আমার প্রিয় পোস্ট

সাহিত্যের সাইটhttp://www.samowiki.net। বইয়ের সাইট http://www.boierdokan.com

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর : এইবার ঘোড়ার ডিম ফুটিয়া বাচ্চা বের হইবে

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১

শেয়ারঃ
0 5 0

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে আজমীর শরিফে খাজা মইনুদ্দীন চিশতির দরবারে হয়তো দেশবাসীর জন্য দোয়া চাইতেছেন। আপাতত ভারত সফর শেষ। আজমীর থেকে উনি জয়পুর হয়া দেশে আসবেন। বহুল আলোচিত সফর শেষ। সর্বত্র শান্তি নেমে আসছে। আশা করি উনি আজমীর শরিফে ভাগ্যাহত ও বঞ্চিত বাংলাদেশবাসীর জন্য দিল থেকে দোয়া করবেন। আল্লাহর আর্শীবাদ চাইবেন। কেননা, যে জাতির নেতারা ভাল হন না, সে জাতির মতো ভাগ্যাহত জাতি আর দুনিয়ায় নাই।
শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্যে আওয়ামী লীগ বলছে, সফর সফল। অতএব প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিবে। আজকে বিকালে বিমানবন্দর এলাকার লোকদের কপালে দুর্ভোগ আছে, তারমানে। আর বিএনপি বলছে সফর ব্যর্থ। সফর ব্যর্থ হইলে ওনাদের নেত্রী কইছিলেন রাস্তায় কাঁটা বিছাইবেন। কিন্তু যথেষ্ট কাঁটা তারা সংগ্রহ কইরা হয়তো উঠতে পারে নাই। ফলে, আওয়ামী লীগ কর্মীদের ফুল বিছানো পথেই প্রধানমন্ত্রী ফিরবেন আশা করা যাইতেছে।
শেখ হাসিনার এই সফরের সময় জুড়ে আমার খালি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বাংলাদেশের সেনাপতি মইনুদ্দীনের ভারত সফরের কথা মনে হইতেছিল। উনি কোন প্রটোকলে ভারত গেছিলেন আল্লাহ মালুম। ভারত গিয়া কর্তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করছিলেন। আসার সময় ছয়টা ঘোড়া নিয়া আসছিলেন। সেই ঘোড়া নিয়া অনেক কানাঘুষা হইছে দেশে। মইনুদ্দীন ফখরুদ্দীনের যুগ শেষ হওয়ার পর ঘোড়াগুলা কই আছে কে জানে। কিন্তু ঘোড়াগুলা যথেষ্ট ডিম পাড়তেছে বোঝা যায়। এইবার শেখ হাসিনা ভারত গিয়া সেই ঘোড়াগুলোর ডিম নিয়া আসছেন। কেউ হয়তো বলবেন, ঘোড়া এইখানে ডিম ওইখানে কেন? বুঝতে হবে এইগুলা ভারতীয় ঘোড়া। দেশপ্রেম প্রখর। এইখানে থাকলেও ডিম ওইখানে পাড়ে। ফলে, মইনুদ্দীনের ঘোড়ার ডিম আনতে ভারতে যাইতে হইছে প্রধানমন্ত্রীকে। মোট পাঁচখানা অশ্বডিম্ব এবং অসংখ্য অশ্বডিম্বের প্রতিশ্রুতি নিয়া প্রধানমন্ত্রী ফিরতেছেন।
এই অশ্বডিম্বগুলা জরুরি অবস্থার শাসনের ফল। ঘোড়া আনলে সে ঘোড়ার ডিমও আনতে হবে। ডিম আনার প্রতিশ্রুতি দিয়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসছিল বইলা অনেকে ধারণা করেন। ফলে, সরকারের একবছর যাইতে না যাইতে শেখ হাসিনা ডিম আনতে বাধ্য হইছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ কী পাইলো, কেউ যদি জিগান তাইলে উত্তর মিলবে সহজে। বাংলাদেশ পাইলো, লালগালিচা সংবর্ধনা এবং ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পাইলো মানে বাংলাদেশই পাইলো।
