আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
শাহবাগ মোড় থিকা নির্লজ্জ প্রচারণা যন্ত্রটি সরান
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
শাহবাগ মোড়ে একটা টিভি/ভিডিও স্ক্রিন বসানো হইছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মুখে। জাতীয় জাদুঘরের ঠিক সামনে। জিনিশটা দেখে প্রথম যে অনুভূতি তৈরি হয়, সেইটার নাম বিরক্তি। কিন্তু আমজনতার বিরক্তি খুব ভাল জিনিশ না। তাই এই নিয়া কোনো গুরুতর অনুভূতি তৈরি হইতে দেই নাই নিজমনে। কিন্তু ব্লগে দুইটা লেখা পড়ার পর দুইদিন এই টিভি স্ক্রিনটার দিকে চাহিয়া আরো কিছু অনুভূতি ও চিন্তা তৈরি হইলো। ব্লগে একটা পোস্ট দিছেন ঘাসফুল(Click This Link)। আরেকটা দিছেন মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই (Click This Link)। পরপর দুইদিন শাহবাগ গিয়া এই স্ক্রিনটার দিকে ফ্যালফ্যাল করে দেখে থেকে বুঝলাম এই জিনিশ নিয়া কথা না বলাটা অন্যায়। এইখানে সারাক্ষণ নির্বাচন কমিশন ও আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর নির্বাচনী কাজের অগ্রগতি বর্ণনা করা হয়। ফাঁকে কিছু বিজ্ঞাপন। আমরা তো জানি, আমাদের নির্বাচন কমিশন কত ভাল কাজ করতেছে। তারা ঠিকঠাক নির্বাচন করবে বইলা আমরা বিশ্বাস করি। আর সেই কাজে আমাদের সেনাবাহিনী প্রচুর সহায়তা দিবে। দিচ্ছে। কাজ মোটামুটি ভাল হইতেছে। এই কথা দেশের সবাই জানে। জানা জিনিশ বেশি কইরা জানাইলে সন্দেহ তৈরি হয়। আর সেই জিনিশটা যদি কানের কাছে মাইক ফিট কইরা বলা হয় তাইলে সন্দেহ ঘনীভূত হয়। স্ক্রিনটা দেওয়া হইছে রাস্তার দিকে মুখ করে। মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জানানো উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য হয়তো পিজির মোড়ে আড্ডা দেওয়া সাংবাদিকরা। তাদের আপডেট রাখার জন্যই হয়তো এইটা তাদের দিকে মুখ করে আছে।
কিন্তু এর ফলে বিবিধ ক্ষতি হইতেছে :
১. ঘাসফুলের কথা অনুসারে, পথচারিদের মনোসংযোগে এইটা ব্যাঘাত ঘটাইতেছে। স্ক্রিনটি প্রয়োজনীয় উচ্চতায় স্থাপন না করায় এটি সহজেই পথচারি ও ড্রাইভারদের দৃষ্টিকে বিঘ্নিত করতে পারে।
২. অনেক নিচুতে স্থাপনের কারণে এই চলমান আলোক প্রক্ষেপন যানবহনের আলোক সংকেত বুঝতে বাধা সৃষ্টি করে।
৩. দুটি হাসপাতালের রোগিদের জন্য এইটার শব্দ ও আলো ডিস্টার্বিং হইতে পারে।
৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের মুখে হঠাৎ আলো থিকা হঠাৎ অন্ধকারে যাইতে পথিক ও যানবহনকে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
৫. চারুকলা থেকে জাতীয় জাদুঘর পর্যন্ত স্থানে যে আড্ডা বসে এবং পিজির সামনে আড্ডাটি এই স্ক্রিনের প্রচারের কারণে ব্যাহত হয়।
এইগুলা কারণ বটে। কিন্তু সবচেয়ে বড় কারণ জাতীয় জাদুঘর। জাতীয় জাদুঘরের জিনিশ বাইরে পাচারের অনুমতি দিয়া এই সরকার বহুত ঝামেলা করছে। কিন্তু জাতীয় জাদুঘরের গুরুত্বটা এনারা বুঝতে পারে নাই। তার প্রমাণ হইলো এই টিভিস্ক্রিন। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসাবে এই জাদুঘরের নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও আকর্ষণ কতটা বিঘ্নিত হইছে তা প্রত্যক্ষদর্শী মাত্রই বুঝবেন। আমি জানি না কোন বুঝদার কর্তৃপক্ষ এইটা বসানোর দায়িত্ব নিছিল আর কোন বুঝদারই বা এইটারে অনুমতি দিছে। যেই দেউক, জাতীয় জাদুঘর সম্পর্কে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না। এখন বিষয় হইলো : নির্বাচন কমিশনের নির্লজ্জ প্রচারণা দেখার জন্য আমাদের সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনার এই দশা কি আমরা মাইনা নিতে প্রস্তুত?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-গ্রামীন ফোন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা খুব ত্বরিত সাফল্য পাইছেন। তাদের উদ্দেশে বিনীত প্রশ্ন, এই জিনিশটা কি তাদের চোখে পড়ে নাই? নাকি এইটা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমানার বাইরে বইলাই তাদের ভাবনার মধ্যে আসে নাই।
ছবিটা ঘাসফুলের ব্লগ থিকা চুরি করছি।
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
সচেতনতামূলক পোষ্ট।পেলাচ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: thanx.
