আমার প্রিয় পোস্ট
- জানিনা,পেরেক কোথায় বিঁধে আছে/ছোট গল্প - বিহংগ
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- আর কতকাল ? - লাবণ্য প্রভা
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩ (কেউ কথা রাখেনি ---সুনীল) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সেবার দাপটে সর্বেসর্বা - জ্বিনের বাদশা
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আমাদের জন্য হযরত মুহাম্মদ (সা
এর ভালবাসা - অজানা একজন
রিলিজিয়াস ফ্রিডম রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৪
মার্কিন সরকারের সদ্য প্রকাশিত রিলিজিয়াস ফ্রিডম রিপোর্টে বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধিনতার ব্যপারে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। ভারত পাকিস্তানের চাইতে এদেশের সংখালঘুরা আরো বেশি ধর্মীয় স্বাধিনতা উপভোগ করছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যদিও সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দেয়া হয়েছে তবুও আইন, পাবলিক অর্ডার আর নৈতিকতার প্রশ্নে প্রত্যেকেই নিজ ধর্মের প্রকাশ, অনুশীলন ও প্রচার চালাতে পারে সেই অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে ধর্মীয় কমিউনিটি গুলোর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা আর রক্ষনাবেক্ষনের পুর্ন অধিকার রয়েছে। সংখালঘু নির্যাতনের কোন উল্লেখযোগ্য অভিযোগ না থাকার কথাও এতে বলা হয়েছে।
অথচ কিছুদিন আগে কিছু ব্লগার মিথ্যে অভিযোগ করেছিলেন সংখালঘু নির্যাতনের।
যাহোক এই সংখ্যার দি ইকোনোমিষ্টে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে ইউরোপে মসজিদ নির্মানে যে প্রতিবন্ধকতা গড়ে তুলা হয় সে ব্যপারে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। নিচে তা সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া গেল।
কিছু দয়ালু এবং শান্তিপ্রিয় তুর্কি পিটাসবার্গে তাদের ইসলামিক সেন্টার বানানোর পরিকল্পনাটির ব্যপারে দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য হল যখন স্থানীয়দের ক্রোধের সম্মুখীন হতে হল তাদেরকে। অস্ট্রিয়ার হেইডার এই বলে শিরোনাম এলেন যে তিনি যে প্রদেশের গভর্নর সেখানে কোন মসজিদ বানাতে দেয়া হবেনা। মেম্ফিস, টেনেসিতে স্থানীয়দের প্রবল বিরোধিতা সত্তও মুসলমানেরা শেষ পর্যন্ত সেখানে তাদের কবরস্থান গড়তে সমর্থ হল। দুটি বৃহত্তম সুইস রাজনৈতিক দলের রাজনীতিকরা কনস্টিটিউশনে নতুন আইন প্রনয়নের উদ্যোগ নিলেন যে আইনে সুইজারল্যন্ডে মিনারওয়ালা কোন স্থাপত্য গড়া যাবেনা। উল্লেখ্য হাতে গোনা কয়টি মসজিদ ছাড়া পাশ্চাত্যের বেশিরভাগ মসজিদই অমুসলিমদের প্রতি হুমকিস্বরূপ নয়।
ইউরোপের দেশে দেশে মসজিদের নির্মানে এই যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা আমেরিকাতে তুলনামুলকভাবে নেই বললেই চলে। ইউরোপেও আমেরিকার মত আইনে এবং কনস্টিটিউসনে যদিও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা আছে কিন্তু রাজনৈতিকভাবে তার বাস্তবায়ন নেই। তুরস্কের ইউনিভার্সিটিগুলোতে যখন মাথায় স্কার্ফ পরা নিষিদ্ধ করা হয় তখন ইউরোপিয়ান কোর্ট ধর্মীয় স্বাধীনতার ব্যপারে নিরব থাকে।
পশ্চিমারা যদিও বিভিন্ন প্রকার স্বাধীনতার ব্যপারে সোচ্চার হয় কিন্তু বাস্তবচিত্রটই ভিন্ন। দে শুড ডু হোয়াট ডে প্রীচ।
মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মানে প্রতিবন্ধকতা না থাকলেও ইউরোপে তা আছে। তাই বলতেই হয় পশ্চিমারা যা বলে তা তাদের কাজে প্রতিফলিত হ্ওয়া উচিত।
চতুরভূজ বলেছেন:
ধন্যবাদ, মাহিরাহি। পৃথিবীবাসি যেন বোবা হয়ে গ্যাছে, মুসলিমের উপর এত অত্যাচার নীরবে সইতে হচ্ছে!! কিছুই করতে পারছিনা!!
