আমার প্রিয় পোস্ট
- মজিলার স্পীড বাড়ানোর ১০০% কার্যকরী টিপস - শরীফ মরকার
- ইংরেজীর মজা - িক
- ।। সহজে ওয়েব সাইট ডিজাইন করার কয়েকটি প্রয়োজনীয় টুলস ।। - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- মাত্র দশ মিনিটেই বিনামূল্যে তৈরী করুন নিজের ওয়েব সাইট সাথে জাভা, পি.এই.পি. সহ বিভিন্ন এনিমেশন এবং নানা ধরনের এফেক্ট - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- এবার চ্যাট হবে কোন প্রকার সফটয়্যার ছাড়া !!! আপনার সব একাউন্টে একসাথে… চ্যাট/ভিডিও কল Yahoo, Facebook, Skype, Google Talk, MSN, MySpace, AIM এর সকল বন্ধুদের সাথে !!! - না বি ল
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- ইসলাম হয়তো জ্যাকসনকে বাঁচাতে পারত: জারমেইন জ্যাকসন। - রিপন উদ্দিন
- ইসলামের কথা বলা শুরু করলে, সে রাজাকার হয়ে যায় but ধন্যবাদ,মন্তব্য মডারেটেড - াহো
- জামাতে ইসলামী ধর্মের প্রবক্তা মওদুদীর কিছু ইসলাম বিকৃতির নমুনা - বহুরূপী মহাজন
- ছোট ছোট সফটওয়্যার (পর্ব - ১, অডিও টুল) - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগের সব লেখা আপনার কম্পিউটারে!!!!! - আলী প্রাণ
- ই-বুক কালেকশন মাসুদ রানা সিরিজ - নাজির
- নিক পরিবর্তন করার ইচছা। - আফরোজা লাভলী
- ৩৩টি বাংলা ফন্ট একসাথে ডাউনলোড করুন (রিপোষ্ট)! - মুকুট
- অফিস ২০০৭ এর যে কোন Text কে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রুপান্তর করুন - কাজু
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ৪র্থ পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ইসলাম ও মুসলমানদের দূর্দিনে সবাইকে কুরআন-সুন্নাহর উপর মজবুত হতে হবে - মিঠূ মারুফ
- শুভ জন্মদিন সোহান - লিটল হামা
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
শালার বাংলাদেশী সব ওয়েবসাইট কি ইন্ডিয়ান বদমাশগুলা হ্যাক করবে নাকি?? আমাদের হ্যাকাররা কি করে??

- শৈল্পিক ভাবনা
- মাত্র কয়েক মিনিটে তৈরি করুন আপনার নিজস্ব ওয়েব সাইট এবং হোস্টিং করুন সম্পূর্ণ ফ্রি - নাজমুল হাসান বাবু
- প্লিজ হেল্প: কোন এন্ট্রিভাইরাস ভাল! কোনটা ব্যাবহার করব? - মঈনউদ্দিন
- ফারুক৫৫ এর লেখার জবাব। - হা...হা...হা...
- আল্লাহকে পেতে মাধ্যম গ্রহণ - mamun
- A khub clever Muslim woman: একজন খুব বুদ্ধিমতী মহিলার গল্প - হাসানা
- ভণ্ডপীরদের ভণ্ডামী: প্রসঙ্গ রাজারবাগী (৪র্থ পর্ব ) - আহমদ আবদুল হালিম
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে কিছু কথা এবং সেগুলোর প্রত্যুত্তর - মামুন বিদ্রোহী
- ইন্টারনেটে ইসলাম প্রচারের কিছু টিপস - ইঊসুফ সুলতান
- নিকাব = প্রতিবন্ধক? - সন্ধ্যাবাতি
- ডাউনলোড করুন Photoshine full Version একদম ফ্রী!!!!!! আর উপভোগ করু দারুন সব ছবির ইফেক্ট এবং সাথে আর কিছু মাজার মজার ইফেক্ট এর সাইটের ঠিকানা - মঈনউদ্দিন
- একজন ইসলামী নেতাকে আমরা কি কি কারণে ভোট দেব? - নাজনীন১
- সামহোয়ারইনের যত্তসব অপশনের ব্যাবচ্ছেদ - কাঙাল মামা
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- ইসলামে নারীর অধিকার ও মর্যাদা (repost) - আমি বিপ্লবী
- মহানবীর দয়াদর্শন ও আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপট - আবদুল হক
- ঈদে মিলাদুন্নবী কোনো ঈদ নয় - ইঊসুফ সুলতান
- কিভাবে ডিমো কিংবা ট্রায়াল সফ্টঅয়ারকে সারা জীবন ব্যবহার করবেন - জুয়েল ফুজি
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- সামু ব্লগে ভাইরাস নিয়ে যত পোষ্ট (একটি গো +এষণা মূলক পুষ্ট) - নিরব হাসি
- বিনামূল্যে আনলিমিটেড SMS করুন কম্পিউটার থেকে - মহসিন০৮
- ফ্রি এসএমএস পাঠান পৃথিবীর যেকোন মোবাইলে যতখুশি ইচ্ছা!!

- ইসানুর
- আমেরিকান ধর্ম যাজক ইউসুফ এসতেসের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার কাহিনী....... - আব্দুর রহমান
- পেনড্রাইভটা একটু সতর্কতার সাথে খুলুন!!!
- আদনান শওকত
- ডেসটিনির ভাগ্য, ভাগ্যের ডেসটিনি... - মহাজাগতিক
- জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ মাদরাসার ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলনের প্রথম দিন শেষ হওয়ার পথে.. - ইঊসুফ সুলতান
- গদ্দিনশীন পীর বিষয়ক সামান্য ক্যাচাল....লেখাজোকা শামীম এবং আমার মন্তব্য - আমি মনির
- কওমী মাদরাসা : জোসনায় কেনো অন্ধকার - নুবিয়া
- কালকণ্ঠকে বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন মুফতি যাকারিয়া `এই শিক্ষানীতি জাতি মানবে না' - নুবিয়া
- ভণ্ডপীরদের ভণ্ডামী ( ২য় পর্ব ) - আহমদ আবদুল হালিম
- আপনার প্রিয় ওয়েব সাইট কোনটি? - প্রতিচ্ছবি
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ভিডিও ডাউনলোড করার ৫টি জনপ্রিয় ওয়েবটুলস, সম্পূর্ন ফ্রী… - তারেকবিডি
- আল কোরআনঃ এক রত্নভান্ডার - ৩ (ছায়াতত্ত্ব-২) - আমি মনির
- ডাউনলোড স্পিড টেস্ট করুন - মাজহার সৌরভ
- ফেসবুকে গ্রুপ তৈরি - পুতুলকনে
- ধর্ম ব্যবসা এবং ধর্ম নিয়ে ব্যবসা - হতবুদ্ধি
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- দু'টি অত্যন্ত শক্তিশালি নিরাপত্তা সফটওয়্যার - NOD32 ও Malwarebytes' Anti-Malware - নাফিস ইফতেখার
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- একসাথে চার বিয়ে এবং আমার কয়েকটি প্রশ্নঃ


- কঠিন চিজ
- নাস্তিকদের নৈতিক রূপ কি এসব করা??? - কঠিন চিজ
- নৈতিকতার ভিত্তি - আস্তিক নাস্তিক কথোপকথন --

- কঠিন চিজ
- টিপাইমুখ লংমার্চে অংশগ্রহন করবে অনেকে - এহসানুল হক জসীম (১)
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- জামায়াতে ইসলামীকে কেন নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হবে না? - সীমানা ছাড়িয়ে
- জাময়াতে ইসলামী: রুখতে হবে এই অপশক্তিকে - আহমদ আবদুল হালিম
- ই বুক বানায় কেমতে?????কেউ জানলে আওয়াজ দিয়েন!!!!!
