আমার প্রিয় পোস্ট
- রাজনীতি না বুঝলে প্রচলিত রাজনীতি আমাদের বুঝে নিবে ! - কাড়া আসলান
- আসামীর কাঠগড়ায় উমর(রাঃ) - অগ্রপথিক...
- ডোমেইন পার্কিং : কোটি টাকার অনলাইন ব্যবসা ও আমার যে মন্তব্যটি মুছে দেয়া হয়েছে - সহজ পৃথিবী
- "পিতা".....(বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে একটি ছোট গল্প) - ইউসুফ খান
- ভয়ফোবিয়া! - ইংলা
- জ্ঞানের কথা জ্ঞানীর কথা-২ - মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী
- arbi kobita - শিউলীমালা
- আল্লাহ্ পাকের মহা পবিত্র ৯৯ টি নাম (অর্থসহ)

- অযুত
- সভ্যতার অন্তরালে - মহি আহমেদ
- সবর বা ধৈর্য ধারন । - ইউসুুফ্ রিয়াদ
- আমরা কি খাচ্ছি?ঃ

মুরগিতে বিষক্রিয়ার উপাদান থাকার প্রমাণ পেয়েছে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা - কাজিম কামাল
- মুহাম্মাদ (সা) সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ফরিদ আলম
- স্ক্রিনশট নেয়া আর ইমেজ আপলোডিং- এতটা সহজ ছিলনা কোনকালেই!!! - রাফি মাহমুদ
- পুঁজিতন্ত্র, সিভিল সোসাইটি ও নারী সৌন্দর্য (পর্ব-১) - শ. ম. দীদার
- সালাত আদায়ের পদ্ধতি- পর্ব ৩ - rasel246
- কয়েকটি ইসলামিক নিদর্শন(নাস্তিকদের প্রবেশ নিষেধ)৩য় পত্র - সোহাগহোসেন
- কয়েকটি ইসলামিক নিদর্শন(নাস্তিকদের প্রবেশ নিষেধ) - সোহাগহোসেন
- বিশ্ববিখ্যাত মনীষিদের চোখে ইসলাম ও মুহাম্মাদ সা. (প্রথম পর্ব) - ফরিদ আলম
- বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থগুলোর ডাউনলোড লিংক কালেকশন -আপডেটেড - চুম্বক
- জরুরি পথ্য ছোলা !!! - অ্যাঙ্গেল বয়
- মুসলমান দের প্রতি পশ্চিমাদের বাস্তব ষড়যন্ত্র - নীড় হারা পাখি
- টিভি বন্ধ রাখুন, বেশিদিন বাঁচুন......... - রাজিব বোকা
- পথ শিশুদের ঈদের পোশাক প্রদানের জন্য সাহায্য । ঈদ হোক সবার জন্য । - যত্নহীন রবি
- কালোজিরাঃ রোগ প্রতিরোধে - বিনোদন
- আল্লাহর প্রেমে এক যুবক । তার পরিণতি ও হযরত ঈসা (আঃ) - েশখসাদী
- রিকশা চালিয়ে হাসপাতাল - বোরহান উদদীন
- সাড়ে ৪ হাজার বছর আগের উদ্ধারকৃত শিলালিপিতে রয়েছে নবী-রাসূলদের নাম !! সত্যের একটি জ্বলন্ত নিদর্শন ! (রিপোষ্ট) - জেমসবন্ড
- আব্বু তোমাকে খুব মনে পড়ছে.... - প্লবঙ্গ
- কিভাবে আমি আস্তিক হলাম। - মেহেদী পরাগ
- রাসূল (সাঃ) এর সাথে বিয়ের সময় আয়শা (রাঃ) র বয়স ৬ বছর ছিল এটা এক বিরাট ঐতিহাসিক ভ্রান্তি। - গুপী গায়েন
- প্রকৃত আধুনিকমনস্ক প্রগতিশীল হতে হলে আর কতটুকু নামাতে/নামতে হবে? - ধীবর
- কুফরের সাথে সমঝোতা - ফুটবলকেএস
- বিনোদন মানুষকে কি ভুলিয়ে রাখে-০২ - বীক্ষন
- ঘর হতে কয়েক পা ফেলিয়া (ছবিসহ বিস্তারিত) পর্ব-কুয়াকাটা, ফাতরার চর। - রিপেনডিল
- ফেসবুক থেকে পাওয়া ছবি - ১ । চলেন লিস্ট করি কোথায় কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায় - শুভ্র নামের ছেলে
- স্বপ্নহত্যার এক বছরঃ আমাদের ক্ষমা করো সম্রাট - টয়
- হুমায়ুন আজাদ একজন সুপরিচিত লেখক। ভ্যালু তৈরি করতে না-পারুন, ন্যুইসেন্স ভ্যালু তৈরি করার ক্ষমতা তাঁর অপরিসীম। --- আহমেদ ছফা - বিগ মব
- অনলাইনে পবিত্র কুরআন - নাফাজি
- ‘সিভিক ভারচ্যু’ - জাপানি বালক, তোমাকে স্যালুট - রেনেসা
- অর্থনীতিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দশ দফা(পর্ব 12 ) - আইয়ুব ০৯
- মা - টুনা
- নয়া বছরের নয়া বাসনা: বিএসএফ এর বৈশাখী সেলামী ও খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা; নতুন গ্লাসে পুরনো মদ - মিনহাজ আল হেলাল
- যেই কারনে নাস্তিকরা বেওকুব (Reason Why Atheists are Stupid) - কাকপাখি ২
- স্ত্রীর মানসিক চাহিদা ও ইসলাম - েশখসাদী
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- ভূস্বর্গ - চোয়াল ঝুলে যাবার মত একটি লেক - ছবি ব্লগ - তীর জোক
- ইউরোপোলের রিপোর্ট : বিশ্বে সন্ত্রাসীদের ৯৯.৬ শতাংশই অমুসলিম - সংকলক
- অপারেশন : টরেন্ট - এইবার কই যাইবি। আমার মতো যারা টরেন্ট বুজেন না, কিন্তু ব্যবহারের করতে চান তারা আসেন
- নূর-ই-আল-মামুন
- গুগলের নতুন ট্রান্সলিটারেশন লেব (বাংলা লিখার নতুন সফটওয়ার) - শুভ আমিন
- র্যাপিডশেয়ার, মেগাআপলোড, হটফাইল ইত্যাদির প্রিমিয়াম ইউজার সুবিধা নিন লিচিং করে!!
