somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাস্তিক প্রফেসর আর তার আস্তিক ছাত্র

১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনোবিজ্ঞানের একজন প্রফেসর তার লেকচারে প্রায়শ:ই শ্রষ্টার বিরুদ্ধে বিষোদগার করতেন। মনোবিজ্ঞানের চাইতে ঈশ্বরের প্রতি ঘৃনাবোধটা ছিল তার তীব্রতর। ঈশ্বর মানে মানবজাতীর ইলিউসিব ধারনা ছাড়া কিছুই নেই।
তার আগমন ঘটেছিল দুর্বলতর মানুষদের ভয় পাইয়ে দিয়ে সবলদের সুবিধা আদায়ের জন্য। তাই ঈশ্বরে মানুষের বিশ্বাসটা মানসিক ব্যাধির মত।

প্রফেসরের এই অপ্রাসংগিক রকমের লেকচার আর আচরনে কিছু ছেলেপেলে খুবই বিব্রতবোধ করা শুরু করল।

একদিন প্রফেসর ধর্মকে খুব বেশি হেয় করার জন্য শুরু করলেন বর্ননা, কিভাবে ধর্মভীরু মানসিক ব্যাধিগ্রস্থ মানুষগুলো পরষ্পরকে খুনজখম করতে কুন্ঠাবোধ করেনা।

ঠিক সেই সময়টিতে তাকে থামিয়ে দিয়ে একজন ছাত্র তাকে কিছু প্রশ্ন করতে চাইল।
প্রফেসরের অনুমতি নিয়ে সে প্রশ্ন করল, স্যার আপনি সিজোফ্রনিয়া রোগিদের ব্যপারে কিংবা হ্যালুসিনেশনের ব্যপারে কি জানেন।

প্রফেসর অবাক হলেন। এটি অনেক আগের প্রমানিত মতবাদ অবিশ্বাস করার কি আছে!

প্রফেসর শুরু করলেন কিভাবে এইজাতীয় মনোরোগীরা অদৃশ্য কিছু দেখতে কিংবা শুনতে পায়।

প্রসংগক্রমে স্বরন করিয়ে দিলেন বিউটিফুল মাইন্ড নামের একটি ছবির কথা।
যেখানে নোবেলজয়ী অর্থনীতির প্রফেসরের হ্যালুসিনেশ হত।
তিনি তিনজন অদৃশ্য মানুষকে দেখতে পেতেন।

এবার প্রফেসরকে থামিয়ে দিয়ে ছাত্রটি জিজ্ঞেস করল, তাহলে স্যার আপনি সিজোফ্রনিয়া আর হ্যালুসিনেশনের ব্যপারটি বিশ্বাস করেন।

ছাত্রটি এব্যাপার জিজ্ঞেস করল, স্যার আপনার কি কখনো হ্যালুসিনেশ হয়েছিল কিংবা আপনি কি কখনো সিজোফ্রনিয়া রোগী ছিলেন।

প্রফেসর রেগে কাই হলেন, বেয়াদপ ছেলে বলছ কি?

ছাত্রটি বলল, স্যার আপনি যা দেখেননি তাতে বিশ্বাস করেন কিভাবে।

কিছু পাগল ছাগলের (সিজোফ্রনিয়া রোগী) কথা বিশ্বাস করতে আপনার লজ্জাবোধ হওয়া উচতি।

অথচ পৃথিবীর শতকোটি মানুষ যারা সবাই মানুষিকভাবে সূস্থ্য এবং যাদের মধ্যে অনেক বুদ্বিমান ভালো মানুষও আছে, তাদের বিশ্বাসকে হেয় করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন, এর জন্য আপনার লজ্জিত বোধ করা উচিত নয় কি?

প্রফের হা হয়ে তাকিয়ে রইলেন ছাত্রের দিকে
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২
১৬টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×