- প্রিয়তমেষু
- হার্ডড্রাইভ লুকিয়ে রাখা - মনের কিছু কথা
- পবিত্র আশূরা তথা ১০ই মুহর্রম-এর দিনের শ্রেষ্ঠত্ব, ফযীলত ও আমলসমূহ - তুষারপাত
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদী যে কারনে আলেম সমাজের নিকট প্রত্যাখ্যাত হলেন (২য় পর্ব): নবী-রাসুলগণের প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি-২
২২ শে মে, ২০১০ রাত ১০:১৪
(কৈফিয়ত: আমি জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের ভাইদের কোনরুপ হেয় বা খাটো করার উদ্দেশে মাওলানা মওদুদীর উক্তিগুলো এখানে তুলে ধরিনি। আমি জানি, তারা এগুলো সম্পর্কে কমই জানেন অথবা তাদের জানতে দেওয়া হয়না। কেউ যদি জেনেও ফেলেন এবং বড়দের নিকট প্রকাশ করেন, তাদের এমন বোঝান হয় যে এগুলো সব শত্রুদের ষড়যন্ত্র। আবার এমনটিও বলা হয়- আমরা তো আর মাওলানা মওদুদীকে অনুসরন করিনা বা তার সব কথা মানিও না। কিন্তু একথা গ্রহনযোগ্য নয়, কারন জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের পাঠ্যসূচিতে মাওলানা মওদুদী লিখিত প্রায় সব পুস্তকই রয়েছে। উত্তম খাবারের সাথে যেমন সুক্ষ পরিমাণ বিষাক্ত খাবার গ্রহন করলে বাহ্যিকভাবে তার প্রভাব তেমন অনুভূত হয়না এবং ধীরে ধীরে ঐ বিষাক্ত খাবার সহনীয় হয়ে যায় তেমনি মাওলানা মওদুদীর ত্রুটিযুক্ত কথা ও কাজগুলোকেও জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের ভাইয়েরা একসময় তাদের আক্বীদায় পরিনত করেন।
‘তাফহিমুল কোরআন’কে আলেম সমাজ নিষিদ্ধের দাবী করায় বর্তমান সংস্করনগুলো থেকে কিছু আপত্তিকর কথা বাদ দেওয়া হয়েছে যদিও এতটুকুই যথেষ্ট নয়। তাছাড়া মাওলানা মওদুদী জীবিত থাকাকালীন বা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অদ্যাবধি কোন ভুল স্বীকার করে তওবা করা হয়নি। তাই মুসলিম ভাইদের ঈমানের হেফাজতের জন্য এগুলো তুলে ধরা আমার জন্য অপরিহার্য ছিল।)
নবী-রাসুলগণ সকলেই মাসুম, তারা সকলেই নিষ্পাপ-এই হলো ইসলামী আকীদা। তবে জনাব আবুল আলা মওদুদী ইসলামের বদ্ধমূল এ আকীদার উপর কুঠারাঘাত করে এবং কুরআন ও সুন্নাহর চিরন্তন শিক্ষাকে পদদলিত করে আম্বিয়ায়ে কেরামের এ পূত পবিত্র জামাতের প্রতি কলংক লেপন করার উদ্দেশ্যে এমন ধৃষ্টতাপূর্ন কথা বলেছেন, যা কোন মুসলমানের পক্ষে বরদাশত করা সম্ভব নয়।
১ম পর্ব: নবী-রাসুলগণের প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি-১
এর পর থেকে-
হযরত মুছা (আ.) সম্পর্কে:
“নবী হওয়ার পূর্বে মুছা(আ.) দ্বারা একটি বড় গুনাহ হয়েছিল। তিনি এক ব্যাক্তিকে কতল করেছিলেন।” [রাসায়েল ও মাসায়েল, ১ম খন্ড, ৩১ পৃ.]
“মুছা(আ.) এর দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ অধৈর্য্যশীল বিজয়ীর মত যে তার শাসন ক্ষমতা সুপ্রতিষ্ঠিত না করেই মার্চ করে সম্মুখে চলে যায় আর পিছনে ফেলে যাওয়া এলাকায় বিদ্রোহের দাবানল দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে।” [তরজমানুল কোরআন ২৯/৪-৫]
হযরত ইব্রাহীম (আ.) সম্পর্কে:
“এখানে আর একটি প্রশ্নের উদ্রেক হয় যে, হযরত ইব্রাহীম (আ.) যখন নক্ষত্র দেখে বলেছিলেন, এটা আমার প্রতিপালক এবং চন্দ্র-সূর্য দেখে এগুলোকেও নিজের প্রতিপালক হিসাবে অবহিত করেন, তখন সাময়িক ভাবে হলেও কি তিনি শিরকে নিপতিত হননি?” [তাফহিমুল কোরআন ১মখন্ড, ৫৫৮ পৃ.]
হযরত ইসা (আ.) সম্পর্কে:
“হযরত ইসা (আ.) মারা গেছেন একথাও বলা যাবেনা, বরং বুঝতে হবে ব্যাপারটি অস্পষ্ট।” [তাফহিমুল কোরআন ১মখন্ড(সুরা নিসা), ৪২১ পৃ.]
হযরত ইউসুফ (আ.) সম্পর্কে:
“হযরত ইউসুফ (আ.)- ‘আমাকে মিসরের রাজকোষের পরিচালক নিয়োগ করুন’- এ কথাটি বলে শুধু অর্থমন্ত্রী হওয়ার জন্যই প্রার্থনা করেননি। কারো কারো ধারনা, বরং তিনি এ বলে ডিকটিটরীই চেয়েছিলেন মৌলিকভাবে। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমান ইতালীর মুসোলিনির যে মর্যাদা তিনিও এর কাছাকাছি মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন।” [তাফহীমাত : ২য় খন্ড, ১২২ পৃ. ৫ম সংস্করন এবং নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খন্ড, ১৫১ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন ১৯৯১ইং]
সকল নবী-রাসুল সম্পর্কে:
“ইসমত বা নিষ্পাপ হওয়াটা মুলত: নবীদের প্রকৃতিগত গুণ নয়।এখানে একটি সুক্ষ বিষয় এই যে, আল্লাহ তা’য়ালা ইচ্ছা করেই প্রত্যেক নবীর উপর থেকে কোন না কোন সময় তার হেফাজত উঠিয়ে নেন এবং তাদেরকে দু’একটি গুনাহে লিপ্ত হতে দেন। যাতে করে মানুষ যেন খোদা বলে ধারনা না করে এবং জেনে রাখে এরাও মানুষ।” [তাফহীমাত : ২য় খন্ড, ৪র্থ সংস্করন ৫৬/৫৭ পৃ. এবং নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খন্ড, ৭৪ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন অক্টোবর ১৯৯১ইং]
“বস্তুত: নবীগণ মানুষ হয়ে থাকেন এবং কোন মানুষই মু’মিনের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মাপকাঠিতে সর্বদা অটল থাকতে সক্ষম হতে পারেনা। প্রায়শ:ই মানভীয় নাজুক মুহুর্তে নবীর ন্যায় শ্রেষ্ঠ মানুষও কিছুক্ষনের জন্য মানবিক দুর্বলতার সামনে পরাভূত হয়ে যান।” [তাফহিমুল কোরআন ২য় খন্ড, ৩৪৩-৩৪৪ পৃ. সংস্করন ১৯৯০ইং]
“কোন কোন নবী দ্বীনের চাহিদার উপর স্থির থাকতে পারেন নি। বরং তারা আপন মানবীয় দুর্বলতার কাছে হার মেনেছেন।” [তরজমানুল কোরআন, ৩৫ তম সংখ্যা : ৩২৭ পৃ.]
” অন্যদের কথা তো স্বতন্ত্র, প্রায়শ:ই পয়গম্বরগণও তাদের কু-প্রবৃত্তির মারাত্মক আক্রমনের সম্মুখিন হয়েছেন।” [তাফহীমাত : ২য় খন্ড, ৫ম সংস্করন ১৯৫ পৃ. এবং নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খন্ড, ২৮ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন ১৯৯১ইং]
চলবে…………ইনশাআল্লাহ
আগামী পর্বে থাকছে সাহাবাগণের (রা.) প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি-১
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১১:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ভাই, এত লিংক দিয়ে কি হবে? মানুষ আজকাল অনেক সচেতন।আপনার যা ইচ্ছা তা আপনি গেলাতে পারবেননা। লেখা পড়ার আগে লেকককে দেখে আগে। লেখকের উপর নির্ভর করে লেখার গ্রহনযোগ্যতা।
ভাই যেভাবে কৈফিওত দিলেন, তা আপনি কি জামাতিদের ভক্ত নাকি?
লেখক বলেছেন: তারা তাদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিক, আমি অবশ্যই তাদের ভক্ত হব।
একজন সৈকত বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকাঈদ বিষয়ক কিতাবগুলো দেখেন।
লেখক বলেছেন: @থাবা_বাবা
আমি বিপ্লবী বলেছেন:
আচ্ছা, চরমনাইর পীরকে আপনার কেমন মনে হয়??
