আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন প্রতিবাদী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট এবং ব্লগারদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করি, অত:পর নিশ্চিন্তায় গাঁজা টানি! - আল-আমিন কবির
- ব্লগার সাবধান! - ব্রাত্য রাইসু
- মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং - কৌশিক
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর : এইবার ঘোড়ার ডিম ফুটিয়া বাচ্চা বের হইবে
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে আজমীর শরিফে খাজা মইনুদ্দীন চিশতির দরবারে হয়তো দেশবাসীর জন্য দোয়া চাইতেছেন। আপাতত ভারত সফর শেষ। আজমীর থেকে উনি জয়পুর হয়া দেশে আসবেন। বহুল আলোচিত সফর শেষ। সর্বত্র শান্তি নেমে আসছে। আশা করি উনি আজমীর শরিফে ভাগ্যাহত ও বঞ্চিত বাংলাদেশবাসীর জন্য দিল থেকে দোয়া করবেন। আল্লাহর আর্শীবাদ চাইবেন। কেননা, যে জাতির নেতারা ভাল হন না, সে জাতির মতো ভাগ্যাহত জাতি আর দুনিয়ায় নাই।
শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্যে আওয়ামী লীগ বলছে, সফর সফল। অতএব প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিবে। আজকে বিকালে বিমানবন্দর এলাকার লোকদের কপালে দুর্ভোগ আছে, তারমানে। আর বিএনপি বলছে সফর ব্যর্থ। সফর ব্যর্থ হইলে ওনাদের নেত্রী কইছিলেন রাস্তায় কাঁটা বিছাইবেন। কিন্তু যথেষ্ট কাঁটা তারা সংগ্রহ কইরা হয়তো উঠতে পারে নাই। ফলে, আওয়ামী লীগ কর্মীদের ফুল বিছানো পথেই প্রধানমন্ত্রী ফিরবেন আশা করা যাইতেছে।
শেখ হাসিনার এই সফরের সময় জুড়ে আমার খালি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বাংলাদেশের সেনাপতি মইনুদ্দীনের ভারত সফরের কথা মনে হইতেছিল। উনি কোন প্রটোকলে ভারত গেছিলেন আল্লাহ মালুম। ভারত গিয়া কর্তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করছিলেন। আসার সময় ছয়টা ঘোড়া নিয়া আসছিলেন। সেই ঘোড়া নিয়া অনেক কানাঘুষা হইছে দেশে। মইনুদ্দীন ফখরুদ্দীনের যুগ শেষ হওয়ার পর ঘোড়াগুলা কই আছে কে জানে। কিন্তু ঘোড়াগুলা যথেষ্ট ডিম পাড়তেছে বোঝা যায়। এইবার শেখ হাসিনা ভারত গিয়া সেই ঘোড়াগুলোর ডিম নিয়া আসছেন। কেউ হয়তো বলবেন, ঘোড়া এইখানে ডিম ওইখানে কেন? বুঝতে হবে এইগুলা ভারতীয় ঘোড়া। দেশপ্রেম প্রখর। এইখানে থাকলেও ডিম ওইখানে পাড়ে। ফলে, মইনুদ্দীনের ঘোড়ার ডিম আনতে ভারতে যাইতে হইছে প্রধানমন্ত্রীকে। মোট পাঁচখানা অশ্বডিম্ব এবং অসংখ্য অশ্বডিম্বের প্রতিশ্রুতি নিয়া প্রধানমন্ত্রী ফিরতেছেন।
