিন পর্যণ্ত এর প্রতিবাদ চলবে। সেই প্রতিবাদের ভাষাটা কি হবে - সেটা নির্ভর করে ব্যক্তি বিশেষের উপর। এখানে কোন দল বা মতের কোন ভূমিকা নেই।
আবারো একটা ইংরেজী বাক্য ব্যবহার করি - যা এখানকার সাঙবাদিকার প্রায়ই ব্যবহার করে - তা হলো "এলিফেন্ট ইন দ্যা রুম" আর বাংলায় ব্যবহার করা হয় "চোখ থাকিতে অন্ধ" । এই অন্ধত্ব কিন্তু জন্মগত না - এটা যার যার পছন্দের কারনেই হয়। যারা বগলে রাজাকারের বাচ্চাদের নিয়ে চলা ফেরা করে আর সুশীল কথা বলে -তাদের সেই রোগের সম্ভাবনা বেশী থাকে।
লেখক বলেছেন: এস্কিমো,
সুশীল কমেন্ট। কি সুন্দর যুক্তি আপনার কী উপমা। কী পরামর্শ! কত জ্ঞান। আমি মুগ্ধ হয়ে আপনার কমেন্ট ও পোস্ট পড়ি আর সারাদিন ধরে বোঝার চেষ্টা করি। আহা! আমার ব্লগে আপনার পদধূলি পড়ায় আমি ধন্য।
মদনবাবু বলেছেন:
এইসব প্রস্তাবিত সুশীল কর্মকান্ড প্রকারন্তরে রাজাকারদের সম্পুর্নরুপে পুনর্বাসনে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে । প্রমানের ছিটেফোটা কিছু এখানেই দেখা যাচ্ছে ।
লেখক বলেছেন: মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
মা মো @ ওই তিন থেকে পাঁচজন ভার্চুয়ালি গুন্ডার নাম কইয়া ফালান। আর পারলে মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না। ---- এই দাবিটা কোথাও লিখে দেন।
পিছলাইয়েন না।
লেখক বলেছেন: আগে বলছি। পইড়া পইড়া আসেন। গুণ্ডাদের নাম নেয়ার তো দরকার নাই। নীতি/আইন হইলেই হবে। তিনটা গুণ্ডা থেকে যাতে আরও তিনটা বের না হইতে পারে সেই ব্যবস্থা দরকার।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
মদনবাবু বলেছেন:
লেখক বলেছেন:আওয়ামী টীমের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়?
লেখক তো ভালই লোক হাসাতে যানেন দেখছি । গুন্ডা বখাটে সব চেনেন কিন্তু এ টীম মানে আওয়ামী বুঝেন ।
লেখক বলেছেন: তাইলে খোলাসা কইরা বলেন। এটীম মানে কি বুঝান।
আওয়ামী টীম এর সংক্ষিপ্ত রূপই কি এ টীম নয় তাহলে?
এস্কিমো বলেছেন:
মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।---- এই দাবিটা কোথাও লিখে দেন।
লেখক বলেছেন: আপনার আদেশ শিরোধার্য এইখানে লিখে দিলাম :
মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।
সুর বাংলা বলেছেন:
খাইসে!হুদা নিজে না.....বাপ-দাদা-....চৌত্রিশ গোষ্টীর নাম রাজাকার লিস্টে উটলো বইলা........
লেখক বলেছেন: হ।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
এইমাত্র ওয়ামী পোস্ট দিল।
মামো-র আহবানে সাড়া দিয়ে রাজাকারপুত্র ওয়ামী এগিয়ে এসেছে। এরাই হইল মাহবুব মোর্শেদের সঙ্গী।
অবলা প্রাণীরও লজ্জা থাকে। কিন্তু নিজের সুশীলতা রক্ষার জন্য এইসব মা.মোদের লজ্জাও নাই। তারা নিজের মা-বোনের ধর্ষণকারীদের সঙ্গেও এক পাতে ভাত খাবে।
লেখক বলেছেন: লজ্জা তো দেখতেছি আপনারই নাই।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে আপনার লজ্জা হওয়া উচিত।
অজানা বলেছেন:
রাজাকার বিরোধীতা মানে আওয়ামীলীগ । কেউ আমারে ধরো । এই লোকটার মাথায় কি আছে ??? গবেষণা ও পরীক্ষা করা দরকার । এই লোকটা নিজামীর গাড়ি আটকাতে চেয়েছিল শুনলাম । নিজামীর গাড়ি আটকানো তাহলে কি লোকদেখানো ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য করেছিল ? ব্লগের অনেকদিনের পাঠক আমি । বছরখানিক তো হবেই । আপনার কাছ থেকে রাজাকার কিংবা জামাতবিরোধী কোন অংশগ্রহণ দেখলাম না । যাযাদি এর চাকুরীতে জয়েনের সময় কি শর্ত দিয়েছিল জামাত-রাজাকার বিরোধী কথা বলা যাবে না ? খুব জানতে ইচ্ছে করে ? যাযাদি এর সাংবাদিকদের তো অনেকদিন ধরে বেতন হয়নি । এনিয়ে অনেক আন্দোলনের খবর শুনেছিলাম । এখন সন্দেহ জাগে এটা মীমাংসার জন্য কি কেউ মগবাজারের কেউ এগিয়ে এসেছিল ?
লেখক বলেছেন: আপনি আমার লেখা ও মন্তব্য থেকে এই লাইন বের করেন যে, রাজাকার বিরোধিতা মানে আওয়ামী লীগ' এই কথাটা আমি বলছি।
এই কথাটা বরং আপনার মাথায় আসছে। অতএব পরীক্ষা কোথায় করতে হবে সেইটা নিজে ভেবে দেখেন।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
অজানা বলেছেন:
গুন্ডাদের একটা লিস্টি চাই তাহলে সতর্ক হতে পারবো । হে মহান দরদী, একটু দরদ দেখান এই হতভাগাকে ।
লেখক বলেছেন: সতর্ক হতে পারবো মানে কি? আপনে কি স্বঘোষিত ভার্চুয়াল গুণ্ডা একজন?
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
ওয়ামি-ওয়ালি গং একই পোস্ট, তাদের বাপের কৃতকর্মের সাফাই গাওয়ার পোস্ট অন্য নিকে আবার রিপোস্ট করে।এদের এতো নিক কোথ্থেকে আসে?
মাহবুব মোর্শেদ,
এইসব জামাতী কুত্তারা যখন প্লাটফরমটাকে নোংরা করতে থাকে তাদের মগবাজারীয় বাপের সাফাই গায়া, তখন আপনি কোথায় থাকেন? তখন আপনার সুশীলত্ব কোথায় থাকে?