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নটা অপ্রসাঙ্গিক। আপনার পিস-ইন-ইসলামের "রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় মুসলিমদের সম্পৃক্ততা" পোষ্টটি এক কথায় চমৎকার হয়েছে।
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন:
আইছ্ছা দেওয়ানবাগী সাঈদাবাদীকে কেমন মনে হয় আপনার???
লেখক বলেছেন: ভাই, রাজারবাগীটাকে বাদ দিলেন ক্যান?
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:
যারা কিছু না বলেই শুধু মাইনাস দিয়ে চলে যাচ্ছেন তাদের কি আসলেই কিছু বলার নেই।
তবু আমি বাস্তব বলেছেন:
সহমত।।।তবে মনে হয়না এতে তারা তাদের ভুল সীকার করবে।।।।।
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
তাফহীমুল কোরআনের ১ম খন্ড এর মোটপৃষ্ঠা ২৪২। আপনি ৫৫৮ পৃ.৪২১পৃ কোথায় পেলেন।
ভন্ডামীর একটা সীমি থাকা উচিৎ।।।
লেখক বলেছেন: তাফহীমুল কোরআনের মূল উর্দু (সংস্করন:১৯৮৫ ইং) থেকে দেওয়া।
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
তাফহীম ২য় খন্ড পুরাটাই সূরা নিসা । আপনি যে সংস্করন ও যে প্রকাশনাই দেখেননা কেন।সূরা নিসার মধ্যে হযরত ইউসুফ আ: এর ঘটনা কেন আসবে। তাছাড়া আপনার দেওয়া পৃষ্ঠার কোথাও ঐ ধরনের কথা উল্লেখ নেই । দয়াকরে মিথ্যা কথা প্রচার করা থেকে বিরত থাকুন।।
লেখক বলেছেন: তাফহীমুল কোরআন কি শুধু বাংলায় পাওয়া যায়?
যে উদ্বৃত্তিগুলো বাংলা অনুবাদ থেকে দেওয়া হয়েছে ব্রাকেটে 'বাংলা" লেখা আছে।
লেখক বলেছেন: যাদের সত্য যাচাইয়ের প্রয়োজন তারা ইচ্ছে করলেই তা করতে পারেন।
এগুলোও দেখতে পারেন, এতে আবার কোন মিথ্যা আছে কিনা!
১. ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ) -জাস্টিস তাকী উসমানী (রশীদ কল্যান ট্রাস্ট)
২. মাওলানা মওদূদীর সাথে আমার সাহচার্যের ইতিবৃত্ত – মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ) (ঐ)
৩. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম -মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ) (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৪. মওদূদীর চিন্তাধারা ও মওদূদী মতবাদ -ইজহারে হক ফাউন্ডেশান; প্রাপ্তিস্থানঃ (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৫. ফিতনায়ে মওদুদীয়াত – মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
৬. ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
৭. সতর্কবাণী -মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
৮. হক্ব বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব- আল্লামা আহমাদ শফী, হাটহাজারী।
৯. ঈমান ও আক্বীদা -ইসলামিক রিসার্স সেন্টার, বসুন্ধরা।
১০. ফতোয়ায়ে দারুল উলূম (আংশিক)
১১. ইসলামি আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ -মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(১১/১, বাংলাবাজার, ঢাকা) যাদের সত্য যাচাইয়ের প্রয়োজন তারা ইচ্ছে করলেই তা করতে পারেন।
এগুলোও দেখতে পারেন, এতে আবার কোন মিথ্যা আছে কিনা!
১. ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ) -জাস্টিস তাকী উসমানী (রশীদ কল্যান ট্রাস্ট)
২. মাওলানা মওদূদীর সাথে আমার সাহচার্যের ইতিবৃত্ত – মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ) (ঐ)
৩. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম -মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ) (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৪. মওদূদীর চিন্তাধারা ও মওদূদী মতবাদ -ইজহারে হক ফাউন্ডেশান; প্রাপ্তিস্থানঃ (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৫. ফিতনায়ে মওদুদীয়াত – মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
৬. ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
৭. সতর্কবাণী -মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
৮. হক্ব বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব- আল্লামা আহমাদ শফী, হাটহাজারী।
৯. ঈমান ও আক্বীদা -ইসলামিক রিসার্স সেন্টার, বসুন্ধরা।
১০. ফতোয়ায়ে দারুল উলূম (আংশিক)
১১. ইসলামি আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ -মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(১১/১, বাংলাবাজার, ঢাকা)
১২. আহসানুল ফতোয়া
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
উর্দূ তাফহীমের রেফারেন্স দিছ, তো বঙ্গানুবাদের কাজটা কে করেছে???বঙ্গানুবাদে তুমি যেসব নবী, রাসূলদের সম্পর্কে মিথ্য, উদ্ভট বানোয়াট কথা লিখেছ তার জবাব আল্লাহর কাছে তোমাকে অবশ্যই দিতে হবে।
আল্লাহকে ভয় কর বাবা আল্লাহকে ভয় কর।।
লেখক বলেছেন: রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন!
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
তুমি বাবা যে সকল লেখকদের বই লিখে দিয়েছ। এনাদের বেশির ভাদের নামই বাংলাদেশের অধিকাংশ লোক শোনে নাই। তোমাদের কওমী মাদ্রাসায় হয়ত তাদের বই পড়ানো হয়।মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) জামাতের বিরূদ্ধে সকল প্রচারনার জন্য জামাতের জনসভাতে এসে তওবা করেছিলেন তা এদেশের সকল লোক জানে।
লেখক বলেছেন: আপনার পাচ লাইন পড়ে পাচ মিনিট ধরে হাসলাম...
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:
@জ্ঞানপিপাসু, সূরা নিসার মধ্যে হযরত ইউসুফ আ: এর ঘটনা কেন আসবে।
না, তা তো থাকার কথাও নয়। তবে ঈসা আ. এর কথা আছে বৈকি!
আপনি মনে হয় উত্তেজিত, তাই এরকম ভুল হচ্ছে আপনার।
কুল ডাউন, ম্যান!
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
"হযরত ইউসুফ (আ.)- ‘আমাকে মিসরের রাজকোষের পরিচালক নিয়োগ করুন’- এ কথাটি বলে শুধু অর্থমন্ত্রী হওয়ার জন্যই প্রার্থনা করেননি। কারো কারো ধারনা, বরং তিনি এ বলে ডিকটিটরীই চেয়েছিলেন মৌলিকভাবে। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমান ইতালীর মুসোলিনির যে মর্যাদা তিনিও এর কাছাকাছি মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন।” [তাফহীমাত : ২য় খন্ড, ১২২ পৃ. ৫ম সংস্করন এবং নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খন্ড, ১৫১ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন ১৯৯১ইং]"আমার মনেহয় তুমিই বেশি উত্তেজিত হয়ে গেছ বাছা।
এখানে যে বাংলা তাফহীমের ২য় খান্ডে উদ্বৃতি দিলা, পৃষ্ঠার তো কোন মিল নাই বরং আমী বলছি ২য় খন্ডে সূরা আল-ইমরানও নিসা আছে এর মধ্যে কোথায় হযরত ইউসুফ আ: এর কথা বলা হয়েছে নাকি প্রাসঙ্গিক ভাবেই সে এই কথা বলেছে।
সুস্পষ্ট রেফারেনস দিয়ে জনগনকে ভূল পথ থেকে মুক্ত কর বাছা।
তুমি ইসলামের কতটুকু খেদমত করেছো আর যার লেখা পড়ে লক্ষ লক্ষ মানূষ সঠিক পথের দিশা পেয়েছে তার সমালোচনা করছো।
লেখক বলেছেন: হা. হা. হা.........তাফহীমাত আর তাফহীমুল কোরআনকে আপনি অভিন্ন গ্রন্থ মনে করছেন? মাও. মওদুদীকে নিয়ে আপনার এইটুকু জানাশোনা দেখে আমার করুণাই হচ্ছে শুধু!
লেখক বলেছেন: আপনাদের মত কিছু অতি হুজুগে ও অন্ধভক্ত ব্যক্তির জন্যই যত সমস্যা!
মাও. মওদুদীকে নিয়ে আরো জানুন।
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
তুমি আর তোমার এই সকল বড়, বড় আলেমরা কিছুদিন আগেই ইসলামে রাজনীতিকে হারাম বলত। একথা সত্য কিনা আওয়াজ দাও।।কোন হাদীস -কোরআনের ভিত্তিতে তারা এই ফতোয়া দিতেন।
এখন আবার এখন অনেকেই রাজনীতিকে জায়েয বলছেন। তাদের নিকট কি কোন নতুণ আয়াত নাযিল হয়েছে নাকি???
