আমার প্রিয় পোস্ট

সাহিত্যের সাইটhttp://www.samowiki.net। বইয়ের সাইট http://www.boierdokan.com

শাহবাগ মোড় থিকা নির্লজ্জ প্রচারণা যন্ত্রটি সরান

১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪০

শেয়ারঃ
0 1 0

শাহবাগ মোড়ে একটা টিভি/ভিডিও স্ক্রিন বসানো হইছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মুখে। জাতীয় জাদুঘরের ঠিক সামনে। জিনিশটা দেখে প্রথম যে অনুভূতি তৈরি হয়, সেইটার নাম বিরক্তি। কিন্তু আমজনতার বিরক্তি খুব ভাল জিনিশ না। তাই এই নিয়া কোনো গুরুতর অনুভূতি তৈরি হইতে দেই নাই নিজমনে। কিন্তু ব্লগে দুইটা লেখা পড়ার পর দুইদিন এই টিভি স্ক্রিনটার দিকে চাহিয়া আরো কিছু অনুভূতি ও চিন্তা তৈরি হইলো। ব্লগে একটা পোস্ট দিছেন ঘাসফুল(Click This Link)। আরেকটা দিছেন মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই (Click This Link)। পরপর দুইদিন শাহবাগ গিয়া এই স্ক্রিনটার দিকে ফ্যালফ্যাল করে দেখে থেকে বুঝলাম এই জিনিশ নিয়া কথা না বলাটা অন্যায়। এইখানে সারাক্ষণ নির্বাচন কমিশন ও আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর নির্বাচনী কাজের অগ্রগতি বর্ণনা করা হয়। ফাঁকে কিছু বিজ্ঞাপন। আমরা তো জানি, আমাদের নির্বাচন কমিশন কত ভাল কাজ করতেছে। তারা ঠিকঠাক নির্বাচন করবে বইলা আমরা বিশ্বাস করি। আর সেই কাজে আমাদের সেনাবাহিনী প্রচুর সহায়তা দিবে। দিচ্ছে। কাজ মোটামুটি ভাল হইতেছে। এই কথা দেশের সবাই জানে। জানা জিনিশ বেশি কইরা জানাইলে সন্দেহ তৈরি হয়। আর সেই জিনিশটা যদি কানের কাছে মাইক ফিট কইরা বলা হয় তাইলে সন্দেহ ঘনীভূত হয়। স্ক্রিনটা দেওয়া হইছে রাস্তার দিকে মুখ করে। মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জানানো উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য হয়তো পিজির মোড়ে আড্ডা দেওয়া সাংবাদিকরা। তাদের আপডেট রাখার জন্যই হয়তো এইটা তাদের দিকে মুখ করে আছে।
কিন্তু এর ফলে বিবিধ ক্ষতি হইতেছে :
১. ঘাসফুলের কথা অনুসারে, পথচারিদের মনোসংযোগে এইটা ব্যাঘাত ঘটাইতেছে। স্ক্রিনটি প্রয়োজনীয় উচ্চতায় স্থাপন না করায় এটি সহজেই পথচারি ও ড্রাইভারদের দৃষ্টিকে বিঘ্নিত করতে পারে।
২. অনেক নিচুতে স্থাপনের কারণে এই চলমান আলোক প্রক্ষেপন যানবহনের আলোক সংকেত বুঝতে বাধা সৃষ্টি করে।
৩. দুটি হাসপাতালের রোগিদের জন্য এইটার শব্দ ও আলো ডিস্টার্বিং হইতে পারে।
৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের মুখে হঠাৎ আলো থিকা হঠাৎ অন্ধকারে যাইতে পথিক ও যানবহনকে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
৫. চারুকলা থেকে জাতীয় জাদুঘর পর্যন্ত স্থানে যে আড্ডা বসে এবং পিজির সামনে আড্ডাটি এই স্ক্রিনের প্রচারের কারণে ব্যাহত হয়।
এইগুলা কারণ বটে। কিন্তু সবচেয়ে বড় কারণ জাতীয় জাদুঘর। জাতীয় জাদুঘরের জিনিশ বাইরে পাচারের অনুমতি দিয়া এই সরকার বহুত ঝামেলা করছে। কিন্তু জাতীয় জাদুঘরের গুরুত্বটা এনারা বুঝতে পারে নাই। তার প্রমাণ হইলো এই টিভিস্ক্রিন। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসাবে এই জাদুঘরের নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও আকর্ষণ কতটা বিঘ্নিত হইছে তা প্রত্যক্ষদর্শী মাত্রই বুঝবেন। আমি জানি না কোন বুঝদার কর্তৃপক্ষ এইটা বসানোর দায়িত্ব নিছিল আর কোন বুঝদারই বা এইটারে অনুমতি দিছে। যেই দেউক, জাতীয় জাদুঘর সম্পর্কে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না। এখন বিষয় হইলো : নির্বাচন কমিশনের নির্লজ্জ প্রচারণা দেখার জন্য আমাদের সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনার এই দশা কি আমরা মাইনা নিতে প্রস্তুত?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-গ্রামীন ফোন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা খুব ত্বরিত সাফল্য পাইছেন। তাদের উদ্দেশে বিনীত প্রশ্ন, এই জিনিশটা কি তাদের চোখে পড়ে নাই? নাকি এইটা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমানার বাইরে বইলাই তাদের ভাবনার মধ্যে আসে নাই।

ছবিটা ঘাসফুলের ব্লগ থিকা চুরি করছি।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: সচেতনতামূলক পোষ্ট।পেলাচ।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪
মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: আমিও আপনার সঙ্গে একমত। পেলাস
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: thanx.

৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৮
শফিকুল বলেছেন: আসলে লেখলেই হবে না , মানুষ জন নিয়ে যেয়ে ভাংতে হবে।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: vangavangir modhdhe aami nai.

৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০২
কোপা সামছু বলেছেন: শাহবাগ মোড়ে যে যন্ত্রটা বসানো হইছে এইডা থাকা দরকার। কারন হাসপাতালে আসা গ্রামের আবাল মানুস গুলা এইডা দেখতে দেখতে গাড়ির নিচে পইরা ডাড্ডি গু্ড্ডি ভাংব।

সমস্যা কি লগেই তো ২টা হাসপাতাল রেডি আছে।

আর মইরা গেলে দেশের কিছু লোক কমব, আমরা পেট ভইরা ভাত খাইতে পারুম।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: গ্রামের লোক কেন এই জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়জন মারা গেছে তার হিসাব আছে?

১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
ঘাসফুল বলেছেন: গোবরের উৎকর্ষতার চরম বহিঃপ্রকাশ।


আগেই প্লাসাইছি।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: হ।

ধন্যবাদ।

১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
বেরসিক বলেছেন: অনেক ভাইবা দেখলাম..কতা তো ঠিকই কইছেন !
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: তাই না?
ধন্যবাদ, ভেবে বলার জন্য।

১০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: শহরে বিলবোর্ড দিবি ভালো কথা। কিন্তু সেটা ঢাকা শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং দুর্ঘটনাকবলিত মোড়ে কেন সেটা তো কোন লজিকেই পড়েনা। এরপর কেউ যদি এই মোড়ে মারা তাহলেতো শুধু চালক বা পথচারীর অসতর্কতা বলে এড়ানো যাবে না। ইচ্ছা করেই তাদের মনোযোগ বিঘ্নিত করা হয়েছে। আমরা সব ক্ষেত্রেই দায় এড়িয়ে চলতে চাই। তারপরেও এরকম মৃত্যুফাঁদ যারা স্থাপন করে তাদের বিবেকে কি একটুকুও বাঁধে না?
আমরা ব্লগাররা তো কতকিছুই করি। আসেন এখন এটা সরানোর আন্দোলনটাও করি। আর এই ভাল কাজের সূচনা হোক সামহয়্যার থেকেই। পোস্টটিকে স্টিকি করার আবেদন জানাচ্ছি।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: সহমত।
তবে পোস্ট স্টিকি করার দরকার নাই।

১১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
রিফাত হাসান বলেছেন: সামহোয়ারে বিজ্ঞাপন নিয়ে আপনার আর ফাহমিদুল হকের যখন আলাপ চলতেছিল তখন আমি আপনারে সমর্থন দিয়েছিলাম, কিন্তু ফাহমিদুল হকের আলোচনায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আশয় স্থান পেয়েছিল যা আমি আগ্রহের সাথে পড়েছি। সামহোয়ারে বিজ্ঞাপন আর শাহবাগ মোড়ে বিজ্ঞাপন এক নয়। সামহোয়ারের পেট চালাইতে পয়সা লাগে তার জন্য তাদের বিজ্ঞাপন দরকার তাই মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু শাহবাগের পেট চালানোর জন্য আমরা যত্রতত্র টেক্স দিয়ে থাকি সরকারকে। বিলবোর্ড কখনো কখনো নিরাপদ দূরত্বে না হয় মানা গেল, কিন্তু টিভি স্ক্রিণ যা আমাদেরকে বিরক্তই শুধু করে না, অপরিসীম বিদ্যুৎ অপচয় করে, আর আমাদেরকে বিদ্যুৎ পাওয়া থেকে বঞ্চিত করে- তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সমস্যা হয়ে গেছে ঢাকায় প্রযুক্তির আমদানি করে আনাড়ি লোকেরা, প্রযুক্তির যত্রতত্র ব্যাবহার জানে, সদ্যবহারটা খুব কমই জানে। আর সেই সাথে যুক্ত হয়েছে এই মাথা মোটা গবেট সরকারগুলো, যাদের অবজেকটিভ যে কোন উপায়ে রেভিনিয়ু অর্জন, কুফল এবং রাজনীতিগুলো ভেবে দেখারও দরকার মনে করে না। অথবা হয়তো সচেতনভাবে করেন সব, ট্রানজিট নিয়ে আগ্রহটা ভেবে দেখতে পারেন এই জায়গায়।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: রিফাত ভাই,
অনেক ধন্যবাদ আপনার প্রয়োজনীয় মতামতের জন্য। খুবই ভাল লাগলো আপনার বিশ্লেষণ।

১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: thank you.

১৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
আরিফ জেবতিক বলেছেন: এই সাইনবোর্ডটা যে বা যাদের মস্তিকপ্রসূত , তাদেরকে ধন্যবাদ দিতে হয় । এই সাইনবোর্ড শুধু নির্লজ্জ আর্মির স্তুতি নয় , আমাদের রুচিহীনতারও একটা প্রকাশ ।

নগর পরিকল্পনায় যারা যুক্ত ও লিপ্ত তাদের নন্দনজ্ঞান নিয়ে কোন কথা নাই , ঐটুকু থাকলে চাকরি করা যায় না ।
কিন্তু এই কাজে চোখঅলা দুই তিনজনকে যুক্ত রাখা উচিত ।

বিদেশে একটা দোকানের সেলফে কোন জিনিষের পরে কোন জিনিষ থাকবে ,কোন কালার কোনটার পরে যাবে , এজন্য বেতন দিয়ে এক্সপার্ট রাখা হয় ।
কিন্তু আমাদের দেশে পুরা শহর নগর তৈরী হয়ে যাচ্ছে যার যেভাবে ইচ্ছা ।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: অদ্ভূত এই নগরকল্পনা আর নগর পরিকল্পনা।

১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই।

১৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
দূরন্ত বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
ধন্যবাদ।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪
মিরাজ বলেছেন: সরকার বা আর্মির কথা যে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করছেনা সেটি এই সাইনবোর্ড দেয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে । এটি অনেকটা জোর করে আস্থা সৃষ্টির প্রচেষ্টা ।

আমার আশংকা যত দিন যাবে তত সরকারের গ্রহণযোগ্যতা কমবে এবং ততই এইরকম উদ্ভট সাইনবোর্ডের সংখ্যা বাড়বে ।

অধিকাংশ সময় গদি সামলাতে ব্যস্ত সরকারের (সেটি সামরিক বা বেসামরিক যটিই হোক) নগর পরিকল্পনা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ-সিদ্ধির জন্যই হয় । সেখানে সার্বিকভাবে নগর সৌন্দর্য্য বা নগরবাসীর কথা ভাববার সময় কোথায়?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: কিন্তু আমরা তো সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কথা বিশ্বাস কইরাই কইতেছি এই সাইনবোর্ডটা সরান। তাদের কাজ নিয়া আমাদের সন্দেহ নাই। এখন আমাদের আবেদন নিয়াও তাদের সন্দেহ থাকার কথা না। তাই না?
অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভাল লাগলো।

১৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
শুধু এইটা কেন? প্রচুর মানুষ এখনো আছে যাদের ডিসের লাইন নাই । তাদেরকেও অবিচ্ছিন্ন যন্ত্রনায় কাটাইতে হয় ! বিটিভির নাবাহিনীর গৌরব গাথা বিষয়ক প্যান প্যানানি কিভাবে যে সহ্য করে !
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: সেনাবাহিনী নিয়ে করা শিল্পী হায়দার হোসেনের গানগুলা শুনলে মনটা ভরে যায়।

১৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: বুঝলাম না, যার ইচ্ছে হবে সে দেখবে, যার হবে না সে দেখবে না...
হাটতে যায়া মাথায় তো আর লাগতেসে না ...
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনি এইরকম কইরা হেলে হাঁটার অভ্যাস করলেন কীভাবে?

১৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: বিষয়টা সত্যি যন্ত্রণাকর। এইভাবে ব্যস্ত সড়কে বসানো ঠিক হয় নাই। দুর্ঘটনা ঘটবে যে কোন সময়।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: আমার অবস্থা তো আরো খারাপ। আমাকে রোজ একবার করে দেখতে হয় এই যন্ত্রনাময়-মন্ত্রনা-দানকারী চিজটি। :((
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: এইটা আমরা আর দেখতে চাই না।

২০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩২
কনফিফউজড বলেছেন: তুমি উদিকে না তাকালেই পারো। যাদের চুক নাই তারা বিলবুর্ড দিলেও গারির তলে পরবে না দিলেও পরবে।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: তুমার তো মুখ নাই দেখি ছবিতে।

২১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: এই বিলবোর্ডটা খুবই বিরক্তিকর!
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: হ।

২২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:০৭
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: গন্ডুরে একটা চটকানা লাগানো দরকার।
কিন্তু আইজ মনটা বড়ই খোশ। :)
Click This Link
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।

২৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৩
ত্রিভুজ বলেছেন: মোর্শেদ ভাই, ঢাকা শহর থেকে সবগুলো বিলবোর্ড তুলে দিলে কেমন হয়? সবগুলোই আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। ফার্মগেটেরটা বেশী বিরক্তিকর। সারাক্ষনই মোবাইল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন.. তাও বাংলা লিংকের সবচাইতে বিরক্তিকর নাচানাচির বিজ্ঞাপণটাই দেখায়....

