আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন প্রতিবাদী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট এবং ব্লগারদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করি, অত:পর নিশ্চিন্তায় গাঁজা টানি! - আল-আমিন কবির
- ব্লগার সাবধান! - ব্রাত্য রাইসু
- মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং - কৌশিক
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
বিড়ালকে মরিচ কেমনে খাওয়াইবেন?
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
গল্পটা পড়ছিলাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত উবুদশ পত্রিকায়।
মাও সেতুংয়ের দৈনন্দিন জীবনের বেশ কিছু গল্প ছিল সেইখানে। একটা বিশেষভাবে মনে পড়লো আজকে। এটাও মাও সম্পর্কিত।
একদিন মাও কমরেডদের ডাইকা কইলেন ঘরের কোনায় ঘাপটি মেরে থাকা বিড়ালটাকে কাঁচা লঙ্কা মানে মরিচ খাওয়াইতে হবে। প্রথমে এক উদ্যমী কমরেড আগাইয়া গিয়া বিড়ালটাকে কোলে টেনে নিলেন। তার মুখের সামনে একটা সুন্দর মরিচ ধইরা পুষি ক্যাট পুষি ক্যাট বইলা তারে খাওয়ানোর চেষ্টা করলেন। বিড়াল মরিচ খাওয়া তো দূরের কথা মুখও খুললো না।
এবার দ্বিতীয় কমরেড আগাইয়া আসলেন একটা দুধের বাটি হাতে। বাটিতে মরিচ মাখাইয়া বিড়ালের সামনে ধরলেন। দুধ দেইখা বিড়াল আগাইয়া আইলো বটে, কিন্তু মরিচের গন্ধ পাইয়া গর গর শব্দ তুলে তৎক্ষণাত চলে গেল।
তৃতীয় কমরেড বুঝলেন আঙ্গুল বাঁকা না করলে ঘি উঠবে না। তাই তিনি বিড়ালকে শক্ত করে ধইরা মুখে মরিচ ঠেসে ধরলেন। বিড়ালও যথাসাধ্য প্রতিরোধ গড়ে তুললো। হাচড়াইয়া পাচড়াইয়া তাকে আহত কইরা দিল।
মাও বুঝলেন, কৌশলে সামান্য বিড়ালের কাছে শিষ্যরা পরাজিত হইতেছে। তিনি বিড়ালকে মরিচ খাওয়ানোর সহজ পদ্ধতিটা তৎক্ষণাত শিখাইয়া দিলেন। বিড়ালকে ধইরা তার পশ্চাৎদেশে আস্ত একটা মরিচ ডলিয়া দিলেন। ডলিয়া বিড়ালটিকে ছাড়িয়া দিলেন। শিষ্য কমরেডরা অবাক হয়ে দেখলো, বিড়ালটি যত্ন করে সেই মরিচ চাটিয়া খাইতেছে।
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ত্রিভুজ বলেছেন:
মাথার উপর দিয়া গেল.. বিষয় কি?
লেখক বলেছেন: নেপালে মাওবাদী রাষ্ট্র কায়েম হইলো তো, তাই মাওয়ের কথা মনে পড়লো।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ওহ... নেপাল! আমাদের এখানে 'হালুমবাদী' কিছু কায়েম হয়ে যায় কিনা, এই ভয়ে আমি অস্থির... নেপাল তো বহু দূরে.....
লেখক বলেছেন: হালুমবাদীদের লগে মালুমবাদীরা আছে না?
হেরাই বুঝাইবো। আপাতত আলুমবাদী হইলেই হইবো।
লেখক বলেছেন: হাসেন। রিডার্স ডাইজেস্টে লিখছে হাসলে আয়ু বাড়ে।
সুজনবাঙালী বলেছেন:
মাহবুব ভাই, মাওয়ের এসব গল্পগাথা মনে হয় আমাদের কমরেডরা জানেন। জানলে তো এতোদিনে বাংলাদেশের জনমানুষের পশ্চাৎদেশ খুজে বের করতে পারতো।
লেখক বলেছেন: গল্পগুলা হেরা পড়ে না ক্যান, বুঝি না।
লেখক বলেছেন: সেইটাই তো প্রশ্ন। বিলাইরে মরিচ খাওয়াইতেই হবে এমন তো কোনো কথা নাই। যেমন আছি তেমন থাকলে অসুবিধা কী?