লেখক বলেছেন: 'আপনি' থেকে 'তুমি' তে নেমেছেন, আরও নীচে নামবেন নাকি?
উর্দু তাফহীমুল কোরআনের খন্ডসংখ্যা আর বাংলা তাফহীমুল কোরআনের খন্ডসংখ্যা এক নয়- সেটি কি জানেন?
মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) জামাতের জনসভাতে এসে তওবা করেছিলেন..........আমি এখনো হাসতেছি।
লেখক বলেছেন: ভাই, 'তাফহীমাত' আর 'তাফহীমুল কোরআন'-এর পার্থক্য বুঝতে পেরেছেন তো?
লেখক বলেছেন: 'ইসলামে রাজনীতি হারাম' - ওনাদের কেউ বলেছেন , প্রমান দিতে পারবেন?
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন:
“ইসমত বা নিষ্পাপ হওয়াটা মুলত: নবীদের প্রকৃতিগত গুণ নয়।এখানে একটি সুক্ষ বিষয় এই যে, আল্লাহ তা’য়ালা ইচ্ছা করেই প্রত্যেক নবীর উপর থেকে কোন না কোন সময় তার হেফাজত উঠিয়ে নেন এবং তাদেরকে দু’একটি গুনাহে লিপ্ত হতে দেন। যাতে করে মানুষ যেন খোদা বলে ধারনা না করে এবং জেনে রাখে এরাও মানুষ।” [তাফহীমাত : ২য় খন্ড, ৪র্থ সংস্করন ৫৬/৫৭ পৃ. এবং নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খন্ড, ৭৪ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন অক্টোবর ১৯৯১ইং]ভালো লেগেছে.. এভাবেই বিশ্লেষন করা উচিত।
নবী-রাসুলগণ সকলেই মাসুম, তারা সকলেই নিষ্পাপ-এই হলো ইসলামী আকীদা।
এমন আকিদ্বা বিশ্বাষ থাকা কি উচিত।
যেখানে মওদুদী দ্বারা একটি সুন্দর ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।
আপনার লেকগা যদি সত্যি হয় তবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা যদি প্রশ্ন করে তোমাদের নবীরা তো এটা করেছেন আর তোমরা বলো তারা নিষ্পাপ তাহলে মওদুদী'র ব্যাখ্যাই বেটার নয়?
আপনার কাছে এগুলোর ারো ভালো উত্তর থাকলে আমাকে জানাবেন।
আমরা মাঝে মাঝে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হই।#
লেখাটার জন্য ধন্যবাদ...
মওদুদী যে ইসলামের একজন ভালো ব্যাখ্যাকারী এটা বুঝতে পারলাম।
দীর্ঘজীবি হোন........।
লেখক বলেছেন: শুধু আপনার না, মাও. মওদুদীর অন্ধভক্ত যারা সবারই ব্যাখ্যাটা ভাল লাগবে।
কথক পলাশ বলেছেন:
লিখতে থাকুন। সাথে আছি। দোয়া করি ভ্রষ্টরা পথ খুঁজে পাক। আবারো বলছি, অযৌক্তিক প্রতিক্রিয়াই আপনার লিখার শুদ্ধতা বিচার করছে। দেখুন না কেমন অসংলগ্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন। ঠিক পথেই এগুচ্ছেন আমার বিশ্বাস।
লেখক বলেছেন: অসংলগ্ন কথাই তাদের সম্বল, এদের জানাশোনা যে কতটা তা তো নিজেই দেখলেন।
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন:
উর্দূ তাফহীমের রেফারেন্স দিছ, তো বঙ্গানুবাদের কাজটা কে করেছে???বাংলা তাফহীমের রেফারেন্স দাও যাতে জনগন বেশি বিভ্রান্ত হতে পারে।
বাংলাদেশের অনেক এলাকাতেই কিন্তু বড়দের (আব্বা- আম্মাকে ও )সম্মান করে তুই বলে। তুমি বলাতেই এতো রেগে গেলেন। নিজের কথার সাথে একটু বেমানান হয়ে গেল না?
লেখক বলেছেন: ভাই, 'তাফহীমাত' আর 'তাফহীমুল কোরআন'-এর পার্থক্য বুঝতে পেরেছেন তো?
কথক পলাশ বলেছেন:
হা হা হা! কঠিন সার্কাস তো! ইবনে হাবিব ভাই, চালিয়ে যান। আপনার কাছ থেকে তথ্য পাচ্ছি। আর কিছু কিছু কমেন্ট থেকে নির্মল আনন্দ পাচ্ছি। আমিও হাসতেছি। পুরাই কমেডি। আপনার রেফারেন্স গুলো বিশ্বাস যোগ্য মনে হচ্ছে, যেহেতু এর বিরুদ্ধে কেউ কোন রেফারেন্স হাজির করতে পারেনি।
সবগুলো দিতে চাই না।
একটা বলি। হযরত ইবরাহিমের(আ) প্রতি মাওলানা মওদূদী শিরকের যে অভিযোগ এনেছেন, তা অত্যন্ত ধৃষ্টতাপূর্ণ সন্দেহ নেই।
তিনি বলেছেন, “এখানে আর একটি প্রশ্নের উদ্রেক হয় যে, হযরত ইব্রাহীম (আ.) যখন নক্ষত্র দেখে বলেছিলেন, এটা আমার প্রতিপালক এবং চন্দ্র-সূর্য দেখে এগুলোকেও নিজের প্রতিপালক হিসাবে অবহিত করেন, তখন সাময়িক ভাবে হলেও কি তিনি শিরকে নিপতিত হননি?”
কিন্তু, এই প্রশ্নটি করেই কি তিনি চুপ হয়ে গিয়েছিলেন? আমি তো আরো পড়লাম, "এর জওয়াব হচ্ছে, একজন সত্যসন্ধানী মানুষ তাঁর সত্য অনুসন্ধানের পথে পরিভ্রমন কালে মাঝপথে যে সন মনযিলে চিন্তাভাবনা করার জন্য থামে, আসল গুরুত্ব সে মনযিলগুলোর নয়, বরং আসল গুরুত্ব হচ্ছে, সে গন্তব্যের যেদিকে তিনি অগ্রসর হচ্ছেন এবং যেখানে গিয়ে অবস্থান করেন। মাকজখানের এই মনযীলগুলো অতিক্রম করা প্রত্যেক সত্যসন্ধানীর জন্য অপরিহার্য। সেখানে অবস্থান হয়, অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে, অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখানে অবস্থান করা হয় না। মূলতঃ এ অবস্থান হয় জিজ্ঞাসাসূচক এবং প্রশ্নবোধক, সিদ্ধান্তমূলক নয়। অনুসন্ধানী যখন এই মনযিলগুলোর কোনটিতে অবস্থান করে বলেন, 'ব্যাপারটি এমন' তখন এটি মূলতঃ তার শেষ সিদ্ধান্ত হয় না,বরং এককথা বলার উদ্দেশ্য হয় জিজ্ঞাসামূলক। অর্থাৎ 'ব্যাপারটা কি এমন?' তারপর পরবর্তী অনুসন্ধানে নেতিবাচক জবাব পেয়ে তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যান। তাই, পথের মাঝে তিনি যেখানে থামেন সেখানেই সাময়িকভাবে কুফরী বা শিরক করেন, এ কথা সম্পূর্ণ ভুল। কাজেই হযরত ইবরাহিম(আ) তাঁর সত্য অনুসন্ধানের পথে কোনরূপ শিরকে লিপ্ত হন নি।"
এবার আপনার দেয়া বাক্যগুলোকে আমার দেয়া বাক্যগুলোর সাথে মিলিয়ে পড়ুন এবং বলুন, এখানে ইবরাহিমকে(আ) কোথায় শিরকের দোষে দুষ্ট করা হলো? বরং দেখা যাচ্ছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোন দূরাত্মা যদি শিরকের খোঁড়া অভি্যোগ তুলে তার উপযুক্ত জওয়াব দেয়া হলো! সত্যি সেলুকাস!