আর কী পাইলো? কেউ বলবেন বিদ্যুত কেউ বলবেন একশ কোটি ডলার ঋণ। ভাব দেখে মনে হয়, ভারত বিদ্যুত বিনামূল্যে দিবে। যার নিজের ঘাটতি প্রচুর সে কেমনে বিদ্যুত দিবে? যেখানে আওয়ামী লীগ কইছিল দেশে বিদ্যুর উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবে সেখানে ইন্ডিয়া থেকে আমদানী করার বুদ্ধি কোত্থেকে আইলো? এই বিদ্যুত দিয়া বাংলাদেশের কী হবে কে জানে কিন্তু একটু প্রচার হইলো। আর ১০০ কোটি ডলার ঋণ মানে তো ভারতের স্বার্থে রেল উন্নয়ন। কেন আমরা নিজেরা রেলখাতে বিনিয়োগ করতে পারি না? ভারতের লোন নিতে হবে কেন? আমাদের অলস টাকা পইড়া রইছে সেইগুলা দিয়া আমরা আমাদের অবকাঠামো তৈরি করতে পারি না?
আর যে তিনটা চুক্তি হইছে, সেই তিনটা চুক্তির গুরুত্ব কী সেইটা দেশবাসীকে বুঝাতে হইলে অনেকদিন লাগবে। সহজভাবে বুঝলে, অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য এই ব্যবস্থা। আর নানা নামের সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা।
ভারতকে বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হইলো , ট্রানজিট দেওয়া হইলো ভাল কথা। এগুলা বড় দান। কিন্তু প্রতিদান হিসাবে বাংলাদেশ পাইলো প্রতিশ্রুতি। নেপাল-ভুটানে ট্রানজিট পর্যন্ত পাইলো না।
যৌথ ঘোষণা ৫০ দফা পইড়া দেখলাম। বাংলাদেশ যা পাইলো, তাকে অশ্বডিম্ব ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। পন্যে শুল্কছাড় অমুক তমুক এইগুলা ইনডিয়া কইতেই আছে। তিস্তানদীর পানি বণ্টনও স্রেফ আওয়াজ।
এত কিছুর পরও বাংলাদেশ সেজে গিয়ে যে চুক্তি করে আইলো তার কারণ কী হইতে পারে? ভারতের কাছে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন?
আর এই বিষয়ে বিএনপি দায়সারা মন্তব্য করে সরে যাইতে চাইতেছে কেন, সেটাও এক প্রশ্ন। আমাদের নেতাদের নিয়া বিশেষ দোয়াখায়ের করার দরকার আছে বুঝা যাইতেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে ভারত-প্রেমিকদের সাজসজ্জা আলাপ আলোচনা আশাবাদের এই ফল হইলো। এখন দেখা যাকা অশ্বডিম্ব ফুটাইয়া বাচ্চা বের করে সেই বাচ্চা বড় করার আলোচনা কদ্দুর আগায়?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৩
সরকার সেলিম বলেছেন: প্রথম পিলাসটা আমি দিলাম........
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৯
হাবীব_ফরিদপুর বলেছেন: কি কিভাবে করলে ভালো হত ? প্লিজ এক্সপ্লইন
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: আপনের মত কী? এমনে ঠিক আছে?

৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
জাহিদ পারভেজ বলেছেন: পেলাসটা না দিয়া জায়তে পারলাম না ।
এখন অপেক্ষার পালা হাসিনা তা দিয়া কতক্ষনে অশ্বডিম্ব ফুটাইয়া বাচ্চা বের করে ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: দেখা যাক। ধন্যবাদ।

৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে মিডিয়া এখন সরগম। কি পেলাম কি পেলাম না তাই নিয়া নতুন রাজনীতি শুরু হইছে। আর আমরা ১০৫০০.০০ টাকার লোন নিয়া জীবন-যাপনন করছি। কি বিচিত্র আমাদের দেশ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: হয়। এইসব কারণে ঋণের ভার বাড়তেছে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
ইউনুস খান বলেছেন: => বন্দি বিনিময়ের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট এবং সুনির্ধারিত নিয়ম কানন আছে যা প্রত্যেক উন্নত দেশ গুলাই মেনে চলে। রাজখোয়াদের যেভাবে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তা কেউই মেনে নিতে পারেনা। কারন এটা কোন প্রটোকলই পরেনা।
=> হ এর আগেও ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে এমন কথা বলা হয়েছিলো। এবার টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বলা হলো ;)
=> তিস্তা নিয়ে অনেক কথা অনেক আগে থেকেই বলা হচ্ছিলো। পত্র-পত্রিকায় জোড়ালো আলোচনা শুরু হয়েছিলো যে এইবারের সফরেই এটা নিয়ে একটা চুক্তি হতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল কয়েকজনও এরকম আশ্বাস দিয়েছিলো।
তো চুক্তি না হয়ে আগামী তিন মাসের ভিতরে আলোচনা শুরু হইবো এইটা তাহলে বিরাট সাফল্য?
=> ভারতের পণ্যও যে বাংলাদেশে ঢুকবে সেইটা কি ইচ্ছে করেই বলেন নাই? এখনো বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো ভারতে নিষিদ্ধ আছে। সেই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী ছিলো।
=> ভুটান ও নেপালের ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের সুবিধা পাইলে বাংলাদেশ কি লাভমান হবে বুঝতেছিনা।
=> ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিবে। নিঃসন্দেহে ভালো সংবাদ। কেননা বাংলাদেশে প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত ঘাটতি আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো কত টাকার বিনিময়ে এই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
একই কথা ঋণের ব্যাপারেও। আপনের মনে আছে কিনা জানিনা - তত্ত্বাবাধয়ক সরকারের আমলে যখন চালের সংকট তৈরী হয়েছিলো তখন ভারতে চাল দিয়েছিলো যার কেজি পড়েছিলো ৪৫ টাকার উপরে। এরকম সাহায্য আমরা চাইনা।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: হ। গুড পয়েন্ট।

৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: ভারতের বিপক্ষে যায় এমন কিছুই করবেন না উনি।কারা উনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল সেটা তো দেখতে হবে।

আর উনার সফরের সময় বিএসএফ এক বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করলো আর উনি তখন শান্তি পুরস্কার নিতে ব্যস্ত।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: তাই তো।

৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৮
ভাবনাহীন আমি বলেছেন: বাচ্চা বের হবেই ;) আপনাকে প্লাস
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: হয়। আপনাকে প্লাস।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
জানপরী বলেছেন:
লান্চে যাবার আগে প্লাস না দিয়ে যেতে পারলাম না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। ফলপ্রসু এই সফরের ফলে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভারত বিরোধী মনোভাবের পরিবর্তন হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সহসাই এই পরিবর্তন সম্ভব নয়
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট। হাহাহা।

১২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯
জ্বীন বলেছেন: চামাচামি অত্যন্ত ফলপ্রসু !!

যারা এদের ক্ষমতায় এনেছে , তারা সফল ।

ভারতীয়দের দেশপ্রেম আছে । ওরা দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করে না ।

আমাদের নেতা/নেত্রীরা নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত ।

সফর আসলেই ছিল:
০১।অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা
০২।ভারতকে চ ট্টগ্রাম মংলা বন্দর ব্যহারের অনুমতি দেওয়া ।
০৩ । ট্রানজিট দেয়া ।

আর এক মীর জাফর পাইছি আমরা ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: তাই না?

১৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯
জ্বীন বলেছেন: চামাচামি অত্যন্ত ফলপ্রসু !!

যারা এদের ক্ষমতায় এনেছে , তারা সফল ।

ভারতীয়দের দেশপ্রেম আছে । ওরা দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করে না ।

আমাদের নেতা/নেত্রীরা নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত ।

সফর আসলেই ছিল:
০১।অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা
০২।ভারতকে চ ট্টগ্রাম মংলা বন্দর ব্যহারের অনুমতি দেওয়া ।
০৩ । ট্রানজিট দেয়া ।

আর এক মীর জাফর পাইছি আমরা ।
১৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৩
ওসমানজি২ বলেছেন:
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন:
আর উনার সফরের সময় বিএসএফ এক বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করলো আর উনি তখন শান্তি পুরস্কার নিতে ব্যস্ত।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: হয়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: প্লাস।

১৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১০
সামিউর বলেছেন: জাহিদ পারভেজ বলেছেন: পেলাসটা না দিয়া জায়তে পারলাম না ।
এখন অপেক্ষার পালা হাসিনা তা দিয়া কতক্ষনে অশ্বডিম্ব ফুটাইয়া বাচ্চা
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: হয়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০২
আহমদ বসির বলেছেন: চামাচামি অত্যন্ত ফলপ্রসু !!
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: হয়।

১৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
মাঠশালা বলেছেন: ভাল লাগছে লেখাটা।
দেশে এইবার যথেষ্ট খেজুর গাছ কাটা হয় নাই। তাই কাটার অভাব দেখা দিছে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: খেজুর গাছ এত কম কেন?