শাওন বলেছেন:
হাহাহা ? শেষের লাইন গুলো কি হলো বুঝলাম না ।
লেখক বলেছেন: শিষ্য কমরেডরা অবাক হয়ে দেখলো, বিড়ালটি যত্ন করে সেই মরিচ চাটিয়া খাইতেছে।
এইখানেই তো শেষ।
প্রচেত্য বলেছেন:
ভাল ভাল
লেখক বলেছেন: ভাল ভাল।
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
এমন যদি হইতো মরিচ খাওয়া বিলাই বিদেশে রপ্তানী করা যায়, তইলে কিছু একটা হইতো মামু ... বিলাই বাদ দেন ... খালি 'আলু' নিয়া আলুচনা করেন, বহুত ফায়দা হবে।
লেখক বলেছেন: আলু নিয়া তো লেখছিলাম একটা। কিন্তু মরিচ খাওয়াইয়া আগে ট্রেইনিং দিতে হবে না? তারপর না রপ্তানী।
কৌশিক বলেছেন:
পশ্চাতদেশেই দিতে হবে।
লেখক বলেছেন: আপনে পশ্চাৎদেশটাই দেখলেন, বিড়ালের কষ্টটা দেখলেন না।
মাইনুল বলেছেন:
নেপালে মাওবাদীরা জিতলেও তাদের আদর্শ কিন্তু পুজিবাদ ,পশ্চিম বংগের কমুনিস্টদের মত।
লেখক বলেছেন: পুঁজিবাদ তো ভাল জিনিশ। কিন্তু কেমনে বুঝলেন তাদের আদর্শ পুঁজিবাদ?
মুহিব বলেছেন:
শিখলাম। দুনিয়ায় কত কি আছে শেখার ..............
লেখক বলেছেন: বিপুলা এই পৃথিবীর কতটুকু জানি।
দেশে দেশে কতই না নগর রাজধানী।
মাইনুল বলেছেন:
পশ্চিমবংগকে দেইখা ?
লেখক বলেছেন: না। মানে নেপালের ওরা বলছে কোথাও?
নবজন্ম বলেছেন:
তাহলে বাঙ্গালিদের আলু খাওয়াতে / খাওয়ানোর অভ্যাস করাতে হলে কি করতে হবে ????????????????
লেখক বলেছেন: চালের দাম আরেকটু বাড়াইতে হবে।
অহনা বলেছেন:
গল্পটা মজার। মজার?ইঙ্গিত আছে বটে। তবে ধাক্কাটা লাগবে কি না। না লাগার একটা গল্প বলি। ব্যাচেলর ছবিটা রিলিজ হওয়ার পর আমাদের বন্ধুদের মাঝে এর ব্যাপক একটা প্রভাব লক্ষ্যকরা গেলো। বিশেষকরে লিটনের ফ্ল্যাট! ছবিতে পরিচালক কী বুঝিয়েছেন সেটা তিনিই ভালো জানেন, তবে আমরা ধরে নিয়েছিলাম লিটনের ফ্ল্যাট হলো একটি ফ্রেইস যা বললে বুঝতে হবে এটি একটি লুচ্চামির আখরা। আমাদের ক্লাসমেট আকাশ এবং ওর ছাত্রী এই জুটির কিছু অসৎকাজের খবরের কারণে অনেকের কাছে আকাশের ফ্ল্যাট বলে একটি শব্দ তৈরী হলো। যা দিয়ে বোঝানো হতো ...একটি খারাপ ইঙ্গিত করা হতো।
আমার রুমমেট সজনীর প্রেম ছিল। ও প্রায়ই যেত তারসঙ্গে ঘুরতে। আসারপর আমরা ওতক টিজ করতাম কীরে! আকাশের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলি নাকি? ও ব্যাপারটা বুঝত না, তাই রাগতও না। আর যদি বুঝত?
লেখক বলেছেন: গল্পের মজা হইলো ইঙ্গিতটা কেউ না বুঝলেও গল্পটা তো থাকলো। মজা না পাইলেও একটা ঘটনা তো শুনলো। এই রকম। ব্লগেও একটা লিটনের ফ্লাট আছে। জানেন?
লাল সালু বলেছেন:
মানিকে রতন চেনে, শুয়োরে চেনে কচু!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: মানিক রতন শুয়োর কচু এই সব কিছু যে চেনে সে কে?
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
আপনে এখন কোন পত্রিকায়?