লেখক বলেছেন: vangavangir modhdhe aami nai.
কোপা সামছু বলেছেন:
শাহবাগ মোড়ে যে যন্ত্রটা বসানো হইছে এইডা থাকা দরকার। কারন হাসপাতালে আসা গ্রামের আবাল মানুস গুলা এইডা দেখতে দেখতে গাড়ির নিচে পইরা ডাড্ডি গু্ড্ডি ভাংব।সমস্যা কি লগেই তো ২টা হাসপাতাল রেডি আছে।
আর মইরা গেলে দেশের কিছু লোক কমব, আমরা পেট ভইরা ভাত খাইতে পারুম।
লেখক বলেছেন: গ্রামের লোক কেন এই জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়জন মারা গেছে তার হিসাব আছে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
পুরা সহমত....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ।
ধন্যবাদ।
আকাশচুরি বলেছেন:
সহমত
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
বেরসিক বলেছেন:
অনেক ভাইবা দেখলাম..কতা তো ঠিকই কইছেন !
লেখক বলেছেন: তাই না?
ধন্যবাদ, ভেবে বলার জন্য।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
শহরে বিলবোর্ড দিবি ভালো কথা। কিন্তু সেটা ঢাকা শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং দুর্ঘটনাকবলিত মোড়ে কেন সেটা তো কোন লজিকেই পড়েনা। এরপর কেউ যদি এই মোড়ে মারা তাহলেতো শুধু চালক বা পথচারীর অসতর্কতা বলে এড়ানো যাবে না। ইচ্ছা করেই তাদের মনোযোগ বিঘ্নিত করা হয়েছে। আমরা সব ক্ষেত্রেই দায় এড়িয়ে চলতে চাই। তারপরেও এরকম মৃত্যুফাঁদ যারা স্থাপন করে তাদের বিবেকে কি একটুকুও বাঁধে না? আমরা ব্লগাররা তো কতকিছুই করি। আসেন এখন এটা সরানোর আন্দোলনটাও করি। আর এই ভাল কাজের সূচনা হোক সামহয়্যার থেকেই। পোস্টটিকে স্টিকি করার আবেদন জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: সহমত।
তবে পোস্ট স্টিকি করার দরকার নাই।
রিফাত হাসান বলেছেন:
সামহোয়ারে বিজ্ঞাপন নিয়ে আপনার আর ফাহমিদুল হকের যখন আলাপ চলতেছিল তখন আমি আপনারে সমর্থন দিয়েছিলাম, কিন্তু ফাহমিদুল হকের আলোচনায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আশয় স্থান পেয়েছিল যা আমি আগ্রহের সাথে পড়েছি। সামহোয়ারে বিজ্ঞাপন আর শাহবাগ মোড়ে বিজ্ঞাপন এক নয়। সামহোয়ারের পেট চালাইতে পয়সা লাগে তার জন্য তাদের বিজ্ঞাপন দরকার তাই মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু শাহবাগের পেট চালানোর জন্য আমরা যত্রতত্র টেক্স দিয়ে থাকি সরকারকে। বিলবোর্ড কখনো কখনো নিরাপদ দূরত্বে না হয় মানা গেল, কিন্তু টিভি স্ক্রিণ যা আমাদেরকে বিরক্তই শুধু করে না, অপরিসীম বিদ্যুৎ অপচয় করে, আর আমাদেরকে বিদ্যুৎ পাওয়া থেকে বঞ্চিত করে- তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সমস্যা হয়ে গেছে ঢাকায় প্রযুক্তির আমদানি করে আনাড়ি লোকেরা, প্রযুক্তির যত্রতত্র ব্যাবহার জানে, সদ্যবহারটা খুব কমই জানে। আর সেই সাথে যুক্ত হয়েছে এই মাথা মোটা গবেট সরকারগুলো, যাদের অবজেকটিভ যে কোন উপায়ে রেভিনিয়ু অর্জন, কুফল এবং রাজনীতিগুলো ভেবে দেখারও দরকার মনে করে না। অথবা হয়তো সচেতনভাবে করেন সব, ট্রানজিট নিয়ে আগ্রহটা ভেবে দেখতে পারেন এই জায়গায়।
লেখক বলেছেন: রিফাত ভাই,
অনেক ধন্যবাদ আপনার প্রয়োজনীয় মতামতের জন্য। খুবই ভাল লাগলো আপনার বিশ্লেষণ।
অ্যামাটার বলেছেন:
সম্পুর্ণ সহমত
লেখক বলেছেন: thank you.