এই অশ্বডিম্বগুলা জরুরি অবস্থার শাসনের ফল। ঘোড়া আনলে সে ঘোড়ার ডিমও আনতে হবে। ডিম আনার প্রতিশ্রুতি দিয়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসছিল বইলা অনেকে ধারণা করেন। ফলে, সরকারের একবছর যাইতে না যাইতে শেখ হাসিনা ডিম আনতে বাধ্য হইছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ কী পাইলো, কেউ যদি জিগান তাইলে উত্তর মিলবে সহজে। বাংলাদেশ পাইলো, লালগালিচা সংবর্ধনা এবং ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পাইলো মানে বাংলাদেশই পাইলো।
আর কী পাইলো? কেউ বলবেন বিদ্যুত কেউ বলবেন একশ কোটি ডলার ঋণ। ভাব দেখে মনে হয়, ভারত বিদ্যুত বিনামূল্যে দিবে। যার নিজের ঘাটতি প্রচুর সে কেমনে বিদ্যুত দিবে? যেখানে আওয়ামী লীগ কইছিল দেশে বিদ্যুর উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবে সেখানে ইন্ডিয়া থেকে আমদানী করার বুদ্ধি কোত্থেকে আইলো? এই বিদ্যুত দিয়া বাংলাদেশের কী হবে কে জানে কিন্তু একটু প্রচার হইলো। আর ১০০ কোটি ডলার ঋণ মানে তো ভারতের স্বার্থে রেল উন্নয়ন। কেন আমরা নিজেরা রেলখাতে বিনিয়োগ করতে পারি না? ভারতের লোন নিতে হবে কেন? আমাদের অলস টাকা পইড়া রইছে সেইগুলা দিয়া আমরা আমাদের অবকাঠামো তৈরি করতে পারি না?
আর যে তিনটা চুক্তি হইছে, সেই তিনটা চুক্তির গুরুত্ব কী সেইটা দেশবাসীকে বুঝাতে হইলে অনেকদিন লাগবে। সহজভাবে বুঝলে, অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য এই ব্যবস্থা। আর নানা নামের সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা।
ভারতকে বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হইলো , ট্রানজিট দেওয়া হইলো ভাল কথা। এগুলা বড় দান। কিন্তু প্রতিদান হিসাবে বাংলাদেশ পাইলো প্রতিশ্রুতি। নেপাল-ভুটানে ট্রানজিট পর্যন্ত পাইলো না।
যৌথ ঘোষণা ৫০ দফা পইড়া দেখলাম। বাংলাদেশ যা পাইলো, তাকে অশ্বডিম্ব ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। পন্যে শুল্কছাড় অমুক তমুক এইগুলা ইনডিয়া কইতেই আছে। তিস্তানদীর পানি বণ্টনও স্রেফ আওয়াজ।
এত কিছুর পরও বাংলাদেশ সেজে গিয়ে যে চুক্তি করে আইলো তার কারণ কী হইতে পারে? ভারতের কাছে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন?
আর এই বিষয়ে বিএনপি দায়সারা মন্তব্য করে সরে যাইতে চাইতেছে কেন, সেটাও এক প্রশ্ন। আমাদের নেতাদের নিয়া বিশেষ দোয়াখায়ের করার দরকার আছে বুঝা যাইতেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে ভারত-প্রেমিকদের সাজসজ্জা আলাপ আলোচনা আশাবাদের এই ফল হইলো। এখন দেখা যাকা অশ্বডিম্ব ফুটাইয়া বাচ্চা বের করে সেই বাচ্চা বড় করার আলোচনা কদ্দুর আগায়?
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সরকার সেলিম বলেছেন:
প্রথম পিলাসটা আমি দিলাম........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
পছন্দ হইছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
হাবীব_ফরিদপুর বলেছেন:
কি কিভাবে করলে ভালো হত ? প্লিজ এক্সপ্লইন
লেখক বলেছেন: আপনের মত কী? এমনে ঠিক আছে?
