
১.
আমি শেকড় খুঁজে তোকে মাটির গন্ধ দিই
আমি তোর রস
আমি তোর প্রেমে আকন্ঠ বশ! দোলনায় ঝুলে দোল খেতে থাকি গর্ভরাতে।
চাঁদিমা মেখে দি কোমল প্রভাতে। তোর হয়ে করি জোছনা ফেরি!
রোদের জোছনা কন্যাকুমারী ।
আমি শেকড় খুঁজে তোকে উপড়ে আনি
আঁকি সোহাগের পর্বতশ্রেনী!
২.
চোখ ভর্তি করে বয়ে যায় গভীর ক্যারাবিয়ান! শেকলের গোপন পথে আরেক কড়া দিয়ে মেপে দেখো নাগাল পাবেনা। দূর্গম ফ্যদমে জলজ গভীরতা। সারা ঠোঁট পৃথিবীর লাসা! একটি নিষিদ্ধ শহর বসবাস করে এ ঠোঁটে। হাঁটু গেড়ে বসে থাকি অশ্লীল আকৃতির প্রার্থনালয়ে। বুকের মত বেননেভিস। দু হাত জোড় করে করুন হ্রদের প্রার্থনা শুনি, আমাকে পাইয়ে দাও। একবার ভালবাসা পাইয়ে দাও হে মানুষের বিধাতা!
৩.
কবিতা গায়ে আলোয়ান চাপিয়ে রাস্তায় নামে, খুঁজতে থাকে একটা নীল ট্যাক্সি ক্যাব!
কে জানে
গতরাতে তোমার লেখা চিঠির খামটা
আদরের পরে নারীর মত এলো হয়ে শুয়ে আছে
পেছনের সিট এ। কবিতার দু স্ট্রিপের স্যান্ডেল থেকে ছটফট শব্দ ওঠে ইঞ্জিনের মত।
কবিতা চিঠি খোঁজে , কবিতা খোঁজে নীল ক্যাব।
৪.
সোনার ফুলটা আকাশে মুখ
রাস্তার পাশে দারুন সুখেরা ভালবেসে বলে
আসুক অসুখ!
সোনার ফুলটা জলের চিবুক।
সোনার ফুলটা শততম ঋণ
সোহাগের পাড়ে বালুর বাঁধেরা
ভেঙে ভেঙে পড়ে দু একটা দিন।
সোনার ফুলটা নিদয়া প্রাচীন।
৫.
শহরের বুকে জল সারাক্ষন
শহরের চোখে জল
তবু শহরটা নদী হয়নি কোনদিন;
শহর যখন গড়িয়ে যাবে
আনন্দটা ছড়িয়ে যাবে।
শহর তখন শুধু
নদীর পাশের বালির পাহাড় ধুধু-
দুপুরের পরে শহর সেদিন
পা বাড়ায় পথে রমনী বিহীন!
শহরের বুকে জল সারাক্ষন
শহরের চোখে জল সারাদিন।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