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এই সাইনবোর্ডটা যে বা যাদের মস্তিকপ্রসূত , তাদেরকে ধন্যবাদ দিতে হয় । এই সাইনবোর্ড শুধু নির্লজ্জ আর্মির স্তুতি নয় , আমাদের রুচিহীনতারও একটা প্রকাশ ।নগর পরিকল্পনায় যারা যুক্ত ও লিপ্ত তাদের নন্দনজ্ঞান নিয়ে কোন কথা নাই , ঐটুকু থাকলে চাকরি করা যায় না ।
কিন্তু এই কাজে চোখঅলা দুই তিনজনকে যুক্ত রাখা উচিত ।
বিদেশে একটা দোকানের সেলফে কোন জিনিষের পরে কোন জিনিষ থাকবে ,কোন কালার কোনটার পরে যাবে , এজন্য বেতন দিয়ে এক্সপার্ট রাখা হয় ।
কিন্তু আমাদের দেশে পুরা শহর নগর তৈরী হয়ে যাচ্ছে যার যেভাবে ইচ্ছা ।
লেখক বলেছেন: অদ্ভূত এই নগরকল্পনা আর নগর পরিকল্পনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
মিরাজ বলেছেন:
সরকার বা আর্মির কথা যে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করছেনা সেটি এই সাইনবোর্ড দেয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে । এটি অনেকটা জোর করে আস্থা সৃষ্টির প্রচেষ্টা । আমার আশংকা যত দিন যাবে তত সরকারের গ্রহণযোগ্যতা কমবে এবং ততই এইরকম উদ্ভট সাইনবোর্ডের সংখ্যা বাড়বে ।
অধিকাংশ সময় গদি সামলাতে ব্যস্ত সরকারের (সেটি সামরিক বা বেসামরিক যটিই হোক) নগর পরিকল্পনা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ-সিদ্ধির জন্যই হয় । সেখানে সার্বিকভাবে নগর সৌন্দর্য্য বা নগরবাসীর কথা ভাববার সময় কোথায়?
লেখক বলেছেন: কিন্তু আমরা তো সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কথা বিশ্বাস কইরাই কইতেছি এই সাইনবোর্ডটা সরান। তাদের কাজ নিয়া আমাদের সন্দেহ নাই। এখন আমাদের আবেদন নিয়াও তাদের সন্দেহ থাকার কথা না। তাই না?
অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভাল লাগলো।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
শুধু এইটা কেন? প্রচুর মানুষ এখনো আছে যাদের ডিসের লাইন নাই । তাদেরকেও অবিচ্ছিন্ন যন্ত্রনায় কাটাইতে হয় ! বিটিভির নাবাহিনীর গৌরব গাথা বিষয়ক প্যান প্যানানি কিভাবে যে সহ্য করে !
লেখক বলেছেন: সেনাবাহিনী নিয়ে করা শিল্পী হায়দার হোসেনের গানগুলা শুনলে মনটা ভরে যায়।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
বুঝলাম না, যার ইচ্ছে হবে সে দেখবে, যার হবে না সে দেখবে না...হাটতে যায়া মাথায় তো আর লাগতেসে না ...
লেখক বলেছেন: আপনি এইরকম কইরা হেলে হাঁটার অভ্যাস করলেন কীভাবে?
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
বিষয়টা সত্যি যন্ত্রণাকর। এইভাবে ব্যস্ত সড়কে বসানো ঠিক হয় নাই। দুর্ঘটনা ঘটবে যে কোন সময়।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
আমার অবস্থা তো আরো খারাপ। আমাকে রোজ একবার করে দেখতে হয় এই যন্ত্রনাময়-মন্ত্রনা-দানকারী চিজটি। লেখক বলেছেন: এইটা আমরা আর দেখতে চাই না।
কনফিফউজড বলেছেন:
তুমি উদিকে না তাকালেই পারো। যাদের চুক নাই তারা বিলবুর্ড দিলেও গারির তলে পরবে না দিলেও পরবে।
লেখক বলেছেন: তুমার তো মুখ নাই দেখি ছবিতে।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
এই বিলবোর্ডটা খুবই বিরক্তিকর!