আপনাকে কোন গুরুদাসী মন্ডলেরা কাঁদায় কিনা জানিনা। মনে হয় না, আপনাকে কোনদিন কোন মুক্তিযুদ্ধের দলিলের পোস্টে কমেন্ট করতে দেখেছি।
আমি দৃঢ়স্বরে বলছি, আপনার এই অবস্থান গুরুদাসী মণ্ডল দের অপমান। আপনার এই অবস্থান বাঙালি জাতির অপমান।
ঈশ্বর আপনাকে ক্ষমা করবেন না।
লেখক বলেছেন: মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
এটা ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত কোন কথা নয়। ব্যক্তির নিজেকে/স্বজনদের ডিফেন্ড করে যুক্তিনির্ভর পোস্ট দিতে পারার অধিকার থাকা উচিত।
লেখক বলেছেন: ডাকাতের সন্তানের পিতা ডাকাত হতে পারে। তিনি তার পিতৃত্ব গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু পিতার ডাকাতিকে সমর্থন করতে পারেন না।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
আবারও বলি।
মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।
---- এই দাবিটা কোথাও লিখে দেন।
লেখক বলেছেন: পইড়া পইড়া আসেন। দেখবেন লেইখা দিছি।
এস্কিমো বলেছেন:
"ভার্চুয়াল সন্ত্রাসীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিনতাই " - রাজাকারপুত্র ওয়ালী"ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।" - সুশীল মাহবুব মোর্শেদ
কি দারুন ছন্দ!
লেখক বলেছেন: জ্ঞানী এস্কিমো,
আমার পোস্টে কি মুক্তিযুদ্ধ ও রাজাকার এই শব্দদুটি আছে?
আপনার জ্ঞান চক্ষু খোলেন।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ, আপনার কথার জবাব দিতে ইচ্ছে করছে কিন্তু দেবোনা।
আপনাকে আমি তীব্র ঘৃণা করি, যেমন ঘৃণা আমি করি রাজাকার ও পাকবাহিনীকে। আপনাদের সাথে এক মঞ্চে তর্ক করলে আমার মায়ের অপমান হয়।
প্লিজ, আপনি নিজেকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দেবেন না।
আপনি, আপনার কামার চাচা ও তার পুত্রেরা পাকিস্তানে যান না কেনো?
সেখানে তো আপনাদের জন্যে বেহেশত তৈরি থাকবার কথা পুরস্কার হিসেবে।
মদনবাবু বলেছেন:
এস্কিমো বলেছেন: "ভার্চুয়াল সন্ত্রাসীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিনতাই " - রাজাকারপুত্র ওয়ালী
"ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।" - সুশীল মাহবুব মোর্শেদ
কি দারুন ছন্দ!
মা মো বুঝতারে নাই মনয় । কি হইতে কি হয়া গেলো ।হা হা হা ।
লেখক বলেছেন: আপনেই বুঝতে পারেন নাই কি দিয়া কী হয়া গেল।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
জলসাধক বলেছেন:
শুধু ''গুন্ডা'' না এখানে দেখছি ''গুন্ডী'' রা ও তৎপর।যুক্তি নাই, খাড়াইয়া তর্ক করে। ছি...
লেখক বলেছেন: জেন্ডার ভিভাজনে কত পারদর্শিতা!
মদন বলেছেন:
১। মহান স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না।
২। শালীন ভাবে দ্বিমত পোষন করতে হবে ।
৩। রাজনীতির মতভিন্নতা থাকবে। তবে তা হতে হবে সৃজনশীল, সাধারণ
মানুষের পক্ষে, বিশ্বমানবাতার পক্ষে।
৪।গায়ে পড়ে কারো চরিত্রহনন করা যাবে না। মনে রাখতে হবে
সব মানুষেরই ব্যক্তিগত জীবন আছে।
৫। অন্যকে অযথা আক্রমনের চেয়ে নিজে কিছু লেখা, কিছু ভাবার- দেবার
চিন্তা নিয়ে এগুতে হবে
একমত
লেখক বলেছেন: ইয়েস।
ভার্চুয়াল গুণ্ডাদের বিরুদ্ধে কার্যকর নীতি চাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এই অ্যাপ্রোচ নিয়া আপনে কিসের পক্ষে দাঁড়াইতে চাইতেছেন?
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
সহমত, ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: হ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মামো,রাজনৈতিক ও জীবন নিয়ে আপনার অভিগ্যতা আমার চাইতে আপনার অনেক বেশী। এজন্য আশা করছি আপনার পোস্ট দ্বারা কারা উপকৃত হচ্ছে সেটা বুঝতে পারছেন।
গুন্ডামীর পক্ষে আমি নই কখনই। সেটা যেখানেই হোক না কেন।
তবে ব্লগে যারা আপনার পিঠ চাপরাচ্ছে তাদের রাজনৈতিক আদর্শের কথা আশা করি আপনি ওয়াকবিহাল। এরা মুখে ভদ্র কথা বল্লেও সময়হলেও এদের আসল চেহারা বের হয়ে আসে।
এরা গনতন্ত্র/বাকস্বাধীনতার কথা বল্লেও এরাই স্বাধীনতা বিরোধী অনেক উস্কানীমুলক কথা বলে যা আমাদের সবাইকেই আহত করে, আমাদের রাগিয়ে দেয়। এরা এটাই চায়। এ ধরনের পোস্টের পরই এরা ভদ্রতার মুখোশ পরে ইসলাম নিয়ে পোস্ট দেয় এবং আক্রমনের জবাবে গালাগালীর বিরোধীতা করে চিৎকার করে।
আপনার মা, দেশ বা প্রিয় কাউকে নিয়ে যদি কেউ নোংরা কথা বলে তাহলে কি আপনি সেটা মেনে নেবেন ?
সেক্ষেত্রে আপনার অবস্থান কি হবে ?
ভদ্রতার জবাব ভদ্রতা দিয়েই দিতে হয়, অভদ্রতার জবাব অভদ্রতা দিয়েই, অন্তত মানুষ নামক কিছু পশুদের সাথে।
আপনি বাম রাজনীতি করেছেন একসময়, জাবিতে পড়তেন। শিবিরের ক্যাডারদের অস্ত্রের জবাব কি আপনারা যুক্তিতে দিয়েছিলেন ?????
