আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন প্রতিবাদী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট এবং ব্লগারদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করি, অত:পর নিশ্চিন্তায় গাঁজা টানি! - আল-আমিন কবির
- ব্লগার সাবধান! - ব্রাত্য রাইসু
- মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং - কৌশিক
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
মনের বাঘ, বনের বাঘ ও ভারতীয় জুজু
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২
আমাদের প্রখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদের একটা লেখা পড়তেছিলাম কালের কণ্ঠ পত্রিকায় (Click This Link)। ১৯ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে। লেখাটা পড়তে গিয়া একটু আহত বোধ করলাম। এমনিতে হুমায়ুন আহমেদের রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ওপর আমার আস্থা নাই। যখন যে সরকার তখন তার দিকে ছাতা ধইরা হুমায়ূন আহমেদ নিজেকে বাঁচান অথবা সরকারটির পক্ষে গুনগান করেন। তার মতো জনপ্রিয় লেখকের এইগুলা কোন কামে লাগে বুঝি না। তবে এইটুকু বুঝি, তার বিপুল জনপ্রিয়তার লেখকের দিকে সবার কুদৃষ্টি থাকে। সবাই চায় তাদের পক্ষে হুমায়ূন আহমেদ দু কলম লিখুন। উনি লেখেনও। শুনছি, জেনারেল মইন উ আহমেদকেও মহাপুরুষ আখ্যায়িত করছিলেন উনি। এইরকম সুবিধাবাদী যার রাজনৈতিক বিবেচনা তার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বা বক্তব্য নিয়া আশাবাদী হওয়া কঠিন। অবশ্য হুমায়ূন আহমেদ যা কিছু লেখেন তা নিয়া আমার বিশেষ আগ্রহ থাকে। এই কারণে না যে দেশের লাখ লাখ মানুষ ওনার লেখা লাইক করে। এই কারণে যে, লাখ লাখ মাইনষের লগে আমিও ওনার লেখা লাইক করি। ওনার গদ্য আমার অনুসরণীয় মনে হয়। গল্প বলায় ওনার ক্ষমতা আমারে আপ্লুত করে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়া হুমায়ূন আহমেদ লিখছেন। লেখাটা রাজনৈতিক, ফলে পইড়া একটা হাসি দিয়া ভুইলা যাওয়া উচিত আছিল। কিন্তু হাসি দিতে পারলাম না। জুলিয়াস সিজার নাটকের সেই ডায়লগ মনে আইলো, তুমিও ব্রুটাস!
হুমায়ূন আহমেদ লিখছেন, 'বলা হয়ে থাকে, একটি দেশের লেখকরা সেই দেশের আত্মা। এটা অনেক বড় কথা, আমি নিজে তা মনে করি না। অনেক দুষ্ট লেখক আছেন, দেশের আত্মা হবার তাঁদের যোগ্যতা নেই। দেশের সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে আমি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি_বন্ধুত্বের যে পথে আমরা এগুচ্ছি সেটাই শুদ্ধ পথ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন। কেউ যেন আবার ভেবে না বসেন আওয়ামী লীগের কাছে আমার কোনো দায়বদ্ধতা আছে। কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা নেই। আমি দায়বদ্ধ আমার দেশের কাছে।'
কিন্তু এই মোক্ষম সময়ে ভারতীয় জুজু তাড়াবার জন্য হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখকের কলাম ধরাটায় আমার মনে হইছে, ওনার দায়বদ্ধতা তার দেশের প্রতি না। এবং ওনার মতো লেখক এই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাইলেও এই দেশের আত্মা হিসেবে পরিগণিত হইতে পারেন নাই। উনি মানুষের ভাষা ও গল্প আবিষ্কার করতে পারলেও মানুষের আত্মার খবর নিতে পারেন নাই।
আমাদের জনপ্রিয় লেখক বলছেন, ভারতীয় জুজু হইলো একটা বানানো ব্যাপার। এইটা অনেক কাল চইলা আসছে। ফলে এইটা গুরুত্ব নাই। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঠিক আছে। এই পথে আগাইলে ভাল হবে।
ওনার মূল যুক্তি কী? লেখা খুঁইজা যা পাইলাম তা হইলো- 'ক্ষমতাধর যে রাষ্ট্রটি আমাদের পাশে, তার সাহায্য আমাদের ক্ষমতাবান হবার জন্য প্রয়োজন।' রাজনীতি ও কূটনীতির শিশুপাঠ্যেও লেখা আছে- ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের প্রতিবেশী ছোট দেশ সেই ক্ষমতাধারের সাহায্যে কোনোদিন ক্ষমতাধর হইতে পারে নাই। দুনিয়ায় এইরাম কোনো উদাহরণ নাই।
তাই বলতে হচ্ছে, হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখক যে ক্ষমতাবান হওয়ার জুজু দেখাইলেন, এইটা কি ঠিক করলেন?
