১।
হার মানছে সারা রোদ্দুর
এরপর আর তাপ বিলোবেনা
এরপর সে লিখবে জনমানুষের কথা
যা হয় হবে;
মিউজিক থামলেও নাচ আর থামবেনা,
আঙ্গুল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এবার সে আকাশ দেখাবে!
২।
মধুবন-
যাবার পথে ঘর হয়ে যেও।
কুড়িয়ে পাওয়া শালের পাতায় অল্প একটু প্রেমের প্রসাদ। রাত্রিবেলা মাটির
দাওয়ায় অশ্বথ চারা। গজাবে বড় হবে।
৩।
জোনাকি তোলপাড় তোলো, এভাবে আর কত!
বনের সন্ন্যাসীও ঘরে ফিরে আসে।
ঘর বাঁধো জোনাকি, এভাবে আর কত?
বৃষ্টিরা শোধ দেবে সমস্ত পাওনা। জোনাকি আমার গলার ফাঁসটা খুলে দাও।
পাহাড় থেকে যেন দেখি, ভাল আছো, সুখে আছো ঘরে।
জোনাকি আলোটা জ্বেলে রেখো প্রতিরাতে।
৪।
লাপাত্তা ঘুড়ি হয়ে আজ তবে হারানোর মন হল তার!
৫
এখন এখানে কলঙ্ক, শান্তশীল ঈর্ষা! শরীরে ঝিঁ ঝিঁর ডাক। অবিশ্বাস্য
দ্বিধায় কলিংবেলে হাত। এখানে জৌলুস নেই, শুধু এক পুরোনো সৌন্দর্য্য।
গাদাগুচ্ছের স্বপ্ন!
৬।
যত দূর থেকে দেখি তত ভাল লাগে। এ ঝড়! কবির অক্ষমতা ক্ষমা করে দিও,এক
উদ্বেলিত নদীকে প্রকাশে তার চিত্ত শংকিত। গোপন সন্ন্যাসী ভালবাসা না পারো,
ঘৃনাকে পথ করে দাও। আমার ঘৃনাকে গ্রহন করো!
৭।
কিছু চলছেনা, মহানিমের ছায়ায় আটকা পড়েছে পলাশ। গরম বাড়ছে। বরফেরা নদী।
অদৃশ্য দূরত্ব-
তবু বড় চোখে লাগে!
৮।
লেখাগুলোর বয়স হলো। শুকিয়ে যাচ্ছে বোঁটা। ঝরে পড়ছে কুঁড়িও। তোমার সখ পুরোনো
কান্নার। একটি ডাবল-ডেকার এখুনি ছাড়বে। বৃষ্টিতে ভিজে থেকে আর কত
দাঁড়াবে!
৯।
জোনাককুমার-
আমাকে তাহলে ঘোর এনে দাও
দু এক চুমুক সুরা!
১০।
না পাওয়া নিয়ে কাব্য হবে ? সে পুরুষ তবে ভুলেছে আঁচড়ের চক্রবাক!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