অস্ত্রের জবাব অস্ত্র দিয়েই দিতে হয়, সে ভাবে জবাব দিতে না পারলে নিজের স্থান হয় কবরে।
লেখক বলেছেন: মাহবুব সুমন,
আমার পোস্টের অবস্থান জামাত বিরোধিতার সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি করে না। আমি মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির প্রসঙ্গ তুলেছি। কথা বলেছি স্রেফ তিন থেকে পাচটা গুণ্ডার বিরুদ্ধে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি এই বিষয়টিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনি নিশ্চয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন না? আমিও মনে করি না। ব্লগে একটি সুন্দর পরিবেশ, কথা বলার অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার, সিকিউরিটি রক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে যারা মনে করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে কী বোঝেন এইটা নিয়া নতুন করে ভাবতে হবে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মত প্রকাশের অধিকার সবারই আছে। একজন অপরাধীর আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার আছে অবশ্যই তবে মত প্রকাশের অধিকার বলতে যদি আপনি সেই অপরাধীর পাপের কথা বুক ফুলিয়ে বলার অধিকারের কথা বলেন তাহলে আমি বলবো সেই অধিকার কারো নেই। প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার অবশ্য আছে। "ব্লগে প্রাইভেসী রক্ষিত হচ্ছে না " >>এটা আমি মনে করি না। প্রাইভেসী কোনভাবেই অরক্ষিত নেই।
এবং সিকিউরিটির কোনো সমস্যাও আমি পাচ্ছি না।
লেখক বলেছেন: আমি তো আপনার সমস্যা নিয়া কথা বলতেছি না। আমি আমার সমস্যা নিয়া কথা বলতেছি। আমার সমস্যা যদি আপনার চোখে না পড়ে তবে আপনাকে বলতে হবে অন্ধ। গুণ্ডাদের চাঁদা দিয়া চললে আপনি তো সমস্যায় পড়বেন না। কিন্তু চাঁদার হার দিনকে দিন বাড়তেই থাকবে।
আমি কোনো অবস্থায় বলি নাই পাপের কথা বুক ফুলিয়ে বলাকে আমি সমর্থন করি। একটু উপরে তাকানোর সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাই।
মদনবাবু বলেছেন:
একটু ঘাটাঘাটি করলাম । তার পর বেশ কিছু জরুরী বিশয়ে আপনার কিছু মতাদর্শ পেলাম
মিলিয়ে দেখেন
আপনাকে জানানোর জন্য বলি, ফোরাম কোন মতাদর্শের তা নিয়া আমার মাথা ব্যথা নাই। সচলায়তনে আমি বন্ধুদের ডাকে এবং টানে যেতে চেয়েছিলাম। সামহোয়ারেও আছি একই কারণে। ওইখানে কয়জন লেখক আর কয়জন মুক্তিযোদ্ধা সেটা আমার না জানলেও চলবে।
লেখক বলেছেন: ঘাটাঘাটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ্।
লিঙ্ক দেয়ার জন্য আরেকটা ধন্যবাদ। তাতে অন্তত বক্তব্যটা পরিপ্রেক্ষিত হারা হবে না। সহব্লগারদের অনুরোধ করবো লিঙ্কে গিয়ে পড়েন পোস্টটা।
মদনবাবু বলেছেন:
আমি ভীত এরম উন্নাসিক মতের একজনের চিন্তাভাবনার ব্লগীয়করন নিয়ে । থাক না । আমি না হয় আমার মত করেই চিন্তা করবো কথা বলবো লিখবো ।
লেখক বলেছেন: আপনি আপনার মতো করে চিন্তা নিশ্চয়ই করবেন। এবং সে জন্যই একটা সাধারণ নীতির প্রস্তাবনা।
আপনি আমার পোস্ট প্রসঙ্গে যদি আমাকে উন্নাসিক বলে থাকেন তবে নিশ্চিত যে ওই উন্নাসিক ফোরামটিকে বাঁচানোর জন্যই সেটা করছেন।
একটু ভাবেন। আর পারলে আরো ঘাটাঘাটি করেন।
উচ্ছ্বাস বলেছেন:
মাহবুর মোর্শেদ ভাই, আপনার এই লেখাটি আমার খুবই ভাল লেখেছে। ব্লগে এ ধরণের লেখা খুব কমই দেখা যায়। আমিও সামহোয়ার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব যে এই ধরণের ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্হা নেয়া হোক। তাদের চিন্হিত করা খুব একটা কঠিন নয়। একটু খেয়াল করলেই চিন্হিত করা সম্ভব। তাই আশা করি সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।আপনার এই পোস্টটির জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এটি আমার প্রিয় পোস্টের তালিকায়।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
মদনবাবু বলেছেন:
দুঃখিত । আপনার নিশ্চিত ধারনাটি সর্বৈব ভুল । আমার অবস্থান উক্ত ফোরামটিতে নিতান্তই একজন নিরব পাঠক আকারে ।আর আপনাকে উন্নাসিক বলার হেতু আপনার ব্লগীয় অবস্থানের বন্ধু বান্ধব সহমন্ডলীয় জনিত কেন্দ্রিক বক্তব্য ।
লেখক বলেছেন: ও।
কাজী নজরুলের ঐ কবিতার মতো....কিছু কিছু বক্তব্যের ধারা
( ....যা পাগল আকাশের দিকে তাকিয়ে বলছিল..)
"কলা গাছে মারলাম ছুরি ,
হাটু বাইয়া রক্ত পরে
চোখ গেলরে বাবা....."
@মা. মো ভাই..
একমত ..
সুন্দর এবং সত্য পর্যবেক্ষন উল্লেখযোগ্য মন্তব্য সমূহে:---
@ নিজের চিন্তা-ভাবনা পোস্ট করার বদলে সারাদিন কারো না কারো পেছনে লেগে থাকা।
@ অযাচিতভাবে যে কাউকে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে কোনো তকমা এঁটে দেয়া। অথবা অমুক ব্লগার অমুক নিকে ব্লগাচ্ছেন, অমুক হলেন অমুক বলে একটা বিশৃংখলা তৈরি করা।
@কোনো মতে বিরোধিতা বা প্রচারণার চাইতে কোনো ব্যক্তির অবস্থানকে ক্ষুণ্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করার দিকেই এদের বিশেষ মনোযোগ।
এরকম কাজ যারা করছেন তাদের শুরুতেই সনাক্ত করা খুব কঠিন কাজ বলে মনে হয় না। একটু মনোযোগ দিলেই সম্ভব। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো :
@নিজেদের মত প্রকাশের চাইতে অপরকে বিরক্ত করার দিকেই ঝোক।
এসব থেকে মুক্তি চাই।ইয়েস।
ভার্চুয়াল গুণ্ডাদের বিরুদ্ধে কার্যকর নীতি চাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
বাল........না প্যাচাইয়া কইয়া ফালাও না ওই তিন থেকে পাচজন গুন্ডা কারা। বার বার এক কথা কইয়া মুখে ফেনা তুইলা ফালাইতাছ
লেখক বলেছেন: তুমি তো দেখি কিছুই দেখো না অলৌকিক হাসান। তোমারে এইজন্য বার বার বলতেছি কষ্ট হইলেও শুরু থেকে পড়ে আসো। পয়েন্ট পাবা।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
বিগব্যাং বলেছেন:
অলৌকিক হাসান বলেছেন: বাল........না প্যাচাইয়া কইয়া ফালাও না ওই তিন থেকে পাচজন গুন্ডা কারা। বার বার এক কথা কইয়া মুখে ফেনা তুইলা ফালাইতাছ
লেখক বলেছেন: মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
এস্কিমো বলেছেন:
এই ব্লগের সবচেয়ে বড় গালিবাজ হলো রাজাকারপুত্র ওয়ামি। আগেও একটা পুষ্টে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্লগারদের গালাগালি করে কয়েক মিনিট পরই পুস্ট সরিয়ে নেয়। গতকাল সেই আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে লেখা ব্লগারদের সবচেয়ে বাজে গালিটাই দিয়েছে।
দেখুন এখানে:
Click This Link
কিন্ত সুর একই ...গুন্ডাদের বিরুদ্ধে আইন চাই।
লেখক বলেছেন: মহান এস্কিমো,
আমার ব্লগে আপনার পদধূলি আমাকে আবারও ধন্য করলো।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
শরিফ রনি বলেছেন:
ধন্যবাদ ভালো পোষ্ট দেবার জন্য। ভার্চুয়াল গুন্ডাদের শায়েস্তা করা উচিত এখনই। এ ব্যাপারে কতৃপক্ষের সহযোগীতা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস শরিফ রনি।
এস্কিমো বলেছেন:
গতকাল বললেন : ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
আজ বলছেন:
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
এইটা কি নতুন লাইন। এই প্রশ্নটা কপি/পেস্ট করছেন কেন? আমি যে কথা বলেছি তার সুনির্দিষ্ট উত্তর আছে। ওয়ামির পোস্টে মিডিল ফিঙ্গার দেখানো আর "মাদারফাকার ফাক ইউ" বলার সাথে প্রাইভেসি আর সিকিউরিটির সম্পর্ক কি?