দোষ অবশ্য শুধু হুমায়ূন আহমেদের না। প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে ঘুরে আসার পর নানা জনের সঙ্গে আলাপ কইরা আমি বুঝছি, শিক্ষিত, টিভি দেখা মধ্যবিত্ত বিষয়টাকে এই বইলা মাইনা নিছে যে, এ ছাড়া আর উপায় কী? ভারত বড় দেশ, মহান ক্ষমতাধর। আমরা কি তাদের সঙ্গে পারবো? আমাদের নাকি আলাপ-আলোচনা দরকষাকষিও করা উচিত না। ভারত যা বলে তা মেনে নিয়ে শান্তি স্থিতিশীলতা আর গণতন্ত্র নিশ্চিত করা দরকার।
কথাটায় সত্য আছে। কিন্তু সত্যের চেয়ে বেশি যে জিনিশটা আছে তা হলো পরাজয়ের মানসিকতা। কইতেছি না যে, ভারতের সঙ্গে আমাদের লাইগা থাকা উচিত। ভারতকে অশান্ত করার জন্য চেষ্টা করা উচিত। কিন্তু ব্যবসা, বাণিজ্য, শিক্ষা, আলাপ আলোচনা, কূটনীতিতে আগেই যদি পরাজিত হয়ে বসে থাকি তাইলে তো আর কথা থাকে না। আধুনিক দুনিয়ায় সম্মান নিয়া জাতি হিসাবে টিকে থাকার কোনো অধিকার আমাদের থাকে না।
একটা দুগ্ধপোষ্য শিশুও বুঝে, প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়া বাংলাদেশের জ্বাজল্যমান সমস্যা- সীমান্তে মানুষের মৃত্যু, নদীর পানি, ছিটমহল, বাণিজ্য ঘাটতি, সমতাভিত্তিক মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় ইত্যাদির কোনো সুরাহা করতে পারেন নাই। বরং, ভারতের দাবি সব পূরণ করছেন। আমি দেশ বিক্রির দাবি তুলতেছি না। বলতেছি না যা দিয়া আসছেন সেইসব দেওয়া উচিত হয় নাই। আমি বলতেছি, এইসব দিয়া আমরা কী পাইলাম? আমরা শুধু দিয়ে যাবো আর এর বিনিময়ে শুকনা বন্ধুত্ব নিয়া সন্তুষ্ট থাকবো, এইটা আমার কাছে বন্ধুত্ব স্থাপনের সম্মানজনক কোনো পদ্ধতি মনে হইতেছে না।
হুমায়ূন আহমেদের কেন মনে হইতেছে সেইটা নিয়া গবেষণা হওয়া দরকার। শুধু হুমায়ূন আহমেদ না। ভারতের সঙ্গে একপাক্ষিক ভালোবাসার সমর্থক এইদেশে অনেক। টিভি দেখেন, পত্রিকা পড়েন- দেখবেন সুশীল পন্থী বুদ্ধিজীবী, সামরিক পন্থী নৃত্যনায়িকা, রাজনীতি পন্থী লেখক, জমি দখল পন্থী পত্রিকা, জমি বেদখল পন্থী সম্পাদক সবার মধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হইছে। নিম থেকে বিশাল প্রগতিশীলদের এই ঐক্য কেন স্থাপিত হইলো? ভারতের স্বার্থে বাংলাদেশের প্রগতিশীলদের এই জাতীয় ঐক্য বোধহয় আর অতীতে দেখা যায় নাই। দেশের কোনো জটিল সমস্যায় যাদের এক টেবিলে দেখা যায় না, তারা এখন এ বিছানায় শুয়ে ভারতের পক্ষে বক্তব্য দিয়া টিভি গরম করে ফেলতেছেন। কেন এই ঐক্য? ভারতের বন্ধুত্ব অর্জনই কি আমাদের ৩৮ বছরের স্বাধীন দেশের একমাত্র লক্ষ্য আছিল? আমরা জানি না। তবে, এইটুকু বুঝা যাইতেছে, বাংলাদেশের কয়েকটি প্রজন্ম বর্তমানে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির দেউয়াত্বে ভুগতেছে। এই পরজীবীতা আমাদের কোথাও নিয়া যাবে না। এদের কথা আর একদিন শুনলেও আমরা পিছায়ে যাইতে থাকবো। জাতি হিসাবে মাথা হেলিয়ে থাকতে হবে আমাদের।
এইবার বলি আমার প্রিয় সম্পাদক মতিউর রহমানের কথা। উনি ২২ তারিখে লিখছেন মনের বাঘ তাড়াতে হবে। ভাগ্যের কী পরিহাস! পরের দিন বনের একটা মূল্যবান বাঘ মাইরা ফেললো গ্রামবাসী। প্রথম আলো জনপ্রিয়তম পত্রিকা। প্রথম আলোর কথা মানুষ শুনে। কিন্তু শুনতে ভুল করলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। মনের বাঘ না মাইরা মানুষ বনের বাঘ মারতে পারে।
বাঘ যে মারা উচিত না, এইটা আমরা সবাই জানি। এই নিয়া আমাদের মধ্যে একটা জাতীয় ঐক্য আছে। বন থেকে অনেক দূরে ঢাকার শহরে বসে গোলটেবিল বৈঠক করে আমরা বলি, বাঘ মারা উচিত না। কিন্তু তারপরও লোকে বাঘ মারে। কারণ, বাঘের ভয় আছে। আপনি যতই পত্রিকা বের করে মনের বাঘ মারেন না কেন, বনের পাশে থাকা মানুষ ভয় পাবেই। বাঘকে অজ্ঞান করার লোক যথাসময়ে না পৌঁছাইলে মানুষ বাঘও মারবে নির্মমভাবে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়া প্রথম আলোর নানা আয়োজন দেইখা মনে হইতেছে, বাঘের ভয় দূর করার জন্য বাঘটাকে চেতনানাশক দেওয়ার বদলে তারা জনগণকে চেতনানাশক দেওয়ার দিকে বেশি মনোযোগী। জনপ্রিয়তম পত্রিকাটি এইভাবে কি মনের বাঘ দূর করতে পারবে? পারবে সীমান্তের বাঘের ভয় তাড়াইতে?
