অসুস্থ সেক্রেটারির স্বাস্থ্য নিয়া যেদিন স্বয়ং আইজি প্রিজনই উদ্বেগ ব্যক্ত করলেন সেইদিনই বুঝেছি, জলিল সাহেব এ যাত্রা ভাল চিকিৎসা পাইবেন। ওনার কুষ্ঠিতে বিদেশ গমন শুভ। কিন্তু দেশের জন্য, সরকারের জন্য আর বৃহত্তর শক্তির কল্যাণের জন্য জলিলের মতো মরণাপন্ন রোগীদের নয়, বিদেশ যাওয়া দরকার কানে সমস্যা, পায়ে সমস্যা এমন রোগীদের। যারা যুগের পর যুগ এদেশ শাসন করবেন, আল্লা না করুক তারা কেউ অন্ধ খোঁড়া বা বধির হয়ে যান। কিংবা তাদের পরিবারের কেউ তেমন ভাগ্য বরণ করুক।
গতবার হাসিনা যখন বিদেশ গেলেন, বইলা গেলেন এই সরকারের সকল কিছু তিনি ক্ষমতায় গেলে বৈধতা দিয়া দেবেন। তিনি সব মেনেই নিয়েছিলেন। কিন্তু বিদেশ গিয়া যে কী হইলো। খালি সরকারের বিরোধিতা করতে শুরু করলেন। ফলে, দেশে আসতে কষ্ট হইলো। তিনি মরি-বাঁচি যা হয়, দেশ বাঁচাতে আইলেন। খালেদা জিয়ার পায়ের চিকিৎসাও আর হইলো না।
এইভাবে দিন যায়। দেশনেত্রী ও জননেত্রী দুই জনেই এখন জেলে। এখন একজন হাসপাতালে। এতদিন পর দেশের চাইতে আবার কানই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জাতি তো আর ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রীকে ঠসা হিসেবে মেনে নিতে পারে না। তাই যতদিন কান ঠিক না হয়, আর যতদিন বেনজির ভুট্টোর মতো সঠিক মন্ত্রণা কানে নিয়া তিনি দেশে ফিরতে না পারেন ততোদিন তার কানের চিকিৎসা বিদেশে মানে যুক্তরাষ্ট্রেই হউক।
আমার ধারণা এইবার, হাসিনা মান জায়েগি। হাসিনা মেনে নিবেন বলে অনুমান করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




