আমার প্রিয় পোস্ট
- আপনার ওয়েবসাইটটিকে পরিচিত করুন (Search Engine Optimization) - মাহমুদ সিএসই
- উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- আমার প্রিয় কিছু মোবাইল সফটওয়্যার - মাহমুদ সিএসই
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১) - মাহমুদ সিএসই
- CCNA সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা - মাহমুদ সিএসই
- জাফর স্যারের ফাইবার অপটিকস ল্যাব - মাহমুদ সিএসই
- ফটোশপ দিয়ে চমৎকার টেক্সট ইফেক্ট তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- সহজে ইন্সটল করুন উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ - মাহমুদ সিএসই
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- কিভাবে মোবাইলের ভাইরাস রিমোভ করবেন? - সিটিজি৪বিডি
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- সামহয়ারইন ডিকশনারী Version 3.0 - the bible of somewhereinblog.net - নোবেলজয়ী
- কিছু Technological প্রতিষ্ঠানের নামকরনের ইতিহাস ও উৎপত্তি (১ম পর্ব) - নাফিস ইফতেখার
- মোবাইলে স্কাইপ ইনস্টল করবেন কি ভাবে? - সীমন্ত ইসলাম
- উইন্ডোজ রি ইনষ্টল করার পর উবুন্তুতে বুট করতে না পারার সমস্যায় পড়লে... - নাজিরুল হক
- কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
প্রথম পর্বে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছিলাম কিভাবে ল্যান নেটওয়ার্কিং এর জন্য ক্যাবল এবং স্টার টপোলজি প্রস্তুত করতে হয় অর্থাৎ আমরা হার্ডওয়্যার অংশ প্রস্তুত করা শিখেছি, এবার ইন্সটলেশনের পালা। UTP ক্যাবলগুলো পিসিগুলোতে কানেক্ট করে কম্পিউটারগুলো চালু করুন। এখন ইন্সটলেশনের প্রথম ধাপে প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য একটি করে IP Address দিতে হবে। আমরা সাধারনত IP Address হিসেবে IPv4 ব্যবহার করি এটি ৩২ বিটের একটি বাইনারি (Binary) নম্বর। প্রতিটি ওয়ার্কগ্রুপের (Workgroup) সকল কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদ IP Address দিতে হবে। একই এড্রেসের দুটি কম্পিউটার একই নেটওয়ার্কে কখনও থাকতে পারবে না।
আসুন এবার IP Address নিয়ে কিছুটা আলোচনা করি। ৩২ বিটের IP Address এর উদাহরন নিচে দিলাম :
11000000.10101000.00000000.00000001 (বাইনারি ফরমেট)
তবে আমাদের সহজে বোঝা এবং লেখার সুবিধার জন্য IP Address কে বাইনারি ফরমেটে না লিখে ডেসিমেল ফরমেটে লিখা হয়। যা নিম্নরুপ :
192.168.0.1 (ডেসিমেল ফরমেট)
উপরে এই পুরোটা নিয়ে একটি এড্রেস। এখানে যে ডট (.) দিয়ে আলাদা করা ৪ টি সংখ্যা দেখছেন, প্রতিটি সংখ্যা ৮ বিটের বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করছে। IP address এর সর্বত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে একে ৫টি ক্লাসে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে :
CLASS A শুরু 0.0.0.0 থেকে 127.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.0.0.0
CLASS B শুরু 128.0.0.0 থেকে 191.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.255.0.0
CLASS C শুরু 192.0.0.0 থেকে 223.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.255.255.0
CLASS D শুরু 224.0.0.0 থেকে 239.0.0.0 পর্যন্ত [মাল্টিকাস্টের জন্য সংরক্ষিত]
CLASS E শুরু 240.0.0.0 থেকে 255.0.0.0 পর্যন্ত [রিসার্চের জন্য সংরক্ষিত]
এখানে 127.0.0.0 কে লুপ ব্যাক এড্রেস বলা হয়, অর্থাৎ এটি কম্পিউটারকে নিজের নেটওয়ার্কই নির্দেশ করে যা টেস্টিং এর জন্য ব্যাবহৃত হয়।
এর মধ্যে প্রাইভেট IP Address গুলো হচ্ছে :
CLASS A শুরু 10.0.0.0 থেকে 10.255.255.255 পর্যন্ত
CLASS B শুরু 172.16.0.0 থেকে 172.31.255.255 পর্যন্ত
CLASS C শুরু 192.168.0.0 থেকে 192.168.255.255 পর্যন্ত
এই এড্রেসগুলো শুধুমাত্র অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য রাখা হয়েছে। তাই এইসব প্রাইভেট IP Address গুলো দিয়ে আমরা আমাদের নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারব কিন্তু এই Address গুলো দিয়ে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হওয়া যাবে না।