একটা প্রশ্নের জবাব আমি পাই না। প্রথম আলো বাংলাদেশের লোকে পড়ে। বাংলাদেশের স্বাধীন শিল্পপতির পত্রিকা এইটা। তারপরও বাংলাদেশের স্বার্থের চাইতে ভারতের স্বার্থের দিকে এই পত্রিকার এত ঝোঁক কেন?
কেন মনে হয়, ভারতের দাবিগুলা বাংলাদেশ পূরণ করলে প্রথম আলোর চূড়ান্ত লক্ষ্য প্রতিষ্ঠিত হবে? কেন মনে হয়, প্রথম আলো ভারতের স্বার্থে যতটা সোচ্চার ততোটা সোচ্চার আর কোনো বিষয়ে এ যাবত হয় নাই?
আমার প্রশ্নগুলা ভুল হইলে ভাল। কেউ আমার ভুল ভাঙায়ে দিবেন?
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ঠিকই কইছেন।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আপনে কন- বাংলাদেশের স্বাধীন শিল্পপতির পত্রিকা এইটা।
কিন্তু আমি তো অন্য তথ্য জানি-
নেসলে'র বাংলাদেশি সাবসিডিয়ারি কোম্পানী- নেসলে বাংলাদেশ-এর মালিক হয়াই পরে লতিফুর রহমান মালিক হইছেন প্রথমালোর। অর্থাত বহুজাতিক কোম্পানীর বাংলাদেশ চ্যাপ্টার হইলো প্রথম আলো।
একটু ক্রস চেক কইরেন তো।
লেখক বলেছেন: এই তথ্য কই পাইলেন? কোনো লিঙ্ক আছে?
ও.জামান বলেছেন:
হুমায়ুন আহমেদের বক্তব্য তার সাম্প্রতিক উপন্যাসগুলোর মতই নিম্নমানের।
লেখক বলেছেন: সাম্প্রতিক উপন্যাসগুলা আমি পড়ি নাই অবশ্য।
সাইফ শিশির বলেছেন:
ভারতরে মহান কইরা দেখানোর কারনেই এই পরাজয়ী মনোবৃত্তি। যেই দ্যাশে এখনো একটা জাতি গইড়া ওঠে নাই সেই ভারতের কাছে এমন পরাজয়ী মনোবৃত্তি কেমনে হইলো?
লেখক বলেছেন: বুঝতে একটু সমস্যা হইলো। আরেকটু বিস্তারিত বলবেন?
রশিক রশীদ বলেছেন:
হুমায়ুন আহম্মেদের মন্তব্য বাদ দিন নিজের মন্তব্য বলেন। এর আগে কোন সফরে বাংলাদেশ কি এর চেয়ে বেশী সুবিধা পেয়েছিল । অন্তত আগের প্রধান মন্ত্রীর সফরের সাথে মিলিয়ে দেখুন। কোন দেশের কাছ থেকে স্বার্থ আদায়ের দুটি উপায় সমঝোতা অপরটি যুদ্ধ করা । যুদ্ধ করা সম্ভব না হলে এবারের সমঝোতাটাই উত্তম । পৃথিবীর রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আইয়ুব খানের কন্ঠে এ দেশে আর শুনতে চাই না দেশ বিক্রী হয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ভাল আলোচনা তুলছেন।
আপনি যুদ্ধ করতে চান না ঠিক আছে। আইয়ুব খানরে ঘৃণা করেন সেটাও ঠিক আছে।
এর আগে বাংলাদেশ সুবিধা করতে পারে নাই, সেইটাও ঠিক আছে।
এইবার কন, এইবার প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে এমন কি নিয়া ফিরলেন যাতে আপনার মনে হইলো বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে?
রশিক রশীদ বলেছেন:
হুমায়ুন আহম্মেদের মন্তব্য বাদ দিন নিজের মন্তব্য বলেন। এর আগে কোন সফরে বাংলাদেশ কি এর চেয়ে বেশী সুবিধা পেয়েছিল । অন্তত আগের প্রধান মন্ত্রীর সফরের সাথে মিলিয়ে দেখুন। কোন দেশের কাছ থেকে স্বার্থ আদায়ের দুটি উপায় সমঝোতা অপরটি যুদ্ধ করা । যুদ্ধ করা সম্ভব না হলে এবারের সমঝোতাটাই উত্তম । পৃথিবীর রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আইয়ুব খানের কন্ঠে এ দেশে আর শুনতে চাই না দেশ বিক্রী হয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ভাল আলোচনা তুলছেন।
আপনি যুদ্ধ করতে চান না ঠিক আছে। আইয়ুব খানরে ঘৃণা করেন সেটাও ঠিক আছে।
এর আগে বাংলাদেশ সুবিধা করতে পারে নাই, সেইটাও ঠিক আছে।
এইবার কন, এইবার প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে এমন কি নিয়া ফিরলেন যাতে আপনার মনে হইলো বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে?