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: +

২১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২০
ও.জামান বলেছেন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বাংলাদেশের সেনাপতি মইনুদ্দীন কোন প্রটোকলে ভারত গেছিলেন আল্লাহ মালুম। ভারত গিয়া কর্তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করছিলেন। আসার সময় ছয়টা ঘোড়া নিয়া আসছিলেন। সেই ঘোড়া নিয়া অনেক কানাঘুষা হইছে দেশে। মইনুদ্দীন ফখরুদ্দীনের যুগ শেষ হওয়ার পর ঘোড়াগুলা কই আছে কে জানে। কিন্তু ঘোড়াগুলা যথেষ্ট ডিম পাড়তেছে বোঝা যায়। এই অশ্বডিম্বগুলা জরুরি অবস্থার শাসনের ফল। ঘোড়া আনলে সে ঘোড়ার ডিমও আনতে হবে। ডিম আনার প্রতিশ্রুতি দিয়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসছিল বইলা অনেকে ধারণা করেন। ফলে, সরকারের একবছর যাইতে না যাইতে শেখ হাসিনা ডিম আনতে বাধ্য হইছেন।

জটিল মন্তব্য ভাই। প্লাস ++++
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও প্লাস।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: +

২৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩
একলোটন বলেছেন: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে আজমীর শরিফে খাজা মইনুদ্দীন চিশতির দরবারে হয়তো দেশবাসীর জন্য দোয়া চাইতেছেন।


হা হা হা হা হা :D :D :D :D
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: তাই না? হইতে পারে না?

২৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: আমরা নেপাল-ভূটানে ট্রানজিট পামু, এমন আশা করাই তো ভুল। হাসিনা আপা তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করটে ভারত গেছেন, সমস্যা হইলো, সেই প্রতিশ্রুতিটা জনগণের কাছে ছিল না, ছিল দাদাগো কাছে, কাজেই হাসিনা আপারে দোষ দেয়া যায় না। উনার বেয়াই রাজাকার, উনি নাহয় দালাল হইলেন, ভোট তো জনতাই দিসে, আফসুস কইরা কি লাভ? :)
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: আফসোস না। ব্যাপারটা বুঝতে হবে না?

২৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৯
নিউজকাস্টার বলেছেন: বাচ্চা সজিব সুস্থ হবে তো ?
২৬. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪২
পলাশমিঞা বলেছেন: এইবার ঘোড়ার ডিম ফুটিয়া বাচ্চা বের হইব

বাচ্চাট কত বড় হয় দেখার জবর সখ।


কেমন আছেন মিঞাভাই?
২৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৮
অলস ছেলে বলেছেন: হুমম। ঘুড়া খাই ফেলবো আম্রা।
২৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩০
রেজোওয়ানা বলেছেন: ভাল লিখছেন।

সফল ভাবে অশ্বডিম্ব আনার সংবর্ধনার ঠেলায় ঐ দিন আমাদের নিকুঞ্জ থেইকা মো:পুর আসতে, রাস্তায় ৩ ঘন্টা বইসা থাকতে হইছে।

"এরা দেশটাকে প্রমোদাগার বানিয়ে ফেলেছে"

................
এটা কিন্তু আপনারই কথা, মনে আছে?
জাবির ডাক্তার সংক্রান্ত আন্দোলনের সময়।
২৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১০
একলোটন বলেছেন: ভাই ঘোড়ার ডিম কি ফুটছে?
৩০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: প্লাস।

তবে আরেকটু বিশ্লেষনী হলে ভাল হত। মানে, চুক্তির গভীরে যাওয়া।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩৪৭১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