(টিজিং না করে সোজাসুজি কথা বলা কি সুন্দর হয় না?)
লেখক বলেছেন: হয়।
ইট শুড বি কোটেড :
এস্কিমো বলেছেন-
'টিজিং না করে সোজাসুজি কথা বলা কি সুন্দর হয় না?'
অনেক ধন্যবাদ এস্কিমো। এবং কৃতজ্ঞতা। স্বাধীনতা বিরোধিদের বিরদ্ধে সুস্থধারার প্রতিবাদ জয়ী হোক।
পাশাপাশি বলে রাখি :
ভার্চুয়াল বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।
সুমন বলেছেন:
ইংরেজী গালি মনে হয় ভদ্র সুশীলদের জন্য জায়েজ। ঃ)
লেখক বলেছেন: নাজায়েজ।
লেখক বলেছেন: একটু ভাল করে লক্ষ্য করুন দেখবেন আমার বক্তব্য পুরোটাই ঠিক আছে।
কাষ্ঠু বলেছেন:
আমি খালি কই, রাইসুর মতো নানা জনের পা চাটা মাহবুব মোর্শেদ আবার শুশীল (গুশীল) হইলো কবে!!! আর আপনেরাও ওর কথা নিয়া লাফালাফি শুরু করছেন!! শুনেন ভাইসব, মাহবুবের মতো হিজরারা একটু নামের জন্য, একটু খ্যাতির জন্য অনেক কিছু করতে পারে। এইসবে গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নাই। শালা জানি করে নিজামীর লগে----
লেখক বলেছেন: কাষ্ঠু আপনে আমার ওপর এত রাগ করেন ক্যান?
আর এত গালিই বা দেন কেন?
আপনের আমি কোনো ক্ষতি করছি বলে তো মনে হয় না।
আমার ওপর আপনের ব্যক্তিগত ক্ষোভ থাকলে ব্যক্তিগতভাবে আইসা আমারে গালি দিয়া যান। কোথাও দেখা করতে চাইলে বলেন।
এরকম একটা ব্লগ সাইটে বেনামে গালি দিলে কি সেই গালি আমি খাবো? বলেন, ভাইটু। সেই গালি কি খাওয়া উচিত?
মিরাজ বলেছেন:
মোর্শেদ ভাই, "স্বাধীনতা বিরোধিদের বিরদ্ধে সুস্থধারার প্রতিবাদ জয়ী হোক। " আমি আপনার এই বক্তব্যের সাথে একমত । আমাদের এটাকেই সামনে নিয়ে আসা উচিত ।
একটি প্রসাংগিক কথা, আশা করি উত্তর দেবেন ।
আপনি কি মনে করেন সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ অ-সুস্থ গালিবাজি এবং একই সাথে স্বাধীনতা বিরোধীদের তৎপরতা যেটা এই মুহুর্তে ব্লগকে ভার্চুয়ালি অবরুদ্ধ করে রেখেছে সেটা ঠেকাতে যথেষ্ট আন্তরিক?
আমার কিন্তু মনে হয়না,
নিজে বেশ কয়েকটি অনলাইন ফোরামের সদস্য/ পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে কিছু কিছু পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব যা বর্তমান অবস্থা থেকে কিছুটা হলেও উত্তরণ ঘটাবে । জানিনা এটা সামহোয়্যারইন এর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ঘাটতি কিনা নাকি তারা এই অবস্থার মধ্যে থেকে হিট বাড়াচ্ছেন ।
একটা উদাহরণ দিচ্ছি ---
- এর আগেওবলেছি স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী কোন নিক গ্রহণে ব্লগ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধা দেওয়া ।
- অশ্রাব্য গালিগালাজ এর শব্দগুলিকে ব্লগ সফটওয়্যার এর মাধ্যমেই বাধা দেয়া । এটি অধিকাংশ আন্তর্জাতিক ফোরামের একটি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি । মা, বোন, স্ত্রী, পুত্র কন্যা নিয়ে যে গালিগুলি দেয়া হয় সেই শব্দগুলি ব্লগ সফটওয়্যার এর কাছে চিন্হিত করে দিলে সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এই শব্দগুলিকে মন্তব্য বা পোষ্টে আসতে বাধা দেবে এবঙ ******** এরূপ শব্দাবলী দেখাবে । আমি মনে করি এতে অশ্লীলতা অনেক বন্ধ হবে এবং স্বাধীনতা বিরোধিদের বিরদ্ধে সুস্থধারার প্রতিবাদ অনেক বেশী শক্তিশালী হবে ।
সবশেষে আবারও বলছি, স্বাধীনতা বিরোধিদের বিরদ্ধে সুস্থধারার প্রতিবাদ জয়ী হোক ।
লেখক বলেছেন: মিরাজ ভাই,
আপনার গঠনমূলক আলোচনার জন্য আবারও আপনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আপনি যে মত দিয়েছেন এবং সমস্যা সমাধানের যে উপায় বলেছেন তা আমার কাছে ভাল মনে হচ্ছে। যদিও আমি টেকনিকালি তেমন সাউন্ড না এইসব বিষয়ে। তবে আমি সামহয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাই, তারা যেন আপনার প্রস্তাবগুলো আন্তরিকভাবে বিবেচনা করেন। শুধু আপনার প্রস্তাব নয়, আমার প্রস্তাব এমনকি আমার বিরোধীদের প্রস্তাবগুলোও যেন তারা খতিয়ে দেখেন। ও সার্বিকভাবে একটি সমাধানে উপনীত হতে পারেন।
এস্কিমো বলেছেন:
মত প্রকাশের অধিকার, প্রাইভেসি রক্ষার অধিকার ও সিকিউরিটির প্রশ্নগুলোকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষের ব্যাপার বলে মনে করেন নাকি? আমি মনে করি না।প্রশ্নটা অনেক বড় - তাই আলাদা পোস্ট দিলাম।
লেখক বলেছেন: মহান এস্কিমো,
আমাকে এতটা গুরুত্ব দেয়াটা কি ঠিক হলো?
