মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ভাষা আন্দোলনের চেতনার কথা অনেকে বলে থাকেন, আবেগে উদ্ধেলিত হয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন অনেকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছুই আনুষ্ঠাকিতা, বত্তব্য আর মন্তব্যের মধ্য দিয়েই সমাধিস্থ হয়। বাস্তবে চেতনার প্রতিফলন ঘটে না কোথাও।
ডিসেম্বর, ফেব্রুয়ারী আর মার্চের দিনগুলোতে দেশপ্রেম প্রকাশের মহড়া চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আর আনুষ্ঠানিকতায় কিন্তু পাশাপাশি রাজাকার তোষনও চলে, চলে দেশের স্বার্থবিরোধী কাজকারবার।
২১ শে ফেব্রুয়ারীর সকালে লম্বা লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা ফুল হাতে দাড়িয়ে থাকে যে জন ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেজনই আবার পরের দিন সন্তান স্বজনের হাত ধরে রওয়ানা দেয় ইংলিশ মিডিয়ামের স্কুলগুলোতে। অদ্ভুদ উচ্চারনে বাংলা বলার অনুশীলন পাশাপাশি চলতে থাকে মিডিয়াতে।
যেজন্য এসব কথার অবতারনা তা হল বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগে সোমবার বরিশালে ভাষাসৈনিক আবুল হাশেম মারা গেছেন।
শেষ জীবন বেশ কষ্ট আর অভাবে কাটে তার। শেষ জীবনটা কাটান আশ্রয়ে আর মৃত্যুবরন করেনও আশ্রয়দাতার কাছে।
ভাষা আন্দোলনের সৈনিক হিসাবে ১৯৭৯ সালে গোল্ড মেডেল দেওয়া হয় তাকে।
"কত আরা লিখবা, যে ভাষার কথা লিখতেছ, সে ভাষাকে টিকিয়ে রাখার জন্য একদিন সংগ্রাম করেছিলাম। কিন্ত নিজে কী পেয়েছি। ফেব্র"য়ারি মাস এলেই বাসায় লোকের যত আনাগোনা। এরপর তো কেউ আর খোঁজ রাখে না।"
বিডি নিউজ ডট কমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই কথাগুলো বলেছিলেন তিনি।
তার অভিযোগ ছিল বর্তমান প্রজন্মের প্রতিও ভাষা আন্দোলনের প্রতি তাদের অনাগ্রহের কারনে। তার মতে এখনও ভাষাকে বিকৃত করা হচ্ছে।
পরিশেষে ব্লগারদের কাছে এই ভাষা আন্দোলনের এই ফেব্রুয়ারী মাসে বিনীত অনুরোধ বিকৃত ভাষায় ব্লগিং করা থেকে বিরত থাকুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