১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ,
শুধু বিরক্তি তো ইস্যু না। ইস্যু হইলো, বিরক্তির বাইরের ব্যাপারগুলা।
আমি বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড সব কিছুর পক্ষে। কিন্তু উপযুক্ত স্থানে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২২
ফারহান দাউদ বলেছেন: একটা কমেন্ট করসিলাম দিসে সামহোয়্যারের বাগ এ খায়া,আবার লেখা লাগব,ভাল যন্ত্রণা।
এইখানে ঘটনা হইল,বিজ্ঞাপনদাতা কোম্পানি যত টাকা দেয় তার সবটা কি সরকারের খাতে যায় নাকি যারা এই নগরের সৌন্দর্যরক্ষার পবিত্র দায়িত্ব পালন করতাসেন তাদের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যায় সেইটার একটা হিসাব করা দরকার,অবশ্য সাঁঝবাতির রূপকথা আর গণ্ডারের কমেন্ট পইড়া মনে হইতাসে পয়সা না খায়াও মোড়ে মোড়ে চলমান বিলবোর্ড বসানির মত রামছাগল দেশে কম নাই।
যাই হোক,কথা হইল,আমজনতার বিরক্তি ভাল জিনিস না,ঐ এলাকায় কোনকালে বিক্ষোভ আর মারামারি হইলে,আমার আশংকা,পাবলিক ঐ বড় স্ক্রিনটাই আগে ভাঙবো।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: গেছিলো কই কমেন্টটা। আমি তো জবাবও দিছিলাম, সো ফার আই ক্যান রিকল।

২৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩৪
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
ত্রিভুজ ভাই, সবগুলো বিলবোর্ড তুলে দেয়ার দাবিটা একটু বেশি হয়ে যায়।
ফার্মগেটের টাও বিরক্তি কর। কিন্তু শাহবাগের টা পুরা ফাইজলামি কারন
সাথেই
১। দুই দুইটা হাসপাতাল
২। জাদুঘর
৩। থানা
৪। পাবলিক লাইব্রেরী

আর ঢাকা শহরের বিখ্যাত মরনফাঁদ শাহবাগ মোড়। এখানে একটা ওভারব্রীজ দরকার ছিল, বিলবোর্ড না।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: থানা আর পাবলিক লাইব্রেরির কথা আমি ভুলে গেছলাম।

২৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: দেখিনি বলে বুঝতে পারছি না। তবে প্রচারনা আগেও হয়েছে টিভিতে।পরিনতিও আমরা দেখেছি। ইতিহাসের শিক্ষাই হল ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: প্রচারণা খারাপ কিছু না। কিন্তু অজায়গায় অধিক প্রচারণা পরিত্যাজ্য। সেই যুক্তি থিকা এইটারে আমরা নির্লজ্জ প্রচারণা আখ্যা দিতেছি।

২৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: হিসেবে একটু গন্ডগোল করে ফেলেছি আমি....রোজ একবার নয়....মোট দু'বার করে দেখতে হয় ওই চিজটি আমাকে....:((
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেককেই মনে হয় দিনে একাধিকবার এইটার মুখোমুখি হইতে হয়।

২৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:০৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মগের মুল্লুকে আরও কত কিছুই হবে।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: মগদের ওপর দোষ চাপায়ে আর কতদিন?
এবার জগের দিকে তাকানোর সময় হইছে।

২৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
ব্রাইট বলেছেন: মগ,জগ বাদ। এহন রগ কাটনের কাম।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: বুঝি নাই।

৩০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
রিফাত হাসান বলেছেন: মাহবুব ভাই একটা বিষয় জানার জন্য আসলাম, ব্লগের বিষয় আশয় পুরনো ব্লগার হিশেবে আপনার জানা থাকার কথা। আমার নিম্নের লেখাটি পোস্ট করার পর একবার প্রথম পাতা থেকে উধাও হয়ে গেল। আমি ভাবলাম বাগ জাতীয় কিছু হবে হয়তো। তাই ড্রাফট করে নিয়ে ২য় বার পোস্ট দিলাম। ক্ন্তিু দেখা গেল আবার কিছুক্ষণ পরই উধাও হয়ে গেল। আবার দেখলাম আমার জন্য একটি নোটিশ রয়েছে- যা কোনভাবেই পড়তে পারছি না। এটা কি কোন বাগ নাকি ইচ্ছাকৃত?
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টটা সম্ভবত প্রথম পাতা থেকে সরায়ে দিছে।
নোটিশবোর্ডরে জিগান, ঘটনা কী?

১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: প্রচারমূলক পোস্ট হিসাবে সরাইতে পারে। পোস্টার বিপজ্জনক জিনিশ তো।

৩২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
রিফাত হাসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পরামর্শের জন্য। তবে সম্ভবত ওরা অইটা আবার ফিরাই দিছে। ভুল বুঝতে পেরেছে বোধ হয়। পোস্টার বিপদজনক কিছু নাকি? বিষয়টাতে অনেকের আগ্রহ থাকতে পারে, অন্তত যারা চট্টগ্রামে থাকে, তাই দিলাম। পরে আলোচনাটা হয়ে যাওনের পর বিষয়টা নিয়ে পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে আছে। আপনি কি এইটারে বিপদজনক মনে করেন?
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: দেয়াল লিখন, পোস্টার খুব বিপজ্জনক জিনিশ।
আমি নিজে বহু পোস্টার লাগাইছি নিজহাতে।
ফলে, পোস্টারের বিপদ বুঝতে পারি।

৩৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০২
রিফাত হাসান বলেছেন: একটা মেইল পেলাম এইমাত্র, সতর্কবাণী। পোস্টার দেখি সত্যিই ভয়াবহ বিপদজনক জিনিশ।
১৪ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: কইছিলাম না?
ওই কথাগুলা আপনি পোস্টার আকারে না দিলে আর কোনো অসুবিধা হইতো না।

৩৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:১১
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: মনের কথা কইছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি..
১৪ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। আপনি কেমন আছেন?