এই কথাগুলো মূলতঃ একই অনুচ্ছেদভুক্ত যা তাফহীমুল কুরআনে সূরাহ্ আন্'আমের ৭৬-৭৯ নং আয়াতের(যেখানে শিশু ইবরাহিম(আ) কর্তৃক নিজে নিজেই আল্লাহর পরিচয় উদ্ঘাটনের কাহিনী বলা হয়েছে) ব্যাখ্যা করতে গিয়ে(টিকা নং ৫৩) বর্ণনা করা হয়েছে। উর্দূ তাফহীমুল কুরআনের কোথায় আছে জানা নেই, তবে, বাঙলা ভার্শনের তৃতীয় খন্ডেই পাবেন। এখন, উর্দূ ভার্শনে যদি ভিন্ন কোন কথা লেখা থাকে, তাহলে আমার কিছুই করার নেই।
সমস্যা হচ্ছে, আপনি এ কথাটি যেখান হতে 'কোট'(Quote) করেছেন, সেটি আর যাচাই-বাছাই না করে অন্ধবিশ্বাসের উপর চলেছেন এবং অন্যদেরকে অন্ধবিশ্বাসের উপর পথ চলার অভিযোগ করছেন।
একটা ভাল উদাহরণ মনে এসেছে। যারা ইসলামে নারীর অবমাননা করা হয় এটি প্রমান করতে চান, তাঁরা সকলেই সুরাহ্ বাক্বারা ২২৩ নং আয়াতের প্রথমাংশটি(তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রস্বরূপ, তোমরা যেভাবে ইচ্ছে তা ব্যবহার কর..) উল্লেখ করে বলে দেন যে, ইসলামে নারীকে পুরষের সম্পত্তির বাইরে আর কোন মর্যাদা দেয়া হয় নি। অথচ, ২২২ এবং ২২৩ নং আয়াত দু'টি একসাথে পুরোটুকু পড়লে আসল কথাটি বেরিয়ে আসে, যা তাঁদের অভিযোগের বিপরীত কথাটিই প্রমান করে।
তাই, এ পর্যন্ত যতগুলো অভিযোগ তুলে ধরেছেন, তার সবগুলোই নতুন করে যাচাই-বাছাই করবেন বলে আশা রাখছি। মাওলানা মওদূদীর বইগুলো বাংলাদেশে একেবারেই সহজলভ্য। কোন সাহায্য লাগলে বলবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। আপনার পূ্র্বে যারা মাও. মওদুদীর পক্ষে বলে গেলেন তারা কতটা তার সম্পর্কে জানে, মোটামুটি বুঝতে পারলাম। কেউ আছেন 'তাফহীমাত' আর 'তাফহীমুল কোরআন' যে স্বতন্ত্র গ্রন্থ- এটাই জানেননা। মাও. মওদুদীর পাচঁটি বইয়ের নাম বলতে বললে তখন তাদের চেহারার যে কি অবস্থা হবে! তবে আপনাকে তাদের থেকে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে।
আমি বলিনি যে, মাও. মওদুদী ইব্রাহীম আ. কে শিরক করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। ইসলামের কোন চরম শত্রু বা কোন বিধর্মী-কাফেরও ঐ ঘটনায় ইব্রাহীম আ. সম্পর্কে বলেননি- তিনি শিরক করেছেন, কিম্বা ঐ বিষয়ে আজ পর্যন্ত কেউ কোন প্রশ্নও তোলেননি। এখানে শিরকের কথা আসবেই বা কেন? ইব্রাহীম আ. তো তখন তার রবকে চিনতেনই না। তিনি তখন নবীও নন।
নবীদের সম্পর্কে বলা কথাগুলো নেতিবাচক না হয়ে ইতিবাচক হওয়াটাই আদব।
আচ্ছা আপনার কাছে একটি প্রশ্ন, "প্রায়শ:ই পয়গম্বরগণও তাদের কু-প্রবৃত্তির মারাত্মক আক্রমনের সম্মুখিন হয়েছেন। কোন কোন নবী দ্বীনের চাহিদার উপর স্থির থাকতে পারেন নি। তারা আপন মানবীয় দুর্বলতার কাছে হার মেনেছেন।" -আপনারও কি তাই মনে হয়? এটি সম্ভব?
আবূসামীহা বলেছেন:
একটা উপদেশ দেয়ার মত আস্পর্ধা করি। মওদূদী সাহেবের সম্পর্কে শুনা কথা বা তাঁর সম্পর্কে তাঁর বিরোধীদের লিখা থেকে এ রকম সব উক্তি না করে বরং নিজে গিয়ে আগে উনার লিখাটা মূল থেকে পড়ুন। তারপর সমালোচনা করুন। উনার মূল উর্দু লিখাগুলোই পড়ুননা কেন? আপনি তাঁর লিখা সরাসরি পড়েননি তা তায়েফ আহমাদের উপরের মন্তব্যেই পরিস্ফুট।আমি বাংলাদেশের বাইরে একটা স্কুলে শিক্ষকতা করি। হঠাৎ একদিন দেখি আমার দু'ছাত্রীর মাঝে কথা কাটা-কাটি হচ্ছে। দু'জনই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। খোঁজ নিয়ে দেখলাম একটা বই নিয়ে ওরা কথা বলছে। আমি চেয়ে নিয়ে দেখলাম বইয়ের নাম "মিঃ মওদূদীর নতুন ইসলাম।" আমি আগেও যেন কারো কাছে শুনেছিলাম নামটা। যে মেয়েটার কাছে বইটা ছিল তাকে আমি জিজ্ঞেস করলাম কোন তবলীগী তাকে বইটা দিয়েছে কিনা? সে হাঁ বোধক জবাবই দিল। আসলে তার আব্বা তবলীগ জামাতের সাথে কাজ করেন। তিনি বইটা তাকে দিয়েছেন। তার কাছ থেকে বইটা চেয়ে নিয়ে এসে আমি পড়লাম। পড়ার পর হাসা ছাড়া আমার আর করার কিছুই ছিলনা। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।
ক'দিন আগে আমার সামনেই একলোক মওদূদী সাহেবএর সমালোচনা করছিল কওমী মাদ্রাসা থেকে ফারেগ হওয়া একজন আলিমের সামনে। ঐ আলিম সাহেব লোকটাকে বললেন, "তুই কোন সাহসে মওদূদী সাহেবের বিরুদ্ধে কথা বলিস? উনি যে কিতাবগুলো লিখেছেন সেগুলো দিয়ে চাপা দিলেইতো তুই মারা যাবি।" শুনে আমার পেটে খিল লাগার যোগাড়।
সবশেষে একটা বইয়ের কথা বলি যা আমার হাতে এসেছে বছর খানেক আগে। এখনো পুরো পড়ে শেষ করিনি। বইটার নাম হচ্ছে "নাজারাত ফী ফিকরি আবিল আলা আল-মওদূদী"। লিখেছেন ডঃ শায়খ মুহাম্মদ সাঈদ আব্দুল হালীম [ভূতপূর্ব অধ্যাপক আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো।] লিখক আন্তর্জাতিক মানের আলিম ও ফকীহ। এই বইটিও মূলত মওদূদী সাহেবের সমালোচনামূলক। কিন্তু লিখক শুরুতেই শিকার করেছেন মওদূদী সাহেবের ইলমের প্রখরতাকে। তিনি এভাবে লিখেছেন, "আবুল আলা আল-মওদূদী আলিম মিন উলামাইল-ইসলাম।" একজন যথার্থ আলিম বলেই তিনি আবুল আলার পাণ্ডিত্যকে স্বীকার করে নিলেন এবং তিনি ইসলামের আলেমদের অন্যতম একজন একথা স্বীকার করলেন। আর এভাবে আমাদের উলামারা পরস্পরের সমালোচনা করেন। সমালোচনায় কারো মান ইজ্জত নষ্ট হয়না। বরং তাঁদের মর্যাদা বাড়ে।
মুশকিল হচ্ছে আমাদের উপমহাদেশের উলামা নামধারী তালিবুল ইলমদের [যেভাবে ইমাম শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ্ [রঃ] এদেরকে আখ্যায়িত করেছেন] নিয়ে। এরা হিংসা এবং বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে মওদূদী সাহেবের লিখাগুলো থেকে বিভিন্ন অংশ তার আগের ও পরের অংশ বাদ দিয়ে উদ্ধৃত করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তায়েফ আহমাদ তাঁর মন্তব্যে এর প্রমাণ দিয়েছেন। এদের উদ্দেশ্য হচ্ছে অসৎ। সমস্যা এখানেই। তারা যদি সদুদ্দেশ্যে এগুলো করতেন তাহলে ব্যাপারটা এমন হতনা।
লেখক বলেছেন: জ্বী, আমিও জনাব মাও. মওদুদীর পান্ডিত্যকে স্বীকার করি। পাকিস্তানের মুফতি ত্বকী উসমানি(দা. বা.) যিনি আন্তর্জাতিক ফিকাহ একাডেমী, সৌদি আরব-এর ভাইস চেয়ারম্যান যার লিখিত বই উপমহাদেশে মাও. মওদুদীর গ্রন্হগুলির চেয়েও জনপ্রিয়, তিনিও মাও. মওদুদীর পান্ডিত্যের প্রশংসা করেছেন। ৩৯ বছর আগে তিনি মাও. মওদুদী লিখিত "খিলাফাত ও রাজতন্ত্র"এবং তার একান্ত সহকারী জাস্টিস মালিক গোলাম আলী রচিত "খিলাফাত ও রাজতন্ত্র গ্রন্থের ওপর অভিযোগের পর্যালোচনা"-বইয়ের জবাবে একটি বই লিখেছেন " ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ)"-যার যৌক্তিক জবাব আজ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ হতে দিতে পারেনি। মাও. দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী তার "ইসলামের রাজনৈতিক বিধান" বইতে স্বীকার করেছেন মুফতি ত্বকী উসমানি সাহেব বইটিতে ভারসাম্যপুর্ণ এবং গ্রহনযোগ্য সমালোচনা করেছেন। আমি আপনাকে অন্তত ঐ একটি বই পড়ার অনুরোধ করছি।
আরেকটি কথা, আপনাকে সহ সবাইকে বলছি- ইসলামিক ফাউন্ডেশান বাংলাদেশ হতে বিখ্যাত প্রায় সকল তাফসির গ্রন্থই প্রকাশিত হয়েছে । "তাফহীমুল কোরআন" যদি একটি গ্রহনযোগ্য তাফসিরই হবে তাহলে অদ্যাবধি ইসলামিক ফাউন্ডেশান থেকে সেটা প্রকাশিত হলনা কেন? জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়ও সেটা প্রকাশ করার সাহস পেলনা কেন? ৩০ বছর আগের সংস্করনের সাথে বর্তমান সংস্করন মিলালে কিছু কাটছাট,সংযোজন-বিয়োজন পরিলক্ষিত হয় কেন?