লেখক বলেছেন: হ।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
গন্ডুরে একটা চটকানা লাগানো দরকার।কিন্তু আইজ মনটা বড়ই খোশ।
Click This Link
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
মোর্শেদ ভাই, ঢাকা শহর থেকে সবগুলো বিলবোর্ড তুলে দিলে কেমন হয়? সবগুলোই আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। ফার্মগেটেরটা বেশী বিরক্তিকর। সারাক্ষনই মোবাইল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন.. তাও বাংলা লিংকের সবচাইতে বিরক্তিকর নাচানাচির বিজ্ঞাপণটাই দেখায়....লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ,
শুধু বিরক্তি তো ইস্যু না। ইস্যু হইলো, বিরক্তির বাইরের ব্যাপারগুলা।
আমি বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড সব কিছুর পক্ষে। কিন্তু উপযুক্ত স্থানে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এইখানে ঘটনা হইল,বিজ্ঞাপনদাতা কোম্পানি যত টাকা দেয় তার সবটা কি সরকারের খাতে যায় নাকি যারা এই নগরের সৌন্দর্যরক্ষার পবিত্র দায়িত্ব পালন করতাসেন তাদের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যায় সেইটার একটা হিসাব করা দরকার,অবশ্য সাঁঝবাতির রূপকথা আর গণ্ডারের কমেন্ট পইড়া মনে হইতাসে পয়সা না খায়াও মোড়ে মোড়ে চলমান বিলবোর্ড বসানির মত রামছাগল দেশে কম নাই।
যাই হোক,কথা হইল,আমজনতার বিরক্তি ভাল জিনিস না,ঐ এলাকায় কোনকালে বিক্ষোভ আর মারামারি হইলে,আমার আশংকা,পাবলিক ঐ বড় স্ক্রিনটাই আগে ভাঙবো।
লেখক বলেছেন: গেছিলো কই কমেন্টটা। আমি তো জবাবও দিছিলাম, সো ফার আই ক্যান রিকল।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
ত্রিভুজ ভাই, সবগুলো বিলবোর্ড তুলে দেয়ার দাবিটা একটু বেশি হয়ে যায়।
ফার্মগেটের টাও বিরক্তি কর। কিন্তু শাহবাগের টা পুরা ফাইজলামি কারন
সাথেই
১। দুই দুইটা হাসপাতাল
২। জাদুঘর
৩। থানা
৪। পাবলিক লাইব্রেরী
আর ঢাকা শহরের বিখ্যাত মরনফাঁদ শাহবাগ মোড়। এখানে একটা ওভারব্রীজ দরকার ছিল, বিলবোর্ড না।
লেখক বলেছেন: থানা আর পাবলিক লাইব্রেরির কথা আমি ভুলে গেছলাম।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
দেখিনি বলে বুঝতে পারছি না। তবে প্রচারনা আগেও হয়েছে টিভিতে।পরিনতিও আমরা দেখেছি। ইতিহাসের শিক্ষাই হল ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না।
লেখক বলেছেন: প্রচারণা খারাপ কিছু না। কিন্তু অজায়গায় অধিক প্রচারণা পরিত্যাজ্য। সেই যুক্তি থিকা এইটারে আমরা নির্লজ্জ প্রচারণা আখ্যা দিতেছি।
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
হিসেবে একটু গন্ডগোল করে ফেলেছি আমি....রোজ একবার নয়....মোট দু'বার করে দেখতে হয় ওই চিজটি আমাকে....লেখক বলেছেন: অনেককেই মনে হয় দিনে একাধিকবার এইটার মুখোমুখি হইতে হয়।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
মগের মুল্লুকে আরও কত কিছুই হবে।
লেখক বলেছেন: মগদের ওপর দোষ চাপায়ে আর কতদিন?