- রাফি মাহমুদ
- বিজ্ঞানের নমস্য নবী হকিং এবং বিশ্বাসীদের দুশ্চিন্তা - সাঈফ শেরিফ
- মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে ব্লগ - এস. এম. রায়হান
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- পাখিদের উড্ডয়ন: রহস্য ও প্রজ্ঞার V - ম্যাভেরিক
- ছয় বছর মিশরে ঈদের জামাত আদায় ও কিছু শিক্ষা। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- একটি পুরনো কিন্তু চির তরুন গল্প - শরীফ মহিউদ্দীন
- ফ্রিওয়্যার সফটয়্যার ডাউনলোডের জন্য কিছু সফটয়্যারের ওয়েবলিঙ্ক (Freeware Software List) সংগ্রহে রাখুন
- না বি ল
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা: ঘরের কিছু ছবি - তর্ষ
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা – ১ - এস. এম. রায়হান
- মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে জর্জ বার্নাড শ, টমাস কার্লাইল, মহাত্মা গান্ধী এবং আরও কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব - তালহা তিতুমির
- যেকোন বিপদে কোরআনের যে আয়াত আমাদের শান্ত্বনা ও সাহস যোগাতে পারে - তালহা তিতুমির
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- ক্লিক করেই কি শুধু পয়সা পাওয়া যায়? - হাসান
- ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিস্তারিত- ৫ - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- আগামী ১০০ বছরে ভাষা হিসেবে বাংলা কি টিকে থাকবে, নাকি তার জৌলুস হারাবে? - অন্যরকম
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- মাহিনুর:বেলজিয়ামে হিজাব বিতর্কে - টেরাকোটা
- সুরা কাফিরুন: অনুবাদ - হিটলারের সাগরেদ
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
-
পিসির সাউন্ড (বিপস) শুনে কিভাবে বুঝবেন কী (এরর) ঘটলো ? - সায়েন্স জোন
- জাপানি কবি ইওসা বুসন-এর হাইকু - ইমন জুবায়ের
- সকল ব্লগারের ব্লগের লিংক (বিষয় :অনলাইন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং) - নিলআকাশেরদুঃখ
- কেননা আমরা......মাদ্রাসায় পড়ি - লাকুল হক
- ZCE হবেন? পিএইচপি শিখুন! - 'লেনিন'
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- জানিনা,পেরেক কোথায় বিঁধে আছে/ছোট গল্প - বিহংগ
- আর কতকাল ? - লাবণ্য প্রভা
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩ (কেউ কথা রাখেনি ---সুনীল) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সেবার দাপটে সর্বেসর্বা - জ্বিনের বাদশা
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- আমাদের জন্য হযরত মুহাম্মদ (সা
এর ভালবাসা - অজানা একজন
নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
নবিজী সা: বহুবিবাহের বিষয়টিকে অনেক ইসলাম বিদ্বেষীরা বিকৃত ব্যাখা দেবার প্রয়াসে ব্যাংগবিদ্রুপে মেতে উঠে। তাই নবিজী সা: বহুবিবাহের প্রেক্ষাপটগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হল নীচে
নবীজি সা: প্রথম বিয়ে করেন ২৫ বছর বয়সে। বিবি খাদীজা (রা:এর বয়স তখন ৪০ বছর। এর আগে বিবি খাদীজা (রা:দুবার বিধবা হয়েছিলেন। বিবি খাদীজা (রা:যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন নবীজি সা:এর বয়স ৫০ বছর। তাদের দাম্পত্য জীবন ছিল ২৫ বছরের। বিবি খাদিজা (রা:জীবিতকালিন অবস্থায় নবিজী সা: আর কোন বিয়ে করেননি। ঐসময় আরব সমাজে বহুবিবাহের চর্চাটি পরিলক্ষিত হলেও নবীজি সা:৫৩ বছর পর্যন্ত একটি মাত্র স্ত্রীতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। তার বাকী বিবাহগুলো সংঘটিত হয় ৫৩ থেকে ৫৬ বছর পর্যন্ত।
নবিজী সা: এর স্ত্রীদের দুজনের বয়স শুধু ৩৬ বছরের নীচে ছিল। বাকী স্ত্রীগনের বয়স ছিল ৩৬ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।
বলা হয়ে থাকে তার দুটো বিয়েকেই শুধু স্বাভাবিক বিয়ে বলা যায়। বাকীগুলো ছিল মুলত সোসাল রিফর্ম কিংবা রাজনৈতিক কারনে।
রাজনৈতিক কারনে আরব গোত্রপ্রধানদের অন্য গোত্রপ্রধানের মেয়েকে বিয়ে করাটা আরব সমাজে একটি বহুল প্রচলিত প্রথা।
বিবি জোহারিআ এসেছিলেন বানু মোস্তালিক গোত্র থেকে যা ছিল একটি শক্তিশালী গোত্র এবং এর অবস্থান ছিল ইসলামের বিরুদ্ধে। বিবি জোহারিআর সাথে নবিজী সা: বিবাহের পর ঐ গোত্রের সাথে মুসলিম গোত্রগুলির বন্ধুত্ব স্থাপিত হয়।
বিবি মায়মুনা রা: ছিলেন নাজাদ গোত্রপ্রধানের স্ত্রী বোন। নাজাদ গোত্র ৭০জন মুসলিম যোদ্ধাকে হত্যা করে। নবিজী সা: এর সাথে বিবি মায়মুনা রা: বিবাহের পর উক্ত গোত্র মদীনার নেতৃত্ব মেনে নেয় আর নবিজী সা: কে তাদের নেতা বলে ঘোষনা দেয়।
নবীজি সা: আর এক স্ত্রী উম্মে হাবিবা রা: মক্কা প্রধান আবু সুফিয়ানের কন্যা ছিলেন। পরবর্তীকালে মক্কা বিজয়ে এই বিয়েগুলোর গুরুত্ব উপলব্দি করা যায়।
বিবি সাফিয়া রা: একজন শক্তিশালী ইহুদি গোত্রপ্রধানের মেয়ে ছিলেন। নবীজি সা: সাথে বিবি সাফিয়া রা: বিবাহের পর ইহুদিরা মুসলমানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহন করে।
নবিজী সা:তার দুই বিশিষ্ট সাহাবী এবং দুজন খলিফা হজরত ওমর রা: এবং হজরত আবু বকর রা: মেয়ে যথাক্রমে হজরত হাফসা রা: এবং হজরত আয়েশা রা: বিয়ে করেন উক্ত দুই বিস্বস্থ সাহাবীর সাথে সম্পর্ক আরো গভীরতর করার জন্য।
এখন প্রশ্ন নবীজি সা: মেয়েদের প্রতি যদি আসক্তি (নাউযুবিল্লাহ থাকত তাহলে তার যৌবনের ২৮টি বছর একটি মাত্র স্ত্রীতে সন্তুস্ট থাকতে পারতেন কি?
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দুরন্ত পিথক বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে স্থান দেয়া হইল।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
ধন্যবাদ পোস্ট টার জন্য।
মাহিরাহি বলেছেন:
বিবর্তনবাদী একমত
সুশীল সমাজ বলেছেন:
কৃষ্ণ তো বিয়ে করেছে ১৬০০০ এর মতো। মহানবী তো কম ই করেছে!
বিগব্যাং বলেছেন:
...মহামুল্যবান পুস্ট...গ্যানগরভ পুস্ট...
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
সুশীল সমাজ, অপ্রাসংগিক মন্তব্যের তো কোন প্রয়োজন ছিলনা। ধর্ম নিয়া ক্যাচাল না লাগাইলে আপনার ভাল্লাগেনা।
চন্দন বলেছেন:
ইবেন উজবুক এর পোস্টটা এখন ডাস্টবিনে
দিগন্ত বলেছেন:
মহম্মদ আরবসমাজে প্রচলিত কিছুর বাইরে কিছু করেননি। যেমন রাজনৈতিক বিবাহ করেছেন বিভিন্ন গোত্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে (ভবিষ্যতে মুঘল সম্রাট আকবরও একই কাজ করেছিলেন)। তাই তাকে সম্পূর্ণরূপে একজন আরব বলেই মনে করি। তিনি সমকালীন সমাজের থেকে কিছুটা বা অনেকটা এগিয়ে চিন্তাভাবনা করেছিলেন। তাহলে তাকে মহানবী কেন বলা হয়?
দুইটা আংরেজি শিক্ষা তারা পাগল হইয়া গেছে...
যে নিজেরই চিনে নাই তার কথা আর কি হইবো... নবী চিনা তো দূরের বাদ্য....
তোমার নাম ও শানের কসম কইরা হে নবী.. আমি অন্তরের গভীর থেকে উচ্চারন করছি.. এদের হাত থেকে সমাজকে পানাহ দাও.....
