সচলায়তন, পেঁচালি, আমার ব্লগ। সামহয়ারের পর তিনটা ব্লগ উদ্যোগ আসছে। আমার মতে এর মধ্যে সবচেয়ে ভাল হবে আমার ব্লগ। সচলায়তনের সমস্যা কূপমণ্ডুকতা। পেঁচালির সমস্যা যে কী সেইটা নিয়া ভাবি নাই। আমার ব্লগের আপাতত কোনো সমস্যা নাই। প্রথমে যে ভার্সনটা ওনারা রিলিজ করছিল সেই ভার্সনে ব্যক্তিগত পেজের আইডিয়াটা ছিল। ফলে, মনে হইতেছিল টাসকি খাওনের মতো একটা জিনিশ আসতেছে। কিন্তু পরের ভার্সনে পার্সোনাল পেজ ও পার্সোনাল পেজকে কাস্টমাইজ করার অপশনটা কোনো কারণে সরানো হইছে। কিন্তু আমার ব্লগ যেভাবে আগাইতেছে তাতে মনে হয় শীঘ্রই আরও বড় অফার নিয়া তারা আমাদের সামনে হাজির হবে। বিদ্যমান ব্লগগুলোর মধ্যে সামহয়ার ছাড়া আর কোনো ব্লগে পার্সোনাল পেজ পাওয়া গেল না। সচলায়তনের আইটি হাফেজ ও আইটি ক্বারীরা পর্যন্ত কাস্টমাইজএবল পার্সোনাল পেজ হাজির করতে পারলেন না। এইটাই একটা দুঃখ।
যাই হউক, আমার ব্লগ আসছে। আর চিন্তা নাই। এইবার কিছু একটা হবে। প্রথমে ওনারা বলছিল, কোনো নীতিমালা নাই ওনাদের। স্লোগান দিছিল, গ্রোআপ ম্যান। সেই স্লোগান থেকে কিছুটা কি ওনারা সইরা আসছেন। বুঝা যাইতেছে না। কিছু ধইরা ফ্রন্টপেজে ১৮+ নেভিগেশন ট্যাব দেখতেছিলাম। আইজকা দেখি ওইটা ভিতরে সরায়ে নিছে।
মানে আমার ব্লগ নিজেদের মতো করে নিজেদের মোডিফাই করতেছে। এইটা ভাল প্রবণতা।
আরও ভাল প্রবণতা হইলো, এইটা এটীমের ব্রেন থেকে বের হইছে। এ টীমরে আমি আওয়ামী টীম উপাধি দিছিলাম। এদের অনেকে গুণ্ডামী করে বইলা কইছিলাম। সেইটার মধ্যে সত্য আছে। এনাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের গুণ্ডা। কিন্তু হুজুকে মাতা ভাল ব্লগারদের অনেকেই সেইখানে আছেন। এটীম আমার ব্লগ করায় আমি খুশি। কারণ, পাড়ার গুণ্ডারা যখন আরেকটা পাড়া বানাইতে যায় তখন তারা গুণ্ডামীর কুফলটা গভীরভাবে বুঝতে পারে। এটীমও বুঝবে বইলা আশা করা যায়। আমার ব্লগের মাধ্যমে তারা ভাল হয়ে যাবে।
তারা সচলায়তনের মতো বিশাল কিছু করবে বইলা ব্লগারদের মধ্যে সেন্টিমেন্ট তৈরি কইরা ব্লগার ভাগায় নাই। গুণ্ডারা চাইলে হুমকি-ধামকি দিয়া ব্লগারদের নিতে পারতো তাও তারা করে নাই। তারা শাশ্বত সত্যরে নিয়া ক্যাম্পেইন করছে। সেই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ব্লগারদের মধ্যে নিজেদের ইমেজ তৈরি করছে। এইটাও খুব ভাল ব্যাপার।
ইদানিং কিছু গুণ্ডামীর আলামত দেখা যাইতেছে। কিন্তু শমশের, আইজুদ্দিন, সুশান্ত তাদের চেলাদের সামলানোর ব্যবস্থাও নিশ্চয়ই করবে। কারণ আমার ব্লগের সঙ্গে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী একটি দলের সম্পর্ক। সেই দলটির ই-শাখা যদি প্রথম দিকেই গুণ্ডামীর অভিযোগে অভিযুক্ত হয় সেইটা ভাল দেখায় না।
আমার ব্লগের অন্যতম কর্মকর্তা ই-বাংলাদেশের সম্পাদক সর্বজনাব সুশান্ত। আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। ই বাংলাদেশ যারা পড়ছেন তারা জানেন, বাংলাদেশ নিয়া এই সাইটের প্রবাসী লেখকরা কি পরিমাণ সাহসী লেখা লেখেন। দেশে আসলে সেই রকম সাহসী তারা থাকতে পারবেন বইলা আমাদের কামনা। যাই হউক, প্রিয় সুশান্ত দাদা যখন আমার ব্লগের অন্যতম কর্মকর্তা তখন আশঙ্কার আর কিছু নাই। ভাল কিছু হবেই।
যাই হউক, এটীমে কিছু পোলাপাইন দুইদিন ধইরা আমারে জ্বালাইতেছে। কারণ, আমি আমার ব্লগ, এটীম ইত্যাদির মূল নিয়ন্ত্রক হিসাবে জয় ভাইয়ার নাম করছিলাম। ফলে, ওনারা রাগ করছেন। এতে রাগ করার কী আছে? কিন্তু রাইগা গিয়া পেছনের সারির ক্যাডাদের ওনারা আমার পিছনে পাঠায়া দিছেন।
যাই হউক, এই পোস্ট হইলো গুণ্ডাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আমার কাফফারা। এর ফলে গুণ্ডারা আমার ব্লগের শুভানুধ্যায়ী হিসাবে আমারে মাফ কইরা দিতে পারে।
আর যদি তা না হয় তাইলে তো ওনাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আমার ব্লগে গিয়াই আত্মরক্ষা করতে হবে। অনেকটা এই রকম গুণ্ডার জ্বালায় পাড়ায় টিকতে না পাইরা গুণ্ডার বিল্ডিংয়েই বাড়ি ভাড়া নেওয়া।
এটীমের হাত থেকে বাঁচতে হবে। বাঁচতে হলে চলেন সবাই আমার ব্লগে যাই। ভাবেন, একবার আমার ব্লগ ব্যর্থ হইলে সামহয়ারে এটীম লাশের বন্যা বইয়ে দেবে কিনা। তাই, চলেন যাই, আমার ব্লগে গিয়া ব্লগিং করি।
আপনাদের সুবিধার্থে আমার ব্লগের লিঙ্ক দিলাম :
http://amarblog.com/

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