এবার জগের দিকে তাকানোর সময় হইছে।
ব্রাইট বলেছেন:
মগ,জগ বাদ। এহন রগ কাটনের কাম।
লেখক বলেছেন: বুঝি নাই।
রিফাত হাসান বলেছেন:
মাহবুব ভাই একটা বিষয় জানার জন্য আসলাম, ব্লগের বিষয় আশয় পুরনো ব্লগার হিশেবে আপনার জানা থাকার কথা। আমার নিম্নের লেখাটি পোস্ট করার পর একবার প্রথম পাতা থেকে উধাও হয়ে গেল। আমি ভাবলাম বাগ জাতীয় কিছু হবে হয়তো। তাই ড্রাফট করে নিয়ে ২য় বার পোস্ট দিলাম। ক্ন্তিু দেখা গেল আবার কিছুক্ষণ পরই উধাও হয়ে গেল। আবার দেখলাম আমার জন্য একটি নোটিশ রয়েছে- যা কোনভাবেই পড়তে পারছি না। এটা কি কোন বাগ নাকি ইচ্ছাকৃত?
লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টটা সম্ভবত প্রথম পাতা থেকে সরায়ে দিছে।
নোটিশবোর্ডরে জিগান, ঘটনা কী?
লেখক বলেছেন: প্রচারমূলক পোস্ট হিসাবে সরাইতে পারে। পোস্টার বিপজ্জনক জিনিশ তো।
রিফাত হাসান বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পরামর্শের জন্য। তবে সম্ভবত ওরা অইটা আবার ফিরাই দিছে। ভুল বুঝতে পেরেছে বোধ হয়। পোস্টার বিপদজনক কিছু নাকি? বিষয়টাতে অনেকের আগ্রহ থাকতে পারে, অন্তত যারা চট্টগ্রামে থাকে, তাই দিলাম। পরে আলোচনাটা হয়ে যাওনের পর বিষয়টা নিয়ে পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে আছে। আপনি কি এইটারে বিপদজনক মনে করেন?
লেখক বলেছেন: দেয়াল লিখন, পোস্টার খুব বিপজ্জনক জিনিশ।
আমি নিজে বহু পোস্টার লাগাইছি নিজহাতে।
ফলে, পোস্টারের বিপদ বুঝতে পারি।
রিফাত হাসান বলেছেন:
একটা মেইল পেলাম এইমাত্র, সতর্কবাণী। পোস্টার দেখি সত্যিই ভয়াবহ বিপদজনক জিনিশ।
লেখক বলেছেন: কইছিলাম না?
ওই কথাগুলা আপনি পোস্টার আকারে না দিলে আর কোনো অসুবিধা হইতো না।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। আপনি কেমন আছেন?
সেজন্য এইটা এইখান থেকে সরানো উচিত।
আপনি ভাল একটি কাজ করেছেন এই পোষ্টটা মেরে...
লেখক বলেছেন: আমিও বিলবোর্ডের বিপক্ষে না আপনারই মতো।
আবারও ধন্যবাদ।
ইউনুস খান বলেছেন:
আমারও মনে হয় সেটা সরানো উচিত।
লেখক বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
হায়দার কািরগর বলেছেন:
এমন একটি পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। চলুন সবাই মিলে শাহবাগ মোড়ের ঐ নির্লজ্জ প্রচারণা যন্ত্রটি ভেঙ্গে ফেলিআর স্বলজ আনন্দ করি শিশুদের মতো।সাহসী আছে কি কেউ..................?
ভালো থাকবেন মাহবুব ভাই ।
লেখক বলেছেন: হায়দার ভাই,
ধন্যবাদ।
কিন্তু আমি ভাঙাভাঙিতে বিশ্বাস করি না।
আবেদন-নিবেদন, আলোচনা আর সচেতন করার দিকেই আমার ঝোঁক বেশি।
রাইহান বলেছেন:
ওটা সরানোর দরকার নেই । ওখানে একটা ওভার ব্রিজ করা হউক।
আমার হয়ে কেউ কি এটা করতে পারবেন ?
কিছু্ই হবে না হয়তো ... কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে তো বলা যাবে - আমার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিবাদ করেছি ...
একজন ব্লগার বলেছেন:
মাহবুব ভাই, আমি মডু হইলে এই পোস্টারে ইসটিকি করতাম। তবে বিলবোর্ড ইসুতে না, ফারহান-মেহরাব ইসুতে!
আমার আটমাসের ব্লগ জীবনে এই প্রথম দেখলাম ফারহান দাউদ তার জিগরী দোস মেহরাব শাহরিয়ারের কোন কমেন্ট ছাড়া একা একা নিজে থেকেই এই পোস্টে কমেন্ট করছে এবং মেহরাবেরও কোন খবরও নাই!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
আমি দেখি পইড়া গেলাম মাঝখানে...মামো দয়া কৈরা আমার আগের কমেন্টটা মুইছা ইনাদেরকে এক কইরিয়া দিবেন।
