এখন অপেক্ষার পালা হাসিনা তা দিয়া কতক্ষনে অশ্বডিম্ব ফুটাইয়া বাচ্চা বের করে ।
লেখক বলেছেন: দেখা যাক। ধন্যবাদ।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে মিডিয়া এখন সরগম। কি পেলাম কি পেলাম না তাই নিয়া নতুন রাজনীতি শুরু হইছে। আর আমরা ১০৫০০.০০ টাকার লোন নিয়া জীবন-যাপনন করছি। কি বিচিত্র আমাদের দেশ।
লেখক বলেছেন: হয়। এইসব কারণে ঋণের ভার বাড়তেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইউনুস খান বলেছেন:
=> বন্দি বিনিময়ের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট এবং সুনির্ধারিত নিয়ম কানন আছে যা প্রত্যেক উন্নত দেশ গুলাই মেনে চলে। রাজখোয়াদের যেভাবে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তা কেউই মেনে নিতে পারেনা। কারন এটা কোন প্রটোকলই পরেনা।=> হ এর আগেও ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে এমন কথা বলা হয়েছিলো। এবার টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বলা হলো
=> তিস্তা নিয়ে অনেক কথা অনেক আগে থেকেই বলা হচ্ছিলো। পত্র-পত্রিকায় জোড়ালো আলোচনা শুরু হয়েছিলো যে এইবারের সফরেই এটা নিয়ে একটা চুক্তি হতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল কয়েকজনও এরকম আশ্বাস দিয়েছিলো।
তো চুক্তি না হয়ে আগামী তিন মাসের ভিতরে আলোচনা শুরু হইবো এইটা তাহলে বিরাট সাফল্য?
=> ভারতের পণ্যও যে বাংলাদেশে ঢুকবে সেইটা কি ইচ্ছে করেই বলেন নাই? এখনো বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো ভারতে নিষিদ্ধ আছে। সেই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী ছিলো।
=> ভুটান ও নেপালের ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের সুবিধা পাইলে বাংলাদেশ কি লাভমান হবে বুঝতেছিনা।
=> ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিবে। নিঃসন্দেহে ভালো সংবাদ। কেননা বাংলাদেশে প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত ঘাটতি আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো কত টাকার বিনিময়ে এই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
একই কথা ঋণের ব্যাপারেও। আপনের মনে আছে কিনা জানিনা - তত্ত্বাবাধয়ক সরকারের আমলে যখন চালের সংকট তৈরী হয়েছিলো তখন ভারতে চাল দিয়েছিলো যার কেজি পড়েছিলো ৪৫ টাকার উপরে। এরকম সাহায্য আমরা চাইনা।
লেখক বলেছেন: হ। গুড পয়েন্ট।
আর উনার সফরের সময় বিএসএফ এক বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করলো আর উনি তখন শান্তি পুরস্কার নিতে ব্যস্ত।
লেখক বলেছেন: তাই তো।
লেখক বলেছেন: হয়। আপনাকে প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জানপরী বলেছেন:
লান্চে যাবার আগে প্লাস না দিয়ে যেতে পারলাম না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। ফলপ্রসু এই সফরের ফলে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভারত বিরোধী মনোভাবের পরিবর্তন হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সহসাই এই পরিবর্তন সম্ভব নয়।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট। হাহাহা।
জ্বীন বলেছেন:
চামাচামি অত্যন্ত ফলপ্রসু !!যারা এদের ক্ষমতায় এনেছে , তারা সফল ।
ভারতীয়দের দেশপ্রেম আছে । ওরা দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করে না ।
আমাদের নেতা/নেত্রীরা নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত ।
সফর আসলেই ছিল:
০১।অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা
০২।ভারতকে চ ট্টগ্রাম মংলা বন্দর ব্যহারের অনুমতি দেওয়া ।
০৩ । ট্রানজিট দেয়া ।
আর এক মীর জাফর পাইছি আমরা ।
লেখক বলেছেন: তাই না?
