কিছু ব্লগার আছেন যারা জামাত, স্বাধীনতা, মুক্তিযোদ্ধ ইত্যাদি প্রসংগ এলে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ইসলামের বিরুদ্ধাচরন করছেন কিংবা ব্যংগ করছেন, অনেকে আবার অপব্যখ্যাও দিচ্ছেন। এসব অপপ্রচার কিংবা বিভ্রান্তির অবসান ঘটানো সম্ভব ইসলামের প্রকৃত চেহারাটি তুলে ধরা মাধ্যমে।
তাই সিরিজ আকারে বিভিন্ন হাদিস আর সত্য ঘটনার আলোকে বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামের প্রকৃত অবস্থানটি তুলে ধরার প্রয়াসে এই সিরিজটি চালানোর ইচ্ছা পোষন করি।
আজকে যে সত্য ঘটনাটির আলোকপাত করা গেল তা কাফেরদের ব্যপারে আমাদের সহনশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।
আমাদের অন্যতম প্রিয় নবী হযরত ইব্রাহীম(আ) প্রতিদিন একজন মুসাফিরকে সাথে নিয়ে খাওয়া খেতেন যা ছিল আল্লাহসুবহানাতাআলার কাছে খুবই প্রিয়।একদিন খাওয়ানোর জন্য তিনি মেহমান তালাশ করছিলেন।এমন সময় জনৈক অচেনা লোকের সাথে তার সাক্ষাত্ হল।তিনি তাকে ঘরে নিয়ে এলেন।যখন খানা খেতে শুরু করবেন,তখন হযরত ইব্রাহীম(আ)আগন্তক মুসাফিরকে বললেন-বিসমিল্লাহ বল।সে বলল-আল্লাহ কাকে বলে আমি জানি না।হযরত ইব্রাহীম(আ)রাগান্বিত হয়ে তাকে দস্তরখান থেকে তাড়িয়ে দিলেন।যখন লোকটি বের হয়ে গেল,তখনই হযরত জিবরাঈল(আ) উপস্হিত হলেন ও জানালেন যে,আল্লাহ তাআলা বলেছেন-আমি তার কুফরী সম্পর্কে জানা সত্বেও সারা জীবন তাকে আহার্য-পানীয় দিয়ে আসছি।আর আপনি একে এক বেলা খাবার দিতে পারলেন না।একথা শোনা মাএ হযরত ইব্রাহীম(আ) ঐ লোকের তালাশে ছুটলেন।অবশেষে তাকে ঘরে নিয়ে এলেন।কিন্ত সে লোক বেকে বসল ও বলল,আপনি প্রথমে আমাকে তাড়িয়ে দিলেন,পরে আবার সাধাসাধি করে আনতে গেলেন কেন?এর কারণ না জেনে আমি খানা খবো না।হযরত ইব্রাহীম(আ) ঘটনা বর্ণণা করলেন।কাফের লোকটির মধ্যে ভাবান্তর সৃষ্টি হল এবং সে ঈমান আনল। অতপর সে বিসমিল্লাহ বলে হযরত ইব্রাহীম(আ) এর সাথে খানা খেতে আরম্ভ করল।তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি পৃথিবীতে সর্বপ্রথম মেহমানদারীর প্রথা চালু করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


