পোস্ট আর্কাইভ
- জুলাই,২০১২(২)
- এপ্রিল,২০১২(১)
- জানুয়ারী,২০১২(৫)
- ডিসেম্বর,২০১১(১)
- নভেম্বর,২০১১(১)
- মার্চ,২০১১(৪)
- নভেম্বর,২০১০(১)
- আগস্ট,২০১০(১)
- জুন,২০১০(৭)
- মে,২০১০(৭)
- এপ্রিল,২০১০(৫)
- মার্চ,২০১০(৮)
- ফেব্রুয়ারী,২০১০(৪)
- জানুয়ারী,২০১০(৯)
- ডিসেম্বর,২০০৯(৬)
- নভেম্বর,২০০৯(৭)
- অক্টোবর,২০০৯(১২)
- সেপ্টেম্বর,২০০৯(১০)
- আগস্ট,২০০৯(১৪)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(৭)
- জানুয়ারী,২০০৯(৮)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৬)
- নভেম্বর,২০০৮(৫)
- অক্টোবর,২০০৮(৭)
- সেপ্টেম্বর,২০০৮(২৩)
- আগস্ট,২০০৮(২২)
- জুলাই,২০০৮(১৯)
- জুন,২০০৮(২৭)
- মে,২০০৮(২৬)
- এপ্রিল,২০০৮(২১)
- মার্চ,২০০৮(৩৪)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৮(২০)
- জানুয়ারী,২০০৮(৪৩)
- ডিসেম্বর,২০০৭(১৯)
- নভেম্বর,২০০৭(১৫)
- অক্টোবর,২০০৭(১৮)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(১৪)
- আগস্ট,২০০৭(২০)
- জুলাই,২০০৭(২৩)
- জুন,২০০৭(২১)
- মে,২০০৭(৩৭)
- এপ্রিল,২০০৭(২০)
- মার্চ,২০০৭(৪৫)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৭(৪২)
- জানুয়ারী,২০০৭(১৭)
- ডিসেম্বর,২০০৬(১৫)
- নভেম্বর,২০০৬(১৮)
- অক্টোবর,২০০৬(১০)
- সেপ্টেম্বর,২০০৬(১৭)
- আগস্ট,২০০৬(১৫)
- জুলাই,২০০৬(১৩)
- জুন,২০০৬(১৩)
- মে,২০০৬(২)
- এপ্রিল,২০০৬(১৩)
- মার্চ,২০০৬(৬১)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৬(২)
আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন প্রতিবাদী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট এবং ব্লগারদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করি, অত:পর নিশ্চিন্তায় গাঁজা টানি! - আল-আমিন কবির
- ব্লগার সাবধান! - ব্রাত্য রাইসু
- মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং - কৌশিক
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
শাহবাগ মোড় থিকা নির্লজ্জ প্রচারণা যন্ত্রটি সরান
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪০ |
শাহবাগ মোড়ে একটা টিভি/ভিডিও স্ক্রিন বসানো হইছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মুখে। জাতীয় জাদুঘরের ঠিক সামনে। জিনিশটা দেখে প্রথম যে অনুভূতি তৈরি হয়, সেইটার নাম বিরক্তি। কিন্তু আমজনতার বিরক্তি খুব ভাল জিনিশ না। তাই এই নিয়া কোনো গুরুতর অনুভূতি তৈরি হইতে দেই নাই নিজমনে। কিন্তু ব্লগে দুইটা লেখা পড়ার পর দুইদিন এই টিভি স্ক্রিনটার দিকে চাহিয়া আরো কিছু অনুভূতি ও চিন্তা তৈরি হইলো। ব্লগে একটা পোস্ট দিছেন ঘাসফুল(Click This Link)। আরেকটা দিছেন মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই (Click This Link)। পরপর দুইদিন শাহবাগ গিয়া এই স্ক্রিনটার দিকে ফ্যালফ্যাল করে দেখে থেকে বুঝলাম এই জিনিশ নিয়া কথা না বলাটা অন্যায়। এইখানে সারাক্ষণ নির্বাচন কমিশন ও আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর নির্বাচনী কাজের অগ্রগতি বর্ণনা করা হয়। ফাঁকে কিছু বিজ্ঞাপন। আমরা