একবার ভেবে দেখুন।
আপনার উত্তর ভীষণ সরলীকৃত ও আনন্দদায়ক হয়েছে। উত্তর যদি আমার পছন্দ নাও হয় তারপরও আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ আপনি আমার কথাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
তাই নাকি? কই আমি তো প্রথম থেকে পইড়াও তিন থেকে পাচ জন ভার্চুয়াল গুন্ডার নাম দেখলাম না।
মিস করলে আবার্ একটু কষ্ট কইরা টাইপ কইরা দেও না।
লেখক বলেছেন: অলৌকিক হাসান,
আপনারে আমি তুমি বলতে চাইনি। আর আপনারে সাধারণভাবে একজন ভাল ও মান্য ব্লগার হিসেবেই আমি চিনি। কিন্তু আপনার আঁতে আমি কিভাবে ঘা দিলাম সেটা বুঝে উঠতে পারছি না। বুঝতে পারছি না কি কারণে আপনি আমাকে তুমি বলে সম্বোধন করতে প্রলুদ্ধ হলেন। কিছু মানুষের সঙ্গে দ্বিমত থাকলেও তাদের আমি শ্রদ্ধা করতে চাই। সে সুযোগটাও আপনি দিতে চাচ্ছেন না বলেই মনে হচ্ছে।
শুনেন,
আপনি যদি এই পোস্ট ও মন্তব্য পড়ে থাকেন তাহলে আপনার কাছে এইটা পরিষ্কার হওয়ার কথা কেন আমি গুণ্ডাদের নাম বলতে চাই না। যদি পরিষ্কার না হয় তবে আবারও পড়ার প্রস্তাব দিচ্ছি।
পাড়ায় গুণ্ডামী চলতেছে এইটা বলে ফেলার পর কোনো পাড়াবাসীর হামলার মুখে পড়ার কথা নয়। তারপরও যদি তার ওপর হামলা হয় তবে কি ধরে নিতে হবে? পাড়ার গুণ্ডারা নাখোশ হয়েছে নাকি ভাল লোকেরা?
নুসরাত বাচ্চু বলেছেন:
এ্যাত্তো বড় ল্যাখা তার আবার এ্যাত্তো গুলি মন্তব্য! আপনারা পারেনও
লেখক বলেছেন: হ। কেন এমন হলো?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দুরন্ত পিথক বলেছেন:
এই লেখাটা কোন ২৩জনের ভালো লাগে নি?
লেখক বলেছেন: সেটা চিহ্নিত করা খুব প্রয়োজনীয় বলে মনে হয় না।
অনামিকা বলেছেন:
সহমত মুকুল!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:মাহবুব মোর্শেদের এই পোস্ট প্রমান করে সুশীল কাহাকে বলে! সুশীলতা অর্জন করতে হয়।
লেখক বলেছেন: আরে পিয়াল ভাই যে, কেমন আছেন?
ভাল?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ভাস্কর দা,আপনি অনুগ্রহ করে আমার বক্তব্য নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন বলে আমি গর্বিত বোধ করছি। আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম এই পোস্টটি আপনার সহৃদয় নয়নে গোচর হয় নাই। তা যে হয়েছে আর তাতে যে আপনি একটি কমেন্টের বেশি উত্তর দিবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন তা জেনে যারপর নাই মোহিত হইলাম। কিন্তু খুব ব্যক্তিগত কারণে সেই পোস্টে গিয়ে আমি মন্তব্য করতে পারছি না। নিশ্চয়ই আমার ইউনির্ভাসিটি জীবনের প্রথম দিকের একজন রাজনৈতিক গুরু হিসেবে আপনি বিষয়টিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিকে দেখবেন।
আপনাকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ ক্যাটাগরিক্যালি আপনি স্বীকার করে নিয়েছেন ভার্চুয়াল গুণ্ডামীর অস্তিত্ব আছে। কিন্তু এই গুণ্ডামী যদি বাইড়া যায় তাহলে তার দায় আমাকেও নিতে হবে। কারণ আমার বুদ্ধি অনুসারে আমি সেই গুণ্ডামীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিছি। বাহ! আপনের যুক্তির কাছে পরাজিত না হওয়া ছাড়া আমার কি কোনো উপায় আছে ভাস্কর দা ? আপনিই বলে দিন।
আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাইতে চাই, এইটা ভার্চুয়াল বখাটেদের উৎপাত আমার ব্যক্তিগত সমস্যা নয়। এই সমস্যাটা সার্বিক। আমি ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য আইন বা নীতি চাইবো কেন?
কিন্তু সমস্যাটা ক্রমবর্ধমান বলে এই বিষয়ে কিছু নীতির প্রয়োজনীয়তার কথাই আমি বলতে চেয়েছি। সত্যি কথা বলতে, এই কথা আমি খুব সাদামাটা ভাষায় আমি বলেছি। কারও নাম নেইনি। কাউকে সরাসরি আক্রমণ করিনি। কোনো শস্তা জনপ্রিয়তার লোভ করিনি। এইটাকে আলোচিত বানানোর জন্য কোনো বিতর্কিত কমেন্ট করি নাই। কিন্তু তারপরও এটির আলোচিত হওয়া যদি আপনাকে রাগান্বিত করে তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি দুঃখিত। কিন্তু যারা আলোচনা করেছেন তারা সঙ্গত কারণেই করেছেন বলে আমি মনে করি। প্রয়োজনীয় বলেই করেছেন।
আপনার রাজনীতি বোধ নিয়া আমার বহুত উচ্চ ধারণা আছে। কিন্তু বাকশাল ও বহুদলীয় গণতন্ত্র নিয়া আপনি যে উপসংহার টেনেছেন তা আমাকে নতুন করে চিন্তায় ফেলে দিল। তথাকথিত বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেয়ে বাকশালকেই আপনি তবে শ্রেয় মনে করতেছেন?
জনাব ভাস্কর দা, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা নিয়া আমার কোনো বক্তব্য নাই, এই মিথ্যাটি আপনি আমার গুরু হিসেবে না বললেও পারতেন। ভাস্করদা, আপনার নিজের প্রয়োজনেই এই পোস্ট তো বটেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমার পোস্টগুলো পড়ে নিতে পারেন।
আর খিয়াল কইরেন, গুণ্ডারা যেন আপনার কি বোর্ডে কথা কইয়া না উঠে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার পোস্টে গিয়া উত্তর দিতে না পারার কারণে আবারও দুঃখিত।
লেখক বলেছেন: ভাস্করদা,
আরেকটা কথা। আপনি আমার এক্তিয়ার ও অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভাই, নিতান্ত সাধারণ ব্লগার ছাড়া আর কোনো দাবি অধিকার ও এক্তিয়ারের প্রশ্ন এই পোস্ট নিয়া আপনি তুলতে পারবেন না। কথাটা চ্যালেঞ্জের মতো শোনাইলে আমি দুঃখিত।
একটা বারও তারা ভাবেন না , সাধারণ মানুষ বলছে , আমরা লাদেনকে ঘৃণা করি , তবে আপনার সাথে আমরা নেই ।সাধারণ মানুষের যাবার জায়গাটা কোথায় ?