লেখক বলেছেন: আপনে কোথায় কাজ করেন?
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
বিলাই চাই না !!আলু চাই। আলু ।
আলুর পক্ষে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে, এবারের সংগ্রাম আমাদের আলু'র সংগ্রাম।
লেখক বলেছেন: আলু জিনিশটা কিন্তু অতো খারাপ না রে ভাই।
আপনাকে আমি অনেক শ্রদ্ধার চোখে দেখতাম। কিন্তু মাওবাদীদের নিয়ে আপনার এ ধরনের গল্পের আড়ালে হেয় প্রতিপন্ন করা দেখে কষ্ট পেলাম। আপনার চিন্তা-ভাবনা এণ্টি মাওয়িস্ট হতেই পারে। সেটা যুক্তি-তর্ক দিয়ে লিখেন এভাবে রসিকতা করার মানে কি??
লেখক বলেছেন: মামূন যেইটা বুঝো না সেইটা নিয়া কথা বলার তো তোমার দরকার নাই। তাই না?
এই গল্পটা কই পাইছি সেইটা উল্লেখ করছি। উবুদশ প্রো-মাওয়িস্ট পত্রিকা, জাইনা রাইখো।
গল্পটা থেকে আমি অনেক কিছু শিখি। এইখানে হেয় প্রতিপন্ন করার ব্যাপার নাই। তুমি কমিউনিস্ট রক্ষণশীলতার নামে নতুন রসিকতার জন্ম দিতেছো দেখতেছি।
যেইটা বুঝিনা সেইটা বুঝার জন্যইতো কথা বলতে হবে। না বুঝলে তো জানতে হবে তাই না? না জানলে আপনাদের মত জ্ঞানী হবো ক্যামনে?
এই গল্প থেকে আপনি অনেক কিছু শিখেছেন। দয়া করে আমাদের সাথে শেয়ার করবেন কি কি শিখেছেন? আমরাও তা হলে শিখতে পারতাম।
লেখক বলেছেন: আমি যা শিখছি তা ওই গল্পেই আছে। আর তুমি যা ভাবছো সেইটা গল্পে নাই।
নীতি ও কৌশল বলে একটা ব্যাপার আছে। সেইটা।
মাইনুল বলেছেন:
বর্তমান যুগ হইতেছে ব্যবসা বানিজ্য আর কর্পোরেট দের যুগ। যে দেশে যত বেশী কর্পরেট আর ব্যবসায়ী বেশী সেই দেশ তত বেশী উন্নত। এই যুগে আইসা মাওবাদীরা কমুনিস্ট রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে পারব বইলা মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: পর্যবেক্ষণ যথার্থ বইলাই মনে হয়। দেখা যাক কী হয়। আমার মনে হয়, পুঁজিবাদে যাওয়ার চীনা পদ্ধতিই ভাল এখন পর্যন্ত।
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
আমি বেকার।মামুনের মন্তব্যের জবাব প্রসঙ্গে :
নীতি মানে কি বুঝাইলেন? পলিসি না এথিকস?
লেখক বলেছেন: এথিকস।
লেখক বলেছেন: হ।
লেখক বলেছেন: সাধারণীকরণ না করাই ভাল। একজন আইতাছে মানে সবাই আইতাছে এইটা ঠিক না।
টুপিবাদী আর আবালবাদীরা আসতে পারবো না।
আপনি বলেছেন "যে দেশে যত বেশী কর্পরেট আর ব্যবসায়ী বেশী সেই দেশ তত বেশী উন্নত।"
আপনার কথা যে শতভাগ ভুল সেটা আপনাকে বুঝিয়ে বলছি। বিশ্বায়নের প্রভাবে কি হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোত? পুজিবাদী উন্নত বিশ্বের দেশগুলো পুজি খাটিয়ে অর্থ শুষে নিচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো থেকে। আপনাকে ছোট্র ও সহজ একটা উদাহরন দেই, নরওয়ের টেলিনর কোম্পানী বাংলাদেশে গ্রামীনফোন নাম নিয়ে ব্যবসা করে বাংলাদেশ থেকে বছরে হাজার কোটি ডলার চুষে নিচ্ছে, তাই না? এভাবে মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানীগুলো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর অর্থনীতিকে একেবারেই পঙ্গু করে দিচ্ছে।