তাদের হেদায়াত করো....
ইবনে উজজা বলেছেন:
আখুই সালেহ (ওরফে সত্যদা): আ-আ-আ-আ-মি-ই-ই-ই-ই-ন-ন-ন-ন-
বজলু মহাজন বলেছেন:
পোষ্টের লাইগা দোয়া করলাম তোমারে মাহিরাহি। +
বলেনকি নবী মোহাম্মদের নারী আসক্তি ছিলনা? পুরুষের নারী আসক্তিইতো ঠিক এবং ভাল তাইনা?
আর যৌবনের ২৮টি বছর একটি মাত্র স্ত্রীতে সন্তুস্ট থাকা ছাড়া উপায় ছিল কি? টাকা পয়সা ব্যবসা বানিজ্য এ সবের মালিক কে ছিল?
মাহিরাহি বলেছেন:
দিগন্ত তিনি আর সব নবীদের চাইতে এইজন্যেই এগিয়ে। ঈসা আ: এর হাতের ছোয়ায় মৃতরা জীবন পেত, মুসা আ: লাঠি মাটিতে পড়লে সাপ হত।
কিন্তু নবীজি সা: এর ক্ষেত্রে তার জীবনটাই ছিল একটা মিরাকল। তিনি অতিপ্রাকৃত কিছুর উপর ভর না করে নিজের সহজ সরল জীবন যাপন দিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। কাজটি ছিল আরো দুরুহ। তাই তাকে আর দশটা সাধারন মানুষের মতই জীবন যাপন করতে হয়েছিল।
মাহিরাহি বলেছেন:
অচেনা বাঙালি মক্কার কাফেরেরা নবীজি সা: কে বিভিন্নভাবে লোভ দেখিয়ে (ধন সম্পদ, সম্মানীয় নেতৃত্ব) একত্ববাদ থেকে নিবৃত্ত করতে চেয়েছিল। কাফেরেরা বলেছিল আপনি আমাদের মুর্তগুলোকে মেনে নিলে জাগতিক ভোগবিলাশের ব্যবস্থা করব আমরা।উত্তরে নবীজি সা: বলেছিলেন আমার একহাতে সূর্য আর একহাতে চন্দ্র দিলেও আমি একত্ববাদ ত্যাগ করব না।
এবং এর জন্য তাকে কিনা করতে হয়েছে, চাচাদের কোপানলে পড়েছেন, জন্মভূমি ত্যাগ করেছেন, যুদ্ধ করেছেন, রক্তাক্ত হয়েছেন, অনেক সময়ে অনাহারে কাটিয়েছেন।
আবার যখন বিজয়ী হয়েছেন, তখন ছিলেন আরবের একছত্র অধিপতি, তারপর তার জীবনপ যাপন ছিল একজন সাধারন মানুষের মত। লোভ, বিলাশের উর্ধে।
সমগ্র সামাজ্য তার ছিল, বিবি খাদিজা রা: সম্পদ তার সামনে বালিকনার মত।
মাহিরাহি বলেছেন:
চন্দন বলেছেন: ইবেন উজবুক এর পোস্টটা এখন ডাস্টবিনেতার নিজের স্থানও হবে ডাস্টবিনে
ধন্যবাদ বজলু মহাজন
নরাধম বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহিরাহি। আমি এরকম একটা পোস্ট দিতে যাচ্ছিলাম। যেহেতু আপনি দিয়েছেন তাই আর প্রয়োজন নেই। অনেক ধন্যবাদ।
সাইফুর বলেছেন:
+
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ সাইফুর
আরেকটা ব্যাপার হলো, একজন মানুষের স্ত্রী তাকে সবচেয়ে অন্তরঙ্গ ভাবে, সবচেয়ে কাছ থেকে দেখে। একজন লোক ভন্ড হলে, তার স্ত্রীই সবচেয়ে আগে টের পাবে। নবী (সা) কিন্তু বিয়ে করেছেন একেবারেই আনকোড়া সম্পর্ক থেকে, শত্রুর ঘরেও করেছেন বিয়ে। তিনি ভন্ড থাকলে, শত্রুরা টের পেতো, ক্ষতি তাঁর এবং তাঁর প্রচারিত ধর্মের হতো সবচেয়ে বেশি। ভালো ব্যবহার, ডেডিকেশন, একজন আগা গোড়া পরিশুদ্ধ মানুষ... তাঁকে মানুষ যতগুলো এঙ্গেল থেকে দেখেছে, শ্রদ্ধা না করে পারে নি। একাধিক স্ত্রীর কারণে আমরা বেশ অন্তরঙ্গ অনেকগুলো এঙ্গেল পাই, তাঁকে চেনা অনেক সহজ হয়।
আয়েশা (রা) বিশেষত, খুব বিখ্যাত ছিলেন তাঁর জ্ঞানের জন্য, রাসুল (সা) মারা যাওয়ার পরে সমস্ত সাহাবীরা তাঁর কাছে আসতো কুরআনের ব্যাখ্যা বুঝার জন্য। বিশাল সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন। একমাত্র মানুষ ছিলেন, যিনি বাড়াবাড়ি রকমের প্রশ্ন করতেন, আমাদের সাথে প্রশ্নগুলো মিলে যায়, ইসলামকে আরেকটু কাছের করে পাওয়া সহজ হয়।
একবার রাসুল (সা) একজন স্ত্রী মারা গেলেন, রাসুল মারা যাওয়ার অনেকগুলো দিন পরে। এই খবর শুনে একজন বিখ্যাত সাহাবী দুই রাকাত নফল নামায পড়তে দাঁড়িয়ে গেলেন। অন্যরা জিজ্ঞাসা করলো, কিসের নামায? তিনি বললেন, রাসুল (সা) আমাদের বলেছেন দুর্যোগের সময় দুই রাকাত নফল নামায পড়তে। আর নবী (রা) স্ত্রী, আমাদের মায়ের আমাদের থেকে চলে যাওয়ার চেয়ে বড় দুর্যোগ মুসলিম উম্মাহর জন্য আর কি হতে পারে?