আবূসামীহা বলেছেন:
আর একটা কথা বলি! আপনি মনে হয় রসূলুল্লাহ [সল্লা আল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম] এর সেই হাদীসটি পড়েছেন বা শুনেছেন যেখানে তিনি [সঃ] বলেছেন, كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ
"কারো মিথ্যাবাদী হবার জন্য এটাই যথেষ্ঠ যে সে যা শুনে তা-ই নির্বিচারে বলে বেড়ায়।" [মুসলিম- আবূ হুরায়রা [রাঃ] থেকে]
আল্লাহ আমাদের সবাইকে পারস্পরিক ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়ানো থেকে হিফাজত করুন! আমীন!
লেখক বলেছেন: হ্যা, হাদীসটি আমার চেয়ে মাও. মওদুদীই ভাল জানতেন। কিন্তু তিনি শীয়া ঐতিহাসিকদের বর্নণাকে ভিত্তি করে তার রচনাগুলিতে নবী-রাসূল, সাহাবাগণ, সালফে-সালেহিন ও আকাবিরে দ্বীন সম্পর্কে যে অশোভন উক্তিগুলো করেছেন এবং পারস্পরিক ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন- এ ব্যাপারে কী বলবেন?
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
Maulana Wahiduddin Khan এর মওদুদি ও জামাতকে নিয়ে লেখা একটা বিশ্লেষণ মূলক বই আছে বইটার বাংলা অথবা ইংরেজি কপি যদি আপনার কাছে থেকে থাকে দয়া করে শেয়ার করুন ব্লগারেরা প্রতারক মওদুদির আসল চেহারা সম্পর্কে জানতে পারবে
লেখক বলেছেন: না, বইটির কোন কপি আমার কাছে নেই। প্রকৃত সত্যানুসন্ধানীরা নিজেরাই সত্য খুজতে থাকে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালবাসাকারেকয় বলেছেন:
লেখক ভাই আপনি কোন পীরের ভত্ত? চর মনাই? দেওয়ান বাগী? আপনার দৃষ্টিতে কে ভাল চরমনাই নাকি দেওয়ান বাগী ??
ব্যাখ্য কইরেন। বুইজচেন ।
লেখক বলেছেন: অপ্রাসাঙ্গিক।
ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন:
কিছু পাব্লিক যাদের এসব পোস্টে আগ্রহ নাই, অথবা পছন্দ করে না তারাই শুধু মাইনাস দিয়া যায়।
কুয়াশা বলেছেন:
আচ্ছা ভাই আপনার দৃষ্টিতে শহীদ হাসানুল বান্না কেমন?
লেখক বলেছেন: অপ্রাসাঙ্গিক।
সীমাহীন সমুদ্র বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভাই, এত লিংক দিয়ে কি হবে? মানুষ আজকাল অনেক সচেতন।আপনার যা ইচ্ছা তা আপনি গেলাতে পারবেননা। লেখা পড়ার আগে লেকককে দেখে আগে। লেখকের উপর নির্ভর করে লেখার গ্রহনযোগ্যতা।আপনি কি খুব ভা্ল লেখক???আপন যে কি খিচুড়ী মা্নুষরে গেলান তা রেটিং দেখে বোঝা যায়।যত্ত সব ভন্ড লোকজনে ব্লগ ভইরা গেছে।
ধানসিঁড়ি কে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: না, আমি মোটোও ভাল লেখক নই। তবে এরাঁ কিন্তু ভাল লেখক-
জাস্টিস আল্লামা তাকী উসমানী (দা:বা![]()
আশরাফ আলী থানভী রহ.
হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.
মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ)
মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ)
মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
আল্লামা আহমাদ শফী(দা: বা![]()
মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(দা:বা![]()
মাহফুজশান্ত বলেছেন:
মহান আল্লাহতায়ালা যেন অবুঝদের বোঝার ও সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন।লেখক ভাই, মুক্তিযুদ্ধের সময় অন্যায়ের পক্ষে তাদের অবস্থান এবং বিদেশে বসে তাদের কারো কারো নির্লিপ্ত ভাবাবেগ সম্পর্কে কিছু বলুন।
লেখক বলেছেন: মহান আল্লাহতায়ালা যেন অবুঝদের বোঝার ও সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন।
আমীন।
বিবিধ বলেছেন:
২২ নং কমেন্টে তায়েফ আহমাদ ও ২৩ নং কমেন্টে আবূসামীহা যা বলেছেন তারপর আর কিছু বলার দরকার নাই। আপনি মওদূদীর রচনা যে পড়েননি তা স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে। মওদূদীর বিরুদ্ধে লেখা কিছু বই থেকে মওদূদীর লেখার 'কাটপিস' উদ্ধৃতি দিয়ে তার উক্তিকে ধৃষ্টতাপূর্ণ বলাটা চরম অন্যায়।
কষে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: এগুলোও দেখতে পারেন, এতে আবার কোন মিথ্যা আছে কিনা!
১. ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ) -জাস্টিস তাকী উসমানী (রশীদ কল্যান ট্রাস্ট)
২. মাওলানা মওদূদীর সাথে আমার সাহচার্যের ইতিবৃত্ত – মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ) (ঐ)
৩. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম -মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ) (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৪. মওদূদীর চিন্তাধারা ও মওদূদী মতবাদ -ইজহারে হক ফাউন্ডেশান; প্রাপ্তিস্থানঃ (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৫. ফিতনায়ে মওদুদীয়াত – মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
৬. ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
৭. সতর্কবাণী -মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
৮. হক্ব বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব- আল্লামা আহমাদ শফী, হাটহাজারী।
৯. ঈমান ও আক্বীদা -ইসলামিক রিসার্স সেন্টার, বসুন্ধরা।
১০. ফতোয়ায়ে দারুল উলূম (আংশিক)
১১. ইসলামি আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ -মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(১১/১, বাংলাবাজার, ঢাকা)
১২. আহসানুল ফতোয়া
মোরশেদুল আজাদ পলাশ বলেছেন:
+++সহ প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন:
খুবই ভাল লিখেছেন +++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
ভাল লাগেনি-------------------
লেখক বলেছেন: সকলের যে ভাল লাগবেনা তা তো আমিও জানি।
আমি প্রথমেই বলেছিলাম যে, মাওলানা মওদূদী দোষে-গুনে ভরা মানুষই ছিলেন। তাঁর দ্বারা কোন ভুল বাক্য ব্যবহৃত হতেই পারে না- এমন ধারনা আমার নেই।
কিন্তু, আপনি যে মূল বইগুলো না পড়েই মাওলানা মওদূদীর এই উক্তিগুলো সরাসরি অভিযোগকারীদের জবান থেকে তুলে ধরেছেন বলে আমি যে অভিযোগ করলাম, সেটিকে আপনি এড়িয়ে গেলেন!