এই জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিশ্বায়ন একটা মারাত্মক অভিশাপ।
মাইনুল বলেছেন:
আজকে যে উন্নত বিশ্ব যেমন, জাপান , আমেরিকা এইগুলিতো কর্পোরেটদের দান তাইনা? তবে হ্যা, রাষ্ট্রের উচিত নাগরিকদের জীবন যাপনের জন্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা যা উন্নত বিশ্বে করা হয়। সে জন্য এসব দেশ কে বলা হয় কল্যান মুলক রাষ্ট্র বা ওয়েলফেয়ার স্টেইট।এই যুগে ব্যবসা বানিজ্য ছাড়া তো কোন দেশ চলতে পারেনা। তবে হ্যা ব্যবসা হতে হবে সততার সাথে ট্যাক্স দিয়া। কোম্পানি গুলি যাতে শোষন করতে না পারে সরকারকে এটা খেয়াল রাখতে হবে। উন্নত দেশ গুলাতে রাষ্ট্র কিন্তু এই ব্যবসায়িদের থাইকা ট্যাক্স নেয় আর তা দিয়ে জনগনের সুযোগ সুবিধা দেয়। যেমন- গরীবদের জন্য থাকা খাওয়ার নিশ্চয়তা আর ফ্রি চিকিতসা, বেকার ভাতা, শিশু প্রতিপালন ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা ইত্যাদি। তাই এই দেশ গুলারে ওয়েলফেয়ার স্টেইট বলা হয়। আমাদের দেশের রাজনীতিবীদরা তো লুটপাটে ব্যস্ত , তাদের সময় কই এই সব ওয়েলফেয়ার নিয়া চিন্তা করার । তাই দেশের মানুষের ও ওয়েলফেয়ার নিয়া কোন ধারনা নাই।
তাই আমি মনে করি দুর্নীতিমুক্ত গনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাই উত্তম।
লেখক বলেছেন: হ।
মুক্তি বলেছেন:
অছলিল অছলিল... বিড়াল মামার পশ্চাদ নিয়া কথা... অছলিল অছলিল
লেখক বলেছেন: পশ্চাৎদেশটাই খালি দেখলেন!
মুক্তি বলেছেন:
মুসল্লি ভাইয়েরা আসেন। আল্লাহর নবী করিম মুহাম্মদ সা: এর প্রিয় প্রানী লইয়া মশকরা করার জন্য মাহবুব মোর্শেদ নামক ব্লগারকে ব্লাসফেমির আওতায়া আনার জন্য আন্দোলনে নামি। বিড়ালের সাথে মশকরা মানে আল্লাহর নবীর সাথে মশকরা। আমি সামহোয়ার ইন ব্লগের ডেভলাপার শাহানার প্রিয় প্রানীকে লইয়া মশকার করার জন্য তাহাকেও এই আন্দোলনে শামিল হইবার জন্য আমন্ত্রন জানাই।জয় বাংলা
মরলে শহীদ বাচলে গাজী।
লেখক বলেছেন: দুর্বার আন্দোলনের ডাক দেন।
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
অ
লেখক বলেছেন: আ।
অনিশ্চিত বলেছেন:
মাহবুব মুর্শেদ কি আমার মন্তব্যটা মুছে দিলেন? আপত্তিকর কিছু লিখেছি বলে তো মনে হচ্ছে না। যাই হোক, আপনার মর্জি।
লেখক বলেছেন: আমি তো কমেন্ট সাধারণত মুছি না। সত্যি বলতে কি আপনার কমেন্টটা আমি দেখিই নি। কোনো কারিগিরি ত্রুটি হয়ে থাকতে পারে। কমেন্টটা আবার দেয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: এইটাই তো সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এই লেখাটি নিয়ে আমার দুতরফেই রাজনীতি করতে পারি ।১. এই লেখায় প্রমান করার চেষ্টা হয়েছে যে মাওসেতুং আজাইরা কাজে সময় নষ্ট করতেন এবং উনি পশু নির্যাতক ছিলেন । এতে করে মাওয়ের অবমাননা হয়েছে ।
২. বিড়াল নিয়ে আরিফ এর কার্টুনের পরে আবার নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে ।