সমস্যা হলো সেই সব মানুষদের নিয়ে, যারা মনে করে জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, জীবনধারা, সব কিছু সীমাবদ্ধ কারনাল হাঙ্গার নিবৃত্তকরণে। সমস্যাটা যে রাসুল (সা) এর না, তাদের দৃষ্টিসীমা আর জীবন দর্শনের সীমাবদ্ধতা, এটা বুঝতে পারে না।
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। +
নাবিক বলেছেন:
আরো একটা পয়েন্ট: তিনি আল্লাহর নির্দেশে জায়নাবকে বিয়ে করেছিলেন পালিত পুত্রের তালাক দেয়া বউকে শ্বশুর বিয়ে করতে পারবে না এই অন্ধকার প্রথা বিলোপ করতে।যারা উম্মুল মু'মিনীনদের মর্যাদা বুঝেনা তারাই সমালোচনা করে। এ ব্যাপারে একটা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে রইল।
++++
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ সন্ধ্যাবাতি।আপনার বিশ্লেষনটি আরো বেশি গ্রহনযোগ্য।
নাবিক, আপনি ঠিকই বলেছেন নবীজি সা: কে অনেক কিছুই করতে হয়েছে যাতে উম্মতদের জন্য উদাহরন হয়ে থাকে।
ব্যক্তি অভিলাষের খাতিরে নয়।
অ্যামাটার বলেছেন:
+ধন্যবাদ আপনাকে মূল্যবান পোস্ট দেওয়ার জন্য।
কেননা সামহয়ারে এখন অনেকেই ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।
ব্যাপারটা আমাদের এখনই ভেবে দেখতে হবে।
মাইক্রোস্টেপ বলেছেন:
আস্ সালামু আলাইকুম। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন! আপনার সহায় হউন। আমাদের সকলকে আপনার মত সুন্দর করে ইসলামের ব্যাপারে হেদায়েত দান করুন। আমিন। সন্ধ্যাবাতি আপনাকেও ধন্যবাদ।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
তিনি আল্লাহর নির্দেশে জায়নাবকে বিয়ে করেছিলেন পালিত পুত্রের তালাক দেয়া বউকে শ্বশুর বিয়ে করতে পারবে না এই অন্ধকার প্রথা বিলোপ করতে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
টাইম-স্পেস এর ভিত্তিতে সোশাল কনটেক্সট এর কথা চিন্তা করলে মনে হয়- মুহাম্মদ সা. অসাধারণ মানুষ।
আজকের নৈতিকতা দিয়ে বিচার করতে গেলে তাকে কামুক- এবং বাজে মানুষ মনে হতেই পারে- কিন্তু এই বিচারকে সঠিক মনে হয়না।
তবে, যখন দাবি করা হয়- তিনি শুধু মানুষই নন- সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর রাসুল ও বন্ধু, ওনার সমস্ত কার্যকলাপই আল্লাহর নির্দেশেই হয়েছে- এবং সমস্ত নিয়মকানুন-নীতিমালা কিয়ামত পর্যন্ত একই ভাবে মেনে যেতে হবে ও রাসুলের কথা ও কাজকেও অনুসরণ করতে হবে-> তখনই মাথার মধ্যে প্রশ্ন এসে হাজির হয়।
১৪০০ বছর আগের একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে ঠিক আছে- কিন্তু আল্লাহর প্রেরিত রাসুল হিসাবে তার এত বিয়ে করার প্রয়োজন কেন?
সে যুগের রীতি অনুযায়ি ঠিক আছে- কিন্তু আল্লাহর প্রেরিত রাসুল হিসাবে তার ৬ বছরের শিশুকে বিয়ে করার দরকার কি?
সে যুগের যুদ্ধের নীতি হিসাবে ঠিক আছে- কিন্তু আল্লাহর রাসুল হিসাবে তার পরাজিত পক্ষের এক নেতার সুন্দরী স্ত্রীকে নিজের স্ত্রী বানানোর দরকার কি???
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ নাস্তিকের ধর্মকথা - বিয়ে করলে সমস্যা কই। অন্যের বঊ জোর কইরা তুইলা আনলে বা রেপ না করলেই হল।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@বিবর্তনবাদী,
১। সাফিয়াকে বিয়ে করার সময় কি ওনার আর কোন স্ত্রী ছিল না?
২। তাদের অনুমতি কি নেয়া সম্ভব ছিল?
৩। যুদ্ধে পরাজিত পক্ষের নেতাকে হত্যা করে তার সুন্দরী স্ত্রীকে বিয়ে করা (এবং অন্য মেয়েদের ভোগ করা) অনেক পুরাতন রেওয়াজ। কিন্তু বর্বর রেওয়াজ।
৪। আপনার পরিচিত বা কাছের কোন মহিলার ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু কল্পনা করে দেখুন তো- তার স্বামিকে যে হত্যা করলো- তারপর যদি সেই খুনীকেই বিয়ে করতে বাধ্য হতে হয়-- তবে ব্যাপারটি কেমন হবে তার জন্য??
৫। দাসী হিসাবে ভোগ না করে বা গণ ধর্ষণ না করে বিয়ে করাটা সাফিয়ার জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ যারা বলেন- তারা একটু ভেবে দেখবেন- এই বিয়ে ধর্ষণের চেয়ে কম খারাপ না। জীবনভর স্বামির বা ভালোবাসার মানুষের খুনীর সাথে সংসার করার মত যন্ত্রণাদায়ক আর কি হতে পারে???
৬। আর, কোন মহিলা যদি স্বামির খুনীকে ভালো মনেই গ্রহণ করে নেয়- বা বলে- সে অনেক সুখে আছে- তবে সেই মহিলার সম্পর্কেই প্রশ্ন তোলা দরকার।
৭। যারা বলে, পরাজিত পক্ষের নিহত নেতার স্ত্রীকে বিয়ে করে এভাবে একজন মহিলাকে সামাজিক নিরাপত্তা দেয়া যায়- তারাও ভেবে দেখবেন- যুক্তিটি কতখানি ফাঁপা ও হাস্যকর। যুদ্ধে যখন বিরোধী পক্ষকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হচ্ছে- তখন ঐ পক্ষের শুধু একটি নারীর সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি চুড়ান্ত হাস্যকর।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ নাস্তিকের ধর্মকথা - প্রথম ক্ষমা চেয়ে একটা কথা বলে নিতে চাই (কে কি মনে করল তাতে কিছু আসে যায় না, এ নিয়ে ফারদার কমেন্টস করব না) তা হল, "যুদ্ধক্ষেত্রে মানবিকতার গান আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়"। যুদ্ধে সব হালাল, এটাই আমার নীতি। (খুব নোংরা নীতি তাই না, আসলে যুদ্ধ ব্যাপারটাইতো নোংরা, তবুও এর গুরুত্ব রয়েছে)।
দ্বিতীয়ত - এই সাফিয়াটা কে?? আমি জানি না, লিংক, রেফারেন্স দিলে ভাল হয়, সময় পেলে পড়া লেখা করা যাবে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ নাস্তিকের ধর্মকথা - যুদ্ধক্ষেত্রে খুনি থাকে নাকি??? তাহলে সৈনিক কি তলোয়ার তলোয়ার বা বন্দুক বন্দুক খেলা খেলতে যায়। আমি আপনেরে মাইরা ফেলতে পারব, কিন্তু আপনের পকেটের টাকা নিতে পারব না, ব্যাপারটা কি অবাস্তব নয়??