খুব বেশী কি জটিল মনে হচ্ছে? তাহলে একটু সহজ করে দেই.... প্রথমে Control Panel > Network Connections > Local Area Connection (ল্যান কার্ড ইন্সটল থাকতে হবে) এ ক্লিক করুন। নিচের উইন্ডোটি আসবে।
এখান থেকে Internet Protocol (TCP/IP) সিলেক্ট করে Properties বাটন ক্লিক করুন। সেখানে নিচের উইন্ডোটি পাবেন:
এবার IP Address এবং Subnet Mask বসান। আপনি যদি নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং করতে চান সেক্ষেত্রে প্রাইভেট IP Address ব্যবহার করা উচিত। তাই প্রথম কম্পিউটারটির IP Address দিন 192.168.0.1, তারপরেরটি 192.168.0.2,...... এভাবে 192.168.0.254 পর্যন্ত ক্রমানুসারে প্রতিটি কম্পিউটারে IP Address বসাতে থাকুন। এক্ষেত্রে সাবনেট মাস্ক (Subnet Mask) সব কম্পিউটারে হবে একই 255.255.255.0 । ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত না হতে চাইলে IP Address এবং Subnet Mask বসানোই যথেষ্ট।
তবে আপনার নেটওয়ার্কটিকে যদি ইন্টারনেটের সথে যুক্ত করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত Gateway Address এবং DNS Server Address বসাতে হবে। যে কম্পিউটারটি সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত, সেই কম্পিউটারটির জন্য ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারদের দেয়া Gateway Address এবং DNS Server Address বসাতে হবে (যদি GPRS Modem ব্যবহার করেন তবে Gateway Address বা DNS Server Address বসাতে হবে না)। ইন্টারনেট যুক্ত এই কম্পিউটারটিকে সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করে অন্য কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করবে তাই অন্য কম্পিউটারগুলোর (Client) জন্য Gateway Address এবং DNS Server Address হবে সার্ভার কম্পিউটারের IP Address। বোঝাতে পারলাম কি??
এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ইন্টারনেট যুক্ত নেটওয়ার্কে যে কম্পিউটারটি সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সেই কম্পিউটারটিকে Server হিসেবে ব্যবহার করব এবং বাকি সকল কম্পিউটারকে Client হিসেবে ব্যবহার করব। সকল কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য সার্ভার কম্পিউটারটি সব সময় চালু রাখতে হবে। সার্ভার কম্পিউটারটি বন্ধ করলে নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না, তবে নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং/ফাইল শেয়ারিং চালু থাকবে। যদি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে তবে নেটওয়ার্কে সার্ভারের কোন প্রয়োজন নেই, তখন সব পিসিই হবে ক্লায়েন্ট।
২য় পর্বে আমি চেষ্টা করেছি সহজে সবাইকে IP Addressing বোঝানোর, তারপরও নেটওয়ার্কিং এর মত বিশাল একটি বিষয়কে সংক্ষেপে বোঝাতে গিয়ে অনেক কিছু সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে। তাই কেউ কোন অংশ না বুঝলে বা বিস্তারিত আরও জানতে চাইলে মন্তব্য লিখুন।
অন্যান্য পর্ব :
১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬)
প্রকাশ করা হয়েছে: নেটওয়ার্কিং স্কুল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
পাপী বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
আমার আগের মন্তব্যটা গেলো কোথায়?? তবে যাই হোক এই পোষ্টের অপেক্ষায় ছিলাম! ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারদের দেয়া Gateway Address এবং DNS Server Address কোথায় থাকে??
লেখক বলেছেন: আগের পোষ্টটা কেন যেন প্রথম পাতায় আসেনি। বাধ্য হয়ে পোষ্টটাকে ড্রাফট করতে হয়েছে।
Gateway Address এবং DNS Server Address সার্ভিস প্রোভাইডাররাই ইন্টারনেট কানেকশন দেয়ার সময় দিয়ে দেবে। অথবা
Internet Protocol (TCP/IP) Properties এ গেলেই এই এড্রেসগুলো দেখতে পারবেন। এটা শুধুমাত্র ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশনের জন্য প্রযোজ্য।
তর্ষ বলেছেন:
ধন্যবাদ ।আমাদের জন্য অবশ্যই লিখেন আমরা জানি সবাই কে জানাই।
তর্ষ বলেছেন:
ভাইয়া কোন সেমিস্টারে।আমাদের বিভিন্ন সিএসই বিষয়ক সমস্যায় কি আপনি আমাদের পাশে আছেন?