লেখক বলেছেন: সন্ত্রাসী বুশ আর গুণ্ডা লাদেনের মাঝে কোনো জায়গা নাই, এই কথা গুণ্ডা আর সন্ত্রাসীরা যতই বলতে থাকুক তা মেনে নেয়ার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।
প্রয়োজনীয় কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ মেহরাব শাহরিয়ার।
ইরিটেট করনের ব্লগীয় প্র্যাক্টিস আছে সামহোয়্যারে, মানি। এই ইরিটেশন তো আমার বিরুদ্ধেও করনের চেষ্টা হইছে, আমি তো নিজের অবস্থানে অটল থাইকা সেইটা বন্ধ করতে পারছি। দীর্ঘ মতাদর্শিক বিতর্ক চালানের উদাহরনও তো এই ব্লগে আমি রাখছি। সেই বিতর্ক অনেকরে ইরিটেট করছে...এখন সেইটারেও তো ইরিটেটিং কইয়া ঘোষণা দিবার পারে স্বাধীন প্ল্যাটফর্মে(?)।
সার্বিক সমস্যা হিসাবে দেখতে চাইতেছো তোমার এই বক্তব্যরে...কিন্তু আমি মনে করি এই সমস্যার দায় কোন নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর না। এইখানে অনেকেই আওয়ামি রাজনীতির বিরুদ্ধে লিখে, আমি নিজেই তাগো মধ্যে একজন। এখন আমারেতো কেউ কখনো রাজাকার কইয়া গালি দেয় নাই! আমারেতো রাজকারগো সহযোগী কয় না কেউ! তারমানে আওয়ামি বিরোধীতা করলেই রাজাকার ব্যাপারটা গড়পড়তা ঘটতাছে না।
মানতেছি রাজাকার কওনের বিষয়টা প্রায়শঃই মাত্রা ছাড়াইয়া যায়। speculation থেইকা অনেকে কইয়া ফেলে যেইটার কোন ভিত্তি থাকে না অনুমান ছাড়া। এইটারে অবশ্যই নীতিমালা দিয়া আটকানো সম্ভব...অথেনটিক সোর্স ছাড়া কোন অভিযোগ করা হইলে সেইটার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারবো...বর্তমান নীতিমালাতেই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওনের বিধান দেওয়া আছে।
আমি একটু অবাক হইতেছি তোমার বিশ্লেষণে। আমি বহুদলীয় গণতন্ত্রের জিয়াউর রহমান ভার্সনের বিরোধীতা করছি বইলা আওয়ামি বাকশালী সিস্টেমের পক্ষের লোক, এই ঢালাও মন্তব্যটাও কাওরে রাজাকার কওনের মতোনই শুনাইলো। আমি কইছি জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের আমলে আওয়ামি বাকশালী ব্যবস্থার বিপরীতে যেই বহুদলীয় ব্যবস্থার নামে রাষ্ট্রবিরোধী মতাদর্শরেও ওপেন কইরা দেওয়া হইছিলো সেই ব্যবস্থা? যদি তা'ই হয় তাইলে কি বিষয়টা এতো সহজে এক পোস্টে কওনের কোন সুযোগ আছে?। এইখান থেইকা নিশ্চয়ই আওয়ামি বাকশালি ব্যবস্থার পক্ষের কোন মতবাদের সমর্থন বুঝায় না? তারমানে ইরিটেশনের নিয়ম মাফিক তুমিও একই কাজ করলা।
গুন্ডারা আমার কীবোর্ডে কথা কইবো কি কইবো না সেইটা নির্ধারন করনের মতো আরেকটা মন্তব্য কইরা তুমি আরো অভিভাবকত্ব সুলভ হইলা মাহবুব। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে তুমি কি ভাবো সেইটা ভিন্ন একটা বিষয়। কিন্তু priority কোনটা হইবো এইরম একটা আলোচনায় যদি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কীত কোন বিষয় থাকে তাইলে অবশ্যই আমি মুক্তিযুদ্ধরে গুরুত্ব দিমু। কারন এই সময়েই বাঙালীর রাজনৈতিক চেতনাগত উন্মেষ ঘটছিলো সবচাইতে বেশী। যার উদাহরন টানলে যেই আইডিয়াল সমাজ ব্যবস্থা আমি বা আমরা চাই তার স্বপ্নময় পথ উন্মুক্ত হয়। আর মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির মতাদর্শিক পরাজয়ও ঘটে।
আমারে তোমার রাজনৈতিক গুরু বলাতে হয়তো খানিকটা আহ্লাদিতও হইলাম, কিন্তু তোমার নীতিমালা প্রনয়ন আর ইরিটেশন বিরোধী অবস্থানের জায়গাটা আমার কাছে প্রশ্নবিদ্ধই মনে হইলো একটা বাক্য আর কিছু স্ট্যান্ডার্ড তৈরীর কারনে।
লেখক বলেছেন: কোনো কথা চালানোর আগে কিছু বুনিয়াদী বিষয়ে নিষ্পত্তি হওয়া দরকার, ভাস্কর দা।
আপনি বলছেন, 'গালি যদি কারো এক্সপ্রেশন হয় তাইলে সেইটা নিয়া আমার কোন অবস্থান নাই। গালি নিয়া ভাবাভাবির মধ্যবিত্তীয় আচারেও আমার তেমন আস্থা নাই।'
গালি কারো এক্সপ্রেশন হইতে পারে এইটা আমি কোনো যুক্তিতেই ঠিক মনে করি না। যদি গালি কারো স্বাভাবিক এক্সপ্রেশন হয় তাইলে তার ব্যাপারে চিকিৎসাশাস্ত্র কী বলে সেইটার খোঁজ নেয়া দরকার। ব্যক্তিগতভাবে কেউ শারিরিক ও মানসিক অসুস্থতাবশত গালি দিতে পারেন বটে কিন্তু পাবলিকলি তিনি সেটি করলে সেইটার বিহিত পাবলিককেই করতে হবে। অথবা কেউ যদি, ব্যক্তিগত সম্পর্কে গালাগালিকে কোনো ফোরামে চর্চা করতে চান তবে তাকে নিজের মতো করে গালাগালি পছন্দ করে এমন স্বজনদের নিয়ে একটা ক্লোজড ডোর ফোরাম খুলতে হবে। এইটা হলো আমার বিনীত প্রস্তাব।
গালাগালি নিয়া ভাবাভাবিকে আমি শুধু মধ্যবিত্তের ব্যাপার বলে মনে করি না। মনে করি, যে কোনো গঠনমূলক আলোচনা, মত বিনিময় ও সহনশীল পরিবেশে গালি না থাকাই শ্রেয়। মধ্যবিত্ত যদি সেটা ধারণ করে তবে ওই শ্রেণীর নানা দোষত্রুটির মধ্যে সেটাকে গুন বলেই আমি মনে করি।
ইহা অত্যন্ত স্পষ্ট যে, আপনের রাস্তা আর আমার রাস্তা গালি প্রশ্নে সম্পূর্ণ আলাদা। আপনি নিজের মতো করে গালাগালিকে উৎসাহ দিতে থাকেন। আমিও নিজের মতো করে গালাগালির বিরুদ্ধে কথা বলতে থাকি। উইশ ইউ গুড লাক। ভাল থাকবেন। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
সালাম। জ্বি আমি ভালো। পুস্ট ভালা হৈছে। আপনি ভালো আছেন?
লেখক বলেছেন: হ ভাল আছি। ধন্যবাদ।
নিঝুম মজুমদার বলেছেন:
পড়লাম,জানলাম,বুঝলাম।একটা পরামর্শ লেখক সাহেব রে... এত বুঝেন তো কলকাতায় যান না কেন?
আর অইখানেই থাইকা থাকলে কিছু কওনের নাই।
আপনি এটিম মানে আওয়ামীলীগ বুঝেন আবার চ টিম আইলে বুঝবেন চোদন।আপ্নারে অনেক কিছু বলার ছিলো।কিন্তু দেখলাম লাভ নাই,এক্টা ঘাঊড়া রে বুঝাইয়া লাভ কি?সে তো ভাঙ্গা রেকর্ডের মত বাজতেই থাকবে।
যাই হোক আপনি সামহোয়ার রে যেভাবে তেল দিলেন...এইটাও বইলেন সবাইরে যে সচল থেইকা উষ্টা খাইসিলিন।তাইলে ব্যালেন্স হইব এবং পাব্লিক আপনার তেল মারার কারন টা বুঝব
লেখক বলেছেন: কলকাতার সঙ্গে আমার পোস্টের সম্পর্ক একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?