আবূসামীহা বলেছেন:
সুন্দর ও দরকারী পোস্ট।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
ভাল লেখা। ধন্যবাদ।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@ বিবর্তনবাদী
সফিয়া ইহুদী নেতা হুয়াই ইবনে আখতাবের সুন্দরী কন্যা।
তিনি ছিলেন সদ্য পরিনীতা যেসময়ে মুহাম্মদ সা. খায়বরের দুর্গগুলো জয় করেন। সফিয়ার স্বামি কেনানা ইবনে রবী কে খায়বর যুদ্ধে হত্যা করা হয়।
ঐ যুদ্ধেই সফিয়া মুহাম্মদ সা. এর হস্তগত হন এবং মুহাম্মদ সা. তাঁকে বিয়ে করেন।
লিংকঃ Click This Link
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@বিবর্তনবাদী
যুদ্ধে তো খুন-খারাবি চলে- ফলে খুনীও থাকে;
তারপরেও- সাধারণভাবে খুনী বলতে আপনার আপত্তি থাকতে পারে- কিন্তু যার কাছের লোকজন মারা যায়- তার কাছে তো হত্যাকারী খুনীই।
আর যুদ্ধে হত্যা করে সবকিছু লুটে পুটে নেয়া- নারীদের হস্তগত করা- ভোগ করা এসবই স্বাভাবিক ঘটনা মানে অহরহই ঘটে- আপনার ভাষায়- একজনরে মেরে ফেললাম আর তার সুন্দরী অরক্ষিত মেয়ে/বউ কে ভোগ করবো না- সেটাতো অবাস্তব। হুম, এখনকার প্রেক্ষিতে অবাস্তব নাও হতে পারে, তবে সেময়ের প্রেক্ষিতে অবাস্তব তো বটেই, কেননা- এই যুদ্ধ ও লুন্ঠন আরবদের অন্যতম প্রধান পেশা ছিল, ফলে তাদের কালচারের মধ্যেই এটা ছিল।
তবে কথা হচ্ছিল- বাস্তবতা/অবাস্তবতা নিয়ে না; কথা হচ্ছিল নবীজীর বিয়ে নিয়ে- সফিয়ার স্বামি হত্যা করে তাকে বিয়ে করা অবশ্যই সে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে খুবই স্বাভাবিক এবং সাধারণ ঘটনা। তবে আল্লাহর একজন রাসুল যখন এ কাজ করেন- তখন বুঝতে হয় এতে আল্লাহরও সায় ছিল- তখন তো অনেক কিছুই গোলমেলে মনে হয়।
আর যে বললেন- যুদ্ধই যেহেতু নোংরা ব্যাপার, তাই এর মধ্যে আবার মানবিকতা খোঁজার কোন প্রয়োজন নেই।
এককালে মানুষ হয়তো খুঁজে নি। কিন্তু আজকের নৈতিকতা দিয়ে খোঁজা হয়। সেজন্য কিন্তু জেনেভা কনভেনশন থেকে শুরু করে নানাবিধ যুদ্ধকালীন রীতিনীতি আজকের মানুষ তৈরি করেছে।
আজকের নৈতিকতায় তাই মানুষ যুদ্ধের বিরোধিতা করে- তারপরেও যদি যুদ্ধ লেগেই যায়- তবে অন্তত নিরপরাধ শিশু- নারী-বৃদ্ধদের যেন নির্বিচারে খুন না করা না হয়, আটকে পড়া মানুষরা যাতে অনাহারে না থাকে এমন নানা বিষয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন থাকে। প্রাণের ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা আহতদের চিকিতসার জন্য- আটকে পড়াদের উদ্ধার বা খাদ্যের জন্য কাজ করে ঐ যুদ্ধাবস্থাতেই।
শয়তান বলেছেন:
আমি ইরাদা করছি বহু বিবাহ করমু ।
শয়তান বলেছেন:
কুন প্রাকটিসগুলা ?
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
ভালো পোষ্ট
বিকর্ণ ভারতবর্ষ বলেছেন:
পুত্রবধূকে নিকাহ করলো কোন কারনে????
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
ভুল ভাল কিচ্ছা কাহিনীতে ভরা পুশটে কইস্যা মাইনাস।
মুহম্মদ বাকি বিয়াগুলান ৫৩ থাইক্যা ৫৬ বছর বয়েস পর্যোন্ত বিয়া করছিলো?? মিছা কথা কওনের জায়গা পান না??? ঐ বুড়ায় তো মরোনের আগ পর্যোন্ত বিয়া কোইরা গ্যাছে।
আর, সাফিয়ারে বিয়া করোনের পর ইহুদীদের লগে মুসলিম গো মিল হইছিল কেডায় কোইছে? খায়বর যুদ্ধে রাইতের অন্ধকারে যাইয়া হামলা করছে মুসলিমরা। হেরপর যুদ্দক্ষম পুরুষগো কচুকাটা কোইরা তাগো মাইয়া গো ভোগের লাইগ্যা ভাগ বাটয়ারা কইরা নেয়। আরেকজনের ভাগে পড়ছিলো সাফিয়া, তয় কঠ্ঠিন সুন্দরী সাফিয়ারে মুহম্মদ নিজের ভাগে নিয়া বিয়া কইরা মদীনায় আসে। আর, ইহুদী যারা ছিল জীবিত, তাগো মুসলিম গো খাজনা দিতে বাধ্য করোন হয়। কোন সুসম্পর্কের কোন বালই কিছু হয়নাই।
ওমরের মাইয়া হাফসারে বিয়া করছে কেম্নে জানেন? হাফসার স্বামি মইরা গেলে- ওমর আবু বকররে ও পরে ওসমানরে প্রস্তাব দ্যায়। দুইজন না কইরা দেয়। কেন জানেন? মুহম্মদ হাফসারে বিয়া করোনের খায়েশের কতা তাগো আগেই কইছিল।
৫০ বছর পর্যোন্ত বিয়া করবার পারে নাই, কারণ হেই বুকের পাডা হের ছিল না। খাদিজারে হের নানা কারণে দরকারো ছিল। ঐ সময়ডাতে তার প্রতিষ্ঠা পাওনের লাইগ্যা খাদিজারে খেপাবার চায় নি!
আর, জোহারিআও মনে হয় সাফিয়ার লাহান যুদ্ধ থাইক্যা প্রাপ্ত।
এইগুলানের বাইরে আছে, আরো কিছু বান্দী, যেগুলানের সাথে বিয়াও করেননাই, সেক্স ঠিকি করছেন। যেমন মারিয়া। মারিয়া তো মুহম্মদের একডা পোলাও জন্মাইছিলো!!
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
মিথ্যাচার আর অসত্য তথ্যে ভরা পোষ্ট। কড়া মাইনাস। না জেনে শুনে ইসলামের ভালো করতে গিয়ে মিথ্যাচার করার অনুমতি ইসলাম দেয়নি।
আল্লাহ আমাদেরকে এইসকল মিথ্যাবাদীর হাত থেকে রক্ষা করুন। আল্লার কোরয়ান আর রাসুলের জীবনচরিত আল্লাহই ভালো জানেন কিভাবে হেফাজত তিনি করবেন।
মাহিরাহি বলেছেন:
At the age of 25, Muhammad married Khadijah bint Khuwaylid. The marriage lasted for 25 years and was a happy one.[139] Muhammad relied upon Khadija in many ways and did not enter into marriage with another woman during this marriage.[140][141] After the death of Khadija, it was suggested to Muhammad by Khawla bint Hakim, that he should marry Sawda bint Zama, a Muslim widow, or Aisha, the young daughter of Abu Bakr whose previous betrothal had not been honored. Muhammad is said to have asked her to arrange for him to marry both.[109] Later, Muhammad married additional wives nine of whom survived him.[138] Aisha, who became known as Muhammad's favourite wife, survived him by many decades and was instrumental in helping to bring together the scattered sayings of Muhammad that would form the Hadith literature.[109] Muhammad did his own household chores, helped out with the housework, such preparing food, sewing clothes, and repairing shoes. Muhammad is also said to had accustomed his wives to dialogue; he listened to their advice, and the wives debated and even argued with him.[142][143]
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
উইকি পিডিয়া থেকে কোট করে কি দেখাতে চেয়েছেন???
আপনার পোস্ট নিয়ে মিথ্যাচারের যে অভিযোগ উঠেছে, সেটি কেন খণ্ডাচ্ছেন না?
যদি খণ্ডাতে না ই পারেন তবে, আপনি যে মিথ্যাচার করেছেন সেটা স্বীকার করুন।
মুহম্মদ সা. এর স্বীকৃত স্ত্রীর সংখ্যা ১৩ মতান্তরে ১১ (মুসলিম স্কলাররাই দুই মতে বিভক্ত- অনেকে রায়হানা ও মারিয়া উম্মুল মুমিনীন না বলে উপপত্নী বলেন!)। খাদিজার মৃত্যুর পরে বাকি ১২ বা ১০ জনকে ৫৩ থেকে ৫৬ বছর বয়সের মধ্যে মাত্র ৪ বছরে বিয়ে করেছেন!!! মানে ৪ বছরে ১২ বা গড়ে প্রতি বছরে ৩ জনকে বিয়ে করেছেন!!!!
