আমার প্রিয় পোস্ট

নবীজি সা: অমর্যাদাকারীরা কেন মানবতার শত্রু

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৫

শেয়ারঃ
0 0

ভারতের বিখ্যাত কবি সরোজিনি নাইডু বলেছিলেন, আমি অবাক হয়েছি ইসলামের ঐক্য দেখে যা মানুষের মধ্যে অখন্ডনীয় ভ্রাতৃত্ববোধের জন্ম দেয়।

ইসলাম বিদ্ধেষীরা কাস্মীর, ইরাক কিংবা ফিলিস্তিনি মুসলমানদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করলে, ইসলামী বিশ্বের ভ্রাতৃত্ববোধের কথা বললে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে। কেননা ইসলামের এই মুল শিক্ষা আমরা ভুলে বসেছি অনেক আগেই। ইসলামের শত্রুদের জন্য তাই এখন সহজ হয়েছে শতধা বিভক্ত মুসলিম জাতিকে আক্রমনে শতছিন্ন করা।

তিনি আরো বলেছিলেন, এটাই প্রথম ধর্ম যা কিনা গনতন্ত্রের কথা শুধু বলেইনি চর্চাও করেছিল। দিনে পাচবার আজানের ধ্বনি শুনে মসজিদে যখন নামাজীরা সমবেত হন ইসলামে তখন গনতন্ত্রের চর্চাটি পরিলক্ষিত হয়, কেননা বাদশাহ গরীব পাশাপাশি মাথানত করে উচ্চারন করে, আল্লাহই কেবল সর্বশক্তিমান।

মহান এই ধর্মের প্রবর্তককে এখন অবমাননা করতে ইসলামের শত্রুদের একটুও বাধে না। তাদের ভাষায় উনি একজন প্রতারক ছিলেন (নাউযুবিল্লাহ)। এখন তাকে আক্রমনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এইসব মানবতার শত্রুরা। নি:সন্দেহে তারা ঈর্ষান্বিত।

মাইকেল এইচ হার্টের বিশ্বের ইতিহাসে ১০০জন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লিস্টে হজরত মোহাম্মদ সা: এক নাম্বার ছিলেন। কেননা ধর্ম এবং সেক্যুলার উভয় লেভেলে তার সফল মানুষ দ্বিতীয়টি জন্ম নেইনি।
মহানবী সাঃ একজন ধ্রমের প্রবর্তক, একটি রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, একটি জাতির প্রতিষ্ঠাতা, একটি নীতি বিষয়ক আইনের প্রবর্তক এবং বহু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের প্রবর্তক।

ফরাসী বিখ্যাত সাহিত্যিক এবং ঐতিহাসিক লামারটাইনের ভাষায়,
মনুষ্য প্রতিভাকে যদি যাচাই করা হয় উদ্দ্যেশের মহাত্ব্যে, আয়াসসাধ্য প্রচেষ্টায় আশ্বার্যজনক ফলাফলের লাভের ভিত্তিতে তাহলে কার দু:সাহস আছে নবীজি সা: কে তুলনা করে আধুনিক ইতিহাসের কোন মহান ব্যক্তিত্বের সাথে।
তার মতে তিনি তার মহান উদ্দ্যেশ সাধনের যুদ্ধে জয়ী হলেও কখনোও ধৈর্যহারা, আত্মহারা হননি, বরন্চ তিনি নিজেকে সর্বোতভাবে উতসর্গ করেছিলেন একটি মাত্র উদ্দ্যেশে, তিনি ক্ষুদার্ত ছিলেন না কোন সামার্জ্য স্হাপনে। তার অশেষ প্রার্থনা, আল্লাহর সাথে রহস্যপুর্ন কথোপকথন, তার মৃত্যু, মৃত্যু পরবর্তী ইসলামের অগ্রযাত্রা সবই প্রমান করে যে তিনি প্রতারক ছিলেন না, ছিলেন একটি সত্য ধর্মের প্রবর্তক।