আপনার মুখে কথা থাকলে তো বলবেন। কথা না থাকলে গালি তো দিবেনই। তাই না?
'সচলায়তন থেকে উষ্ঠা খাওয়া' নিয়া আমার পোস্ট আছে। আমার ব্লগের ফ্রন্ট পেজের বাম সাইডে পাবেন। আপনি ওইটা পড়লে বুঝবেন, আপনের রাগ করার কারণটা কী?
গালাগালি বিষয়ে তোমার যেই শ্রেয়তর অনুভূতি সেইটা আমার জুইতের লাগলো না। কারন শ্রেণীগত ভাবনার জায়গা থেইকা তোমারে অনেক উপরে চইলা যাওয়া একজন মানুষ মনে হইতেছে।
লেখক বলেছেন: গালাগালি বিষয়ে আপনার অনুভূতি আমার জুইতের লাগলো না, ভাস্করদা। আমি দুঃখিত, আপনার সঙ্গে একমত হইতে না পারায়। আপনার পোস্টটা আগে পড়ছি। গালি কখনোই স্বাভাবিকভাবে যৌথ এক্সপ্রেশন হইতে পারে না।
শ্রেণী প্রসঙ্গে :
মধ্যবিত্ত যেমনে হুদা হুদাই নানা ইস্যু নিয়া মধ্যবিত্তের সমালোচনা করে সেইটা নিয়া অন্যত্র আলোচনা করার খায়েশ আছে আমার।
আপনার আমার কথা বাদই যদি দেই ,মিরাজ ভাই বা মানবী আপু যখন নোংরা ব্যক্তি আক্রমণের শিকার হন , তখন কেন আমরা কেউ প্রতিবাদ করিনা । যদি এই নির্লিপ্ততা ইচ্ছাকৃত হয় , তাহলে সবচেয়ে বড় শাস্তি নীরব শ্রেণীরই প্রাপ্য । কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস , এটা নির্লিপ্ততা নয় ,এই নীরবতার পেছনে একটা চরম ভীতি আছে । সেটা কি ? (আপনি আমি সবাই জানি , কিন্তু সেই একই ভয়ে নীরব হয়ে যাই )
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ মেহরাব।
নিরবতা থেকে অনেকেই বেরিয়ে এসেছেন। বাকীরাও আসবেন আশা করি। গুণ্ডাদের তো ভয় পাওয়াই স্বাভাবিক। আর এই জন্য তো এই ভার্চুয়াল বখাটেদের বিরুদ্ধে কার্যকর নীতি/আইনের দাবি পেশ করেছি।
ওদের ভয় পাওয়া চলবে না। কারণ ওরা সংখ্যায় তিন থেকে পাঁচজন।
খুবই অল্প।
তয় তোমার মধ্যবিত্তের সমালোচনা শীর্ষক আলোচনা দেখনের প্রত্যাশায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: 'খুব ভালো দেখায় না' কথাটা কি সিদ্ধান্তমূলক নয়? এটা কি খুব ভাল দেখায়? ভাস্কর দা।
লিখতে চাই, একটু সময় করে। ধন্যবাদ।
ভালো দেখায় না বলতে আমি যুক্তি আর অগ্রসর হয় না বুঝাইছি। সেইটা মনে হয় বুঝনের অবকাশ তোমার আছে।
তোমার লেখা পড়নের অপেক্ষায় থাকলাম...
লেখক বলেছেন: স্যরি। আপনি কি তাইলে গালাগালিকে স্বাভাবিক এক্সপ্রেশন মনে করার অবস্থান হতে সরে আসছেন? গালাগালি যার কাছে স্বাভাবিক মত প্রকাশের অন্যতম পদ্ধতি তার সঙ্গে কি আর আলোচনা হয়? আপনি মাইন্ড করলেও এই অবস্থান পরিবর্তন না হইলে তো আলোচনা আগাইতে পারবে না। সত্যিই দুঃখিত ভাস্করদা। আলোচনা চলার স্বার্থে আলোচনা চালাইতে চাই না। তাতে শুধু অপ্রত্যাশিতভাবে হিট বেড়ে যাবে।
কেএসআমীন বলেছেন:
আমি মন্তব্য করছিলাম। গ্যালো কই?
লেখক বলেছেন: আমীন ভাই,
আমি সাধারণত মন্তব্য মুছি না। কোনো টেকনিকাল কারণে এমন হতে পারে। দয়া করে যদি আবার কথাটা বলতেন খুব ভাল হতো।
কেএসআমীন বলেছেন:
না ঠিক আছে। আমি ভালই মন্তব্য করছিলাম। আলোচনা ভালই লাগতেছিল। আসলে নানাজনের নানা মত। জামালবাবু বলেছেন যে তিনি গালিগালাজ না করলেও অন্যের গালিগালাজকে সমর্থন করেন...আমি মনে করি ব্লগ গালির একটা নিির্দষ্ট সীমারেখা থাকা উচিত। রাস্তার গালি যখন ব্লগে আসে তখন খারাপই লাগে...
লেখক বলেছেন: আমীন ভাই,
আপনার অরিজিনাল মন্তব্যটা এইভাবে হারিয়ে গেল? এই জন্যই মন্তব্য কপি করে মন্তব্য প্রকাশ করুন বাটন চাপি আমি। কিন্তু কয়েকদিন আগে আমারও একটা কমেন্ট হারিয়ে গেছলো। পরে আর লেখার আমেজ পাইলাম না।
আলোচনা আসলেই ভাল লাগলো।
আপনার মতও ভাল লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
মা.মো. তুমি আসলে কেমনে তর্ক করতে চাইতেছো সেইটা আমার বুঝনের অতীত মনে হইতাছে...প্রসঙ্গান্তর করতে চাইলে এই ধরণটা কার্যকরী হইতে পারে কিন্তু তর্কের বেলায় না। তুমি নিজে এই থ্রেডেই কোন এক জায়গায় মধ্যবর্তী অবস্থানের কথা কইছো অথচ আমার গালাগালি বিষয়ক অবস্থানরে ধইরা নিতেছো আমি গালাগালির পক্ষের লোক। গালাগালি বিষয়ে আমি আমার অবস্থান কইছি স্পষ্ট ভাষায়। গালাগালিরে আমি এক্সপ্রেশন হিসাবে নিতে পারি ভালো মতোই...আমাগো কামরাঙ্গীর চরের আফসু মিয়া যখন শেখ হাসিনা/খালেদা জিয়ারে চুদানির মাগী গালি দিয়া কথা শুরু করে তখন আমি তারে কোন সময়েই কইনা, "চাচা গালি দিয়েন না"...ঐটারে আমি তার অনুভূতির প্রকাশ হিসাবেই মাইনা নিতে পারি। কিন্তু সুশীল মা.মো করলেই সেইটারে আমার অশ্লীল লাগে। আমি এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের কথা উল্লেখ করতে চাই...আর তাই মনে করি গালির লগে শ্রেণীচেতনামূলক মানদন্ডের যেই চর্চা সেইটারে প্রশ্নের মুখামুখি দাঁড় করাইতে হইবো।
স্বাভাবিক মত প্রকাশের লেইগা তুমি কি কইতাছো সেইটাই ফ্যাক্টর...কেমনে কইতাছো সেইটা সবসময়েই সেকেন্ডারী...সমাজের যেই অংশ নিজেরে সমাজের hierarchyতে অবস্থান করে তারাই আচরনে এটিকেসিরে অন্তর্ভূক্ত করে। বৃটিশ ঔপনিবেশিক শক্তি এই অভ্যাস যে ভালো মতোই আমাগো মধ্যে ঢুকাইতে পারছে সেইটা তোমার বিশ্বাস থেইকা ভালোই বুঝন যাইতেছে।
আমার মন্তব্যের কোন জায়গায় মনে হইলো তোমার আমি আমার অবস্থান থেইকা সইরা আসতেছি সেইটাও বুঝলাম না...