লেখক বলেছেন: আমি এখন ৪র্থ বর্ষ ২য় সেমিস্টারে।
অবশ্যই.... টেকি যেকোন সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। অফটপিক হলেও সমস্যা নেই। যদি আমার জানা থাকে অবশ্যই সাহায্য করব।
ধন্যবাদ।
লেখার জন্য অনেক ধইন্যা।
আমার ঐ গেটওয়ে নিয়ে ঝালেমা বাধত আগে, প্যাকেট ট্রেসারে
আবারও ধইন্যা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সাথে থাকুন..........
ভাদাইম্যা পোলা বলেছেন:
আমি ল্যান আইপি ১৬৯.২৫৪.ক.ক ব্যবহার করি। এটা কি ধরনের আইপি?
লেখক বলেছেন: এটি একটি CLASS B আইপি এড্রেস।
লেখক বলেছেন: লিখছি.... সাথে থাকুন।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
পরের পর্ব কই?? প্রতি দিনই আপনার ব্লগে এসে ফিরে যাই।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
মাহমুদ ভাই আপনি বলেছেন> ইন্টারনেট যুক্ত নেটওয়ার্কে যে কম্পিউটারটি সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সেই কম্পিউটারটিকে Server হিসেবে ব্যবহার করব এবং বাকি সকল কম্পিউটারকে Client হিসেবে ব্যবহার করব। সকল কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য সার্ভার কম্পিউটারটি সব সময় চালু রাখতে হবে। ভাই মনে করেন আমি ৩০ টা কম্পিউটারে নেটওয়ার্কিং করব সাথে ইন্টারনেট সহকারে!! এর জন্য আমি ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের দেওয়া কেবলটাকে এনে সুইচ অথবা হাবে কানেক্ট করব> তারপর সুইস/হাব থেকে প্রতিটা কম্পিউটারের সাথে ইউটিপি কেবল কানেক্ট করব> তার পর আমি একটি কম্পিউটারকে Server হিসাবে ব্যবহার করব আর বাকি গুলা Client হিসেবে>>> কিন্তু এখানে ৩০টি পিসির কানেক্টই সুইচ/হাব থেকে দেওয়া হয়েছে>>> তাহলে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত কম্পিউটার কোনটি এটা কিভাবে বুঝব???????????
ভাই বিষয়টা বিস্তারিত বললে কৃতজ্ঞ থাকব!
লেখক বলেছেন: সুইচে সরাসরি ইন্টারনেট যুক্ত করতে চাইলে সব কম্পিউটারগুলো একই Subnetএর আওতায় থাকতে হবে অথবা সুইচটিকে Manageable সুইচ হতে হবে।
ISP তখন আপনাকে ৩০ টি পিসির জন্য নির্দিষ্ট ৩০টি IP দেবে এবং তাদের সার্ভারের IP হবে আপনার সব কম্পিউটারের Gateway IP। সুতরাং আপনার আর সার্ভার দরকার হবে না, অর্থাৎ সব কম্পিউটারই হবে ক্লায়েন্ট।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
আরো কিছু প্রশ্ন!!!১। আমি যদি ইন্টারনেট সহ নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং করতে চাই সেক্ষেত্রে কোন CLASS IP Address ব্যবহার করব??
২। যদি নেটওয়াকিং ব্যতীত শুধু ইন্টারনেট কানেকশন দিতে চাই তাহলে কি IP Address অটোমেটিকলি থাকলেই চলবে??
৩। (Client) কম্পিউটারগুলোর জন্য Gateway Address এবং DNS Server Address হবে সার্ভার কম্পিউটারের IP Address।>>> এখানে Preferred DNS Server Address এবং Alternate DNS Server Address দুটোই কি সেইম হবে? মানে সার্ভার কম্পিউটারের IP Address।????