কৌশিক বলেছেন:
এইখানে হুমায়ুনের গদ্য সুবিধা হয় নাই
লেখক বলেছেন: গদ্য তো ব্যাপার না বস। কী বলতে চাইতেছেন আর তাতে কী সুবিধা হইতেছে সেইটা গুরুত্বপূর্ণ।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
হুমায়ুনের লিখাটা কালের কন্ঠে পড়ে আমারও উনার প্রতি করুনা বোধ হইছে। উনি বুঝতে পারেন নাই ৭০এর দশকে ইউসিস এর সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মার্কিন বিরোধী শ্লোগানে আমেরিকার কি ক্ষতি হয়েছে?ভিয়েতনাম যুদ্ধ বিরোধী দুনিয়াজোড়া ছাত্র আন্দোলন মার্কিন ছাত্রদের কিভাবে সাহস জুগিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট জনসনের ভিত্তি কাঁপিয়ে দিয়েছিল-- আমার মনে হয় এটা বুঝতে হুমায়ুনের মেধা যথেষ্ট নয়, মেরুডন্ডের শক্তিরও প্রয়োজন।
হুমায়ুনের নাদানি দেখে মায়াই লাগছে।
লেখক বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ নাদান হইলে তো বলার কিছু আছিল না। কিন্তু বুঝে শুনে কেউ যদি এমন লেখে তাইলে কষ্ট হয়।
সাইফ শিশির বলেছেন:
ডিপ্লমেসি ইজ নট সামথিং য়ু ক্যান লার্ন অ্যাট ইসকুল অর ইন দ্য ফরেন সার্ভিস। আ ডিপ্লম্যাট ইজ আ পারসন হু ক্যান টেল য়ু টু গো টু হেল অ্যান্ড অ্যাকচুয়ালি মেক য়ু লুক ফরওয়ার্ড টু দি জার্নি । ড্যান গিলারম্যান এবং ইনডিয়া নাউ মেড বাংলাদেশ রেডি টু লুক ফরওয়ার্ড আ জার্নি টুওয়ার্ডস হেল।
ইনডিয়ার ডিপ্লমেসি সফল, সন্দেহ নাই।
লেখক বলেছেন: ভাল একটা উদ্ধৃতি দিছেন।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
বাঘ সব খাইয়আ ফলবো আমরা আমরা নীতি কপচামু...প্রথমআলো হেনতেন তৈল কিন মাখাব আর আমরা তারে প্রগতিশীলতার দোহাইদিয়া ই যামু...
এইর লাইগ্যাইতো আমরা বা চো জাতি ...
লেখক বলেছেন: আমার মতে, নতুন প্রজন্ম মেরুদণ্ডহীন নয়। তারা সিনা টান করে একদিন উঠে দাঁড়াবে। যুদ্ধ করার জন্য না, আত্মসম্মান নিয়ে টিকে থাকার জন্য।
অলস ছেলে বলেছেন:
বেচারা ভীমরতির পাকচক্রে দিন দিন মুর্খ হইতেছে। সবখানেই পন্ডিতি ফলায়া নাক গলাইতে যায়, ফাকে পায়া ভুদাই বাঙ্গালীরেও চমতকারী সাতলায় নিলো। এইনা জাতি, তার আবার বুদ্ধিবিজি।
লেখক বলেছেন: কারে কইলেন?
অলস ছেলে বলেছেন:
বহু আগে মাহমুদুর রহমানের একটা লেখা পর্ছিলাম, 'দেশ বিক্রি কিভাবে হয়?' এই টাইপের শিরোনামে। ঐ লেখাটা খুইজা পাইলে ভালো হৈতো।
লেখক বলেছেন: কী নিয়া লেখছিল?
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
১০০ টা +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
অসাধারন কিছু প্রশ্ন রেখেছেন, যেগুলো অনেকের মতো আমারও প্রশ্ন.... তবে প্রথম আলোর ব্যপারটা পরিস্কার... আপনি নিজে এর সংস্পর্শে ছিলেন আপনার জানার কথা তারপরও বলি..... দেশের কত পার্সেন্ট লোক হিন্দুধর্ম্বালী ? প্রথম আলোতো কত পার্সেন্ট লোক হিন্দু ধর্মাম্বলী? আমি শুনেছি প্রায় ৪০/৫০ পার্সেন্ট, কেন? আর সেকানে যারা মুসলিম তারা কতজন পরিস্কার নাস্তিক? তাইলে কত পার্সেন্ট লোক আস্তিক? এটা কোন সাম্প্রদায়িক বিশ্লেষন না। কিন্তু মানুষের সাম্প্রদায়িক আচরন আপনি কিভাবে অস্বীকার করবেন? আপনি আপনার চারপাশের হিন্দু ধর্মাম্বলীদের দেখুন , ভারতের প্রতি সফট কর্নার অত্যান্ত স্বাভাবিক ভাবেই সবার বেশী। আর কমিউনিজম ফ্রন্টের কিছু লোকেরও সফট কর্নার ভারতের প্রতিবেশী(অবশ্যই অনেক কমিউনিস্ট ভারতের সাম্রজ্যবাদীতার বিপক্ষে)। এদের সম্মিলনেইতো প্রথম আলো। তাদের চিন্তা ভাবনা তীব্র ভাবেই প্রথম আলোকে প্রভাবিত করবে এটাতো অত্যান্ত স্বাভাবিক।লক্ষ্য করে দেখবেন ভারতের সাথে চুক্তি হওয়ার পর প্রথম আলো সরকার বিরোধী লেখা অনেক কমিয়ে দিয়েছে। এটা অত্যান্ত উল্লেখযোগ্য ভাবে যেটা সহজেই নজরে পড়বে। সারা বছর সমালোচনা করে, মানুষের অসন্তোষের কথা বলে হটাৎ করে একটা জরিপ প্রকাশ করল, দেশের বেশীরভাগ মানুষ নাকি বলছে, সরকার ঠিক পথে চলছে!!!!!! ঢাবির ছাত্রদল নেতাকে কারা মেরেছে সে সম্পর্কেও নির্লজ্জের মতো মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করল।