ইবরাহিম(আ) সম্পর্কে মাওলানা মওদূদীর কথা যতটুকু আপনি তুলে ধরেছেন, ততটুকুতে একজন কান্ডজ্ঞান সম্পন্ন মানুষও এটাই ভেবে নেবেন যে, ও কথা দ্বারা তিনি একজন মহান নবীকে শিরকের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। যদি, এ কথা দ্বারা আপনার এটি দেখাবার ইচ্ছে থাকত যে, তিনি আদবের বরখেলাফ করেছেন, তাহলে, অনুচ্ছেদের পরের অংশ সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা দেয়াটা সুবিচারের দাবীদার ছিল। ভেবে দেখবেন আশা করি।
২২ নং মন্তব্যের শুরুতেই আমি বলেছিলাম, "আপনার প্রথম পর্বের লেখা দেখে আমি ভেবেছিলাম যে, আপনি গতানুগতিক ঢালাও অভিযোগ করার বাজে প্রথার বাইরে এসে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যসূত্র দেবেন! যেখান হতেই অভিযোগটি পড়ে থাকুন না কেন, মূল বইটা পড়ে তারপর অভিযোগটির সত্যতা তুলে ধরবেন! এখানে, আমি দুঃখের সাথে বলছি যে, আমি তা পেলাম না" আপনি সে কথাও এড়িয়ে গিয়ে ভিন্ন প্রসঙ্গের অবতারনা করলেন।
যেখানে পোষ্টদাতা হিসেবে মন্তব্যের জবাব দেয়াটা আপনার দায়িত্ব, সেখানে উলটো আপনি নবীগণের নিষ্পাপ হওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে মাওলানার বিতর্কিত উক্তির ব্যাপারে আমার মতামত চেয়ে বসলেন, যা অযৌক্তিক।
আমি প্রথমেই ভেবেছিলাম, কিছুই বলব না আর এই প্রসঙ্গে। এখন মনে হচ্ছে, কে কী বলেছেন, কে কোথায় ধৃষ্টতা করেছেন, কে সেটির উত্তম জবাব দিয়েছেন, সে সব ছেড়ে আসুন সেদিকে চোখ দিই, যার উপরে কোন কথা নেই। সে প্রসঙ্গেই আপনাকে দুইটি প্রশ্ন করি।
১. সুরা তাওবা ৪৩ নং আয়াত এবং সুরা আবাসা কাকে লক্ষ্য করে, কোন উদ্দেশ্যে নাযিল হয়েছিল?
২. সুরা হুদ ৪৬ নং আয়াত এবং সুরা আম্বিয়া ৮৭ নং আয়াতের তাৎপর্য কী?
আরেকটা কথা। আপনি আমার এবং অন্য কয়েক জনের মন্তব্যের জবাবে বলেছেন যে, জাস্টিস মালিক গোলাম আলী রচিত "খিলাফাত ও রাজতন্ত্র গ্রন্থের ওপর অভিযোগের পর্যালোচনা" বইয়ের জবাবেই আল্লামা তক্বী উসমানী "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া(রা)" বইটি লিখেছেন। আমার জানাটা উলটো। “খেলাফত ও রাজতন্ত্র” বইয়ের সমালোচনা করে তক্বী উসমানী বইটি লিখেছেন(তিনি ছাড়াও আরো অনেকেই এর সমালোচনা করেছেন), যার জবাবে জাস্টিস গোলাম আলীর বইটি লিখিত হয়েছে।
এছাড়া আপনি আপনার কথার সমর্থনে যা সব মহান আলেমদের নামগুলোকে টেনে আনছেন, তাঁরা মহান মর্যাদার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেই বলছি, এঁরা কেউই মানবিক ভুল-ত্রুটির উর্ধ্বে ছিলেন না! মধ্যপ্রাচ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাওলানার লেখা ছড়িয়ে পড়লেই যেমনি তাঁর পান্ডিত্য প্রকাশ পায় না, তেমনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে তাঁর গ্রন্থ প্রকাশিত না হলে তাঁর অজ্ঞতা প্রমানিত হয় না। মূল কথা হলো, তিনি যা বলছেন, তা কুরআন-সুন্নাহের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কীনা!
কথাগুলো বোঝাতে পেরেছি, আশা করি?
লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন-"মাওলানা মওদূদী দোষে-গুনে ভরা মানুষই ছিলেন। তাঁর দ্বারা কোন ভুল বাক্য ব্যবহৃত হতেই পারে না- এমন ধারনা আমার নেই।"
আপনার ধারনার সাথে আমিও একমত। তবে ভুল করে তা সঠিক মনে করা আর উক্ত ভুল বোঝার পরে তা থেকে ফিরে আসার মধ্যে বিস্তর পার্থক্য- এটা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন।
"মূল বইগুলো না পড়েই মাওলানা মওদূদীর এই উক্তিগুলো সরাসরি অভিযোগকারীদের জবান থেকে তুলে ধরেছেন "
হ্যা, যদিও আমি কয়েকটি উদ্বৃত্তি সেকেন্ডারি সোর্স থেকে উল্লেখ করেছি। তবে উদ্বৃত্তিগুলির সংকলকদের উপর আস্থা রেখেই তা করেছি।
"আমার জানাটা উলটো।"
মুলত: ত্বাকী উসমানি সাহেবের 'আল বালাগ' পত্রিকার লেখার জবাবে জাস্টিস মালিক গোলাম আলী 'তরজমানুল কোরআন'- পত্রিকায় লিখতে থাকেন। পরবর্তীতে 'আল বালাগ' পত্রিকায় এর জবাব দেওয়া হয়। 'তরজমানুল কোরআন'-এর নিবন্ধগুলো "খিলাফাত ও রাজতন্ত্র গ্রন্থের ওপর অভিযোগের পর্যালোচনা" -শিরোনামে বই আকারে বের হয়। আর 'আল বালাগ' পত্রিকার জবাবভিত্তিক নিবন্ধগুলোগুলো "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া(রা)" নামে ১৯৭১ সালে বই আকারে বের হয়। যদিও জাস্টিস মালিক গোলাম আলীর 'তরজমানুল কোরআন'-এ লিখিত নিবন্ধগুলো বই আকারে বের হয় "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া(রা) " এর বের হওয়ার পরে।
"আপনার কথার সমর্থনে যা সব মহান আলেমদের নামগুলোকে টেনে আনছেন, তাঁরা মহান মর্যাদার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেই বলছি, এঁরা কেউই মানবিক ভুল-ত্রুটির উর্ধ্বে ছিলেন না!"
অবশ্যই তারা মানবিক ভুল-ত্রুটির উর্ধ্বে ছিলেন না, কারন তারা তো আর নবী-রাসুল ছিলেন না! তবে তারা তাদের ভুল ধরিয়ে দেয়ার পর তা স্বীকার করতেন, উক্ত ভুল থেকে তওবা করতেন। ভুল হওয়াটা দোষনীয় নয়, স্বীকার না করাটাই দোষনীয়। আহ, আমাদের মওদুদী সাহেবেরও যদি এই ভুল স্বীকার করার গুণটি থাকত! তিনি আজ বেচেঁ নেই। সুতারাং তার সম্পর্কে আমরা শুধু এই কামনা করতে পারি যে, আল্লাহ তা'আলা তার নেক আমলগুলোর উত্তম বিনিময় দান করুন এবং তার পদস্থলনগুলো ক্ষমা করুন।
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন:
@ লেখক: তায়েফ আহমদ বলেছেন:এছাড়া আপনি আপনার কথার সমর্থনে যা সব মহান আলেমদের নামগুলোকে টেনে আনছেন, তাঁরা মহান মর্যাদার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেই বলছি, এঁরা কেউই মানবিক ভুল-ত্রুটির উর্ধ্বে ছিলেন না! মধ্যপ্রাচ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাওলানার লেখা ছড়িয়ে পড়লেই যেমনি তাঁর পান্ডিত্য প্রকাশ পায় না, তেমনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে তাঁর গ্রন্থ প্রকাশিত না হলে তাঁর অজ্ঞতা প্রমানিত হয় না। মূল কথা হলো, তিনি যা বলছেন, তা কুরআন-সুন্নাহের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কীনা!কথাগুলো বুঝতে পেরেছেন আশা করি?