৩৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: জ্বি, ভালো। আপনার এই পোস্টটা নিয়ে আরো কথা হোক, জানাজানি হোক..আমি ঠিক বিলবোর্ডের বিপক্ষে না, যেখানে স্থাপন করা হয়েছে সে জায়গাটা খুবই ব্যস্ত থাকে জনসমাগম ঘটে, এই জায়গায় অনেকবার দুর্ঘটনাও ঘটেছে।
সেজন্য এইটা এইখান থেকে সরানো উচিত।

আপনি ভাল একটি কাজ করেছেন এই পোষ্টটা মেরে...
১৪ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: আমিও বিলবোর্ডের বিপক্ষে না আপনারই মতো।
আবারও ধন্যবাদ।

৩৬. ১৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০০
ইউনুস খান বলেছেন: আমারও মনে হয় সেটা সরানো উচিত।
১৫ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

৩৭. ১৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:০৫
হায়দার কািরগর বলেছেন: এমন একটি পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। চলুন সবাই মিলে শাহবাগ মোড়ের ঐ নির্লজ্জ প্রচারণা যন্ত্রটি ভেঙ্গে ফেলিআর স্বলজ আনন্দ করি শিশুদের মতো।

সাহসী আছে কি কেউ..................?

ভালো থাকবেন মাহবুব ভাই ।
১৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: হায়দার ভাই,
ধন্যবাদ।
কিন্তু আমি ভাঙাভাঙিতে বিশ্বাস করি না।
আবেদন-নিবেদন, আলোচনা আর সচেতন করার দিকেই আমার ঝোঁক বেশি।

৩৮. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
রাইহান বলেছেন: ওটা সরানোর দরকার নেই । ওখানে একটা ওভার ব্রিজ করা হউক।
৩৯. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:০২
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আমি দেশে থাকলে এইখানে বিরক্ত প্রকাশের সাথে সাথে ঐটার নিচে অন্তত একটা কাগজ লাগায়া আসতাম..... প্রতিবাদ সরূপ

আমার হয়ে কেউ কি এটা করতে পারবেন ?

কিছু্ই হবে না হয়তো ... কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে তো বলা যাবে - আমার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিবাদ করেছি ...
৪০. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৩
একজন ব্লগার বলেছেন:
মাহবুব ভাই, আমি মডু হইলে এই পোস্টারে ইসটিকি করতাম। তবে বিলবোর্ড ইসুতে না, ফারহান-মেহরাব ইসুতে!:D

আমার আটমাসের ব্লগ জীবনে এই প্রথম দেখলাম ফারহান দাউদ তার জিগরী দোস মেহরাব শাহরিয়ারের কোন কমেন্ট ছাড়া একা একা নিজে থেকেই এই পোস্টে কমেন্ট করছে এবং মেহরাবেরও কোন খবরও নাই!
৪১. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ব্লগ লাইফে , এই একটা নির্লজ্জ বেকুব রামছাগলকেই দেখেছি , যার লজ্জা শরম বলতে কিছু নাই , বেহায়া একটা @ একজন ব্লগার
৪৩. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩১
ফারহান দাউদ বলেছেন: একজন ব্লগার ওরফে প্রলয় হাসান,বেহায়ামির ১টা সীমা থাকা উচিত,সবার কাছে লাথি খাওয়ার পরেও কি লজ্জা হয় নাই? নাকি বাপ-মা পরিবার থাইকা লজ্জা শরম শিক্ষা দেয় নাই,খালি অন্যের পিসে আঙ্গুল দেয়াই শিখাইসে?
৪৪. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আমি দেখি পইড়া গেলাম মাঝখানে...মামো দয়া কৈরা আমার আগের কমেন্টটা মুইছা ইনাদেরকে এক কইরিয়া দিবেন।
৪৫. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: বাই দ্য ওয়ে,বেহায়া অভ দ্য ইয়ার প্রলয় হাসানের নির্লজ্জ চেহারাটা দেখানোর লাইগাও পোস্টটা স্টিকি করা যাইত কিন্তু তাতে পোস্টের মূল কন্টেন্ট নষ্ট হয়,তাই ঐ দাবী আর তুললাম না:) প্রলয়,সব টিমের কাসে লাথি খাওয়ার ব্যথাটা এখনো ভুলতে না ভুলতেই এখানে আইসো আবার লাথি খাইতে,কেমনে কি?:)
৪৬. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রশ্নোত্তর,ক্যান রে ভাই? এক হওয়ার কোন ইচ্ছা নাই,অন্তত ইতর প্রকৃতির কোন ব্লগারের সাথে। আপনে বরং মাঝখানে থাকেন।
৪৭. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৫১
একজন ব্লগার বলেছেন: গে হওনের থেইকা নির্লজ্জ, বেহায়া হওন ভাল!=p~