লেখক বলেছেন: হিন্দু বা কমিউনিস্টরা ভারতপন্থী এমন ধারণা ভুল। সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে আসলে আমরা সমাধানে পৌঁছাইতে পারবো না। প্রকৃত কমিউনিস্ট অবশ্যই এইসব অধীনতামূলক মিত্রতার বিরোধিতা করবেন।
লুকার বলেছেন:
অন্যায়ের, আগ্রাসনের প্রতিবাদ সবসময়েই করা দরকার।
ছাত্ররা একাজটা বরাবরই করে এসেছে। কিছু ছাত্র হয়তো ফ্যাশন হিসেবে এসব মিছিলে গিয়েছে, যেমনটা হুমায়ূন বলেছেন।
যেসব জুজুর কথা বলা হয়, তা কি পুরোপুরি মিথ্যে? জুজু কি বন্ধু, সেটা কাজে প্রমাণ করলে আর প্রেসনোট দিয়ে বা কলাম লিখে পাবলিককে বোঝাতে হবে না। বঙ্গবন্ধু বিজয়ের পরপরই বিদেশী সৈন্য দেশ থেকে সরানোর ব্যবস্থা করেন, মুক্তিযুদ্ধের মিত্রশক্তি হওয়া সত্ত্বেও ইন্দিরাকে তিনি এটা করতে রাজী করিয়েছিলেন শুরুতেই। আর তার কন্যা ২ রুপিতে দেশ বর্গা দিয়া আসছেন। সুশীলরা চুপ, ম্যাঙ্গো পাবলিক হতচকিত। মৌলবাদিদের অপপ্রচারকে তিনি বাস্তবায়ন করলেন নয় কি? একটা দেশের পোর্ট (বন্দর, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি) ইজারা দিয়ে দিলে, সমগ্র বাজার ব্যবস্থা বিদেশী পণ্যে সয়লাব হলে সেই দেশকে স্বাধীন বলা যায় কি? সড়কপথ সহ পোর্ট উন্মুক্ত করার সংবাদ দেখে প্রথমেই মনে হয়েছে বিদেশীদের সেবায় পশ্চাদ্দেশের বস্ত্র উন্মোচন করে দেয়া হলো। রাজনীতিকদের কাছে নাহয় দেশের মূল্য নেই, কিন্তু ক্যাবিনেট, ফরেন মিনিস্ট্রি, প্লানিং- এসব জায়গায় তো অভিজ্ঞ আমলারা রয়েছেন, তারা কেন দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে দিলেন?
আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এসবের প্রয়োজন আমি অস্বীকার করছি না, কিন্তু তা এমন একতরফাভাবে নয়। একটা রাস্ট্র আরেকটা রাস্ট্রের সাথে সমান মর্যাদায় বৈঠক করবে, মাথা নীচু করে কোন বড় ভাই বা মাতব্বরের নির্দেশ প্রতিপালন করবে না।
লেখক বলেছেন: আমাদের আত্মমর্যাদা অর্জন করতে হবে। এবং সেটাই এখন সবচেয়ে বড় বিষয়।
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
আপনার কয়েকটা লেখা আগেও পড়েছি আপনার লেখার সুরের সাথে সংগ্রাম বা নয়া দিগন্তের কলামিষ্টদের অন্ধভারত বিরোধী লেখার মধ্যে আমি কোন পার্থক্য খুঁজে পাই না অমিল খালি একটাই মাহামুদর রহমান যে কথাটা স্পষ্ট করে বলেন সেটা আপনি খুব ইনিয়ে বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেন নিজের সুশীল ইমেজ তা রক্ষা করার জন্যে ভাই আরেকটু সাহসী হন ভারতের সাথে বর্তমান সরকারের কোন চুক্তি আপনার কাছে খারাপ লেগেছে বা শেখ হাসিনা কীভাবে দেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানিয়ে দিল তা নিয়ে যদি পরবর্তী লেখাগুলিতে নিজের মতগুলা আরেকটু সাহসী হয়ে স্পষ্ট হরে প্রকাশ করেন তবে খুশি হব
লেখক বলেছেন: আপনে আমার লেখা পড়ছেন?
কথা মনে আসলো আর কয়া দিলেন?
কই লিখছি অঙ্গরাজ্যের কথা, দেখান তো?
ফালতু কথা কন কেন?
লেখক বলেছেন: ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ নিয়া তর্ক করলে আপনার যুক্তি আগাইতে পারবে না। ফলে, প্রসঙ্গে থাকাটাই ভাল।
হাসিব মীর বলেছেন:
আমাদের রাজনীতির দেউলিয়াত্ব এত গভীরে গিয়ে পৌছেছে যে জাতীয় স্বার্থেও আমরা সস্তা রাজনীতির উপরে উঠে কোন অবস্থান তো নিতেই পারি না, এমনকি আলোচনাও করতে পারি না।ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কটা তাই রাজনৈতিক ঘুটিই রয়ে গেল। সীমান্তে মানুষ মরছে প্রতিনিয়ত, পানি আটকে মরুভুমি বানিয়ে দিচ্ছে, সার্ককে অকার্যকর করে রাখছে তবু ভারতের সাথে সম্পর্ক যে কোন কিছুর বিনিময়েই ভাল করতে হবে। অদ্ভুত এদের আবদার। একবিংশ শ্তাব্দীর এই সময়ে ট্রানজিট দিলে, বন্দর দিলে নাকি কিছু হয় না। আত্মমর্যাদার পুরোটা গেলেও এখন নাকি আর স্বাধীনতা যায় না, দেশ বিক্রি হয় না। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা স্বাধীনতা কাকে বলে তাই কি আসলেই বুঝি?