তো জানি, আমাদের নির্বাচন কমিশন কত ভাল কাজ করতেছে। তারা ঠিকঠাক নির্বাচন করবে বইলা আমরা বিশ্বাস করি। আর সেই কাজে আমাদের সেনাবাহিনী প্রচুর সহায়তা দিবে। দিচ্ছে। কাজ মোটামুটি ভাল হইতেছে। এই কথা দেশের সবাই জানে। জানা জিনিশ বেশি কইরা জানাইলে সন্দেহ তৈরি হয়। আর সেই জিনিশটা যদি কানের কাছে মাইক ফিট কইরা বলা হয় তাইলে সন্দেহ ঘনীভূত হয়। স্ক্রিনটা দেওয়া হইছে রাস্তার দিকে মুখ করে। মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জানানো উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য হয়তো পিজির মোড়ে আড্ডা দেওয়া সাংবাদিকরা। তাদের আপডেট রাখার জন্যই হয়তো এইটা তাদের দিকে মুখ করে আছে।
কিন্তু এর ফলে বিবিধ ক্ষতি হইতেছে :
১. ঘাসফুলের কথা অনুসারে, পথচারিদের মনোসংযোগে এইটা ব্যাঘাত ঘটাইতেছে। স্ক্রিনটি প্রয়োজনীয় উচ্চতায় স্থাপন না করায় এটি সহজেই পথচারি ও ড্রাইভারদের দৃষ্টিকে বিঘ্নিত করতে পারে।
২. অনেক নিচুতে স্থাপনের কারণে এই চলমান আলোক প্রক্ষেপন যানবহনের আলোক সংকেত বুঝতে বাধা সৃষ্টি করে।
৩. দুটি হাসপাতালের রোগিদের জন্য এইটার শব্দ ও আলো ডিস্টার্বিং হইতে পারে।
৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের মুখে হঠাৎ আলো থিকা হঠাৎ অন্ধকারে যাইতে পথিক ও যানবহনকে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
৫. চারুকলা থেকে জাতীয় জাদুঘর পর্যন্ত স্থানে যে আড্ডা বসে এবং পিজির সামনে আড্ডাটি এই স্ক্রিনের প্রচারের কারণে ব্যাহত হয়।
এইগুলা কারণ বটে। কিন্তু সবচেয়ে বড় কারণ জাতীয় জাদুঘর। জাতীয় জাদুঘরের জিনিশ বাইরে পাচারের অনুমতি দিয়া এই সরকার বহুত ঝামেলা করছে। কিন্তু জাতীয় জাদুঘরের গুরুত্বটা এনারা বুঝতে পারে নাই। তার প্রমাণ হইলো এই টিভিস্ক্রিন। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসাবে এই জাদুঘরের নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও আকর্ষণ কতটা বিঘ্নিত হইছে তা প্রত্যক্ষদর্শী মাত্রই বুঝবেন। আমি জানি না কোন বুঝদার কর্তৃপক্ষ এইটা বসানোর দায়িত্ব নিছিল আর কোন বুঝদারই বা এইটারে অনুমতি দিছে। যেই দেউক, জাতীয় জাদুঘর সম্পর্কে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না। এখন বিষয় হইলো : নির্বাচন কমিশনের নির্লজ্জ প্রচারণা দেখার জন্য আমাদের সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনার এই দশা কি আমরা মাইনা নিতে প্রস্তুত?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-গ্রামীন ফোন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা খুব ত্বরিত সাফল্য পাইছেন। তাদের উদ্দেশে বিনীত প্রশ্ন, এই জিনিশটা কি তাদের চোখে পড়ে নাই? নাকি এইটা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমানার বাইরে বইলাই তাদের ভাবনার মধ্যে আসে নাই।
ছবিটা ঘাসফুলের ব্লগ থিকা চুরি করছি।
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কেএসআমীন বলেছেন:
ছবিটা আপডেট করলে ভাল হইতো। তৈরীর সময়কার ছবি। এই ছবি দেখলে মনে হয় এইটারে পাবলিকে ভাইংগা দিছে....