আমাকে "তুমি" করে বলার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? আমি আপনাদের সবসময় "আপনি" সম্বোধন করে এসেছি। আশা করব, আপনারা এই কথাটা মাথায় রাখবেন। @মেহরাব+ফারহান।
৪৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রলয় হাসান,বেহায়াদের জন্য আপনি সম্বোধনটা রাখি না,ঐটা ভদ্রলোকদের জন্য,তোমারে আর যাই হোক আমার ভদ্র ফ্যামিলির মনে হয় নাই। তোমার কথা মাথায় রাখারও ইচ্ছা নাই। বাই দ্য ওয়ে,ধইরা নিলাম মেহরাব আর আমি একই জায়গায় কমেন্ট করি,তাতে তোমার পশ্চাদ্দেশে চুলকানি হয় ক্যান প্রলয়? তোমার লোলবাজিতে বাধা দিব না বাবা,ইচ্ছামত করতে থাক,একবার বাধা দিয়াই কাজটা ঠিক করি নাই,আহারে!
৪৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৪০
একজন ব্লগার বলেছেন: খুব ভদ্রভাবে বলছিলাম কথাটা। কিন্ত নিজের সন্মানটা নিজে ধইরা রাখতে পারলা না।

আবারো বলতাছি, খেয়াল কইরা শুনো।

"গে হওনের থেইকা লোলবাজি করা অনেক ভাল।"

তুমি আমারে নিয়া কি ভাবলা না ভাবলা, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আর তোমারেও আমার ভদ্র ফ্যামিলির বইলা মনে হয় নাই। কারন, আমি তোমারে কখনও "পশ্চাদ্দেশে চুলকানি" টাইপ কোন বাজে কথা বলি নাই। বরং আমার কোন কমেন্ট তোমার কাছে খারাপ লাগলে আমি সাথে সাথে সরি বলছি। যা হোক, শুরু যখন তুমি কইরাই দিলা, এখনও আমারও সুবিধা হবে।:)

আইচ্ছা, আমি তো তোমাগো পিছে লাগিনি। তোমরাই আমার পিছে আগে লাগছো। কেন? আমি কোন পাকা ধানে মই দিছি তোমাগো?

লুলাংকেলরে কেন এত ভালা পাও এইবার সব বুঝে আসছে। তোমার মত আই কিউ হীন পাবলিকের সাথে কথা বইলা মজা নাই। ওভার এন্ড আউট।
৫১. ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:০১
মুহিব বলেছেন: সবাই কি ঐদিকে চেয়ে হাটে নাকি হাটলে মাথায় লাগে?
২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনি গিয়া দেইখা আইসেন, কী করলে কী হয়।

৫২. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০
মানচুমাহারা বলেছেন: হুম জিনিসটা আমিও খেয়াল করেছি। এটা আসলেই ঐখানে বসানো ঠিক হয় নাই। বিশেষ করে ওটার দিকে তাকিয়ে দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে পথচারী কিংবা চালক। আবার জাতীয় যাদূঘরের সামনে আরেক খাম্বা যাদুঘর ...বুঝতেই পারছেন।
২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: হ।

৫৩. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আজকের প্রথম আলোয় দেখলাম এইটা সরানোর দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মানববন্ধন করছে। এই উদ্যোগের জন্য তাদের অভিনন্দন জানাই।
৫৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: জিনিসটা সরানোর পাশাপাশি এখানে ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস স্থাপনের দাবিতে আন্দোলন হওয়া দরকার।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: হ।

৫৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
ঘাসফুল বলেছেন: ইউনিভার্সিটির ছাত্রী হ্যাপী'র এক্সিডেন্টের পর সরকার সহ বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ আন্দোলনের মুখে কৈছিলো আন্ডারপাস কৈরা দিবো........এহনও দিতেই আছে.......
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: এক্সিডেন্ট হইলেই শুধু কথা শুনা যায়।

৫৬. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
জুয়েল বিন জহির বলেছেন: মাহবুব ভাই অনেকদিন পর এলাম। ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: হ। মেলা দিন পর। পোস্ট দেও। ধন্যবাদ।

৫৭. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
কেএসআমীন বলেছেন: মাহবুব ভাই, এই প্রচার যন্ত্রটা কোথায় বসালে ভাল হয়?
০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার পরামর্শ নিয়া বসাইলে কইতে পারি।

৫৮. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭
কেএসআমীন বলেছেন: ছবিটা আপডেট করলে ভাল হইতো। তৈরীর সময়কার ছবি। এই ছবি দেখলে মনে হয় এইটারে পাবলিকে ভাইংগা দিছে....