লেখক বলেছেন: প্রশ্নগুলা তোলা থাকুক।
াহো বলেছেন:
সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত একই ধরনের চুক্তি যুক্তরাজ্য, মিসর, মরিশাস, কানাডা, সৌদি আরব ও ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি দেশের সঙ্গে সম্পাদন করেছে। আরও অনেক দেশের সঙ্গে সম্পাদনের অপেক্ষায় আছে। Click This Link
ভারতের সঙ্গে তিন চুক্তির বিবরণ প্রকাশ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
ভারতের সঙ্গে সই হওয়া তিন নিরাপত্তা চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেছে সরকার। গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস বলেছেন, সন্ত্রাস দমন কার্যক্রম পরিচালনায় উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশ দুটির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনে ছয় মাসের আগাম নোটিশে চুক্তিগুলো বাতিল করা যাবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বার্থ বিঘি্নত হওয়ার কোনো বিষয় চুক্তিতে নেই। গতকাল সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিগুলোতে কী আছে তা তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র সচিব। এ সময় অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) এম খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) মোহাম্মদ ইমরান, মহাপরিচালক (বহিঃপ্রচার অণু বিভাগ) সায়িদা মোনা তাসনীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গত ১০ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করেন। এ সময় নিরাপত্তা বিষয়ে তিনটি চুক্তি ও বিদ্যুৎ বণ্টন এবং সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময় বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এ সফরের পর প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে এসেছেন। সই হওয়া চুক্তিগুলোকে গোপন চুক্তি উল্লেখ করে খালেদা জিয়া চুক্তিগুলো প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন। বিএনপির শরিক দলগুলোও অনুরূপ বক্তব্য রেখেছে। এভাবে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিবৃতি ও পাল্টা বিবৃতির ঝড় চলছে। পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিদিন আলোচনা ও গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে চলেছে সরকারি দল এবং বিরোধী দলের অঙ্গ সংগঠন ও সমর্থক গোষ্ঠী। ঠিক এ অবস্থায় স্পর্শকাতর তিন নিরাপত্তা চুক্তিতে কী রয়েছে তা প্রকাশ করে দিলেন পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস। চুক্তিগুলো করার পেছনের প্রেক্ষাপটও তিনি তুলে ধরলেন।
পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস বলেন, বর্তমান সময়ে সন্ত্রাসবাদ কোনো দেশের একক সমস্যা নয়, এটি বিশ্বব্যাপী বিরাজমান। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে মাদক পাচার, চোরাচালান, সংঘবদ্ধ অপরাধ ইত্যাদি। এসব সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবেলার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও ভারত দ্বিপক্ষীয় ক্ষেত্রে ২০০৬ সাল থেকে নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচ্য চুক্তিগুলো সম্পাদনের কার্যক্রম শুরু করে।
তিনি বলেন, সই হওয়া সব চুক্তিই সরকার কর্তৃক অনুসমর্থনের পরে কার্যকর হবে।
চুক্তি ১. অপরাধ দমন বিষয়ক পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, অপরাধ দমন বিষয়ে ২০০৮ সালে শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সার্ক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলো একটি কনভেনশন স্বাক্ষর করেছে। তবে ওই কনভেনশনের শর্ত অনুযায়ী, সার্কভুক্ত সব সদস্য দেশ কর্তৃক অনুসমর্থিত না হওয়া পর্যন্ত কনভেনশনটি কার্যকর হবে না বিধায় ভারতের সঙ্গে আলোচ্য চুক্তিটি দ্বিপক্ষীয়ভাবে করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ চুক্তির আওতায় ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক আইনগত সহায়তার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধগুলো অনুসন্ধান, বিচারকার্য এবং অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ ও দলিলপত্র শনাক্তকরণ, বাধাদান, জব্দকরণ বা বাজেয়াপ্তকরণের বিধান রাখা হয়েছে।
* চুক্তিভুক্ত দুটি পক্ষ এ চুক্তির আওতায় একে অপরকে ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে; * এই চুক্তির আওতায় আদালত বা অপর কোনো সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক সহায়তা চাওয়া হলে, অনুরূপ পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা প্রদান করা হবে; * এ চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগে সংঘটিত কোনো ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ক অনুরোধের ক্ষেত্রেও এরূপ পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা প্রদান কার্যকর হবে; * উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে চুক্তির আওতায় পারস্পরিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
চুক্তি ২. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘটিত অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার দমন বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তিটির খসড়া অনুমোদনের ব্যাপারে ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে।
চুক্তিতে রয়েছে :
* আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস ও মাদক পাচার সম্পর্কিত অপরাধসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ, অনুসন্ধান, বিচারকার্য কার্যকরভাবে সম্পাদনের জন্য গোয়েন্দা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে এ চুক্তিটি সই করা হয়। * এ চুক্তির আওতায় চুক্তিভুক্ত উভয় দেশ অভ্যন্তরীণ আইন ও বিধি সাপেক্ষে, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্য এবং রাসায়নিক পদার্থসহ সাইকোট্রোপিক দ্রব্যগুলোর অবৈধ পাচার রোধে সহায়তা প্রদান করবে। অপরাধ অনুসন্ধান, বিচারকার্য ও দমনের উদ্দেশ্যে একে অপরকে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা প্রদান করবে। * উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশগুলোর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে সহায়তাদানের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। * তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থ বিঘি্নত হয় অথবা দেশের প্রচলিত আইন বা বিধি পরিপন্থী কোনো কার্যক্রম এই চুক্তির আওতায় করা যাবে না। * একই বিষয়ে বিমসটেকের আওতায় সদস্য দেশগুলো কর্তৃক একটি কনভেনশন ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তি ৩. সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের বিনিময় বিষয়ক চুক্তি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তিটির খসড়ার ওপর ২০০৮ সাল থেকে কার্যক্রম চলছে।
চুক্তিতে রয়েছে :
* ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিগণ যাতে নিজ দেশে সাজা ভোগ করতে পারেন তার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এ চুক্তি প্রণয়ন করা হয়। * ছয় মাসের অধিক সাজা ভোগ করা বাকি আছে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলার বিচার বা তদন্ত বাকি নেই এমন ধরনের আসামিগণ এই চুক্তির আওতায় বিবেচিত হবেন। * তবে যারা কোনো সেনা আইনে সাজাপ্রাপ্ত অথবা যারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অথবা যাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন আছে তাদের ক্ষেত্রে এই চুক্তির বিধান প্রযোজ্য হবে না। * সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিজ দেশে সামাজিকভাবে স্থানান্তরের সুযোগ পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আসামি কর্তৃক নিজে অথবা তার নিয়োজিত ব্যক্তি কর্তৃক লিখিতভাবে অনুরোধ করা ব্যতীত এ চুক্তির কোনো বিধান প্রযোজ্য হবে না। * সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত একই ধরনের চুক্তি যুক্তরাজ্য, মিসর, মরিশাস, কানাডা, সৌদি আরব ও ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি দেশের সঙ্গে সম্পাদন করেছে। আরও অনেক দেশের সঙ্গে সম্পাদনের অপেক্ষায় আছে।
লেখক বলেছেন: এইটা দিয়া কী বুঝা গেল?
মগ্নতা বলেছেন:
তারা এখন এক বিছানায় শুয়ে ভারতের পক্ষে বক্তব্য দিয়া টিভি গরম করে ফেলতেছেন। কেন এই ঐক্য? ...হ।
লেখক বলেছেন: প্রশ্ন রইলো।
াহো বলেছেন:
আর যে তিনটা চুক্তি হইছে, সেই তিনটা চুক্তির গুরুত্ব কী সেইটা দেশবাসীকে বুঝাতে হইলে অনেকদিন লাগবে। সহজভাবে বুঝলে, অনুপ চেটিয়াদের ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য এই ব্যবস্থা। আর নানা নামের সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা। from your old writings
Reply>
অনুপ চেটিয়াদের is not Bangladeshi citizen.He should push back his own countries.
-----------------------------------------------------------------------------
সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত একই ধরনের চুক্তি যুক্তরাজ্য, মিসর, মরিশাস, কানাডা, সৌদি আরব ও ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি দেশের সঙ্গে সম্পাদন করেছে। আরও অনেক দেশের সঙ্গে সম্পাদনের অপেক্ষায় আছে।
But BNP/Jamat say a lot of negative thing about সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে
লেখক বলেছেন: কী কইতে চাইলেন, বুঝায়া কন।
সাইফ শিশির বলেছেন:
মানে হলো, ইনডিয়া যতটা শক্তিশালী আদতে, তার চেয়ে অনেক বড়ো দেখছে বাংলাদেশের তরুন প্রজন্ম।ওই দ্যাশের একটা বিশাল অংশের লোক এখনো নিজেদের স্বাধীন মনে করেনা, মনে প্রাণে দ্যাশ মানে নাই সাতকন্যার জনগন, কাশ্মীরের জনগন, মাওবাদীরা। যাদের মুখে ভাষা নাই, মানা না মানার কথা বলতে পারে না, তারা গরিবিসীমার অনেক নিচে। এক কলস পানি আনতে ইনডিয়ার অনেক অনেক মানুষকে পাঁচ ছয় কিলো হাটতে হয়।
আমি দেখছি ওদের গ্রামগুলোর কত খারাপ অবস্থা।
সবমিলিয়ে যতটা শক্তিধর মনে করা হয় ইনডিয়াকে তার থেকে অনেক কম আছে।
লেখক বলেছেন: সহজে অনেক সত্য বললেন তো।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
বলা হয় ট্রান্সকম-এর মালিক লতিফুর রহমান। কিন্তু একই ব্যক্তি নেসলে বাংলাদেশেরও মালিক। দুইটাই সহযোগী।সুইজারল্যান্ডের নেসলের সাইটে ঢু মারেন একবার।
লেখক বলেছেন: নেসলে কি ভারতের কোম্পানি?
মাহবুব সুমন বলেছেন:
লেখা ভালো লাগছে মা.মো ।হমায়ুন আহমেদ জাতীয় বুদ্ধিজীবিদের বলি " বুদ্ধিবৃত্তিক বেশ্যা" । নিয়ত বিক্রয় হন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাল লাগছে বইলা।
াহো বলেছেন:
রাজনীতিতে পারস্পরিক স্বার্থে বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই। সবই স্বার্থের খেলা .সবাই বন্ধু বা শত্রুIndia/Pakistan/Burma
লেখক বলেছেন: হ। হইতে পারে।
ওরাকল বলেছেন:
শুধু মাত্র অন্ধ ভাবে ভারত বিরোধিতা কাম্ম নয় কিন্ত যখন যক্তি প্রয়োগ করি তখন যা পাই
Click This Link
এখন আপনারাই বলুন ভারতের বন্ধুত্বতা পাবার আশায় আর কত টুকু ছাড় দিবে বাংলাদেশ?
লেখক বলেছেন: এই প্রশ্নটার উত্তর পাওয়া দরকার।
লেখক বলেছেন: মানুষের জীবন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক আছে। তাই বইলা বাঘ মারাকে সমর্থন করা যায় না। বাঘ না বাঁচলে সুন্দরবন বাঁচবে না মনে রাইখেন।
লেখক বলেছেন: কারো সঙ্গে দ্বিমত করার অর্থ কিন্তু এই না যে পঁচা মাছ বইলা তারে বাতিল কইরা দিতে হবে। দেশের লাখ লাখ মানুষ তার লেখা পইড়া এখনও কান্দে এইটা মনে রাইখেন।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
বললাম তো, সুইজারল্যান্ডের নেসলে
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
রিসাত বলেছেন:
ব্যাখ্যা দিতে নাহি চাহি ,,,,,,,,,,, এত উচ্চমানের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ পড়ার মতো রুচিও আমার নাহি,,,,,,,,,,,,লেখক বলেছেন: এইটা কে?
রিসাত বলেছেন:
গিয়ানি ব্লগারের গিয়ানি পোস্ট,,,,,,,,,,, তয় মডু এই পোস্ট ইষ্টকি না করিয়া আমার দিলে আঘাত দিয়াছেন,,,,,,,,,,ওহো,,,,,,,,,,,, আরও ইকটু সাধুভাষা জানিলে মধু বর্ষণ করিতে সুবিধা হইত!! দুগ্ধ পোষ্য শিশুরা অত্র দেশমাতার স্বর্ণ মাটিতে জন্মায় বলিয়া তাহাদের বোধ শকতি অধিক থাকে বলিয়া জানিলাম,,,, নৃত্য নায়িকা, বাঘ,,, তথৈবচ আহা আরও কতোকিছু জানিলাম,,,,,
এইবার মূল কথায় আসি, ওনার মূল যুক্তি কী? উনার মূল যুক্তি ছিল মুক্তিযুদ্ধ,,, জুজু মুজু সুশীল নিম এইসব শব্দ নিয়া ঘষা ঘষি করলেই ভালো পোস্ট হয়া যায় না,,,,,,,
ভারতের সাথে ঐক্য ছাড়া বাংলাদেশের কোন গতি নাই,,,,, এইটা আমার ব্যাক্তিগত ধারণা,,,,,,,,, আর বড়ো দেশগুলার চাহিদাতো একটু বেশি হবেই,,,,,,,,,,, কোন দেশ এমন উদারভাবে আপনাদের ফরেন ট্রেইডে পসিটিভ টার্মস দেয়?????? কেন দিবে আগে সেইটা তো ষ্পষ্ট করেন,,,,,,,,,, আপনাদের পলিটিশিয়ারা করাপ্টেড,,,, রাইটাররা যে করাপ্টেট তা আপনাদের মতো কয়েকজনের কথা আসলেই বোঝা যাবে,,,,,,,,,, আপনার প্রশ্নগুলা অবশ্যই ভুল,,,,,,,, আমাদের ভেলু ক্রিয়েশন বলতে কিছুই নাই,,,,,,,, কোন ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরেই কোন সম্ভাবণা না,,,,,, তাদের মালিকদের সবাই করাপ্টেড এবং পলিউটেড,,,,,,,, শেয়ার মার্কেটে যান বুঝতে পারবেন,,,,,,,,, ইকোনমিক্সের খবর দবর নেন,,,,,,,,,
কেন ভাবেন যে হুমায়ুন আহমেদ ঘুম থেকে উঠে উঠে বক্তব্য দেয়??? সবাই আপনার মতো ব্যাস্ত থাকে না। (অনেক ডিসগাস্ট থাকা স্বত্তেও আপনার পোস্টে কমেন্ট করলাম,,,, হুমায়ুন কে নিয়া কথা বলবেন আর আমি চুপ থাকব তা হবে না)
লেখক বলেছেন: তুমি বুঝবা না। বড় হ্ও রিসাত।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আমি ভাবছি হুমায়ূন আহমেদ এই বস্তু পত্রিকায় না লিখে ফেসবুকে বা সামহোয়্যারইন ব্লগে লিখলে কেমন হতো? হুমায়ূন আহমেদের ব্লগে এসে এই লেখা দেয়া উচিত। কেউ রাজী করাতে পারবেন?
লেখক বলেছেন: এতে ওনার ভক্ত বাড়বে, কমবে না।
রিসাত বলেছেন:
বেশি বড় হয়া গেচেন বুজাই যায়। আগেও বহুত প্রমান দিছেন যে আপনে বড়।টিভি দেখা মধ্যবিত্ত বলতে কী বোঝেন??
আপনের লিখার যে দুইচোখই কানা এইটা বুঝার জন্য ২ বার পড়া লাগে না। যারা প্রিসেটেড মাইন্ড নিয়া লেখালেখি করে সমস্যাটা তাদের নিয়ে,,,,,,,,, ইটস ইউ হু নীডস গ্রৌ আপ,,,,,, গট ইট স্যার???
বাঙ্গাল বলেছেন:
এখন কেমন মনে হচ্ছে দাদা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















We can discuss and solve the issue.Presure them.Discuss them.