কারণটা কী?
তার স্ত্রী মেলিসা সংবাদমাধ্যমকে যা বলেছেন তাতে স্পষ্ট যে, আজফার হোসেন আমেরিকার সরকারের নীতির কড়া সমালোচক বইলা তার ক্ষেত্রে এই অলিখিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকার কর্তৃপক্ষ। এবং তাকে কার্যত স্ত্রী কন্যার থেকে দূরে নির্বাসনে রাখা হয়েছে। আজফার হোসেন বামপন্থী বুদ্ধিজীবী বলেও তার ওপর এই নিষেধাজ্ঞার খড়গ নাইমা আসতে পারে।
এখন প্রশ্ন হইলো, আমেরিকান সমাজ কি এমন একটা অসহনশীল পরিস্থিতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, যেইখানে আমেরিকান নীতির সমালোচনা করা যাবে না। একজন শিক্ষক তাত্ত্বিকভাবে সেই নীতির সঙ্গে দ্বিমত করতে পারবেন না? সারাবিশ্বে গণতন্ত্র, মানবাধিকার আর মতপ্রকাশের অধিকারের দোহাই দিয়া একের পর এক অপারেশনে লিপ্ত আমেরিকানরা কেমনে তাদেরই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াইতে যাওয়া একজন শিক্ষকের পথরোধ কইরা দাঁড়াইতে পারে?
তিনি মুসলমান বংশোদ্ভূত, বামপন্থী শিক্ষক এইটা ঠিক, তিনি আমেরিকান নীতির সমালোচক এইটাও ঠিক, কিন্তু তিনি তো কিছুতেই ইসলামিস্ট টেরোরিস্ট না। কোন জুজুর ভয়ে তারা আজফার হোসেনের মতো মুক্তমনা একজন বিদ্বানের পথরোধ করে বসে আছে?
আজফার হোসেনকে আমন্ত্রণ জানানো বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, তার মতো শিক্ষকের দরকার আছে তাদের। ছাত্রদের কাছে তিনি প্রশংসিত। তার স্ত্রী-কন্যারা তার অপেক্ষায় আছেন। আজফার হোসেনও যেতে চান। এ অবস্থায় তার পথরোধ করা একটি হটকারিতামূলক উদ্যোগ। একই সঙ্গে এটি অমানবিক। আমেরিকান কর্তৃপক্ষের এই কাজের জন্য উপযুক্ত প্রতিবাদ হওয়া দরকার।
এ বিষয়ে বিভিন্ন নিউজের লিঙ্ক :
Click This Link এখান থেকে নেয়া)
Click This Link
http://www.kten.com/Global/story.asp?S=8966743

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