কেএসআমীন বলেছেন:
প্রচার যন্ত্রটি সরানো প্রয়োজন নাকি এর বিষয়বস্তুর? মূলত কোনটি?
কেএসআমীন বলেছেন:
আমার একটা ছোট্ট আবদার....নির্লজ্জ প্রচার বাদ দিয়া যদি কিছু ভাল জিনিষ প্রচার করে তাইলে কি এই প্রচার যন্ত্রডারে মাফ কইরা দেওয়ন যায়?
(যেমন মনে করেন, যাদুঘরে আসার আমন্ত্রণ, কয়্টা থেকে কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে, টিকেট কত ইত্যাদি, ফাকে ফাকে বিজ্ঞাপন তো থাকবেই...)
বিষয়টা নিয়া ভাবছেন বইলা আপনাকে ধন্যবাদ আমীন ভাই।
খোকন জিও বলেছেন:
এত পেলাচ বাদ দিয়া চলেন সবাই মিলা যন্ত্রডারে আউট কইরা দেই।
হুমায়ূন সাধু বলেছেন:
আপনার প্রচারণাটি সরব কব্বে, প্রথম পাতা থেকে?
খোকন জিও বলেছেন:
বাংলাদেশ এ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কন কিছু কি কন দিন হইছে?
রেজওয়ান বলেছেন:
চেক রিপাবলিকের এক মফস্বল শহর দিয়ে যাচ্ছিলাম দেখলাম শহরের প্রাণ যে হাইওয়ের অংশ তার পাশ ঘেঁষে সারি সারি লম্বা লম্বা পিলার এবং তার মাথায় মাইক। বেশ দৃষ্টিকটুই লাগছিল। সঙ্গী জার্মান ভদ্রলোক জানালেন যে এটি কমিউনিস্ট যুগের চিহ্ন। তখন এই রকম পিলার ছিল সব শহরে বা গ্রামে এবং এর মাধ্যমেই সারাদিন ধরে সরকারী প্রচারণা চলত। কোন জমায়েতের জন্যে লোক ডাকার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা হত।
বলাই বাহুল্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো নিজের দেশ ছাড়া কোথাও যাওয়ার অনুমতি পেত না এবং এই সব প্রপাগান্ডা তাদের এইসব ভুলে (?) থাকার সুযোগ দিত।
অনুমতি না দেবার কারন ছিল যদি পশ্চিমা চিন্তা ধারণা দ্বারা মানুষ দুষিত হয়ে যায়....
কোনদিন আমাদের দেশে এমন প্রচারণা শুরু হয়ে যায়।
কাঙাল বলেছেন:
প্রচার যন্ত্রডা আফনার ফুন মারছে নি?এমন প্রচার যন্ত্র সারা পৃথিবীতেই থাকে। আরো বেশী থাকে। এখানে তো খালি একটা।
দেশে এত সমস্যা থাকতে এইডাই খালি দেখলেন??????
দেশের অন্য সমস্যা নিয়া লেখছি। পোস্ট আছে।
পড়লে পড়েন।
খিস্তি ছাড়া কথা কইতে পারেন না?
কাঙাল বলেছেন:
কুন সমস্যা নিয়া লেকছেন কন?বিদ্যুত, পানি, গ্যাস, আদম রপ্তানী, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক, বন্যা..........
কুনটা নিয়া লেকছেন?