লেখক বলেছেন: আরও একভাবে দেখা যায়।
লেখক বলেছেন: হ।
অনিশ্চিত বলেছেন:
ঠিক আছে। কমেন্টটি আবার দিচ্ছি।প্রথম কথা হচ্ছে, একটি কৌতুক হিসেবে এটি বেশ মজা লেগেছে। এরকম আরো বেশ কিছু কৌতুক আছে। সেগুলো পড়তে ভালোই লাগে, আরাম পাই।
আমার আগ্রহের বিষয় হচ্ছে, নেপালে মাওবাদীদের ক্ষমতা গ্রহণের সাথে কৌতুকটিকে মেলানো নিয়ে। আমি ঠিক বুঝতে পারিনি, তাদের কোন কর্মকৌশলের সাথে আপনার এই কৌতুকটি যায়। বিষয়টি খোলাসা করলে উপকৃত হই। কারণ আমি এই ইভেন্টটির প্রতি প্রথমদিক থেকেই নজর রাখছি। পাশাপাশি মাওবাদীদের সাথে পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থীদের বিষয়টিও উঠে এসেছে। আবার নেপালের মাওবাদী ও চীনা মাওবাদীদেরও কিছু কৌশলগত পার্থক্য আছে। সব মিলিয়ে এই তিনটিকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অবকাশ আছে। আপনার কৌতুকের সঙ্গে তাদের কর্মকাণ্ডকে মিলিয়ে যদি উপস্থাপন করেন, তাহলে বুঝতে সুবিধা হয়।
একটি কৌতুহল (কারণ সরাসরি এই ধরনের ঘটনা দেখি নাই তো, তাই)-- বিড়ালের পক্ষে কি নিজের পশ্চাৎদেশ চাটা সম্ভব?
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নবাণে আমি কাবু হয়ে গেলাম।
গল্পটা মনে হইছিল অন্য একটা প্রসঙ্গে। সেইটা যেহেতু সরাসরি বলা যাবে না তাই মাওবাদীদের নেপাল জয়ের বিষয়টা আনছিলাম।
তবে এইরকম হইতে পারে।
ধরেন ময়মনসিংহ গেছেন। সেইখানে গিয়া আপনার ব্রহ্মার কথা মনে হইলো। ঘটনা কিছুই না ব্রহ্মপুত্রের পাড় দিয়া ঘুরতেছিলেন আপনে তখন। এই রকম কিন্তু হইতে পারে।
কৌশিক বলেছেন:
একবার একটা হাতি ঢুকেছিল বদনায়। তারপরে বদনার নল দিয়ে পুরো হাতিটা বের হয়ে গেলো; কিন্তু আটকে গেল শুরটা!
লেখক বলেছেন: কারণ শুড়টায় আপনে একটা গিট্টু দিয়া রাখছিলেন।
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন:
হ্যা ঠিক বলছেন! বর্তমান সরকার চালের দাম বাড়াইয়া পাছায় লাথি দিছে আর আমরা নিজেরাই সেই লাথি একজন আরেকজনকে দিয়ে যাচ্ছি। যা খুশি যে খানে সুযোগ আছে সেখানেই দাম বাড়াইয়া!রিকশা ভাড়া থেকে শুরু করে ফ্লেক্সি লোড সব খানেই!
দাম বিড়ালের মত বাড়ছেই আর বাড়ছেই!
লেখক বলেছেন: হ।
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: হো হো হো। এ তো পুরস্কারের ছবি। তোর পুরস্কার কই রে রাজা?
রাজামশাই বলেছেন:
পুরস্কার টাই দেখলি - ভালবাসাটা দেখলি না।
লেখক বলেছেন: দারুণ কথা। ধন্যবাদ তোকে।
খুবই বুদ্ধিমানের মতো একটা কমেন্ট করি!
ফানও বলতে পারেন।
কুযুক্তিও বলতে পারেন!
সেইটা হইলো....
"তিনি বিড়ালকে মরিচ খাওয়ানোর সহজ পদ্ধতিটা তৎক্ষণাত শিখাইয়া দিলেন। বিড়ালকে ধইরা তার পশ্চাৎদেশে আস্ত একটা মরিচ ডলিয়া দিলেন। ডলিয়া বিড়ালটিকে ছাড়িয়া দিলেন। শিষ্য কমরেডরা অবাক হয়ে দেখলো, বিড়ালটি যত্ন করে সেই মরিচ চাটিয়া খাইতেছে।"
এর মানে হচ্ছে সেখানে আরো একটা বিড়ালের অবস্হান ছিলো বলে মনে করি!