০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: এইটা তো ঘাসফুলের ছবি। ওইদিকে গেলে একটা তুইলেন তো। আবদার রাখলাম।

৫৯. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
কেএসআমীন বলেছেন: প্রচার যন্ত্রটি সরানো প্রয়োজন নাকি এর বিষয়বস্তুর? মূলত কোনটি?
০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: যন্ত্রটি।

৬০. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
কেএসআমীন বলেছেন: আমার একটা ছোট্ট আবদার....

নির্লজ্জ প্রচার বাদ দিয়া যদি কিছু ভাল জিনিষ প্রচার করে তাইলে কি এই প্রচার যন্ত্রডারে মাফ কইরা দেওয়ন যায়?

(যেমন মনে করেন, যাদুঘরে আসার আমন্ত্রণ, কয়্টা থেকে কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে, টিকেট কত ইত্যাদি, ফাকে ফাকে বিজ্ঞাপন তো থাকবেই...)
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: কনটেন্ট নিয়া প্রশ্ন থাকলেও এইখানে মূল বিষয় ইলেট্রনিক হোর্ডিংটাই। ফলে ভাল প্রচার কইরা লাভ কী? ওইদিক দিয়া আপনি গাড়ি চালায়া গেছেন কখনো?

বিষয়টা নিয়া ভাবছেন বইলা আপনাকে ধন্যবাদ আমীন ভাই।

৬১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
খোকন জিও বলেছেন: এত পেলাচ বাদ দিয়া চলেন সবাই মিলা যন্ত্রডারে আউট কইরা দেই।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: এইখানেই তো সমস্যা। সেইটা তো করা যাবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হওয়া দরকার নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে।

৬২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৮
হুমায়ূন সাধু বলেছেন: আপনার প্রচারণাটি সরব কব্বে, প্রথম পাতা থেকে?
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: কোনো সমস্যা বাটনে সরানোর আবেদন জানান, হুমায়ূন ভাই।

৬৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৮
খোকন জিও বলেছেন: বাংলাদেশ এ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কন কিছু কি কন দিন হইছে?
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: নিয়ম মাইনা চলা ভাল। বিশেষ করে যখন একটা নিয়ম ভাঙতে গিয়ে আরও মেলা নিয়ম আইসা আপনেরে ধইরা ফেলার চান্স থাকে। আর সেইটা সামাল দেওয়ার জন্য বড় আকারের নিয়ম ভাঙার প্রস্তুতি থাকে না।

৬৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
রেজওয়ান বলেছেন: চেক রিপাবলিকের এক মফস্বল শহর দিয়ে যাচ্ছিলাম দেখলাম শহরের প্রাণ যে হাইওয়ের অংশ তার পাশ ঘেঁষে সারি সারি লম্বা লম্বা পিলার এবং তার মাথায় মাইক। বেশ দৃষ্টিকটুই লাগছিল।

সঙ্গী জার্মান ভদ্রলোক জানালেন যে এটি কমিউনিস্ট যুগের চিহ্ন। তখন এই রকম পিলার ছিল সব শহরে বা গ্রামে এবং এর মাধ্যমেই সারাদিন ধরে সরকারী প্রচারণা চলত। কোন জমায়েতের জন্যে লোক ডাকার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা হত।

বলাই বাহুল্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো নিজের দেশ ছাড়া কোথাও যাওয়ার অনুমতি পেত না এবং এই সব প্রপাগান্ডা তাদের এইসব ভুলে (?) থাকার সুযোগ দিত।

অনুমতি না দেবার কারন ছিল যদি পশ্চিমা চিন্তা ধারণা দ্বারা মানুষ দুষিত হয়ে যায়....

কোনদিন আমাদের দেশে এমন প্রচারণা শুরু হয়ে যায়।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা।

৬৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৮
কাঙাল বলেছেন: প্রচার যন্ত্রডা আফনার ফুন মারছে নি?

এমন প্রচার যন্ত্র সারা পৃথিবীতেই থাকে। আরো বেশী থাকে। এখানে তো খালি একটা।

দেশে এত সমস্যা থাকতে এইডাই খালি দেখলেন??????
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আমার পোস্ট আপনের বিশাল ক্ষতি করছে দেখি!
দেশের অন্য সমস্যা নিয়া লেখছি। পোস্ট আছে।
পড়লে পড়েন।
খিস্তি ছাড়া কথা কইতে পারেন না?

৬৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৩
কাঙাল বলেছেন: কুন সমস্যা নিয়া লেকছেন কন?

বিদ্যুত, পানি, গ্যাস, আদম রপ্তানী, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক, বন্যা..........