লেখক বলেছেন: ১। সরাসরি সুইচে কানেক্ট করলে ISP যে IP দেবে সেটাই ব্যবহার করতে হবে। তবে সার্ভার তৈরী করে নিলে দুটি আলাদা নেটওয়ার্ক একই সাথে চালানো যাবে (একটি ISP থেকে দেয়া নেটওয়ার্ক এবং অন্যটি প্রাইভেট বা লোকাল নেটওয়ার্ক।) প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য নির্দিষ্ট IP এড্রেসগুলো আমি পোষ্টে বলেছি।
২। আপনি যদি ওয়্যারলেস ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাহলে IP বসানোর দরকার হবে না। এছাড়া ব্রডব্যান্ডে IP বসাতে হবে।
৩। শুধু Preferred DNS Server Address এ বসালেও চলবে। Alternate DNS Server Address হচ্ছে যদি কোন কারনে Preferred DNS না পায় তখন ব্যবহার করার জন্য।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
বস্ একটা বিষয় এখোনো পরিস্কার হইলো না, এটা নিয়া মাথায় কাজ করতেছে না! সেটা হইলো লেন কার্ডেতো একটা মাত্র আর,জে ৪৫ জেক, আমি যদি বডব্যান্ড লাইনটা সরাসরি একটা কম্পিউটারে ইনপুট করি তাহলে বাকি কম্পিউটার (ক্লাইন্ট) গুলোর জন্য লাইন নিব কিভাবে?>? মানে সার্ভার কম্পিউটার থেকে আউটপুট বের হবে কিভাবে?? এর জন্য কি করতে হবে? কিভাবে করব??
লেখক বলেছেন: সহজ সমাধান... দুটি ল্যান কার্ড ব্যবহার করতে হবে। একটিতে ব্রডব্যান্ড এবং অন্যটিতে লোকাল নেটওয়ার্ক কানেকশন। ওয়্যারলেস ইন্টারনেট হলে একটি ল্যান কার্ড হলেই চলবে। এখনকার মাদারবোর্ডগুলোতে একটা বিল্টইন ল্যান থাকে, সাথে একটি এক্সট্রা ল্যানকার্ড লাগিয়ে নিতে হবে।
আসলে, নেটওয়ার্কিং করার অনেক ধরনের উপায় আছে। আমি যেভাবে নেটওয়ার্কিং করার উপায় বলেছি এটা মূলত ছোট নেটওয়ার্কের জন্য। সার্ভার তৈরী করতে বলেছি ব্রন্ডব্যান্ড খরচ বাচানোর জন্য, যেমন: ISP থেকে ১ টি IP নিয়ে আপনি ২/৩টি পিসিতে শেয়ারিং এ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারলেন। তাতে করে ৩টি পিসির জন্য ISP কে ৩ গুন বিল দিতে হলো না, যদিও তাতে স্পিড কিছুটা কমে আসবে তারপরও টাইম শেয়ারিং করে ভালভাবেই ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
নয়ন বলেছেন:
চৎমকার পোস্ট দিয়েছেন। এরকম একটি দরকারী শিক্ষামূলক সিরিজের জন্যে আপনাকে যে কি বলে ধন্যবাদ দিবো।সবকিছু সংক্ষিপ্ত করবার দরকার নেই। যা যা প্রয়োজন সবই দেন। শিখতে ভালোই লাগছে।
++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আরও লেখার অনুপ্রেরনা পেলাম....
লেখক বলেছেন: একটি কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট মডেম যুক্ত করুন এবং ইন্টারনেট কানেকশনটি শেয়ার করে দিন। বাকি কম্পিউটারগুলোকে ইন্টারনেট যুক্ত কম্পিউটারের সাথে একই ল্যানে যুক্ত করে গেইটওয়ে হিসেবে ওই কম্পিউটারটির IP দিয়ে দিন। তাহলে সবগুলো কম্পিউটার থেকেই ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যাবে, যদিও স্পিড কিছুটা কম পাবেন। এ নিয়ে এই সিরিজেই আরও লেখা আছে, পড়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।
বুবলা বলেছেন:
ধন্যবাদ।
সাই নির্ভয় বলেছেন:
*++++*
বুবলা বলেছেন:
আমার একটা জিনিস জানার ছিল উইনডোস ৭ আর এক্সপির মধ্যে কি করে ল্যান করব ? বা লিনাক্স আর উইনডোস (এক্সপি/ ৭) এর মধ্যে কি করে ল্যান করব যদি একটু বিস্তারিত বলেন খুব উপকার হয়
ওিহদুর বলেছেন:
বুবলা যেটা জানতে চেয়েছেন আমার ও সেটা জানার প্রয়োজন । আমি উইন্ডোজ xp থেকে উইন্ডোজ সেভেন এ পৌছতে পারেনা । প্লিজ একটু জানাবেন ?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














