
১.
আমরা দু'জনে অন্ধকারের ধেয়ে আসা বাতাসে খুলে দিয়েছি চুল
আমাদের মধুময় ভুলে
পিত্তিজ্বলা সুখ,মায়াচ্ছন্ন পাতার আড়ালে
হৃদয়ের আলো লুকোচুরি খেলেছে
আমরা বুঝেছি আছে নিশ্চয়...
নিশ্চয় কোথাও প্রেম আছে।

২.
জল-জোছনায় মাখামাখি রাত
কিছু তারা উড়ে জলের উপরে একা
পাড়ে বসে দু'জনে আমরা
চোখ খুলে দেখি প্রেমের কড়া নাড়া
পুকুর পাড়ে রাতের দাঁড়িয়ে থাকা।

৩.
তুমি যে বল ভালবাসা ভালবাসা......
তবে আজ বল তো ভালবাসা কি?
বৃদ্ধার ঝুলে পড়া স্তনে লেগে থাকা ফেনা?
নাকি কেটে ফেলা জমির ফসল?
তুমি আজ বলবে ভালবাসা মৃত নদীর উৎস কি না!

৪.
ঘন ঘন নি:শ্বাস,আমি বুঝিতো তোমার এখন
জল গন্ধ প্রয়োজন,
লোনা বুকের উত্তাপে পুড়ছে বালু-বন।

৫.
সন্ধ্যেটা বড় দ্রুত যায় লোহার গরম বলের সাথে
মিঠে আগুনের ধুপি
গুড়ের টুকরো ছড়িয়ে পড়েছে তাতে।

৬.
গত কতদিন সুখে কাতর রমনীর মত কাঁদিনি,তুমি আমাকে কাঁদতে বলেছো
পরিপূর্ণ স্বস্তি,সন্তোষ নীলপক্ষের আকাশে,কোখা থেকে এত মেঘ আনি বল?
পক্ষীমাতার ফেনশুভ্র কোমল করতল,আঙিনায় শুয়ে থাকা নুড়ির জল
কি করে শুষে নিয়ে চোখে পু'রি !
কি করে আগল খুলে তোমাকে শোনায় একটা আষাঢ়ে গল্প...
তোমার শোকে না হয় বিষন্ন হলাম
রহস্যান্ধকারে ভেসেভেসে সমুদ্র নিয়ে এলাম.... তারপর?
তারপর কে শোধ দেবে ভালবাসা?
ভালবাসায় ভরা অশ্রুর দাম....!

৭.
আমি জানি কাল আমার একটি কবিতা লেখা হবে
যখন আমি তোমাকে দেখতে যাব,
তোমার মৃত হাত আমাকে একটি কবিতা দিয়ে বলবে,
দিলাম,নিয়ে যাও....।
তোমাকে না পেলে বিদ্রোহ করে সরস্বতী
বিদ্যুদগর্ভে সন্তান ধারন;মাটি লেপা একটা মুখ...
বিষয়ী ভাবনার স্বত:স্ফুর্ত বিধান-
রাত জুড়ে চাঁদের চিৎকার......
সব অসমাপ্ত শব্দ নিয়ে ঘুরছি
বিপঞ্চিকায় সুর নিয়ে খুঁজছি তোমার মৃত হাত
বহু কাল ধরে........
তবু কাল আর আসেনা একটি কবিতা নিয়ে।

৮.
আজ আমি অনেক লিখবো,
শত শব্দ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বৃষ্টির মত মেঘের পরিবারে...
সব শব্দের শব বহন করবো খাটিয়ায়-
তবু যে চিঠির অপেক্ষায় আছি এতকাল
তার দাবি ছাড়বোনা কিছুতেই।
রক্তকনায় উচ্ছ্বাস নিয়ে,ধারাবাহিক উষ্ঞতায়
তোমার জন্য লিখবো অনাগত চিঠির উত্তর......
নিজেকে আড়াল করোনা তবু-
আমি আছি।
নীল ভরসায় এক গুচ্ছ প্রেম নিয়ে তোমার জন্যই বাঁচি।

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