তবে, আমি এখন পর্যন্ত দেখেছি- তিনি ৫৬ বছর বয়সের পরেও বিয়ে করেছেন। সাফিয়া ও মায়মুনা কে ৬০ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন। হাবিবার সাথে মিলিতও হন ৬০ বছর বয়সে (বিয়ে আরো আগে ১ হিজরী্তে হয়েছিল!)। ৫৮ এ জুহারিয়া ও যয়নবকে, ৫৭ এ সালমাকে বিয়ে করেছেন।
১১ স্ত্রীর অনুসারীরা মায়মুনাকেই শেষ স্ত্রী হিসাবে ধরেন, কেননা, এ সময়েই কোরআনের আয়াতে (আহযাব:৫২) নবীর পরবর্তী বিয়ে নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্ত ১৩ স্ত্রীর অনুসারীদের মতে মারিয়াকে তিনি বিয়ে করেছিলেন ৬২ বছর বয়সে।
আপনার মনে হয় আরেকটু ভালো করে পড়া দরকার। তাহলেই বুঝবেন যে তিনি ৫৩ থেকে ৫৬ বছর বয়সে সব বিয়ে করেছেন বলে মুহম্মদ সা কে নিয়ে যে মিথ্যা কাহিনী ফেদেছেন- সেটি পরিষ্কার হবে।
ধন্যবাদ।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার ২য় মিথ্যাচার হলোঃ
নবিজী সা: এর স্ত্রীদের দুজনের বয়স শুধু ৩৬ বছরের নীচে ছিল। বাকী স্ত্রীগনের বয়স ছিল ৩৬ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।
৩৬ বছরের নীচের স্ত্রীদের লিস্টঃ
১। আয়েশাঃ আয়েশাকে বিয়ে করেন ৬ বছর বয়সে এবং আয়েশা মুহম্মদ সা এর ঘরে প্রবেশ করেন (বাসর হয়) ৯ বছর বয়সে।
২। হাফসাঃ হাফসা বিধবা হন ১৮ বছর বয়সে, উমর রা পর্যায়ক্রমে আবু বকর রা ও ওসমান রা কে প্রস্তাব পাঠালে তাঁরা উভয়েই হাফসা কে বিয়ে করতে অসম্মত হন কেননা তাঁরা জানতেন যে মুহম্মদ সা হাফসা কে বিয়ে করতে মনস্থির করেছেন! অবশেষে মুহম্মদ সা যখন হাফসাকে বিয়ে করেন তখন তার বয়স ছিল ২০ বছর।
৩। সাফিয়াঃ খায়বরের যুদ্ধে সাফিয়ার স্বামিকে হত্যা করে সাফিয়াকে বন্দী করা হয়। প্রথমে মালে গনীমতের ভাগাভাগিতে সাফিয়া অন্য এক সাহাবার ভাগে পড়েছিল। কিন্তু সাফিয়ার রূপের কথা ছড়িয়ে পড়লে, মুহম্মদ সা তাকে নিজের করায়ত্তে নেন এবং বিয়ে করেন। বিয়ের সময় সাফিয়ার বয়স ছিল ১৭ বছর।
৪। জুহারিয়াঃ বনী মুস্তালকের যুদ্ধে গোত্র প্রধানের কন্যা জুহারিয়াকে গনীমতের মালের সাথে মদীনায় আনা হয়। বাবা মুক্তিপণ দিয়ে পাঠাতে চাইলেও মুহাম্মদ সা ফিরিয়ে দেন এবং জুহারিয়াকে বিয়ে করেন। তখন জুহারিয়ার বয়স ছিল ২০ বছর।
৫। সালমাঃ সালমা ও তার স্বামী ইসলামের প্রথম যুগে ইসলাম গ্রহণকারী এবং যথেস্ট নির্যাতন সহ্যকারী। একসময় সালমা তার স্বামী সন্তানকেও হারিয়েছিলেন, সেখান থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে তিনি স্বামী সন্তানের সাথে মদীনায় মিলিত হন (এই ঘটনা পড়লে বুঝবেন কতখানি ভালোবাসতেন তার স্বামীকে!)। উহুদের যুদ্ধে ওনার স্বামী খুব খারাপভাবে আহত হন এবং একসময় মৃত্যুবরণ করেন। স্বামী মারা যাবার মাত্র ৪ মাস ১০ দিন পরেই (৪ ইদ্দত পার হলে) সুন্দরী সালমাকে বিয়ে করার জন্য আবু বকর প্রস্তাব পাঠান, আবু বকরকে না করে দিলে এবারে উমর বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠান। তাকেও না করে দেন। এবারে মুহম্মদ সা প্রস্তাব পাঠালে তিনি তার সন্তান-সন্ততির কথা সহ আরো কিছু আপত্তির কথা জানালেও মুহম্মদ সা কে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব হয়নি! সালমাকে বিয়ে করার সময় বয়স ছিল ২৯ বছর।
৬। জয়নবঃ জয়নবকে বিয়ে করার সময় তার বয়স ছিল ৩০ বছর। (বিয়ের পর মাত্র ৮ মাস বেঁচে ছিলেন তিনি)।
এর বাইরে হাবিবার কথা বলা যায়। অবশ্য তাকে আপনার লিস্টে রাখতেও আপত্তি নেই।
৭। হাবিবাঃ হাবশায় স্বামী সহ হিজরত করার পর স্বামী ইসলাম ত্যাগ করে খৃস্টান হয়ে গেলে স্বামীর সাথে তালাক হয়ে যায়। তখন মুহম্মদ সা দূত মারফত ১ হিজরী সনে হাবিবাকে বিয়ে করেন। তখন হাবিবার বয়স ছিল ২৯। তারো প্রায় ৬ বছর পরে হাবিবা মদীনায় আসেন এবং নবীজির ঘর করেন। যেসময় মদীনায় নবীর ঘরে আসেন সেসময় তার বয়স ছিল ৩৫।
১১ জনের মধ্যে মাত্র ৪ জনের বয়স বিবাহ কালীন সময়ে ৩৬ উর্ধ্ব ছিল (যয়নবের বয়স অবশ্য ছিল৩৫!)।
আর নবী পত্নী মতান্তরে উপপত্নী মারিয়া ও রায়হানার কারোরই বয়স ২০/২২ এর বেশী ছিল না।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার তৃতীয় মিথ্যা হলোঃ
বলা হয়ে থাকে তার দুটো বিয়েকেই শুধু স্বাভাবিক বিয়ে বলা যায়। বাকীগুলো ছিল মুলত সোসাল রিফর্ম কিংবা রাজনৈতিক কারনে।
কোন দুটি বিয়েকে আপনি স্বআভআবইখ বলবেন? খাদিজার সাথে বিয়ে কি আপনার মতে সোসাল রিফর্ম বা রাজনৈতিক কারণে?
সওদা ছিলেন মধ্যবয়স্ক ও বিধবা। সওদা কে বিয়ের পেছনে মূল কারণ হিসাবে জানা যায় মুহম্মদ সা এর সন্তানদের দেখাশুনা ও ঘর সামাল দেয়া। সেখানে রাজনৈতিক কারণ কি?
আয়শা ও হাফসা যথক্রমে আবু বকর রা ও উমর রা এর কন্যা। যেসময়ে বিয়ে করেন তখন আবু বকর ও উমর রা উভয়েই ইসলামের পরীক্ষিত সেনা। এখানে রাজনৈতিক কারণ কি? বা সোশাল রিফর্ম ই বা কি?
জয়নবকে(পালক পুত্রের স্ত্রী যয়নব না) বিয়ের পেছনে রাজনৈতিক বা সোশাল রিফর্ম কি?