মাত্র ২৩ বছরের মধ্য তিনি পুরো আরব বিশ্বের চেহার বদলে দিয়েছিলেন।
মুর্তিপুজারি একটি জাতিকে একত্ববাদে দীক্ষিত করেন।
জাতিগত যুদ্ধে নিয়োজিত জাতিগুলিকে একতাবদ্ধ করেন।
মদ্যপায়ী, অসংযমী যৌনাচারে অভ্যস্থ একটি জাতিকে ভদ্র এবং বিনয়ী জাতিতে পরিনত করেন।
উশৃংখল এবং জংলী একটি জাতিকে সুশৃংখল জাতিতে পরিনত করেন।
নীতিবিবর্জিত জাতিকে পরিনত করেন একটি নীতিবান জাতিতে।

দুযুগের মধ্যে একটি সমাজের অভুতপুর্ব এই পরিবর্তন মানব ইতিহাসে কখনো ঘটেনি।

একসময় ইউরোপ জুড়ে মিথ্যা প্রচারনা চালানো হয়েছিল ইসলাম আর নবীজি সা: কে নিয়ে। সাথে পোপ আর চার্চের উস্কানিও ছিল।


পৃথিবীখ্যাত ইতিহাসবিদ টমাস কারলাইল বলতে তাই বাধ্য হয়েছিলেন,

."এই মহামানবের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য পশ্চিমারা অপপ্রচার চালানোর ব্যপারে যে উতসাহ উদ্দীপনা দেখিয়েছিল তাতে করে তারা নিজেদেরকেই অসম্মানিত করেছিল।"

."সংকল্পে অটল এই মহাত্বা পৃথিবীকে আলোকিত করার জন্য স্রষ্টা কর্তৃক নির্দেশিত হয়েছিলেন।"

"অনারম্ভর সহজ সরল জীবন যাপন ছিল নবীজি সা: এর। কিন্তু তার মহান লক্ষ্য বা উদ্দ্যেশ সাধনে তিনি সফল হয়েছিলেন, খুব কম সময়ের মধ্যে। "

ব্রিটিনিকা এনসাইক্লোপিডিয়ার ভাষায়,
"বিভিন্ন বিস্বাসযোগ্য বর্ননায় এটা সহজেই অনুমেয় কেবল সত আর নীতিতে অটল দায়িত্বশীল লোকের পক্ষেই সম্ভব নবীজি সা: মহাত্ব্য আর বিশালত্বকে বুঝতে পারা।"

হীনমন্য, দুরাচার,নীতিহীন, বিবেকবর্জিত, দায়িত্বহীন মানুষের পক্ষে কখনো সম্ভব নয় তার মহাত্ব্য আর বিশালত্বকে বুঝতে পারা।


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩০
মাহিরাহি বলেছেন: “.... A mass of detail in the early sources show that he was an honest and upright man
who had gained the respect and loyalty of others who were like-wise honest
and upright men."
ENCYCLOPAEDIA BRITANNICA (Vol. 12
২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
মাহিরাহি বলেছেন: "How one man single-handedly, could weld warring tribes and wandering Bedouins into a most powerful and civilized nation in less than two
decades."
"The lies (Western slander) which well-meaning zeal has heaped round this man (Muhammad) are disgraceful to ourselves only."
"A silent great soul, one of that who cannot but be earnest. He was to kindle the world, the world’s Maker had ordered so."
THOMAS CARLYLE
৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
মাহিরাহি বলেছেন: "It was the first religion that preached and practiced democracy; for, in the mosque, when the call for prayer is sounded and worshippers are gathered together, the democracy of Islam is embodied five times a day when the peasant and king kneel side by side and proclaim: 'God Alone is Great'...

I have been struck over and over again by this indivisible unity of Islam that makes man instinctively a brother"

The famous poetess of India, SAROJINI NAIDU
৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
মাহিরাহি বলেছেন: “If greatness of purpose, smallness of means and astounding results are the three criteria of human genius, who could dare to compare any great man in modern history with Muhammad?”

His forbearance in victory, his ambition, which was entirely devoted to one idea and in no manner striving for an empire;
His endless prayers, his mystic conversations with God, his death and his triumph after death;
All these attest not to an imposture but to a firm conviction which gave him the power to restore a dogma.
This dogma was two-fold, the unity of God and the immateriality of God; the former telling what God is, the latter telling what God is not; the one overthrowing false gods with the sword, the other starting an idea with the words.

