১. শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও রুপন্তী সরকার, রাষ্ট্র ও আওয়ামী লীগের কোন কোন পোস্টে আছেন?
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতেছেন তখন তার পিছনে শেখ রেহানা আর রুপন্তীকে দেখা গেল। ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ করার আহবান জানানোর সময় জয় সেইখানে বক্তৃতা দিলেন। কথা হইলো, এনারাই যদি এমনে বাংলাদেশের বাংলাদেশের মন্ত্রী, আমলা, ডিপ্লোম্যাটদের কাজ কী?
২. বাণিজ্যমন্ত্রী ভাঁড়ামি কেউ খেয়াল করছেন?
১৫ দিনে ৮০ কোটি টাকা মেরে দিল চিনি ব্যবসায়ীরা। উনি কইলেন, ১০ জনকে গ্রেফতার করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর কি চিনি ব্যবসায়ীরা ঘরে বইসা থাকবে না পালাবে? তাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী গ্রেফতারের ফাঁকা আওয়াজ তুললেন কেন?
৩. আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করতে চায় কেন?
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল আর নির্বাচিত সরকারের মেয়াদকাল ৪ বছর বা তিন বছরে নামিয়ে আনার জন্য আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করতে চায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য এত রক্তক্ষরণের পর এইসব কেন তারা করতে চায়? ৭২-এর সংবিধানে ফেরত যাওয়ার নস্টালজিয়া কি আর কাজ করে না?
৪. আবারও এক এগারো ও বিডিআর বিদ্রোহের মতো ঘটনা কে ঘটাবে?
বর্তমান সরকারের সঙ্গে দফারফা করার পর কেন দেশি-বিদেশী শক্তিগুলা এক এগারো ঘটাবে? এই সরকার তো তাদের স্বার্থ ঠিকই দেখছে। তাহলে এক এগারোর দরকার কী? এক এগারোর মতো ঘটনার ভয় কি সাত্যি সরকারের মধ্যে কাজ করতেছে? এইজন্যই কি তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করতে চায়?
৫. সরকারের মধ্যে কিছু বিষয়ে তাড়াহুড়া চলছে কেন?
ভারতের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলার দাবি-দাওয়ার বাস্তবায়ন, সংবিধান সংশোধন এইসব বিষয়ে সরকার তাড়াহুড়া করতেছে কেন?
৬. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সরকার দেরি করতেছে কেন?
এই সরকার কি শেখ মুজিব হত্যা মামলার মতো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মামলাও পরের সরকারের জিম্মায় রেখে যেতে চায়?
৭. এই নয়মাসে সরকারের সফলতা আসলে কী?
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