স্রেফ কাউকে ছোট করার জন্য লিখবেন না... শেষে আল্লাহপাক আপনাকেই ছোট করে ফেলবেন।
আমার কমেন্টের জবাবে আপনি আমাকেও ছোট করার চেস্টা করেছেন, অন্ধভক্ত বলে। একাজ টা করেন আ.গা.চৌ।
ইউরোপের বৃহত্তম মসজিদ হবে অলিম্পিক নগরী স্টার্টফোর্ডে, লন্ডন।
তাবলীগ জামায়াতের লোকজন এর সাথে জড়িত.। সরকার এটা বানাতে দিচ্ছেনা। আমরা যারা সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরোদ্ধে ও যেকোন মূল্য মসজিদ নির্মান করার জন্য সাপোর্ট দিচ্ছি এটা করা কি ঠিক হচ্ছে???
আমিতো অন্ধ ভক্ত।
দ্য়া করে কি বলবেন আপনার চোখে কোন আলো আছে??
আপনিও কি অন্ধের মতো.. গোয়েবলসের মতো... শুধু মাওলানা মওদূদীকে ছোট করার আপ্রান চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন না????
যে চেস্টা আমরা দেখি পাশ্চাত্যে করে ইহূদীরা............।
আমিতো কখনো আপনার দেয়া লিস্টের কোন মাওলানাকে জামায়াত কতৃক গালিগালাজ করতে শুনিনি। অথচ আমি স্বাক্ষী বাংলাদেশের এক মসজিদের ইমাম কে মসজিদের ভেতর দাঁড়িয়ে মওদূদীকে গালি গালাজ করতে শুনেছি.....
বাদ দেন ভাই, ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়েন...
লেখক বলেছেন: "দ্য়া করে কি বলবেন আপনার চোখে কোন আলো আছে??
আপনিও কি অন্ধের মতো.. গোয়েবলসের মতো... শুধু মাওলানা মওদূদীকে ছোট করার আপ্রান চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন না????
যে চেস্টা আমরা দেখি পাশ্চাত্যে করে ইহূদীরা............।"
যিনি নবী-রাসুল, সাহাবাগণ, সলফে-সালেহিনদের ছোট করার আপ্রান চেস্টা চালিয়েছেন- তাকেও কি ইহূদীর সাথে তুলনা করবেন?
আল্লাহর পথের মুজাহিদ বলেছেন:
মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) জামাতের বিরূদ্ধে সকল প্রচারনার জন্য জামাতের জনসভাতে এসে তওবা করেছিলেন তা এদেশের সকল লোক জানে। ......................পাগলে কি না বলে, ছাগলে কি না খায়!
লেখক বলেছেন: আমিতো এখনো হাসছি .....
মাহদী হাসান বলেছেন:
@তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি প্রথমেই বলেছিলাম যে, মাওলানা মওদূদী দোষে-গুনে ভরা মানুষই ছিলেন। তাঁর দ্বারা কোন ভুল বাক্য ব্যবহৃত হতেই পারে না- এমন ধারনা আমার নেই।সহমত।
আমি নিজে জামায়াতে ইসলামী বা শিবির সমর্থণ করি না। কিন্তু মাওলানা মওদূদী নিয়া বেশি বির্তকের পক্ষপাতিনা। ভূল মত না মানেলই হল।ওনার আনেক ভাল বইও আছে পরতে পারেন।
আর জামায়াতে ইসলামী ভাইেদরও বলি মাওলানা মওদূদী সাহেবই একমাত্র আলেম তাতো নয়, দুনিয়ায় আরও আলেম আছে তাদের বই ও পরেন।
লেখক বলেছেন: হ্যা, ভুল হওয়াটা দোষনীয় নয়, স্বীকার না করাটাই দোষনীয়। আহ, আমাদের মওদুদী সাহেবেরও যদি এই ভুল স্বীকার করার গুণটি থাকত! তিনি আজ বেচেঁ নেই। সুতারাং তার সম্পর্কে আমরা শুধু এই কামনা করতে পারি যে, আল্লাহ তা'আলা তার নেক আমলগুলোর উত্তম বিনিময় দান করুন এবং তার পদস্থলনগুলো ক্ষমা করুন।
এই দুইটি প্রশ্নের উত্তর না পেলে তো আলোচনাকে এগিয়ে নিতে পারছি না!
লেখক বলেছেন: আপনি কী বলতে চাইছেন মনে হয় বুঝতে পেরেছি। আপাতদৃষ্টিতে নবীদের ক্ষেত্রে তারা যা ভুল করেছেন বলে মনে হয় সেগুলি আসলে কোন ভুলই নয়। মুজতাহিদগণের ক্ষেত্রে পর্যন্ত ইজতিহাদগত ভুলের কারনে তারা গোনাহগার হননা। নবী-রাসুলগণতো ইজতিহাদগত ভুলও করেন না। আর কোরআন শরীফে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা অনেক নবীকে মৃদু তিরস্কার করেছেন, যার একটি উদ্দেশ্য হল বান্দাদের উত্তম-অনুত্তম শিক্ষা দেওয়া (যেমন, সুরা আবাসা)। আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের স্কলারদের আকীদা হোলো এই মৃদু তিরস্কার আল্লাহ তাআলা করতে পারেন , কিন্তু আমরা সেই ভাবে বলতে পারি না । আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।
সাহায্যপ্রাপ্ত বলেছেন:
আপনার দৃষ্টিভঙ্গি যুগে যুগে ইসলামের শত্রু, কাফেরদের চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়. তাদের সামনে যখন সত্য প্রকাশিত হয় তখন তারা তা প্রত্যাখ্যান করার জন্য প্রকাশকের চরিত্র হনন করে. যদি বলেন মওদুদী জীবনে কোনো সত্য উপস্থাপন করতে পারেননি তাহলে সেটা ভিন্ন কথা. যদি তা না বলতে পারেন এবং সেই সত্য কেও আঁকড়ে ধরতে প্রস্তুত না হোন তাহলে যে আপনি তার চরিত্র হনন করার কাজে লিপ্ত হবেন এতে আর অবাক হবার কি আছে. আপনাকে আহবান জানাই, মিথ্যা কে সম্পূর্ণ রূপে বর্জন করে সত্য কে গ্রহণ করুন.
লেখক বলেছেন: আপনার এই কথাগুলো কি এনাঁদেরকেও বলবেন?
জাস্টিস আল্লামা তাকী উসমানী (দা:বা![]()
আশরাফ আলী থানভী রহ.
হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.
মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ)
মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ)
মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
আল্লামা আহমাদ শফী(দা: বা![]()
মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(দা:বা![]()
সাহায্যপ্রাপ্ত বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনার এই কথাগুলো কি এনাঁদেরকেও বলবেন?আমার পক্ষ থেকে আপনি ই বলে দিয়েন।
আবু জেহেলের প্রকৃত নাম কিন্তু মুর্খের পিতা নয়, জ্ঞানীর পিতা। সে জানত কুরআন সত্য, তবুও সে মুহাম্মদ (সা: ) কে পাগল, কবি ইত্যাদি বলতো। তাই বলে কি আমাদের রাসুল (সা: ) পাগল ছিলেন? নাউজুবিল্লাহ. সে এটা করেছিল তাঁর চরিত্র হনন করার জন্য. এই সব লোক যাদের নাম আপনি উল্লেখ করলেন তারাও জানেন মাওলানা মওদুদী যা বলতে চান (নবী রাসূলগণ গুনাহগার এটা প্রচার করা তার জীবনের লক্ষ্য নয়, মানুষ যেন সত্যিকারের মুসলমান ভাবে জীবন যাপন করে, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যেন তারা সত্যের সাক্ষ্য বহন করে তিনি এটাই বলতে চান) তা সত্য. কিন্তু তারা তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত নন বলেই এই প্রচেষ্টা.
মেগামেন বলেছেন:
আচ্ছা, "ওয়াহদাদুল উজুদ" কি? আপনি যে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন তারা নাকি এই আকীদায় বিশ্বাসী?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদী যে কারনে আলেম সমাজের নিকট প্রত্যাখ্যাত হলেন (২য় পর্ব): নবী-রাসুলগণের প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি-২