জ্বীন বলেছেন:
চামাচামি অত্যন্ত ফলপ্রসু !!যারা এদের ক্ষমতায় এনেছে , তারা সফল ।
ভারতীয়দের দেশপ্রেম আছে । ওরা দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করে না ।
আমাদের নেতা/নেত্রীরা নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত ।
সফর আসলেই ছিল:
০১।অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা
০২।ভারতকে চ ট্টগ্রাম মংলা বন্দর ব্যহারের অনুমতি দেওয়া ।
০৩ । ট্রানজিট দেয়া ।
আর এক মীর জাফর পাইছি আমরা ।
ওসমানজি২ বলেছেন:
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন:
আর উনার সফরের সময় বিএসএফ এক বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করলো আর উনি তখন শান্তি পুরস্কার নিতে ব্যস্ত।
লেখক বলেছেন: হয়।
ধীবর বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: প্লাস।
সামিউর বলেছেন:
জাহিদ পারভেজ বলেছেন: পেলাসটা না দিয়া জায়তে পারলাম না ।এখন অপেক্ষার পালা হাসিনা তা দিয়া কতক্ষনে অশ্বডিম্ব ফুটাইয়া বাচ্চা
লেখক বলেছেন: হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: হয়।
মাঠশালা বলেছেন:
ভাল লাগছে লেখাটা।দেশে এইবার যথেষ্ট খেজুর গাছ কাটা হয় নাই। তাই কাটার অভাব দেখা দিছে।
লেখক বলেছেন: খেজুর গাছ এত কম কেন?
অজানা আমি বলেছেন:
++++++
লেখক বলেছেন: +
ও.জামান বলেছেন:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বাংলাদেশের সেনাপতি মইনুদ্দীন কোন প্রটোকলে ভারত গেছিলেন আল্লাহ মালুম। ভারত গিয়া কর্তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করছিলেন। আসার সময় ছয়টা ঘোড়া নিয়া আসছিলেন। সেই ঘোড়া নিয়া অনেক কানাঘুষা হইছে দেশে। মইনুদ্দীন ফখরুদ্দীনের যুগ শেষ হওয়ার পর ঘোড়াগুলা কই আছে কে জানে। কিন্তু ঘোড়াগুলা যথেষ্ট ডিম পাড়তেছে বোঝা যায়। এই অশ্বডিম্বগুলা জরুরি অবস্থার শাসনের ফল। ঘোড়া আনলে সে ঘোড়ার ডিমও আনতে হবে। ডিম আনার প্রতিশ্রুতি দিয়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসছিল বইলা অনেকে ধারণা করেন। ফলে, সরকারের একবছর যাইতে না যাইতে শেখ হাসিনা ডিম আনতে বাধ্য হইছেন। জটিল মন্তব্য ভাই। প্লাস ++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও প্লাস।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: +
একলোটন বলেছেন:
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে আজমীর শরিফে খাজা মইনুদ্দীন চিশতির দরবারে হয়তো দেশবাসীর জন্য দোয়া চাইতেছেন।হা হা হা হা হা
লেখক বলেছেন: তাই না? হইতে পারে না?
লেখক বলেছেন: আফসোস না। ব্যাপারটা বুঝতে হবে না?
নিউজকাস্টার বলেছেন:
বাচ্চা সজিব সুস্থ হবে তো ?
পলাশমিঞা বলেছেন:
এইবার ঘোড়ার ডিম ফুটিয়া বাচ্চা বের হইববাচ্চাট কত বড় হয় দেখার জবর সখ।
কেমন আছেন মিঞাভাই?
অলস ছেলে বলেছেন:
হুমম। ঘুড়া খাই ফেলবো আম্রা।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
ভাল লিখছেন। সফল ভাবে অশ্বডিম্ব আনার সংবর্ধনার ঠেলায় ঐ দিন আমাদের নিকুঞ্জ থেইকা মো:পুর আসতে, রাস্তায় ৩ ঘন্টা বইসা থাকতে হইছে।
"এরা দেশটাকে প্রমোদাগার বানিয়ে ফেলেছে"
................
এটা কিন্তু আপনারই কথা, মনে আছে?
জাবির ডাক্তার সংক্রান্ত আন্দোলনের সময়।
একলোটন বলেছেন:
ভাই ঘোড়ার ডিম কি ফুটছে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