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
@কাঙ্গাল সবারই যে সব সমস্যা নিয়ে লিখতে হবে এমন কথা আছে কি?এই বিলবোর্ড অবশ্যই চালক ও পথচারীর মনোযোগ বিঘ্নিত করবে। এবং অবশ্যই এটা সরানো উচিত।
আপনার মত লোক নিয়া তো সমস্যা।
বিদ্যুত নিয়ে লিখলে বলতেন পানি নিয়ে লেখা কই। পানি নিয়ে লিখলে বলবেন বিদ্যুত নিয়ে লেখা কই।
বিদ্যুত, পানি, গ্যাস, আদম রপ্তানী, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক, বন্যা এসব নিয়ে ব্লগ + পত্রিকায় তো আর কম লেখা হয়নি।
আপনি নিজে লেখেন এসব নিয়ে সমস্যা নাই।
তাই বলে তো আর বিলবো্র্ড ভাল হয়ে গেল না।
“এমন প্রচার যন্ত্র সারা পৃথিবীতেই থাকে। আরো বেশী থাকে। এখানে তো খালি একটা।“
খারাপ জিনিস সব দেশে থাকলে কি আমাদের দেশেও থাকতে হবে?
অন্যায় তো সব দেশেই আছে তাই বলে আমরা কি অন্যায়কে ভালো বলব নাকি?
প্রভাৎ ঋষি বলেছেন:
শাহবাগের বিলবোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তেরর সকল বিলবোর্ডের অপসারণ চাই, কেননা এইটা বাজার অঞ্চল না... এইটা দেশের একটি প্রধানতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষঅর্থীদের জায়গা। গ্রামীন ফোনের টিএসসি আগ্রাসনের চেষ্টা যেমন ঝাটা পেটা হয়েছে এগুলোর ও একই অবস্থা হওয়া প্রয়োজন ... একমত...........
অবরূদ্ধ বলেছেন:
সেনা বাহিনীর উপোর ভাইজানের রাগ কেন। পলিটিসিয়ানদের কথা কি ভুইলা গেলেন। এই দেশটারে তো বাপের সম্পত্তি বানাইয়া ফেলছিলেন উনারা। ভুইলা গেলে কপালে উন্নতি .....................। হায় বাংগালী.......
িক েশা৩০েম বলেছেন:
নির্লজ্জ প্রচারযন্ত্রে কি একটা লজ্জাজনক অ্যাড দেকতেছিলাম,আপনার এই কাপড় উদলা লেখা পড়া হইলো না!
প্রেমের কাঙ্গাল বলেছেন:
যারা দারায় থাকে তাদের মাথা ব্যাথা তৈরির খুব ভালো যন্ত্র।
ম্যাকলাভিং বলেছেন:
কলু কই গেলা?
হাসিব বলেছেন:
এই পোস্ত কি আলু ব্লগে দেওন যাইবো ?
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
হাসিব বলেছেন: এই পোস্ত কি আলু ব্লগে দেওন যাইবো ?
ম্যাকলাভিং বলেছেন:
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: হাসিব বলেছেন: এই পোস্ত কি আলু ব্লগে দেওন যাইবো ? না দেওন যাইবোনা
৭গ) কোনো ব্র্যান্ডের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে নেতিবাচক লেখা দেওয়া যাবে না।
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
উরে পাপিশ্ঠ কলু, আলুবলগের পতম পাথা হইতে তুর নির্লজ্জ আঠা মারা চভিটি আগে সরাউ। তুমার বান্ধরের মথন ছেহাড়াটি দেইক্লে আর আলুবলগ খুলি রাখিতে ইচ্চা করেনা।
তাই বলি, মামু একটা ভাল লেখা লেখছ কিন্তু অন্যরা লেখার পর কেন ভাতিজা। আমি তো মনে করি তুমি থাকবা সবার আগে। কারণ তুমি তো পরথম আলুতে কাম কর। যাউকগা ভাল লেখছ। দ্যাশ জাতির উপকার তোমারে দিয়া হইবো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।