সেইটা ছিলো গল্পে উল্লেখিত প্রথমোক্ত বিড়ালের বিপরীত লিংগের!
তো মরিচটা ঘষা হয় তার পেছনদিকে।
এবং সংগে সংগে ইনস্ট্যান্ট রেজাল্ট!
কি মনে হয়!
লেখক বলেছেন: সর্বনাশ!
গল্প এইখানেই শেষ।
আজহার ফরহাদ বলেছেন:
মারুফ হায়দার নিপু কিন্তু খারাপ কন নাই মামো?
লেখক বলেছেন: খারাপ কয় নাই। কিন্তু দ্বিতীয় বিড়ালটা কোত্থেকে আইলো? এই দ্বিতীয় বিড়ালটাই সমস্যা।
আজহার ফরহাদ বলেছেন:
ওইডাতো দ্বিতীয় লিঙ্গ।
লেখক বলেছেন: কিন্তু ওইটা তো ওইখানে আছিল না।
ইরতেজা বলেছেন:
দারুন
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: হ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
দিলাম পশ্চাৎদেশে, কিন্তু কয়দিন? - মরিচের জ্বালা জুড়ালে সেই ঠিকই দুধের দিকে আগাবে বিড়াল । মরিচ দেয়ার মানুষ রাও সব মইরা যাবে, নাইলে নিজেই বিলাই হয়া যাবে ।
হতাশ লাগে ।
লেখক বলেছেন: হতাশ হইলেই শেষ।
হাসলে আয়ু বাড়ার ব্যাপারটা যদি সত্য হয় , তাহলে আমারতো বিরাট শুভদিন
লেখক বলেছেন: হ।
হাসেন। হাসলে আয়ু বাড়ে।
অতএব হাসতে হাসতে মরুন।
লেখক বলেছেন: বিড়ালে মরিচ খাইলে কী হয়?
রণদীপম বসু বলেছেন:
যেইভাবে বিলাইর সইংখ্যা বাইড়তেছে, এতো মরিচ পামু কোনাই ?
লেখক বলেছেন: মরিচ না পাইলে আলু আছে না?
ত্রিভুজ বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত ম্যাও এর সংখ্যা কয়টা হইলো?
লেখক বলেছেন: পরে গুনবোনে।
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন:
মোটামুটি চলছে। আপসি ভালোতো!
নতুন অফিস। নতুন কাজের কত দূর হল। জানাবেন।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আগাইতেছে।
জানাবো সময়মতো।
রিফাত হাসান বলেছেন:
সালাম ভাই। অনেক দিন পর ব্লগে এলাম। এরকম বেশ কিছু কৌতুক আমিও পড়েছি। কিছু তীর্যক মজা এবং সম্ভব সমালোচনা। আমার মনে হয়েছে। ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: আপনারে মিস করলাম। ঢাকার বাইরে গেছিলেন নিকি?
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ।
চিন্তার ব্ষিয়।
লেখক বলেছেন: হয়। খুব হয়।
রিফাত হাসান বলেছেন:
ঢাকার বাইরে নয়, চট্টগ্রামের বাইরে যেতে হয়েছিল।
লেখক বলেছেন: দেখছেন মাথা কেমন ঢাকাসেন্ট্রিক হয়ে গেছে?
নতুন লেখা কই?
রিফাত হাসান বলেছেন:
ঢাকাসেন্ট্রিক- ভালই বলেছেন। আমি ভাই লেখকতো নই, আপনাদের লেখা পড়বো বলে এখানে মাঝে মইধ্যে আসি। আমার এক বন্ধু তার লিঙ্ক দিয়ে দাওয়াত দিছিল, সেইসূত্রে আসা। আপনার লেখার ধরন ভাল লাগে। অসাধারণ হিউমার দিয়া লিখতে পারেন। আপনি আমার লেখা পড়েন নাকি- জেনে খুশি হলাম। কিন্তু কোন মন্তব্যতো কোথাও পেলাম না।
লেখক বলেছেন: পাঠ দুই প্রকার। নির্বাক ও সবাক। আপনার লেখা পড়ে আমি অবাক হয়ে গেছি। আপনার লেখার অবাক পাঠ করি আমি। বুঝার চেষ্টা করি।
রিফাত হাসান বলেছেন:
অবাক আমিও!
লেখক বলেছেন: আসলেই?
ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















.....মাওই হিট





