গল্পটা পড়ছিলাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত উবুদশ পত্রিকায়।
মাও সেতুংয়ের দৈনন্দিন জীবনের বেশ কিছু গল্প ছিল সেইখানে। একটা বিশেষভাবে মনে পড়লো আজকে। এটাও মাও সম্পর্কিত।
একদিন মাও কমরেডদের ডাইকা কইলেন ঘরের কোনায় ঘাপটি মেরে থাকা বিড়ালটাকে কাঁচা লঙ্কা মানে মরিচ খাওয়াইতে হবে। প্রথমে এক উদ্যমী কমরেড আগাইয়া গিয়া বিড়ালটাকে কোলে টেনে নিলেন। তার মুখের সামনে একটা সুন্দর মরিচ ধইরা পুষি ক্যাট পুষি ক্যাট বইলা তারে খাওয়ানোর চেষ্টা করলেন। বিড়াল মরিচ খাওয়া তো দূরের কথা মুখও খুললো না।
এবার দ্বিতীয় কমরেড আগাইয়া আসলেন একটা দুধের বাটি হাতে। বাটিতে মরিচ মাখাইয়া বিড়ালের সামনে ধরলেন। দুধ দেইখা বিড়াল আগাইয়া আইলো বটে, কিন্তু মরিচের গন্ধ পাইয়া গর গর শব্দ তুলে তৎক্ষণাত চলে গেল।
তৃতীয় কমরেড বুঝলেন আঙ্গুল বাঁকা না করলে ঘি উঠবে না। তাই তিনি বিড়ালকে শক্ত করে ধইরা মুখে মরিচ ঠেসে ধরলেন। বিড়ালও যথাসাধ্য প্রতিরোধ গড়ে তুললো। হাচড়াইয়া পাচড়াইয়া তাকে আহত কইরা দিল।
মাও বুঝলেন, কৌশলে সামান্য বিড়ালের কাছে শিষ্যরা পরাজিত হইতেছে। তিনি বিড়ালকে মরিচ খাওয়ানোর সহজ পদ্ধতিটা তৎক্ষণাত শিখাইয়া দিলেন। বিড়ালকে ধইরা তার পশ্চাৎদেশে আস্ত একটা মরিচ ডলিয়া দিলেন। ডলিয়া বিড়ালটিকে ছাড়িয়া দিলেন। শিষ্য কমরেডরা অবাক হয়ে দেখলো, বিড়ালটি যত্ন করে সেই মরিচ চাটিয়া খাইতেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

