ওরা তিনজনে মিলে খুনটা করে বিকেলবেলার দিকে। জিনিষপত্র সব হাতিয়ে নিয়ে এসে লাশ ফেলে আসে ইটের ভাটিতে। তিনজনের একজন জামালের ভাগে পরে দামী মোবাইল সেটটা।
সন্ধে বেলার দিকেই ঝুপড়িতে ঢুকে বিছানায় গা এলিয়ে দেয় জামাল।
একজন জলজ্যান্ত মানুষকে খুন করার পর মাথাটা ঠিক রাখাটা কঠিন।
বিছানায় গা এলিয়ে দেয়ার মুহুর্তেই বেজে উঠে তার নিজের মোবাইলটা।
বিরক্তবোধ করলেও কানের কাছে তুলে নেয় মোবাইলটা, সে জানে এটি তার মায়ের কল। দিনে কয়বার এবং প্রতিদিন সন্ধায় একবার মোবাইলে খোজখবর নেয়াটা নিয়মিত।
বাবা কেমন আছস, শরীরটা ভাল ত। তরে দেখবার মন চায়।
কোন ঝামেলা করস নাই ত আবার। তর জন্য খুব দুশ্চিন্তা হয় আমার, রাইতে ঘুমাইতে পারিনা। একটানে সবগুলো প্রশ্ন করে থামে জামালের মা।
জামাল ছোট্ট করে উত্তর দেয় "হ সব ঠিক আছে"
তারপর লাইন কেটে দেয়।
বিছানায় কতক্ষন এপাশ ওপাশ করে কাটায় তার মনে নেই।
ঠিক তখনই মোবাইল বেজে উঠে আবার, তবে তার নয় খুন হওয়া লোকটার। অজান্তেই ইয়েস বাটন চেপে কানের কাছে ধরে সে।
ওপাশ থেকে ভেসে আসে মায়ের কন্ঠ, তবে তার নয়, খুন হওয়া লোকটার।
" বাবা কেমন আছিস, শরীর ঠিক আছে ত। তোর জন্য খুব দুশ্চিন্তা হয় আমার, বাবা তোর জন্য রাতে ঘুমাতে......
জামালের হাত থেকে মোবাইলটা খসে পড়ে, নিজের অজান্তেই চোখ দুটো ভিজে আসে তার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