মায়মুনা নিজে থেকে মুহম্মদ সা কে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। মায়মুনার এক বৈমাত্রীয় বোন জয়নবকে নবীজি আগেই বিয়ে করেছিলেন, অপর বৈমাত্রীয় বোন আসমা আবু বকরের স্ত্রী এবং আরেক বৈমাত্রীয় বোন সালমা 'আসাদুল্লাহ' হামজার স্ত্রী। সেকারণে মায়মুনাকে "আহলুল বায়েত" বলা হতো। মায়মুনাকে বিয়ে করায় কোথায় কি সোশাল রিফর্ম হয়েছে বা রাজনৈতিক কারণ ছিল?? মায়মুনার এক বোন নাজাদ গোত্র প্রধানের স্ত্রী ছিল ঠিকই, কিন্তু তিনি তো জয়নব, আসমা, সালমারও বোন ছিলেন!!!
সালমার স্বামী মারা যাবার পরে তাকে বিয়ে করার পেছনে রাজনৈতিক কারণ কি ছিল? এই বিধবা বিয়ের মধ্য দিয়ে কি-ই বা সোশাল রিফর্ম হয়েছে?
হাবিবার ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক কারণ কি ছিল? হাবশায় হিজরত করলেও পিতা আবু সুফিয়ান ইসলামের শত্রুতা কমান নি। এমনকি ১ম স্বামী ইসলাম ত্যাগ করার পরে নবিজি হাবিবাকে বিয়ে করার পরেও অসংখ্যা যুদ্ধে কোরায়েশদের আর্থিক সাহায্য করে গেছেন, হাবিবা মদীনায় সংসার শুরু করার পরেও আবু সুফিয়ান একই কাজ করে গেছেন। কেবল মক্কা বিজয়ের পরেই যখন কোরায়েশরা মুসলিম বাহিনীর করায়ত্ত হয় তখনই সুফিয়ান ইসলাম গ্রহণ করেন।
খায়বরের যুদ্ধে আর বনী মুস্তালকের যুদ্ধে হস্তগত জুহারিআ ও সাফিয়ার সাথে বিয়েকে আপনি রাজনৈতিক বলতে পারেন। কিন্তু একে চরম অন্যায় না বলার কোন কারণ দেখি না। যুদ্ধে পরাজিত পক্ষের নারীদের ধরে ধরে ভোগ করা, বন্দী করা, কৃতদাসী বানানো এসব খুবই ঘৃণ্য কাজ।
মাহিরাহি বলেছেন:
John L. Esposito, Professor of Religion and Director of the Centre for International Studies at the College of the Holy Cross, says that most of these marriages had "political and social motives" (Islam: The Straight Path, Oxford University Press, 1988, p. 19). This he explained as follows: "As was customary for Arab chiefs, many were political marriages to cement alliances. Others were marriages to the widows of his companions who had fallen in combat and were in need of protection" (John L. Esposito, Islam: The Straight Path, pp. 19-20). Esposito reminds us of the following historical fact: "Though less common, polygyny was also permitted in biblical and even in postbiblical Judaism. From Abraham, David, and Solomon down to the reformation period, polygyny was practiced" (p. 19).
মাহিরাহি বলেছেন:
Another non-Muslim Caesar E. Farah writes as follows: "In the prime of his youth and adult years Muhammad remained thoroughly devoted to Khadijah and would have none other for consort. This was an age that looked upon plural marriages with favor and in a society that in pre-Biblical and post-Biblical days considered polygamy an essential feature of social existence. David had six wives and numerous concubines (2 Samuel 5:13; 1 Chronicles 3:1-9, 14:3) and Solomon was said to have had as many as 700 wives and 300 concubines (1 Kings 11:3). Solomon's son Rehoboam had 18 wives and 60 concubines (2 Chronicles 11:21). The New Testament contains no specific injunction against plural marriages. It was commonplace for the nobility among the Christians and Jews to contract plural marriages. Luther spoke of it with toleration" (Caesar E. Farah, Islam: Beliefs and Observances, 4th edition, Barron's, U.S. 1987, p. 69). Caesar Farah then concluded that Muhammad's plural marriages were due "partly to political reasons and partly to his concern for the wives of his companions who had fallen in battle defending the nascent Islamic community" (p. 69).
র্যাভেন বলেছেন:
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: আিরফুর রহমান বলেছেন: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: নির্বাক সুশীল বলেছেন: মেন্টাল বলেছেন: বোধিস্বত্ত বলেছেন: ভাল লিখেছেন। আপনাকে মাহি মেরে দেয়া হল।
মাহিরাহি বলেছেন:
All the other marriages were due to circumstances… either of a social reform, or a political gain. If you analyse all, only 2 wives were below the age of 36 - All the other wives were between the age of 36 and 50 - You can give instances… each marriage had some reasonClick This Link
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
ব্যাপক ক্যাচাল শুরু হইয়া গেছে। উইকিপিডিয়ার মুহাম্মদ (সাঃ) এর বিয়ে সম্পর্কিত লেখাটা এখনও ক্লিন না। তাই সেটার অথেনটিসিটি রিলায়েবল না। তবে মুহম্মদ (সাঃ) এর স্ত্রীদের মধ্যে ২জন ৩৬ এর কম ছিল বিয়ের সময় সেটা ভুল। আমি অবশ্য জানতাম না। তবে বেশিরভাগই বিধবা দেখি। মহানবীর বিয়ে নিয়ে তেমন মাথা ঘামায়নি কোন সময়।Click This Link
মদিনার অধিপতি হিসেবে তিনি শত ভারজিন, সুন্দরি মেয়ে বিয়ে করতে পারতেন। তাছাড়া মক্কা বিজয়ের পরও তো সেরকম করতে পারতেন। তাকে কেউ কিছু বলার ছিলনা।
নাস্তিক যুক্তিটা হল এরকম "মুহাম্মদ (সাঃ) ১১টা বিয়ে করেছেন, তাতে বুঝা যায় আল্লাহ নেই!!!" হাহাহা..........না হয়, আল্লাহ নেই সেটা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে যায়!
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
আচ্ছা এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকায় কি এটা নিয়ে কোন আর্টিকল আছে??
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
আরেকটা যুক্তির কথা বলা যায় মনে হয়। যেমন:Premise: মুহাম্মাদ (সাঃ) অনেক বিয়ে করেছেন। অন্য অনেক ধর্মের মহাপুরুষ এত বিয়ে করেননি। তাই সেসব ধর্ম ইসলামের থেকে শ্রেষ্ঠ।
Conclusion: এতে বুঝা যায় ইসলাম সঠিক ধর্ম না।
আমার যুক্তি খুব লজিকাল!!!!
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হ্যারিজী,
আপনার যুক্তি করার ধরণটি অতীব চমকপ্রদ এবং একই সাথে উপাদেয়।
কোট করছিঃ
"নাস্তিক যুক্তিটা হল এরকম "মুহাম্মদ (সাঃ) ১১টা বিয়ে করেছেন, তাতে বুঝা যায় আল্লাহ নেই!!!" হাহাহা..........না হয়, আল্লাহ নেই সেটা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে যায়! ........ Premise: মুহাম্মাদ (সাঃ) অনেক বিয়ে করেছেন। অন্য অনেক ধর্মের মহাপুরুষ এত বিয়ে করেননি। তাই সেসব ধর্ম ইসলামের থেকে শ্রেষ্ঠ। Conclusion: এতে বুঝা যায় ইসলাম সঠিক ধর্ম না।"
এই পোস্টের শিরোনাম "নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন"। স্বভাবতই পোস্ট ও মন্তব্যের আলোচনা একজন বিশেষ ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে। আস্তিক-নাস্তিক অনেকেই সে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। এখানে আল্লাহ প্রসঙ্গ আসে কি করে????