"Philosopher, orator, apostle, legislator, warrior, conqueror of ideas, restorer of rational dogmas, of a cult without images, LAMAR TINE
৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
কানা বাবা বলেছেন:
সরোজিনী নাইডু আফা'র (?) লগে আমিও এ্যাকমত।
তার কতার সপক্ষে এই ব্লগের মানুষগুলানের "অখন্ডনীয় ভ্রাত্রত্ববোধ"ই পোরমান হিসাবে যথেষ্ট...
ইসলাম এই ব্লগের সবগুলান মানুষরে কিমুনের সোন্দর "ভ্রাত্রত্ববোধ" দিয়া আষ্টেপৃষ্টে বাইন্ধা রাখছে!!!
৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সরোজিনি নাইডু ভারতের বিখ্যাত কবি! দারুণ তো।
৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এইবার মুল আলোচনায় আসি। আমাদের মহানবী (সা.) সত্যিকার অর্থেই একজন মহামানব ছিলেন। অসাধারণ চুম্বকসম ব্যক্তিত্ব দিয়ে তিনি বিরোধীদের জয় করেছেন। তার চরিত্রে এমন কিছুই ছিল যা দিয়ে তাকে আলাদা করা যেত আর সবার থেকে। বিরোধীরা তার যে বিষয়গুলিকে আক্রমণ করে তার মধ্যে আসে তার বিবাহ। এটা তাদের মাথায় ঢোকেনা যে সেটা সে সময়ের আরবের কালচারের অন্তর্গত। আর মুসলমানদের মধ্যে ফেতনার জন্য কিছু উগ্রপন্থী দায়ী। নবিজী যা শান্তির মাধ্যমে অর্জন করেছেন, তা তারা তরবারি দিয়ে ব্যাপ্তি দিতে চেয়েছে। অবশ্য ইসলামকে ধরে রাখার জন্য এই জিহাদ তখন ফরজ ছিল। কিন্তু এখন কাশ্মির-ফিলিস্তিনে যেই জঙ্গীবাদ, আফগানিস্তান এবং পর্যায়ক্রমে ইরাকে বিপন্ন যে ইসলাম তা আমেরিকার ইন্ধনে বোকা বনা একদল চরমপন্থীর কারণেই হচ্ছে। আর তাদের জেহাদী জোশেভরা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হচ্ছে বাকিরা
৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
মাহিরাহি বলেছেন: Sarojini Naidu (February 13, 1879 - March 2, 1949), known as Bharatiya Kokila (The Nightingale of India), was a child prodigy, freedom fighter, and poet. Naidu was the first Indian woman to become the President of the Indian National Congress and the first woman to become the governor of a state in India. She was active in the Indian Independence Movement, joining Mahatma Gandhi in the Salt March to Dandi

In 1905, the first volume of her collection of poems was published as The Golden Threshold. Two more volumes were published: The Bird of Time (1912) and The Broken Wing in (1917).

