সরকারের এই ফ্যাসিবাদী সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিবাদ করতেই হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে এমন প্রতারণার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার সময় এখনই।
আজ সকালেই পাকিস্তানের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বাংলাদেশের ধর্মান্ধ গোষ্ঠীগুলো সরকারের কাছে ফেসবুক বন্ধের দাবি জানিয়েছে, এমন একটি খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের দেশে কার্টুন রাজনীতির নতুন মাত্রা হিসেবে এটিকে দেখা যেতে পারে। সরকার হয়তো ধারণা করেছে, পাকিস্তানের মতো করে বাংলাদেশেও ফেসবুক বন্ধ করা নিয়ে একটি আন্দোলন করে ধর্মান্ধ গোষ্ঠীগুলো মাঠ গরম করতে পারে। তাদের সেই আন্দোলনের আগেই সরকার কি ফেসবুক বন্ধ করে দিল? যদি তাই হয় তবে ধর্মান্ধতার কাছে সরকারের এই ন্যক্কারজনক আত্মসমপর্নের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ জানাতেই হবে।
আর যদি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেত্রীর ক্যারিক্যাচার ছাপার অপরাধে ফেসবুক বন্ধ করা হয় তাইলে এর চেয়ে লজ্জার ঘটনা আর কিছু হতে পারে না। নেত্রীদের অসম্মান করা হলে তার বিহিত আছে। এর মানে এই না যে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের শাস্তি দিতে হবে।
ধর্মীয় কারণে বা নেত্রীদের কারণে যে কারণেই ফেসবুক বন্ধ হউক সেইটা গ্রহণযোগ্য না।
সরকারের উচিত দেরি না করে ফেসবুক খুলে দেওয়া। মতপ্রকাশ, যোগাযোগ ও কথাবলার স্বাধীনতা বন্ধ করার এই ফ্যাসিবাদী পদ্ধতি অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১০ রাত ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