পোস্টের আলোচনায় লেখক যে মিথ্যাচার করেছেন (এক পর্যায়ে আপনিও মনে হয় স্বীকার করেছেন)- সেটিই তুলে ধরা হয়েছে। অথচ আপনি সেখান থেকে অদ্ভুত ধরণের সব কনক্লুশন টানছেন!!!!
এমনটি হচ্ছে আসলে মনে হয়- আস্তিকদের চিন্তাকাঠামোর কারণেই। তারাই মনে করে- তাদের বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রাখতে গেলে- মুহম্মদ সা কে সমস্ত দিক দিয়ে বিশেষ করে -চারিত্রিক দিক দিয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ দেখাতেই হবে, নতুবা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসই নড়বড়ে হয়ে যাবে। একইভাবে তারা ভাবে তাদের বিশ্বাস অক্ষুন্ন রাখতে গেলে কোরআনকে সর্বশ্রেষ্ঠ- ঐশী- নির্ভুল- অবিকৃত গ্রন্থ হিসাবে দেখাতেই হবে, নতুবা তাদের আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসই ধাক্কা খাবে। এর ফলে, তারা যেনতেন প্রকারে ছল-চাতুরি, মিথ্যাচার এসব করে সেসব প্রমাণ করতে যায়। আর সেগুলো যখন কেউ ধরে ফেলে তখন কনক্লুশন টেনে ফেলে যে, নাস্তিকেরা এমন করেই আল্লাহর অনস্তিত্ব প্রমাণ করছে!!!
হাহাহহাহহাহা.........
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হ্যারিজী বলেছেনঃ
" মদিনার অধিপতি হিসেবে তিনি শত ভারজিন, সুন্দরি মেয়ে বিয়ে করতে পারতেন। তাছাড়া মক্কা বিজয়ের পরও তো সেরকম করতে পারতেন। তাকে কেউ কিছু বলার ছিলনা। "
হ্যারিজী খুব দুর্দান্ত যুক্তি উপস্থাপন করেছেন বৈকি!! ১১টি (না-কি ১৩ টি? ১১ টি ধরলে, ওনার বাকিদের ওনার উপপত্নী বলতে হবে যে!!) বিয়ে ওনার কাছে খুব কম!! আসলেই তো খুব কম, শত ভারজিন-সুন্দরী মেয়ের তুলনায় তো বটেই!!!
কিন্তু জনাব হ্যারিকে সেই সাথে সময়টাও মিলিয়ে নিতে বলি। আরব অধিপতি হয়েছেন কবে? ছিলেন কত বছর? হিজরতের পূর্বে মক্কায় অবস্থান কালীন সময়ে- তার পক্ষে সেটা কি সম্ভব ছিল (সম্পদশালী ও প্রভাবশালী খাদীজার স্বামী হওয়ায় এবং ধর্ম প্রচারের কর্মব্যস্ততায় ও বিরুদ্ধশক্তি মোকাবেলার ব্যস্ততায় )? মদীনায় হিজরতের পরে- খাদীজার মৃত্যুর পরেই বিয়েসমূহ শুরু করেন, সে হিসাবে বাকি ১০/১২ বিয়ের জন্য কতবছর লেগেছে? ৭/৮ বছরে ১০/১২ টি বিয়ে কি খুব কম???? একজন পঞ্চাশুর্ধ ব্যক্তির পক্ষে??? তাছাড়া মক্কা বিজয়ের আগ পর্যন্ত কিন্তু এক ধরণের যুদ্ধ-বিগ্রহ, নানাবিধ ব্যস্ততা ছিলই, ফলে মদীনার অধিপতি হলেও- মক্কা বিজয়ের আগ পর্যন্ত তার ক্ষমতা কিন্তু নিরঙ্কুশও ছিল না। যাহোক, তারপরেও এটা স্বীকার অবশ্যই করতে হবে যে- ১১/১৩ সংখ্যাটি শত শত এর চেয়ে কম, তুলনায় বলতে হবে নগন্য!!
লেখক বলেছেন: একজন মানুষ শুধুমাত্র ব্যস্ততা আর অন্যসব কারনে ৫০ বছর পর্যন্ত তা কামনা বাসনাকে দমন করে রাখবেন, অযৌক্তিক মনে হয় না কি।
বিবি খাদিজা রা: ভয়ের কারনে যদি হয়ে থাকত, তাহলে মক্কার অধিপতিরা যখন তাকে মক্কায় রাজত্য করার লোভ দেখিয়েছিল, ইসলাম প্রচারে বিরত থাকার শর্তে, ইচ্ছে করলে ত তখনই তিনি মক্কার পাচ দশটি সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করতে পারতেন তাদের শর্ত মেনে। তারা যে সম্পদের লোভ দেখিয়েছিল বিবি খাদিজা রা: সম্পদ ত তার কাছে কিছুই নয় কি?
স্বপ্লচূড়া বলেছেন:
কাজের মেয়েদের যে লাগাইত ওইডা কি ? বুইরা বয়সে যে বাচ্চা একটা মাইয়ারে বিয়া করল এইটা কি ?
লেখক বলেছেন: স্বপ্লচূড়া আপনার কথা বলার ঢংয়ে বুঝা যায় আপনি কুতসিত মনের একজন মানুষ।
মাইয়া মানুষ মানেই যার কাছে লাগানো তার কাছ থেকে এর কিছু বেশি আশা করা যায় না।
ভদ্র বলেছেন:
@স্বপ্নচূড়া বাচ্চা বাপের কাছে থাক আর স্বামীর কাছে। যত্ন সহকারে থাকলে হল। বিয়ে করা মানে সহবাস শুরু করা নয়। বিয়ে করা মানে স্বামীর কর্তৃত্বে আসা।
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন:
ভালো লাগলো
বিবাহ= সামাজিক মর্যাদা দেয়া
যাদের বিবাহ করা হয়েছিল পরবতীতে তারা বাজে মন্তব্য করেন নি কেন ?
সে সময়কার বিরোধীরা বাজে মন্তব্য করেন নি কেন ?
তাহলে আপনার অবস্থান কোথায় ?
বাদশাহ্ ফাহাদ বলেছেন:
ASSALAMUALIKUM......ALLAH amader shokol ke maaf korun......Nobijike nea eto faltu montobbo korar right karo nai......Nobiji ALLAH r nirdes motabek shob Bibah koresen.....Islamic book gulan valo koira read kore knowledge nen....Nobiji ke ALLAH shokol manusher Rohmot shorup pathaisen ..and .. .And kisudin jabot Somewhereinblog e.. Nobiji &Islam nea kisu...manush barabari korche...ja asa kora jai na...MODARETORA koi gelen......Ghuman naki ?...Kono Dhormo nea Kharap montobbo Ban kora uchit.....R kisu write korar aage valo vave Jene write korun.....ALLAH-HAFIZ....
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, ধন্যবাদ
শায়েরী বলেছেন:
++
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
@নাস্তিকের ধর্মকথা,ভাইজান আপনার কোন বক্তব্যের কোন লিনক বা রেফারেন্স দেখাতে পারেন নাই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















আমার প্রশ্ন হচ্ছে: মেয়েদের প্রতি আসক্তি থাকলে সমস্যা কোথায়? পুরুষের নারীর প্রতি আসক্তি থাকবে না তো কিসের প্রতি থাকবে? আসক্তি তো থাকবেই, তবে তা নিয়ন্ত্রনের বাইরে গেলেই সমস্যা। আপনি কি একমত।