Sarojini Naidu is also well acclaimed for her contribution to poetry. Her poetry had beautiful words that could also be sung.
http://en.wikipedia.org/wiki/Sarojini_Naidu
১০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
আশরাফ রহমান বলেছেন: প্রিয় পোস্টে যুক্ত হইল ।
১১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫২
মাহিরাহি বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বহুলাংশে সহমত।
১২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
মাহিরাহি বলেছেন: নবীজি সা: খাদিজা আ: সাথে ২৭ বছর সংসার করেন।
তার জীবনের ৫৪ বছর পর্যন্ত তার একজন মাত্র সহধর্মিনী ছিলেন।
তার পরিবর্তী বিয়েগুলো ছিল বিশেষত রাজনৈতিক কারনে।
১৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সরোজিনি নাইডু কবি হিসেবে খ্যাতিমান যতটা তারো বেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে, বিশেষ করে গান্ধিজীর শিষ্যা হিসেবে।
১৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
কেএসআমীন বলেছেন: কারণে অকারণে নবীজিকে এই ব্লগে আনাটা অন্যায়। যারা আনে তারা সবাই ছাগল। ব্লগ ধর্মসংক্রান্ত আলোচনার জায়গা না, এটা যেদিন থেকে তারা বুঝবে, সেদিন আমাদের কিছুটা হলেও মঙ্গল হবে।
ব্লগে নানা মতের মানুষ থাকে, নানা ধর্মের মানুষ থাকে। এখানে কোন একটি ধর্ম নিয়ে আলোচনা করলে তা হবে বোকামী ও ঐ ধর্মের জন্য ক্ষতিকর...
১৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০০
কেএসআমীন বলেছেন: পাদটিকা : বাড়িতে মিলাদের আয়োজন করুন। নবীজির জীবনের উপর আলোচনা করুন। এটাই সর্বাপেক্ষা উত্তম...
প্রয়োজনে আমাদের কিছু ব্লগারদেরও দাওয়াত করুন...
১৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭
কানা বাবা বলেছেন: েকএসআমীন বলেছেন: "ব্লগে নানা মতের মানুষ থাকে, নানা ধর্মের মানুষ থাকে। এখানে কোন একটি ধর্ম নিয়ে আলোচনা করলে তা হবে বোকামী ও ঐ ধর্মের জন্য ক্ষতিকর..."


নানান জাতের নানান মতের মানুষ থাকে বইল্যাই তো ব্লগে সব বিষয় নিয়া কথা অইবো। ধর্ম নিয়াও অইবো। না অইলে আমরা অধমেরা ভিন্নমতাবলম্বীদের লজিক জানমু ক্যামতে, ক্যামতে বুঝমু যে আমি যেইটুকুন বুঝি বা জানি হেইডাই বেবাক না? নিজে নিজে? জাননের ব্যাপারডা তো আর স্বমেহন না... এইহানে "এসো নিজে করি" তরিকা খাটবো না...
@েকএসআমীন

১৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১০
কানা বাবা বলেছেন:
মীলাদ প্রথা কি ইসলাম সমর্থিত?
দাওয়াত খাওনের উছিলা হিসাবে তো অন্য কিছুর কথাও আসতে পারে (কিংবা পারতো!)...
@েকএসআমীন
১৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৫
শরীফ আবদুল্লাহ বলেছেন: খুব ভাল লাগল লেখাটি। ধন্যবাদ।
২০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০০
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
খুব ভাল লাগল লেখাটি। ধন্যবাদ।
২১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
মাহিরাহি,
আপনার চমতকার লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আমি নিজেও মহাম্মদ সা. কে মানুষ হিসাবে অসম্ভব শ্রদ্ধা করি।

আমি যদি মানব ইতিহাসের মহামনবদের লিস্ট তৈরি করি, তাতেও মুহাম্মদ শীর্ষ দশেই হয়তো থাকবেন।

তাঁকে শ্রদ্ধা করি জন্যই এখন- এ যুগের প্রেক্ষিতে, যা কিছু মানব সমাজের জন্য প্রতিক্রিয়াশীল- তার বিরোধিতা করি। মনে রাখবেন- মুহাম্মদ সা. -ও কিন্তু মানুষের জন্য- মানে মানব সমাজের জন্যই তাঁর পিতৃ-মাতৃ ধর্মের বাইরে যেতে পেরেছিলেন, বাপ-দাদার ধর্মকে অস্বীকার করে মানুষের জন্য শান্তির ধর্ম প্রবর্তনে ব্রতী হয়েছিলেন!!!