লেখক বলেছেন: ভাস্করদা,
কামারাঙ্গির চরের সবাই না খালি আফসু মিয়াই এইভাবে খালেদা হাসিনাকে গালি দিয়া কথা শুরু করে?
যদি শুধু আফসু মিয়া বলে থাকে তবে আমার কোনো কথা নাই। আর যদি সবাই বলে তাইলে আমি যে কোনো দিন আপনার সঙ্গে কামরাঙ্গির চর যাইতে চাই।
আরেকটা প্রশ্ন, আফসু মিয়া/কামরাঙ্গির চরের লোকেরা শুধু খালেদা হাসিনাকেই গালি দেয় এইভাবে নাকি নিজের নিকট আত্মীয়দেরও এইভাবে গালি দেয়?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ভাস্কর দা,আপনের কথা বুঝতে যে আমার এত সময় কেন লাগে বুঝি না।
আপনি কোট করছিলেন এইভাবে :
আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত, কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। - মাহবুব মোর্শেদ
এইটা দিয়া আপনি বুঝছিলেন এই জিনিশ :
''আমার পোস্ট পইড়া যদি মনে হয় ইরিটেটিং গুন্ডাগো বিরুদ্ধে যাওনটারে আমি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মতাদর্শ কইছি , তাইলে আমি ভাই লেইখা বুঝাইতে পারি নাই আপনেরে। আমি কইতে চাইছি মা.মো. যেমনে খালি ইরিটেটিং গুন্ডাগো বিরুদ্ধে নীতিমালা চাইছে আর প্রস্তাব করছে অন্য কোন মতাদর্শের বিরুদ্ধে না হইলেই ভালো হয়, সেইটা খুবই বিপজ্জনক আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। ''
তা তো আমি আর বুঝি নাই। আমি মতাদর্শ বলতে গুণ্ডাদের মতাদর্শ বুঝাইছি। এই ক্ষেত্রে কেউ যদি গুণ্ডা হয় আর আপনি যদি তার পক্ষে মতাদর্শিক লড়াই চালান তাইলে আমি আপনার সঙ্গে তর্ক করতে রাজি। কিন্তু গুন্ডাকে আইন দিয়া ঠেকাইতে চাই। স্বাধীনতার মতাদর্শের সঙ্গে এই মতাদর্শের সম্পর্ক নাই। আপনার কথা বুঝতে যে আমার কেন এত সময় লাগে, কে জানে!
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
আমার খুব জানার শখ, আপনার হাতের রেখা কি এখনো বিদ্যমান কি-না, এতো কচলালে তো কবেই উড়ে যাবার কথা!
ম্যাট্রিক্স ১ দেখছিলেনতো। সেইখান থেকেই নিয়ো'র একটা ডায়ালগ কোট করি।
"তোমার কথা গুলো সুন্দর, ভালোই বলেছো। কিন্তু কথা গুলো শোনার পর আমি তোমাকে একটা জিনিষ অফার কতে পারি- তা হলো এই "মিডল ফিঙ্গার"।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন 'কলু-মোর্শেদ'।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
মহামান্য ধুসর গোধূলি,ভার্চুয়াল গুণ্ডাদের নখর উন্মুক্ত করাটাই আমার উদ্দেশ্য ছিল। আপনার মতো সম্মানীয় ব্যক্তির মিডল ফিঙ্গার নয়। তারপরও আপনি ক্ষেপে গেছেন। বুঝতেই পারছেন, আপনি ক্ষেপায় আপনাকে আমি শুধু ধন্যবাদই দেব।
তোমার ঐ বাক্যটা ছিলো আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। এই পুরাবাক্য থেইকা আমি বুঝি তুমি কোন মতাদর্শের বিরুদ্ধে কোন নীতিমালা চাও না। যেইসময় রাজাকার আর মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মতাদর্শের বিরুদ্ধে ব্লগে নীতিমালা প্রনয়নের দাবী উঠতাছে...তোমার এই বাক্য সেই সময়ে কি অর্থ বহন করে!?
আমার কথা তুমি বুঝ কি বুঝ না সেইটা তর্কের বিষয় হইতে পারে না। গুন্ডাগো মতাদর্শ বিষয়টা কি সেইটা জানতেও আগ্রহ হইতেছে এখন...আর একটা কথা ব্লগের অভিভাবকত্ব নেওনের ধান্দায় আসলে কি চাও তুমি?
লেখক বলেছেন: ভাস্করদা,
কামরাঙ্গীর চরের সবাই গালি দিয়া কথা বলে। তারা নিকট আত্মীয়দেরকেও গালি দেয়। এইটা আমি কামরাঙ্গীর চরে না গিয়াই মেনে নিলাম। আপনি বলছেন, অতএব এইটাই শেষ কথা। এখন প্রশ্ন তারা খালেদা হাসিনাকে যে গালি দেয় নিজের নিকট আত্মীয়দেরকেও কি একই গালি দেয়?
আমি বলতে চাইছি, গালাগালিকে আপনি প্রায় একটা দার্শনিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে বিচার করার প্রয়াস পাইছেন। সেক্ষেত্রে আপনার মতাদর্শকে বলা যায় গালির মতাদর্শ। কিন্তু, আপনি নিজে গালি দেন না। তাই আপনার সঙ্গে কথা বলা, তর্ক করা, দ্বিমত করা, এমনকি আপনার সঙ্গে একমত হওয়াও সম্ভব। কিন্তু যে শুধু গালিই দেয়, যে শুধু গুণ্ডামীই করে তার সঙ্গে তো আলোচনা চলে না। তার জন্য থানায় অথবা হাসপাতালে যাওয়াটাই প্রাথমিক নাগরিক কর্তব্য।
অবকাশ বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত নীতিমালা হয়েছিলো?
লেখক বলেছেন: হা হা হা । শেষ পর্যন্ত অনেক কিছুই হয়েছিল। কিন্তু কিছুই হয়নি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















+
'আমি মনে করি, ইরিটেটিং গুণ্ডাদের ব্যাপারে একটা কার্যকর নীতি থাকা উচিত। কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। অন্য ব্লগারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিকে ক্ষতিগ্রস্তকারী ব্লগারদের বিরুদ্ধে সঠিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত। '
একমত