কুনটা নিয়া লেকছেন?
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: পইড়া দেখেন। খুঁইজা লন।
আপনেরে কইতে পারুম না। আপনে সুবিধার লোক না।

৬৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
সাহোরু বলেছেন: আমি তো কোনো প্রব্লেম দেখি না রে ভাই!!!
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: দ্বিমত পোষণ করার জন্য ধন্যবাদ।

৬৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৯
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: @কাঙ্গাল সবারই যে সব সমস্যা নিয়ে লিখতে হবে এমন কথা আছে কি?
এই বিলবোর্ড অবশ্যই চালক ও পথচারীর মনোযোগ বিঘ্নিত করবে। এবং অবশ্যই এটা সরানো উচিত।

আপনার মত লোক নিয়া তো সমস্যা।
বিদ্যুত নিয়ে লিখলে বলতেন পানি নিয়ে লেখা কই। পানি নিয়ে লিখলে বলবেন বিদ্যুত নিয়ে লেখা কই।
বিদ্যুত, পানি, গ্যাস, আদম রপ্তানী, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক, বন্যা এসব নিয়ে ব্লগ + পত্রিকায় তো আর কম লেখা হয়নি।
আপনি নিজে লেখেন এসব নিয়ে সমস্যা নাই।
তাই বলে তো আর বিলবো্র্ড ভাল হয়ে গেল না।

“এমন প্রচার যন্ত্র সারা পৃথিবীতেই থাকে। আরো বেশী থাকে। এখানে তো খালি একটা।“
খারাপ জিনিস সব দেশে থাকলে কি আমাদের দেশেও থাকতে হবে?
অন্যায় তো সব দেশেই আছে তাই বলে আমরা কি অন্যায়কে ভালো বলব নাকি?
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা। এই মানসিকতা নিয়েই আমাদের সমস্যা।

৬৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: অবশ্যই এই বিলবোর্ডটা সরানো দরকার।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।

৭০. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
প্রভাৎ ঋষি বলেছেন: শাহবাগের বিলবোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তেরর সকল বিলবোর্ডের অপসারণ চাই, কেননা এইটা বাজার অঞ্চল না... এইটা দেশের একটি প্রধানতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষঅর্থীদের জায়গা। গ্রামীন ফোনের টিএসসি আগ্রাসনের চেষ্টা যেমন ঝাটা পেটা হয়েছে এগুলোর ও একই অবস্থা হওয়া প্রয়োজন ...

একমত...........
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
অবরূদ্ধ বলেছেন: সেনা বাহিনীর উপোর ভাইজানের রাগ কেন। পলিটিসিয়ানদের কথা কি ভুইলা গেলেন। এই দেশটারে তো বাপের সম্পত্তি বানাইয়া ফেলছিলেন উনারা। ভুইলা গেলে কপালে উন্নতি .....................। হায় বাংগালী.......
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: সেনাবাহিনীর ওপর রাগ দেখলেন কোথায়?

৭২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: মাঝে কিছুদিন বন্ধ দেখছিলাম। ওই দিকে বেশ কিছুদিন যাই নাই। ওইটা কি কি এখনো আছে?

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: আমিও মেলাদিন যাই না। দেখি তো খবর নিবোনে।

৭৪. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫
িক েশা৩০েম বলেছেন: নির্লজ্জ প্রচারযন্ত্রে কি একটা লজ্জাজনক অ্যাড দেকতেছিলাম,আপনার এই কাপড় উদলা লেখা পড়া হইলো না!
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: বুঝতারলাম না।

৭৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
সালমান দরদী বলেছেন: আমার মনে হয় দায়িত্বটা কোপা শমছু একাই নিতে পারে।
৭৬. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
প্রেমের কাঙ্গাল বলেছেন: যারা দারায় থাকে তাদের মাথা ব্যাথা তৈরির খুব ভালো যন্ত্র।
৭৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:০৯
হাসিব বলেছেন: এই পোস্ত কি আলু ব্লগে দেওন যাইবো ?
৭৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:২৬
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: হাসিব বলেছেন: এই পোস্ত কি আলু ব্লগে দেওন যাইবো ?
৮০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
ম্যাকলাভিং বলেছেন: আলিফ দেওয়ান বলেছেন: হাসিব বলেছেন: এই পোস্ত কি আলু ব্লগে দেওন যাইবো ?

না দেওন যাইবোনা

৭গ) কোনো ব্র্যান্ডের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে নেতিবাচক লেখা দেওয়া যাবে না।
৮১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩২
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: উরে পাপিশ্ঠ কলু, আলুবলগের পতম পাথা হইতে তুর নির্লজ্জ আঠা মারা চভিটি আগে সরাউ। তুমার বান্ধরের মথন ছেহাড়াটি দেইক্লে আর আলুবলগ খুলি রাখিতে ইচ্চা করেনা।
৮২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭
কাক্কা বলেছেন: অনেকেই অনেক কথা কইছে। মামুর কলাম স্যরি পোস্ট লইয়া। আমি মুরব্বি মানুষ কিছু না কইলে খারাপ দেখায়।
তাই বলি, মামু একটা ভাল লেখা লেখছ কিন্তু অন্যরা লেখার পর কেন ভাতিজা। আমি তো মনে করি তুমি থাকবা সবার আগে। কারণ তুমি তো পরথম আলুতে কাম কর। যাউকগা ভাল লেখছ। দ্যাশ জাতির উপকার তোমারে দিয়া হইবো।
৮৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৮
আনিক বলেছেন: আমরা সচেতন হলেই তো হয়। তবে এই ব্লগে লিখতে গিয়ে বিবাদে জড়াতে দেখলাম দু'জন কে। এটা কাম্য নয় ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