তাঁকে শুধু কথায় শ্রদ্ধা নয়, তাঁর দেখিয়ে যাওয়া পথও অনুসরণ করেই শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা সম্ভব।
২২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল,
আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

তবে, সকলেই কিন্তু নবীজির খুত দেখানোর জন্য তাঁর বিবাহ, থেকে শুরু করে ইসলামে অনুমোদিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা-বার্তার উপস্থাপন করে না। অনেকেই দেখাতে চায়, দেখ এই সেই মুহাম্মদ সা.- যিনি একজন মানুষ, অবশ্যই খুবই উন্নত ব্যক্তিত্বের অসাধারণ মানুষ, কিন্তু তিনি যুগের উর্ধে নন- ফলে তাঁর মানুষের প্রতি অবদানের স্পিরিট টি গ্রহণ করো, অন্ধভাবে তাঁর ফলোয়ার হয়ো না।
এটি শুধু তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যুগে যুগে পৃথিবীতে আসা সকল মহামানবদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
২৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৪
দ্বীপবালক বলেছেন: বহুত উপাদেয় পোস্ট। প্রিয়তে যোগ হইল।
২৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আরেকটি কথা বলি,.........
আপনি বলেছেন,
.....দিনে পাচবার আজানের ধ্বনি শুনে মসজিদে যখন নামাজীরা সমবেত হন ইসলামে তখন গনতন্ত্রের চর্চাটি পরিলক্ষিত হয়, কেননা বাদশাহ গরীব পাশাপাশি মাথানত করে উচ্চারন করে, ........

---------------------->

মুহাম্মদ সা. এর এমন আরো অনেক অবদানই ছিল, সে সময়ের প্রেক্ষিতে অনন্যসাধারণ, দাসপ্রথার বিরুদ্ধে দারুন এক ফাইটে ভাস্বর। দাসমালিক আর দাসদের একই কাতারে নামাজ পড়ানো বা দাসের আহ্বানে (আযানে) দাসমালিকদের মসজিদে আসা এসব উদাহরণ মানুষ মুহাম্মদের দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রামের কথাই মনে করিয়ে দেয়। উপরন্তু, সে সময় মসজিদকে তিনি শুধু উপসানালয় হিসাবেও দেখেননি। মদিনায় তার ইসলামি রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রই ছিল মসজিদে নববী। তিনি মসজিদকে অন্যভাবে দেখেছিলেন।

কিন্তু, সমস্ত কিছুকে সময়ের বাস্তবতার নিরিখে পর্যালোচনা করাই শ্রেয়। আজকের বাস্তবতায়- মসজিদে ধনী-গরীব বা বাদশাহ-ফকির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ পড়াকে চমতকার গণতান্ত্রায়ন মনে করাটা অযৌক্তিক। কেননা, একসময় দাস আর দাসমালিকের একসাথে নামাজ পড়ার বিধান ছিল বিপ্লবাত্মক, আর আজকের প্রেক্ষিতে এটি হলো, শ্রেফ এক ধরণের সান্তনা লাভের উপায়!!!!
২৫. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
আবূসামীহা বলেছেন: মানবতার বন্ধু তিনি - কল্যাণ ও সমগ্র সৌন্দর্যের বিমূর্ত প্রতীক। রহমত, ভালবাসা, করুণা, দয়া ও মানুষের প্রতি শুভকামনার পরিপূর্ণ সমাবেশ ঘটেছে তাঁর চরিত্রে। তিনি আদমের সন্তানদের শ্রেষ্ঠতম - আল্লাহর বাণীবাহকদের সর্দার। হেরা গুহার অন্ধকারে তাঁর কাছে কুরআনের নূর পাঠানো হয়েছে মানবতাকে মূর্খতার আঁধার থেকে বের করে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করতে। তিনি মুহাম্মদ - আল্লাহর করুণা এবং শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর। সফলতা ও কল্যাণের অধিকারী হয়েছে তারা যারা তাঁর (সঃ) অনুসরণ করেছে ভালবাসা ও ভক্তি সহকারে; আর অকল্যাণ ও ধ্বংস তাদের জন্য যারা তাঁকে (সঃ) ঘৃণা করেছে ও তাঁর (সঃ) অনুসরণ থেকে মূখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

ধন্যবাদ লিখার জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭৬৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বাড়ী আখাউড়া।
আখাউড়া রেলওয়ে হাইস্কুল থেকে পাস করে সোজা ঢাকায় চলে আসি।
কিছুদিন সিটি কলেজে ছিলাম। ছিলাম জগন্নাথেও।
তারপর টোকিওতে কাটিয়েছি সাড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই