মনোবিজ্ঞানের একজন প্রফেসর তার লেকচারে প্রায়শ:ই শ্রষ্টার বিরুদ্ধে বিষোদগার করতেন। মনোবিজ্ঞানের চাইতে ঈশ্বরের প্রতি ঘৃনাবোধটা ছিল তার তীব্রতর। ঈশ্বর মানে মানবজাতীর ইলিউসিব ধারনা ছাড়া কিছুই নেই।
তার আগমন ঘটেছিল দুর্বলতর মানুষদের ভয় পাইয়ে দিয়ে সবলদের সুবিধা আদায়ের জন্য। তাই ঈশ্বরে মানুষের বিশ্বাসটা মানসিক ব্যাধির মত।
প্রফেসরের এই অপ্রাসংগিক রকমের লেকচার আর আচরনে কিছু ছেলেপেলে খুবই বিব্রতবোধ করা শুরু করল।
একদিন প্রফেসর ধর্মকে খুব বেশি হেয় করার জন্য শুরু করলেন বর্ননা, কিভাবে ধর্মভীরু মানসিক ব্যাধিগ্রস্থ মানুষগুলো পরষ্পরকে খুনজখম করতে কুন্ঠাবোধ করেনা।
ঠিক সেই সময়টিতে তাকে থামিয়ে দিয়ে একজন ছাত্র তাকে কিছু প্রশ্ন করতে চাইল।
প্রফেসরের অনুমতি নিয়ে সে প্রশ্ন করল, স্যার আপনি সিজোফ্রনিয়া রোগিদের ব্যপারে কিংবা হ্যালুসিনেশনের ব্যপারে কি জানেন।
প্রফেসর অবাক হলেন। এটি অনেক আগের প্রমানিত মতবাদ অবিশ্বাস করার কি আছে!
প্রফেসর শুরু করলেন কিভাবে এইজাতীয় মনোরোগীরা অদৃশ্য কিছু দেখতে কিংবা শুনতে পায়।
প্রসংগক্রমে স্বরন করিয়ে দিলেন বিউটিফুল মাইন্ড নামের একটি ছবির কথা।
যেখানে নোবেলজয়ী অর্থনীতির প্রফেসরের হ্যালুসিনেশ হত।
তিনি তিনজন অদৃশ্য মানুষকে দেখতে পেতেন।
এবার প্রফেসরকে থামিয়ে দিয়ে ছাত্রটি জিজ্ঞেস করল, তাহলে স্যার আপনি সিজোফ্রনিয়া আর হ্যালুসিনেশনের ব্যপারটি বিশ্বাস করেন।
ছাত্রটি এব্যাপার জিজ্ঞেস করল, স্যার আপনার কি কখনো হ্যালুসিনেশ হয়েছিল কিংবা আপনি কি কখনো সিজোফ্রনিয়া রোগী ছিলেন।
প্রফেসর রেগে কাই হলেন, বেয়াদপ ছেলে বলছ কি?
ছাত্রটি বলল, স্যার আপনি যা দেখেননি তাতে বিশ্বাস করেন কিভাবে।
কিছু পাগল ছাগলের (সিজোফ্রনিয়া রোগী) কথা বিশ্বাস করতে আপনার লজ্জাবোধ হওয়া উচতি।
অথচ পৃথিবীর শতকোটি মানুষ যারা সবাই মানুষিকভাবে সূস্থ্য এবং যাদের মধ্যে অনেক বুদ্বিমান ভালো মানুষও আছে, তাদের বিশ্বাসকে হেয় করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন, এর জন্য আপনার লজ্জিত বোধ করা উচিত নয় কি?
প্রফের হা হয়ে তাকিয়ে রইলেন ছাত্রের দিকে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