নাম্বারহীন বলেছেন:
জনাব মাহিরাহি আপনি একটা জ্ঞানপাপি। ইউরোপে সরকারী অফিসে এবং পাবলিক প্লেসে ধর্ম প্রচারে বাধা রয়েছে, সে বাধা ব্যাক্তি বাস স্হানে না। সেটার সাথে এটার কি সম্পর্ক। ভারত আর পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করে যদি সাম্প্রদায়িকতা দেখতে হয় তাহলে মনে হয় সমস্যা কেনোন দুটো দেশেই ধর্মবাদী শক্তি বেস জোড়দারী
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
বাংলাদেশের ভবিষ্যত যদি ইসলাম (বা হিন্দু বা খ্রীষ্টান বা অন্য কোন) ধর্ম হয়, তবে এই রিপোর্ট নিশ্চিতভাবেই অন্যকিছু বলবে। এইটুকু বোঝার চেষ্টা করুন।আর আপনি শুধু পশ্চিমাদের ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করতে দেখেন, দেখেন না তারা অন্য ধর্ম নিয়েও একই আচরণ করে।
আর এই রিপোর্টের রেফারেন্স যখন দিলেনই তখন না বলে পারছি না, এই রিপোর্ট এসেছে এখনও বাংলাদেশে যুক্তি দিয়ে বিচার করার মত কিছু মানুষ বাস করে বলে, ধর্মান্ধ উগ্রবাদীতে দেশটা এখন ভরে যায়নি বলে।
মাহিরাহি বলেছেন:
নাম্বারহীন লিংকে গিয়ে ইকোনোমিষ্টের আর্টিকেলটা ভালমত পড়ুন। প্রশ্নোত্তর ২০০৩ সালের জরিপে দেখা গেছে বাংলাদেশের মানুষ ধর্মীয় পরিচয়টা বড় করে দেখে। তাই ক্রেডিটটা তথাকথিত প্রগতিশীলদের নয়, সাধারন জনগনের যারা সহনশীল, অন্যের ধর্মের প্রতি এবং ইসলাম তাই শিক্ষা দেয়।
নাম্বারহীন বলেছেন:
" বাংলাদেশের মানুষ ধর্মীয় পরিচয়টা বড় করে দেখে। " সেটা হলে সহনশীল হয় কেমন করে, সেটারে বাদ দিয়া দেখতে পারলে না সহনশীল
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
মাথায় স্কার্ফ পরা নিষিদ্ধ করা ব্যাক্তিগত ও ধর্মীয় উভ্য় স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ বলে মনে করি।
ইকারুস বলেছেন:
আসলে দেশের বাইরে থেকে যারা দেশে সংখ্যা লঘু নির্যাতন আবিষ্কার করেন তাদের কথা না শোনাই ভাল। আমি মনে করি বাংলাদেশের ধর্মীয় সহাবস্থান অন্য যে কোন দেশের চাইতে ভাল।
আমি নিজে চট্টগ্রামে দেখেছি, মন্দির মসজিদ পাশাপাশি। জুমার দিন একবার পুজো পড়েছিল।
দেখলাম নামাজের সময় টুকু ব্যতীত মন্দিরে বাদ্য কীর্তণ চলছে.....
এরকম নজির যে দেশে আছে সে দেশ সম্পর্কে কেমনে মিথ্যা বলি।
যদি না তাতে আমার কোন রাজনৈতিক ফায়দা থাকে!



















ভিষন খাঁটি কথা বলেছেন।